Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/images/modules/mod_gk_news_highlighter/scripts/images/images/banners/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

পর্তুগালে জাতীয় শোক দিবস

রবিবার, ২০ আগস্ট ২০১৭

Picture

রনি মোহাম্মদ, বাপ্ নিউজ : লিসবন, পর্তুগাল থেকে : জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণনানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে পর্তুগালের বাংলাদেশ দূতাবাস। দুই পর্বের অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায়ে গত মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।

alt

দুপুরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিটের নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রুহুল আলম সিদ্দিকী, দূতাবাসের কর্মকর্তা, পর্তুগালপ্রবাসী বাংলাদেশি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের পর্তুগাল শাখার নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।সবশেষে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে দূতাবাস প্রাঙ্গণে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন ও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করে শোনানো হয়। পরবর্তীতে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র-প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান দূতাবাসের কর্মকর্তারা।

alt
সভায় বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত করার মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের সংকল্প গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকারকে আরও তৎপর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।রুহুল আলম সিদ্দিকী তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশ সৃষ্টিতে জাতির পিতার অবদানের কথা স্মরণ করে। তিনি ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ অর্জনে শেখ হাসিনার গৃহীত সকল পদক্ষেপে সকল প্রবাসী বাংলাদেশির সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। যা ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার স্বপ্ন।শেষে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার এবং ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় একটি বিশেষ প্রার্থনা এবং বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।


ফুটবলের দেশ ব্রাজিলে বাংলাদেশিদের জন্য নাগরিকত্বসহ দারুণ সুযোগ

শনিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৭

Picture

প্রথমে গায়ানা সীমান্তবর্তী আমজন জঙ্গলের আওতাভুক্ত রোরাইমা রাজ্যের (Roraima State) রাজধানী বোয়াভিস্টা (Boa Vista) শহরে আমাকে নিয়ে আসে, এখানে একটি মজার ব্যাপার হলো প্রথম প্রথম আমার ব্রাজিলের খাবার ভালো লাগতোনা, ব্রাজিলের প্রচুর আমগাছ আছে সারা বছর আম ধরে, ঐসময়ও আমাদের যে বাসায় রেখেছে ওটার পাশে আমগাছ গুলোতে প্রচুর আম ধরেছে, আম পেকে গাছের নিচে পড়ে আছে অথচ খাওয়ার লোক নেই, আমরা অনেক গুলো আম কুড়িয়ে এনে রুমে রাখলাম, আমার সাথে টাঙ্গাইলের একজন ছিলো, আমরা দুইজন মিলে খেতাম, খুব মিষ্টি অনেকটা আমাদের দেশের মতো।

alt

বাজিলের আম, বাংলাদেশের আমের মতোই সুস্বাদু

এখানে সতেরো দিন থেকে শরনার্থী হিসেবে কাগজ পত্র বানানো হয়ে গেলে Boa Vista থেকে বিমান যোগে সোজা প্যারাগুয়ের সীমান্ত লাগোয়া ও আটলান্টিক মহাসাগর সংলগ্ন রাজ্য পারানা (Parana State )র লন্ড্রিনা শহরে (Londrina) পাঠায়, ওখানে পুরো কাগজ পত্র ঠিক করে একটি হালাল খাদ্য প্রক্রিয়া জাত কোম্পানীতে চাকরি দেয়।

মজার ব্যাপার হলো ব্রাজিলে চাকরি করলে মাসে দুইবার বেতন মেলে, প্রথমে মাসের ছয় তারিখে এবং দ্বিতীয় বেতন মাসের ২২ তারিখে, সম্পূর্ণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বেতন ভাতা পরিশোধ করা হয়, চাকরির শুরুতেই স্থানীয় ব্যাংকে একাউন্ট খুলে ক্রেডিট কার্ড বানিয়ে দেয়। আরেকটি ব্যাপার হলো এখানে চাকরিতে সম পদে স্থানীয় ব্রাজিলিয়ান ও অভিবাসি শ্রমিকদের বেতন সমান সমান, খাবারের দাম মোটামুটিভাবে আমাদের দেশের তুলনায় সস্তাই বলা যায়, শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত পারানা খুবই ধনী রাজ্য। এই রাজ্যে শিল্প কারখানা প্রচুর, তবে স্থানীয় মুসলমান না থাকায় বিদেশী বিনিয়োগকৃত হালাল খাদ্য প্রক্রিয়াজাত কোম্পানীগুলোতে অভিবাসী মুসলিম শ্রমিকদের চাহিদা আছে।

আমি যেখানে থাকতাম(লন্ড্রিনা) ওখানে আমরা প্রায় দেড়শ জনের মতো বাঙালি ছিলাম, সবাই বিভিন্ন কোম্পানীতে কর্মরত শ্রমিক, বেশীরভাগরই বাড়ি সিলেটে। আমরা নিজেরা নামাজ পড়ার জন্য একটি বাসা ভাড়া নিলাম। ওখানে শুক্রবারে জুমার নামাজ হতো। আমাদের বাংলাদেশি কমিউনিটির (অভিবাসী শ্রমিকদের) মধ্যে দুই জন আলেমও ছিলেন। ওনারা খুতবা দিয়ে নামাজ পড়াতেন। বাকি ওয়াক্তের নামাজ আমরা বাসায় পড়তাম।

alt

ব্রাজিলে প্রবাসীদের ঈদের জামাত

এখানে ঈদের নামাজের জন্য শহরের মেয়রের অনুমতি নিয়ে আমরা বাংলাদেশি কমিউনিটি একটি খেলার মাঠে কার্পেট বিছিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করতাম। জুমার নামাজের মতো ঈদের নামাজের ইমামও আমাদের মধ্য থেকেই ছিলেন। লন্ড্রিনাতে তিনটা ঈদ করেছিলাম।

তারপর আমি সাও পাওলো চলে আসি। লন্ড্রিনাতে আমি যে কোম্পানীতে চাকরি করতাম ওখান থেকে রিজাইন দেওয়ায় আমাকে এককালীন কিছু নগদ টাকাও দেয়া হয়। ব্রাজিলের নিয়ম অনুসারে, চাকরি ছাড়লে চার মাসের বেতন প্রতি মাসের শেষে আমার একাউন্টে চলে আসতো। সাও পাউলো এসে ওই টাকার সঙ্গে আরো কিছু টাকা বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে নিয়ে ব্যবসায় নেমে পড়ি।

সাও পাওলোর বেশীরভাগ বাংলাদেশি ছোটোখাটো ব্যবসা করে, ব্রাজিলিয়ান অর্গানাইজারদের মাধ্যমে সাও পাওলো থেকে ব্রাজিলের বিভিন্ন রাজ্যের শহরে বাস ভর্তি মাল নিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করে।

প্রতি বৃহস্পতিবার সাও পাওলো শহরের ব্রাস (bras) নামক স্থান থেকে বিভিন্ন রাজ্যের উদ্দেশ্যে ২০ থেকে ২৫ টি বাস ছাড়ে। বাসে আমাদের বাংলাদেশিদের সাথে ব্রাজিলিয়ান সহ সেনেগালি, বলিভিয়ান, পাকিস্তানি, চায়নিজরাও থাকে। মেলা তিনদিন ধরে চলে, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত। তাই আমরা বৃহস্পতিবার বিকেলে মালপত্র গোজগাজ করে রাতেই রওয়ানা দিতাম। এটাকে আমরা ‘ফেরিয়া’ বলি।

alt

ব্রাজিলে বাংলাদেশিদের দোকান

ফেরিয়ার আওতায় পুরো ব্রাজিলের দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল হলেও আমি সাও পাওলো (Sao Paulo State) রাজ্যের বিভিন্ন শহর সহ আশেপাশের দশ টি রাজ্যে (PARANA,MINAS GERAIS,RIO DE JANEIRO,SANTA CATARINA,RIO GARANDE DO SUL,GOIAS (Brasilia), MATO GROSSO DO SUL, MATO GROSSO, BAHIA, ESPIRITO SANTO, MARANHAO) গেছি ফেরিয়া নিয়ে।

alt

ব্রাজিলে সৌদি ও ইরান সরকারের অর্থায়নে নির্মিত মসজিদ

সাও পাওলো শহরে আমরা বাংলাদেশিরা বেশী সংখ্যক থাকি ব্রাসে (Bras)। এই এলাকা কিছুটা মুসলিম অধ্যুষিত। সৌদি সরকার ও ইরান সরকারের অর্থায়নে নির্মিত দুইটি বড় বড় মসজিদ আছে। তাই সাও পাওলো শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলমানরা ব্রাসে (Bras) আসে নামাজ পড়তে। অন্যান্য অভিবাসী মুসলমানের সাথে সৌদি ও ইরানি অর্থায়নে নির্মিত মসজিদ দুইটিতে নামাজ পড়তাম। রমজানের তারাবী ও ঈদুল ফিতরের নামাজ এখানেই আদায় করেছি। বেশ বড় মসজিদ, ভিতরে বাহিরে মিলে দুই তিন হাজার লোক একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারে। রমজানে মাসব্যাপী মসজিদে ইফতারি বিতরণ ও ঈদের নামাজের পরও মুসল্লীদের খাবার বিতরণ করে স্থানীয় আরব বংশোদ্ভূত ব্রাজিলিয়ান মুসলমানরা। ঈদের নামাজ মসজিদ সহ আশেপাশের রাস্তা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে যায়।

সাও পাওলোর বাংলাদেশিরা মোটামুটি ভালো আছে। এখানে বাংলাদেশি মালিকাধীন রেস্টুরেন্ট সহ পাইকারি ও খুচরা দোকানপাট আছে। সাও পাওলোতে সারা বাংলাদেশের লোক পাওয়া গেলেও আমার সাথে ফেনী নোয়াখালীর প্রচুর লোকের পরিচয় হয়েছে। একেকজন একেক মাধ্যমে ব্রাজিলে এসেছে। এখন মোটামুটি সবাই ভালো অবস্থানে আছে। কেউ আমার মতো ফেরিয়া করছে, আবার কেউ এখানেই দোকানপাটসহ খাওয়ার হোটেল খুলে বসেছে।

ব্রাজিলে থাকা কয়েকজন বাংলাদেশি

ব্রাজিলে থাকা কয়েকজন বাংলাদেশি

এখানে থাকতে থাকতে অনেকে আবার নাগরিকত্ব পেয়ে গেছে। ব্রাজিলের অভিবাসী আইন অনুযায়ী ব্রাজিলে অবস্থিত সকল অভিবাসীর পর্যায়ক্রমে ব্রাজিলের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ব্রাজিলে বর্তমানে পাঁচ হাজারের উপরে বাংলাদেশি আছে। সবাই অবৈধ পথে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্রাজিল এসেছে। আবার এখান থেকে একটা বড় সংখ্যক বাংলাদেশি দালাল ধরে আমেরিকা চলে গেছে। সাউথ আফ্রিকায় অর্থনৈতিক মন্দার ফলে ওখান থেকেও অনেক বাংলাদেশি ব্রাজিল এসে দালাল ধরে ব্রাজিল হয়ে সড়ক পথে আরো দশ দেশ ঘুরে আমেরিকা পাড়ি জমিয়েছে।

ব্রাজিলের অর্থনীতি সব রাজ্য সমান নয়, আটলান্টিক পাড়ের রাজ্যগুলো মোটামুটি ধনী। আমি প্রথম যে রাজ্যে দিয়ে ব্রাজিল এসেছি ওটা খুবই দুর্বল বা গরীব রাজ্য ছিলো (Roraima State)। মাথাপিছু আয় আটলান্টিক পাড়ের সাও পাওলো, রিও ডি জেনিরিও ও পারানার তুলনায় অর্ধেকেরও কম। তাই ব্রাজিল প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্রাজিলের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় ধনী রাজ্যগুলোতে বেশী সংখ্যক (প্রায় ৯০ ভাগ) থাকে।

ব্রাজিলে বাংলাদেশিদের সুনাম আছে। তাই আমরা বাংলাদেশের মতো চলতে পারি, কোনো প্রকার অসুবিধা নেই।

সততা আর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে ব্রাজিল হতে পারে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য দারুণ একটি দেশ।


তুরস্কের আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ

শনিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : তুরস্ক থেকে : দিনব্যাপী নানা আয়োজন ও যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় জাতীয় শোক দিবস এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী উদ্‌যাপন করা হয়েছে। 

Picture

১৫ আগস্ট সকালে তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দীকীর নেতৃত্বে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে এম আল্লামা সিদ্দীকী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের জন্য নির্মাণাধীন চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

alt
সকালের কর্মসূচিতে বাংলাদেশ দূতাবাস তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের সহযোগিতায় আঙ্কারায় বসবাসকারী এক শ দুস্থ সিরিয়ান শরণার্থী পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে। এ সময় এম আল্লামা সিদ্দীকী ও তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের আঙ্কারা শাখার প্রেসিডেন্ট Ahmet Hizanliogluসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মসূচি তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার পায়। এ ছাড়া শোক দিবস উপলক্ষে দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্থানীয় কয়েকটি মসজিদে পবিত্র কোরআনের কপি বিতরণ করা হয়।


বন্যা দুর্গতদের পাশে থাকবে প্রবাসীরা

শনিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৭

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : বাপ্ নিউজ : বাংলাদেশে চলমান ভয়াবহ বন্যা মোকাবেলায় বিশ্বব্যাপী প্রবাসী বাংলাদেশীরা অতীতের মতো এবারও ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়াবে, এমনটাই জানানো হয়েছে ভিয়েতনামের বৃহত্তম নগরী হো চি মিন সিটিতে ১৭ আগস্ট বৃহষ্পতিবার অনুষ্ঠিত বিশেষ সেমিনারে। প্যারিস ভিত্তিক ‘বিশ্ব বাংলাদেশ সংস্থা’ ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউবিও)’র উদ্যোগে “বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা” শীর্ষক হো চি মিন সিটি’র এই সেমিনারে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এমপি। হো চি মিন সিটি প্রবাসী বাংলাদেশীরা এতে অংশ নেন।

Picture
 
ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউবিও)’র প্রেসিডেন্ট কাজী এনায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার এমপি, হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন এমপি, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নুরুজ্জামান এবং বাংলাদেশ দূতাবাস হ্যানয়ের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আজিজুর রহমান। হো চি মিন সিটির শিক্ষাবিদ জাকির হোসাইনের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিকওয়ার্ড ভিয়েতনামের কান্ট্রি ম্যানেজার এবং রাজধানী হ্যানয়ের কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ রমিজ খন্দকার। গত বছর মালয়েশিয়াতে ইউরোপীয় ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত ‘প্রবাসী বিশ্ব সম্মেলন’ ১ম বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটে প্রবাসীদের কল্যাণে গৃহীত ২৩ দফা ‘কুয়ালালামপুর ডিক্লারেশন’ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেয়া হয় সেমিনারের মূল প্রবন্ধে।
 
প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এমপি তাঁর বক্তব্যে প্রবাসীদের স্বার্থরক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশের কল্যানে প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউবিও)’র জনকল্যাণমূলক কর্মসূচীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আরো বলেন, রেমিটেন্সের উৎস তথা এক কোটি প্রবাসী বাংলাদেশীরা আমাদের দেশ ও জাতির সোনার সন্তান। বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল করার মিশনে প্রবাসীদের অব্যাহত অগ্রযাত্রা কামনা করেন চিফ হুইপ।
 alt
সভাপতি কাজী এনায়েত উল্লাহ তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের ভয়াবহ বন্যায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দুর্গত সব এলাকায় জরুরী ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে চায় বিশ্বের নানা প্রান্তের প্রবাসী বাংলাদেশীরা। দূতাবাস ও হাইকমিশন এক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে আমাদের দূতাবাস ও হাইকমিশনকে এতদসংক্রান্ত জরুরী নির্দেশনা দেয়া হলে ভয়াল এই বন্যা মোকাবেলায় প্রবাসীরা তাদের সাধ্যমতো এগিয়ে আসবে। ডাব্লিউবিও সভাপতি আরো বলেন, প্রবাসীরা চাইলে নিজেদের ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক উদ্যোগে নিজ নিজ এলাকার স্কুল-কলেজের মাধ্যমেও সরাসরি বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে পারেন।
 
সেমিনারে বক্তারা বলেন, রেমিটেন্সের মাধ্যমে অর্থনীতির চাকা সচল রেখে সারা বিশ্বের প্রবাসীরা বাংলাদেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ অবদান রাখার ধারাবাহিকতায় বন্যা সহ যে কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগেও বিপদগ্রস্তদের পাশে থাকবে সর্বাগ্রে।


মস্কোয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের শোক দিবস পালন

শনিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৭

Picture
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুর্লভ ছবির প্রদর্শনী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তমাল পারভেজের ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সময়ের দুর্লভ ছবি এই প্রদর্শনীতে স্থান পায়। এস এম সাইফুল হক ও রফিকুল ইসলামসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।
পরে ১৫ আগস্টে শাহাদত বরণকারী বঙ্গবন্ধুসহ সব শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়।
আলোকচিত্র প্রদর্শনীআলোচনা সভায় বক্তব্য দেন শহিদুল হক, শাহরিয়াজ মিতু, গোলাম ফরিদ ও আবদুল্লাহ-আল-মামুন প্রমুখ। বক্তারা বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা। তাঁর কোনো তুলনা নেই। তিনি আমাদের স্বাধীনতার প্রাণ পুরুষ। তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু তাঁর আদর্শ সদা জীবন্ত। এই আদর্শ বাঙালি জাতিকে নিরন্তর জাগ্রত ও উজ্জীবিত রেখেছে।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পরিষদ রাশিয়া শাখার নেতা-কর্মীসহ মস্কোপ্রবাসী অনেক বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।


রোমে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ

শনিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৭

এমডি রিয়াজ হোসেন, বাপ্ নিউজ : ইতালি থেকে :রোমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। রোম মহানগর আওয়ামী লীগ তুসকোলনা শাখার আয়োজনে একটি হল রুমে গত ১১আগষ্ট এই দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।তুসকোলনা আওয়ামী লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক আঃ ছওার ও ইতালি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলম প্রধানের যৌথ পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইতলি আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত  সভাপতি আলী আহম্মদ ঢালী। প্রধান বক্তা ছিলেন ইতালি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান ইকবাল।

Picture

এ সময় বক্তব্য রাখেন হাবীব চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আঃ রব ফকির, আফতাব বেপারী, শোয়েব দেওয়ান, আবু তাহের, জামান মোক্তার , দিন মোহাম্মদ দীনু, মুক্তিযোদ্বা লুৎফর রহমান, শেখ মামুনসহ আরো অনেকে।  ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গমাতাসহ যারা নিহত হয়েছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। এছাড়া বক্তারা জার্মান এবং স্পেনে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর বাকি খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে খুব দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করার দাবি জানান।


কাম্বোডিয়াতে ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশনের জনসংযোগ

সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭

মাঈনুল ইসলাম নাসিম : বাপ্ নিউজ : টাইগার ইকোনমি তথা ব্যঘ্র অর্থনীতির দেশ ‘কিংডম অব কাম্বোডিয়া’। আয়তনে বাংলাদেশের চাইতে ৩৪ হাজার বর্গকিলোমিটার বড় হলেও এখানকার জনসংখ্যা মাত্র দেড় কোটি। কাম্বোডিয়াতে বাংলাদেশীর সংখ্যা সর্বসাকুল্যে শ’ দেড়েক, রাজধানী নমপেনেই যাদের অধিকাংশের বসবাস। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে চাকরির পাশাপাশি নিজ মালিকানায় গড়ে তোলা ব্যবসা-সফল বিভিন্ন কোম্পানি পরিচালনার মাধ্যমে এখানকার বাংলাদেশীরা দেশটির বিভিন্ন সেক্টরে বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। একই সাথে উজ্জল করেছেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি। মাতৃভূমির জন্য আরো নিবিড়ভাবে কাজ করতে চান তাঁরা।
 
প্যারিস ভিত্তিক ‘বিশ্ব বাংলাদেশ সংস্থা’ ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউবিও)’র প্রেসিডেন্ট কাজী এনায়েত উল্লাহ কাম্বোডিয়া সফরে এলে তাঁর সম্মানে রাজধানী নমপেনে ১৩ আগস্ট রবিবার ‘বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন কাম্বোডিয়া’ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ আশ্বাস প্রদান করে বলেন, “বিশ্বব্যাপী প্রবাসীদের কল্যাণে এবং বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যে কোন ভালো কাজে কাম্বোডিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবেন”।

Picture
 
বাংলাদেশ-কাম্বোডিয়া চেম্বার অব কমার্স (বিসিসিসি)-এর প্রেসিডেন্ট আখতারুজ্জামান শানু, যুক্তরাজ্য ভিত্তিক মুসলিম এইড-এর কাম্বোডিয়াস্থ কান্ট্রি ডিরেক্টর খায়রুল হাফিজ, মালয়েশিয়াস্থ  লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি-এর রেক্টর মনিরুল ইসলাম, বিসিসিসি-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এইচ কবির ও সেক্রেটারি জেনারেল আবুল খায়ের মিয়া, ফারমেড হেলথকেয়ার কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফরহাদুল ইসলাম, ইন্টারটেক-এর কান্ট্রি ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান, লাকওয়াইকিকি কাম্বোডিয়া কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জাহিদ হাসান রফিক, এমজিএইচ-এর কান্ট্রি ম্যানেজার মাসুদ আলম সিদ্দিকী, ভিএফ কর্পোরেশনের প্লান্ট ইঞ্জিনিয়ার রমজান মিয়া, ভিনি ইন্টারন্যাশনালের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার তারেক বিন জিয়াদ, এএমইচ কাম্বোডিয়া কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইমাম হোসাইন সহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সপরিবারে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।
 
গত বছর নভেম্বরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বার্জায়া টাইম্স স্কয়ারে ইউরোপীয় ব্যবস্থানায় অনুষ্ঠিত ‘প্রবাসী বিশ্ব সম্মেলন’ ১ম বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন (ডাব্লিউবিও)’র চলমান কর্মসূচী ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা কাম্বোডিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের সামনে তুলে ধরেন সংস্থার সভাপতি কাজী এনায়েত উল্লাহ।


ইতালির প্রবাসী বাংলাদেশিদের মরদেহ আনা হবে বিনা খরচে

সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭

ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে পাঠাতে ৭০ লাখ টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থ ইতালির রোম ও মিলানের জন্য ধার্য’ করা হয়েছে। এর মধ্যে রোমের জন্য ৫০ এবং মিলানের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। রোমে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবাহান সিকদার বরাদ্দকৃত অর্থের ঘোষণা নিশ্চিত করেছেন। এখন থেকে ইতালিতে কোনো বাংলাদেশি মারা গেলে মরদেহ দেশে যাবে সরকারি খরচে। ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজের কোনো টাকা খরচ করতে হবে না।

এর আগেও একই নিয়মে বাংলাদেশিদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে পাঠাত বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু গত দুই বছর থেকে ইতালিতে বাংলাদেশ বিমান বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশিরা চরম বিপাকে পড়েন। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার পর ৩০ জুলাই ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ২৬ তম সভায় ইতালি থেকে মরদেহ দেশে পাঠানোর বিষয়টি উপস্থাপন করা হলে তা গৃহীত হয়।

Picture

রাষ্ট্রদূত সোবাহান বৃহস্পতিবার সরকারি খরচে মরদেহ পাঠানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। সেক্ষেত্রে মরদেহ পাঠানোর শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের। প্রত্যেক প্রবাসীকে বাংলাদেশ সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবাহান সিকদার বলেন, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর থেকে ইতালিতে কোনো প্রবাসী মারা গেলে বিনা খরচে সরকার মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি সরকার পূরণ করায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাষ্ট্রদূত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এছাড়া ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্য হওয়ার পর মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর মৃত ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনরা বিমানবন্দর থেকে ৩৫ হাজার টাকা পাবেন। পরবর্তীতে আরও ৩ লাখ টাকা দেয়া হবে।


শেখ কামালের জন্মদিনে মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের মিলাদ ও আলোচনা সভা

সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : মালয়েশিয়া থেকে : মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে সাইয়েদ বিস্ত্রু হোটেলের বলরুমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক শহীদ শেখ কামালের ৬৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া, মিলাদ ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন। মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহবায়ক রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে ও এডভোকেট মিনহাজ উদ্দিন মিরানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. অহিদুর রহমান অহিদ, যুগ্ম আহবায়ক রাশেদ বাদল,মাহতাব খন্দকার,হাফিজুর রহমান ডাবলু, শফিকুর রহমান চৌধুরী, হুমায়ূন কবির, নুর মোহাম্মদ ভুঁইয়া, শামসুল ইসলাম,প্রকৌশলী রাহাদুজ্জামান,আব্দুর রহমান, মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন এবং মালয়েশিয়া কৃষক লীগ সভাপতি ইব্রাহিম কে রাজা।

Picture
 
সভাপতির বক্তব্যে মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের আহবায়ক এম রেজাউল করিম রেজা বলেন,পরোপকারী মন থাকলে অল্প বয়সেই সমাজ-হিতৈষী কত কিছু করা যায় তার নজির সৃষ্টি করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামাল। চির তরুণ শেখ কামাল যে মাসে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সে মাসেই শাহাদাত বরণ করেছিলেন শেখ কামাল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্ম ১৯৪৯ সালের ৫ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে শেখ কামালকেও হত্যা করেছিল খুনিরা। শেখ রাসেলের মত শিশুকেও ঘৃণ্য খুনিরা সেদিন রেহাই দেয়নি। খেলাধুলায় বিপ্লব করে সমাজ পরিবর্তন করার চেষ্টা করছিলেন শেখ কামাল।
 
বক্তারা বলেন, ক্রীড়া, সঙ্গীত, রাজনীতি, সংগঠন, মুক্তিযুদ্ধ, সেনাবাহিনী ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে তিনি সংক্ষিপ্ত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। শেখ কামালের মত তরুণের জীবনী আমাদের বর্তমান সময়ের অনেক দিশেহারা মানুষের পথ-প্রদর্শক হতে পারে। কিন্তু শেখ কামাল নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং এর অন্যান্য সহযোগী সংগঠনসমূহের তেমন উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ড চোখে পড়েনা। অন্যরা যখন শেখ কামাল নিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালায় কিংবা সত্য প্রচারণা চালায়না, তখন আওয়ামীলীগের, ছাত্রলীগের কিংবা যুবলীগের উচিত এমন কিছু করা যাতে দেশের কোটি কোটি মানুষ শেখ কামালের উজ্জ্বল জীবনের ঘটনাগুলো জানতে পারেন।
 আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, শ্রী প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, হুমায়ূন কবির আমির, বাকী মিয়া, রফিক আহমেদ খান, মাসুদ রানা, সাইফুল ইসলাম, কাজী আব্দুল কাইয়ুম, ডাঃ তারেক রহমান, জহির উদ্দিন বাদশাহ, চান মিয়া, এনামুল হক, আজিজুর রহমান, মোঃ আবুল কালাম মালয়েশিয়া ছাত্রলীগ নেতা অর্নিবানসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী।


লন্ডন প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার আতিক'র সাথে প্যারিসে মতবিনিময়

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

দেলওয়ার হোসেন সেলিম, বাপ্‌স নিউজ : লন্ডনে বসবাসরত সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের ফ্রান্স আগমন উপলক্ষে বুধবার (৯ আগস্ট ২০১৭) প্যারিসে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । স্হানীয় গারে দ্যু নর্দের একটি রেস্টুরেন্টে  ফ্রান্সে বসবাসরত কানাইঘাটের প্রবাসীদের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।


প্যারিসের কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জালাল খান - এর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র সাংবাদিক দেলওয়ার হোসেন সেলিম - এর পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট সমিতি ফ্রান্সের সাবেক সভাপতি হারিছ উদ্দিন, সাংবাদিক আবু তাহির , আওলাদ হোসেইন , সমসু মিয়া , আবু সাইদ , শরীফ আহমদ , কুতুব উদ্দিন , ইয়াহইয়া, সালেহ আহমদ, মামুনুর রশীদ , তোফায়েল আহমদ, জামিল রহমান  সহ প্রবাসীরা ।


এ সময় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, লন্ডনের মতো ফ্রান্সের বাংলাদেশ কমিউনিটি এগিয়ে যাচ্ছে । ইউরোপে বাংলাদেশ কমিউনিটি বৃদ্ধির সাথেই বেড়ে যাবে বাংলাদেশের সুনাম । তিনি আগামী প্রজন্মকে বাংলাদেশের সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য সব সংগঠনকেই কাজ করার আহবান জানান ।


হেলসিংকি অদূরে বনভোজনে প্রবাসীদের হারিয়ে যাওয়ার একটি দিন

শুক্রবার, ১১ আগস্ট ২০১৭

জামান সরকার, বাপ্ নিউজ : হেলসিংকি থেকেঃআমি হারিয়ে যাবো, হারিয়ে যাবো আমি। দলবেধে  কিংবা একাকী নিজের মতো থাকবো।সংসার-ক্লাস-পরীক্ষা-কর্ম-ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে যান্ত্রিকতার শহর ছেড়ে বন-লেকের দেবীর কাছে  পাড়ি জমাবো।গ্রীষ্ম এলেই বনভোজনের ধুম পড়ে ফিনল্যান্ডে। এ সময়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, পাড়া-মহল্লা এমনকি পরিবারের সবাই মিলে আনন্দময় কিছুটা সময় কাটানোর জন্য বের হয়ে পড়ে। তবে সেজন্য জায়গাটি সঠিক হলে বনভোজন হয়ে উঠে আনন্দে ভরপুর।সোমবার ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিস্থ প্রবাসীদের বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মসজিদের আয়োজনে বন, লেক আর পাহাড়ের অপূর্ব সম্মিলন তুসুলাতে হয়ে গেলো জমজমাট পিকনিক। এটি ছিল প্রবাসীদের আনন্দে ভাসার স্মরণীয় একটি দিন।পিকনিক ষ্পটের আংগিনাটি ছিলো আনন্দের বন্যা।

Picture

হৈ হুল্লাড় মাতিয়ে রাখলো এক এক করে সবাইকে। দিনটি স্মৃতি হয়ে থাকলো ক্যালেন্ডারের পাতাও।সুস্বাদু নাস্তা দিয়ে শুরু হয় দিনটি তারপর দুপুরে পরিবেশিত হয় বিরানি এবং সালাদ সহ কত কি।তারপর ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত বিকালে গ্রিলে ছিলো বারবিকিউ হটডগ, মুরগী, ভেজিটেবল ইত্যাদি।রসনাভর্তি খাবার খেয়ে অতিথিবৃন্দ তৃপ্তির ঢেকুর তোলেন।সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে রাত্র ঘনিয়ে এলে পিকনিকের আনন্দ পরিসমাপ্তি ঘটে। ব্যাপক আনন্দ আর সুখ স্মৃতি নিয়ে ফিনল্যান্ড প্রবাসীরা নিজ নিজ ঘরে ফিরে যায় বনভোজনের উদ্যোক্তা বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটিকে কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ দিয়ে।

alt
এতে অন্যান্যদের মধে উপস্থিত ছিলেন বদরুল মুনির, কামরুল আলম কমল, লিমন চৌধূরী, নাসির খান, নাজমুল হুদা, মাহবুবুল আলম, জহুরুল ইসলাম সিকদার, মসজিদের পেশ ইমাম বশির আহমেদ, আবুল হাসেম চৌধূরী, মোঃ হারুণ উর রশীদ, মোস্তফা আজাদ বাপি, এনামুল হক শিপু, শওকত আলী মিলন, শরিফ বিশ্বাস, হাসিব সরকার, খালেদুল ইসলাম জিতু, রেজাউল ইসলাম শিপু, আবুল কালাম, রতন, আকরাম, তপন বংগবাসী, আবদুল লতিফ, আবুল কালাম আজাদ, পিটু, এহসান মনজু, জামান সরকার, মবিন মোহাম্মদ, মোকলেসুর রহমান চপল, বদরুম ফেরদৌস, তাপস খান, মোহাম্মদ সাহিন, সামসুল গাজী, মাইনুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিঠু, আবদুল্লাহ আল আরিফ, নাজমুল হাসান লিটন, মাহফুজ রহমান, আনোয়ার হোসেন, রাইসুল, ওজায়ের মোঃ উজ্জল, কিউট সোহেল প্রমুখ।