Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_gk3_photoslide/thumbs_small/components/com_gk3_photoslide/thumbs_small/images/plugins/system/mediaobject/js/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

সাহিত্য একাডেমি'র নিয়মিত মাসিক ৮৬-তম সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

রবিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নতুন বছরে প্রথম মাসে সাহিত্য একাডেমির নিয়মিত মাসিক ৮৬-তম সাহিত্য আসর। জমজমাট অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় ছিলেন ' সাহিত্য একাডেমি, নিউইয়র্ক 'এর পরিচালক মোশাররফ হোসেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতেই সদ্য প্রয়াত কথা সাহিত্যিক শওকত আলীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। সাহিত্য একাডেমির এবারের পুরো আসরে ঘুরেফিরে সবার কথায় গভীর ভালোবাসায় উঠে এসেছেন শওকত আলী।শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের এই পর্বে কবি তমিজ উদ্দীন লোদী বলেন, ' কথা সাহিত্যে হাতে গোণা কয়েকজনের নাম বলতে গেলে শওকত আলীর নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি প্রান্তিক মানুষের কথা বলতেন।

alt

নিপীড়িত, নিষ্পেষিত মানুষের সুখ, দু:খ, আশা, নিরাশা, বেঁচে থাকার সংগ্রামের কথা বলতেন। সাদা চোখে তিনি জীবনকে দেখেছেন বাস্তবতার কঠিন নিরিখে। শওকত আলী ছিলেন নিভৃতচারী, অন্তর্মুখী। খুব ধীরেসুস্থে কথা বলতেন। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদক প্রাপ্ত এই গুণীজন তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে। 'সবাইকে শওকত আলীর লেখা পড়ার আহবান জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

alt
লেখা পাঠের মাঝেমাঝে আলোচনায় যাঁরা অংশগ্রহণ করেন তাঁরা হলেন ফেরদৌস সাজেদীন, মোহাম্মদ ফজলুর রহমান, হুসাইন কবির, সাদিয়া চৌধুরী পরাগ,নীরা কাদরী।, কাজী আতীক, হুসনেয়ারা বেগম প্রমুখ।এবারের আসরে নিজেদের লেখা কবিতা, ছড়া পাঠ করেন সোনিয়া কাদের, মঞ্জুর কাদের, লিয়াকত আলী,কবি বিএম সালেহ উদ্দীন, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক হাকিকুল ইসলাম খোকন , শাহ আলম দুলাল, মনিজা রহমান, শাহীন ইবনে দেলওয়ার, পলি শাহীনা, সুরিত বড়ুয়া, রিমি রুম্মান, মাকসুদা আহমেদ, মোহাম্মদ আলী বাবুল, উইলি মুক্তি, ওয়াহেদ হোসেন, কামরুন নাহার রীতা, সবিতা দাস, আবু সায়িদ রতন, আহম্মেদ হোসেন বাবু, সালেহীন সাজু, আবুল বাশার, আলম সিদ্দিকী, আল আমিন বাবু, জাকির হোসেন মিয়া, লুৎফা শাহানা, আনোয়ার সেলিম, জুঁই ইসলাম প্রমুখ।

alt
আরো উপস্থিত ছিলেন ফরিদা ইয়াসমীন, শিল্পী শহীদ উদ্দীন, রাহাত কাজী শিউলি, শামস চৌধুরী, সৈয়দ আহমেদ জুয়েদ, মোহাম্মদ নাসিরউল্লাহ, পারভীন পিয়া, দিপু, ফজলে রাব্বী প্রমুখ। কথা সাহিত্যিক ফেরদৌস সাজেদীন উপস্থিত সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,গল্প, কবিতায় সাহিত্য একাডেমির ঘরটি পবিত্র থেকে পবিত্রতর হয়ে উঠেছে।

এমন একটি সুন্দর সন্ধ্যা উপহার দেয়ার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ভিনদেশে রবীন্দ্রনাথকে তুলে ধরে কাস্টমারের কাছে আত্মপরিচয় দেওয়া সহ তাঁর জীবনের বাস্তব দুটি ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন ভবিষ্যৎতে সাহিত্য একাডেমির মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশীরা গর্ব সহকারে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। 'সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন ' সম্পূর্ণ পিন পতন নীরবতায় যেন মনোমুগ্ধকর একটি অনুষ্ঠান উপভোগ করছি।'

সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, ' নেশা দ্রব্যের প্রতি কোন টান ছিলনা কিন্তু এখন সাহিত্য একাডেমিকে মনে হয় একটি নেশা দ্রব্য। সাহিত্য একাডেমির প্রতি প্রবল টান অনুভব করি। শওকত আলীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন তাঁর বাড়ীতে আলোচনার সময় শওকত আলী নিজের লেখা নিয়ে কোন কথা বলেন নি। তাঁর আলোচনায় উঠে এসেছে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষদের কথা। যারা নিজেদের কথা বলতে পারেন না, দাবী আদায় করতে পারেন না। লেখকদের উচিৎ তাঁদের কথা লেখা। '

alt

কবি কাজী আতীক তাঁর লেখা পাঠ করার আগে বলেন, সাহিত্য একাডেমি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অচিরেই পরিকল্পনাগুলোর কথা জানিয়ে দেয়া হবে।অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম বলেন, ' সাহিত্য রচনা করতে না পারলেও সাহিত্য প্রেমিকদের ভালোবাসি,তাই বারবার পরিচালকের আহ্বানে সাহিত্য একাডেমিতে চলে আসি।'কবি হোসাইন কবির সংখ্যা উল্লেখ করে বলেন, ' ৩৬ জনের পড়া শুনেছি, ৪ জনের বক্তব্য শুনে মনে হলো এটি একটি বড় কর্মযজ্ঞের জায়গা।

alt
ভবিষ্যৎতে সাহিত্য একাডেমির সাথে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।'দার্শনিক দেওয়ান আজরাফের কন্যা সাদিয়া চোধুরী পরাগ শওকত আলীকে স্মরণ করে বলেন, ' উত্তরের ক্ষেপ ' বারবার কাঁদায়, বারবার ভাবায়। তাঁর সাথে তাঁদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল।এছাড়াও আসরে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন প্রাসঙ্গিক ভাবে কথা বলেন।কবি সোনিয়া কাদির বলেন, ' এই শহরের অগণিত অনুষ্ঠানের মাঝে সাহিত্য একাডেমি নিজস্ব আলোয় আলোকিত এক জ্বলন্ত আলোকশিখা।'ছড়াকার মঞ্জুর কাদের বলেন, ' সাহিত্য একাডেমি দিনদিন বেশ যুবক হয়ে উঠছে। 'আবু সায়িদ রতন বলেন, ' সাহিত্য একাডেমির যে কোন নতুন পরিকল্পনার সাথেই আমরা থাকবো।'

কবি আনোয়ার সেলিম বলেন, ' সাহিত্য একাডেমিতে না আসলে লেখালিখি হতোনা। 'লিয়াকত আলী বলেন, ' প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার যেন কবিতার জন্মদিন। 'প্রথমবারের মত এসে লেখক কামাল হোসেন মিঠু বলেন, ' সাহিত্য একাডেমির কথা বহুবার শুনেছি, এসে ভাল লাগছে। ভবিষ্যৎতে নিয়মিত আসার চেষ্টা করবো। 'কবি মোহাম্মদ আলী বাবুল বলেন, ' সাহিত্য একাডেমি একটি ফুলের বাগান। একেকটি ফুল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সুবাস বিলায়, আমরা সে সুবাস গ্রহণ করি।

গীতিকার ইসতিয়াক রুপু জানান, ' প্রথম আলোতে প্রকাশিত সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানসূচী দেখে অনেকেই অনুষ্ঠানে আসেন।' তাঁর কথার রেষ ধরে পরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, 'অন্যান্য প্রচার মাধ্যমগুলোও যদি সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানের ঘোষণাটি প্রকাশ করেন তাহলে আরো অনেকেই সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানে আসতে পারবেন।'


আসরে চমৎকার আবৃত্তি করে শুনান কবি আহমেদ হোসেন বাবু এবং আবৃত্তিকার পারভীন সুলতানা।প্রাবন্ধিক শামসাদ হুসাম অন্য কবির একটি কবিতা পাঠ করেন।

এছাড়াও বুদ্ধদেব বসুর উপরে কবি শহীদ কাদরীরলেখা অত্যন্ত তথ্যমূলক একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন কবি পত্নী নীরা কাদরী।

সবাইকে ধন্যবাদ এবং আগামী আসরের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রায় আড়াই ঘন্টার অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


Add comment


Security code
Refresh