Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

আজকাল আয়োজিত আড্ডায় বক্তারা = বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়

শনিবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৭

Picture

২৮ অক্টোবর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের খাবারবাড়ী চাইনিজ রেস্তোঁরায় সাপ্তাহিক আজকাল আয়োজিত আড্ডায় এ বক্তব্য উঠে আসে।অভিনেতা আফজাল হোসেন ও সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজাকে নিয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়। আজকাল এর দশমবর্ষ পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এ আড্ডার আয়োজন। সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ আড্ডার সূচনা করেন।

alt
বক্তব্য রাখেন অভিনেতা আফজাল হোসেন, আজকালের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশ জাকারিয়া মাসুদ জিকো, সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা, আজকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিলা হোসেন, অভিনেত্রী রেখা আহমেদ, রিমন ইসলাম, হাকিকুল ইসলাম খোকন, মুজিব বিন হক,লিটা শাহরিন আশরাফ, তমিজউদ্দীন লোদী, শামস আল মমীন, লিজি রহমান, মোহাম্মদ আলী ছিদ্দিকী, আনিসুর রহমান দিপু, খন্দকার ফরহাদ, এবিএম সালাহ উদ্দিন, আকবর হায়দার কিরণ, শাহাব উদ্দিন সাগর,  চলচ্চিত্র নির্মাতা এসএ হক অলিকসহ বিশিষ্টজনরা।

alt
অভিনেতা আফজাল হোসেন বলেন, আমার একটি নিজস্ব ভাবনা আছে। আমার যখন যা করতে ইচ্ছে হয় আমি তাই করি। আমার এখন লিখতে ইচ্ছে? লিখবো। এখন আঁকতে ইচ্ছে, আঁকবো। কারণ আমি এসব বিষয় উপভোগ করি। এর বাইরে আমি মনে করি সমাজের জন্য আমার কিছুর করার আছে। আমি সেটিই করি। সে ভুমিকাই পালন করি।তিনি বলেন, আমাদের সন্তানরা বড় হচ্ছে তাদের মতো করে। আমরা বড় হয়েছিলমা অন্যভাবে। আমি এখন আমার ছেলেকে চোখের ইশারায় কিছু করাতে পারব না। তাকে দিয়ে কিছু করাতে হলে রাজী করাতে হয়। বুঝাতে হয়।চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের ডাইলগ আছে আগের মত, ভাবনাগুলো আগের মত। শুধু অভিনেতা বা শিল্পী বদলেছে।

alt
গোলাম মোর্তোজা বলেন, আমরা প্রায় সময় রাজনৈতিই ইস্যুতে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হই। গেল নির্বাচনে বিনা ভোটে দেড়শো‘র অধিক প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন বলছে তারা ২০১৯ সালের নির্বাচনকে সামনে নিয়ে এগুচ্ছেন। দেশের মানুষ একটি নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়।তিনি বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন নিয়ে বহু কথা হয়। আইয়ুব খানের আমলের উন্নয়নের বিষয়টি ছিল ঠিক এই রকম। যেমন গণতন্ত্র নয় উন্নয়ন। এখনও তাই হচ্ছে। গণতন্ত্র নয় উন্নয়ন। এ ধারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ধারা নয়। তিনি মানুষকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছেলিনে। আজ সেই গণতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ। ৭১ সালের চেতনার কথা আমরা বলছি। কিন্তু এখনকার চেতার সঙ্গে একাত্তর সালের চেতনার মিল খোঁজে পাওয়া দু:স্কর।

alt
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। রোহিঙ্গা সমস্যা বর্তমান সরকার সৃষ্টি করেনি। বাংলাদেশ সমস্যা শিকার। প্রশ্ন হলো এ ইস্যুতে সরকারের নীতি কি? সরকার একবার বলছে ‘আমরা রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করতে দিব না।’ আবার বলছে ‘আমরা মানবিক’। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। মিয়ানমারের মন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিষয়টি আলোচনার মধ্যে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাসস বলেছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুচির সংবেদনশীল। অথচ সেই সুচির সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের কথা ভাবছে কানাডা। যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সুচিকে যে ডিগ্রী দিয়েছিল তা প্রত্যাহারের কথা বলছে। বাংলাদেশ বলছে সুচি সংবেদনশীল। এতে করে বলা বাহুল্য রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের নীতি স্পষ্ট নয়।

alt
মুজিব বিন হক বলেন, বাংলা চর্চা কমে যাচ্ছে। প্রবাসে আমরা যে বাংলা চর্চা করছি আমাদের প্রজন্ম সেটি ভাববে কি না? প্রবাসে আছি দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশের রাজনীতির খোঁজ রাখি না। কারণ বাংলাদেশ নিয়ে দু:খ হয়। বিরোধী দল বিহীন বাংলাদেশ কিভাবে সরকার দ্বারা শাসিত হয়?
আবু তালেব চৌধুরী চান্দু বলেন, আমাদের নাটকগুলোতে গ্রামে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশে এমনও নাটক তৈরি হচ্ছে শুধুমাত্র রাজধানীর ইট পাথরের দেয়ালের ভেতর বা বসার ঘরে। আমাদের প্রজন্মের জন্য এমন নাটক তৈরি করতে হবে যেখানে সুজলা-সুফলা সোনার বাংলার চিত্র দেখা যায়।

alt
আজকালের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক জাকারিয়া মাসুদ জিকো বলেন, আজকাল বাংলাকে প্রবাসীদের কাছে পরিচিত করাতে চায় বলেই এত আয়োজন। আমি না থাকলেও আজকাল থাকবে। আজকাল বাংলা সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করবে। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিলা হোসেন বলেন, আমি চেষ্টা করি আমার সন্তানদের বাংলা পড়াতে। আমি সফলও হচ্ছি। আমার সন্তানরা বাংলাকে আপন করে নেয়। নির্মাতা এস এ হক অলিক বলেন, আমরা এখনকার নির্মাতারা ভিন্নভাবে চিন্তা করি। আগে সংলাপ নিয়ে ভাবনা ছিল। এখন আমরা চিন্তা করি প্রযুক্তি নিয়ে। বাজেট নিয়ে। আমরা লোকেশনকে প্রাধন্য দিয়, বাজেটকে প্রাধান্য দিই।


Add comment


Security code
Refresh