Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_jcomments/images/media/system/js/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

গ্রেটার খুলনা সোসাইটি ইউএসএ’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত

শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

alt

গ্রেটার খুলনা সোসাইটিতে ২০১৮-২০১৯ মেয়াদের জন্য যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন তাঁরা হলেন- সভাপতি মুরারী মোহন দাস, সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়াহিদ কাজী এলিন, সহ-সভাপতি ইসমত জাহান পলি, শাহজাহান দুলাল, শেখ নওশাদ আকতার, এস এম সিরাজুল ইসলাম এবং শেখ হাসান আলী, সাধারণ সম্পাদক সরদার মুনীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ কামাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাওলাদার শাহিনুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক খন্দকার মুরাদ হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পপি চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোকসানা চৌধুরী, আইটি সম্পাদক শেখ আল আমিন. কার্যনির্বাহী কমিটিতে আছেন ফারুকুল ইসলাম, আনসার আলী, সৈয়দ এনায়েত আলী, মোস্তফা আল আমিন রাসেল, শেখ সেকান্দার আলী, শিমূল সাহা, মোসাম্মাৎ লিপি, জামাল উদ্দিন, শেখ নুহুল আলম, শেখ শহিদুল ইসলাম। গ্রেটার খুলনা সোসাইটিতে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আছেন ডা: মাসুদ রহমান, সিনিয়র উপদেষ্টা: শাহ নেওয়াজ, এছাড়াও উপদেষ্টা কমিটিতে আছেন: আসাদুল ইসলাম, পারভীন সুলতানা রতœা, জিয়াউর রহমান লিটু, এবং ফজলে করিম।

Picture
৪ ডিসেম্বর খাবার বাড়ির পালকি সেন্টার হলে অনুষ্ঠিত সভায় নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক আগামী ১৪ জানুয়ারী ২০১৮ তারিখ “গুলশান টেরেস”-এ অনুষ্ঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, এবং সে লক্ষ্যে অভিষেক অনুষ্ঠান উদযাপনের জন্য শেখ আনসার আলীকে আহবায়ক এবং মোস্তফা আল আমিন রাসেল ও খন্দকার মুরাদ হোসেনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট উপকমিটি গঠন করা হয়। সবশেষে  নৈশভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবি দ্বিবসের প্রথম প্রহরে প্রদীপ প্রজ্জলন

শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের প্রথম প্রহরে যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে শহীদদের  স্মরণে প্রদীপ প্রজ্জলন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার এবং সঞ্চালন করেন সাধারণ সম্পাদক সুবল দেবনাথ।

Picture

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র  আওয়ামী লীগের ভার প্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আঃ সামাদ আজাদ।

alt

প্রদীপ প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মমতাজ শাহনাজ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আশরাফ উদ্দিন, সহ সভাপতি মোঃ কবির আলী, মোঃ জাহিদ মিয়া, মোঃ মাহবুবুর রহমান, অতুল প্রসাদ রায়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম ইকবাল, আনিসুজ্জামান সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন রাকিব, সোহেল আহমেদ, নিউইয়র্ক স্টেট স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী লিটন, সাধারণ সম্পাদক ফকরুল আবেদীন আবেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম সুজন, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ প্রচার সম্পাদক সাদেক রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শিবলী সাদিক শিবলী এবং শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আনিসুর রহমান সহ আওয়ামী পরিবারের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


২৭ বছরে নাবিক বাংলাদেশের উন্নয়নে মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের উদ্যোগ

শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :নর্থ আমেরিকান বাংলাদেশি ইসলামিক কমিউনিটি নাবিক ২৬ বছর ধরে বাংলাদেশে আর্ত-মানবতার সেবায় কাজ করছে, গত ১০ই ডিসেম্বর রবিবার নিউইর্য়কের ওর্য়াল্ড ফেয়ার মেরিনা মিলনায়তনে নাবিকের ২৬ বছর পুর্তিতে নিউইর্য়ক বার্ষিক অনুষ্ঠানে নাবিক প্রেসিডেন্ট ডা. পিয়ার এম ইনাম এর সভাপতীত্বে ও শাহিদ রহমান এর পরিচালনায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ মদীনা মসজিদ ইমাম আবু সুফিয়ান। আর্তমানবতার সেবায় বাংলাদেশের পাশে থেকে নাবিক-কে সহযোগিতা করায় ম্যানহাটন মদীনা মসজিদ, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার, দারুস সালাম জামে মসজিদ, উডহেভেন জামে মসজিদ, বায়তুল গাফফার জামে মসজিদ, বেলিজেনো পার্টি হল, হামজা মসজিদ, হিলসাইড ইসলামিক সেন্টার ও ইসলামিক দাওয়াহ টেলিভিশন আইটিভি ইউএসএ-কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা তুলে দেন প্রেসিডেন্ট ডা. পিয়ার এনাম ও ডা. আবু বকর আহমেদ।
সাম্প্রাতিককালে রোহিঙ্গা সাহায্যে নাবিক প্রায় তিন লক্ষাদিক ডলার স্বাস্থ্য, খাদ্য ও সেবামূলক কাজে অনুদান ব্যয় করেছে বলে উপস্থাপক উল্লেখ করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানের শুরুতেই আল মামুর স্কুল, রাইজিং স্টার স্কুল ও আইডিয়াল স্কুলের প্রধানদের হাতে বাৎসরিক স্কলারশীপ অর্থের নেক তুলে দেয়া হয়।

Picture
নাবিকের কর্মকান্ডের মধ্যে হাসপাতাল কার্যক্রম, নিরাপদ নারীকেন্দ্র, স্কুল, আত্ম কর্মসংস্থান, সুদ বিহীন বিনিয়োগ, সিডর এলাকায় পূর্ণবাসন, রোহিঙ্গা সাহায্যের তথ্যচিত্র ও বিবরণ তুলে ধরেন নাবিক প্রেসিডেন্ট ডাঃ পিয়ার এনাম।
সম্ভাবনাময় বাংলাদেশী শীর্ষক প্রতিবেদন তুলে ধরেন ম্যাসাচুসেটস ইউনির্ভাসিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চ্যাঞ্জেলর বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আতাউল কারিম। বক্তব্য রাখেন মুসলিম কম্যিউনিটি নেটওয়ার্ক প্রেসিডেন্ট ড. দেবী আল মুনতাসির। উৎসাহমূলক বক্তব্য ইসনা ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আলতাফ হোসাইন ও দোয়া মুনাজাত করেন ইমাম শামসী আলী। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক চ্যাপ্টরের কর্নেল (অব:) মাহবুব, কামরুল আহসান, আকতাব আহমেদ, আব্দুল আজিজ ভূইয়া, মুহিবুর রহমান, মিসবাহ মাহমুদ ও এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ফজলে এলাহী।


মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে পূনর্বার বৈঠক

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধির বিবৃতি

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ-নিউইয়র্ক : গত ১২ ডিসেম্বর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে পূনর্বার বৈঠকে বসে। এ বৈঠকে বিবৃতি প্রদান করেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেফ্রি ফেল্টম্যান। উল্লেখ্য গত ৬ নভেম্বর নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমার পরিস্থিতির উপর সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসিডেন্সিয়াল স্টেটমেন্ট গ্রহণ করে যেখানে জাতিসংঘ মহাসচিবকে স্টেটমেন্ট গ্রহণের ৩০ দিন পর নিরাপত্তা পরিষদে বিবৃতি প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়। সে অনুযায়ী আজ জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে জাতিসংঘের রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেফ্রি ফেল্টম্যান মিয়ানমার পরিস্থিতির উপর নিরাপত্তা পরিষদে বিবৃতি প্রদান করলেন। উল্লেখ্য মিয়ানমার বিষয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল স্টেটমেন্ট গ্রহণ ছিল নিরাপত্তা পরিষদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ যা সুনির্দিষ্টভাবে এই পরিষদ গৃহীত দলিল হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে।
নিরাপত্তা পরিষদের আজকের সভায় বক্তৃতা প্রদান করেন সংঘাতময় পরিস্থিতিতে যৌন সহিংসতা বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি মিজ্ প্রমীলা প্যাটেন। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরকালে তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নারী ও শিশুদের উপর সংঘটিত ভয়াবহ যৌন সহিংসতার যে বাস্তব চিত্র নিজ চোখে দেখে এসেছেন এবং নির্যাতিত নারী ও শিশুদের যে বক্তব্য শুনেছেন তা এ সভায় তুলে ধরেন। খবর বাপসনিঊজ।

মিজ্ প্যাটেন বলেন, “যারা এখনও যৌন সহিংসতার ক্ষতচিহ্ন নিয়ে বেঁচে আছেন এবং যারা নিষ্ঠুরতম এই যৌন সহিংসতার দৃশ্য নিজ চোখে দেখেছেন, তাদের সকলেই আমাকে বলেছেন, নারকীয়ভাবে মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা ধর্ষণ, গণধর্ষণ, জনসম্মুখে বিবস্ত্রকরণ এবং সেনাক্যাম্পে আটক রেখে দিনের পর দিন রোহিঙ্গা নারীদের যৌনদাসত্ব গ্রহণে বাধ্য করার মতো জঘণ্য কাজ গুলো করেছে”। তিনি সহিংসতার শিকার এমন অনেক নারীর উদাহরণ দেন যাদের কেউ কেউ টানা ৪৫ দিন সেনা ক্যাম্পে ধারাবাহিক যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অনেক মেয়েকে তার স্বামী অথবা পিতার সামনে উলঙ্গ করে ধর্ষণ করা হয়েছে। অনেক মায়ের সন্তানদের গ্রামের জলকুপে ডুবিয়ে মারা হয়েছে। শিশুকে কেড়ে নিয়ে শিশুর সামনে মাকে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং ধর্ষণ শেষে শিশুটিকে আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এমনই সব মর্মস্পর্শী বর্ণনা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করে মিজ্ প্যাটেন সর্বোচ্চ দ্রুততম সময়ে এই সহিংসতার সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদের সর্বক্ষমতা প্রয়োগের আহ্বান জানান।
আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেফ্রি ফেল্টম্যান তাঁর বক্তব্যে মিয়ানমার সঙ্কটের সমাধানে বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন। সেগুলো হল: ১) রাখাইন স্টেটের অ্যাডভাইজরি কমিশনের সুপারিশমালাকে ভিত্তি ধরে শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে, ২) প্রত্যাবাসন হতে হবে উচ্ছেদকৃতদের মুল ভূমিতে বা পছন্দনীয় কাছাকাছি কোন স্থানে, ৩) অবাধ চলাফেরার স্বাধীনতা থাকতে হবে যাতে তারা জীবন ধারণের মৌলিক প্রয়োজনগুলো সংস্থান করতে পারে, ৪) প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে যোগ্যতার মানদন্ড উদারভিত্তিক হতে হবে, ৫) সকল প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে হবে।
নিরাপত্তা পরিষদের চলতি ডিসেম্বর মাসের সভাপতি জাপানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় পরিষদটির সদস্যদেশ সমূহের বাইরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকেও বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, “প্রতিদিন গড়ে ১০০-৪০০ জন বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, রাখাইন প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক পর্যায়ে আসেনি”। তিনি সম্প্রতি উত্তর ও মধ্য রাখাইন প্রদেশের কোন কোন অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের বসতবাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


গত ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্পাদিত দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির বিষয়ে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করে বলেন, এ চুক্তির শর্তানুযায়ী শীঘ্রই জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হবে এবং মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে। তবে তিনি উল্লেখ করেন এ দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে কেবল প্রত্যাবাসনের কাজটি করা সম্ভব হতে পারে কিন্তু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক দূর্দশার যে মূল কারণ তা দূর করতে এতদসংশ্লিষ্ট বহুবিধ বিষয় ও অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো মিয়ানমারকেই সমাধান করতে হবে এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহাযোগিতা ও পর্যবেক্ষণ একান্তভাবে প্রয়োজন, আর তা করতে হবে অসহায় রোহিঙ্গাদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে।
রাষ্ট্রদূত মাসুদ তাঁর বক্তব্যে রাখাইন প্রদেশের বাস্তুচ্যুত অসহায় নাগরিকদের মানবিক সহায়তা প্রদান, সহিংসতার নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন তদন্ত ও বিচার, রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তন এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে একত্রে বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরির উপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন।
নিরপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিগণ এ সভায় বক্তব্য প্রধান করেন। তারা রোহিঙ্গাদের অব্যাহতভাবে মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বরাবরের মতো বিশ্ব সম্প্রদায়কে মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিগণ বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্পাদিত দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির সাফল্য কামনা করেন। উল্লেখ্য সভার সকলেই জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি মিজ্ প্রমীলা প্যাটেনের মর্মস্পর্শী বর্ণনা মনোযোগসহকারে শোনেন এবং মিয়ানমার সঙ্কটের সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
    উল্লেখ্য, গত ১৬ নভেম্বর মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটি উন্মুক্ত ভোটের মাধ্যমে একটি রেজুলেশন গ্রহণ করে। তৃতীয় কমিটি গৃহীত এই রেজুলেশন অচিরেই সাধারণ পরিষদের প্লেনারিতে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়া গত ৫ ডিসেম্বর জেনেভাস্থ মানবাধিকার কাউন্সিলে মিয়ানমারের মানবিক পরিস্থিতির উপর একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়।


আমেরিকার থ্যাংক্স গিভিং ডে উদযাপন করেছে বৃন্দাবন কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনা ও ব্যপক উপস্থিতিতে থ্যাংকস গিভিং ডে উদযাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্রস্থ হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশন। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বৃন্দাবন কলেজের প্রাক্তন  ছাত্র/ছাত্রীর সামনে অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষন বিশাল দুটি টার্কি কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষনা করেন সংগঠনের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা ইব্রাহিম খলিল বারভূইয়া রিজু, সাধারণ সম্পাদক জায়েদুল মুহিত খান। থ্যাংক গিভিং ডে উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক শাহ  সাদেক মিয়া এবং সদস্য সচিব আবু সাইদ  চৌধুরী কুটি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলেজের প্রবীন ছাত্র সাবেক ব্যাংকার নারায়ন চন্দ্র দেব, সংগঠনের উপদেষ্টা  এটর্নী মঈন চৌধুরী, উপদেষ্টা মুজাহিদ আনসারী, ব্যাংকার  সৈয়দ মজিবুর রহমান প্রমুখ।খবর বাপসনিঊজ।


নিজেদের সংস্কৃতিকে ধারণ করে আমেরিকার মূল ধারার সংস্কৃতির সামনে নিজেদের মানিয়ে নেয়া এবং নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়া দেয়ার জন্য সংগঠনটি প্রতি বছরই থ্যাংকস গিভিং ডে উপলক্ষে ফ্যামিলি ডে ও হবিগঞ্জ নাইট উদযাপন করে আসছে। অনুষ্ঠানটি দিনে দিনে সকল প্রবাসী ও মূলধারার মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল কবিতা আবৃতি, কৌতুক পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী কৃষ্ণা তিথি।


জ্যাকসন হাইটসের একটি হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে টার্কির মাংশসহ নৈশ ভোজে আপ্যায়িত করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতা কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদ উদ্দন, নাজিম উদ্দিন,  আলমগীর মিয়া, আব্দুর রহমান, লিটন চৌধুরী, মিয়া মোঃ আছকির, সামছুল ইসলাম শামীম, মোঃ আবিদ, আবদুল আজিজ, মোস্তফা কামাল সংগ্রাম, বিষ্ণু পদ সরকার, গাফ্ফার চৌধুরী, আব্দুল ওয়াহেদ, ফয়সাল আহমেদ, শিমুল হাসান, মঞ্জুর চৌধুরী, রুহুল আমিন, প্রফেসর ইকবাল, মীর সোহেল, সুকান্ত হরে, সুভাস , মাসুম, হাসান, মোশারফ, কালাম, নোভেল আমিন প্রমুখ।


বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সম্পদ পাচারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।: যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ১১জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ:বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ পাচারের যে অভিযোগ করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এই বানোয়াট বক্তব্য প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ১১জন যুগ্ম সাধারণ  সম্পাদক । নেতৃবৃন্দরা বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পরিবারের ভাবমূর্তি জনগনের কাছে নষ্ট করতে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করতেই শেখ হাসিনা ডিজিটাল অসত্য ও মিথ্যাচার করছেন প্রতিনিয়ত।  

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়ার নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা নজীরবিহীন দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান তারা। একইসঙ্গে দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের সকল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা  মামলা ও প্রত্যাহারের দাবি জানান ১১ জন সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ।

বিবৃতি প্রদানকারী নেতৃবৃন্দরা হলেন,আনোয়ারুল ইসলাম , হাফিজ খান সোহায়েল, কাজী আজম, সৈয়দ এম রেজা, গোলাম ফারুক শাহীন, জহিরুল ইসলাম মোল্লা, শাহ আলম,  সৈয়দুল হক, ফিরোজ আহমেদ, বাকির আজাদ ও মোসফিকুর রহমান।


এডভোকেট আজিজুল মালীক চৌধুরীর স্মারকগ্রন্থ ‘স্মৃতির দিগন্তে’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠান

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:সমাজসেবায় এক নিবেদিত নাম আজিজুল মালীক চৌধুরী। তিনি ছিলেন একজন সাদা মনের মানুষ। সহজ-সরল জীবন যাপনে অভ্যস্ত। বন্ধু বৎসল আজিজুল মালীক ছিলেন সকলের প্রিয়। তাঁর জীবন কেটেছে মা-মাটি ও মানুষকে ভালোবেসে। কর্মবীর এই মানুষটি বেঁচে থাকবেন তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে। গত ১০ ডিসেম্বর রোবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের এস্টোরিয়াস্থ জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে আজিজুল মালীক চৌধুরী স্মারক গ্রন্থ ‘স্মৃতির দিগন্তে’ এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আলোচকরা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এডভোকেট আজিজুল মালীক চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে আয়োজিত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক অরুন ভূষন দাস এডভোকেট। স্মৃতি পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হাই কাইয়ূম এডভোকেটের উপস্থাপনায় ও মরহুম আজিজুল মালীকের জামাতা জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ময়নূল হক চৌধুরী হেলালের পরিচালনা ও সার্বিক তত্বাবধানে জমজমাট প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।খবর বাপসনিঊজ।
 স্মারক গ্রন্থ ‘স্মৃতির দিগন্তে’ এর মোড়ক উন্মোচন করেন সম্মানিত আলোচকবৃন্দ। আজিজুল মালীক চৌধুরীর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন স্মৃতি পরিষদের সদস্য সচিব সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী এডভোকেট।

Picture
প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন ডিক্সাল ইউনির্ভাসিটি ফিলাডেলফিয়ার প্রফেসর ডাঃ জিয়া উদ্দিন আহমদ, বিশিষ্ট সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক শামসাদ হুসাম, এডভোকেট হোসনে আরা ডালিয়া এমপি,  রাজনীতিবিদ শাহাব উদ্দিন, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহের, ফোবানার সাবেক কনভেনার এমাদ চৌধুরী, কানেকটিকান মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি লায়ন্স ডিস্ট্রিক গর্ভনর ডাঃ শওকত খান, স্বদেশ ফোরাম নিউইয়র্কের সভাপতি অবিনাশ চন্দ্র আচার্য, এডভোকেট নাসির উদ্দিন, এমসি কলেজ এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি বেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ সুরমা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আতিকুর রহমান চৌধুরী,  লেখক ইশতিয়াক রুপু, সাংবাদিক সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, জালালাবাদ ল’ সোসাইটির সভাপতি এডভোকেট এমাদ উদ্দিন, রাজনীতিবিদ হাজী আব্দুর রহমান, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক উপদেষ্টা তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ স্পোর্টস কাউন্সিল নিউইয়র্কের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাদশা, সমাজসেবী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ মুজিবুর রহমান, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি সালেহ আহমদ চৌধুরী, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি শফিউদ্দিন তালুকদার, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের মহিলা সম্পাদিকা সুতপা চৌধুরী, সমাজসেবক গহওর চৌধুরী, সমাজসেবক মোশাহিদ আলী, সাবেক ব্যাংকার আব্দুল মুমিন, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সহ সভাপতি তোফায়েল আহমদ চৌধুরী, সমাজসেবক আলতাফ চৌধুরী (ইসবা) সমাজসেবক নূরুজ্জামান চৌধুরী মানিক প্রমুখ।


নিউ ইয়র্কে বিস্ফোরণ : যা জানাল হামলাকারী

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :বিশ্বজুড়ে মুসলিম হত্যার প্রতিশোধ নিতে নিউ ইয়র্ক সিটি সাবওয়ে বিস্ফোরণ ঘটানোর দাবি করেছে সন্দেহভাজন আটক বাংলাদেশি অাকায়েদ উল্ল্যাহ। নিউ ইয়র্কের নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, আটক ওই সন্দেহভাজন ঘরে তৈরি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রাণহানি ঘটানোর চেষ্টা করেছেন।

২৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি অভিবাসী আকায়েদ উল্ল্যাহ বলেছে, সে সন্ত্রাসীদের প্রচারণায় উদ্বুদ্ধ হয়েছিল এবং অনলাইন নির্দেশনার মাধ্যমে বিস্ফোরক ডিভাইস তৈরির কৌশল শিখেছে। ব্রুকলিনে তার অ্যাপার্টমেন্টেই সে বোমা তৈরি করেছে।

পেশায় বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি আকায়েদের সঙ্গে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সরাসরি যোগাযোগ আছে কি না সেব্যাপারে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, সে বলেছে, আইএস নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলার কারণে সে ক্ষুব্ধ। এর প্রতিশোধ নিতেই সে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে।

পুলিশ বলছে, পাইপের তৈরি বোমায় ৯ ভোল্টের ব্যাটারি ছিল। বিস্ফোরণ ঘটানোর সময় তার শরীরে ম্যাচ, ক্রিস্টমাস ট্রি লাইটও পাওয়া গেছে। তার কর্মস্থলের পাশে সে পাইপটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পেয়েছিল। পরে বোমা তৈরির অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহ করেছে বলে তদন্ত কর্মকর্তাদের জানিয়েছে বাংলাদেশি এই বংশোদ্ভূত মার্কিন।

নিউ ইয়র্কের আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা বলছেন, গত ক্রিস্টমাসেই পোর্ট অথরিটি বাস টার্মিনালের জনাকীর্ণ সাবওয়েতে সে বোমা বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করে। এর আগে সে ওই স্থানে ঘুরে ছুটির দিনে মানুষের সমাগম পর্যবেক্ষণ করেছে।

Picture

সোমবার সকালের বিস্ফোরণের পর আকায়েদ উল্ল্যাহকে বেলভিউ হাসপাতালে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। এদিকে, বিস্ফোরণের পর পর ব্রুকলিনের অন্তত তিনটি বাসায় আকায়েদ ও তার পরিবারের সদস্যদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। তার পরিবারের কয়েক সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

আকায়েদ উল্ল্যাহর পরিবার এক বিবৃতিতে বলছে, ‘শহরে আমাদের পরিবারের এক সদস্যের সহিংসতার এ ঘটনায় আমরা ব্যথিত। কিন্তু আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার আচরণে আমরা ক্ষুব্ধ; তারা ৪ বছরের এক শিশু ও হাই স্কুলগামী একজনকে ধরে নিয়ে গেছে। তাদের বাবা-মা’কে জিজ্ঞাসাবাদ করা না হলেও আইনজীবী নিয়োগ ছাড়াই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

‘অামাদের বিচার ব্যবস্থা থেকে এ ধরনের আচরণ আমরা প্রত্যাশা করি না। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আমাদের বিচার বিভাগ এই হামলার পেছনের সঠিক তথ্য খুঁজে বের করবে।’

বাংলাদেশি আকায়েদ উল্ল্যাহ ২০১১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি অভিবাসন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারী বৈধ স্থায়ী মার্কিন বাসিন্দা।

নিউইয়র্ক সিটি ট্যাক্সি ও লিমোসাইন কমিশনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ২০১২ সালের মার্চ থেকে ২০১৫ সালের মার্চ পর্যন্ত আকায়েদের ক্যাব ড্রাইভিং লাইসেন্স করার তথ্য রয়েছে। সম্প্রতি সে বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করেছে। সূত্র : এনবিসিনিউজ।


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের “শান্তির সংস্কৃতি” রেজুলেশন গৃহীত

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

alt
প্রস্তাব উপস্থাপনকালে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়টির প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে এবং এ কারণে তিনি সমাজের সকলকে সাথে নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন”।স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, “সকল মানুষই ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রত্যাশী। আর শান্তির সংস্কৃতি’র বিকাশ ও চর্চা হচ্ছে বিভেদ এবং বিভাজনের মতো বিষয়গুলোকে সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাধান করা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে “শান্তির সংস্কৃতি” ধারণাটি প্রথম উপস্থাপন করে। যা সাধারণ পরিষদে রেজুলেশন হিসেবে পাশ হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে “শান্তির সংস্কৃতি দশক” বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। ২০০০ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ রেজুলেশনটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে যা প্রতিবছরই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হচ্ছে।

alt

এই প্রস্তাবের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে - অসহিষ্ণুতা ও ঘৃণা সমাজ থেকে দূরীভূত হলে বিশ্বে শান্তি দীর্ঘায়িত ও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। এবারের প্রস্তাবে শিশু ও যুবদের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে তারা শান্তি, সহিষ্ণুতা, উদারতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মতো মানবিক গুণের চর্চার মাধ্যমে সমাজে শান্তির সংস্কৃতি বিকাশে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে পারে।এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ৬০টি দেশ বাংলাদেশের এই রেজুলেশন কো-স্পন্সর করেছে।

Picture

সকল সদস্য রাষ্ট্রই প্রস্তাব বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।বিশ্ব ব্যবস্থায় নানামুখী টানাপোড়েন সত্ত্বেও এবছরের প্রস্তাবে এই সমর্থন এটাই প্রমাণ করে যে বাংলাদেশের প্রস্তাবনার প্রতি বিশ্ববাসীর গভীর আস্থা অটুট আছে এবং বিশ্ব উন্নয়নে সকল মানুষকে সম্পৃক্ত করার জন্য শান্তির সংস্কৃতির বিকল্প নেই।


উৎকন্ঠিত নিউইয়র্ক, হতভম্ব বাংলাদেশীরা

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : নিউইয়র্কের ব্যস্ততম টাইম স্কয়ার সাবওয়ে স্টেশন থেকে পোর্ট অথরিটি বাস স্টেশনে যাতায়াতের আন্ডার গ্রাউন্ডে সোমবার সকালে বোমা হামলা চালিয়েছে বাংলাদেশী বংশোদভূত যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেন্ট আকায়েদ উল্লাহ।

বোমা বিস্ফোরণে সে নিজেও গুরুতর আহত হয়েছে। নিউইয়র্ক পুলিশ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে জীবিত অবস্থায় আকায়েদ উল্লাহকে পাকড়াও করতে সমর্থ হয়। পুলিশ হেফাজতে থাকা আকায়েদ উল্লাহ জিঙ্গাসাবাদে নানা চমকপ্রদ তথ্য দিচ্ছে। জানিয়েছে সে নিজেই ছিল বোমার কারিগর। নিজের তৈরি বোমা শরীরে স্থাপন করে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল সে। বোমা তৈরির কৌশল রপ্ত করেছিল অনলাইনে। নাশকতার উদ্দেশ্যে নিজের বাসায়ই তৈরি করেছিল বোমা। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে বলেছে, অনলাইনের মাধ্যমেই সে উগ্রপন্থায় ঝুঁকে। গত পাঁচবছরে কয়েকটি দেশ সফরের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

২৭ বছরের বয়সের আকায়েদ উল্লাহ ২০১১ সালে পারিবারিক অভিবাসন ভিসায় নিউইয়র্কে আসে।
পরিবারের সঙ্গে ব্রুকলিনে থাকতে সে । আকায়েদ উল্লাহর দেশের বাড়ি সন্দ্বীপের মুছাপুরে। বাবা সানাউল্লাহ মিয়া। যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে সে ঢাকার হাজারীবাগ এলাকায় বসবাস করতো বলে জানা গেছে।তার স্ত্রী ও শিশু সন্তান এখনো ঢাকায়।

বাংলাদেশ সরকার তরফে ম্যানহাটনের বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক আকায়েদ উল্লাহর বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতার কোনও রেকর্ড নেই বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে। তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হোম গ্রোন’ সন্ত্রাসী বলেও আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ। পুলিশের আইজি কে এম শহীদুল হকও সোমবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আকায়েদের নামে বাংলাদেশে কোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড নেই।’

Picture

বাংলাদেশি আকায়েদ উল্লাহ নিউ ইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আইন সংস্কারে ফের তাগিদ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, বিদ্যমান অভিবাসন নীতিতে অনেক ত্রুটি রয়েছে। যে ফ্যামিলি অভিবাসন ভিসায় আকায়েদ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছে তার সমালোচনা করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এমন ফ্যামিলি ভিসা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারী সারা সেনডার্স বলেছেন, পোর্ট অথোরিটি বাস টার্মিনালে হামলার ঘটনা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন সংস্কারের আহ্বানের যথার্থতা প্রমাণ করে। পারিবারিক অভিবাসনের বদলে মেরিট অনুসারে অভিবাসন প্রদানের যে আহ্বান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প করছেন, এ নিয়ে কংগ্রেসকে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে।

অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন এক বিবৃতি বলেছেন, ‘মাত্র দুই মাসের মধ্যে নিউইয়র্কে দুটি জঙ্গি হামলার জন্য আমাদের ব্যর্থ ইমিগ্রেশন আইন দায়ী।’ লটারি ভিসা বা পারিবারিক ভিসায় আসা অভিবাসনে আমেরিকার কোনো স্বার্থ সংরক্ষিত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকার একজন নাগরিকের বোনের ২০ বছরের এক ছেলের পারিবারিক অভিবাসনে আমেরিকার কোনো স্বার্থ জড়িত নেই। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যাচাই বাছাই করে অভিবাসন ভিসা দেয়া হলে আমেরিকা উপকৃত হবে এবং নিরাপত্তাও অক্ষুণ্ন থাকবে।

বাংলাদেশী আকায়েদ উল্লাহর এই অপকর্মে হতভম্ব হয়ে পড়েছে নিউইয়র্ক সহ গোটা যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী। মূলধারার সকল মিডিয়া জুড়ে আকায়েদ উল্লাহর খবর আর বিশ্লেষণ। টেলিভিশনের পর্দায় দিনভর চলছে এক্সপার্ট অপিনিয়ন। বারবার উঠে আসছে বাংলাদেশের নাম। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও সমাজ উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার এসব বাংলাদেশীরা যতোটা ক্ষুব্ধ ততোটাই অপমানিত বোধ করছেন। সেই সাথে কাজ করছে এক অজনা শংকা ও অনিশ্চয়তা। জীবিকার অন্বেষণে অনেকে পরদিন কাজে পর্যন্ত যোগ দেননি। চরম ঘৃণা প্রকাশ করছেন এই পথভ্রষ্ট, বিভ্রান্ত ও বাংলাদেশী নামক কলঙ্ক আকায়েদ উল্লাহর প্রতি। বারবার একই প্রশ্ন দোলা দিচ্ছি সকলের মনে- এ কি করলো আকায়েদ উল্লাহ!


প্রতি সন্তানে ফেরত পাবেন ১৬০০ ডলার

বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নতুন কর প্রস্তাবে আমেরিকার উচ্চ আয়ের লোকজন বেশি করে কর রেয়াত পাবে। সিনেটে পাস হওয়া কর প্রস্তাব নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের সমঝোতা। ট্যাক্স বিল প্রতিনিধি পরিষদে পাস হলে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাক্ষর করলে পরিবারপ্রতি গড়ে ১ হাজার ২০০ ডলারের সঞ্চয় হতে পারে পরের বছর থেকে। চাইল্ড ট্যাক্স, ক্রেডিট স্কিমের আওতায়, শিশুদের কারণে ট্যাক্স ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকছে ১ হাজার ৬০০ ডলার। চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট ২ হাজার ডলার পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ থাকছে। পিতামাতার সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর দেখানো এ ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক। এ ক্ষেত্রে কাগজপত্রহীন ব্যক্তিরা এই সুবিধা পাবেন না।

নতুন কর বিল পাসের মধ্য দিয়ে। এটা ২ হাজার ডলার পর্যন্ত বাড়াতে চায় সিনেট, সেটা কীভাবে হবে তা নিয়ে এখনো অস্পষ্টতা আছে। কেননা, এর মধ্যে যে কর কর্তন বিল পাস হয়েছে সেটাতে রাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। সুতরাং বাড়তি অর্থের চাপের বোঝা নিতে চাইছে না কংগ্রেস।

বেশি আয়ে সুবিধাও বেশি
বেশি আয়ের মানুষের বেশি সুবিধা দেওয়া হয়েছে নতুন কর প্রস্তাবে। বছরে ২৫ হাজার ডলারের নিচে যাঁদের আয়, তাঁরা ৪০ ডলারের রেয়াত পাবেন। ট্যাক্স পলিসি সেন্টারের বিশ্লেষণ মতে, যেসব পরিবারের বছরে আয় ৫০ হাজার থেকে ৮৭ হাজার ডলার তারা ৮০০ ডলারের মতো রেয়াত পাবে। একই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বছরে সাড়ে সাত শ হাজার ডলার আয় করেন যেসব উচ্চবিত্ত আমেরিকান তাঁরা গড়ে ২৮ হাজার ডলারের রেয়াত পাবেন।
আগের ট্যাক্স কোড, যেটাতে সাতটি ধাপে ট্যাক্স নির্ধারণের সুযোগ ছিল সেটা কমিয়ে এখন চারটি ব্র্যাকেটে নিয়েছে একটা গড়পড়তা ট্যাক্স বিধান করা হয়েছে। যেটার তাৎক্ষণিক কিছু সুবিধা পাবেন নিম্ন আয় এবং নিম্নমধ্যম আয়ের মানুষেরা। তবে সেটা মাত্র চার বছরের জন্য অর্থাৎ ২০২‌১ সাল পর্যন্ত তাঁরা সুবিধা পাবেন। ২০২৫ সাল নাগাদ তাঁদের কর গুনতে হবে এখনকার দেওয়া তিন গুণ। কেননা, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের কর কর্তনের সুযোগটি ২০২৫ সাল পর্যন্তই রাখা হয়েছে শুধু। সেগুলো এই কর বিলের বড় অর্থে সমালোচনার দিক। তবে আপাতত বাংলাদেশি পরিবারগুলো কীভাবে লাভবান হতে পারে সেটা নিয়ে চিন্তা বেড়েছে অভিবাসীদের।
ট্যাক্স বিলের পক্ষে যুক্তি হলো, বড় বড় কোম্পানিগুলোর ট্যাক্স কমাবে সরকার। বিপরীতে ওই কোম্পানিগুলোতে যেসব শ্রমিক কাজ করতেন, সেসব শ্রমিকের বেতন বৃদ্ধির সুযোগ পাবে প্রতিষ্ঠানগুলো। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে একদিক দিয়েই লাভবান হবে মধ্যবিত্ত শ্রেণি বা চাকরিজীবী শ্রেণি। সেখানে ট্রাম্পের বক্তব্য হলো, এই কর কর্তন বিল পাস হলে একটি সাধারণ পরিবারে আয় ৪ হাজার ডলার পর্যন্ত বৃদ্ধির সুযোগ পাবে।
তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করা গ্রুপগুলো। তারা বলছেন সাধারণ শ্রমিকের আয় বাড়াতে কাজ করবে না কোম্পানিগুলো। বরং তারা তাদের নিজেদের পকেট ভারী করবে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আর রিপাবলিকান দলের এই নতুন কর ব্যবস্থায় করপোরেট কোম্পানিগুলো যে বাড়তি কর মুক্তি বা ট্যাক্স ব্রেক পাচ্ছে তার ফল কি হতে পারে। রোনাল্ড রিগ্যানের আমলে এ ধরনের একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল যার সুবিধা পেয়েছিল আমেরিকার অর্থনীতি। করপোরেট কোম্পানিগুলো নতুন বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছিল তাদের অর্থ বাঁচানোর পরিপ্রেক্ষিতে। এবারও কি সেটা হবে? রিগ্যানের আমলে অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা একজন অর্থনীতিবিদ আর্থার লাফার সিএনএনের সঙ্গে আলাপকালে বলছেন, এর ফলে করপোরেট কোম্পানিগুলো নতুন অনেক কর্মসংস্থান করতে পারবে। যেহেতু সরকারের ফান্ডে তাদের টাকা কম দিতে হবে, সেই টাকা তারা নতুন বিনিয়োগে লাগাবে, সেখানে নতুন কর্মসংস্থান হবে। অন্যদিকে, যাঁরা এখন চাকরিবাকরি করছেন, তাঁদের বেতন বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। সুতরাং খেটে খাওয়া পরিবারগুলোর জন্য এই ট্যাক্স বিল একটি নতুন উদ্যম তৈরি করবে, অন্যদিকে করপোরেট কোম্পানিগুলোর জন্য এটি ভালো সুবিধা দেবে।
মধ্যবিত্তরা পড়বেন বিপাকে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রস্তাবিত কর বিল অনুযায়ী, যেসব নিম্ন আয়ের মানুষ ব্যক্তিগতভাবে ৪৫ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করেন বছরে তাঁদের আয়কর দিতে হবে ১২ শতাংশ। মধ্যম আয়ের পরিবার অর্থাৎ যারা ৪৫ হাজার থেকেম ২ লাখ ডলার আয় করে বছরে তাদের আয়কর দিতে হবে ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ ১৩ শতাংশ বাড়বে। তবে কমছে উচ্চ মধ্যবিত্তদের কর। কিন্তু ২ লাখ থেকে ৫ লাখ পর্যন্ত যাঁদের আয় তারা দেবেন ৩৫ শতাংশ আয়কর, অর্থাৎ ১০ শতাংশ বেশি মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে। অবশ্য সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন ধনকুবেররা। অর্থাৎ বছরে যাঁদের আয় ৫ লাখ ডলারের ওপরে তাঁদের কর হবে ৩৯.৬ শতাংশ।
হাউসের স্পিকার ও ট্রাম্প প্রস্তাবিত ট্যাক্স কাট বিলের পক্ষে কাজ করা আইন প্রণেতা পল রায়ানের মতে, মধ্যবিত্ত শ্রেণি আগের চেয়ে অন্তত ১২ ডলার কম আয়কর দিতে পারবে। আগে যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাক্স বিভক্তি ছিল সাতটি ভিন্ন ভিন্ন স্তর। এখন সেটা কমিয়ে চারটিতে আনা হয়েছে।
নভেম্বরের ২০ তারিখে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর কর্তনের ঘোষণা দেওয়ার সময় বলেছিলেন, ‘আমরা আমেরিকার মানুষকে একটি বড় কর কর্তনের সুযোগ দিচ্ছি। আশা করি এবারের বড়দিন খুবই আনন্দময় হবে, নতুন এই উদ্যোগে।’
২ ডিসেম্বর কংগ্রেসের ভোটাভুটিতে পাস হয়েছে এই বিল। তবে এই বিলের বিরুদ্ধে মাঠে সরব ডেমোক্র্যাটরা। কেননা, ৪৯৭ পৃষ্ঠার এই ট্যাক্স কর্তন বিলের বিস্তারিত তাদের হাতে পাঠানো হয়েছে বিলের ভোটাভুটির মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে। রিপাবলিকান দলের এই ট্যাক্স বিল বাস্তবায়িত হলে ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার বাজেট ঘাটতি হবে আমেরিকার।