Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_jcomments/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

মক্কায় সজিব ওয়াজেদ জয়ের জন্ম বার্ষিকী পালিত

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০১৫

unnamed (2)সেলিম আহমেদ, সৌদি থেকে:মক্কা আওয়ামী নবীন লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়ের ৪৪তম জন্ম বার্ষিকী পালন করা হয় । মক্কা আওয়ামী নবীন লীগের সভাপতি হোসেন খানের সভাপতিত্বে মক্কা ক্লক টাওয়ারের হল রুমে জন্ম বার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়, সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী নবীন লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাংবাদিক সেলিম আহমেদ।

মক্কা নবীন লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ খোকনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ জেদ্দা যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান,জেদ্দা নবীন লীগ সভাপতি নুর আছকির,মক্কা বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি আহসান হাবীব প্রমুখ।

সভায় বক্তব্য রাখেন মক্কা আওয়ামী নবীন লীগের সহ সভাপতি মুমিনুল ইসলাম বাপন ,সৈনিক লীগের মক্কা শাখার সভাপতি ইব্রাহিম, যুগ্ম সম্পাদক আওয়ামী নবীন লীগ মক্কা শাখার মোহাম্মাদ মামুন আরো অনেকেই । মক্কা আওয়ামী নবীন লীগের নেতৃবৃন্দ মিলে সজীব ওজেদ জয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে মুনাজাত করা হয় পরে জন্ম বার্ষিকীর কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি হয় । 


২৩ আগষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ড. জহিরের সম্মানে টরন্টোয় নাগরিক স্মরণ সভা

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০১৫

বাপ্ নিউজ : কানাডা প্রবাসী সদ্য প্রয়াত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ও কৃষি বিজ্ঞানী ড. জহিরুল ইসলামের সম্মানে এক ‘নাগরিক স্মরণসভা’ আগামী ২৩ আগষ্ট ৯ ডজ রোডের রয়্যাল কানাডীয়ান লিজিয়িন হলে অনুষ্ঠিত হবে। টরন্টোর সর্বস্তরের নাগরিকদের উদ্যোগে আয়োজিত এই স্মরণ সভায় প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধার কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক স্মরণ ও তাঁর বীরোচিত জীবন উদযাপন করা হবে।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম কে মালদ্বীপ প্রবাসীদের সম্বর্ধনা

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০১৫

বাপসনিঊজ:  মালদ্বীপ থেকে: মালদ্বীপস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কে বাংলাদেশী কমিউনিটি ক্লাব এর পক্ষ থেকে এক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।মান্যবর হাই কমিশনার কে এস হোসেন এর সভাপতিত্বে ও প্রথম সচিব জনাব মুশফিকুর রহমান সঞ্চালনায় সংবর্ধনায় বক্তব্য রাখেন.প্রধান অতিথি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম এম পি, মান্যবর হাই কমিশনার কে এস হোসেন ও মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ ও জাতির অভাবনীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি এগিয়ে যাচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীর বিচার ত্বরান্বিত করা হচ্ছে, বিশ্ব মন্দার থাকার পরেও দেশের অর্থনৈতিক চাকা ঘুরে দাড়িয়েছে, দেশে আজ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দারিদ্র্যতার অভিশাপ মোচন হচ্ছে, এবং মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে জাতি সংঘের প্রশংসা অর্জনে করতে বর্তমান সরকার সক্ষম হয়েছে।তিনি আরো বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের পথে সকল বাধা বিপত্তি পাস কাটিয়ে আমাদের সকলকে সামনের কঠিন পথ চলার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাবার আহবান জানান।

Picture

পরিশেষে শাহরিয়ার আলম বলেন, অনেক প্রশাসনিক জটিলতা ও বিধিগত সমস্যাদি থাকা সত্বেও মালদ্বীপে নব-নিযুক্ত হাই কমিশনার রিয়ার এডমিরাল কে এস হোসেন হাই কমিশনকে সংস্কার করে প্রবাসীদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ইকরাম মৃধার সমস্যাটির কথা মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও হাই কমিশনার ত্বরিত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

মালদ্বীপ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী তরুণ লীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সময়’৭১ এর আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি স্থানীয় প্রবাসীদের সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, বিগত রাষ্ট্রদূতের সময় ১৫ আগস্ট উদযাপনে হাই কমিশন কর্তৃক বাধা প্রদান ও আওয়ামী লীগ নেতা ইমরাম মৃধার উপর পুলিশই নির্যাতন এবং ইকরাম মৃধাকে ১৬ বচ্ছরের জন্য মালদ্বীপ থেকে বিতাড়িত করার হৃদয় বিদারক বর্ণনা করেন এবং প্রবাসীদের অন্যান্য সমস্যা নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।

সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে মান্যবর রাষ্ট্রদূত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রবাসীদের সকল প্রকার সমস্যা সমাধানে তিনি কাজ করে যাবেন এবং স্পর্শকাতর বিষয় গুলো সমাধান করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন. ইতিমধ্যে তিনি প্রবাসীদের পাসপোর্ট সমস্যা ও ইমেগ্রেশন সমস্যা নিয়েও কর্তিপক্ষের সাথে আলোচনা করেছেন. আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়।


অস্ট্রেলিয়াতে ২ লাখ ডলারের বিমান টিকিট জালিয়াতি : চাই জনসচেতনতা (ভিডিও)

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০১৫

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে টাস টাস !!!- এমন অভিনব শিরোনামে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছ থেকে ডিজিটাল জালিয়াতিতে দুই লক্ষাধিক ডলার হাতিয়ে নেয়ার ছয় মাস অতিবাহিত হলেও প্রতারক শামীম হায়দার অ্যাডিলেডেই অবস্থান করছেন বহাল তবিয়তে। শামীমের সহযোগী তথা অপকের্মের বাংলাদেশী এজেন্টের অবস্থান ঢাকায় হলেও অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাকেও এখনো আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের সচেতনতার অভাবকে কাজে লাগিয়ে প্রতারকচক্র জঘন্য এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটায় গত বছরের শেষার্ধে।

 Picture
ছয় থেকে সাত হাজার বাংলাদেশীর বসবাস অ্যাডিলেডে। প্রতারক শামীম হায়দার অত্যন্ত সুকৌশলে স্থানীয় বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন ফেসবুক পেজ সহ অন্যান্য মাধ্যমকে কাজে লাগায় জালিয়াতির ষোলকলা পূর্ণ করতে। বাজার গরম করা বিজ্ঞাপনে বলা হয়, “স্কুল হলিডে অবিশ্বাস্য প্লেন ফেয়ার !!! অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া যাতায়াত মাত্র অস্ট্রেলিয়ান ডলার ১২৫০ (সকল ট্যাক্স সহ) !!! অ্যাডিলেড সিডনী মেলবোর্ন পার্থ ব্রিসবেন থেকে যেখানে বর্তমান বাজার দাম ন্যূনতম অস্ট্রেলিয়ান ডলার ১৯৫০ থেকে ২০২৫, সেখানে আমাদের কাছ থেকে টিকিট না কিনলে এই টিকিটই অন্য কারো কাছ থেকে কিনতে হবে কমপক্ষে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৭০০ বেশি দিয়ে”।
হাই সিজনে কৌশলী প্রচারণার বলি হয়ে অ্যাডিলেডের খেটে খাওয়া বাংলাদেশীরা যেন অনেকটা টাস টাস করেই প্রতারক শামীম হায়দারের কাছে মাথা নোয়ালেন। বাঁশের মজাদার শিরোনামের বিজ্ঞাপন যাচাই-বাছাই না করে লোভ সামাল দিতে না পারার পরিণতিতে যা হবার তাই হলো। ‍উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশীদের কাছ থেকে প্রায় ২ লক্ষাধিক অস্ট্রেলিয়ান ডলার হাতিয়ে নিয়ে ভূয়া টিকিট ধরিয়ে দেয়া হয় জনপ্রতি। অনেকেই বিমানবন্দরে গিয়ে ফেরত আসেন, কষ্টার্জিত অর্থের সাথে খোয়ান মান-সম্মান। সুচতুর শামীম হায়দার তার প্রখর মেধাকে কাজে লাগিয়ে হাতিয়ে নেয়া অর্থের প্রায় পুরোটাই যথাসময়ে পাঠিয়ে দেয় ঢাকায় তার সহযোগী ট্র্যাভেল ব্যবসায়ীকে। বলা হচ্ছে এখন ভিক্টিমদের টাকা ঢাকা থেকে আস্তে আস্তে কিস্তিতে ফেরত দেয়া হবে।
টিকিট কেলেংকারিতে হারানো টাকা ফেরত পাবার সম্ভাবনা অবস্থাদৃষ্টে ক্ষীণ মনে হবার পাশাপাশি স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের চরম অসতর্কতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আলোচিত হচ্ছে দেশে-বিদেশে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করছেন, অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটিতে উচ্চশিক্ষার হার তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও তাঁরা কেন অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা না করে ব্যক্তিবিশেষের প্রলোভনে সাড়া দিয়ে বাজার দরের চাইতে ৩০ থেকে ৩৫% কমমূল্যে বিমান টিকিট পেতে মরিয়া হয়েছিলেন ? শামীম হায়দারের হাতে এমন কী ‘আলাদীনের চেরাগ’ দেখতে পেয়েছিলেন তাঁরা ? তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে প্রচলিত পন্থায় যাচাই-বাছাই করা ছিল যেখানে ওয়ান-টু’র বিষয়, সেখানে তা না করে বাঁশের বিজ্ঞাপনেই সাড়া দিয়েছিলেন অনেকেই।

দেখুন অস্ট্রেলিয়ান টিভিতে প্রচারিত নিউজ :  https://www.youtube.com/watch?v=bBvfyQe5730


‘বেবী আপা ছিলেন আমাদের দ্বিতীয় মা’

রবিবার, ২৬ জুলাই ২০১৫
বাপ্ নিউজ : Normal 0 false false false EN-US X-NONE X-NONE

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানিতে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি

রবিবার, ২৬ জুলাই ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : জেলা ইউনিটের মর্যাদায় যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও জর্মানিতে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি সমূহের অনুমোদন দেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র শাখার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আলামিন আকনকে।এছাড়া সহসভাপতি করা হয়েছে সাজ্জাদ রায়হান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে দুই জনকে এবং এরা হচ্ছেন- জসীম উদ্দিন এবং সদস্য হেলাল মিয়া।জার্মান শাখা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন দেওয়ান আরেফিন টিপু, সাধারণ সম্পাদক পদে আশফাক হোসেন নিশাদ বাপ্পী, সহসভাপতি পদে আশিকুর রহমান সদ্দাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সুলতান মাহমুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আবিদ আলম দায়িত্ব পেয়েছেন।রাশিয়া শাখার সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আবদুল্লাহ আল মামুন রাজিবকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে ফুয়াদ আদনান বিন জামালকেআগামী এক বছরের জন্য কমিটি দায়িত্ব পালন করবেন।


সংহতি সাহিত্য পরিষদ-এর রজত জয়ন্তী ও সাহিত্য সম্মেলনে কবি আবদুল হাসিব যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০১৫

বাপ্ নিউজ :যুক্তরাজ্য বাঙালিদের সাহিত্য সংস্কৃতির চারণভূমি। যার ফলে যুক্তরাজ্যকে তৃতীয় বাংলা বলেও অবিহিত করা হয়ে থাকে। সেখানকার ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য সংগঠন ‘সংহতি সাহিত্য পরিষদ’। এই সংগঠন দুই যুগের বেশী সময় ধরে সাহিত্য-সংস্কৃতির নিরলস চর্চা করে যাচ্ছে। ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গের বাহিরে সর্ব প্রথম বাংলা কবিতা উৎসব ও বহির্বিশ্বের বাংলা ভাষার কবি সাহিত্যিকদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে সাহিত্য পুরষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সংহতির কবিতা উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে অংশ গ্রহণ করেছেন কবি ও সাহিত্যিকরা। ‘সংহতি সাহিত্য পরিষদ-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ১লা আগস্ট ২০১৫ ইংরেজি, রোজ শনিবার, পূর্ব লন্ডনের কার্টেন থিয়েটারে উদ্যাপিত হতে যাচ্ছে রজত জয়ন্তী ও সাহিত্য সম্মেলন। উক্ত শুভানুষ্টানে যোগদান করতে বাংলাদেশ থেকে আসছেন, এসময়ের জনপ্রিয় কবি, কথা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আনিসুল হক, কবি ও সাংবাদিক মুস্তাফিজ সফি, কবি ও সাহিত্যিক ড. শোয়াইব জিবরান, কানাডা থেকে কবি ও সাহিত্যিক আবদুল হাসিব, লেখক, গীতিকার ও সুরকার শেখ রানা, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী বাদশা বুলবুল এবং কলকাতা থেকে আসছেন সানতুর শিল্পী কুলান সাহা। তা ছাড়াও যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক কবি, সাহিত্যিক ও সাহিত্য প্রেমীরা উক্ত সম্মেলনে এসে অংশগ্রহণ করবেন বলে কতৃপক্ষ জানিয়েছেন।


প্রবাসী ফ্যান্সি এখন কোথায়, কেমন আছে?

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০১৫

ফিনল্যান্ড:কেউ খোঁজ রাখে না ফ্যান্সির। কেমন আছে সেই ফ্যান্সি? ফ্যান্সির কথা কি কারো মনে পড়ে? ২০১৫ সালের ২৩ এপ্রিল। সেই রাতেই হলো সর্বনাশ। ওইদিনই ধসে পড়ে ইতালি থেকে সদ্য আসা ফিনল্যান্ড প্রবাসী ফ্যান্সি খানমের নতুন স্বপ্ন ও প্রত্যাশাটি। সেই ভয়াল রাতে স্বামীর হিংস্র থাবার শিকার থেকে অর্ধমৃত অবস্থায় ফিনিশ টহল পুলিশ এসে উদ্ধার করে তাকে।

এখনো সেই বিভীষিকার কথা মনে পড়লেই আঁতকে ওঠেন বাংলাদেশের মেয়ে ফ্যান্সি। সেই স্মৃতি এখনও তাকে তাড়া করে।

আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। কারণ স্বামীর অসহ্য মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন থেকে মুক্তি পাওয়া জরুরি মনে হয়েছিল তখন। কিন্তু ভাগ্যগুণে বেঁচে আছেন ফ্যান্সি।

আজও ফ্যান্সি জানেন না কেন তার ওপর ছয় মাস পাশাবিক ও নিষ্ঠুর অত্যাচার চালানো হয়েছিল। কলঙ্কের চেহারা নিয়ে অনেকদিন ঘরেই ছিলেন। বাইরে যেতেন না। এক সময় ফ্যান্সির মনে হলো- এভাবে ঘরের কোণে পড়ে থাকার মানে হয় না। জীবন এগিয়ে চলে। আমাকেও বেরোতে হবে।

Fancy and her daughter Easha 

স্থানীয় একটি মানবধিকার সংস্থার সহায়তায় কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ফ্যান্সি খানম। তবে বিভীষিকাময় জীবন ফিনল্যান্ড প্রবাসী ফ্যান্সি খানমকে আটকে রাখতে পারবে না। বাধার ঝঞ্ঝা পেরিয়ে তিনি এখন ফিনিশ সমাজের একজন আলোকবর্তিকা। তাই ফ্যান্সিকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও দোষীকে শাস্তির দাবি ফিনিশ মানবধিকার সংস্থাগুলোর।

এখন ফ্যান্সি জানেন, তিনি আর একা নন এবং ভালো হতে চলেছেন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে মাথার ও শরীরের ক্ষতস্থান পুরোপুরি সারিয়ে আগের জীবনে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

নিজের ভাবনা ও ফিনল্যান্ডের বিগত কয়েক মাসের যন্ত্রণার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতে কিংবা গল্প করতে দুই মাস আগে ইতালি গিয়েছেন ফ্যান্সি তার ৭ বছরের মেয়ে ইয়াশাকে নিয়ে।

Fancy 1 

সেই কঙ্কালসার ফ্যান্সি এখন অনেকটা হৃষ্টপুষ্ট। ইতালির রাজধানী রোম শহরের একটি এপার্টম্যান্টে ফ্যান্সির অস্থায়ী বাস এখন।

শেষ বিকেলে বাড়ির পাশে একটি পার্কে আট বসরের মেয়ে ইয়াশাকে নিয়ে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল ফ্যান্সি। শরীরের সেই ভয়াবহ ক্ষতচিহ্নগুলো ওখানে যাওয়া এক সংবাদকর্মীকে বুঝিয়ে দিল ফ্যান্সি! ফিনল্যান্ড প্রবাসী স্বামী কামরুল হাসান জনির অমানবিক নির্যাতনের শতাধিক ক্ষতচিহ্ন এখনো বাবা-মায়ের আদুরি ফ্যান্সির শরীরে দৃশ্যমান। যা দেখলে এখনো কোনো সুস্থ মানুষ শিউরে উঠবেন, শরীরে কাঁটা দেবে।

অসুস্থ ফ্যান্সির চিকিৎসা, মাথা গোঁজার জন্য একটু আশ্রয়, স্বজনের ধারে পৌঁছানো আর সুষ্ঠু জীবন ধারণের জন্য ফিনল্যান্ডের স্থানীয় কয়েকটি মানবধিকার সংস্থা ও ফিনিশ পুলিশের চেষ্টা ছিল অভাবনীয়।

ফ্যান্সির জীবন নিয়ে শঙ্কিত তার পরিবার। নির্যাতনের ৩ মাস অতিক্রম হলেও এখনো শরীরের একাধিক ক্ষতে পীড়ার সৃষ্টি করছে। এখন প্রয়োজন সুচিকিৎসা। প্রায়ই ব্যাথা হচ্ছে ফ্যান্সির মাথা ও শরীর থেকে। মাঝরাতে যন্ত্রণায় এখনো আঁতকে ওঠে ফ্যান্সি। ফ্যান্সির শরীরের একাধিক স্থানের ক্ষতচিহ্ন ক্রমশই দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। যে কারণে আদুরি ফ্যান্সির ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা করছে পরিবার। এমনকি শরীরের ক্ষতচিহ্নগুলো দেখে তার ৮ বছরের মেয়ে ইয়াশা অনেক সময় মায়ের কাছে আসতে ভয় পাচ্ছে বলে জানান ফ্যান্সি।

ফ্যান্সি অপেক্ষা করছেন মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য। তিনি মনে করছেন এরইমধ্যে পুলিশ হয়তো আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে। তখন থেকে এ মামলা আরও বেগবান হবে।

বাংলাদেশের একটি মফস্বল শহরের সরল-সহজ মেয়ে এই ফ্যান্সি কথা বলার একপর্যায় কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘ফিনিস পুলিশের কাছে মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। নির্যাতনকারী স্বামী ফিনল্যান্ড বিএনপির নেতা কামরুল হাসান জনি কিছুদিন জেলহাজতে থাকলেও এখন জামিনে রয়েছেন। কিন্তু বিবাদী জনি নানাভাবে ফোন করে ও সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে ম্যাসেজ পাঠিয়ে হুমকি দিচ্ছে মামলা উঠিয়ে নেয়ার জন্য।’

ফিনল্যান্ড পুলিশের কাছে কামরুল হাসান জনির বিরুদ্ধে নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি মামলাটি আদালতেও গড়াবে।

স্পর্শকাতর মামলাটি আদালতে সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত নির্যাতনকারী স্বামী ফিনল্যান্ড বিএনপির নেতা কামরুল হাসান জনিকে দলীয় পদ থেকে অব্যহতি প্রদানের জন্য বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে জোর দাবি জানান ফ্যান্সি।

কথাগুলো বলতে বলতে ফ্যান্সি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং চোখ-নাকের পানি মুছতে মুছতে বলতে থাকেন, ‘শুধু অব্যহিত নয়, জনিকে দলীয় আইনের আওতায় এনে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। যে কর্ম নির্যাতনকারী জনি করেছে তা শুধু ফিনল্যান্ড বিএনপি নয় গোটা ফিনল্যান্ড প্রবাসীর বিবেকের আবেগে চরম আঘাত। মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ও বিকারগ্রস্ত না হলে কেউ এ ধরনের কাণ্ডজ্ঞানহীন অপকর্ম করতে পারে না।’

স্বপ্ন পূরণের অপূর্ণতা নিয়ে এভাবেই দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়া ফ্যান্সি। নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে তার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। তবে সময়ের পরিবর্তনে সেই দারিদ্র্যের কশাঘাত বেশিদিন থাকে না। এখন অপেক্ষা শুধু সুখের হাওয়ার।

এরকম একটা পাষণ্ড ও নির্দয় স্বামীর সঙ্গে তার বিয়ে হলো, এটা তার সারা জীবনের আফসোস। দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফ্যান্সি বলেন, ‘আমার বান্ধবীরা সবাই বিয়ে করে স্বামীর সুখের সংসার করছে। কিন্তু সেটা আমার কপালেই লেখা নেই।’

এ বছরের এপ্রিলের শেষে আলোচনায় আসেন এ ফ্যান্সি। মূলত ২৩ এপ্রিল জনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করলে নড়েচড়ে ওঠে ফিনল্যান্ডের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। ফিনল্যান্ড প্রবাসীদের কাছে আলোচনার খোরাক হয়ে উঠে এ ঘটনা, যা টক অব দ্য ফিনল্যান্ডে পরিণত হয়। মামলার বিভিন্ন বেড়াজাল ডিঙিয়ে বর্তমানে জামিনে রয়েছেন কামরুল হাসান জনি।

প্রসঙ্গত, নির্যাতনকারী কামরুল হাসান জনি গত বছরের ১২ অক্টোবর ফ্যান্সিকে প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় মৌলভী ডেকে কোনো রকম সরকারি নিবন্ধন ছাড়াই বিয়ে করেন। হেলসিংকিতে ঘনঘটা করে প্রবাসী বন্ধুবান্ধব নিয়ে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে ওই তরুণী তাদের বিয়েকে ফিনিশ আইনে রেজিস্টারের জন্য পীড়াপীড়ি করলে জনি তাতে অস্বীকৃতি জানায়। তারপর আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা।

গত ২৩ এপ্রিল ইতালি প্রবাসী ফ্যান্সি খানমকে (৩০) ধর্ষণের দায়ে ফিনল্যান্ড বিএনপি নেতা কামরুল হাসান ওরফে জনিকে আটক করে ফিনিশ টহল পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিম ফ্যান্সি বাদী হয়ে হেলসিংকির পাসিলা পুলিশে একটি মামলা দায়ের করেন।

জনি তার নিজ বাসায় ফ্যান্সিকে নিয়ে জোরপূর্বক ভয়ের মুখে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ (স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ককে আইনানুযায়ী ধর্ষণ বলে)। ওই প্রবাসী ফ্যান্সি খানমের ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে বলেও জানা যায়।


তারেকের নির্দেশ মানছে না যুক্তরাজ্য বিএনপি

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০১৫

জুয়েল রাজ, যুক্তরাজ্য: তারেক জিয়ার নির্দেশ মানছে না যুক্তরাজ্য বিএনপি, ভেঙ্গে  পরেছে তাদের চেইন অব কমান্ড দাবি করছেন নিজ দলের নেতাকর্মীরাই। 'এক নেতার এক পদ' এই নীতি নিয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপিকে ঢেলে সাজাতে চেয়েছিলেন তারেক জিয়া। যাতে করে একই ব্যক্তি একাধিক পদ দখল না করতে পারেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত না মেনেই ঘোষণা করা হয়েছে যুক্তরাজ্য বিএনপির পূর্নাঙ্গ কমিটি। নতুন কমিটিতে তারেক রহমানের ঘোষণা দেয়া দলে ‘এক নেতার এক পদ‘ নীতিকে যেমন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হয়েছে, তেমনি সভাপতি ও সম্পাদকের ‘নিজের লোক' হতে না পারার অপরাধে পদাবনতির অবমূল্যায়নে রীতিমত অপমানিত করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ নেতাদের। এমন অভিযোগ খোদ কমিটিতে ঠাঁই পাওয়া নেতাদেরই।
১০১ সদস্যের কমিটিতে কেবল সাধারণ সম্পাদকের নিজের জেলা সুনামগঞ্জ থেকে পদ পেয়েছেন অন্তত ৩৭ জনেরও বেশি। ৩১ জন উপদেষ্টার মধ্যে ১২ জনই সুনামগঞ্জের। কমিটিতে নিজের উপজেলার ২২ জনকে স্থান দিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলেও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম. আহমদ কাঙ্ক্ষিত পদবঞ্চিত ও কমিটিতে ঠাঁই না পাওয়া নেতাদের বলেছেন, কমিটি গঠনে তার হাত ছিল না। অনেকেই আবার এই কমিটিকে 'সুনামগঞ্জ সমিতি' হিসাবে উল্লেখ করছেন।
তারেকের নির্দেশ মানছে না যুক্তরাজ্য বিএনপিসভাপতি এম এ মালেক সৌদি থেকে নেতাকর্মীদের ফোনের জবাবে বলেছেন, এভাবে কমিটি হবার কথা ছিল না। আর সভাপতি-সম্পাদকের এমন কৌশলী উত্তরে কমিটির নাটাই ছিল আসলে কার হাতে; এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে কমিটি ঘোষণার পরপরই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও যুক্তরাজ্য বিএনপির দুইবারের আইন বিষয়ক সম্পাদক সলিসিটর বিপ্লব পোদ্দার। বিপ্লব পোদ্দার ২০১৪ সালের ১৩ই নভেম্বর তারেক রহমানের পরিচালনায় আইনজীবীদের সরাসরি ভোটে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ওই পদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন।
জানা গেছে, গত ১২ মে জোনাল কমিটির নেতাদের সমন্বয়ে তারেক রহমানের উপস্থিতিতে যুক্তরাজ্য বিএনপির তৃণমূল প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় প্রতিটি জোনের সভাপতি-সম্পাদকের সঙ্গে প্রথমে সভাস্থলে ও পরে আলাদা আলাদাভাবে একান্তে কথা বলেন তারেক রহমান। জানতে চান,আসন্ন কমিটি নিয়ে তাদের মতামত।
গত ১৯ মে এম এ মালেককে সভাপতি এবং কয়সর এম আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। সভাপতি-সম্পাদক ও প্রধান উপদেষ্টার নাম তখন ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী  ১৫ দিনের  মধ্যেই কথা ছিল ১০১ সদস্যের পুর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষণার। কিন্তু সভাপতি-সম্পাদকের নাম ঘোষণার দুই মাসেও সভাপতি-সম্পাদক পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠনে ব্যর্থ হন। এরপর গত ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে যুক্তরাজ্য বিএনপির ১০১ সদস্যের পুর্নাঙ্গ কমিটি ও ৩১ সদস্যের উপদেষ্টামন্ডলীর নাম ঘোষণা করা হয়।
পুর্নাঙ্গ কমিটিতে নিজেদের লোকের পদ ভাগাভাগি নিয়ে সভাপতি-সম্পাদকের একমত হতে না পারার কারণেই কমিটি হয় দু;মাস দেরিতে, একথা দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা স্বীকারও করেছেন। শুরুতে ডোনেশনের নামে টাকা নিয়ে কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ দেবার প্রস্তাব উঠলে তারেক রহমান ডেকে নেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদকে। তারেক রহমান এমন প্রস্তাবে ক্ষুব্ধ হন।
এদিকে কমিটি ঘোষণার পর থেকে গত দু'দিনে অসংখ্য নেতাকর্মী কমিটির বিভিন্ন অসংগতির বিষয়ে ফোনে ও সরাসরি কথা বলেন সভাপতি ও সম্পাদকের সঙ্গে। জবাবে, কয়েকটি পদের ব্যাপারে তারা বলেছেন,এগুলো তাদের এখতিয়ারের বাইরে ছিল। কৌশলে কার্যত তারা অন্য দল থেকে আসা বা বহুল বিতর্কিতদের পদায়নের দায় এড়াতে চাইছেন। আর গত দু'বছরে একবারের জন্য বিএনপির কর্মসূচীতে অংশ না নিয়েও বড় পদ নেবার দায়ভারের দায় সুকৌশলে দিচ্ছেন তারেক রহমানের কাঁধেই।
অবশ্য, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক সৌদি আরব থেকেই ফোনে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করছেন। ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন সাধারণ সম্পাদকও।
এদিকে সর্বশেষ জানা গেছে, গত দু'দিনে কমিটি নিয়ে অসন্তোষ চরমে উঠায় একই ব্যক্তি দু'টি পদে আছেন এমন কয়েকজনের পদত্যাগপত্র জমা নেয়া হচ্ছে। পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে তাদের পদত্যাগ করানোও হতে পারে।
কমিটি ঘোষণার রাতেই ঘোষিত কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ইউরোপজুড়ে টিভি টকশোর আলোচিত বক্তা, বিশিষ্ট আইনজীবী সলিসিটর বিপ্লব কুমার পোদ্দার। রাতেই নিজের সাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পৌঁছে দেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের কাছে। একই সঙ্গে আইনজীবী ফোরামের যুক্তরাজ্য শাখার নির্বাচিত সদস্য সচিবের পদ থেকেও পদত্যাগ করেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে ব্যক্তিগত কারণের কথা উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, নিজের ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির সঙ্গে ছিলেন, আছেন আর থাকবেনও। তার পদে পদবঞ্চিত যোগ্য কোন নেতাকে পদায়নের অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আর সভাপতি এম এ মালেক যুক্তরাজ্যের বাইরে থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।  সহ-সভাপতি বা যুগ্ম সম্পাদক অনেকেই ফোনে কোন ধরনের মন্তব্য করতে অপারগতা  প্রকাশ করেন।
- See more at: http://www.manobkantha.com/2015/07/22/52335.php#sthash.Kl0dumoI.dpuf


তারেক রহমান এবং সাদীর মানহানি মামলার প্রতিবেদন ১৭ সেপ্টেম্বর

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০১৫

তারেক রহমান এবং সাদীর মানহানি মামলার প্রতিবেদন ১৭ সেপ্টেম্বর

বাপসনিঊজ:মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কটূক্তি করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে আগামি ১৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু মামলাটির কোনো তদন্ত প্রতিবেদন না আসায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউর হক এ দিন ধার্য করেন।

alt গত ২৩ মার্চ ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলাটি দায়ের করেছিলেন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ফজলুল করিম আরিফ পাটোয়ারী বাদী হয়ে ঢাকা সিএমএম আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। বাদী পক্ষের আইনজীবি এপিপি এ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন এই শুনানীতে উপস্থিত ছিলেন। গত ২৭শে এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম ইউনুস খান পল্টন থানা পুলিশকে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার অপর আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিশেষ উপদেষ্টা এবং বিএনপির বৈদেশিক দূত জাহিদ এফ সরদার সাদী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান ইস্ট লন্ডনের দ্য আট্টিয়াম অডিটোরিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু রাজাকার, খুনি ও পাকবন্ধু ছিলেন। তিনি শখের বন্দী ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের কোনো ভূমিকা নেই।

alt অন্যদিকে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আসামি সাদী এক লিখিত বিবৃতিতে দেশ ও বিদেশি সাংবাদিকদের কাছে শেখ মুজিবুর রহমানের মরণোত্তর বিচার, শাস্তি ও ফাঁসির দাবি করেন। ওই বক্তব্য বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া এবং প্রিন্ট মিডিয়াগুলোতে প্রচার ও প্রকাশ হয়। এ নিয়ে দেশে-বিদেশে শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। তারই ফলশ্রতিতে এই দুজনের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহী মামলা টি দায়ের করা হয়। এ বক্তব্যে আওয়ামী লীগের ১০০ কোটি টাকার সম্মানহানি হয়েছে দাবি করে দণ্ডবিধি ৪৯৯/৫০০ ধারায় মামলা করা হয়।

উল্লেখ্য জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে বিতারনের উদ্দেশ্যই এসব ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এসব মামলার অবতারনা বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। এ ব্যাপারে দেশনায়ক তারেক রহমানের আইনজীবি এ্যডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচাইতে নন্দিত এই সাবেক প্রধান মন্ত্রীর পূত্রের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়েই এই ম্যান্ডেট বিহীন সরকার ভিত্তিহীন অভিযোগে তাদের রাজনীতি এবং নির্বাচন থেকে দুরে রাখতেই এই মামলাগুলোকে ব্যবহার করছে। উপস্তিত ছিলেন এ্যাডঃ শাহাজাদী কহিনুর পাপড়ি, এ্যাডঃ নিলুফা ইয়াসমিন, এ্যাডঃ মোঃসেলিম খান, এ্যাডঃ আবদুল্লাল মামুন, এ্যাডঃ মো: আমিনুল ইসলাম, এ্যাডঃ মুক্তি, রেজাউল করিম রাজিব সহ বিপুল সংখক জাতীয়তাবাদী আইনজীবি গন।


ঢাকাস্থ ইতালীয়ান দূতাবাসের বিরুদ্ধে রোম ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০১৫

ঢাকাস্থ ইতালীয়ান দূতাবাসের বিরুদ্ধে রোম ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : অবশেষে আদালতে গড়িয়েছে ঢাকাস্থ ইতালীয়ান দূতাবাস ও তাদের নিয়োগকৃত ভিসা-এজেন্সি ভিএফএস গ্লোবালের স্ক্যান্ডাল। বাংলাদেশ ও ইতালী উভয় দেশে আদালতের শরণাপন্ন হবার অংশ হিসেবে ১৬ জুলাই ২০১৫ রোম ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৯৯২ সালে রোমে প্রতিষ্ঠিত ইতাল-বাংলা এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ তাইফুর রহমান কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় ‘বিবাদী’ করা হয়েছে ইতালীয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, ঢাকাস্থ ইতালীয়ান দূতাবাস এবং ভিএফএস গ্লোবালকে। ইতালীর আইনে বিধি মোতাবেক ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর অফিসে ইতিমধ্যে মামলাটি গৃহীত হয়েছে।

দায়েরকৃত এই ঐতিহাসিক মামলার অভিযোগনামায় বলা হয়েছে, ফ্যামেলি রি-ইউনিয়ন, পড়াশোনা, কাজ বা কোর্স সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যারা বাংলাদেশ থেকে ইতালীতে এসে থাকেন, ভিসার জন্য তাদেরকে সরাসরি ঢাকার গুলশানস্থ ইতালীয়ান দূতাবাসের ভিসা সেকশানে যাবার কথা থাকলেও অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে সবাইকে যেতে হয় দূতাবাসের নিয়োগকৃত এজেন্সি ভিএফএস গ্লোবালের বনানীস্থ রাসেল পার্কে। ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ২০১২ সাল থেকে অনলাইনে আবেদন করার বাধ্যবাধকতা চালু করে ভিএফএস গ্লোবাল, যা মূলতঃ পরিণত হয় নিরীহ বাংলাদেশীদের গলাকাটার ‘ইনস্ট্রুমেন্ট’ হিসেবে।

অনলাইনে ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ পাওয়া না গেলেও ভিএফএস-এর মাফিয়া সিন্ডিকেট যেভাবে রমরমা ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ বানিজ্য খুলে বসেছে, তার আদ্যোপান্ত স্থান পেয়েছে মামলার নথিপত্রে। রোম ট্রাইব্যুনালে গৃহীত মামলায় প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণাদি সহ সুষ্পষ্টভাবে আরো বলা হয়েছে, গত ৪ বছরে কম করে হলেও প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশী ঢাকাস্থ ভিএফএস গ্লোবালের শোষণের শিকার হয়েছে, যাদের কাছ থেকে দুর্নীতিবাজ এই প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে। ভিএফএস গ্লোবালের যাবতীয় অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধে বিগত বছরগুলোতে বহুবার ইতালীয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় এবং ঢাকাস্থ ইতালীয়ান দূতাবাসে অফিসিয়ালি নালিশ জানানো হলেও অদ্যবধি কারো টনক নড়েনি।

মামলার ‘বাদী’ ইতাল-বাংলা এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ তাইফুর রহমান এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, নিরীহ বাংলাদেশী নাগরিকদের স্বার্থরক্ষায় অচিরেই ঢাকার আদালতেও মামলা দায়ের করা হচ্ছে। প্রয়োজনে বাংলাদেশের উচ্চ আদালতেরও শরণাপন্ন হবেন বলে জানান তিনি। দেশ-বিদেশের পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, সদ্য পূর্ণ মন্ত্রী হওয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং নতুন দায়িত্ব নেয়া প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি একটু আন্তরিক হলেই ভেঙ্গে দিতে পারেন ভিএফএস গ্লোবালের বনানীস্থ রাসেল পার্কের মাফিয়া সিন্ডিকেট। এদিকে “অবৈধ কর্মকান্ড কেন বন্ধ করা হবে না”- এই মর্মে ঢাকার উচ্চ আদালতে ‘রিট’ আবেদনও করা হতে পারে বলে জানা গেছে।