Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_gk3_photoslide/thumbs_small/images/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটি’র ১২তম আন্তর্জাতিক সেমিনার বঙ্গবন্ধু’র বাংলাদেশ ২মে মঙ্গলবার

বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ : বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটি’র উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক সেমিনার “বঙ্গবন্ধু’র -বাংলাদেশ” অনুষ্ঠিত হবে ২ মে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায়, নিউইয়র্কের উডসাইডস্থ কুইন্স প্যালেসে (৩৭-১১, ৫৭ ষ্ট্রীট, উডসাইড, নিউইয়র্ক,এনওয়াই- ১১৩৭৭)। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে মুল বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের আইন , বিচার ও সংসদ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক আইন , বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আবুল মতিন খসরু এমপি।খবর বাপসনিউজ।


উক্ত সেমিনারে সকল প্রবাসীদের স্বাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটির আহবায়ক মীর নিজামুল হক ও প্রধান সমন্ধয়কারী কামরুজ্জামান বাবুল। উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার তার্কিস এয়ারযোগে এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি ও সহধর্মিনী সেলিমা সোবাহান খসরু উক্ত সেমিনারে যোগদেওয়ার জন্য নিউইয়র্কে এসেছেন। যোগাযোগ ঃ ৬৪৬-৪৪১-১৯১৪ এবং ৯১৭-২৫৭-৩৪১৯।


প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইনে প্রবাসীদের অধিকার নিশ্চিতের দবি

বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : বাংলাদেশের প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন পুন:বিবেচনা করে প্রবাসীদের সকল সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেছেন, এ আইন পাস হলে দেশে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রবাসীরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত হবেন এবং জন্মগত নাগরিক অধিকার হারাবেন।

Picture

প্রবাসে বসবাসকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নতুন প্রজন্ম বংশগত অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। ফলে প্রবাসীদের মধ্যে প্রিয় মাতৃভূমি সম্পর্কে বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হবে। সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ’। বক্তারা খসড়া আইনটি পুন:বিবেচনা করে প্রবাসীদের স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

alt     

নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন ও প্রবাসীদের অধিকার’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। গত ২৪ এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসের বেলোজিনো মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক ও সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান। তিনি তার প্রারম্ভিক বক্তব্যে মূল বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন।alt

অনুষ্ঠানে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও হিউম্যান রাইটস এন্ড পীস ফর বাংলাদেশ এর সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ, উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু ও মঈনুদ্দীন নাসের, ক্লাবের সাবেক সভাপতি, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা’র সম্পাদক ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের এবং সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক বর্ণমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, এটর্নী মঈন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এন মজুমদার ও খান’স টিউটোরিয়াল-এর চেয়ারপার্সন নাঈমা খান। প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব শিবলী চৌধুরী কায়েসের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন প্রেসক্লাবের সদস্য রশীদ আহমদ। বৈঠকের মূল বিষয়বস্তুর আলোকে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা রাখেন আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, টিভি alt

উপস্থাপক ও ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, আইঅন বাংলাদেশ টিভি’র পরিচালক রিমন ইসলাম, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম, সাংবাদিক ইমরান আনসারী, বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আলী ইমাম

alt শিকদার, কাজী আজহারুল হক মিলন, মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ফরহাদ, অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ সোসাইটির সহ-সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার, ট্রাষ্টিবোর্ড সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসানুজ্জামান হাসান, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট কাজী নয়ন, জসীমউদ্দিন ভূঁইয়া ও টিভিএন২৪ এর সিনিয়ার রিপোর্টার মো. মঞ্জুরুল হক।alt

বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইনের খসড়া প্রকাশের পর প্রবাসীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ আইন যেভাবে খসড়া করা হয়েছে তা পাস হলে প্রবাসীদের স্বার্থ বিপন্ন হবে। সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে পাস করতে চেষ্টা করছে। তারা সময় থাকতে আইনটির খসড়া বিশ্লেষণ করে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি প্রবাসীদের স্বার্থ যাতে ক্ষুন্ন না হয় সেদিকগুলো বিবেচনা ও আইনে সংযোজন করার জোর দাবী জানান। বৈঠকে alt

বাংলাদেশের প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন সম্পর্কে প্রবাসীদের সচেতন করার লক্ষ্যে ওয়েবসাইট তৈরীর মাধ্যমে প্রস্তাবটির ভালো-মন্দ তুলে ধরা এবং একটি কমিটি গঠন করে প্রস্তাবটি নিয়ে কাজ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়। তারা প্রবাসীদের বাংলাদেশে সম্পত্তির পূর্ণাঙ্গ সমমর্যাদায় মালিকানা নিশ্চিত করা, তাদের সন্তানদের সম নাগরিক অধিকার, স্বদেশে তাদের জানমাল, সম্পত্তি ও বিনিয়োগের নিরাপত্তা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগসহ সব ধরণের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করারও দাবী জানান।


ইউ আর দ্য পিপলস’র সংবাদ সম্মেলন ভারতের সাথে সরকারের চুক্তির বৈধতা নেই

বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ ঃ আওয়ামী লীগ জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন না করায় ভারতের সাথে সরকারের চুক্তি করায় কোন অধিকার নেই এ দাবী করেছে ইউ আর দ্য পিপলস’র নামে বিএনপি’র ধারায় নিউইয়র্কের একটি সংগঠনের সংবাদ সম্মেলনে । খবর বাপসনিউজ।
গত ১৭ এপ্রিল সোমবার রাত ৮টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ব্যলোজিলো পার্টি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের আহবায়ক ও সিইও জ্যাকব মিল্টন এ উক্তি করেন।
ইউ আর দ্য পিপল’র সদস্য সচিব নিরু এস নিরা, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অধ্যাপক দিলোয়ার হোসেন, কাজী আজহারুল হক মিলন, আবু সুফিয়ান, জাহাঙ্গীর সোহরাওয়ার্দী, সোহেল আহমেদ, মাহতাব উদ্দিন ও সবুজ প্রমুখ।
সঞ্চালনা করে লেখক ও এক্টিভিষ্ট আলী ইমাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের প্রতিবাদে গত ৫ থেকে ৭ এপ্রিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সামনে সংগঠনটি তিনদিন বিক্ষোভ সমাবেশ করে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ও দু’ দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি সমূহের প্রতিবাদ জানাতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে
বলেন   জ্যাকব মিল্টন। পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তওে জ্যাকব মিল্টন বলেন, উই আর দ্য পিপল একটি মানবাধিকার সংগঠন। গণ দুশমনদেও তালিকা তৈরী করতে বাংলাদেশে ১০৯ জন সদস্য সার্বক্ষণিকভাবে কাজ কওে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও অষ্ট্রেলিয়া, জার্মানী ও যুক্তরাজ্যে সংগঠনটির কর্মকান্ড চলছে বলে এক প্রশ্নের উত্তওে জানান জ্যাকব মিল্টন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্য নেতৃবৃন্দও বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে আলী ইমাম বলেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতো আমরাও ভারতের সাথে বাংলাদেশের যেকোন প্রকার গোপন চুক্তি সার্বভৌমত্বেও প্রতি হুমকি স্বরুপ বলে মনে করি। জনগণের উপর সরকারের নিপীড়ন, হত্যাযজ্ঞ এবং অমানবিক কার্যকলাপের ফলশ্রুতিতে মানুষ যখন এই চুক্তির বিরোধিতামূলক কোনো কর্মসূচী নিতে পারছে না তখন আমরা নিশ্চুপ হয়ে থাকতে পারি না।

ইউ আর দ্য পিপলস’র আহবায়ক জ্যাকব মিল্টন বলেন,ভারতের সাথে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের কোনো চুক্তি ই বৈধ নয় যেহেতু বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করেনি

প্রিয় সাংবাদিক এবং উপস্থিত বন্ধুরা,
ভারতের সাথে বাংলাদেশ সরকার প্রধানের সম্পাদিত সামরিক চুক্তির বিরোধিতা করে আমরা নিউ ইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশী প্রবাসীদেরকে নিয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট এর সামনে লাগাতার তিনদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছি। প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমাদের মানবাধিকার সংগঠন WE ARE THE PEOPLE এর ডাকে গত ৫ থেকে ৭ই এপ্রিল পর্যন্ত  এই বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
WE ARE THE PEOPLE এর ডাকা এই সমাবেশে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, তাদের অঙ্গসংগঠন  এবং বাংলাদেশ প্রগ্রেসিভ ফোরাম তাদের নিজস্ব ব্যানারে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ ছাড়াও দেশপ্রেমিক অনেক বাংলাদেশী এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। প্রবাসী বাংলাদেশীরা ছাড়াও মূল ধারার কয়েকজন আইনজীবী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে MR. JOHN P. DEMAIO,Esq  এবং MR. DAVID KORNGOLD, Esq উক্ত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন। তারা বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সমাবেশে বক্তারা শেখ হাসিনা'র ভারত সফর ঘিরে দেশের স্বার্থবিরোধী  চুক্তির আশংকা প্রকাশ করেন এবং অভিযোগ করে বলেন যে বর্তমান অবৈধ সরকারের মেয়াদসীমা দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যে এবং  প্রতিবেশী দেশ ভারতের কায়েমী স্বার্থরক্ষার্থে  বাংলাদেশ বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড সহ দেশবিরোধী বহু কর্মকান্ড ঘটানো হচ্ছে।কিন্তু সবকিছুই হালাল করা  হচ্ছে  জঙ্গী হামলা নামের একটা নাটকের মধ্যে দিয়ে। আমরা মনে করি যে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে সংগঠিত সকল জঙ্গী নাটক ই আওয়ামী  লীগ সরকার এবং তাদের স্পনসর ভারতের দ্বারা সংগঠিত।আমরা গভীর ভাবে লক্ষ্য করে দেখেছি যে শুধুমাত্র দুইটি মুহূর্তে তথাকথিত জঙ্গী হামলাগুলো হয়:
১. সরকারের অবৈধ এবং বেআইনী কর্মকান্ড যখন জনগণের সামনে প্রকাশ পায় আর পরিস্থিতি কন্ট্রোলের বাহিরে চলে যায় তখনি একটি জঙ্গী হামলা ঘটানো হয়।আমরা মনে করি যে এইসব হামলাগুলোর সাথে আওয়ামী লীগ সরকার এবং তাদের ভাড়া করা পোশাকধারী এমনকি দলীয় ক্যাডাররা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২. ক্ষমতাসীন সরকারের সাথে তাদের প্রভু ভারতের সম্পর্ক টানাপোড়া শুরু হলেই জঙ্গী হামলা শুরু হয়।এই হামলা গুলো মূলত ভারতের দ্বারা পরিচালিত।ভারতের লক্ষ্য ক্ষমতাসীন সরকারকে ভয় দেখিয়ে তাদের স্বার্থ আদায়।
এযাবৎকাল  যতগুলো জঙ্গী হামলা বাংলাদেশে ঘটেছে তার বেনিফিশিয়ারি ক্ষমতাসীন সরকার এবং তাদের প্রভু ভারত।    
৫ থেকে ৭ই এপ্রিলের সমাবেশে বক্তারা বলেন ভারতের সাথে বাংলাদেশের সামরিক চুক্তি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার প্রতি হুমকি। বক্তাদের সাথে আমরাও একমত পোষণ করি এবং মনে করি যে "বাংলাদেশকে যদি কোনো

দেশের সাথে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা রক্ষা করতে হয় তবে ইন্ডিয়া ই একমাত্র দেশ যাদের সাথে আমাদের যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হবে। যেহেতু ইন্ডিয়া ই একমাত্র দেশ যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার প্রতি হুমকি।ইন্ডিয়া'র সাথে যে কোনো প্রকার সামরিক চুক্তি বাংলাদেশের জন্য কোনো প্রকার কল্যাণ বয়ে আনবে না বলে সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।আমাদের সকলেরই মনে রাখতে হবে যে বাংলাদেশকে  তিনদিক থেকে ঘিরে রয়েছে ইন্ডিয়া। সামরিক চুক্তি করতে হলে আমরা ইন্ডিয়াকে বাদ দিয়ে পৃথিবীর যে কোনো দেশের সাথেই করতে পারি যেহেতু অন্য কোনো দেশই আমাদের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার প্রতি হুমকি না। সুতরাং এটা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে ভারতের  সাথে বাংলাদেশের সামরিক চুক্তি আর  শৃগালের কাছে মুরগী বর্গা দেয়া একই কথা। ভারতের সাথে বাংলাদেশের যে কোনো প্রকার সামরিক চুক্তির অর্থই হচ্ছে দেশের সার্বভৌমত্ব ভারতের হাতে তুলে দেয়া।আমি এই প্রেস কনফারেন্স এর মাধ্যমেই যদি সরকারকে প্রশ্ন করি যে "স্বাক্ষরকৃত কোনো চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের মিলিটারি পার্সোনেল বা বিশেষজ্ঞরা কি ইন্ডিয়ান মিলিটারির সেন্ট্রাল  কম্যান্ড কন্ট্রোল এন্ড অপারেশনাল স্ট্রাকচার সম্পর্কে জানার জন্য ভারতীয় মিলিটারি হেডকোয়ার্টার অথবা কোনো গ্যারিসন হেডকোয়ার্টারে প্রবেশ করার অনুমতি পাবে? অথচ ভারতীয়দেরকে বাংলাদেশে অবাধ প্রবেশাধিকার দিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব এখন কার হাতে আমরা তা জানতে চাই।  
বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের সাথে আমাদেরও  জানার অধিকার রয়েছে যে শেখ হাসিনা ভারতের সাথে কি ধরণের চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন!
বাংলাদেশের  মানুষ যদি তাদের ভাষার জন্য জীবন দিতে পারে, পশ্চিম পাকিস্তানিরা মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে পারে তবে তারা শেখ হাসিনার সাক্ষরিত দেশ বিরোধী  চুক্তি বাতিলের প্রশ্নেও জীবন দিতেও প্রস্তুত।আমরা এই সম্মেলনেই হাসিনা সরকারকে আহব্বান করবো যে অনতিবিলম্বে ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তি ডিক্লাসিফাই করে জনগণের সামনে প্রকাশ করতে।
যে সকল লোকজন ইন্ডিয়াকে বাংলাদেশের বন্ধু মনে করে, আমি তাদের উদ্দেশ্য বলতে চাই,"আমরা ইন্ডিয়ার কি ধরণের বন্ধু যে ইন্ডিয়া প্রায় প্রতিদিনই আমাদের সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশীদের কুকুর বিড়ালের মতো গুলি করে মারছে?অথচ ইন্ডিয়া'র সবচেয়ে বড় শত্রু পাকিস্তান, সেখানে ইন্ডিয়া একজন পাকিস্তানিকে গুলি করে হত্যার চিন্তাও করতে পারে না!!! আর অর্থ কি দাঁড়ায়? ইন্ডিয়া'র বন্ধু হলে আমাদের মরতে হবে কিন্তু শত্রু হলে বেঁচে থাকে পারবো।চিন্তা করে দেখুন, "নেপাল সীমান্তে একজন নেপালীকে হত্যা করে ইন্ডিয়াকে মাফ চাইতে হয়েছে। অথচ অসংখ্য  বাংলাদেশীদেরকে গুলি করে হত্যা করার পর ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা, বাংলাদেশীদের লাশ কাঁটাতারের উপরে ঝুলিয়ে রাখা হয় আর আমাদের BGB'র কুলাঙ্গার মহাপরিচালক বলে " ইন্ডিয়ানরা আত্মরক্ষার্থে আমাদের উপর গুলি চালায়"!!!পস্থিতি যদি এই হয় তবে ১৭ কোটি মানুষ জানতে চায় যে ইন্ডিয়া'র সাথে আমাদের বন্ধুত্ব ইন্ডিয়াকে বহু কিছু দেয়া হয়েছে কিন্তু ইন্ডিয়া আমাদেরকে কি দিয়েছে?

alt
বিভিন্ন নদীর পানি চুক্তি প্রসঙ্গে আমি বলতে চাই যে  ১৯৭৭ সালে জিয়া সাহেব জাতিসংঘে ফারাক্কা প্রসঙ্গ উত্থাপনের পর ইন্ডিয়া একরকম বাধ্য হয়েই বাংলাদেশের সাথে পানি চুক্তি করে। ওই চুক্তিটি এজন্যই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যেহেতু চুক্তিতে একটা GUARANTEE CLAUSE এর মাধ্যমে পানি প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছিল। ১৯৭৭ সালের পর আর এমন কোনো কোনো চুক্তিই হয়নি যে চুক্তির মাধ্যমে পানি প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ সার্ক এর মাধ্যমে প্রস্তাব দিয়েছিল যে
বাংলাদেশ যেহেতু সমতল ভূমি সেই হেতু বাংলাদেশ, নেপাল, ইন্ডিয়া এবং ভুটান একত্রে  নেপাল এবং ভুটানের পাহাড়ি অঞ্চলে পানি মওজুদ করতে পারে। পরবর্তীতে যাদেরই পানি'র প্রয়োজন হবে, ওই মওজুদ থেকে পানি সরবরাহ করা হবে। নেপাল এবং ভুটান রাজী হলেও ইন্ডিয়া এক কোথায় ঐ  প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। কিন্তু পরে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে  ইন্ডিয়া নেপালের এবং ভুটানের সাথে একই চুক্তি করে!!! এর পরেও ইন্ডিয়াকে কি করে বাংলাদেশের বন্ধু বলা যায়?
এই চুক্তি করতে গিয়ে শেখ হাসিনা জাতি হিসেবে আমাদেরকে ডিগ্রেডেড করেছেনা। প্রধান মন্ত্রীর পদটিকে অসম্মান করেছেন। ভারতীয়রা একটি প্রাদেশিক সরকার প্রধানের ইচ্ছা অনিচ্ছার বরাত দিয়ে একটি স্বাধীন দেশের সরকার প্রধানকে অপমান করেছে। তার জবাবে শেখ হাসিনা আমাদের মাতৃ ভাষাকে বিসর্জন দিয়ে হিন্দি ভাষায় কিছুই না দেয়ার জন্য ভারতীয়দের ধন্য দিয়ে রান্না ঘরে গিয়ে সুস্বাদু ইলিশ মাছ পাক করে খাইয়ে এসেছেন। পৃথিবীর কোনো সরকার প্রধান বিদেশে অথিতি হিসেবে গিয়ে রাঁধুনি হয়েছে এমন নজীর আর নেই।   
রাষ্ট্র বিজ্ঞানের ভাষায় যে কোনো দেশের বিরোধী দলের প্রথম কাজ হলো  ক্ষমতাসীন সরকারের পাশাপাশি একটি শ্যাডো গভর্নমেন্ট পরিচালনা করা।
ছায়া সরকার পরিচালনা তো দূরের কথা, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করে দেখেছি যে বর্তমান বাংলাদেশে বিরোধী দলের সুস্থ রাজনীতি করার মতো কোনো সুযোগই  নেই। লক্ষ লক্ষ মামলা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্থন করেও জীবন বাঁচাতে পারছে না। যারা এযাবৎকাল আত্মসমর্থন করেছে তাদেরকে CROSS FIRE নামে এক বর্বরোচিত নাটকের দ্বারা হত্যা করা হয়েছে। বাবা'র বদলে মা, মা এর বদলে বাবা আবার বাবা মায়ের বদলে সন্তানকে পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে।আড়াই বছরের শিশু পর্যন্ত মাফ পায়নি।  আগেকার দিনে দুধের শিশুরা যখন কান্না করতো, মা তাদেরকে ভুতের ভয় দেখিয়ে ঘুম পারতেন।আজ ঐ মা আর ভুতের ভয় দেখান না। মায়েরা এখন বলে "সোনা আমার, ঘুমিয়ে পর। কান্না করলে পুলিশ, RAB অথবা ছাত্র লীগ নামধারী রক্ষীবাহিনী এসে আমাদেরকে গুম করে ফেলবে।" আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না যে দেশবিরোধী এতবড়ো একটা কাজ হয়ে গেলো কিন্তু একটা লোক ও মাঠে নামার সাহস পাচ্ছে না।  না দেশে না বিদেশে। বিদেশের মাটিতে থেকেও সবাইকে ভাবতে হচ্ছে দেশে তাদের আপন জনদের কথা। পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাধীন দেশে থেকেও বাংলাদেশীরা দেশের ব্যাপারে সত্যি কথা বলার সাহস পাচ্ছে না।


ভারতের সাথে সামরিক বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া'র বক্তব্য আপনাদের অনেকের মতো আমিও শুনেছি। অনেকের কাছেই এটা আশার বাণী মনে হয়েছে।আমরাও আশাবাদী। তবে শুধুমাত্র আশারবানী দ্বারা আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব টেকানো সম্ভব নয় বলেও আমরা মনে করি।  
শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক বৃন্দ,  ১৯৭১ সালে আমি তখন ছিলাম শিশু। মুক্তিযুদ্ধ করতে পারিনি।মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, ৩০ লক্ষ্ বাংলাদেশীদের  জীবন ঝড়ে পড়েছে। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতা এসেছে বা পেয়েছি বলে আমরা তা মনে করিনা। আমরা মনে করি প্রকৃত স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশীদের আরেকটা ভয়াবহ যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হবে।ওই যুদ্ধে বাংলাদেশীরা জিতলে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতা অর্জন করবে।যুদ্ধ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।  
দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে, বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার্থে আমরা তিনটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।সিদ্ধান্তগুলো হলো:
১.  গণ দুশমনদের তালিকা প্রকাশ করা
নোট: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত বর্ষে রাজত্ব করেছে আমাদের লোকজনদের দ্বারা।বর্তমানের অবৈধ এবং অনির্বাচিত সরকার টিকে আছে পুলিশ, RAB, বিজিবি এবং প্রজাতন্ত্রের প্রথম কাতারের কর্মকর্তাদের পেশী শক্তির উপর নির্ভর করে।
২.  ভারতীয় সামগ্রী বর্জন
নোট: ইন্ডিয়া বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে তাদের পণ্য ব্যাবহারকারী হিসেবে দেখতে চাচ্ছে।ইন্ডিয়া'র সাথে আমাদের COMMERCE DEFICIT আপনাদের অনেকেরই জানা আছে।
৩. এই সরকারের আমলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত সকল চুক্তি ডিক্লাসিফাই করে জনগণের সামনে প্রকাশ করা।   
নোট: কোনো রাজনৈতিক দল যদি  ভারতের সাথে স্বাক্ষরিত সকল  চুক্তি কার্যকর রেখে ক্ষমতায় যেতে চায় তারা জনগণের সমর্থন বা ভোট আশা করতে পারে না।
উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দ, WE ARE THE PEOPLE এর ডাকা তিন দিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ অনেকের জন্যই কষ্টসাধ্যে ছিল। দেশে আত্মীয় স্বজনদের উপর একদিকে সরকার এবং সরকারি দলের নিপীড়ন অন্য দিকে দেশে গেলে জীবনের নিরাপত্তা। তার উপরে আমাদের কর্মসূচি ছিল কর্মদিবসে এবং বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে। বিদেশের মাটিতে দেশের প্রয়োজনে তিনদিনের কর্মসূচি এই প্রথম।  
 এই তিনদিনের সমাবেশে WE ARE THE PEOPLE এর পক্ষে আমি  জেকব মিল্টন, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট ডক্টর শওকত আলী, আলী ঈমাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বৈদেশিক উপদেষ্টা জাহিদ এফ. সরদার সাদী, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি'র অন্যতম নেতা প্রফেসর দেলোয়ার হোসাইন, আবু সুফিয়ান, জাহাঙ্গীর আলম, মোশাররাফ হোসাইন সবুজ,

একুশের টিভি'র বিশিষ্ট মডারেটর ইলিয়াস হোসাইন, বাংলাদেশী মার্কিন প্রগ্রেসিভ ফোরামের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্ধ সহ নাম না জানা অনেক দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।প্রতিকুল আবহাওয়ার মধ্যেও WE ARE THE PEOPLE এর সচিব নিরু এস. নীরা'র  ব্যাবস্থাপনায় এই প্রাণবন্ত কর্মসূচি বিক্ষোভস্থলের পথচারী এবং আশেপাশের সকলেরই দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হয়েছে।
আপনাদের সকলকে এই সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।


এডভোকেট আবুল মতিন খসরু এমপি-স্বস্ত্রীক নিউইয়র্কে

বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ :বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক , সাবেক আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আবুল মতিন খসরু এমপি এবং সহধর্মিনী বিশিষ্ট সমাজসেবক আওয়ামী লীগ নেতা সেলিমা সোবাহান খসরু গত ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল ৬টায় তার্কিস এয়ারযোগে নিউইয়র্ক জেএফকে আন্তজার্তিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছলে তাদের এসময় ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাদর অভ্যার্থণা জানান বঙ্গবন্ধু প্রচারকেন্দ্র সমাজকল্যান পরিষদ উত্তর আমেরিকার সহ-সভাপতি এবং বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি উত্তর আমেরিকার সাবেক সভাপতি শিক্ষাবিদ মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটির সভাপতি কামরুজ্জামান বাবুল এবং সহিদুল্লাহ সুমন প্রমুখসহ নিউইয়র্ক প্রবাসী এবং বৃহত্তর কমিপ্রবাসী। খবর বাপসনিঊজ:

Picture

উল্লেখ্য, এডভোকেট আবুল মতিন খসরু এমপি এবং সেলিমা সোবাহান খসরু ৩০ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের উডসাইডস্থ গোলশান টেরাসে অনুষ্ঠিতব্য বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এবং ২ মে মঙ্গলবার, কুইন্সে বাংলাদেশ প্রবাসী নাগরিক কমিটি আয়োজিত বঙ্গবন্ধরু-বাংলাদেশ কনফারেন্সে প্রধান অতিথি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিবেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, সহযোগী অঙ্গসংগঠন এবং প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করবেন বলে জানা গেছে। তিনি ৩মে বুধবার ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। যোগাযোগ ৯১৭-২০৭-৩৪১৯।খবর বাপসনিঊজ।

alt

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক , সাবেক আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আবুল মতিন খসরু এমপি এবং সহধর্মিনী বিশিষ্ট সমাজসেবক আওয়ামী লীগ নেতা সেলিমা সোবাহান খসরু গত ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকাল ৬টায় তার্কিস এয়ারযোগে নিউইয়র্ক জেএফকে আন্তজার্তিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছলে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ছবিতে ডান থেকে ২য় সাবেক মন্ত্রী আবুল মতিন খসরু এমপি, সর্ববামে সেলিমা সোবাহান খসরু, তয় মোশারফ হোসেন খান চৌধুরী, কামরুজ্জামান বাবলু ও সহিদুল্লাহ সুমনকে দেখা যাচ্ছে। ছবি বাপসনিউজ।


নিউইয়র্কের সমাবেশে মুহিত = 'কর্ম-বিবেচনায় প্রার্থী বাছাই করবে আওয়ামী লীগ'

বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :‘আগামী বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন। সে নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাই করা হবে কর্ম-বিবেচনায়। ঢালাওভাবে প্রার্থী বাছাই করবে না আওয়ামী লীগ’-এ কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল মাল আব্দুল মুহিত। সোমবার সন্ধায় নিউইয়র্কে ‘আমেরিকা-বাংলাদেশি বিজনেস এলায়েন্স’র এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রবীণ এই রাজনীতিক বলেন, ‘সামনের নির্বাচনের গুরুত্ব অপরিসীম এবং বাংলাদেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখার স্বার্থেই আওয়ামী লীগকে আবারো জয়ী হতে হবে। সেজন্যে এখন থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। জনগণের সাথে সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে এবং নিষ্ঠার সাথে সাংগঠনিক দায়িত্ব সম্পাদন করছেন-এমন প্রার্থীরা প্রাধান্য পাবেন।

Picture

’গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ’র বসন্তকালিন বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে অংশ নেন অর্থমন্ত্রী। সেখান থেকে ২৩ এপ্রিল নিউইয়র্কে এসেছেন।ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে বাংলাদেশের একাউন্ট থেকে চুরি চাওয়া অর্থ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সামান্য কিছু অর্থ ছাড়া পুরোটাই ফেরত পাচ্ছে বাংলাদেশ। ওই চুরির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের তদন্ত চলছে। দোষীরা রেহাই পাবে না। ভবিষ্যতে এমন চুরি ঠেকাতেই সকল মহল সোচ্চার রয়েছে এবং বাংলাদেশেও এ নিয়ে কাজ চলছে। ’

alt
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে যে সাফল্য এসেছে, তা আন্তর্জাতিক মহলেরও স্বীকৃতি পাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারাও সন্তুষ্ট বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন কাজ নিয়ে।আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাঈদ রহমান মান্নানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজকর্মী শেলী মুবদি, হোস্ট সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারি শাহনেওয়াজ, প্রধান উপদেষ্টা ডা. মাসুদুল হাসান, সদস্য-সচিব বেলাল চৌধূরী, জ্যেষ্ঠ কো-কনভেনর রানা ফেরদৌস চৌধুরী, কো-কনভেনর এম এ হোসাইন সেলিম, সমন্বয়কারি ফাহাদ সোলায়মান, জেবিবিএর সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকো প্রমুখ।
শুরুতে অর্থমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রবাসীদের পক্ষ থেকে রুবাইয়া রহমান, সেলিনা সুলতানা প্রমুখ। ব্যবসায়ী ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আব্দুর রহিম বাদশা, নির্বাহী সদস্য শাহানারা রহমান প্রমুখ।


বহুভাষাবাদ, শান্তি ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের পাবলিক ইনফরমেশন বিভাগকে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রদূত মোমেনের

বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : বহুভাষিক শিক্ষাসহ বহুভাষাবাদ, সংঘর্ষ প্রতিরোধ, টেকসই শান্তি স্থাপন এবং মানবিক ও উন্নয়নমূলক বিষয়গুলোকে আরও অগ্রসর করতে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক ইনফরমেশন (ডিপিআই)-কে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও ব্যাপক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানালেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

Picture

গত ২৫ এপ্রিল সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে কমিটি অন ইনফরমেশনের ৩৯তম সেশনে প্রদত্ত বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।উল্লেখ্য ২৪ এপ্রিল ২০১৭ থেকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আওতাধীন কমিটি অন ইনফরমেশনের ৩৯তম সেশন শুরু হয়েছে। পরবর্তী এক বছর এ কমিটির কাজ চলবে।

alt
বাংলাদেশে তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের সফলতার কথা তুলে ধরে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “গত আট বছরে বাংলাদেশ সরকার ৪৪টি টেলিভিশন চ্যানেল, ২২টি এফএম রেডিও এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিও চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছে। দেশে নতুন নতুন সংবাদপত্র প্রকাশিত হচ্ছে। অনলাইনসহ স্যোশাল মিডিয়া জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী রাখার অন্যতম নিয়ামক”।

alt
রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে শান্তি ও অহিংসার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা; যুদ্ধ, সহিংসতা ও বৈশ্বিক সন্ত্রাস প্রতিরোধ; নিরাপদ ও নিয়মিত অভিগমন, নারী ও শিশুর প্রতি যৌন নিপীড়ন ও সহিংসতা প্রতিরোধ; জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং স্বল্পোন্নত দেশসমূহের পরবর্তী ধাপে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে ডিপিআই ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রচার কৌশলের সর্বোচ্চ ব্যবহারের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেন।বাংলাদেশ মিশনকে সাথে নিয়ে এবছর ২১ ফেব্রুয়ারি ডিপিআই এবং জেনারেল অ্যাসেম্বেলি ও কনফারেন্স ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট যৌথভাবে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করায় স্থায়ী প্রতিনিধি ডিপিআইকে ধন্যবাদ জানান।রাষ্ট্রদূত মোমেন কমিটি অন ইনফরমেশনে কার্যকর ভূমিকা রাখার মাধ্যমে ডিপিআই-এর কর্মকৌশলকে আরও এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ডেলিগেশনের সর্বোচ্চ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।


নিউইয়র্কে সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি

বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : নিউইয়র্ক সিটির ’ফাইভ বরোজ কমিউনিটি লিডারস রিগোগনেশান ডে’ উপলক্ষে পাঁচ বরোতে কমিউনিটিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য কমিউনিটি লিডারদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশীদের মধ্যে থেকে এ সম্মাননা পেয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্রঙ্কস কমিউনিটি বোর্ড ৯ এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং ল্যান্ড অ্যান্ড জোনিং কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এন মজুমদার মাস্টার অব ল।

Picture

অনুষ্ঠানে সম্মাননা তুলে দেয়ার সময় মোহাম্মদ এন মজুমদারকে ব্রঙ্কস কমিউনিটির উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কমিউনিটির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবার জন্য সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে আরো রয়েছেন, ৪৩ প্রিসেঙ্কট চেয়ারম্যান অরোরা এ কারিয়ন, ডিটেকটিভ এরিক হারনেনডেজ, বিসপ ন্যান্সি রোজারিও, বিসপ এঞ্জেলা রোজারিও, পুলিশ অফিসার ডেভিড লেপোর, পুলিশ অফিসার ম্যাক্স গঞ্জালেজ প্রমুখ।

alt
লস মারিভেলস ডেল এক্সোডো ইনক এবং দ্য ভারতী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে গত ২৪ এপ্রিল সোমবার কমিউনিটি বোর্ড ৯ এর হল রুমে সম্মাননা প্রাপ্তদের সংবর্ধনাও প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিকসহ বিভিন্ন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

alt
সম্মাননা প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার ২০১০ সাল থেকে ব্রঙ্কস কমিউনিটি বোর্ডের একজন সক্রিয় সদস্য এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ সম্মানার মাধ্যমে আমাকে নয়, গোটা বাংলাদেশী কমিউিনিটিকে সম্মানিত করা হল।আয়োজকদের পক্ষ থেকে কমিউনিটির উন্নয়নে সংবর্ধিত লিডারদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার প্রসংশা করে বলা হয়, সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কমিউনিটি আরো অনেক দূর এগিয়ে যাবে।


নব উদ্যমে “গ্রেটার খুলনা সোসাইটি নর্থ আমেরিকা ইউএসএ” সমিতির যাত্রা শুরু

সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : বাংলা নতুন বছরের পূর্বক্ষণে নব উদ্যমে যাত্রা শুরু হলো “গ্রেটার খুলনা সোসাইটি নর্থ আমেরিকা ইউএসএ ” এর। নিউইয়র্কে বসবাসরত খুলনাবাসীদের কল্যাণার্থে ১৯৯৫ সালে “খুলনা সোসাইটি” নামে আত্মপ্রকাশ করে সংগঠনটি। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে খুলনা, বাগের হাট এবং সাতক্ষীরাবাসীদের নিয়ে বৃহৎ আকারে গঠন করা হয় “গ্রেটার খুলনা সোসাইটি নর্থ আমেরিকা ইউএসএ ”। অতি সম্প্রতি সংগঠনের কর্মকান্ডকে আরো প্রসারিত করার লক্ষ্যে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়েছে সংগঠনটিকে। এ উপলক্ষ্যে গত ১৩ এপ্রিল (২০১৭) নিউইয়র্কের মেজবান রেস্টুরেন্টে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নতুন ও পুরনোদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় কমিটি। নতুন কমিটিতে যাঁরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন: প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান ঊপদেষ্টা ডা. মাসুদ রহমান, সিনিয়র উপদেষ্টা  শাহ্ নেওয়াজ, উপদেষ্টামন্ডলী: জিয়াউর রহমান লিঠু, পারভীন সুলতানা রতা, আমজাদ হোসেন, জাহাংগীর  হোসেন

Picture

সভাপতি: আসাদুল ইসলাম, সিনিয়র সহ সভাপতি: ফারুকুল ইসলাম, সহ সভাপতি: কাজী ওয়াহিদ এলিন, সাধারণ সম্পাদক: মুরারী মোহন দাস, সহ সাধারণ সম্পাদক: সরদার মুনীর হোসেন, প্রচার সম্পাদক: পপি চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক: শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক: শেখ জামাল ঊদ্দিন, সহ অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, মহিলা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: ইসমত জাহান পলি, ক্রীড়া সম্পাদক: সেখ কামাল হোসেন, সহ ক্রীড়া সম্পাদক: সেকেনদার আলী, কার্যকরী সদস্যমন্ডলী: সৈয়দ এনায়েত আলী, সেখ আনছার আলী, ইবনে মাহফুজ রহমান, লিপি ইসলাম, হাওলাদার শাহীন।

প্রধান উপদেষ্টা ডা. মাসুদ রহমানের সম্মতিক্রমে সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক  মুরারী মোহন দাস নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন।
উক্ত সভায় পিকনিক ২০১৭ নিয়েও আলোচনা করা হয়। উপস্থিত সকল সদস্যদের সম্মতিক্রমে  ফারুকুল ইসলাম আহ্বায়ক, সেখ আনসার আলী যুগ্ম আহবায়ক, পপি চৌধুরীকে সদস্য সচিব করে সরদার মুনীর হোসেন ২০১৭ সালের ৯ সদস্য বিশিষ্ট পিকনিক কমিটির নাম ঘোষণা করেন। এছাড়াও উক্ত সভায় নেওয়া হয় জনকল্যাণমূলক কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা। সভায় উপস্থিত ছিলেন:  শাহ্ নেওয়াজ, ডা. মাসুদ রহমান, জিয়াউর রহমান লিঠু, আসাদুল ইসলাম, ফারুকুল ইসলাম, কাজী ওয়াহিদ এলিন, মুরারী মোহন দাস, সরদার মুনীর হোসেন, পপি চৌধুরী, শেখ জামাল ঊদ্দিন, ইসমত জাহান পলি, সৈয়দ এনায়েত আলী, শেখ আনছার আলী সহ আরো অনেকে। নৈশভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশী কমিউনিটির সাথে পুলিশ প্রশাসনের মত বিনিময় : আসন্ন রমজানে মুসলিম কমিউনিটির নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা : যে কোন ক্রাইম ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ৯১১ কল করে পুলিশকে জানানোর পরামর্শ

সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৭

Picture

স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ৪৩ পুলিশ প্রিসেনক্টের কমান্ডিং অফিসার ইন্সপেক্টর ফাস্টো বি পিসারডো এবং ৪৫ পুলিশ প্রিসেনক্টের কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন কার্লোস গনজ এ ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়ে যে কোন ক্রাইম ঘটার সঙ্গে সঙ্গে ৯১১ কল করে পুলিশকে সুনির্দিষ্ট ঠিকানাসহ প্রকৃত ঘটনা জানানোরও পরামর্শ দেন তারা। গত ২০ শে এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টায় ব্রঙ্কসের বাঙালী অধ্যুষিত স্টারলিংÑবাংলাবাজার এলাকায় মামুন’স টিউটোরিয়ালে এ গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

alt
ব্যান্ডস-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও টাস্ট্রিবোর্ড চেয়ারম্যান মূলধারার রাজনীতিক আবদুস শহীদের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় নিউইয়র্ক সিটির সাবেক পুলিশ কমিশনার জো রামোস সহ পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। বাংলাদেশ কমিউনিটির নের্তৃবৃন্দসহ গণ্যমান্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় কমিউনিটির নের্তৃবৃন্দ ট্রাম্পের অভিবাসী নীতির ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা, আসন্ন রমজান ও সামারে পুলিশি টহল বাড়ানো, পুলিশের ছদ্মবেশী নজরদারি জোরদার করা, ভিজিল্যান্স টিম গঠনসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার কথা বলেন। সভায় বর্ণবৈষম্য হামলাসহ ছিনতাই, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান হয়।

alt
কমিউনিটির নের্তৃবৃন্দ গত বছরের ১৬ জুন রমজানে রাত প্রায় সাড়ে দশটায় ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টার ম্যাগ্রো এভিনিউর মসজিদে তারাবীর নামাজে যাওয়ার সময় বাংলাদেশি আতিক আশরাফের মারাত্মক জখমের ঘটনাসহ গত এক বছরে ঘটে যাওয়া আরো বেশ ক’টি ঘটনার বিবরন তুলে ধরেন।সভায় ৪৩ পুলিশ প্রিসেনক্টের কমান্ডিং অফিসার ইন্সপেক্টর ফাস্টো বি পিসারডো এবং ৪৫ পুলিশ প্রিসেনক্টের কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন কার্লোস গনজ জানান, নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ব্রঙ্কসে বাংলাদেশী অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তাবিধানে বিশেষ ততপর রয়েছে। যে কোন ক্রাইম ঘটার সঙ্গে সঙ্গে ৯১১ কল করে পুলিশকে সুনির্দিষ্ট ঠিকানাসহ প্রকৃত ঘটনা জানানোর পরামর্শ দেন তারা। তাহলেই পুলিশ তাৎক্ষণিক কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবে। তারা বলেন, ভাষাগত সমস্যা থাকলে দু’ভাষীর সাহায্যও নেয়া যায় ৯১১ থেকে। তারা জনসাধারণের নিরাপত্তার বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে নির্ভয়ে পুলিশের সাথে একযোগে কাজ করার জন্য কমিউনিটি নের্তৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেন। কমিউনিটির জননিরাপত্তা, মানবাধিকার সুরক্ষাও হেইট ক্রাইম রোধকল্পে পুলিশের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সকল সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করা হয়।

alt
ব্যান্ডস-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও টাস্ট্রিবোর্ড চেয়ারম্যান আবদুস শহীদ এবং ব্যান্ডস-এর সাধারণ সম্পাদক মো: শামীম মিয়ার উদ্যোগে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ব্যান্ডস-এর সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও কফিল আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের সভাপতি সাহেদ আহমদ, ব্রঙ্কস বাংলাদেশ উইমেন’স এসোসিয়েশন ও বাফার প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন, টিভি উপস্থাপক ও ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, টিভিএন২৪ এর সিনিয়ার রিপোর্টার মো. মঞ্জুরুল হক, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট মো. আলী, আব্দুর রব দলা মিয়া, আফসানা আমিন, আরশাদ আলী বাবুল, সামাদ মিয়া জাকের, জামাল হোসেনসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।


নিউইয়র্কে ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের সাংবাদিক সম্মেলন ১৩ মে শনিবার

সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৭

শিব্বীর আহমেদ,বাপসনিঊজ: ফ্লোরিডা: আগামী ৬,৭ ও ৮ অক্টোবর শুক্র শনি ও রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামী শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফোবানার ৩১তম আসর। "মানবতার জন্য ঐক্য" এই স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই ফোবানা সম্মেলনকে সামনে রেখে আগামী ১৩ মে শনিবার নিউইয়র্কে এক সাংবাদিক আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার এম রহমান জহির ও সদস্য সচিব আরিফ আহমেদ আশরাফ।

৩১ফোবানার স্বাগতিক কমিটি কর্তৃক আয়োজিত এই সাংবাদিক সম্মেলন পালকী সেন্টার, ৩৭-২২, ৭৩ ষ্ট্রীট, জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্কে সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় অনুষ্ঠিত হবে। সাংবাদিক সম্মেলনের ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের অগ্রগতি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করা হবে। ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের স্বাগতিক কমিটি আয়োজিত এই সাংবাদিক সম্মেলনে দেশের  ও প্রবাসের সকল সাংবাদিক বৃন্দকে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত আমন্ত্রন জানিয়েছেন স্বাগতিক কমিটির কনভেনার এম রহমান জহির ও সদস্য সচিব আরিফ আহমেদ আশরাফ।

৩১তম ফোবানা সম্মেলনের ভেন্যু

বাপসনিঊজ:আগামী অক্টোবর মাসের ৬,৭ ও ৮ যথাক্রমে শুক্র, শনি ও রবিবার তিন দিনব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামী শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফোবানা সম্মেলনের ৩১তম আসর। বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই সম্মেলন। সম্মেলনের ভেন্যু মায়ামী শহরের হায়াত রিজেন্সী হোটেল বলরুম ।প্রায় ছয় হাজার আসন বিশিষ্ট হায়াত রিজেন্সী হোটেলের বলরুম গত ১৯ মার্চ রবিবার ৩১তম ফোবানা সম্মেলন লিয়াঁজো কমিটির চেয়ারম্যান এবং ফোবানা এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য আতিকুর রহমান আতিকের নেতৃত্বে পরিদর্শন করেন ফোবানা এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান আজাদুল হক আজাদ, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এম মাওলা দিলু, জয়েন্ট সেক্রেটারি জাকারিয়া চৌধুরী, সদস্য আরিফ আহমেদ, স্বাগতিক কমিটির প্রেস ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান শিব্বীর আহমেদ প্রমুখ। ৩১তম ফোবানা সম্মেলনের ভেন্যু পরিদর্শন শেষে এক্সিকিউটিভ কমিটির নেতৃবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফ্লোরিডার আয়োজনে ৩১তম ফোবানা সম্মেলন একটি স্মরণকালের সম্মেলন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশে ফোবানার রেজিষ্ট্রেশন ট্রেডমার্ক সম্পন্ন

বাপসনিঊজ:গত ২০ মার্চ রবিবার ফোবানা রেজিষ্টার এবং রেজিষ্টার্ড ট্রেড মার্ক অনুমোদন বাংলাদেশ সরকারের থেকে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফোবানা এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এম মাওলা দিলু। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ফোবানা রেজিষ্ট্রেশন এবং ট্রেডমার্ক পাওয়ার পর বাংলাদেশে ফোবানা নিয়ে এখন আর কেউ জালিয়াতি করতে পারবেনা। আর করলেও ফোবানার লিগাল টিম তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারবে। এছাড়া খুব শিঘ্রই ফোবানা নিয়ে কানাডা সরকারের কাছেও ফোবানার রেজিষ্ট্রেশন এবং ট্রেড মার্কের বিষয়ে আদালতের মাধ্যমে ফোবানার সকল নথিপত্র তুলে ধরে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


চিটাগাং এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইনক্ এর কার্য্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

সোমবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৭

Picture

সভায় আগামী ২২শে এপ্রিল বাংলা নুতন সন ১৪২৪ কে বরণ করে নেয়ার লক্ষ্যে বর্নিল কর্মসূচী গ্রহন করা হয়। পাশাপাশি বিগত দিনের কর্মকান্ডের  উপর ও বিশদ আলোচনা করা হয়। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ সেলিম।