Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/components/com_jcomments/tpl/components/com_gk3_photoslide/modules/mod_news_pro_gk1/images/stories/2015/April/00/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

উদীচীর প্রাণকাড়া বৈশাখী মেলা-অনুষ্ঠান ও মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ: লোকে বলে উদীচীর বৈশাখী মেলা প্রবাসে বটমূলের অনুষ্ঠান। আসলে তারই প্রতিচ্ছবি ছিল উদীচীর বৈশাখী মেলায়।সকাল সাড়ে এগারোটায় ছিল মঙ্গল শোভাযাত্র। ঠিক ঢাকার চারম্নকলার আদতে। বিরাট একটি বাঘের প্রতিকৃতি। সাথে নানা জীবজন্তুর মুখোশ। বক সহ নানা পাখির চবি। পেস্নকার্ডে শোভিত নানা শেস্নাগান। শোভাযাত্রার শুরম্ন ৩৪ এভিনিউ স্কুলের কোনা থেকে।

অত্যন্ত্ম সুশৃঙ্খল সারিবদ্ধ শোভাযাত্রা। প্রতিটি সারিতে চারজন করে লাইন। সামনে ছিল ছয়টি ছোট্ট মেয়ের গলায় শুভ নববর্ষের ছয়টি অÿরে শোভিত একটি লাইন। তারপর এসো হে বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা খচিত বেনার। তাতে ছিল বাংলাদেশের গ্রাম বাংলা, আউল-বাউল ও বাংলা নৃত্যের সুশোভিত মনোরম দৃর্শাবলী। এর পর পর ছিল শিশুদের লাইন।

সবাই বৈশাখী পোশাকে সজ্জিত। তারপর লাল শাড়ী পরিহিত ৭/৮ জনের একদল কিশোরী নৃত্য শিল্পী। এরপর জীবন বিশ্বাসের পরিচালনায় উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর গানের স্কোয়াড। তারপরে পর্যায়ক্রমে মহিলা ও পুরম্নষদের চারজন করে লাইন। শোভাযাত্রায় ছিলেন উদীচীর শুভানুধ্যায়ী প্রবাসের গণ্যমান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ। সাংবাদিক ও টিভির আলোকচিত্র শিল্পীরা। ছিল ঢাকের বাদক। ছিল পহেলা বৈশাখ নববর্ষকে আবাহন ও উদীচীর মঙ্গল কামনা করে মুহুমূহু শেস্নাগান। ঢাকের শব্দ আর শেস্নাগানে পহেলা বৈশাখের আমেজকে আরো গভীর থেকে গভীরতর করে তুলছিল।


সামনে দিক নির্দেশনা দিয়ে চলছিল একটি পুলিশের গাড়ী। পেছনে শান্ত্ম, ধীর, শৃঙ্খলাবদ্ধ শোভাযাত্রা। দর্শকবৃন্দ সবাই অভিভূত। এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খল মিছিল অথবা মঙ্গল শোভাযাত্রা নিউইয়র্ক আগে কখনো দেখেনি। পুলিশ কর্মকর্তারও অনুরূপ প্রশংসা। মিছিল যখন এগুচ্ছিল আশ পাশে জনগণ হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিল। ছবি তুলছিল।


৩৪ এভিনিউ থেকে ৭৩ স্টীট হয়ে শোভাযাত্রাটি ভাবগম্ভীর পরিবেশে এগিয়ে ৩৭ এভিনিউতে পৌছে। সেখানে দাঁড়িয়ে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী পহেলা বৈশাখের গান পরিবেশন করে। আবার ৩৭ এভিনিউ হয়ে ৭৪ স্ট্রীটে ফিরে আসার পথে মোড় নেয়। সেই মোড়ে একই ভাবে আবার স্ট্রীটের ওপরে দাঁড়িয়ে গান পরিবেশন করা হয়। তারপর আবার ধীর অথচ স্বাভাবিক গতিতে শোভাযাত্রা এগিয়ে যায় মূল অনুষ্ঠানের গন্ত্মব্যস্থল উদীচী স্কুলে। স্কুলে প্রবেশের আগে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জীবন বিশ্বাস সবার উদ্দেশ্যে সংÿিপ্ত বক্তব্য রাখেন। সকলকে শুভনববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশে মৌলবাদের সাথে সরকারের আপস সখ্যতার তীব্র নিন্দা জানান। বলেন, সরকার ভোটের রাজনীতির নেশায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চরিত্র বিসর্জন দিয়ে বাঙালি কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে সঙ্কোচিত করে মৌলবাদের সাথে আপস করেছে। জনগণকে সরকারের এই অপরিনামদর্শী পদÿেপের বিরম্নদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হতে হবে।


ঠিক সাড়ে বারোটায় উদ্বোধন করা হয় পিঠা অনুষ্ঠান। তারপর ঠিক দেড়টায় শুরম্ন হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উদ্বোধন করেন উদীচীর সভাপতি ড. মোহাম্মদ আব্দুলস্নাহ ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধ ড. মোমেন। পাশে উপস্থিত ছিলেন কনসাল জেনারেল জনাব শামীম আহসান। তারা উভয়ে উদীচী এবং উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংÿিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

alt
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরম্নতে জীবন বিশ্বাসের পরিচালনায় এসো হে বৈশাখ ও উদীচী সংগঠনের নিজস্ব গান সহ ৪টি গান পরিবেশিত হয়। এতে ছিল স্কুলের সকল ছাত্রছাত্রী ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সমবেত গান। তারপর পর্যায়ক্রমে ছিল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের গান, তবলার লহর, নৃত্য, শহীদ উদ্দীনের কৌতুক, বড়দের সম্মিলিত গান। ছিল ছাত্রছাত্রীদের বাঙালি কৃষ্টি-সংস্কৃতির আলোকে যেমন খুশী সাজো-এর পরিবেশনা। সবশেষে দর্শক শ্রোতাদের বিমুগ্ধ করেছে ছাত্র-ছাত্রী-শিÿক-শিÿিকা ও অভিভাবকদের মিলিত বিভিন্ন সাজে একটি কৌতুকপূর্ণ নৃত্য। তারপর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


৪ ঘটিকায় পরিবেশিত হয় প্রতিবারের ন্যায় উদীচী পরিবারের ঘরে তৈরি ইলিশ, ভর্তা সহ বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার। অত্যন্ত্ম সুশৃঙ্খল ভাবে প্রায় সাড়ে ছয় শত লোককে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে খাবার পরিবেশন করা হয়। ছিলনা কারো কোন অনুযোগ ও অভিযোগ। শোভাযাত্রা থেকে শুরম্ন করে অনুষ্ঠান এবং খাবার পরিবেশনে শৃঙ্খলায় সকলে বিমুগ্ধ হয়ে উদীচীর ভূয়শী প্রশংসা করেছেন।


অনুষ্ঠান উপলÿে ছিল শাড়ী ও অলংকারাধীর নানান পশরা স্টল। ছিল বাঙালি পানের দোকান। হল এবং প্রবেশ পথ ও ওয়েটিং এরিয়ায় সাজানো ছিল নানা লেখায় শোভিত শেস্নাগান ও পোস্টার। মঞ্চ ও শোভাযাত্রার বাঘ, মুখোশ ও বটগাছ তৈরি করেন শিল্পী টিপু আলম। মঞ্চ সজ্জায় ছিলেন জেবু চৌধুরী ও তুষার রায়। সহযোগিতায় ছিলেন আলীম উদ্দীন, মোহিত আচার্য সুলেখা রায়। খাবার ও অন্যান্য দায়িত্বে ছিলেন সমীর মন্ডল, অশোক রায়, মোঃ আলম নিউমুন, শফি চৌধুরী হারম্নন, মোঃ হারম্নন ও আরো অনেকে। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ফারম্নক ফয়সল, সাবিনা হাই উর্বি ও জীবন বিশ্বাস। সাউন্ডে ুমঞ্জু। আপ্পায়ন ও নিরাপত্তায় মোঃ এ কে সরকার। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সুব্রত বিশ্বাস।


গান, নৃত্য, তবলা সহ বিভিন্ন অংশে অংশগ্রহনকারী শিল্পীরা হলেন-সাবিনা হাই উর্বি, সুদৃতা পাল সুলেখা, জয়ন্ত্মী ভট্টাচার্য্য, অনামিকা মজুমদার, রাবেয়া আখতার, নাজনীন সুলতানা, সাহানা আক্তার, নুপুর, সুক্তি বিশ্বাস, মিতা দেবনাথ, সংগীতা চক্রবতী, অমৃতা রায় মিষ্টি, দিব্য রায়, উদিতা তন্বী, তৃষা মন্ডল, স্মারনিকা চক্রাবর্তী, নাভিয়ানা চৌধুরী, সায়বা উদ্দিন, লামিয়া তালকদার রাত্রি, বাধন কর্মকার, প্রিয়াঙ্কা সরকার, এনি দাস, অনন্নপূর্ণা দত্ত, নিশাত হাসান, নাদিয়া হাসান রাবেয়া বাসরী, দিপ্ত রায়, ইশতিয়াক সামিন, রামিসা, অর্জুন মলিস্নক, অনিক মন্ডল, অনির্বাণ রায়, প্রমিত মহান আচার্য, লামিয়া তালুকদার রাত্রি, অনুপম চৌধুরী, নিশাত হাসান, সিতাব উদ্দীন, অচিন্ত্ম্য রায়, দুর্জয় রায় সৃজয় রায়, নামিরা মালেক, নবনীতা চন্দা, নাশাত হোসাইন, মোঃ আদনান মাহির কাসাব, বৈভব রায়, অশোক ধর, দেবস্মিতা দেবনাথ, ফারহান মাহিন অর্ণব, প্রতীক মোদক, নুজাইমা ইশরাত সারা, রাজদীপ বণিক, রাজু হোসাইন, ফারহান খান, সিন্থিয়া আইরিণ রিয়া, তাফান্নুম বিনতে করিম নূহা, নাজমুন্নাহার কাকলী এবং মিতা দেবনাথ।


Add comment


Security code
Refresh