Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_jcomments/images/media/system/js/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

ইইউ আ.লীগের নতুন সহসভাপতিকে ডেনমার্ক আ.লীগের অভিনন্দন

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

বাপ্ নিউজ : ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সফরকালীন ইইউ আওয়ামী লীগের নতুন সহসভাপতি হিসেবে এম নজরুল ইসলাম নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে তারা এ অভিনন্দনের কথা জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউরোপ আওয়ামী লীগকে গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইউরোপ আওয়ামী লীগের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। আগামী দিনে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ আরও বেশি উজ্জীবিত ও শক্তিশালী হবে। একজন বিশ্বস্ত কর্মীকে ইউরোপ আওয়ামী লীগে নিয়োগ প্রদান করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি বার্তা দিয়েছেন, আগামী দিনে ত্যাগী, কর্মঠ ও বিশ্বস্ত কর্মীদের মূল্যায়ন করবেন।

Picture

উল্লেখ্য, এম নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ইউরোপ আওয়ামী লীগে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়া ডেনমার্ক প্রবাসী ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিবৃতিতে সম্মতি জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম, মোতালেব হোসেন, হিল্লোল বড়ুয়া, মোহাম্মদ ইউসুফ, আহসান উজ্জামান, ফাহমিদ আল মাহিদ, আব্দুল আল জাহিদ, আমির জীবন, ডেনমার্ক ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার সম্রাট, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, অলি হোসেন রিপন ও সায়মন উজ্জামান, সবুজ মল্লিক, শাহীন মিয়া, মোকলেসুর রহমান, দেবাশিস বড়ুয়া, মোহাম্মদ নাজমুল, মোহাম্মদ আরাফাত, শামসুদ্দিন ইয়াকিন, সৈয়দ পাভেল, নাসির রানা, প্রত্যয় সাহা, কাজী হামিদ, রাইসুল রাহান, মোহাম্মদ শহীদ, মিজানুর রহমান, সুমন বিশ্বাস, কানাই পোদ্দার, মাইনুল হাসান, হুমায়রা আখতার জাসিয়া প্রমুখ।


শেখ হাসিনার সফর উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া আ.লীগের মতবিনিময়

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলী শিকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন- বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ড. রতন কান্ডু, আওয়ামী লীগ সিডনি শাখার সভাপতি গাউসুল আলম শাহাজাদা, আওয়ামী লীগ সিডনি শাখার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আজাদ।

Picture

এছাড়া আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়া শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেহুর রহমান খুসব, সাংগঠনিক সম্পাদক দিদার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক, অস্ট্রেলিয়া ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম রুবেল, আওয়ামী লীগ সিডনি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার তারিক হাসান লিপু, সহ-সভাপতি জহির উদ্দীন সরকার, সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন লাল্টু, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হাজী দেলোয়ার হোসেন, এম এ গনি প্রমুখ।

jagonews24

সভাপতির বক্তব্যে সিরাজুল হকে বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার দেখা পাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনার মাধ্যমে দল ও নেত্রীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা হবে।

আওয়ামী লীগ কর্মী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যেন অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে 'বাংলার রাণী' ঘোষণা করে ক্রেস্ট প্রদান হয়। তার মতামতকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সফল নারী নেত্রী হিসেবে ‘গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ থেকে ২৯ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার সিডনি সফর করবেন।

আগামী ২৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টায় সোফিটেল সিডনি ওয়েটওর্থ হোটেলে এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।


মাদ্রিদে উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশি নারীদের বৈশাখ উদ্‌যাপন

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

Picture

বিশ্বায়নের এই যুগে সবকিছুই পরিবর্তনশীল।তাই বলে আবহমানকাল ধরে চলে আসা উৎসবমুখর বাঙালির প্রাণের বৈশাখ বরণের দৃশ্যপটের তারতম্য ঘটেনি কোথাও। বৈশাখ মানে যে শুধু নতুন বছরকে সাদরে বরণ করা, তা নয়। আমার মনে হয় সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষী জাতিগোষ্ঠীর এক অপূর্ব মহামিলন উৎসবও বটে।

WhatsApp Image 2018-04-22 at 03.29.33
গতকাল শনিবার  (২১ এপ্রিল-) স্পেনের মাদ্রিদে  বসবাসকারী বাংলাদেশীরা সতঃর্ফুত ভাবে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উৎযাপন করেছে।মাদ্রিদ প্রবাসী বাংলাদেশি নারীদের উদ্যোগে  আনন্দ উল্লাসের মধ্যদিয়ে ‘বাংলা নববর্ষ’ উদযাপন করা হয়।রাজধানী মাদ্রিদের পার্শবর্তি পিরামিড পার্কে দেশীয়  নানান রঙের পোশাক পরে তাদের পরিবারের সদস্যগণ বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত হয়ে অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

WhatsApp Image 2018-04-22 at 03.27.46

উপস্থিতি দেখে মনে হয় এযেন প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ। যা বিদেশিদেরও বেশ আকৃষ্ট করে।অনুষ্ঠানে দেশীয় নানা রকম খাবার দিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ণ করা হয়।শতাধিক পরিবারের  উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে  আনন্দ-মুখর করে তোলে।

WhatsApp Image 2018-04-22 at 03.27.50 (2)
লুনা আলম আখি,তানিয়া সুলতানা ঝরনা,নিগার সুলতানা,জান্নাত শিউলি,মারুফা আরেফিন ,সেতু হাসানের যৌথ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশী মানবাধিকার সংগঠন ভালিয়েন্তে বাংলার সভাপতি মোহাম্মাদ ফজলে এলাহী ,বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেম,মানিক মিয়া,বাহার উদ্দিন,এমদাদ হোসেন দিপু,সরওয়ার আহমেদ,শামীম আহমেদ,সিজান আহমেদ,পলাশ ও তানভীর প্রমুখ।

WhatsApp Image 2018-04-22 at 03.29.35

এসোসিয়েশন ভালিয়েন্তে বাংলার সভাপতি মোহাম্মদ ফজলে এলাহী বলেন,দেশের আবহমান সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে এগিয়ে নেয়া আর সেই সঙ্গে বিদেশের মাটিতে নতুন প্রজন্মকে দেশের আবহমান কালের সংস্কৃতিকে পরিচয় করিয়ে দেয়াই এই ধরনের বর্ষাবরণ  ও সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।তা ছাড়া আমাদের নারীরা কোনো না কোনোভাবে কর্মজীবী তাই পরিবার পরিজন নিয়ে সবাই একসঙ্গে হওয়ার আনন্দটা সব সময় অন্যরকম।


আরব আমিরাতের জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

বাপ্ নিউজ : আরব আমিরাত থেকে :কেবল আনন্দ আর আনন্দ। উল্লাস আর উচ্ছ্বাস। নেই কোনো বেদনার কালো ছায়া। নেচে গেয়ে বাংলার চিরায়ত সাজে নববর্ষকে বরণ করছেন সবাই। সবারই প্রত্যাশা, নতুন বছরটি হবে ভালো, আরও ভালো। অনুভূতিটা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির প্রবাসী বাঙালির। এই এখানে গত শুক্রবার (২০ এপ্রিল) বরণ করে নেওয়া হচ্ছে বৈশাখকে। বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে বাংলাদেশ স্কুল অডিটোরিয়ামে সেদিন এসেছিলেন তারা প্রাণের সাজে। তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। মিলছেন একজন আরেকজনের সঙ্গে। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী এ মানুষ বিলিয়ে দিচ্ছেন নিজেকে।

Picture
দিনের প্রথমভাগেই স্কুলে জড়ো হতে থাকেন মানুষ। তারা মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেন। লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে অডিটোরিয়াম, নিমতলা, শহীদ মিনার চত্বর। সবুজ মাঠের পাশ দিয়ে উঠে আসা রাস্তাটি ছিল নরনারী ও শিশু-কিশোরদের কলকাকলিতে মুখর।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনামঞ্চ থেকে সমবেত কণ্ঠে সংগীত পরিবেশিত হচ্ছিল তখন। নজরুল ইসলাম সার্থকভাবে বাংলার প্রকৃতিকে বর্ণনা করেন। পল্লি জননীর রূপকে দেখে মুগ্ধ এই মাটি বাতাসে লালিত তার সন্তান। একি অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লী-জননী। জীবনানন্দ এ জন্যই কখনো ছাড়তে চাননি প্রিয় মাতৃভূমিকে। বারবার ফিরে আসতে চেয়েছেন বাংলার নদী, মাঠ, খেত ভালোবেসে। রবীন্দ্রনাথ দেশমাতার জন্য ঢেলে দিয়েছেন প্রাণের অর্ঘ্য।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযোজিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান তখন দর্শক সারিতে বসা। কথা হচ্ছিল তাঁর সঙ্গে। বাঙালির সংস্কৃতি তাঁর ভালোবাসা। তাঁর আছে দেশ মানুষের ওপর অবিচ্ছেদ্য টান। তিনি বলেন, বহু ব্যঞ্জন প্রস্তুত করে নারীর আপ্যায়ন এই গুণটিকে আরও বেশি ঋদ্ধ করে। তার ঐতিহ্য অসাম্প্রদায়িকতা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা মঙ্গল শোভাযাত্রায় সেটি স্পষ্ট। তিনি বলেন, এমন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এসব চিত্রই আমরা বিদেশিদের সামনে হাজির করতে চাই।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনাকায়মনোবাক্যে আমাদের প্রার্থনা, নতুন বছরটিতে আমাদের জীবন ভরে উঠবে সুখ শান্তি ও আনন্দে। সে কারণেই প্রত্যাশার অভিব্যক্তি নিয়ে সংগীত। ‘এসো এসো হে বৈশাখ’। গাইলেন শিল্পীরা। উচ্চারিত হলো, অগ্নি স্নানে পবিত্র হওয়ার কামনা। আয়োজনে ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে আগুন জ্বালানোর আহ্বান ছিল। রাতের অন্ধকারে যে আলোই কাম্য।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের ইফতেখার হোসেন বাবুল। তিনি অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন। কবি, গায়ক বা শিল্পীরা নতুন কিছু উপহার দিয়ে যাচ্ছেন। বললেন, মৌলবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের হাতিয়ার হয়ে উঠুক তাদের এ প্রয়াস।মঙ্গল শোভাযাত্রাবাবার কোলে মেয়ে কিংবা মায়ের হাত ধরে ছোট ছেলেটি এসেছে আজ নববর্ষ উদ্‌যাপনে। সে দেখছে মঞ্চে ছোটদের নাচ। তাদের চলাচল চোখ-মুখের প্রকাশ স্বপ্নরাজ্যে নিয়ে যায় তাকে। নিজেকে ভাবে তাদেরই একজন। দেখে সাজানো দই, মিষ্টি, পিঠে পায়েস। এক সময় খায়ও। দৃশ্যটি আকর্ষণ করে সবাইকে।
বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন। তারও আনন্দ ছোটদের নিয়ে। আবেগের দিন আজ। বলেন, প্রবাসে বাংলা নববর্ষ হয়ে উঠুক ছোটদের জন্য বাংলা শিক্ষারও এক উদ্যোগ।
আধ্যাত্মিকতার মর্মবাণী প্রচার পায় গানে। দেখেছি রূপ সাগরে মনের মানুষ কাঁচা সোনা। পূর্ণদাস বাউল কী সৃষ্টিই না করেছেন! এতে বিরহ আছে, আছে আকুতি। মানুষ মন্দ বললে কী হবে! শিল্পীর গান হয়ে ওঠে বাউল মনের অভিব্যক্তি। পাশাপাশি ছিল ‘ধানের খেতে রৌদ্র ছায়ার লুকোচুরি খেলা’ গানের সঙ্গে নৃত্য। সমবেত নৃত্য ছিল ‘মাঠের সবুজ থেকে সূর্যের লাল’ গানের সঙ্গে। ওরা নাচে প্রাণ খুলে। নৃত্যে তাক লাগিয়ে দেয় রাবেয়া নুর ও তার দল। আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা তারই কোরিওগ্রাফির ফসল।
জনতা ব্যাংকের স্টলঅধ্যক্ষ মীর আনিসুল হাসান সবাইকে স্বাগত জানান। স্কুলে এবারই প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, এ আমাদের অভাবনীয় অনুভূতি! শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস সম্পর্কে তার পর্যবেক্ষণ না বলে পারেন না। বলেন, মুখস্থ নয়, নতুন বইয়ের গন্ধ নিতে নিতে শিশুরা জ্ঞানের ভুবনে প্রবেশ করে। তার মন্তব্য, এমনই নান্দনিক বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা।
বৈশাখ ডালপালা মেলে রঙে রসে রূপে বৈচিত্র্যে ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামে নগরে, দেশ থেকে দেশান্তরে। ধর্ম-বর্ণ শ্রেণি পেশা নির্বিশেষে পরিণত হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসবে। ছোট এক শিল্পী গান করবে এই আহ্বান জানিয়ে সঞ্চালক এমনটিই বলছিলেন। নদীর মাঝি বলে, এসো নবীন! অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব রিয়াজুল হক।
চলো বাংলাদেশ নামের এক চমক ছিল অনুষ্ঠানে। ফুটবল নিয়ে আসে এক শিশু। সাইকেল চালিয়ে যায় আরেক কিশোর। ব্যাট বল নিয়ে ক্রিকেট খেলায় ব্যস্ত ছেলেরা। আনন্দময় শৈশব। লাল সবুজের পতাকা হাতে চলে তারা। শেষে দেখায় উন্নয়নের পথে বাংলাদেশ। ফারলুনা হক পরিচালনা করেছেন। পরিচালক আগেই অণু পর্বটি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন আমাকে। হাসি ভরা মুখে বলেছিলেন, অধমের নৈবেদ্য। অন্যদের মতো সেটি আমিও দেখি। মুগ্ধ হই।
বৈশাখী অনুষ্ঠানে আগত কয়েকজনমননের সঙ্গে সবার পোশাকেই ছিল উৎসব আমেজ। নারীরা লাল সাদা নীল কিংবা বাসন্তীসহ নানা রঙের শাড়ি পরে এসেছেন। টায়রা পরেছেন অনেকে। এমন দলে লাকি হালদার উল্কা, নাজনীন এজাজ, মৈত্রেয়ী বড়ুয়া ও সাইফুন্নাহার জলি। তারা ছোটাছুটি করেছেন। আয়োজনে শীর্ষস্থানীয় একজনতো বলেই ফেললেন, চলছে মিছিলের ললনারা! মিছিলের তরুণীরা এদিন ছবি তুলেছেন প্রাণভরে।
জনতা ব্যাংকের স্টলে তাসনুভা ইসলাম। কত্থক কন্যা এক। রসমঞ্জুরীর শিক্ষার্থী। পরিচয় করিয়ে দিল তার ছায়ানট ও মেডিকেল সায়েন্সের শিক্ষার্থী পুষ্পাকে। কয়েক দিন হলো তার এখানে আসা। সেখানে বসা তখন তার আর এক বোন ও মা। ছিলেন শরীফুন্নাহার জনি। অনন্য সময় কাটছে তাদের।
মহিলা সমিতির বৈশালীতে সবাই উন্মুখ তাদের ভালো লাগা প্রকাশ করতে। নতুন আশা, নতুন উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করছি নতুন বছর। বললেন এলি হাসান। আঞ্জুমান আরা শিল্পী বলেন, ছোট এক বাংলাদেশ পেয়ে গেছি। হোসনে আরা ভূঁইয়া দিনটিকে অপেক্ষার প্রহর বললেন।
আনোয়ারা আক্তার ও নাসরিন মুস্তাফিজ দূতাবাসের রূপসী বাংলা স্টলে আপ্যায়নে ব্যস্ত। প্রাণের বৈশাখ উদ্‌যাপন করতে পেরে আমাদের আনন্দের সীমা নেই, তারা দুজন বললেন প্রায় সমস্বরে। বঙ্গবন্ধু পরিষদের ইষ্টিকুটুম স্টলের সামনে দেখলাম ইমরাদ হোসেন ইমু ও আবু তাহেরকে। বন্ধুর আলাপ হয়। ‘আহার বিহার’ ব্যস্ত শুভার্থীদের সামলাতে। রুবাইয়া নিশাত ও সোমা রায় এগিয়ে এলেন। নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।
নিমতলায় আসি। সেখানে স্টল নিয়ে বসেছে আহালিয়া এক্সচেঞ্জ, ট্রান্সফাস্ট, প্রাণ ড্রিংক, ইনডেক্স এক্সচেঞ্জ আর আল হারামাইন পারফিউম। তারা জনসংযোগ শক্তিশালী করার জন্য চেষ্টা নেয়। বাইরে স্কুল মাঠে তাঁবু খাটানো হয়েছে। যারা ভিড় ঠেলে ভেতরে যেতে চাননি, এখানে টিভির পর্দায় মঞ্চের অনুষ্ঠান দেখেছেন। নাবিলা, ফাহিমা ও মার্জিয়া। তারা সতীর্থ। এক সময় এখানে পড়াশোনা করেছেন। এখন পেশা জগতে। এই এখানে রাস্তায় সেলফি তোলার আনন্দ তাদের। আমার ক্লিক এড়ায় না।
দর্শকদের একাংশবাইরে উন্নয়ন মেলা নিয়ে বিশাল এক বোর্ড। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান অবশ্য এ সম্পর্কেও বলছিলেন। উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ এখন স্যাটেলাইট, পারমাণবিক শক্তিতেও অগ্রগামী। আমি উল্লেখ করি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কথা। তিনি বলেন, গৌরবের এই সমাচারও ভিন দেশিদের সামনে তুলে ধরতে চাই।
লালনের শিক্ষা, মানুষই সেরা মানুষই প্রধান। মানুষকে স্নেহ, মমতায়, প্রেমপ্রীতিতে ধরে রাখতে পারলেই পূর্ণতা আসে। মানুষকে ভালোবাসার মধ্য দিয়েই একজন তার সার্থকতা পান। সেই গান সেই বন্দনা। আর এক শিল্পী গেয়ে শোনান ‘সর্বনাশা পদ্মা নদী।’
মহিলা সমিতির সভাপতি জাকিয়া হাসনাত ইমরান। তার তৃপ্তি, এত মানুষের ভিড় দেখে। তিনি জানতে চাইলেন, কিছু খেয়েছি কিনা! বাঙালি কন্যা বলে না কথা। একই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পপি রহমান তারই পাশে বসা। তারা আমন্ত্রণ জানালেন সমিতির বৈশাখ উদ্‌যাপনে। আমরা আনন্দ চিত্তে বলি, আসব। আমরা বলছি এই জন্য যে আমার সহধর্মিণী ছিলেন সঙ্গে।
ড. অধ্যাপক মেহরাজ জাহান এসেছেন আরেক অধ্যাপক ওই ডিউকে নিয়ে। যায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ইনস্টিটিউটের পরিচালক ওই নারী। দুজনই বললেন, অনন্য একটি সময় কাটল।
অধ্যাপক আবু তাহের, দুই প্রাধ্যক্ষ কাজী আবদুর রহিম ও মোকলেসুর রহমান শাহিন মঞ্চের পেছনে কাজ করছেন। তারা নেপথ্যে ছোটদের প্রস্তুত করে দিচ্ছেন। ভালোটি উপহার দিচ্ছেন দর্শকের জন্য। আমি প্রাণের কথা বলি তাদের সঙ্গে।
কুশলাদি বিনিময় হয় গণমাধ্যমের জাহাঙ্গীর কবির বাপ্পির সঙ্গে। আমরা দাঁড়িয়ে। বেলায়েত হোসেন হিরোও অংশ নেন সে চলমান আড্ডায়। মঞ্চে গান গেয়েছেন পুন্না শবনম। মুক্তিযোদ্ধার কন্যা। ঈদ আয়োজনে তার গানের খবর ছাপা হয়। তিনি আমার মাধ্যমে প্রথম আলোকে ধন্যবাদ জানিয়ে যান। আজকের জন্য অভিনন্দন জানাই তাকে। পাশে বসা ছিলেন কারিশমা এনাম। তার ও সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।
জনতা ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী আমিরুল হাসান। তারও ভালো লাগার প্রকাশ। একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক আবদুর রাজ্জাক প্রার্থনা করেন, জ্বালা যন্ত্রণা পেছনে ফেলে আসুক আলোকময় প্রভাত। দূতাবাসের কাউন্সিলর ও চ্যান্সারি প্রধান শহীদুজ্জামান ফারুকী বসা তার আম্মাজানকে নিয়ে। আম্মাজান মেরিল্যান্ড স্কুলে পড়েন। আমার ক্যামেরা জ্বলে ওঠে।
কাউন্সেলর ও দূতাবাসের মিনিস্টার ইকবাল হাসান সে সময় খুবই ব্যস্ত। শ্রম বিষয়ক কাউন্সেলর আরমান উল্লা চৌধুরী প্রায় কাছেই। তিনি বলেন, সংস্কৃতিকে বুকে ধারণ করে ভালোবাসি দেশকে। কাউন্সেলর ড. মোকসেদ আলী তখন মঞ্চে।
মানুষ আর মানুষ। সবাই আজ দেশ, দেশের মানুষের মঙ্গল কামনায় বিশুদ্ধ একটি সময় পার করেন। তাদের ভেতরে মা, মায়েরই বন্দনা। যা দেখে তারই মধ্যে খুঁজে পায় মাকে। যে নারী ছোটে ভিড়ের এক দিক থেকে অন্যদিকে, তার ও মধ্যে মায়েরই অস্তিত্ব। বাঙালির মন গেয়ে ওঠে, একি অপরূপ রূপে মা!


দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজুতে বৈশাখে এক টুকরো বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

Picture

গত রোববার (১৫ এপ্রিল) গুয়াংজুর চোন্নাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চোসান বিশ্ববিদ্যালয় ও গুয়াংজু ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলোজির (জিআইএসটি) বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করেন ১৪২৫ বাংলা বর্ষের বৈশাখ। বাহারি খাবার ও ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত বাঙালিদের পদচারণায় মুখরিত অনুষ্ঠানস্থলে সত্যি যেন পাওয়া গেল এক টুকরো বাংলাদেশ।
গুয়াংজুতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্যচোন্নাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ অ্যান্ড গ্লোবাল হাব সেন্টারের মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণারত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গুয়াংজু ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ও চোন্নাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক শিন গিওংগু, গ্লোবাল ডায়াসপোরা স্টাডিজের অ্যালামনাই প্রেসিডেন্ট ম্যুং দং হু, কোরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন গুয়াংজুর সভাপতি কিম ইয়ে শুক ও টপ অর্থোপেডিক হসপিটালের চিকিৎসক ডা. ইয়ু বহ পার্ক।
গুয়াংজুতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্যচোন্নাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বিষয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. আশরাফুল আলমের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের সামনে পয়লা বৈশাখের নানা দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি পয়লা বৈশাখ ও বাংলাদেশি সংস্কৃতির আগমন, ইতিহাস এবং ঐতিহ্য তুলে ধরতে পয়লা বৈশাখের ওপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করেন চোসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. মারুফ খান।

গুয়াংজুতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্যদ্বিতীয় পর্বে পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চোসান বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থী মো. হাসানুল বান্না ও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি বিভাগের পিএইচডি শিক্ষার্থী আরিফা ফেরদৌসী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। গান, কবিতা, অভিনয় ও কৌতুকসহ মজার মজার সব খেলায় মেতে ওঠেন উপস্থিত সকলে। অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথির পরিবেশিত কোরীয় গান সবাইকে মুগ্ধ করে। এ ছাড়া পয়লা বৈশাখের ওপর কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

গুয়াংজুতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্যবৈশাখী অনুষ্ঠানে আগত বিদেশি অতিথিরা বাঙালি খাবার এবং বাংলাদেশি সংস্কৃতির বিভিন্ন দিকের প্রশংসা করেন।অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন চোন্নাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ড. মো. গোলাম হাফিজ শওকতসহ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। গুয়াংজু ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চার ড. শামসুদ্দিন আহমেদ হাসনাতের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে শেষ হয় দিনব্যাপী পালিত বৈশাখী অনুষ্ঠান।

গুয়াংজুতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনের একটি দৃশ্য

সংস্কৃতি একটা দেশের অপরিহার্য অংশ বলে মন্তব্য করেন অতিথিরা। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনের প্রশংসা করে তারা বলেন, গবেষণার পাশাপাশি নিজ দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে এটি সত্যিই প্রশংসনীয় ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। এ ছাড়া তারা কোরীয় সংস্কৃতির কথা উল্লেখ্য করেন এবং বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাঙালি ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবার পরিবেশন। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবারের সহযোগিতায় আয়োজন করেন হরেক পদের ভর্তা, বিখ্যাত ইলিশ ভাজা ও পান্তা ভাত। খাবারের তালিকায় রসমালাই ছিল অন্যতম আকর্ষণ। আগত অতিথিসহ সবাই একত্রে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন। বাঙালি খাবারের বৈচিত্র্য ও স্বাদে বিদেশি অতিথিরা অভিভূত হন।


বিএমএস-এর বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শ্রোতা-দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করলেন সাবিনা ইয়াসমিন

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

হ্যাপি রহমান : সিডনি, অস্ট্রেলিয়া : হারানো দিনের বাংলা চলচ্চিত্রের গান গেয়ে শ্রোতা-দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করলেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল সোসাইটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস (বিএমএস) এর বার্ষিক নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে 'এই মন তোমাকে দিলাম' শিরোনামে জনপ্রিয় এই শিল্পীর একক সঙ্গীতানুষ্ঠানটির আয়োজন করে উক্ত সংগঠন। গত ৭ এপ্রিল ২০১৮ শনিবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের ওরিয়ন ফাংশন সেন্টারে আয়োজন করা হয়েছিলো এ অনুষ্ঠানটির।

alt

নৈশভোজের পর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। সংগঠনের সমাজকল্যাণ ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডাঃ শায়েক খান শুভেচ্ছা বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন। উপস্থাপনা করেন ডাঃ আয়েশা আবেদিন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে সাজানো হয়েছিল। প্রথম পর্বে ছিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডাঃ মতিউর রহমান ও  ডাঃ মীরজাহান মাজুর বক্তব্য। পরবর্তীতে সংগঠনের কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সম্মাননামূলক ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং সংগঠনটির বাৎসরিক ম্যাগাজিন 'প্রতিধ্বনি'র দ্বিতীয় সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। প্রকাশনা সম্পাদক ডাঃ ফখরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে 'প্রতিধ্বনি'র সকল কলাকুশলী, লেখক, পাঠক, ডিজাইনার ও পৃষ্ঠপোষকদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়াও উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন সংগঠনটির কল্যানে অবদান রাখার জন্য কোষাধ্যক্ষ ডাঃ জেসমিন শফিককে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় এসময়।   

alt

দ্বিতীয় পর্বে শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন দর্শকের মাঝে সুরের আবেশ ছড়িয়ে দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশাত্মবোধক গান 'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গেয়ে আসর শুরু করেন শিল্পী।  এরপর একে একে গায়লেন সুন্দর সুবর্ণ তারুন্য লাবন্য অপূর্ব রূপসী, মাঝি নাও ছাইড়া দে, চিঠি দিও জনপ্রিয় গানগুলো। সংক্ষিপ্ত সময়ের বিরতিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয় - ডিএসআই বর্তমানে বাংলাদেশের অভাবগ্রস্থ শিশুদের সার্বিক সহযোগীতায় কাজ করে আসছে। তারা শিক্ষার মাধ্যমে অভাবি- সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আলোর পথ দেখাতে এবং সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত কারার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি সেবামূলক সংগঠন, ডিএসআই এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ এহসানকে এসময় মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। ডাঃ এহসান তৎক্ষণাৎ তাঁর বক্তব্যে প্রবাসীদের সবাইকে ডিএসআই এর উদ্দেশ্যকে সফল করতে এক যোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, সাবিনা ইয়াসমিন ডিএসআই-এর একজন শুভেচ্ছা দূত। বাংলাদেশের অভাবি শিশুদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসার আশা ব্যক্ত করেন সাবিনা ইয়াসমিন।

alt

মধ্য বিরতির পর অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন বাংলা চলচ্চিত্রের গানের ডালি সাজিয়ে তুলেন সুর আর ছন্দে। নিজস্ব তালিকা ছাড়াও দর্শকদের অনুরোধে ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, ‘ইশরায় শিষ দিয়ে’, ‘একটুস খানিক বল ভালোবেসে বউ বলে ডাকো’সহ একে একে প্রায় ২০টি গান গেয়ে শোনান তিনি।বাংলা সঙ্গীতের ধারাকে এক অন্য মাত্রায় যারা নিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিন অন্যতম। অসম্ভব জনপ্রিয় এই শিল্পীর ভক্ত শ্রোতা অনেক। প্লেব্যাকে কণ্ঠ দেয়া এই শিল্পীর হাজারো গান চিরদিন শ্রোতা হৃদয়ে সুরের ঝড় তুলবে এমনই মধুর-গুঞ্জনে স্মরণীয় হয়ে রইলো সেদিনের আরাধ্য সন্ধ্যাটি।

alt

সবশেষে বিএমএস-এর পক্ষে শিল্পী, কলাকুশলী ও আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান ডাঃ মতিউর রহমান। সাবিনা ইয়াসমিন এবং তাঁর সাথে আগত যন্ত্রশিল্পীদের উপহার তুলে দিয়ে অভিনন্দন জানান সংগঠনের কর্মকর্তাগণ। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মতিউর রহমান, ডাঃ মীর জাহান মাজু, ডাঃ শায়েখ খান, ডাঃ জেসি চৌধুরী, ডাঃ শায়লা ইসলাম, ডাঃ জেসমিন শফিক, ডাঃ ফাহিমা সাত্তার প্রমুখ।


প্রধানমন্ত্রীর আগমনে সরব ইউরোপ আ.লীগের নেতারা

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

বাপ্ নিউজ : ইতালি থেকে : ২৫তম কমনওয়েলথ সম্মেলন শুরু হয়েছে। ৫২ দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করেছেন। বেলা ১১টার দিকে লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টার এবি এর সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।পরবর্তীতে বিকেলে মঙ্গলবার লন্ডনে ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটে (ওডিআই) সেমিনারে বাংলাদেশের উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন।

Picture

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক বিষয় নিয়ে কর্মরত ওডিআই বিশ্বের নেতৃস্থানীয় থিংক ট্যাঙ্ক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট স্টোরি : পলিসি, প্রগেস অ্যান্ড প্রসপেক্টস’ শীর্ষক সেমিনারের সঞ্চালনা করেন ওডিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক অ্যালেক্স থিয়ের।

এ সময় লন্ডনের সম্মেলন কেন্দ্রের বাইরে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ ও ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

London-2

এছাড়া উপদেষ্টা জালাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, মারুফ চৌধুরী, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগ-এর সভাপতি তামিম আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত জয় প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ- এর সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুজ্জামান নেতারও উপস্থিত ছিলেন।

পরে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হোটেল ক্লারিজে-এর স্যুটে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি সুলতান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, উপদেষ্টা শামসুদ্দিন খান, জালাল উদ্দিন, ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, ফ্রান্স আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি বেনজির আহমেদ সেলিম, সহ-সভাপতি এম এ কাশেম, ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ-এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ-এর সাধারণ সম্পাদক ড. বিদ্যুৎ বড়ুয়া, স্পেন আওয়ামী লীগ সভাপতি আখতার হোসেন, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনজুরুল হাসান চৌধুরী, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সাধারণ সম্পাদক ডাল্টন তালুকদার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ওয়েস্টমিনিস্টার পার্লামেন্টের সামনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের অভ্যর্থনা

Picture

বাপ্ নিউজ : বালাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন। তিনি রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ নারী ফোরামের ‘এডুকেট টু এম্পাওয়ার: মেকিং ইকুইটেবল এন্ড কোয়ালিটি প্রাইমারী এডুকেশন এন্ড সেকেন্ডারী এডুকেশন এ রিয়েলিটি ফর গার্লস এক্রোস দ্য কমনওয়েলথ’ শীর্ষক অধিবেশন ছাড়াও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকের (সিএইচওজিএম) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগদান করছেন।

এদিকে বুধবার (আজ) যুক্তরাজ্য আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফয়েজ খান তৌহিদের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীরা  ওয়েস্টমিনিস্টার পার্লামেন্টের সামনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানান।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল ইসলাম বাচ্চু , তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জুবের আহমদ, সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিপন আহমেদ, শাহ শহীদ আলী, আল মামুন ফকির, মুস্তাফিজ, আমজাদ হোসেন প্রমুখ। অভ্যর্থনার পুরো প্রক্রিয়া সমন্বয় করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফ, প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ শামছ উদ্দিন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান  চৌধুরী।


কেনিয়ায় নববর্ষের আনন্দে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

শারমিনা নাসরীন: বাপ্ নিউজ : নাইরোবি, কেনিয়া : অনুষ্ঠানে বৈশাখী সাজে নারীরাদক্ষিণ এশিয়ার সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ আর সুদূর আফ্রিকা মহাদেশে ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ কেনিয়া-হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্বে অবস্থিত বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রকৃতি ও ভিন্ন সংস্কৃতির দুটি দেশ।

Picture

জীবিকা ও পেশাগত দায়িত্বের প্রয়োজনে এ দেশের রাজধানী নাইরোবি ও অন্যান্য স্থানে ছোট একটি বাংলাদেশি কমিউনিটি বসবাস করে। একাকী প্রবাসজীবনে পরিবার, আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব থেকে দূরে থাকা এবং দেশীয় স্বাদ ও আমেজের জন্য সারা বছর হা-হুতাশ করা এই বাংলাদেশি পরিবারগুলো হাজার মাইলের দূরত্ব আর সাংস্কৃতিক ভিন্নতর কষ্ট ভুলে যায় প্রতিবছর ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিনটিতে।

অনুষ্ঠানে বৈশাখী সাজে নারীরা

বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। দৈনন্দিন হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও বছরে এই দিনটি পালন না করলে প্রবাসী বাঙালিদের জন্য একটা অসম্পূর্ণতা ও অতৃপ্তি থেকেই যায়। দিনটি এ বছর কেনিয়ার সরকারি ছুটির দিনে পড়ায় সকলের স্বতঃস্ফূর্ত সম্মিলিত অংশগ্রহণে দিবসটি পালনের আনন্দ অন্য সময়ের চেয়ে এবার অনেক বেশি অনুভূত হয়েছে। ছোট আর বড়দের রং-বেরঙের বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশীয় পোশাক, সাজসজ্জা, ভোজনরসিক বাঙালির প্রিয় পিঠা-পায়েস, পান্তার আয়োজন আর দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কেনিয়ার হাইকমিশন প্রাঙ্গণটি হয়ে ওঠে আনন্দমুখর একটি ক্ষুদ্র বাংলাদেশ। সকলে মিলে লাল-সাদা শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে দেশীয় আমেজে বাংলা বর্ষবরণ প্রবাসীদের জন্য একটি অন্যতম উৎসব-আনন্দের দিনে পরিণত হয়েছে। দেশের সীমানা পেরিয়ে সুদূর বিদেশের মাটিতে নিজস্ব সংস্কৃতি তুলে ধরার এ প্রয়াস দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ এবং দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বেরই উদ্‌যাপন।বৈশাখী সংগীত পরিবেশনাঅনুষ্ঠানে বৈশাখী সাজে নারীরাকেনিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এবং রাজধানী নাইরোবি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে গত কয়েক বছর ধরে সাড়ম্বরে বাংলা নববর্ষ পালিত হয়ে আসছে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গত রোববার (১৫ এপ্রিল) হাইকমিশন চত্বরে বরণ করা হলো বাংলা নববর্ষ ১৪২৫। এ বছর নববর্ষ পালনের আনন্দের সঙ্গে কেনিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য যুক্ত হলো আরও দুটি প্রাপ্তি। উদ্বোধন করা হলো বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের বাংলা ও ইংরেজি ওয়েবসাইটটি পুনরায় নতুনরূপে চালু করা হলো।
হাইকমিশনার, তার সহধর্মিণী ও বাংলাদেশিরাহাইকমিশনার, তার সহধর্মিণী ও বাংলাদেশিরাকেনিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ হ‌ুমায়ূন কবির ও তার সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট তানজিনা আজিজ অনুষ্ঠানে আগত সকলকে শুভেচ্ছা জানান। নববর্ষ পালনের দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নজরকাড়া ফ্যাশন শো, ছোট ও বড়দের জন্য দেশীয় খেলাধুলা ও বিভিন্ন দেশীয় খাবারের আয়োজন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আমিনুল ইসলাম সজল। রুমানা নকিবের আঁকা আবহমান গ্রাম বাংলার মঞ্চসজ্জা সকলের নজর কেড়ে নেয়। এষা মাহমুদের উপস্থাপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় জেইডেন, এইসন ও সুদীপ্তর কিবোর্ড ও বেহালার অপূর্ব সুরে জাতীয় সংগীত দিয়ে। ছোট্টমণি স্মিতার নাচ, রাইয়ান, রায়িদ, সায়ের, জুনায়েদ ও গালিবের কবিতা আবৃত্তি, রিমঝিমের গান সকলের মন ভরিয়ে দেয়। অনুষ্ঠানে একঝাঁক ছোট্ট শিশু তাজিন, হিবা, রোজালিন, আরিয়ান, আরহাম, জাহিন, রাইকা, মুনজারা, মুনতাহা ও রাশনিয়া উপস্থাপন করে বাংলার গ্রামীণ ও শহুরে জীবনযাত্রার নানা বৈচিত্র্যপূর্ণ ছবি।
ছোট্ট স্মিতার নাচনাইরোবির বাঙালি শিল্পীদের কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’ গান, মনমাতানো নানা বাংলা ফোক ও আধুনিক গানের সুর, কৌতুক ও যুগল-দম্পতিদের বাঙালি পোশাকের ওপর ফ্যাশন শোও ছিল মনোমুগ্ধকর। দুপুরে নানারকম মজার মজার খাবারের আয়োজন করেছিল হাইকমিশন। আর এই আয়োজনে সহযোগিতা করেন বাঙালি কমিউনিটির খাদ্য কমিটির সদস্যরা। পান্তা, বিভিন্ন রকম ভর্তা, ভাজি, মাছ, মাংস থেকে শুরু করে চটপটি, পিঠা-পুলি, পায়েস, মিষ্টি, হালুয়া কিছুই বাদ যায়নি। দুপুরের ভোজনের পর বৈশাখী আয়োজনের মধ্যে আরও ছিল এম এ হান্নান ও মো. দাউদের পরিচালনায় মহিলাদের বালিশ খেলা, বাচ্চাদের চকলেট দৌড়, মোরগ লড়াই, ছেলেদের ডার্টসহ নানা খেলাধুলা প্রতিযোগিতা। যা ছোট-বড় সকলে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করে।
বৈশাখী সাজে ছোট্টমণি হিবা ও তার বাবানাইরোবির এবারের নববর্ষ পালন আরও আনন্দঘন ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ‘বাংলাভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে। কেনিয়ায় বাংলাদেশি ছাড়াও ভারতের পশ্চিম বাংলার বেশ কিছু বাংলাভাষী রয়েছেন। তবে বাংলা ভাষাভাষীদের সংখ্যা স্বল্প হওয়ায় এখানে বাংলা মাধ্যমে কোনো স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
বৈশাখী নৃত্য এ ছাড়া প্রবাসী বাঙালিরা বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করায় নিয়মিত যোগাযোগের অভাবে বাংলা ভাষা চর্চা করার সুযোগ এখানে অত্যন্ত কম। বাংলাদেশি ছেলেমেয়েরা যাতে নিজের মাতৃভাষা বাংলা ভুলে না যায় ও নিজের সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, সে লক্ষ্যে স্থানীয় বাংলাদেশিরা সন্তানদের বাংলা ভাষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ সৃষ্টির জন্য দীর্ঘদিন ধরে ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছিলেন।
ফ্যাশন শোসম্প্রতি বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে আবুল কালাম মোহাম্মদ হ‌ুমায়ূন কবীরের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার ঐকান্তিক আগ্রহ ও পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সকলের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ‘বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র’ নামে একটি বাংলা চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। হাইকমিশনার এবারের পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে এই চর্চা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। কেন্দ্রে পাক্ষিক ভিত্তিতে মাসে দুদিন স্থানীয় বাঙালিদের স্বেচ্ছা অংশগ্রহণের ভিত্তিতে শিশুদের বাংলা বর্ণমালা ও সহজ ভাষা শিক্ষা দেওয়া হবে এবং পাশাপাশি সংগীত, আবৃত্তি ও শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ শেখানো হবে।

ফ্যাশন শোবৈশাখী সংগীত পরিবেশনা১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে আমাদের সাহসী পূর্ব-পুরুষেরা মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার যে মহান উদ্দেশ্যে আত্মত্যাগ করেছিলেন, সেই লক্ষ্য পূরণের প্রচেষ্টা হিসেবে এই ভাষা ও সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রবাসে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মরা বাংলা ভাষাকে হৃদয়ে ধারণ করবে ও দেশের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে আগ্রহী হবে-সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে অনুষ্ঠান শেষ করা হয় পুরস্কার বিতরণ আর হাইকমিশনারের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে।


বিদেশি বন্ধুদের নিয়ে জাপানে ‘বাংলা নববর্ষ’

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

Picture

জাপানও এর ব্যতিক্রম নয়। ১৪২৫ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে গতকাল (২০ এপ্রিল) শুক্রবার জাপানের বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশ হাউসে বিদেশি বন্ধুদের সম্মানে নববর্ষ উদ্‌যাপন ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে।

মেহেদি রাঙানোঅনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথির মধ্যে ছিলেন জাপানের পার্লামেন্টের কয়েকজন সাংসদ, জাপানে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, জাপান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়য়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন। অতিথিদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। তিনি তাঁদের উত্তরীয় দিয়ে বরণ করে নেন।
রাষ্ট্রদূত টিপ পরিয়ে দিচ্ছেনবাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনকে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সাজে সাজিয়ে তোলা হয়। মনের মাধুরী মেশানো আলপনার রঙ্গে রাঙিয়ে দেওয়া হয় অতিথিদের আগমন ও অভ্যর্থনা স্থান। দূতাবাসের দেয়ালে দেয়ালে শোভা পায় আবহমান বাংলায় নববর্ষ উদ্‌যাপনের অনন্য উপাদান নানান রঙের মুখোশ। রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আনন্দঘন পরিবেশে এই সাজসজ্জায় অংশ নেন। এ ছাড়া মেহেদি রঙ্গে বিদেশি বন্ধুদের হাত রঙিন করার ব্যবস্থা ছিল। অনেক বিদেশি বন্ধু তাঁদের হাতে বাংলাদেশি মেহেদি দিয়ে আলপনা করিয়েছেন পরম আনন্দে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের নারী অতিথিদের চুরি ও টিপ পরিয়ে দেন রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।অতিথিদের একাংশআগত অতিথিরা বাংলাদেশের আতিথেয়তা ও আকর্ষণীয় এই সাজে তাঁদের মুগ্ধতা ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাঁদের চোখে ছিল আনন্দ আর তৃপ্তির ঝিলিক।
নকশিকাঁথার প্রদর্শনীঅনুষ্ঠানে বিদেশি বন্ধুদের বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী ও বাঙালিয়ানা খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। বিভিন্ন রকমের খাবারের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের ইলিশ, পোলাও, গরু ভুনা, জিলাপি, ক্ষীরমোহন, চমচম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশি খাবারএ ছাড়া দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে বাংলাদেশের তৈরি নকশিকাঁথা ও অন্যান্য সামগ্রীর সমাহার নিয়ে একটি প্রদর্শনীও আয়োজন করা হয়।


অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলা উদ্‌যাপিত

রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

Picture

জাতিসত্তার আনন্দঘন আত্মপ্রকাশে অস্ট্রেলিয়ার শিকড়সন্ধানী প্রবাসী বাঙালিরাও একই সুরে মেতে উঠেছেন বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় উৎসব পয়লা বৈশাখে।

alt

গত ২৬ বছরের ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এবারও হয়ে গেল দেশটির সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলার। আজ শনিবার পয়লা বৈশাখ এ দেশটিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় মেলায় আগত দর্শকদের। সিডনির বিখ্যাত এএনজেড অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় বাংলা বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা।

মেলায় দর্শকসিডনির রোদ ঝলমল দুপুরে মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ বর্ষবরণ উৎসবের। ঢোলের তালে-তালে মুখ-মুখোশের প্রকাশে শুভ বোধকে বরণ করে নিতে ঐতিহ্যবাহী এ শোভাযাত্রায় শত শত বাঙালি বৈশাখী সাজে অংশ নেন। লাল সাদা আর বর্ণিল পোশাকে উৎসবমুখর হয়ে উঠতে শুরু করে সিডনির অলিম্পিক পার্কসংলগ্ন রাস্তাঘাট। এবারের মেলার প্রচারণায় সিডনির প্রধান সড়কে বাংলা ও ইংরেজিতে নিমন্ত্রণ জানিয়ে স্থাপন করা হয়েছিল বিলবোর্ড। দুপুর গড়িয়ে বিকেলের আগেই মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল বিশেষ বাণী প্রদান করেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রবাসী বাঙালিদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী টার্নবুল তার বাণীতে প্রবাসী বাঙালিদের স্বদেশি সংস্কৃতি ধারণের জন্য সাধুবাদ জানান।
মেলায় দর্শকবৈশাখী মেলা উপলক্ষে মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নতুন আর পুরোনো প্রজন্মের মিশেলে ব্যতিক্রমী ফ্যাশন আর নাচে-গানে হাজার হাজার দর্শক সরব হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে পথ প্রোডাকশনস শিল্পীদের তাক লাগানো পরিবেশনা প্রশংসা কুড়ায় মুহুর্মুহু হাত তালিতে। অনুষ্ঠানে এবার শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মঞ্চনাটক ‘চেরাগবিহীন খুদে আলাদিন’ পরিবেশনা প্রাণবন্ত করে তোলে মেলা প্রাঙ্গণ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ‘রুপালি পর্দার স্বর্ণালি গান’ সংগীত পরিবেশনা মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন সকলে। এবারের মেলায় আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশের শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায় ও চন্দনা মজুমদার। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় লোকসংগীত পরিবেশন করেন তারা।

মেলায় স্টল
প্রবাস জীবনে ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে আসা মানুষগুলো মেতে ওঠেন আড্ডা-খুনসুটিতে। চটপটি-ফুচকার সঙ্গে জিলাপি ঝালমুড়ির স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি উপভোগ করেছেন দেশীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মেলা সামগ্রী নিয়ে বসা বৈশাখী মেলার বিভিন্ন স্টলে ভিড় জমান মেলায় আগত দর্শকেরা। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রতিবারের মতো এবারেও জমকালো আতশবাজির চোখধাঁধানো আয়োজনের মধ্য দিয়ে মেলার ইতি টানা হয়।

মেলায় স্টলদীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সুবিশাল এ মেলার আয়োজন করে আসছে বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া। মেলায় প্রবাসী বাঙালিদের পাশাপাশি ভিন্ন জাতির মানুষের অংশগ্রহণও নজরে পড়ে। এ ছাড়া মেলায় রাজ্য ও ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।সাংস্কৃতিক পরিবেশনাঅস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি ও বিরোধী দলীয় নেতার প্রতিনিধিসহ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রিমিয়ার গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান।সাংস্কৃতিক পরিবেশনামেলার আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শেখ শামীম মেলায় আগত সকলকেই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দেশীয় সংস্কৃতির লালন ও নতুন প্রজন্মের কাছে এ ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ মেলার যথার্থ আয়োজন করা হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।


স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লন্ডন হাই কমিশনের ডিপ্লোমেটিক রিসিপশন

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

বাপ্ নিউজ : লন্ডন: লন্ডন বাংলাদেশ হাই কমিশন ব্রিটেনের মন্ত্রী, এমপি, কূটনীতিক ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে।বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এ উপলক্ষে হাই কমিশন আয়োজন করে এক রিসিপশন অনুষ্ঠান।
C7D25699-AA1B-4629-BE82-83217778B2BA

ব্রিটিশ মন্ত্রী লর্ড আহমেদ অব উইম্বল্ডন এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান স্টিফেন টুইগ এমপি, লিজ ম্যাকিনিজ এমপি, পল স্কালি এমপি, জিম ফিটজ্প্যট্রিক এমপি, লর্ড শেখ, লর্ড বিলিমোরিয়া ও Marshall of Her Majesty।

01D9B4F6-4549-41CC-80CF-585B7E5A1CB0

হাই কমিশনার মো: নাজমুল কাউনাইন আগত অতিথিদের অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান।হাই কমিশনার বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ সামাজিক উন্নয়নের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন তাঁর বক্তৃতায়। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে উঠা বাংলাদেশ আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানিকীকরণ নিশ্চিত করে উন্নয়নের মহাসড়কে আরোহন করেছে। গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশ-ব্রিটেনের মধ্যে কৌশলগত সংলাপ (Strategic Dialogue) অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে হাই কমিশনার বলেন, এর মাধ্যমে দু‘দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীরতর, দৃশ্যমান ও উষ্ণতর হয়েছে।

862592CA-DF98-49EC-9706-C38549164F6A

ব্রিটিশ মন্ত্রী লর্ড আহমেদ অব উইম্বল্ডন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাস ও মৌলবাদ মোকাবেলায় দৃঢ় অংগীকারের প্রশংসা করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাহসী ও মানবিক ভূমিকায় ধন্যবাদ জানান। মন্ত্রী লর্ড আহমেদ সম্প্রতি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী বরিস জনসন ও তাঁর নিজের ঢাকা সফরের বিষয় তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ব্রিটেন অভিভূত। তিনি ব্রিটেনে কর্মরত বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।