Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

নিউইয়র্কে অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদযাপন

শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

Picture

অক্টোবর বিপ্লবের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জ্যামাইকার স্টার পার্টি হলে ৪ নভেম্বর এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

alt
অক্টোবর বিপ্লব শতবর্ষ উদযাপন কমিটি যুক্তরাষ্ট্র শাখার আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। সদস্য সচিব মো: হারুন আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এম.এম. আকাশ।

alt
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রকৌশলী ড. মহসিন সিদ্দিক, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. বিনায়ক সেন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের প্রাক্তন সভাপতি নাসির উদ দুজা, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেত্রী কাকলী বিশ্বাস। প্রকৌশলী ড. মহসিন সিদ্দিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণার পর অক্টোবর বিপ্লবের ওপর একটি ডকুমেন্টরী প্রদর্শণ করা হয়।

alt

এরপর উদীচী যুক্তরাষ্ট্র শিল্পীদের পরিবেশনায় উদ্বোধনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, প্রোগ্রেসিভ ফোরামের সভাপতি খোরশেদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ও প্রোগ্রেসিভ ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক আলীম উদ্দিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা গিয়াস উদ্দিন বাবুল, মাসুদ রহমান, মিল্টন বড়য়া। কবিতা আবৃত্তি করেন ফারুখ ফয়সাল, গোপন সাহা, মিজানুর রহমান বিপ্লব ও সেমন্তি ওয়াহেদ।

alt
এমএম আকাশ বলেন, ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে বিপ্লবের পর রাশিয়াতে শ্রমজীবীদের রাজনৈতিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সার্বজনীন অধিকার, সাংস্কৃতিক উজ্জীবন, কর্মের নিরাপত্তা ইত্যাদি অর্জিত হয়েছিল অবিশ্বাস্য রকম অল্প সময়ের মধ্যে। হিটলারের ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধেও রাশিয়ার ভূমিকা ছিল অনন্য। বিভিন্ন দেশের নিপীড়িত মানুষের মুক্তির সংগ্রামের পাশে দাঁড়িয়েছিল তারা। আবার লেনিন-পরবর্তী যুগে রাশিয়ায় হুকুমের মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক কেন্দ্রীভূত সমাজতন্ত্র কায়েমের মডেলের কারণে রাশিয়ার অর্থনীতি এক সময়ে স্থবির হয়ে পড়ে।

alt
তিনি বলেন, স্ট্যালিন বিপ্লবের সহযাত্রীদের একে একে হত্যা করেন। জেলখানায় বুখারিনের মৃত্যু হয়। ট্রটস্কিকে সুদূর ম্যাকস্কি পর্যন্ত তাড়া করে হত্যা করা হয়। মৃত্যুর আগে বুখারিন সমাজতান্ত্রিক সমাজে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি চমৎকার পান্ডুলিপি লিখে যান। তিনি বলেছিলেন, ‘হে স্ট্যালিন তুমি আমায় মেরে ফেল, কিন্তুু এই পান্ডুলিপিটি রক্ষা কর।’ পান্ডুলিপিটি এখন পুনরাবিষ্কৃত হয়েছে। এতে আমরা সমাজতন্ত্রের ট্র্যাজিক দিকটাও জানতে পারি। বুখারিন লিখেছেন, ‘সমাজতন্ত্র কখনোই একটি পূর্ণাঙ্গ ‘চরম আদর্শ’ হিসেবে জন্ম নেয় না। সমাজতন্ত্র ক্রমশ বিকশিত হয়। সে সংগ্রাম করে, নিজে নিজেকে তৈরি করে। বিজয় অর্জন করে। বিকাশের এক পর্যায় থেকে আরেক পর্যায়ে উত্তরণ ঘটায়।’

alt
তিনি আরো বলেন, স্ট্যালিনের হুকুমভিত্তিক সমাজতন্ত্রের মডেল পরবর্তীকালে আর সংশোধিত হয়নি। চীন সৌভাগ্যবশত যথাসময়ে বিকেন্দ্রীভূত অর্থনৈতিক সংস্কার এবং বাজার পদ্ধতির আংশিক প্রয়োগ শুরু করে এখনও টিকে আছে। তবে ওই মডেলেও রাজনীতি হচ্ছে কর্তৃত্বপরায়ণ এবং অর্থনীতি উদার।

alt

রাশিয়াতে গরবাচেভ রাজনৈতিক কর্তৃত্ব আগে ছেড়ে দিয়ে পরে অর্থনৈতিক সংস্কার সাধনের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি যদি পেরেস্ত্রৈকা আগে করতেন এবং গ্লাসমন্ত পরে করতেন তাহলে কী হতো বলা মুশকিল। যাহোক, এখন বামপন্থি’ মহলে এটা স্বীকৃত যে সমাজতন্ত্রের কোনো স্থির মডেল নেই। যার যার দেশে যার যার বিষয়গত শক্তি অনুযায়ী কাস্টমাইজ প্রোগ্রাম নিয়ে অগ্রসর হতে হবে। বাংলাদেশে সমাজতন্ত্র হবে বাংলাদেশের মতো। মূল কথা হচ্ছে শোষণহীন সমাজ এবং শ্রমজীবীদের অবজেক্ট না হয়ে সাবজেক্ট হতে হবে। এটাই হচ্ছে মার্কস, অ্যাঙ্গেলস ও লেনিনের স্বপ্ন।

alt
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরো বলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের সরকার সমূহের পতন আর অক্টোবর বিপ্লব এবং সমাজতন্ত্রের মৃত্যু সমার্থক নয়। চীন, ভিয়েতনাম ও কিউবাসহ পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে এখনও সমাজতন্ত্রেও মতাদর্শেও সরকার প্রতিষ্ঠিত আছে। এসব দেশ বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে সমাজতন্ত্রকে বিকশিত করার প্রয়াসে নিয়োজিত আছে।

alt
আকাশ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত পুঁজিবাদী দেশসমূহের গণমানুষ, বিশেষত তরুন প্রজন্মের মধ্যে পুঁজিবাদের চেয়ে উন্নতর সমাজের আকাঙ্খা জাগরুক আছে। উন্নয়নশীল বিশ্বের জনগণের মধ্যেও সেই আকাঙ্খা প্রবল। অক্টোবর বিপ্লবের যেসব মূল লক্ষ্য-তথা শান্তি,জমি এবং রুটি সেসব দাবী এখনও প্রাসঙ্গিক।


নিউইয়র্কে স্বদেশ ফোরামের সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত

শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্‌স নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : সাহিত্য জীবনের প্রতিচ্ছবি। সাহিত্যের মাধ্যমে জীবনের সুখ দুঃখের কথা ফুটে ওঠে। স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রবাসী লেখকরা সাহিত্য চর্চা করে যাচ্ছেন প্রবাসের কঠোর জীবন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে।

alt

গত ১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে আনন্দঘন পরিবেশে সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বদেশ ফোরাম আয়োজিত সাহিত্য সভায় আলোচকরা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

alt

স্বদেশ ফোরামের সভাপতি কবি অবিনাশ চন্দ্র আচার্যের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুফিয়ান আহমদ চৌধুরীর উপস্থাপনা ও পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান।

alt

বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ছড়াকার আলমগীর বাবুল ও বিশিষ্ট সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন।

alt

সাহিত্য সভায় লেখা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন আবুল বাসার, কিবরিয়া চৌধুরী, শামীম আরা আফিয়া, মেহের চৌধুরী, এমাদ উদ্দিন এডভোকেট, আহমেদ শামসুদ্দিন কুটি, কাজী জামান, মোহাম্মদ আব্দুল জলিল, মাসুদ আলম, আশরাফ হাসান, হাবিব ফয়েজি, পারভীন বানু, মাসুম আহমদ, হাবিবুর রহমান, হাফিজ উদ্দিন, রজত কান্তি সী, মাসুদ মোর্শেদ, এম.এ মান্নান, রুবেল আহমদ প্রমুখ।

alt

সাহিত্য সভা শেষে উপস্থিত সকলকে মিষ্টি মুখে আপ্যায়ন করা হয়।


বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ’র যৌথ সভা এবং জেল হত্যাদিবস উদ্দযাপন

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : বাংলাদেশ আওয়ামীফোরাম ইউএসএ’র যৌথ সভা এবং ৩রা নভেম্বর ১৯৭৫-এর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম,তাজউদ্দীন আহমেদ,এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামান-এর স্মরণে জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভা গত ৬ নভেম্বর সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নিউইয়র্কের এষ্টোরিয়ার বৈশাখী রেষ্টেুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাপসনিঊজ।

alt
বাংলাদেশ আওয়ামীফোরাম ইউএসএ’র সভাপতি মাঈন উদ্দীন মঈনের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক হারুন অর রশীদ-এর উপস্থাপনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠিত যৌথ সভা এবং জেলহত্যা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা,এবিসিডিআই সভাপতি এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিয় ছাত্র সংসদ-এর সাবেক জিএম এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রদীপ রঞ্জন কর।

alt

প্রধান বক্তা ছিলেন শহীদ শেখ কামালের ঘনিষ্টতম ও মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দীন হায়দার খোকা। বিেেশষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, বাংলাদেশ আওয়ামী ফোরাম ইউএসএ উপদেষ্টা ডা. টমাস দুলু রায়, বাংলাদেশ আওয়ামীফোরাম ইউএসএ উপদেষ্টা রাজু আ্হম্মেদ মোবারক, বাংলাদেশ আওয়ামীফোরাম ইউএসএ উপদেষ্টা এমাদ চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামীফোরাম ইউএসএ উপদেষ্টা কাজল আরফিন , বাংলাদেশ আওয়ামীফোরাম ইউএসএ উপদেষ্টা কাজল আরফিন খসরুল আলম ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি দুরূদ মিয়া রনেল ।

alt

জেল হত্যা দিবসের আলেচনা সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি আজহারুল হক খোকা, সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা উলফাৎ আলী মোল্লা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নিলুফার রশীদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সবিতা দাস প্রমুখ।

alt
সভায় প্রধান অতিথি প্রদীপ রঞ্জন কর বলেন, সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সদ্য স্বাধীন দেশকে নেতৃত্বশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

alt

অনুষ্ঠানের শুরুতে চার জাতীয় নেতার স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপদেষ্টা মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দীকি।

alt

সবার প্রারম্ভে ১৯৭৫-এর ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু, ডাঢা কেন্দ্রিয় কারাগারে চার জাতীয় নেতা, একাত্তর-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৫২- এর মহান ভাষা আন্দোলনসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরনে সভায় দাঁড়িয়ে এক মিনটি কাল নিরাবতা পালন করা হয়।


বিশিষ্ট বাম নেতা, প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম মাহবুবুল হক এর মৃত্যুতে জেএসডি ’ যুক্তরাষ্ট্র র শোক

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকনবাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এবং সাধারন সম্পাদক সামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম এবং সাবেক সাংসদ আনিসুজ্জামান খোকন,এডভোকেট মজিবুর রহমান,সদস্য সারোয়ারুল আলম, স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের সদস্য কমরেড রফিকুল ইসলাম, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপস্নিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন,সাবেক ছাএনেতা নজরুল ইসলাম, দলের উপদেষ্টা হাজী আহসান মাসুদ, দলের কুয়েত শাখার সভাপতি আবু নাসের, যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী এনামূল হায়দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম জি সারোয়ার ও সাংবাদিক জেড এম ফয়সাল, সুভাষ মজুমদার ,হেলালউদ্দিন,রফিক উল্লাহ , শরীফ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক তছলিম উদ্দিন খান, সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট জসীম উদ্দিন, সমাজকর্মী হারুন অর রশীদ বাবুলএক বিবৃতিতে বিশিষ্ট বাম নেতা, প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম মাহবুবুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও তার শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য যে, ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় দশটার পর পর কানাডার টরেন্টোর একটি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আ ফ ম মাহবুবুল হক দেরাদুুনে মুক্তিযুদ্ধাদের ট্রেনিং ইনষ্ট্রাক্টর ছিলেন এবং স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৩ এর ডাকসু নির্বাচনে ভিপি পদে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভের পরও ব্যালট বক্স হাইজ্যাক এর কারনে নির্বাচিত বলে ঘোষিত হননি। এর পর দীর্ঘদিন কারা বাসের পর ১৯৮০ সালে তিনি জাসদ/জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন। পরবর্তীতে নতুন দল বাসদের নেতা ছিলেন। ঐ পদে থাকা অবস্থায় বেশ কয়েক বছর আগে রমনা পার্কে প্রাতঃভ্রমন শেষে ফেরার পথে কে বা কারা পিছন থেকে তার মাথায় প্রচন্ড আঘাত হানে। এতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সেখান থেকে হাসপাতালে নেয়ার পর কিছুদিন চিকিৎসার পর আত্মীয়-স্বজনরা তাকে কানাডায় নিয়ে যান। এর পর তিনি আর সুস্থ্য হননি। আ ফ ম মাহবুবুল হক এর মৃত্যুতে জাতি একজন আদর্শবান, ত্যাগী ও বিপ্লবী নেতাকে হারালো।


নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান পল এ ভ্যালন দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত

বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ : গত ৭ নভেম্বর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে বিপুল ভোটে পুণ নির্বাচিত হয়েছেন নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক-১৯ এর কাউন্সিলম্যান পল এ ভ্যালন।

alt

ছবিতে বা থেকে বিয়ানা, হাকিকুল ইসলাম খোকন, দেলওয়ার মানিক, কাউন্সিলম্যান পল এ ভ্যালন এবং জাহাঙ্গীর কবিরকে দেখা যাচ্ছে। ছবি বাপসনিউজ।

মুলধারার এই নির্বাচনে পল এ ভ্যালন-এর নির্বাচনী ক্যাম্পেনের মূলধারার সাথে প্রবাসী বাঙ্গালীদের পক্ষ থেকে নির্বাচনী অফিস ও ক্যাম্পেনে অংশ নেন ক্লিটন ডেমোক্রেটিক ক্লাবের সদস্য ও কমিনিটি এক্টিভিষ্ট দেলওয়ার মানিক, আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সভাপতি সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন কমিনিটি এক্টিভিষ্ট জাহাঙ্গীর কবির এবং রিয়েলেটর ও কমিনিটি এক্টিভিষ্ট নাসির উদ্দিন।

alt

কাউন্সিলম্যান পল ভ্যালন তার ভিক্টুরী পার্টিতে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং নির্বাচনী কাজে যারা সহযোগীতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

alt

ভিক্টরী  পার্টিতে বক্তব্য রাখেন সাবেক স্পীকার পিটার ভ্যালন। 

alt

মূলধারার রাজনীতিক, সাংবাদিক, কবি, বিভিন্ন কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ প্রায় তিন শতাধিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

alt

শেষে সবাইকে প্রীতিভোজে আপ্যায়ণ করা হল।


সাপ্তাহিক আজকাল পরিদর্শনে প্রবাস মেলা সম্পাদক ও প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৭

alt

ছবিতে বা থেকে হাসানুজ্জামান সাকী, শরীফ মোহাম্মদ রাশেদ, মনজুর আহম্মদ, হাকিকুল ইসলাম খোকন এবং  শাহাবউদ্দিন সাগরকে দেখা যাচ্ছে। ছবি বাপসনিউজ।
প্রবাস মেলার সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি তাদেরকে প্রবাস মেলার কপি উপহার দেন। পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দেশের প্রথম এবং একমাত্র পাক্ষিক ম্যাগাজিন। প্রবাসীদের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়মিতভাবে পত্রিকাটিতে তুলে ধরা হচ্ছে।

Picture

প্রবাসীরা প্রবাস জীবনের অনুভ’তি অভিজ্ঞতা নিয়ে যে কোন লেখা পাঠাতে পারেন ( এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে। )। সম্পাদক শরীফ মুহম্মদ রাশেদ গত ২৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরে গেছেন। উল্লেখ্য, শরীফ মুহম্মদ রাশেদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপস্থাপক মামুন ইমতিয়াজ এর কনিষ্ঠ ভ্রাতা।ছবি:বাপসনিঊজ।


তিন কাউন্সিলম্যানের ভিক্টরী পার্টিতে প্রবাসী বাঙ্গালী

বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ : গত ৭ নভেম্বর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে বিজয়ী তিন কাউন্সিলম্যান ডনোভ্যান রিচার্ড জুনিয়র, ডেরিক মিলার ও এড্রিয়ানো এডামের যৌথ ভিক্টরী পার্টি অনুষ্ঠিত হয় কুইন্সের জ্যামাইকায়।

alt

এতে মূলধারার পাশে প্রবাসী বাঙ্গালীদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা শরাফ সরকার ,কমিনিটি এক্টিভিষ্ট আহসান হাবীব,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন সেলিম, বিল্লাল চৌধুরী,শিক্ষাবিদ অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন হাওলাদার, ওমর ফারুক খসরু,শিবলী নোমানী,জাহাঙ্গীর কবির ও বাংলাদেশ সোসাইটির কোষাদক্ষ মোহাম্মদ আলী।

alt


বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরানার্থীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসার আহবান জ্যাকসন হাইট্স ডাইভারসিটি প্লাজায় ‘গ্রীন টাচ-এর সমাবেশ

শনিবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: বন্যার ধকল সামলে উঠতে না উঠতেই বাংলাদেশকে আরেকটি অগ্নিপরীক্ষার সন্মুখীন হতে হয়েছে- বার্মার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের উপর মায়ানমার সরকারের সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্যাতন-নীপিড়ন সইতে না পেরে লাখ লাখ রোহিঙ্গা জীবন বাচাঁতে পাড়ি জমিয়েছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের সরকার সহ দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণ যেভাবে পারছে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সাহায্য-সহযোগীতা করে চলেছে।সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে গত রোববার ২২ অক্টোবর’ বিকাল ৫টায় জ্যাকসন হাইটস-এর ডাইভারসিটি প্লাজায় ‘বিশ্বব্যাপী মা ও শিশু সংস্থা “গ্রীণ টাচ” রোহিঙ্গাদেরকে সাহায্য সহযোগিতায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানাতে এক সমাবেশের আয়োজন করে এবং সমাবেশে উপস্থিত সবাই রোহিঙ্গাদের উপর মায়ানমার সরকারের সেনাবাহিনীর চরম নির্যাতনের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে তাদের নিদারুণ দুর্ভোগের কথা বলেন । খবর বাপসনিঊজ।

alt

বাংলাদেশের মত একটি ক্ষুদ্র দেশ সম্প্রতি ভয়াবহ বন্যার ধকল এখন পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তার পাশাপাশি নিযার্তিত রোহিঙ্গারা একমাত্র অভয়ারণ্য হিসেবে বাংলাদেশকে বেছে নিয়ে পিঁপড়ার দলের মত ঝাঁকে ঝাঁকে লাখ লাখ রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিয়েছে। তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ সাহায্য করছে। সুতরাং আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীরাও যেভাবে পারি রোহিঙ্গাদের সমস্যা সমাধানে সরকারের পাশাপাশি সাহায্য-সহযোগিতার হাত প্রসারিত করি। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি রোহিঙ্গা মা ও শিশুদের সহায়তায় এগিয়ে আসি।

সমাবেশের শুরুতে ‘বিশ্বব্যাপী মা ও শিশু সংস্থা “গ্রীণ টাচ”-এর নির্বাহী পরিচালক ভিক্টর লিয়াকত ইলাহী রোহিঙ্গাদের করুণ পরিনতির বর্ণনা দিতে গিয়ে একটি কথাই বারবার বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের শরনার্থী হিসেবে নয় মেহমান হিসেবে আশ্রয় দিয়েছেন-তা নিঃসন্দেহে আমাদের বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়-তবে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আমরা যারা প্রবাসী বাংলাদেশীরা আছি, নৈতিক মূল্যবোধ থেকে আমাদেরও রোহিঙ্গাদের সহায়তায় সরকারের পাশে দাঁড়ানো উচিৎ বলে আমি মনে করি। আসুন আমরা যেভাবে পারি, যতটুকু পারি রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তার হাত প্রসারিত করি। সমাবেশের আরেক শুভাকাংক্ষী গোলাম কিবরিয়া অনু বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সকল বাংলাদেশীদের এগিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সরকার যেভাবে রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে আসছে, সেটাতে বাংলাদেশ কঠিন সমস্যার মুখোমুখি এসে দাড়িয়েছে-আমাদের নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের সহায়তায় যেভাবে পারি বাংলাদেশ সরকারে পাশে দাঁড়ানো উচিৎ, তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে আমরা সেটা করি।

alt

পরবর্তীতে বার্মা টাস্ক ফোর্স-এর সিইও এডাম ক্যারোল, রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে শুধু একটি কথাই বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও সে দেশের জনগণ শরনার্থী রোহিঙ্গাসহ রোহিঙ্গা মা ও শিশুদের যেভাবে সহযোগিতা করছে সেটা প্রশংসার যোগ্য এবং আমাদের সকলের উচিৎ রোহিঙ্গাদেরকে এই প্রবাস থেকে আর্থিক সহ বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করা। এছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত স্যোসালিস্ট এ্যকশন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মার্টিন গুডম্যান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রবাসী সকল ভাই-বোনেরা মিলে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি আমরা সহায়তায় এগিয়ে আসি।

alt

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ‘বিশ্বব্যাপী মা ও শিশুদের সংস্থা “গ্রীণ টাচ”-এর আর ইডি ও গবেষক এবং পরিকলপনা পরিচালক ফারজানা হক, তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বার্মার রোহিঙ্গারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অবস্থান নিয়েছে, মানায়মারের সেনবাহিনীর অত্যাচার নিপীড়ন থেকে গর্ভবতী মা ও শিশুরাও রক্ষা পায়নি। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বাংলাদেশ সরকার যেভাবে পারছে রোহিঙ্গা মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে, আমাদেরও উচিৎ প্রবাসী বাংলাদেশীরাও সরকারের পাশে থেকে রোহিঙ্গা মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সেবায় ও পুষ্টি সাধনে সর্বাত্মকভাবে সাহায্য সহযোগিতায় এগিয়ে আসি।হিউম্যান নেটওয়ার্কের সিইও আসাদুল বারী এই সমাবেশের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে  স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সমস্যায় প্রবাসী সকল বাংলাদেশীদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পুরো সমাবেশটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ‘বিশ্বব্যাপী মা ও শিশুদের সংস্থা “গ্রীণ টাচ”-এর কোষাধ্যক্ষ এটিএম জাকির হোসেন বাচ্চু-তিনিও তার সর্বশেষ বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সমস্যা বর্তমান সরকারের জন্য একটি অগ্নিপরীক্ষা-এটাকে সামলে নিতে আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীরা যে যেভাবে পারি সরকারকে রোহিঙ্গা সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা প্রদান করি।

বিশ্বে তোলপাড় তোলা রোহিঙ্গা সমস্যার ব্যাপারটি যেন বাংলাদেশ কাটিয়ে উঠতে পারে সে ব্যাপারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীরা যেভাবে পারছে সরেজমিনে কিংবা কারো মাধ্যমে সরকারকে আর্থিকভাবে ও বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী, ওষুধ পথ্য, জামা-কাপড়, স্যানিটেশন সমস্যাসহ নানান সমস্যার সমাধানে শরনার্থী রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি মা ও শিশু রোহিঙ্গাদেরকেও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে সাহায্য করে চলেছে।


সমাবেশে অংশনেন আমরিকান প্রেসক্লাবের অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ আলী হোসেন, গ্রীন টাচ্-এর অপারেশনাল ম্যানেজার রুহুল কুদ্দুস পল্টু, বিশেষ প্রতিনিধি রেজা ইসলাম, ফরএভার লিভিং প্রোডাক্টস-এর ডায়মন্ড ম্যানেজার ইমোজিনি রায়পন, বিএম জাকির হোসেন হিরু, মরিয়ম জোয়ারদার, ফরিদা খান, শুভাকাংক্ষী কাজী কাসেম, ফখরুদ্দীন মুন্না, হানেফ মোল্লা ও নুরুল হুদা খোকা প্রমুখ।


নিউইয়র্কে গনমাধ্যমের সাথে বিশেষ আলাপচারিতায় - বেদনা মুছতেই গঠন করেছিলাম ঠ্যাঙ্গামারা সংঘ: হোসনে আরা

শনিবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ: নিজের জীবনের বেদনা মুছতেই গঠন করেছিলাম ঠ্যাঙ্গামারা মহিলা যুব সংঘ। এই সংগঠন আজ বাংলাদেশে নয় বিশ্ব দরবারে পরিচিতি লাভ করেছে। বাংলাদেশের নারীরা কতটা সংগ্রামী তা আবারো প্রমাণ হয়েছে।

Picture

গত ১৭ অক্টোবর জ্যাকসন হাইটসের পালকী সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলেন এসব কথা বলেন ঠ্যাঙ্গামার মহিলা যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. হোসনে আরা। সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণ এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এতে সহযোগিতা করেন ফটো  সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী।

alt
সংবাদ সম্মেলনে ড. হোসনে আরা বলেন,
তিনি বলেন, ‘এর আগে আমার একবারও মনে হয়নি কোথায় যাচ্ছি? কিন্তু আমি যখন পুরুষ থেকে নারী হয়ে গেলাম, নারীদের পোশাক পড়লাম, তখন মনে হলো আমি বন্ধী হয়ে গেলাম। আমি চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেলাম। সত্তোর দশকে একজন নারী যেভাবে ঘরে আবদ্ধ থাকেন আমিও তার মতো হয়ে গেলাম। সে দিনটির কথা আমি ছাড়া আর কেউ জানে না তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন জীবনের বেদনা মুছতে ১৯৮০ সালে নিজ শহর বগুড়াতে গড়ে তোলা ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের কথা। তিনি ১২৬ জন ভিক্ষুকের মুষ্টির চালের মাধ্যমে সংগ্রহ করা ২০৬ মন চাল দিয়ে গড়ে তুলেন সবুজ সংঘ। যে সংঘের কর্মকর্তা-কর্মচারী এখন ৩১ হাজার, সদস্য সংখ্যা ৫৩ লাখ মানুষ। ২০৬ মণ চালের জায়গায় তাদের সম্পদ এখন ১৫ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

alt
হোসনে আরা বলেন, ১৯৮০ সালে আমি আমার জীবনের পট পরিবর্তনের সন্ধিক্ষনে আমার জীবন মরনের অঙ্গিকার থেকেই অতি লোভনীয় সরকারী চাকুরী পরিত্যাগ করে ‘ফকুন্নীদের’ উদ্যোগকে আইনানুগভাবে আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছি। বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়নবান্ধব তথা জনবান্ধব অনুশাসনের ফলেই বেসরকারী উদ্যোগগুলো বিকাশ পাচ্ছে দুর্বার গতিতে। তারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ টিএমএসএস (ঠ্যাঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ)। তিনি বলেন, টিএমএসএসসির বেতন ভুক্ত জনবল প্রায় ৩১হাজার, উপকারভোগী পরিবার সংখ্যা ৫ দশমিক তিন মিলিয়ন। সমিতির সংখ্যা প্রায় এক লক্ষ বিশ হাজার। অফিস সংখ্যা ১৬শ‘টি। একটি এক হাজার বেডের হাসপাতাল, সেবা ক্লিনিক ৭৫টি, প্রাইমারী হাসপাতাল পাঁচটি, সরকার অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৩২টি, শ্রম ঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ২৪টি, পাঁচ তারা মানের হোটেল ও রিসোর্ট ১টি এবং উন্নত মানের হোটেল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে ৩০টি।

alt
হোসনে আরা ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন পুরুষ হিসেবে। ১৯৭৫ সালে তিনি পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত হন। লতিফ হল থেকে তাকে চলে যেতে হয়েছিল মন্নুজান হলে। নারীর জীবন-যাপনে নতুনভাবে অভ্যস্ত হবার কারণে হোসনে আরা বেগম বুঝতে পারেন, বাংলাদেশে নারীরা কতখানি অসহায়, কতখানি পরাধীন! হোসনে আরা পুরুষে রুপান্তরের ঘটনাটি ছিল তখনকার সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

alt

অনুষ্ঠানের শুরুতে টিএমএসএস এর উপর নির্মিত একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করেন মিনহাজ আহমেদ, যার মাধ্যমে উপস্থিত সুধী দর্শক সংগঠনের কর্মতৎপরতা সম্বন্ধে ধারনা লাভ করেন। এরপর  পরামর্শক ও খ্যাতনামা সিনিয়র সাংবাদিক ফারুক ফয়সল খুব চমৎকার ভাষায় প্রফেসর হোসনে আরা বেগমকে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি জানান এক সময় বিভিন্ন দেশের দাতা সংস্থার সহযোগিতা নিলেও এখন সেই সাহায্যের পরিমান এসে দাঁড়িয়েছে ১০ ভাগেরও কম।

alt

প্রফেসর ডঃ হোসনে আরা বেগম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে টেকনিক্যাল পেপার উপস্থাপন ছাড়াও  নিউজার্সির কিন ইউনিভার্সিটির নার্সিং ফ্যাকাল্টির সাথে সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি তারা ওয়াশিংটন ডিসি ও ফ্লোরিডায় অনেকগুলো আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা পরিদর্শন করেছেন এবং পারস্পরিক সাহায্য এবং সহযোগিতা নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। আমেরিকার রিজেন্টস অব দ্যা ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান এর সাথে পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি’র সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
alt

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথি হিসেবে আগত বিশিষ্ট অভিনেত্রী রেখা আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে সবাইকে নিয়ে উদযাপন করেন প্রফেসর হোসনে আরা বেগম। এই সময় অন্যান্যের ভেতর আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। পুরো আয়োজনের বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন প্রবাসের জনপ্রিয় ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী। 


আজকাল আয়োজিত আড্ডায় বক্তারা = বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়

শনিবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৭

Picture

২৮ অক্টোবর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের খাবারবাড়ী চাইনিজ রেস্তোঁরায় সাপ্তাহিক আজকাল আয়োজিত আড্ডায় এ বক্তব্য উঠে আসে।অভিনেতা আফজাল হোসেন ও সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজাকে নিয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়। আজকাল এর দশমবর্ষ পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এ আড্ডার আয়োজন। সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক মনজুর আহমদ আড্ডার সূচনা করেন।

alt
বক্তব্য রাখেন অভিনেতা আফজাল হোসেন, আজকালের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশ জাকারিয়া মাসুদ জিকো, সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোর্তোজা, আজকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিলা হোসেন, অভিনেত্রী রেখা আহমেদ, রিমন ইসলাম, হাকিকুল ইসলাম খোকন, মুজিব বিন হক,লিটা শাহরিন আশরাফ, তমিজউদ্দীন লোদী, শামস আল মমীন, লিজি রহমান, মোহাম্মদ আলী ছিদ্দিকী, আনিসুর রহমান দিপু, খন্দকার ফরহাদ, এবিএম সালাহ উদ্দিন, আকবর হায়দার কিরণ, শাহাব উদ্দিন সাগর,  চলচ্চিত্র নির্মাতা এসএ হক অলিকসহ বিশিষ্টজনরা।

alt
অভিনেতা আফজাল হোসেন বলেন, আমার একটি নিজস্ব ভাবনা আছে। আমার যখন যা করতে ইচ্ছে হয় আমি তাই করি। আমার এখন লিখতে ইচ্ছে? লিখবো। এখন আঁকতে ইচ্ছে, আঁকবো। কারণ আমি এসব বিষয় উপভোগ করি। এর বাইরে আমি মনে করি সমাজের জন্য আমার কিছুর করার আছে। আমি সেটিই করি। সে ভুমিকাই পালন করি।তিনি বলেন, আমাদের সন্তানরা বড় হচ্ছে তাদের মতো করে। আমরা বড় হয়েছিলমা অন্যভাবে। আমি এখন আমার ছেলেকে চোখের ইশারায় কিছু করাতে পারব না। তাকে দিয়ে কিছু করাতে হলে রাজী করাতে হয়। বুঝাতে হয়।চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের ডাইলগ আছে আগের মত, ভাবনাগুলো আগের মত। শুধু অভিনেতা বা শিল্পী বদলেছে।

alt
গোলাম মোর্তোজা বলেন, আমরা প্রায় সময় রাজনৈতিই ইস্যুতে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হই। গেল নির্বাচনে বিনা ভোটে দেড়শো‘র অধিক প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশন বলছে তারা ২০১৯ সালের নির্বাচনকে সামনে নিয়ে এগুচ্ছেন। দেশের মানুষ একটি নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়।তিনি বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়ন নিয়ে বহু কথা হয়। আইয়ুব খানের আমলের উন্নয়নের বিষয়টি ছিল ঠিক এই রকম। যেমন গণতন্ত্র নয় উন্নয়ন। এখনও তাই হচ্ছে। গণতন্ত্র নয় উন্নয়ন। এ ধারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ধারা নয়। তিনি মানুষকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছেলিনে। আজ সেই গণতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ। ৭১ সালের চেতনার কথা আমরা বলছি। কিন্তু এখনকার চেতার সঙ্গে একাত্তর সালের চেতনার মিল খোঁজে পাওয়া দু:স্কর।

alt
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার। রোহিঙ্গা সমস্যা বর্তমান সরকার সৃষ্টি করেনি। বাংলাদেশ সমস্যা শিকার। প্রশ্ন হলো এ ইস্যুতে সরকারের নীতি কি? সরকার একবার বলছে ‘আমরা রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করতে দিব না।’ আবার বলছে ‘আমরা মানবিক’। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। মিয়ানমারের মন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিষয়টি আলোচনার মধ্যে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাসস বলেছে, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুচির সংবেদনশীল। অথচ সেই সুচির সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের কথা ভাবছে কানাডা। যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সুচিকে যে ডিগ্রী দিয়েছিল তা প্রত্যাহারের কথা বলছে। বাংলাদেশ বলছে সুচি সংবেদনশীল। এতে করে বলা বাহুল্য রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের নীতি স্পষ্ট নয়।

alt
মুজিব বিন হক বলেন, বাংলা চর্চা কমে যাচ্ছে। প্রবাসে আমরা যে বাংলা চর্চা করছি আমাদের প্রজন্ম সেটি ভাববে কি না? প্রবাসে আছি দীর্ঘদিন ধরে। বাংলাদেশের রাজনীতির খোঁজ রাখি না। কারণ বাংলাদেশ নিয়ে দু:খ হয়। বিরোধী দল বিহীন বাংলাদেশ কিভাবে সরকার দ্বারা শাসিত হয়?
আবু তালেব চৌধুরী চান্দু বলেন, আমাদের নাটকগুলোতে গ্রামে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশে এমনও নাটক তৈরি হচ্ছে শুধুমাত্র রাজধানীর ইট পাথরের দেয়ালের ভেতর বা বসার ঘরে। আমাদের প্রজন্মের জন্য এমন নাটক তৈরি করতে হবে যেখানে সুজলা-সুফলা সোনার বাংলার চিত্র দেখা যায়।

alt
আজকালের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক জাকারিয়া মাসুদ জিকো বলেন, আজকাল বাংলাকে প্রবাসীদের কাছে পরিচিত করাতে চায় বলেই এত আয়োজন। আমি না থাকলেও আজকাল থাকবে। আজকাল বাংলা সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করবে। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিলা হোসেন বলেন, আমি চেষ্টা করি আমার সন্তানদের বাংলা পড়াতে। আমি সফলও হচ্ছি। আমার সন্তানরা বাংলাকে আপন করে নেয়। নির্মাতা এস এ হক অলিক বলেন, আমরা এখনকার নির্মাতারা ভিন্নভাবে চিন্তা করি। আগে সংলাপ নিয়ে ভাবনা ছিল। এখন আমরা চিন্তা করি প্রযুক্তি নিয়ে। বাজেট নিয়ে। আমরা লোকেশনকে প্রাধন্য দিয়, বাজেটকে প্রাধান্য দিই।


কিশোরগঞ্জ ডিষ্ট্রিষ্ট এসোসিয়েশন ইউএসএ’(কেডিএ)’র শপথ গ্রহণ সম্পন্ন

শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন’বাপসনিউজ : গত ২৯ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যা ৭টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ইত্যাদি পার্টি হলে  কিশোরগঞ্জ ডিষ্ট্রিষ্ট এসোসিয়েশন ইউএসএ(কেডিএ)’র নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের কার্যকরী কমিটি ২০১৮-২০১৯ এর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

alt

এতে সভাপতিত্ব করেন কর্যকরী কমিটির সদস্য ও প্রতিষ্টাতা সভাপতি প্রকৌশলী একেএম আশরাফুল হক ।

alt

সদস্য জাইদুল কবীর খান সারোয়ার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আহবায়ক ও ফার্মাসিষ্ট আব্দুল আওয়াল সিদ্দিকী, সদস্য সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, হেলাল উদ্দীন আহমেদ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসএম ফেরদৌস, নির্বাচন কমিশনার তারক চন্দ্র পন্ডিত ও হাবীব রহমান হারুন  ।

alt
প্রথম পর্বে কর্মকর্তাদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন । দ্বিতীয় পর্বে সদস্য জাইদুল কবীর খান সারোয়ার এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কার্যকরী কমিটির আহবায়ক ফার্মাসিষ্ট আব্দুল আওয়াল সিদ্দিকী, সদস্যবৃন্দ হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসএম ফেরদৌস, নির্বাচন কমিশনার তারক চন্দ্র পন্ডিত ও হাবীব রহমান হারুন,

alt

এবং ১। সভাপতি – আনোয়ার উদ্দিন,২।সিনিয়র সহ সভাপতি  জয়ন্ত কে শর্মা,৩। সহ –সভাপতি  হুমায়ুন কবীর, ৪। সহ সভাপতি  মোহাম্মদ -ই –হাসান,৫। সহ সভাপতি মীনা ইসলাম,৬। সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এনামুল হক,৭। যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মোঃ আলী আহসান আকন্দ শামিম,৮.মোঃ জাবির হোসেন তাকবির,৯। যুগ্ম সাধারন  সম্পাদক  মহিবুর রশিদ সুজন,১০। সাংগঠনিক সম্পাদক  ১১। কোষাধ্যক্ষ  মোঃ বদরুল ইসলাম,১২। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক  মোঃ আব্দুল আলীম,১২। জনসংযোগ সম্পাদক  মোঃ ফয়সল কবীর,১৩। যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক  জাহাঙ্গীর জামিল,

alt

১৪। সাংস্কৃতিক সম্পাদক ঃ মোঃ গোলাম শামীম,১৫। শিক্ষা সম্পাদক  তানবীর রায়হান মিঠু,১৬। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক  খালেদা আক্তার কিরন,১৭। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক  তপন কুমার বিশ^াস,১৮। সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ঃ ফয়সল উদ্দিন খান,১৯। দপ্তর সম্পাদক  হাবিবুর রহমান,২০। আইন বিষয়ক সম্পাদক  রাহাত বিন মোক্তার রিমিক,

alt

২১। কার্যকরী সদস্য মেজবাহ উদ্দিন,২২। কার্যকরী সদস্য  নজরুল ইসলাম,২৩। কার্যকরী সদস্য  মোঃ আলাউদ্দিন,২৪। কার্যকরী সদস্য  মোঃ এইচ. ওহমান,২৫। কার্যকরী সদস্য  মোঃ এ, উদ্দিন,২৬। কার্যকরী সদস্য  মোঃ সাইফুল ইসলাম,২৭। কার্যকরী সদস্য  মোঃ শহীদুল হাসান,

alt

২৮।কার্যকরী সদস্য ঃ মোঃ জেকে খান,২৯। কার্যকরী সদস্য  হেলাল উদ্দিন আহমেদ,৩০। কার্যকরী সদস্য  একেএম আশরাফুল হক  এবং ৩১ । কার্যকরী সদস্য  আব্দুল আওয়াল সিদ্দিকী ।

alt

নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।