Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/images/components/com_gk3_photoslide/thumbs_small/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বিশ্বশান্তি’র অগ্রদূত, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ‘শুভ জন্মদিনে’ প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন , মো:নাসির, ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ ,বাপসনিউজ :আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের আজকের এই দিনে মধুমতি নদীর তীরে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের মানুষ যখন আমাদের এই প্রিয় নেত্রীর জন্মদিন পালন করবে তখন তিনি তাঁর প্রিয় বাংলাদেশে থাকবেন না। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক অবস্থান করছেন। বিগত পাঁচ বছর ধরে জন্মদিনের এই সময়টি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে আমেরিকার নিউইয়র্কে থাকেন। জন্মদিনের এই মধুময় ক্ষণ তাঁকে বিদেশের মাটিতেই অনুভব করতে হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তারপরও দেশ-বিদেশে নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত করা হবে তাঁর দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনায়।

alt

জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবন বিচিত্র এবং সংগ্রামমুখর। জন্মের পর থেকে দেখে আসছেন পিতা শেখ মুজিবুর রহমান যাপিত জীবন। প্রতিনিয়ত জেল-জুলুমের মধ্যদিয়ে পিতার আপত্য স্নেহবঞ্চিত শেখ হাসিনা ভেঙে পড়েননি। বরং পিতার সংগ্রামশীল জীবন, বাংলার মানুষের প্রতি গভীর প্রেম তাঁকে প্রলুব্ধ করেছে বেশি। শিশু থেকে যৌবনের প্রান্তসীমা পর্যন্ত বাবা নয় বরং মা বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেসা মুজিবের যে ভূমিকা তাকেই গ্রহণ করেছেন। যা ছিল একজন দেশপ্রেমিক জননেতার জীবন ঘনিষ্ঠ চাওয়া না পাওয়ার চালচিত্র। কন্যা হিসেবে পিতার আদর্শ দেশপ্রেমকে বড় করে দেখেছেন। তাই হয়তো বঙ্গবন্ধুর মতো তিনি বলতে পারেন, ‘আমার হারাবার কিছু নেই, বাংলাদেশের মানুষের জন্য পুরো পরিবারকেই উৎসর্গ করেছি।’

পিতামহ শেখ লুৎফর রহমান এবং দাদি শাহেরা খাতুনের প্রিয় নাতনি হাসিনা ওরফে হাসু। শৈশব-কৈশোর কেটেছে দাদা-দাদির নিবিড় সান্নিধ্যে- টুঙ্গিপাড়ায়। গ্রামের ধূলিকণা আর খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গেই তাঁর বেড়ে ওঠা। শিক্ষাজীবন শুরু হয় স্থানীয় পাঠশালায়। পিতা শেখ মুজিব তখন সারা বাংলা চষে বেড়াচ্ছেন বাঙালির ভোট এবং ভাতের অধিকার নিয়ে।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পুরান ঢাকার মোগলটুলীর রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে ১৯৬১ সালের ৩ নভেম্বর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে চলে আসেন। শেখ হাসিনা ভর্তি হন টিকাটুলীর নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। এই তাঁর শহর জীবনের গল্প। ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে চলে আসেন। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার আমৃত্যু ওই বাড়িতে বসবাস করেছেন।

১৯৬৫ সালে শেখ হাসিনা আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন ঢাকার বকশিবাজার পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ) থেকে। ওই বছরেই ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলেজে পড়াকালীন তিনি কলেজ ছাত্রী সংসদের সহসভানেত্রী নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম বিধায় কিশোরী বয়স থেকেই তাঁর রাজনীতিতে পদচারণা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে আইয়ুববিরোধী এবং ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬ দফা দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে তার প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু পরিবারে নেমে আসে নানাবিধ নির্যাতন। বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। আটক অবস্থায় পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা শুরু করে। ১৯৬৮ সালের এই বিপদসঙ্কুল দিনে কারাবন্দি পিতা বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর শুরু হয় ১১ দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নেত্রী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু পরিবার ঘাতক কর্তৃক নির্মমভাবে নিহত হওয়ার সময় শেখ হাসিনা বিদেশে ছিলেন বলে জানে বেঁচে যান।

১৯৮১ সালের ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তাঁর সংগ্রাম।
১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলা চালানো হয় তাঁর উপর। অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেও মারাত্মক আহত হন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে সফল প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কান্ডারী, দারিদ্রবিমোচনের প্রতীক, নারীর ক্ষমতায়ণের প্রতীক, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭০তম ‘শুভ জন্মদিনে’ তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশা আকতার রুবী।

‘শুভ জন্মদিনে’র শুভেচ্ছা বার্তায়-সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই তিনি ইতোপূর্বেও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত ও নন্দীত হয়েছেন এবং এখনও হচ্ছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর, মাসেই তিনি, নারীর ক্ষমতায়নে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হয়ে বিশ্বজুড়ে নন্দীত হয়েছেন। গত জুন মাসেও বিশ্বের ক্ষমতাধর সেরা নারীদের তালিকায় ৩৬তম স্থান পেয়ে প্রশংসিত হয়েছেন। এরপর, এই চলতি বছরেই জননেত্রী শেখ হাসিনা অন্যতম বিশ্বনেতার স্বীকৃতি লাভ করেছেন। এছাড়াও-দেশরত্ন-জননেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে-তাঁর বহুমুখী অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ রয়েছে, আন্তর্জাতিক মর্যাদা সম্পন্ন অসংখ্য পুরুস্কার।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গলব্লাডারে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ায়-আল্লাহ পাকের দরবারে শূকরিয়া আদায় করে, ৭০তম ‘শুভ জন্মদিনে’ তাঁর  সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন, হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশা আকতার রুবী।

আমাদের বক্তব্য, আজ শেখ হাসিনার ৭০তম জন্মদিন। এই দিনে তাঁকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। কামনা করি তিনি দীর্ঘায়ু হন। আরো উন্নয়নশীল কাজে নিজকে নিয়োজিত করুন। যাতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়। ধন্য প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।


Add comment


Security code
Refresh