Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_jcomments/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

গণহত্যা বন্ধের দাবীতে লন্ডনে বার্মা হাই কমিশনের সামনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত

শনিবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : লন্ডন থেকে : গত ৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা থেকে লন্ডনস্থ মায়ানমার হাই কমিশনের সামনে এক বিশাল বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বার্মায় খারাইনদের নির্বাচারে গণহত্যা, ধর্ষন ও নির্যাতন বন্ধের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে ভয়েস ফর বাংলাদেশ ছাড়াও আরো বিভিন্ন সংগঠন অংশগ্রহণ করে। রাখাইনে মানবতার চরম বিপর্যয়ের প্রতিবাদ জানাতেই এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশী বিভিন্ন সামাজাকি ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃর্বৃন্দ এতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন অং সাং সুকি শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন কিন্তু আর তারই নের্তৃত্বে এইসব গণহত্যা ও রোহিঙ্গা নিধন চলছে। তাই কাল বিলম্ব না করে সুকির নোবেল জব্দ করার জন্য আহবান জানান বক্তাগণ।

Picture

ভয়েস ফর বাংলাদেশের ফাউন্ডার আতাউল্লাহ ফারুক বলেন আরাকানে গণগত্যার মাধ্যমে পুরো একটি জাতিগোষ্ঠিকে নিশ্চিহ্ন করার পায়তারা করছে বার্মার বর্তমান সরকার ও সেনাবাহিনী। মানবিকতার তাগিদে আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে কঠিন আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি জাতিসংঘ, ইউরোপিয়ান কমিশন, এমনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ওয়াস সহ সকল আন্তর্জাতিক সংগঠনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ভয়েস ফর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ফারুক, আহবায়ক ফয়সাল জামিল, আবদুর রহিম, কামরান মিতা, নূর হোসেন, মনোয়ার মোহাম্মদ, পারভেজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন আলাউদ্দিন রাসেল আনোয়ার হোসেন শাওন, নূর বক্স, মোহাম্মদ মনির, আবুল হোসেন নিজাম, লুৎফুর রহমান, মাহমুদুল হাসান, আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ। এছাড়াও ভয়েস ফর জাস্টিস, ভয়েস ফর চেঞ্জ, ইউনির্ভাসেল ভয়েস ফর জাস্টিস সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ থেকে এক সদস্য কে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত

বৃহস্পতিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সদস্য ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী  স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি  সায়েদ আহমেদ সাদ কে  যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ থেকে  দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও জামাত বিএনপির সাথে সম্পৃক্ততা এবং যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের  সিনিয়র নেতাকে নিয়ে প্রকাশ্যে মিথ্যাচার ও অশ্লীল গালিগালাজের কারণে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

Picture

এখানে উল্লেখ্য সায়েদ আহমেদ সাদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক অনুমোদিত যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যাচার ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সম্বলিত ভিডিও প্রকাশ করেন এবং যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নির্দেশ উপেক্ষা করে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কৃত এক নেতাকে প্রধান অতিথি করে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির জন্মদিনের কেক কাটাসহ  যুক্তরাজ্য আওয়ামী  লীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে  বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও দলীয় গঠনতন্ত্র-বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্যদের উপস্থিতিতে এক জরুরি বৈঠকে  সকলের সম্মতিতে সায়েদ আহমেদ সাদ কে বহিস্কারের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান করা হয় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করে  জানান যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সিনিয়র  এক নেতা ।


হেলভেশিয়ার পথে প্রান্তরে

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

হারুন-অর রশিদ: বাপসনিঊজ:সুইজারল্যান্ডের আরেক নাম হেলভেশিয়া। লাতিন ভাষার প্রভাব এখানেও দেখা যায়। অফিশিয়ালি সুইজারল্যান্ডকে লাতিন ভাষায় ‘কনফয়েডেরাশিয়ো হেলভেশিয়া’ বলা হয়। ইউরোপের সেল্টিক উপজাতির একটি উপজাতিকে দ্য হেলভেশিয়ান বলা হতো। তারাই প্রধানত সুইজারল্যান্ডের আদি অধিবাসী। তবে সুইজারল্যান্ডে মূল বসতি শুরু হয় রোমান সাম্রাজ্যের পতনের শুরুর দিকে ৪০০ খ্রিষ্টাব্দে। ১২৯১ সালের পয়লা আগস্ট সুইজারল্যান্ড একটি রাষ্ট্রে রূপ লাভ করে এবং এই দিনকে সুইসরা জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্‌যাপন করে।

Picture

১৬০০ শতাব্দী পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে গণ্য করা হতো না। ১৬৪৮ সালের ইউরোপিয়ান শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সুইজারল্যান্ড অফিশিয়ালি একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৮১৫ সালের ভিয়েনা কংগ্রেস অনুযায়ী সুইজারল্যান্ড একটি নিরপেক্ষ দেশ, যারা নিজ থেকে কোনো যুদ্ধে জড়ায় না এবং যুদ্ধের সময় বিশেষ কোনো পক্ষকে সমর্থনও করে না। কিন্তু তারা দুই পক্ষের কাছেই অস্ত্র বিক্রি করে। তবে সুইস সেনাদল ন্যাটোর শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে কাজ করে।

alt

ফুরকা পাসে লেকের ধারেএই সুইজারল্যান্ডের পথে প্রান্তরে ছড়িয়ে আছে ধরিত্রীর অপার সৌন্দর্য। যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। আবার চর্মচক্ষে দেখলেও স্বপ্ন মনে হয়। ৭ হাজার মিঠা পানির হ্রদসমৃদ্ধ সুইজারল্যান্ডকে লেক বা হ্রদের দেশও বলা যায়। এর মাঝে ১০৩টি হ্রদের আয়তন ৩০ হেক্টরের চেয়ে বেশি। লেকের স্বর্গ্যরাজ্যে পাহাড়-পর্বতেরও কমতি নেই। অন্য দেশেও পাহাড়-পর্বত-হ্রদ আছে। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে পার্থক্য কোথায়? সুইসরা প্রকৃতির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাটাকে এমনভাবে সাজিয়েছে যে, একজন ভ্রমণকারী চাইলেই ট্রেনে চেপে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ১৫৮ মিটার উঁচু ইউনফ্রাউতে (কুমারী রমণী) পৌঁছে যেতে পারবেন।
ঋতুর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রূপও বদলাতে থাকে। শীতে যে রমণী দুধসাদা তুষারের চাদর জড়িয়ে থাকে সেই আবার সবুজের মখমল জড়ায় গ্রীষ্মে। হেলভেশিয়ার এই রূপ যেন ঈশ্বরের নিজ হাতের পরম মমতায় গড়ে ওঠা। যেখানে আলো, বায়ু আর মেঘের সুষম বণ্টন সবুজকে করে তোলে আরও সবুজ আর সাদাকে করে তোলে দুধ সাধা। সৃষ্টিকর্তা ঠিক যেন একমুঠো রোদ্দুর, দুই চিমটি বায়ু আর আধা লিটার বৃষ্টিতে সাজিয়েছেন হেলভেশিয়ার প্রকৃতি। যা হ্রদ, পাহাড় আর নদীগুলোকে ভার্নিয়ার স্কেল দিয়ে মেপে সঠিক পুষ্টি দান করে আর প্রকৃতি ভরে ওঠে অপার স্বর্গীয় সৌন্দর্যে।
বাসেল বাংলা স্কুলের বাৎসরিক বনভোজনে অংশগ্রহণকারীদের একাংশএই অকৃত্রিম সৌন্দর্যমণ্ডিত দেশে যেসব বাংলাদেশিদের বাস তাদেরও আপ্রাণ চেষ্টা থাকে খুব কাছ থেকে প্রকৃতিকে অবলোকন করা। একা, পরিবার নিয়ে অথবা দল বেঁধে। বিভিন্ন শহরে বসবাসকারী বাংলাদেশি প্রবাসীরা বাৎসরিক বনভোজনের আয়োজন করে থাকেন দল বেঁধে সুইজারল্যান্ডের রূপ-লাবণ্য উপভোগ করার জন্য। এতে করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে পারস্পরিক সম্প্রীতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের মতো একটি ব্যয়বহুল দেশে অল্পখরচে প্রকৃতিকে উপভোগ করা যায়।
বাসেল ‘বাংলা স্কুলের’ উদ্যোগে বাৎসরিক বনভোজন আয়োজিত হয়ে গেল কিছুদিন আগে। সুইজারল্যান্ডে বনভোজনের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো গন্তব্যের প্রয়োজন হয় না। বাস নিয়ে যেকোনো একদিকে রওনা হয়ে গেলে পথিমধ্যে ৫-১০টা লেকের দেখা মিলবে। সেই সঙ্গে পাহাড় আর নীল আকাশের গভীর মিতালি। যেকোনো লেকের ধারে বসে বনভোজনের ভোজনটা সেরে নিলেই হয়ে গেল।
ফুরকা পাসে লেকের ধারেতারপরও গন্তব্য ঠিক করা হলো বালিস ক্যান্টন। জার্মান ভাষায় বালিস লিখতে ইংরেজির ডব্লিউ ব্যবহার করা হয়। আমার মতো ২-৪ আনা জার্মান জ্ঞানের অধিকারীরা যাকে উচ্চারণ করে ওয়ালিস। ওয়ালিস হোক আর বালিসই হোক সেই ক্যান্টনে সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে ভয়ংকর রাস্তা বেয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ১৫৮ মিটার উচ্চতায় ওঠা যায় গাড়ি নিয়ে। বালিসের সেই জায়গাকে বলা হয় ফুরকা পাস। বালিস প্রকাশ্য গন্তব্য হলেও ফুরকা পাস ছিল গোপন গন্তব্য। কেননা যাদের উচ্চতা ভীতি আছে তারা গন্তব্যের কথা জানলে হয়তো বেকে বসতে পারেন। তাই ফুরকা পাসের কথা গোপন রাখা হয়।
বাসেল বাংলা স্কুলের বাৎসরিক বনভোজনে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ০০৭ খ্যাত জেমস বন্ডের অন্যতম মুভি গোল্ড ফিঙ্গারের একটি বহুল আলোচিত দৃশ্যের শুটিং করা হয় এই ফুরকা পাসে ১৯৬৪ সালে। তখন থেকেই হয়তো ফুরকা পাস বিখ্যাত। পাহাড়ের চূড়া জলকণা ভর্তি মেঘে ঢাকা। সেখানে উঠে চক্ষু চড়কগাছ। ইয়া বড় এক হ্রদ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ১০০ মিটার উচ্চতায় পাহাড়ের চূড়ায় হ্রদ। এখানকার পানির উৎস হলো বৃষ্টি ও গ্লেসিয়ার। এই ভয়ংকর সৌন্দর্য দেখে শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উক্তি মনে পড়ে গেল—‘ঈশ্বর এই দুই চক্ষু যেমন দিয়েছিলেন, আজ তার সার্থক করিলেন’।
এত কিছুর পরেও হৃৎপিণ্ডে কেমন যেন শূন্যতা অনুভব হয়। মস্তিষ্কের নিউরনগুলো অবচেতন কোনো এক ছায়ায় স্তম্ভিত হয়ে পড়ে। সে ছায়া বাংলাদেশের নদ-নদী, পাহাড়-সাগর আর সবুজের ছায়া।
প্রকৃতির এ নিবিড় সান্নিধ্যে আসার পরও এই শূন্যতার নাম বুঝি মায়া। জন্মভূমি প্রতি মায়া।

হারুন-অর রশিদ: পিএইচডি গবেষক। বায়োজেন্ট্রাম, ইউনিভার্সিটি অব বাসেল, সুইজারল্যান্ড।


মন্ট্রিয়লে রবি অনুরাগী’র নৃত্যনাট্য শ্যামা’র সফল মঞ্চায়ন

বুধবার, ৩০ আগস্ট ২০১৭

সদেরা সুজন,বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে : রবি-অনুরাগী মন্ট্রিয়লের উদ্যোগে গত ২৬ আগস্ট লাঁভোয়া স্কুল অডিটোরিয়ামে ‘রবি প্রণাম’ অনুষ্ঠানে বিশ্ব কবি রবি ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে স্বনামধন্য শিল্পীদের অংশ গ্রহণে  গান, কবিতা, নৃত্যনাট্যসহ রকমারি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রবীন্দ্রনাথ রয়েছেন আপামর বাঙালির মনেন চিন্তায়, সুখে-দুঃখে, এমন কি মৃত্যুতে। শুধু কি বাঙালি! বর্তমান বিশ্বে মানবতা যেখানে বিপন্ন, সভ্যতার অস্বিত্ব যেখানে এক প্রশ্ন চিহ্নের সামনে দাঁড়িয়ে,- সেখানেও তিনি আমাদের শান্তির আশ্বাস, জীবনের আকাঙ্খা, আগামী দিনের পথ চলার অনুপ্রেরণা। রবীন্দ্রনাথ কোন ইন্দ্রজাল নয়, যে চলার পথের সকল সংকট দুঃখ ত্রাতা। তিনি, রবীন্দ্রনাথ আমাদের বিপদে-সম্পদে চির বন্ধু চির নির্ভর চির শান্তি। ‘দীনতা হতে অক্ষয় ধনে, সংশয় হতে সত্যসদনে, জড়তা হতে নবীন জীবনে’- আমাদের যে উত্তরণ, তা তো ‘নবজাগরণযুগপ্রভাতের রবি’র আলোতেই। সাহিত্য-সংস্কৃতির সকল শাখাকে রবীন্দ্রনাথ সমৃদ্ধ করেছেন একক প্রচেষ্টায়। মন্ট্রিয়লের শিল্পীরা সেই বিশাল রূপসাগরের কয়েকটি অরুপরতনে সাজিয়েছিলেন ‘রবি প্রনাম’ নামের এবছরের অন্যতম সুন্দর নান্দনিক অনুষ্ঠানটি।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই রবি ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মহীয়সী শ্রীমতী মঞ্জুশ্রী রায় চৌধুরী, সহযোগিতায় ছিলেন রেবা দাস ও নীনা দেব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও কর্ম আলোকপাত করেন স্বাতী সেন। বেহালায় রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করে দিব্যজ্যোতি ধর। তৃপ্তি দাসের পরিচালনায় ছোটদের গানে গানে রবি ঠাকুর ‘আমরা সবাই রাজা’ অনুশ্রী দত্ত-এর কোরিওগ্রাফিতে সজনী সজনী রাধিকা লো: সম্মিলিত নৃত্যে ছিলো ভাবনা, ব্রিয়া, অহনা, স্বাগতা, অনুষ্কা, রামিয়া, ও পর্ণিকা।

কবিতা আবৃতিতে ছিলেন  শিবানী চক্রবর্ত্তী ও রিতীশ চক্রবর্ত্তী। ‘দেখেছি তার কালো হরিন চোখ’ কথায় ও সুরে- ঝুমুর চক্রবর্তী, অনুজা দত্ত এবং  শাহ মোহাম্মদ ফায়েক। একক নৃত্যে ছিলো সুদেষ্ণা হালদার এবং গানে ছিলেন তৃপ্তি দাস ,  শর্মীলা ধর, মিথিলা দাস, পাল্কী দাস, মুনমুন দেব, জয়ন্ত ভৌমিক, মধুমিতা ধর, সুজাতা দেব,  সমীর দেব, সুমন কর, উমা রায়, মাধবী দাস ও সোনালী দত্ত। মন্ট্রিয়লের লোকজ শিল্পী গোষ্ঠীর উদ্যোগে অনুপ চৌধুরী মিঠুর পরিচালনায়  কবিগুরুর বাউলাঙ্গের গানে ও যন্ত্রে অংশ গ্রহণ করেন দেবযানী চৌধুরী, সোমা চৌধুরী, অনিমেষ কর,  শেলী দেব, আরিয়ান, পাভেল, রাসেল ও লিটন।

মন্ট্রিয়লের খ্যাতিনামা নাট্য পরিচালক অম্লান দত্তের পরিচালনায় ‘কথা’কাব্য গ্রন্থের কবিতা ‘পরিশোধ’ অবলম্বনে নৃত্যনাট্য ‘শ্যামা’ মঞ্চায়িত হয়। নৃত্যনাট্যে অংশগ্রহণ করে ঐশি চৌধুরী, প্রভাকর কর্মকার, দেবযানী সরকার, নিলয় দত্ত, অরীন্ধম দেব, প্রিথা দে, দেবজ্যোতি ধর, প্রমিত ঘোষ, প্রিয়ঙ্করী ভট্টাচার্যী, ঋত্তিকা দাস, অনুশ্রী দত্ত, মোহিনী দত্ত, পৌলমী দেব, সুরঞ্জনা ভৌমিক, চন্দ্রিমা ধর এবং স্মিতা দে চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শর্মীলা ধর ও মিথিলা দাস। বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতিতে অসাধারণ নান্দনিক অনুষ্ঠানটি ছিলো দেখার মতো।


প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে কোরিয়ায় মানববন্ধন

সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কোরিয়া থেকে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে দক্ষিণ কোরিয়ার মানববন্ধন করেছে প্রবাসীরা। রোববার (২৭ আগস্ট) কোরিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুপ্রাণিত প্রবাসী বাংলাদেশি’ নামে একটি সংগঠন এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।মানববন্ধনে দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম শেখ, সিনিয়র সভাপতি রফিকুল ইসলাম ভুট্টো, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ডেবিট একরাম, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মেক্সিম চৌধুরী ও দক্ষিণ কোরিয়াস্থ গোপালগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দসহ বঙ্গবন্ধু আদর্শের অনুপ্রাণিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।মানববন্ধনে জানানো হয়, ২০১৫ সালের ১৮ আগস্ট দূতাবাসের সামনে বিএনপি-জামায়াত আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারকে আরেকটি ১৫ আগস্ট ঘটানোর মধ্যে দিয়ে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান।

Picture

হুমকিদাতা মিজানুর রহমান মিজান এখনো আইনের আওতায় বাইরে রয়েছেন। হত্যার হুমকি দেয়ার পরেই হুমকির বাঁশের কেল্লা দক্ষিণ কোরিয়ার ফেসবুক ওয়াল থেকে ভিডিওটি প্রমোট করা হয়। হুমকি দেয়ার তিন দিন পরই মিজানুর রহমান মিজানকে দূতাবাসের অনুষ্ঠানে কর্মকর্তাদের পরিবারের সঙ্গে সামনের সারিতে বসতে দেখা যায়। এমনকি তাকে দিয়ে গান গাওয়ানো হয়।

মানববন্ধনের পর আয়োজকরা রাষ্ট্রদূত বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপিতে আয়োজকরা পাঁচটি নির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলো হুমকিদাতা ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনা, একটি বঙ্গবন্ধু পরিষদ থাকার পরেও বিতর্কিত ব্যবসায়ী ও জামায়াত শিবিরের এক কথিত নেতাকে আরেকটি নতুন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কমিটির আহ্বায়ক বানিয়ে দূতাবাস যেসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে সেসব বন্ধ করা, দূতাবাসের প্রথম সচিব জাহিদুল ইসলাম ভুঁইয়াকে বদলি ও কর্মচারী মিজানুর রহমান তাজ ওরফে বুলবুলের অপসারণ ও বাঁশের কেল্লার দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যাডমিনের সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিত না থাকার দাবি জানানো হয়।


টরন্টোর এ ই একাডেমীর ২য় সামার স্কুল আর্ট প্রোগ্রামের সফল সমাপ্তি

সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

Picture

বাপ্ নিউজ : কানাডার টরন্টোয় ‘এ ই একাডেমী’ আয়োজিত দীর্ঘ ৬ সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন ক্যাটাগরির বয়সের শিশুদের অঙ্কন শৈলী প্রতিযোগিতার আজ শুক্রবার ছিল সমাপনী দিন। প্রতিষ্ঠানটির হল রুমে এক অনাড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

20914442_10155378524168392_3081878458253028771_n

১২ জন ক্ষুদে ছাত্রছাত্রীর সরব পদচারণায় প্রশিক্ষক সাদিয়া তাহসিন প্রমার প্রশিক্ষণ ও একাডেমীর পরিচালক শুভ্রা রাহমান এর তত্ত্বাবধায়নে প্রতিযোগিতামূলক অঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণের সমাপ্তি টানা হয়।

20841029_10155378525363392_6249495396624942827_n-220882076_10155378525458392_1570648111557655203_n

প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব ৬ বৎসর ক্যাটাগরিতে ১ম, ২য় ও ৩য় হয়েছে যথাক্রমে মারিনা চান্দা, ইরাম রাইদাহ হক, ও রায়া হাসান।

20882100_10155378524803392_6805233939836773593_n20882523_10155378524893392_6658141540821117718_n

অনূর্ধ্ব ১০ বছর ক্যাটাগরিতে ১ম হয়েছে যথাক্রমে খন্দকার আতিফ আযমাইন হক, ২য় হয়েছে যুগ্ম ভাবে সাবিহা সুফিয়ান ও রিয়ানা আহমেদ, এবং ৩য় হয়েছে যুগ্মভাবে হুসাম আলদিন, কথামালা ও পারিজাত চিশতী এবং ৪র্থ হয়েছে আকিফ হসাইন।

20882965_10155378525628392_8326782794803186974_n20882548_10155378525758392_4201349453386636543_n

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন ইমিগ্রেশন পরামর্শক ও প্যারালিগ্যাল মোহাম্মদ ওয়াযির হসাইন মুরাদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফারুক আহমেদ ও সুফিয়ান সোহেল।


খুনী নূর চৌধুরীকে ফেরত পাঠাতে টরন্টোতে স্বাক্ষর সংগ্রহ

সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কানাডা থেকে : কানাডায় পালিয়ে থাকা জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্ব-ঘোষিত খুনি নূর চৌধুরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবিতে টরন্টোতে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছে কানাডা আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কানাডা শাখা।বাঙালীপাড়া হিসেবে খ্যাত ডেনফোর্থ এলাকায় এই স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

Picture

বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ওই খুনীকে কানাডা থেকে বহিষ্কারের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে স্বাক্ষর করেন। আয়োজকরা জানান, তারা নিজ নিজ এলাকার সংসদ সদস্যদের কাছে স্বাক্ষর সম্বলিত স্বারকলিপি পৌঁছে দেবেন।


কাতারে নায়করাজ রাজ্জাকের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

Picture

সভায় বক্তব্য রাখেন, ইসমাইল হোসেন, শফিকুল ইসলাম প্রধান, মাসুদ রানা, রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আলিমুদ্দিন, বদরুল আলম, নুরুল আফসার, বোরহান উদ্দিন, আমিনুল হক প্রমুখ।বক্তারা বলেন, একটা সময় বাংলা চলচ্চিত্রের দুর্দিন ছিল। ভারতীয় বাংলা ছবি ও পাকিস্তানের উর্দু ছবি বাংলা সিনেমাকে জিম্মি করে রেখেছিল। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতারাও উর্দু ছবি তৈরি শুরু করে। এমনি সময় আবির্ভাব ঘটে নায়ক রাজ্জাকের। তার প্রতিটি ছবি হয় সুপারহিট।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নতুন মহিমায় উদ্ভাসিত হয়। আমাদের সিনেমা শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠার পেছনের মানুষটি এই নায়করাজ রাজ্জাক। তাকে মানুষ স্মরণে রাখবে চিরদিন। অনুষ্ঠান শেষে নায়ক রাজ রাজ্জাকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন নজরুল ইসলাম।


বিনম্র শ্রদ্ধায় শোক দিবস পালন করলো কানাডা বঙ্গবন্ধু পরিষদ

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বঙ্গবন্ধু পশ্চিমা স্টাইলে গণতন্ত্র চাননি, বঙ্গবন্ধু যা চেয়েছিলেন তা পরিষ্কার করে বলেছেন ৭ মার্চের ভাষণে। তা হল স্বাধীনতার সংগ্রাম আমরা পেয়েছি, কিন্তু বঙ্গবন্ধু’র মুক্তির সংগ্রাম এখনো বাকি। তাই মুক্তিটা চালিয়ে যেতে হবে। কানাডার বঙ্গবন্ধু পরিষদ আয়োজিত শোক দিবসে এ কথা বলেন বাংলাদেশের বরেণ্য কবি আসাদ চৌধুরী।

Picture

টরন্টোর মিজান অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে, তিনি বঙ্গবন্ধু’র বক্তব্যের উদ্ধৃতি দেন যেখানে বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘কী আমি চাই? আমি চাই বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাক। কী আমি চাই? আমার বাংলার বেকার কাজ পাক। কী আমি চাই? আমার বাংলার মানুষ সুখি হোক। কী আমি চাই? আমার বাংলার মানুষ হেসে খেলে বেড়াক। কী আমি চাই? আমার সোনার বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফুটুক।’ কবি আসাদ চৌধুরী বলেন, এই দায়িত্বটা আপনার, আমার, আমাদের সকলের।

IMG_6000

দেশে এবং বিদেশে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন করা প্রয়োজন, এ প্রসঙ্গে কানাডা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি আমিন মিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে এসে যখন যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিলেন তখন অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তাঘাটের প্রয়োজনীয় মেরামত সহ অর্থনীতিকে সচল করে তার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দেন। যার মূলমন্ত্র হল রাজনৈতিক স্বাধীনতার পরে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।তিনি আরও বলেন, যে নেতা আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, আমরা সেই নেতার স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি দিতে পারিনি। জাতির জন্য এটি অত্যন্ত লজ্জার।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক তাজুল মোহাম্মদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা কেবল কোন ব্যক্তিকে নয় পুরো জাতিকে হত্যা। একটি জাতিকে পেছন দিকে নিয়ে যাওয়া। বঙ্গবন্ধু এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদ নিয়ে তাত্ত্বিক আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন খান।

IMG_6043

এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, কানাডায় খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই-এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ নওশের আলী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র-ছাত্রী সংসদ (বাকসু)-এর সাবেক ভিপি ফায়েজুল করিম, কবি শহিদুল আলম টুকু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কানাডা শাখার সভাপতি ওবায়দুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল, কানাডা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ আব্দুল গাফফার, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রাজসাক্ষী ও স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের সদস্য প্রণব তন্দ্র রায়, কথাশিল্পী ফরিদা রহমান, চলচ্চিত্র সংগঠক ও গবেষক মনিষ রফিক, বঙ্গবন্ধু সৈনিক আব্দুল হামিদ, টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সভাপতি এনায়তুর করিম বাবুল, কানাডা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান প্রিন্স, সাংস্কৃতিক কর্মী লিটন কাজী, কবি বাদল ঘোষ। কবিতা আবৃত্তি করেন নুসরাত জাহান চৌধুরী শাওলী, এবং নাট্যকর্মী আহমেদ হোসেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি দেলোয়ার এলাহি।


যুক্তরাজ্য থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে তিন বাংলাদেশির হজে গমন

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে পবিত্র হজ পালন করতে বাইসাইকেল চালিয়ে সৌদি আরব গেছেন তিন বাংলাদেশিসহ নয়জন। সৌদি আরবের স্থানীয় সময় গত রোববার সকালে তারা মদিনায় পৌঁছান।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো সংবাদটি গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে। নয় সদস্যের দলটিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিনজন ব্রিটিশ নাগরিক, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত চারজন ব্রিটিশ নাগরিক ও নতুন মুসলমান হওয়া দুজন ব্রিটিশ নাগরিক রয়েছেন। দীর্ঘ এ হজযাত্রাকে দলটি নাম দিয়েছে ‘দ্য হজ রাইড’। সাইকেল চালিয়ে তাঁরা পাড়ি দিয়েছেন তিন হাজার কিলোমিটার পথ। সাইকেলে চড়ে হজে যাওয়ার ঘটনা এর আগে রাশিয়া ও চীন থেকেও ঘটেছে।

Picture

এ নিয়ে বাংলাদেশি হজযাত্রী দবির উদ্দিন জানান, ‘এ হজ রাইডের সময় বিভিন্নজনের সহায়তায় ১০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড সংগ্রহ করেছি। এই অর্থ সিরিয়ার শরণার্থীদের জন্য খরচ করা হবে।’ সাইকেলে চড়ে সৌদি আরবে হজ করতে আসার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ইসলাম ধর্ম নতুন গ্রহণ করা ব্রিটিশ নাগরিক আবদুল ওয়াহিদ বলেন, ভাবলাম, আমি সাইক্লিং পছন্দ করি এবং হজ করতে চাই। তাহলে আমি কেন সফরের পুরোনো এই মাধ্যমকে ব্যবহার করছি না !

গত ১৪ জুলাই নয়জন লন্ডন থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, গ্রিস ও মিসর হয়ে সৌদি আরবের মদিনায় পৌঁছান তারা।


কানাডা আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট ২০১৭

Picture

বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের শুরুতেই কানাডা আওয়ামী লীগ, অন্টারি আওয়ামী লীগ, টরন্টো সিটি আওয়ামী লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

IMG_0197

কানাডা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মাহমুদ মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান প্রিন্সের সাবলীল উপস্থাপনায় সূচিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও বর্তমান সাংসদ আলহাজ্জ্ব অধ্যাপক আলী আশরাফ।কোরআন তেলাওয়াত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং হাফিজ মাহফুজুর রহমান পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন। প্রথম পর্বে ছিল আলোচনা সভা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ। পুরস্কার বিতরণ পরিচালনা করেন, সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ আব্দুল গফ্ফার।আলোচনায় বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে, তার সংগ্রামী ও বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং দর্শনকে হত্যা করতে পারেনি। শত মিথ্যাচার ও অপপ্রচার স্বত্বেও বাঙালির হৃদয়ে শ্রদ্ধার আসনে বঙ্গবন্ধু সমাসীন।

IMG_0167

বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলায় পরিণত হয়ে বিশ্ব সভায় মর্যাদার আসন লাভ করেছে। প্রধান অতিথি অধ্যাপক আলী আশরাফ তার দীর্ঘ বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর জীবন আলেখ্য তুলে ধরেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দূরদর্শিতার কথাও সুচারুরূপে তুলে ধরেন। সবশেষে ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।সভাপতির বক্তব্যে গোলাম মাহামুদ মিয়া ১৫ আগস্টে নিহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। আজকের বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুরই সপ্নের ফসল।আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ছাএলীগের আবু হুরায়রা নয়ন, তানভির আহমেদ, টরন্টো আওয়ামী লীগের সোহেল শাহরিয়ার রানা, রিয়াজুল হক, অন্টারিও আওয়ামী লীগের নওশের আলী, মাসুদ আলি লিটন, ড. কবীর হোসেন তালুকদার, প্রাক্তন ছাত্র নেতা আশীষ নন্দি, চঞ্চলা সিং, খোকা পাল, কানাডা আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট রাধিকা রঞ্জন চৌধুরী, শেখ জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক  মোর্শেদ আহমেদ মুক্তা, ইয়াহিয়া আহমেদ এবং সংগঠনের সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মুহিবুর রহমান।