Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_jcomments/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

লন্ডনে মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ: যুক্তরাজ্যঃযুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা পুর্ব লন্ডনের একটি হলে অনুষ্টিত হয়। সংগঠনের সভাপতি খালেদা মোস্তাক কোরেশীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুসলিমা শামস বন্নির পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ।তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট কালো রাত্রিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যা করে খুনিরা বাঙালি জাতির কপালে যে কলঙ্কের কালি লেপন করেছে তা সারা জীবন আমাদেরকে বইতে হবে।তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রকারিরা কিন্তু আজ ও থেমে নেই। তাই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের আরও সতর্ক থাকতে হবে।

Picture

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আন্জুম আরা বেগম অন্জু, হোসনে আরা মতিন, যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল আহমদ খান, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজিয়া সুলতানা স্নিগ্ধা, যুক্তরাজ্য তরুণলীগের সভাপতি জুবায়ের আহমদ, আবদুল হান্নান, মুক্তিযোদ্ধা মজুমদার মিয়া, রাজিয়া রহমান প্রমুখ।


শ্বশুরবাড়ি নিউজিল্যান্ডে ৭৭ সাল থেকে আতাউর রহমান

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০১৫

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : ভালোবাসার টানে ৩৮ বছর আগে লন্ডন থেকে সুদূর নিউজিল্যান্ডে পাড়ি জমিয়েছিলেন চার্টার্ড একাউন্টেন্ট আতাউর রহমান। বাংলাদেশের বগুড়ার কৃতি সন্তান এই মেধাবী বাঙালী অকল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন ১৯৭৭ সাল থেকে। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে অফিসিয়ালি লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়েছেন তিনি। ২০০৩ সাল থেকে দেশটিতে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেলের দায়িত্ব পালন করছেন আতাউর রহমান জেপি (জাস্টিস অব দ্য পিস)। দ্বীপরাষ্ট্রে বসবাসরত সবচাইতে প্রবীণ এই বাংলাদেশী ১৪ আগস্ট শুক্রবার খোলামেলা কথা বলছিলেন এই প্রতিবেদকের সাথে।

১৯৪৮ সালের ১৬ আগস্ট বগুড়ায় জন্ম আতাউর রহমানের। আসছে রোববার তাঁর ৬৭তম জন্মদিন। অর্ধশতাব্দী আগের স্মৃতি রোমন্থন তাই জন্মদিনের প্রাক্কালে।  বাবা হাবিবুর রহমান ভান্ডারি ছিলেন বগুড়ার স্বনামধন্য শিল্পপতি এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রভাবশালী সদস্য। মাত্র ৯ বছর বয়সে ১৯৫৭ সালে পারিবারিক সূত্রে বগুড়া ছেড়ে বিলেতে পাড়ি জমাবার পর সেখানেই কাটে তাঁর ২০টি বছর। পড়াশোনা শেষ করে হন চার্টার্ড একাউন্টেন্ট। এরই মধ্যে ভালোবেসে বিয়ে করেন নিউজিল্যান্ডের মেয়ে ক্যারোলিনকে, যদিও বিয়েতে আপত্তি ছিল দুই পরিবারের তরফ থেকেই। ৪ বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন ক্যারোলিন। ১৯৭৬ সালে দু’বার বাবার হার্ট অ্যাটাকের খবর শুনে দেশে যাবার জন্য স্বামীকে রাজী করান এই কিউই-কন্যা। লন্ডন-টু-অকল্যান্ড শুরুটা এভাবেই।
 Picture
স্ত্রী ক্যারোলিনের আবদার রক্ষাই শুধু করেননি তখন আতাউর রহমান, কন্ডিশন দিয়ে বলেছিলেন “চলো আমরা দু’বছরের জন্য ঘুরে আসি”। যেমন কথা তেমন কাজ। ১৯৭৭ সালের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে আতাউর দম্পতি লন্ডন থেকে উড়ে এলেন অকল্যান্ডে। প্রাকৃতিক সৌ ন্দর্যের লীলাভূমি নিউজিল্যান্ড ভালো লেগে গেলো তাঁর, মাত্র ৭ দিনের মধ্যে ভালো একটি জবও পেয়ে গেলেন। ১৯৭৭ থেকে টানা ৯ বছর চার্টার্ড একাউন্টেন্ট হিসেবেই বিভিন্ন নামীদামী কোম্পানিতে কাজ করার পর ১৯৮৬ সালে আতাউর রহমান অকল্যান্ডে প্রতিষ্ঠা করেন তাঁর নিজের কনসাল্টিং কোম্পানি ‘রহমান ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড’। এই প্রতিবেদককে তিনি জানান, “আসলে ঐ সময় এদেশে ইমিগ্রেশন পলিসি বলতে কিছুই ছিল না। জব প্রায়োরিটি পলিসিতে তখন এরা ইউকে থেকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের মতো প্রফেশনালদের নিতো। ইউকে কোয়ালিফাইডদের বিরাট ডিমান্ড ছিল তখন এখানে। ১৯৯০ সালে পয়েন্ট সিস্টেম স্কিল্ড ক্যাটাগরি প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে ইমিগ্রেশন পলিসি ঢেলে সাজাবার পর বিভিন্ন দেশের লোকজন নিউজিল্যান্ডে আসতে শুরু করে”।
 
অনারারি কনসাল জেনারেল আতাউর রহমান আরো বলেন, “১৯৭৭ সালে আমি যখন অকল্যান্ডে আসি তখন এখানে কোন বাঙালী ছিল না। শুধুমাত্র একজন ভদ্রলোক যিনি একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করতেন তিনি কর্মসূত্রে রাজধানী ওয়েলিংটনে আগে থেকেই বসবাস করতেন। তাঁর সাথে তখন আমার পরিচয় হয়েছিল কিন্তু অল্প কিছুদিন পরই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। আসলে ১৯৯০ সালের আগ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডে বৈধ কোন বাংলাদেশী ছিল না। অনেকে ভিজিটর ভিসায় এসে কাজ করতেন এবং ধরা পড়ার পর রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তাদেরকে ‘ইকোনমিক রিফিউজি’ হিসেবে দেখা হতো তখন”। বৈধভাবে বাংলাদেশীদের আগমন তথা ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়াররা ১৯৯২-৯৩ সাল থেকে এদেশে আসতে শুরু করে বলে জানান অনারারি কনসাল জেনারেল।

অকল্যান্ডে বাংলাদেশ কমিউনিটির গোড়াপত্তনেও নেতৃত্ব দেন আতাউর রহমান। দুই দুইটি এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি। এক সময় এখানকার ইমিগ্রেশন, এমপ্লয়মেন্ট, রিফিউজি এন্ড মাইগ্রেন্ট সার্ভিসেও ভলান্টিয়ার অফিসার হিসেবেন কাজ করেছেন এই গুণীজন। নিউজিল্যান্ডে যেহেতু বাংলাদেশ দূতাবাস নেই এবং সবকিছু দেখা হয়ে থাকে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী থেকে, তাই দেশটিতে তিনিই রিপ্রেজেন্ট করছেন বাংলাদেশকে। রাজধানী ওয়েলিংটনে আরেকজন অনারারি কনসাল জেনারেল দায়িত্বে থাকলেও অকল্যান্ডকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশ কমিউনিটি। বিগত দিনে বাংলাদেশের স্বার্থে ভালো যা কিছু করেছেন বা করার চেষ্টা করে সফল হননি, তা নিয়েও কথা বলবেন আতাউর রহমান। তার আলোকে চলতি সপ্তাহেই তুলে ধরা হবে নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বানিজ্যিক সম্পর্কের প্রাসঙ্গিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি।


প্যারিসের বাংলাদেশি কমিউনিটির বনভোজন

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০১৫

ফয়সাল আহাম্মেদ, প্যারিস (ফ্রান্স) থেকে : স্বরলিপি শিল্পী গোষ্ঠী ফ্রান্সের উদ্যোগে ১২ আগস্ট প্যারিসের অদূরে সমুদ্র সৈকতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বনভোজন। প্রবাস জীবনের শত ব্যস্ততা ফেলে বাংলাদেশ কমিউনিটির অনেকে এই বনভোজনে যোগ দেন। কয়েকজন পরিবার পরিজন নিয়ে যোগ দেন।প্যারিসের স্ট্যালিংগার্ড থেকে সকালে দুটি গাড়ি নিয়ে প্রায় ১১০ জন অংশগ্রহণকারী রওনা হন। মাঝ পথে বিরতিতে পরিবেশন করা হয় সকালের নাশতা। তিন ঘণ্টার যাত্রাপথে গান, কৌতুক, কবিতা আর নানা আয়োজনে মেতে থাকেন অংশগ্রহণকারীরা।

Picture

এ সময় সংগঠনের সভাপতি অসিত ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। দুপুরে গাড়িগুলো পৌঁছে যায় দুবিল তীরবর্তী সমুদ্র সৈকতে। তারপর শুরু হয় দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি। দেশীয় মুখরোচক খাবারের পরিবেশনায় বাড়তি তৃপ্তি দেয় বনভোজনে অংশগ্রহণকারীদের। তারপর নির্দিষ্ট সময় বেধে দেওয়া হয় সমুদ্র স্নানের জন্য। পাশাপাশি সমুদ্রের তীরেই চলে নারীদের বালিশ খেলা, পুরুষদের ১০০ মিটার দৌড় ও ছোট বাচ্চাদের কান্ডি দৌড়সহ নানা রকমেরর খেলাধুলা।

বনভোজনে অংশগ্রহণকারীরা

প্রবাস জীবনে পরিবার পরিজন কাছে না থাকা ও ব্যস্ত সময় ভুলে কিছুটা সময় হলেও আনন্দে মেতে ওঠেন প্রবাসীরা। স্বরলিপি শিল্পী গোষ্ঠী প্রতি বছর এই আয়োজন করে থাকে। আয়োজনে শামিল হন প্যারিসের বাংলা কমিউনিটির সকল বয়সের নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মিজান মিঠুর পরিচালনায় লাকি কুপনের ড্র ও বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অসিত ঘোষ, এমদাদুল হক, ফিরোজ লস্কর, ভিকি রায়, মোহাম্মদ আলী, রানা রহমান ও রিনি স্বপন। এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


লন্ডনে খালেদা জিয়াকে প্রতিহতের ঘোষণা যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০১৫

বাপ্ নিউজ :বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লন্ডনে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার পূর্ব লন্ডনের ব্রিক লেইনের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র নস্যাৎ করতে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের উস্কারিদাতা কুখ্যাত আগুনসন্ত্রাসী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে আগমন করছেন। আমরা তার যুক্তরাজ্য আগমনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের অবরোধে নাশকতায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির জন্য খালেদা জিয়াকে দায়ী করেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “খালেদা জিয়া একুশে অগাস্ট গ্রেনেড হামলার সাথে জড়িত। ২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলা করে ২২ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়। সেদিন প্রাণে বেঁচে যান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার সাথে জড়িত ছিলেন খালেদা জিয়া।

লন্ডনে খালেদা জিয়াকে প্রতিহতের ঘোষণা যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের

“বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে খালেদা জিয়া বারবার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে তিনি শর্ত দিয়েছিলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তিনি নির্বাচনে যাবেন না। তিনি নির্বাচনে যাননি।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া (ফাইল ছবি) “সাম্প্রতিক সময়ে তিনি বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াও অন্য কাঠামোর সরকারের অধীনে তিনি এবং তার দল বিএনপি নির্বাচনে যেতে রাজি আছেন। এই প্রস্তাব তো ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে ছিল। তাহলে এত মানুষ হত্যা করে, পুড়িয়ে খালেদা জিয়া কোন রাজনীতি করলেন?”
যুক্তরাজ্যে খালেদা জিয়াকে প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “যুক্তরাজ্যের মাটিতে খালেদা জিয়ার সফর সুখকর হবে না। প্রবাসী বাঙালিরা তাকে যুক্তরাজ্যে প্রতিহতের মাধ্যমে প্রমাণ করবে এই ব্রিটেন কোন সন্ত্রাসীকে স্বাগত জানায় না। যেখানেই খালেদা, সেখানেই তাকে প্রতিহত করা হবে।”
বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য ‘শিগগিরই’ যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান ২১ অগাস্ট মামলায় হুলিয়া নিয়ে গত সাত বছর ধরে সেখানে আছেন।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভপাতি সুলতান মাহমুদ শরীফ সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক।
অন্যদের মধ্যে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন শামসুদ্দিন আহমদ, এম এ রহিম, যুগ্ম সম্পাদক নঈম উদ্দিন রিয়াজ, মারুফ আহমদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীম আহমদ, প্রবাস কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আনসারুল হক, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সুরুক মিয়া, জনসংযোগ সম্পাদক রবিন পাল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কাওসার আহমদ চৌধুরী, লন্ডন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সফিক আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, মানবাধিকার সম্পাদক সায়েক আহমেদ, যুবলীগের সভাপতি ফখরুল ইসলাম মধু, সাধারণ সম্পাদক সেলিম খান, আওয়ামী আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মহি উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


৪৪ বছরে বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধান নিউজিল্যান্ড সফর করেননি

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০১৫

 
সরকার প্রধান পর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে নিউজিল্যান্ডে রাষ্ট্রীয় সফর অনুষ্ঠিত না হবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্যানবেরাস্থ বাংলাদেশ মিশনে দায়িত্বরত হাইকমিশনার কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও নিউজিল্যান্ড ও ফিজির দায়িত্বে আছেন তিনি। রাষ্ট্রীয় সফরের গুরুত্ব সহ নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানান বিষয়াদি নিয়ে এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো হলেও হয়তো অচিরেই এই সফরটি অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা রাখছি”।
 
সিনিয়র কূটনীতিক কাজী ইমতিয়াজ হোসেন জানান, “নিউজিল্যান্ড ছোট দেশ এবং জনসংখ্যা কম বিধায় তাদের সাথে আমাদের ট্রেড ভলিউম যদিও খুব একটা বড় নয়, তারপরও এটা বছরে প্রায় ২শ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারের বেশি। নিউজিল্যান্ড থেকে আমরা বছরে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলারের পন্য আমদানী করে থাকি, যার প্রায় ৯০% হচ্ছে ডেইরী প্রোডাক্ট। অন্যদিকে দেশটিতে আমাদের রপ্তানীর পরিমান বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলার, যার প্রায় ৯০% যথারীতি আরএমজি তথা রেডিমেইড গার্মেন্টস। জুট প্রোডাক্টও এখানে আসছে বাংলাদেশ থেকে”।

Picture


 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এগ্রিকালচার সেক্টরে নিউজিল্যান্ড যেহেতু অভাবনীয় সাফল্যের অধিকারী, তাই দেশটির সাথে বাংলাদেশের সায়েন্টিফিক কো-অপারেশন বাড়াতে বাংলাদেশ উদ্যোগী হয়েছে বলে জানান হাইকমিশনার কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। মৎস ও পশুসম্পদ খাতেও একই সম্ভাবনার কথা বললেন তিনি। দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে করা বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগনের প্রতি অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন তাঁরা। মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের পথে ইকোনোমিক্যালি যেভাবে এগুচ্ছে বাংলাদেশ, সেটাকে সাধুবাদ জানায় নিউজিল্যান্ড”।
 
বিশেষ কিছু কারণে নিউজিল্যান্ডের সরকার ও জনগন এখানে বসবাসরত বাংলাদেশীদের খুব ভালো জানেন বলে জানান হাইকমিশনার কাজী ইমতিয়াজ হোসেন। তিনি বলেন,“প্রথমতঃ এখানকার বাংলাদেশীরা প্রায় সবাই শিক্ষিত এবং অনেকেরই ইন্টেলেকচুয়াল ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে। দ্বিতীয়তঃ তাঁরা তাঁদের ছেলেমেয়েদেরও খুব ভালো করে লেখাপড়া করান। কমিউনিটি হিসেবে বাংলাদেশীদের সুন্দর সহাবস্থান এবং সাংস্কৃতিক সচেতনতার বিষয়টিও সমীহ করে থাকে নিউজিল্যান্ডের জনগন। বাংলাদেশীরা হার্ড ওয়ার্কিং এবং সিনসিয়ার ওয়ার্কার এমনটাও প্রায়ই শুনে থাকি তাঁদের কাছ থেকে”।
 
বলার অপেক্ষা রাখে না, অর্থনৈতিক সংকটমুক্ত উন্নত দেশ নিউজিল্যান্ডে যদিও বর্তমানে মাত্র ৪ হাজার বাংলাদেশীর বসবাস, তথাপি এখানকার সবাই সু্প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন পেশায়। ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-প্রফেসর-গবেষক সহ বিভিন্ন হাই-স্কিল্ড জবে যেমন আছেন অনেকে, তেমনি ব্যবসা-বানিজ্যও তুঙ্গে এখানকার পরিশ্রমী বাংলাদেশীদের। বর্তমানে প্রায় অর্ধ সহস্রাধিক বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষায় মনোনিবেশ করেছেন এখানকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সহ স্টুডেন্টদের পার্টটাইম জব সহজেই পাওয়া যায় বিধায় আসছে দিনগুলোতে বাংলাদেশ থেকে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা আরো ব্যাপক হারে এখানে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


ফিনল্যান্ড বিএনপি কেক কেটে খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করবে

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০১৫

জামান সরকার, হেলসিংকি থেকেঃ আগামী ১৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৭০তম জন্মদিন।১৯৪৫ সালের এই দিনে বাবা এস্কান্দার মজুমদারের কর্মস্থল দিনাজপুরের জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।প্রতিবছরের মত এবারো কেক কেটে ও ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে বেগম জিয়ার জন্মদিন পালন করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ফিনল্যান্ড শাখা। এ ছাড়াও দলীয় কার্যালয়ে এ উপলক্ষে মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।কার্য‍্যনির্বাহী পরিষদের সভা শেষে গণমাধ্যমকে এ আয়োজনের কর্মসূচী ঘোষনা দেন ফিনল্যান্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মবিন মোহাম্মদ।
ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি জামান সরকারের সভাপতিত্বে এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি মোকলেসুর রহমান চপল, সহ সভাপতি এজাজুল হক ভূঁইয়া রুবেল, বদরুম মনির ফেরদৌস, আওলাদ হোসেন, প্রদীপ কুমার সাহা, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান মিঠু, সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সামসুল আলম, আবদুল্লাহ আল মাসুদ, আবুল কালাম আজাদ, নিজাম আহমেদ, তাজুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন,  সাইফুর রহমান সাইফ, মোস্তাক সরকার,  যুগ্ম সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ, আশরাফ উদ্দিন, মনিরুল ইসলাম, সোলেমান মোঃ জুয়েল, সাজ্জাদ মুন্না, নুরুল ইসলাম, সাগর, আরিফুজ্জামান বাবু, মামুন হোসেন, মুকুল হোসেন, সবুজ খান, রাসেল খান, নজরুল ইসলাম, মোঃ জুয়েল, আরিফ আহমেদ, ফাহমিদ-উস-সালেহীন, মোহাম্মদ হাসিব উদ্দিন, শাকিল নেওয়াজ ও সাজিদ খান জনি।


৭২এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে -শাহরিয়ার কবির

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

বাপ্‌স নিউজ :লন্ডন প্রতিনিধিঃন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্টা করতে হলে আমাদের ৭২-এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে, ন্যায় বিচার প্রতিষ্টার জন্যে চারটি আদর্শকে সামনে রেখে একাত্তরে ত্রিশ লক্ষ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে।  সমাজতন্ত্র-গণতন্ত্র- ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদকে অস্বীকার করলে মুক্তিযুদ্ধ ও ত্রিশলক্ষ ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্টা করতে হলে আমাদের ৭২এর সংবিধানে ফিরে যেতে হবে ————-শাহরিয়ার কবিরশহীদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে। এমন্তব্য ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবিরের। গতকাল ৮ আগষ্ট বিকেলে ইষ্টলন্ডনের বাংলাটাউনের কাফেগ্রীল রেষ্টুরেন্টে যুক্তরাজ্য ঘাতক-দালাল নিমৃূল কমিটি আয়োজিত ‘‘ মৌলবাদ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার : প্রবাসীদের করনীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শাহরিয়ার কবির বলেন যুদ্ধাপরাধের বিচারকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে স্বাধীনতা বিরুধী শক্তি দেশে-বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এই মৌলবাদী গোষ্টী ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এরাই বিভিন্ন সংগঠনের নামে দেশে হত্যাযঙ্গ চালাচ্ছে। মৌলবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। যুক্তরাজ্য নির্মুল কমিটির সহসভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক ইসহাক কাজলের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ আনাছ পাশার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশে মিশনের প্রেসমিনিষ্টার শহীদের সন্তান সাংবাদিক নাদিম কাদির, নিমুল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মী আনসার আহমেদ উল্লাহ। আলোচনায় অংশ নেন ইউকে নিমুৃল কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, নির্মুল কমিটির সহসাধারন সম্পাদক জামাল খান, সহকারী ট্রেজারার শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, সহ অর্গেনাইজিং সেক্রেটারী রুবি হক, কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য আনজুমানয়ারা আনজু, নিলুফা ইয়াসমিন হাসান, তোফায়েল আহমদ শাহ, প্রিয়া মোয়াইমিন, কবি মুজিবুল হক মনি, সাইদা খান ও আবুসুফিয়ান প্রমুখ।


চার হাজার বাংলাদেশী খুব ভালো আছেন নিউজিল্যান্ডে

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে জেগে থাকা অপূর্ব দ্বীপরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডে বসবাস প্রায় চার হাজার বাংলাদেশীর। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলীয় শহর অকল্যান্ডেই বসবাস করেন সাড়ে ৩ হাজার। দূরদূরান্তে যেমন রাজধানী ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চ প্রতিটি শহরেই মাত্র ৭০ থেকে ৭৫ জন করে, ডুনেডিনে হাতে গোনা দশ-বারো জন আর বাকি কয়েকশ’ বাংলাদেশী আছেন তাউরাঙ্গা সিটিতে। গত প্রায় বিশ বছর ধরে মূলতঃ অকল্যান্ডকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে লাল-সবুজের বাংলাদেশ কমিউনিটি।

ইউরোপের বহু দেশের চাইতে অনেক অনেক বেশি ‘হাই স্যোশাল সিকিউরিটি’র দেশ নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশীরা অনেকটা ঢালাওভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত এদেশে। প্রায় সবাই বসবাস করছেন পরিবার পরিজন নিয়ে। প্রায় ১২শ’ বাংলাদেশী পরিবার এখন নিউজিল্যান্ডে, যাদের অধিকাংশই যথারীতি অকল্যান্ডে। স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রায় ১৫% ডাক্তার, ১০% ইঞ্জিনিয়ার এবং ৫% বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। শুধু ট্যাক্সি চালিয়ে মাসে গড়পড়তায় ৬ হাজার ডলার (প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ইউরো) আয় করেন এখানকার প্রায় ৩০% বাংলাদেশী, যাঁরা বিভিন্ন ট্যাক্সি কোম্পানির শেয়ার কিনেও অর্থনৈতিকভাবে বাড়তি লাভবান হচ্ছেন।

Picture

নিউজিল্যান্ডে রিয়েলএস্টেট ব্যবসার সাথেও সম্পৃক্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশী, যাঁরা একসময় ট্যাক্সিক্যাব থেকে পুঁজি তৈরী করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং এখন নতুন ব্যবসায় আশানুরূপ ভালো করছেন। জমি কিনে বাড়ি বানিয়ে বিক্রি করে ভালো প্রফিট করছেন তাঁরা। শিল্পকারখানায়ও কাজ করেন অনেকে। যে যাই করুক না কেন নিউজিল্যান্ডে, তাঁদের ছেলেমেয়েরা যাদের জন্ম এদেশে, তারা কিন্তু পড়াশোনায় খুব ভালো করেছেন এবং করছেন। অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে ভালো জব পেয়েছেন। বেশ কয়েকজন ল-ইয়ারও হয়েছেন ইতিমধ্যে। উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশে থেকে এসেছেন এমন প্রায় ৫শ’ ছাত্র-ছাত্রী শোভা বর্ধন করেছেন এখানকার বাংলাদেশ কমিউনিটির।

বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহর-নগরের তালিকায় নিউজিল্যান্ডের শহরগুলো অন্যতম। মাত্র ৪ মিলিয়ন জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই দেশেটিতে অপরাধ প্রায় হয় না বললেই চলে, অর্থাৎ ‘ক্রাইম রেট’ খুবই কম। সাগর পথে নেই অবৈধ ইমিগ্রেশন। আগে বিভিন্নভাবে যারা এসেছেন এখানে, তাদের অনেকেই বহু কাঠখড় পুড়িয়ে বৈধতা পেয়েছিলেন। নতুন অভিবাসীদের যথারীতি ‘যার পর নাই’ বেগ পেতে হয় ‘রেসিডেন্সি’ পেতে। পড়াশোনা শেষ করার পর সরকারী ‘স্কিল্ড’ লিস্টের আলোকে ‘সাবজেক্ট রিলেটেডে জব’ পেতে হয় কঠিন ইমিগ্রেশন পলিসির কারণে। বাংলাদেশ থেকে আসা ‘রিফিউজি’ এখন নেই বললেই চলে। আগে যারা ছিলেন তাদের প্রায় সবাই ইতিমধ্যে ‘রেসিডেন্সি’ পেয়ে গেছেন।

অবাধ ধর্মীয় স্বাধীনতার দেশ নিউজল্যান্ড। শুধু বাংলাদেশীদের দ্বারাই প্রতিষ্ঠিত ৮টি মসজিদ আছে অকল্যান্ডে। ইউরোপের মতো ‘ইসলামিক কালচারাল সেন্টার’ হিসেবে নয়, বরং সরাসরি মসজিদ হিসেবে সরকারী অনুমতি নিয়ে চলে বাইরে মিনার-গম্বুজ সমৃদ্ধ এই মসজিদগুলো। ছুটির দিন রোববারে পরিচালিত হয় একটি বাংলা স্কুল, যার মিশন যথারীতি নতুন প্রজন্মকে বাংলার বন্ধনে বেঁধে রাখা। অরাজনৈতিক দু’টি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন আছে অকল্যান্ডে যদিও একতার বন্ধনে আবদ্ধ তারা। এখানকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ ভাগ বাংলাদেশী মহিলারা জব করেন। বিভিন্ন ডে-কেয়ার সেন্টার, ওল্ড-হোম এবং শপিং সেন্টারগুলোতে তাদের ভালো ‘গুডউইল’। এটাতো গেলো অকল্যান্ডের সাতকাহন। এখান থেকে আড়াই ঘন্টা ড্রাইভে পোঁছা যায় ২শ’ কিলোমিটার দূরের বন্দরনগরী তাউরাঙ্গাতে, যেখানে কয়েকশ’ বাংলাদেশী খুব সুনামের সাথে কর্মরত আছেন কিউই খামারে। অত্যন্ত সুস্বাদু এই ফলের বিশাল অবদান কৃষিপ্রধান দেশ নিউজিল্যান্ডের অর্থনীতিতে।


এমআরপির জন্য সুইজারল্যান্ডে নিবন্ধন শুরু

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫

মোজাম্মেল হক মামুন, জেনেভা থেকে :সুইজারল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের সংখ্যা অন্যান্য দেশের মতো উল্লেখযোগ্য নয়। সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ধারণা করা হয় বিভিন্ন শহরে (ক্যান্টন) প্রায় দুই হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করেন। তাদের প্রায় সকলেরই বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্ট হাতে লেখা বাংলাদেশি পাসপোর্ট। আগামী ২৪ নভেম্বরের পর থেকে ভ্রমণের জন্য হাতে লেখা পাসপোর্ট ব্যবহার করা যাবে না। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ব্যবহার করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এমআরপি না পেলে কোনো প্রবাসী নিজ দেশে অথবা অন্য কোনো দেশে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন না।

বাংলাদেশ সরকার এক বছর আগে প্রবাসীদের দূতাবাসের মাধ্যমে অগ্রাধিকারভিত্তিতে এমআরপি দেওয়ার উদ্যোগ ন্য়ে। কিন্তু সুইজারল্যান্ডে প্রবাসী সংখ্যা কম হওয়ায় অগ্রাধিকারের তালিকায় ছিল না। এতে সুইজারল্যান্ড প্রবাসীদের মাঝে এমআরপি পাওয়ার প্রতীক্ষা চাপা উৎকণ্ঠা আর হতাশায় রূপ নেয়। অনেক প্রবাসী এমআরপি না পাওয়ার কারণে সুইজারল্যান্ডের রেসিডেন্ট পারমিট নবায়ন না করা ও নানা প্রতিকূল সমস্যায় ছিল জর্জরিত। দূতাবাসের কনস্যুলেট বিভাগে ফোন করে তারা খোঁজ খবর নিতে থাকেন। দূতাবাসও তাদের সঠিক তথ্য দিতে পারছিল না। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রবাসী সাংবাদিকদের কাছে তাদের অভিযোগ অনুযোগ ছিল অগণিত।

জুরিখপ্রবাসী সংবাদকর্মী বাকী উল্লাহ খান এ বিষয়ের ওপর একাধিক টিভি রিপোর্ট করেন এবং সরকারের দায়িত্বশীল মহলের অবহেলার অভিযোগ তুলে ধরেন বিভিন্ন টিভি টকশোতে। সুইজারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শামীম আহসান প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, কষ্ট আর অভিযোগের বর্ণনা তুলে ধরেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে। দূতাবাসের দায়িত্বশীল কূটনীতিকেরা সরকারের পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন দপ্তরে বিরামহীন লেখালেখি করেন।

Picture

অবশেষে সুইজারল্যান্ড প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে। ৭ আগস্ট শুক্রবার বিকেল থেকে সুইজারল্যান্ড প্রবাসীদের এমআরপি দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রদূত এম শামীম আহসান কনস্যুলেট বিভাগে এমআরপির আবেদনপত্র জমা নেওয়া ও নিবন্ধন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। জেনেভার প্রবীণ প্রবাসী বাংলাদেশি ড. ইফতেখার আহমেদ ও তার স্ত্রী মিসেস আহমেদ দূতাবাসের এই কার্যক্রমে সর্ব প্রথম এমআরপির আবেদনপত্র জমা দিয়ে ডিজিটাল স্বাক্ষর দেন ও ছবি তোলেন।বাংলাদেশের পাসপোর্টদূতাবাস এমআরপির আবেদন সংক্রান্ত সকল তথ্য সুইজারল্যান্ডপ্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে ইতিমধ্যে পাঠানো শুরু করেছে।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের আবেদনের নিয়মাবলি

জেনেভার বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের নবনিযুক্ত কাউন্সিলর তৌফিক ইসলাম লিখিত বার্তায় জানিয়েছেন, এমআরপি আবেদন করার জন্য নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সঙ্গে দুই কপি ছবি, পুরোনো পাসপোর্ট ও ব্যাংকে অর্থ জমাদানের রিসিটসহ দূতাবাসে জমা দিতে হবে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বাংলাদেশ থেকে ইস্যুকৃত জন্মসনদ (১৭ ডিজিট) আছে তাদের এই সনদ জমা দিতে হবে। যাদের জন্ম সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র নেই (বিশেষত যারা বিদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন) তাদের দূতাবাস থেকে জন্ম সনদ গ্রহণ করে এমআরপির জন্য আবেদন করতে হবে। এমআরপি আবেদনের জন্য ফি বাবদ ১০০ সুইস ফ্রাঙ্ক (সাধারণ) ও জরুরি প্রয়োজনে ২০০ সুইস ফ্রাঙ্ক নির্ধারিত ব্যাংকে অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে।

লিখিত বার্তায় আরও বলা হয় পাসপোর্টে কোনো পরিবর্তন, পরিমার্জন কিংবা সংশোধন সম্ভব নয়। এ ছাড়া সন্তানদের ক্ষেত্রে আগের মতো এনডোর্সমেন্ট করা হবে না। বরং পৃথক পাসপোর্ট গ্রহণ করতে হবে।প্রত্যেক আবেদনকারীকে উপস্থিত হয়ে ডিজিটাল ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে হবে। সাক্ষাৎকারের জন্য দূতাবাসে ফোন করে সময় নেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে কমপ‌ক্ষে ৩০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের ন্যূনতম সময়ে এমআরপি প্রদানের জন্য দূতাবাস সর্বাত্মক ভাবে চেষ্টা করবে।


সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবে প্রবাসীরা

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

Picture

বাপসনিঊজ: এককালের জেলে পল্লীখ্যাত বর্তমানের এশিয়ান জায়ান্ট তথা বিশ্বের উন্নত দেশ সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্ণ হলো ৯ আগস্ট রবিবার। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি।  চাঁদ তারায় খচিত লাল সাদার টি শার্টে টইটুম্বুর সিঙ্গাপুর। হাতে তাদের সিঙ্গাপুরের জাতীয় নিশান ৫০ তম স্বাধীনতা দিবস। সারা সিঙ্গাপুরে মহা ধুমধামে দিবসটি পালিত হচ্ছে। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হচ্ছে আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক, স্বাধীনতার ঘোষক, স্বাধীনতার জনক লি কুয়ান ইউকে।

সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবে প্রবাসীরা

নববধূর সাজে সজ্জিত হয়েছে সিঙ্গাপুর সিটি। রাস্তা, অফিস আদালত, বাসা বাড়িতে শোভা পাচ্ছে জাতীয় পতাকা। আলোয় ঝলমল পুরো শহর।জাতীয় দিবসের মূল অনুষ্ঠান হয় মেরিনা বে তে। আতশবাজির আলোয় আলোকিত হয়েছে সিঙ্গাপুরের আকাশ। হয়েছে ভাসমান মঞ্চে মনমাতানো অনুষ্ঠান। দিনভর ছিল কুচকাওয়াজ ,সন্ধ্যায় ছিল আকাশে বিমান, হেলিকপ্টারের নয়নাভিরাম কসরত।এদিকে, প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার অভিবাসী বাংলাদেশি মিশে গেছে এই আনন্দে। শিশুরা তাদের স্কুল থেকে অংশ নিচ্ছে ডিসপ্লেতে। এর মধ্যে বাংলার কণ্ঠ কালচারাল ফোরাম অংশ নিয়েছে উড ল্যান্ড ও তাই সেং এর দুটি কনসার্টে।

সিঙ্গাপুরের ৫০ বছর পূর্তি উৎসবে প্রবাসীরা
বাংলাদেশিদের এটিএন নাইটস স্থগিত হলেও বড় একটি আয়োজন বিআইএমটি মিউজিক্যাল নাইট সম্পন্ন হয়েছে।সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি কমিউনিটির সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির (বিআইএমটি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন। এই সংগঠনের উদ্যোগে ৮ আগস্ট শনিবার আয়োজিত হয় বিআইএমটি মিউজিক্যাল নাইট ২০১৫। এতে বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয় বৃষ্টি, শ্যারন, সাজীন, কৌতুকশিল্পী হারুন কিসিঞ্জার, জাদুশিল্পী শাহেন শাহসহ আরও অনেককে। সিঙ্গাপুর পলিটেকনিকের কনভেনশন সেন্টারে সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে রাত ১১টা পর্যন্ত। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মেরিনা বে, অরচার্ড , বুনলে , জুরং, সেরাঙ্গুনসহ বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠান চলছে।


সিঙ্গাপুরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি নিহত

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০১৫

বাপসনিঊজ: সিঙ্গাপুরে নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে পড়ে নান্টু (৩৩) নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রাজীব নামে আরও এক বাংলাদেশি শ্রমিক। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে দেশটির পতন পাছির এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 
নিহত নান্টুর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার চণ্ডিদুয়ার গ্রামে। দুই সন্তানের বাবা নান্টু ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। দূতাবাসের সহায়তায় সোমবার রাতে তার মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। অন্যদিকে আহত রাজীবের বাড়ি ভৈরব।সিঙ্গাপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত একমাসে নান্টুসহ পাঁচজন বাংলাদেশি দেশটিতে মারা গেছেন। এদের মধ্যে দুর্ঘটনাজনিত কারণে মারা গেছেন দুজন। বাকিদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যেকের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।