Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/images/modules/mod_gk_news_highlighter/scripts/images/images/banners/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

আজকের খবর

উত্তর আমেরিকা বাংলাদেশী বুড্ডিষ্ট ফেডারেশনের অন্তর্বর্তী কালীন কমিটি গঠিত" = সমীরণ বড়ুয়া সভাপতি এবং সুহাস বড়ুয়া সাঃ সম্পাদক নির্বাচিত

বৃহস্পতিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্‌স নিউজ : গত ২৬শে আগষ্ট বোষ্টনে অনুষ্ঠিত হয় উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সবচেয়ে বড় সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় কৃষ্টি উৎসব নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশী বৌদ্ধ সম্মেলন ২০১৭।

Picture

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোস্টনের জাপান কনস্যুল জেনারেল রকুইচিরো মিশি, নিউ ইয়র্ক বাংলাদেশ দূতাবাসের কন্স্যুলার ও সেনচেরী প্রধান চৌধুরী সুলতানা পারভীন, মেডফোর্ড সিটি মেয়র স্টেফানী মুছিনি বার্ক, ম্যাচাসুসেটস স্টেট হাউজিং, বিজিন্যাস এন্ড টুরিজম সেক্রেটারী মিস্টার নাম ফাম, বোস্টন সিটি মেয়রের বিশেষ প্রতিনিধি এবং ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক ক্যাথরিন কোপল্যান্ড। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে বোষ্টন বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি তরুণ বড়ুয়া এবং নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশী বুড্ডিষ্ট ফেডারেশনের আহবায়ক সমীরণ বড়ুয়া।
alt
সভায় বক্তব্য রাখেন উত্তর আমেরিকা বাংলাদেশী বৌদ্ধ সম্মেনলের আহবায়ক সুহাস বড়ুয়া, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আগত মূলবক্তা  ডক্টর করুণানন্দ মহাথেরো, মিশিগান থেকে আগত বিশেষ বক্তা ধর্মানন্দ মহাথেরো, বিশ্ব বৌদ্ধদের পবিত্র তীর্থ স্থান ভারতের বুদ্ধগয়া থেকে আগত অতিথি আর্যপাল ভিক্ষু, নেপালের ডক্টর প্রজ্ঞালোকা মহাস্থবির, তিব্বতের বৌদ্ধ ভিক্ষু গেসি নোয়াঙ টেনলি, শ্রীলঙ্কার ভিক্ষু সমিতা ভান্তে , বৌদ্ধ ভিক্ষু হাভার্ড স্কলার প্রিয় রক্ষিত কানাডার সোনা কান্তি বড়ুয়া, সম্মেলনের যুগ্ন আহবায়ক শিমুল বড়ুয়া, নিউ ইয়র্কের দিলীপ বড়ুয়া, রণবীর বড়ুয়া, বোষ্টনের রাতুল বড়ুয়া এবং সুবোধ বড়ুয়া। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বোস্টন বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশিষ বড়ুয়া, বিভিন্ন পর্ব পরিচালনা করেন স্বাগতিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্ৰজয় বড়ুয়া, প্রাক্তন সভাপতি সৌমেন্দু বড়ুয়া, শুভাশীষ বড়ুয়া, দীনা বড়ুয়া এবং সম্মেলনের যুগ্ন আহবায়ক শিমুল বড়ুয়া।
alt
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ছিল সকাল ১১টায়  আগত বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মহাসঙ্গদান, বেলা ২টায় বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বিকাল ৫টায় কাউন্সিল অধিবেশন  রবং সন্ধ্যা ৭টায় থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত শিল্পিদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

alt

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রখ্যাত শিল্পী অনুপ বড়ুয়া,কানাডার যুথিকা বড়ুয়া এবং ইন্দ্রা বড়ুয়ার সংগীত পরিবেশনা এবং বোষ্টনের লিমা বড়ুয়ার পরিচালনায় নৃত্যানুষ্ঠান উল্লেখ্যযোগ্য।
alt
 সম্মেলনে নিউইয়র্ক থেকে সমীরণ বড়ুয়াকে সভাপতি এবং বোষ্টন থেকে সুহাস বড়ুয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি অন্তর্বর্তী কালীন কমিটি ঘোষণা করা হয়। ফেডারেশনের জন্য সংবিধান প্রণয়ন এবং উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশী বৌদ্ধদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের মাধ্যমে ফেডারেশনের কার্য্ক্রম শুরু করাই হচ্ছে এই অন্তর্বতী কালীন কমিটির প্রাথমিক কাজ।

alt
৩১ সদস্য বিশিষ্ট অন্তর্বতী কালীন কমিটি বিভিন্ন পদে আছেন,কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট্স এবং প্রভিন্সের পক্ষ থেকে, সহ-সভাপতি রূপক বড়ুয়া, সৌম্যেন্দু বড়ুয়া, যুগ্ন সম্পাদক শিমুল বড়ুয়া,প্রবীর মিত্র বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক প্ৰজয় বড়ুয়া, শিপুল বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈকত বড়ুয়া, রণবীর বড়ুয়া, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক,  দেবাশীষ বড়ুয়া, কিরণ বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা জুথিকা বড়ুয়া, করবী বড়ুয়া, প্রকাশনা ও গণমাধ্যম, শুভাশীষ বড়ুয়া, প্রবাল বড়ুয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক,অজয় তালুকদার, অসীম বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক, কানন বড়ুয়া, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ক, ডক্টর সুরজিত বড়ুয়া, আইন বিষয়ক,মিল্টন বড়ুয়া, কৃষ্টি ও গবেষণা বিষয়ক,ইউ থোয়াই মং, আদিত্য বড়ুয়া, মহিলা বিষয়ক,শিম্পু বড়ুয়া, মনি বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য ফাল্গুনী বড়ুয়া, সমর বড়ুয়া, সোহেল বড়ুয়া, সুবীর বড়ুয়া এবং টিটু বড়ুয়া।


"জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন "

সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭

Picture

সুহাস বড়ুয়া (বাপ্‌সনিউজ) বোষ্টন : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎবার্ষকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বোষ্টনে নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ গত ১৩ই আগস্ট ক্যামব্রিজের পিসানি সেন্টারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

alt

নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত সকলের এবং ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।

alt

বঙ্গবন্ধু পরিবারের প্রিয়ভাজন, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক তালুকদার সকলের শান্তি কামনা করে দোয়া এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন।

alt

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, যাঁর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না, সেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে ১৫ আগস্ট রাতে হত্যা করা হয়।

alt

অনেকে বলেন কিছু বিপদ গামী সৈনিক বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের প্রায় সকলকে হত্যা করেছে।

alt

এই কথাটি সত্যি নয় দেশি ও বিদেশি গভীর চক্রান্ত এ হত্যার সঙ্গে জড়িত।

alt

বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর চেতনাকে হত্যা করতে পারেনি ঘাতকরা। তিনি এখনো প্রতিটি ঘরে বেঁচে আছেন।

alt

বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম।

alt

শেখ হাসিনার প্রতি দেশ বাসীর যথেষ্ট আস্থা এবং বিশ্বাস রয়েছে।

alt

বক্তারা আরো বলেন, ৭৫ এর ১৫ই আগষ্টে জিয়াউর রহমান এবং ২১শে আগষ্টে তাঁর ছেলে তারেক জিয়া নির্মম হত্যাকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করেন যা খুনিরাই বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যক্ত করেছে ।

alt

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হতে আর বেশি দেরি নাই।

alt

বিএনপি যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, আওয়ামী লীগের উন্নয়নকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। কারণ প্রত্যেকটি মানুষের ভেতর বঙ্গবন্ধুর ও স্বাধীনতার চেতনা রয়েছে। এই চেতনায় দেশ এগিয়ে চলেছে। দেশের উন্নয়ন সমাদৃত হচ্ছে।

alt

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডঃ বামন দাস বসু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি  এবং নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সভাপতি মতিউর রহমান, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া , মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা, ফিরোজ খান আনন্দ, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ নিউইংল্যান্ডের সাবেক সভাপতি শহীদুল ইসলাম প্রিন্স, আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট নেত্রী সফিদা বসু,  আওয়ামী লীগ নেতা ডক্টর আশীষ দেব, বিশিষ্ট কবি বদিউজ্জামান নাসিম, বেইন সভানেত্রী তামান্না করিম, হাসানুজ্জামান সোহেল, মিশা রহমান, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ওসমান গণি, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রনি, নিউইংল্যান্ড যুবলীগের লীগের সভাপতি সিরাজুম মুনিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নিউইংল্যান্ড যুব লীগ নেতা রবিন দাশ, নিউইংল্যান্ড যুব লীগের সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ,যুগ্ন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম এবং যুবলীগ নেতা মোঃ ফোরকান।

alt

বক্তারা নিউইংলেন্ড আওয়ামী লীগের সুদৃঢ় ঐক্যের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

alt


“বাংগালীর সন্তানরা বাংলায় কথা না বলাটা বড়ই লজ্জার বিষয়” -নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ

মঙ্গলবার, ০৭ মার্চ ২০১৭

সুহাস বড়ুয়া (বাপস নিউজ) বোষ্টনঃ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ ২৬শে ফেব্রুয়ারী, কেমব্রিজের ৩৬৪ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে ।

Picture

নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাঙালীর রক্ত স্নাত ভাষা আন্দোলন আজ বিশ্বের সকল দেশের সকল জাতীর মাতৃভাষাকে মর্যাদাসহ রক্ষা করার অধিকার নিশ্চিত করেছে।

alt
তবে বাংলাদেশের মানুষ যখন বাংলা ভাষার সাথে বিদেশী ভাষা বা শব্দ ব্যবহার করে কিংবা বাংগালীরা নিজেরা যখন বাংলা না বলে বিদেশী ভাষায় কথা বলে তখন বিষয়টি বড়ই বেমানান বা এক ধরনের অজ্ঞাতই মনে হয়। বাংগালীর সন্তানরা বাংলায় কথা না বলাটা বড়ই লজ্জার বিষয়। প্রবাস প্রজন্মকে বিদেশী ভাষার সাথে বাংলা ভাষা শেখানোটা গৌরবের।

alt
সভায় বিশেষ বক্তা হিসাবে আলোচনায় অংশ নেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডঃ বামন দাশ বসু, ডঃ বিনয় পাল, মুক্তিযোদ্ধা মোশতাক তালুকদার, ডঃ আশিষ দেব। তাঁরা বলেন, আগের দিনের শিক্ষকদের মত আজকাল শিক্ষকদের মুখ থেকে সাহিত্যের ভাষা বের হয় না, বোধ হয় বাংলা বা সাহিত্যের শিক্ষকরা সাহিত্যের ভাষা আয়ত্ব করতে চায় না, তাই ছাত্রদের শিখাতে ও পারছে না।

alt
বাংলাদেশের বেতার যন্ত্র এবং টেলিভিশনে বক্তাদের কথা বলা দেখে দুঃখ হয়, কেননা অধিকাংশ বক্তাই গুছিয়ে বাংলা বলতে পারেনা। তাঁরা বলেন, বাংগালীদের উচিত অন্তত ফাল্গুন বা ফেব্রুয়ারী মাসটাতে হলেও ভাষার উন্নতির জন্য, নিজের কথা বার্তা বা লেখা লেখিতে ভাষা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কোন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা।

alt

আমাদের সন্তানরা বিদেশী ভাষা শিখুক কিন্তু নিজেদের মাতৃ ভাষাকে বাদ দিয়ে নয়।বাংগালীর সন্তান বাংলা ভাষা না জানাটা বাংগালীর জন্যই লজ্জ্বা। তাই এ বিষয়ে প্রবাসী মাতা-পিতা সকলকে সচেতন হওয়ার জন্য বক্তারা আহবান জানান।

alt
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভাষা শহীদসহ বাংলাদেশের দেশ প্রেমিক এবং প্রয়াত বরণ্য নেতৃবৃন্দের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে নীরবতা পালন করা হয়। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সহ -সভাপতি মিজানুর রহমান সাবু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আনোয়ারুল কবীর রুমি, পশ্চিম বঙ্গের অতিথি বক্তা ভানু দে, বাংলাদেশ এসোশিয়েশন অফ নিউ ইংল্যান্ড এর সভানেত্রী তামান্না করিম, সাধারণ সম্পাদক নোমান চৌধুরী, সংগীত শিল্পী আয়শা আক্তার রুমি, যুব লীগের সভাপতি সিরাজুম মুনির ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন।

alt
বক্তারা বলেন ভাষা আন্দোলন ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক আন্দোলন। পাকিস্তানের হানাদার গোষ্ঠী শোষণ বঞ্চনা আর ধর্মের নামে ধর্মান্ধ রাজনীতির মাধ্যমে বাঙালীর বাক স্বাধীনতা থেকে শুরু করে জাতীয় পরিচয় বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল । স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আমাদেরকে সেই পরাধীনতার শিকল ভাঙার জন্য ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন।

alt

বাংগালী জাতী রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছে বাংলা ভাষার অধিকার এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। অপর দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক সহযোগিতা এবং সময় উচিত পদক্ষেপের কারনে ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে । যা বাংগালীর শোক দিবসকে গর্বের দিনে রূপান্তর করছে।


বোষ্টনে নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের বিজয় দিবসের ৪৫তম বার্ষিকী উদযাপন

শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬

সুহাস বড়ুয়া (বাপসনিউজ) বোস্টন : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ১৮ই ডিসেম্বর নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ বোষ্টনে কেমব্রিজ শহরের ১৩১ ওয়াশিংটনের পিসানী মিলনায়তনে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ এবং নৈশ ভোজের আয়োজন করে।

Picture

নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া।

alt

অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউট -এর সহকারী অধ্যাপক ডক্টর গর্গ চট্টোপাধ্যায়, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ডক্টর বিনয় পাল, মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ খান আনন্দ। বক্তাগন বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে বড় অর্জনের দিন।

alt

১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ, নিপীড়ন আর দুঃশাসনের চির অবসান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ৯ মাস রক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধ করে বাঙ্গালী জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৬ ডিসেম্বর অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সাড়ে তেইশ বছরের নির্বিচার শোষণ, বঞ্চনা আর নির্যাতনের।

alt
বক্তাগন বলেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ন কেননা বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং দেশকে মধ্যে যায় থেকে উন্নত দেশে পরিবর্তনের যে ধারাবাহিকতা তা আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া অন্য কারো পক্ষে সম্ভব হবে না এবং দেশ আবারো বিশৃঙ্খল রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

alt
বক্তাগন আরো বলেন, সুবিধাবাদীরা সব সময় ক্ষমতাসীন সরকারের দলে যোগদিয়ে নিজেদের স্বার্থ আদায়ে সর্বদা ব্যস্ত থাকে। বর্তমান সরকারের সাথে কিছু স্বাধীনতা বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি সুকৌশলে আওয়ামী লীগে এসে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নিপীড়ন চালিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে।

alt
তাঁরা বলেন দেশে এবং দেশের বাইরে এ সকল অপশক্তিকে নির্মূল করা না হলে দেশের কল্যাণে অন্তরায় হবে।

alt

বক্তাগন নাসির নগর ও সাঁওতালদের নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।

alt
নিউ ইংল্যান্ড সেচ্ছাসেবক লীগ এবং আওয়ামী যুবলীগের সাথে যৌথ উদ্যেগে অনুষ্টিত বিজয় দিবসের সভায় বক্তারা আরো বলেন,বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত লোকদের আওয়ামী লীগে থাকার কোন অধিকার থাকতে পারেনা। আওয়ামী লীগের নামে দেশে এবং প্রবাসে যারা ধান্ধাবাজি এবং নাম প্রচারে ব্যস্ত তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

alt
৭৫ সালে স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকরে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসায় এবং একটি প্রজন্মকে বাংলাদেশের বিকৃত ইতিহাস শেখায়। দেশকে সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গির দেশ বানাতে সচেষ্ঠ হয়।

alt
অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন প্রবাসের বিশিষ্ট কবি বদিউজ্জামান নাসিম এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট আবৃতিকার মেহেদী ইমাম । বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকীতে উক্ত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নিউ ইংল্যান্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদা আরবী,

alt
নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সিরাজুম মুনির, মহিউদ্দিন চৌধুরী , শহিদুল ইসলাম রনি, রবিন দাশ বেইন এর সাধারণ সম্পাদক নোমান চৌধুরী ,নিউ ইংল্যান্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুর রহমান মিশর প্রমুখ।

alt

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি বড় কেক কাটা হয় এবং নৈশ ভোজ অনুষ্ঠিত হয়।


মালয়েশিয়ায় গ্লোবাল সামিটে প্রবাসীদের মিলনমেলা

সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন:আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এত এত মেধাবী ও সফল মানুষ আছেন জানতামই না আগে। গত ১৯-২০ নভেম্বর কুয়ালালামপুরে হয়ে যাওয়া প্রথম বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটে উপস্থিত থেকে দেখলাম আমাদের দেশের কত সফল মানুষ প্রবাসে থাকেন। তাঁরা কেউ ১০ বছর, কেউ ২০ বছর, কেউ কেউ ৩০-৩৫ বছর ধরে দেশের বাইরে আছেন।

alt

যাঁরা ইউরোপ-আমেরিকায় থাকেন তাঁরা সবাই ওই দেশের নাগরিক। তারপরও তাঁদের মন কাঁদে মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশ, দেশের উন্নয়ন ও ষোলো কোটি মানুষের কথা বলার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে পকেটের টাকা খরচ করে তাঁরা এসেছেন কুয়ালালামপুরে।

alt

তাঁরা সবাই কী সুন্দর করে অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের কথা ও বিউটিফুল বাংলাদেশের কথা বললেন। বাংলাদেশ নিম্নমধ্য আয়ের দেশ থেকে দ্রুত মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনার কথা বললেন। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে জেনারেল থেকে সেমি স্কিল, সেমি স্কিল থেকে স্কিল বানানোর কথা বললেন। বাংলাদেশের আইটি খাত নিয়ে ও বিনিয়োগের কথা বললেন।

alt
প্রবাসীদের অধিকারের কথা তো আছেই। ঢাকা বিমানবন্দরে নানাভাবে হয়রানির শিকার হওয়ার স্মৃতি তুলে ধরলেন অনেকে। মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের মতো শ্রমিক-নির্ভর দেশগুলোতে হাইকমিশন বা দূতাবাসের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানির কথাও উঠে এসেছে প্রবাসীর বক্তব্যে। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর চারটি সেমিনারও দেখলাম।

alt

সেমিনার নানা সব কথামালা শুনলাম ভিন্ন ভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন শহর থেকে আসা অভিজ্ঞ প্রবাসীদের মুখে। বাংলাদেশ থেকেও এসেছিলেন অনেকে।

alt

তাঁদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ছিলেন আবেদ খান, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, নঈম নিজাম, সাইফুল আলম, আহমেদ জোবায়ের, শ্যামল দত্ত, সাবির মোস্তফা, মাহমুদ হাফিজ ও পীর হাবিবুর রহমান প্রমুখ।মুখ গম্ভীর ভাব নিয়ে অন্যদের বক্তব্য শুনে শীতল হয়ে যাওয়া পুরো হলকে হাস্যরসে ভরিয়ে তোলেন পীর হাবিবুর রহমান।

alt

সারা বিশ্বে এখন বাংলাদেশের নাগরিক আছে, তাই গর্ব করে পীর হাবিব বলেছিলেন, এখন ব্রিটিশের সূর্য অস্ত যায়, বাংলাদেশের সূর্য অস্ত যায় না। প্রথম দিনের প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান সঞ্চালক সাবির মোস্তাফার বেঁধে দেওয়া সময়ে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল কত দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখতে পারেন তা দেখলাম।

alt
বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের একটি দৃশ্যব্যবসায়ী হয়েও বক্তব্য, কথায়, চাল-চলন ও গানেও যে একজন মানুষ অধিক পারদর্শী হতে পারেন দেখিয়ে দিলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম।

alt

শেষ দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গেয়ে দর্শকদের আনন্দ দিয়েছেন খ্যাতিমান শিল্পী ফকির আলমগীর ও নুরজাহান আলী। আর গান গেয়ে পুরো হলের দর্শকদের নাচিয়েছেন শিল্পপতি মো. আতিকুল ইসলাম।

alt

এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নাচ-গান পরিবেশনা তো বরাবরের মতো ভালো লেগেছে। জাদু দেখিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন শাফির উল্লাহ শিকদার ও মনিরুজ্জামান লিটন। দুদিনের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সুন্দর সুন্দর সব কথা বলে মুগ্ধ করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যে সব বাংলাদেশিরা।

alt

তাঁদের মধ্যে যাদের নাম মনে আছে তাঁরা হলেন, আমেরিকা থেকে আগত মাসুদ চৌধুরী, হাকিকুল ইসলাম খোকন, মোহাম্মদ শাহজাহান বাবুল, ইমিগ্রেশন লইয়ার তাহমিনা ওয়াটসন, এস এম গিয়াস উদ্দিন, সাইফুল খন্দকার, মায়া নেহাল, অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী আহমেদ ফিরোজ, ড. কামাল মাহমুদ, সরওয়ার কামাল, মাহবুব সিরাজ তুহিন জেপি, নিউজিল্যান্ডপ্রবাসী কাজী এ এইচ আহসান, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, কোরিয়াপ্রবাসী আবু বকর সিদ্দিক, জাপানপ্রবাসী ড. শেখ আলীমুজ্জামান, সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ড. এম এ রহিম, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিকদার গিয়াস উদ্দিন, মাহবুব সিরাজ, এ কে এম মহসীন।

alt

আয়েবার সভাপতি ড. জয়নাল আবেদিন, মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ, প্রধান উপদেষ্টা আহমেদ সামাদ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মুহিবুর রহমান মুহিব, সহসভাপতি ফখরুল আকম সেলিম, নুরুল করিম ও রানা তসলিম উদ্দিন, শামসুল আলম, শরীফ আল মোমিন, সম্মেলনের প্রধান সমন্বয়ক মাঈনুল ইসলাম নাসিম, এম এ এইচ ফেরদৌস, শফিক খান, মাহারুল ইসলাম, ডা. নাসরিন জাহান, সাইফুল খন্দকার, মালয়েশিয়ায় প্রবাসী মকবুল হোসেন, অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, আইটি ব্যবসায়ী মাসুদ রানা প্রমুখ।

alt
বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের একটি দৃশ্যযার কথা না বললে হয় না তিনি হলেন মালয়েশিয়ার পর্যটনমন্ত্রী দাতো শ্রী মোহাম্মদ নাজরি বিন আবদুল আজিজ। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের সুনাম করেছেন।

alt

বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। বাংলাদেশিরা আমাদের ভাই।তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার দুই বছর আগে থেকেই পূর্ব পাকিস্তানকে বাংলাদেশ নামে চিনতে শুরু করেছি আমরা। যে দেশ তখনো পূর্ব পাকিস্তান ছিল।

alt

বাংলাদেশিরা বীরের জাতি। স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশের মানুষ যে ত্যাগ স্বীকার করেছে তা অবিস্মরণীয়।

alt

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ ও বাংলাদেশিদের সুনাম করে বলেন, বাংলাদেশিরা না হলে মালয়েশিয়া এত উন্নত হতো না। এখনো বাংলাদেশের মানুষ না হলে মালয়েশিয়ার উন্নয়ন কর্ম ব্যাহত হয়।

alt

আমরা আরও অধিক বাংলাদেশি চাই। তিনি আরও অধিক সংখ্যক বাংলাদেশিকে মালয়েশিয়ায় আসার ও থাকার আহ্বান জানান।অতীতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম ভ্রমণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ অপরূপ সুন্দর দেশ।

alt

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মানুষের ধর্ম ও সংস্কৃতির অনেক মিল। তাই আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। সত্তরের দশকে লন্ডনে পড়ালেখার সময় হালাল খাবার পাওয়া যেত না সহজে।

alt

বাংলাদেশিদের কাছে গেলে, বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টে গেলে হালাল খাবার পেতাম। বাবার সঙ্গে আমেরিকা গিয়েও বাংলাদেশির কাছে গেছি হালাল খাবারের জন্য।বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের একটি দৃশ্যতিনি মালয়েশিয়ার মানুষদের বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য তাঁর মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উৎসাহিত করবেন বলে জানান। তিনি আয়েবাকে ধন্যবাদ জানান কুয়ালালামপুরে এ সামিট আয়োজনের জন্য।

alt

ভবিষ্যতেও মালয়েশিয়ায় আয়েবার অনুষ্ঠান আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। মালয়েশিয়ার মন্ত্রীর দীর্ঘ কথামালায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের প্রশংসা শুনে মালয়েশিয়াপ্রবাসী হিসেবে আমার অনেক ভালো লেগেছে।

alt

এ জন্য ধন্যবাদ মালয়েশিয়ার মন্ত্রীকে। ধন্যবাদ এ মিলনমেলার আয়োজক অল ইউরোপ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনকে। প্রথম দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমাদের হাইকমিশনার মো. শহীদুল ইসলামও সুন্দর বক্তব্য রেখেছিলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানেও তিনি সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন।


নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন

বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, মো:নাসির, ওসমান গনি, সুহাস বড়ুয়া ,বাপ্ নিউজ : বোষ্টন :স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাৎবার্ষকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বস্টনের নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ গত ২১শে আগস্ট মেথডিস্ট চার্চে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

alt

ওসমান গনির সভাপতিত্বে  এবং সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়ার পরিচালনায় সভার শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত সকলের এবং ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধু পরিবারের প্রিয়ভাজন, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক তালুকদার  সকলের শান্তি কামনা করে দোয়া এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন।
alt
জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডঃ বামন দাস বসু বলেন,৭১-এ  বঙ্গবন্ধু একক ভাবে সাড়ে সাত কোটি মানুষকে ঐক্য বদ্ধকরে স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাপিঁয়ে পড়ার প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বের এই বিশালতা শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বের মানুষকে আলোড়িত করেছিল।  সে সময়কার বিদেশী পত্র পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর অসাধারন ক্ষমতা, মানবতাবাদ এবং ব্যাক্তিত্ত্বের গুণাবলী নিয়ে অনেক লেখা-প্রকাশিত হয়েছিল যা আমরা পরবর্তীতে জানতে পারছি।
alt
সভাপতি ওসমান গনি বলেন, প্রবাসে কতিপয় রাজাকার, রাজাকারের পরিবারের সদস্য এবং ঘাতক চক্রের মদদ দাতারা বিভিন্ন মিডিয়ায় এবং ইমেইল গ্রূপে জননেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রতি নিয়ত ব্যাঙ-কটুক্তি এবং গালিগালাজ করে যাচ্ছে। প্রবাসের এ সকল বিকৃত রুচির রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারকারীদের তালিকা তৈরী করে তা সরকারের সংস্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরনের জন্য দূতাবাস সমূহের প্রতি আহবান জানান। বক্তারা আরো বলেন, ৭৫ এর  ১৫ই আগষ্টে জিয়াউর রহমান এবং ২১শে আগষ্টে তাঁর ছেলে তারেক জিয়া নির্মম হত্যাকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করেন যা খুনিরাই বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যক্ত করেছে ।
alt
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি মাহফুজুর রহমান, নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান সাবু, মুক্তি যোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা, ফিরোজ খান আনন্দ, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ নিউ ইংল্যান্ডের সাবেক সভাপতি শহীদুল ইসলাম প্রিন্স, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ নিউ ইংল্যান্ডের সাধারণ সম্পাদক নোমান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট নেত্রী সফিদা বসু, নিউ ইংল্যান্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদা আরবী, নিউ ইংল্যান্ড যুবলীগের আহ্ববায়ক সিরাজুম মুনির।
alt
 বক্তারা নিউ ইংলেন্ড আওয়ামী লীগের সুদৃঢ় ঐক্যের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।


"বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রুপান্তরের জন্য মৌলবাদ ও পাকিস্তান প্রেমীদের মূল উত্পাটন করতে হবে"- নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ

শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

সুহাস বড়ুয়া:(বাপস নিউজ) বোস্টন: মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১৬ উপলক্ষে বষ্ট্নের নর্থ রিডিং মেথ্ডিস্ট চার্চ মিলনায়তনে গত ২১শে ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে।

alt

সভাপতি ওসমান গনি' র সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক সুহাস বড়ুয়ার সঞ্চালনে অনুষ্ঠীত আলোচনা সভায় বক্তারা মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষার চরম ত্যাগে দীপ্ত শহীদদের শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্মরণ করেন।

alt
বক্তারা বলেন ২১শে ফেব্রুয়ারীর চেতনা থেকে বাংলার মানুষ স্বাধীকার আন্দোলন এবং মুক্তি সংগ্রামের স্বপ্ন দেখে।

alt
ভাষা সংগ্রাম ছিল বাঙ্গালীর অসাম্প্রদায়িক চেতনার একটি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংগালী জাতী অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদবুদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে যাপিয়ে পরে এবং পাকিস্তানিদের পরাজিত করে ধর্ম নিরপেক্ষ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে।

alt
বক্তারা বলেন বঙ্গবনধু জাতিকে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন আর তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তির পথ খুলে দিলেন।

alt
তাঁরা বলেন, জাতীর এই অর্থ নৈতিক মুক্তির পথে আজ বার বার বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে পাকিস্তানপন্থী এক শ্রেনীর বাংলাদেশী ক্রীতদাস এবং মৌলবাদী গোষ্ঠী।

alt

দেশে এবং দেশের বাহিরে এই অশুভ শক্তি বাংলাদেশ এবং বাংগালীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নানা ধরনের তত্পরতা চালিয়ে আসছে।

alt
বক্তারা বিদেশে বসবাসকারী পাকিস্তানপন্থী মৌলবাদীদের তালিকা তৈরি করে সরকারের নিকট তা প্র্রেরন করার জন্য আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহ্বান জানান।

alt

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যাপক ডক্টর বিনয় পাল, বেইনের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম প্রিন্স, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি মাহফুজুর রহমান,আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফিরোজ খান আনন্দ, নিউ ইংল্যান্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিম পারভীন,বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আনোয়ারুল কবীর রুমী,নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মিজানুর রহমান সাবু, এবং সহ সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রনী।

alt
সভাপতির বক্তব্যে ওসমান গনি বলেন, দেশে এবং দেশের বাইরের জামাত -শিবির এবং বাংলাদেশী পাকিস্তানপন্থীদের প্রতিহত করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তি শালী করতে আমাদের দরকার ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ।

alt

তিনি নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী পরিবারের সকলের প্রতি সকল ধরনের সংকীর্নতা পরিহার করে ঐক্যবদ্ধ একটি সংগঠনের মাধ্যমে দেশ ও জনগনের কল্যানে কাজ করার আহ্বান জানান।


জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের নির্বাচন ২০ ডিসেম্বর

শনিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৫

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন অব নিউইয়র্ক এর কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন তফসিল ঘোষনা করা হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বিতরন শুরু হয়ে চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত। ৮ নভেম্বর রোববার জ্যাকসন হাইটস এর হাটবাজার পার্টি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন তফসিল ঘোষনা করেন নির্বাচন কমিশন। এ সময় কমিশনের কর্মকর্তা সাঈদ রহমান মান্নান, এম এম রহমান, কাজী পারভেজ, মাহবুব চৌধুরী, কাজী মন্টু সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

alt

কমিশন কর্মকর্তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে ইচ্ছুক প্রার্থীরা ১৩-১৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে রাত ১১ পর্যন্ত কমিশনের অস্থায়ী অফিস মেঘনা শপিং সেন্টার থেকে ৪০ ডলার দিয়ে মনোনয়ন প্যাকেট কিনতে পারবেন। ২০-২১ নভেম্বর তা জমা দেয়া যাবে। সঙ্গে দিতে হবে এককপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের তারিখ ২৪ নভেম্বর রাত ৯টা থেকে ১১টা। চুড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৭ নভেম্বর।

alt

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি পীর মোহাম্মদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুল ফজল মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, সাবেক কোষাধ্যক্ষ কাজী শামসুদ্দীন, সাবেক সাধারন সম্পাদক টিএইচ খান, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হারুন ভূইয়া, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহসীন ননী, জেবিবিএর সাবেক সভাপতি জাকারিয়া মাসুদ জিকো প্রমুখ।

alt

মনোনয়নপত্র ক্রয় ফি
সভাপতি ২ হাজার , সহ সভপাতি ৮০০, সাধারন সম্পাদক, ১২০০, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ৫০০, কোষাধ্যক্ষ ৫০০, সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫০০, দপ্তর সম্পাদক ৫০০, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ৫০০, সংস্কৃতি ও সমাজ কল্যান সম্পাদক ৫০০ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ৩০০ ডলার।

ADD   Baps


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাখে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নিউইংল্যান্ডে আওয়ামী লীগের দুই সভাপতি ওসমান গণি ও নাসিম পারভীন

রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ:জাতিসংঘের ৭০তম সাধারন অধিবেশনে যোগদান কালে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সাথে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ৮ টায় নিউইয়র্কের ঐতিহ্যবাহী ওয়ার্ড অব এষ্টোরিয়া হোটেল সুইটে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ওসমান গণি এবং নিউইংল্যান্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিম পারভীন। খবর বাপসনিউজ।

Picture

 ছবিতে  প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সাথে নিউইংল্যান্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিম পারভীনকে দেখয়াচেছ।ছবি:বাপসনিঊজ।

৩০ মিনিট স্খায়ী আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সাথে নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় এই দুই নেতা প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে একানেত আলোচনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যান্ত সৌহাহৃপূর্ন্য ও আন্তরির্ক ভাবে তাদরে বক্তব্য শুনেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের দাবীর প্রতি সম্মতি প্রদান করে বলেন, প্রবাসীরাই দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন। তিনি প্রবাসীদের সর্বোত্তম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি প্রবাসীদের মূলধারায় কাজ করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য এদিন জাতিসংঘের সামনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশে অংশ নেন নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গণি ও নিউইংল্যান্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিম পারভীনের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক নিউইংল্যান্ড প্রবাসীরা। 


যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বস্টন আওয়ামী লীগ

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

হাকিকুল ইসলাম খোকন:বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান কোনো দিন হবে না। যেকোনো হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তাঁর সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে। রোববার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের হিল্টন হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর এর রহমান সভাপতিত্বে নাগরিক সংবর্ধনায় শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশের এগিয়ে চলা কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। দেশটি বিশ্ব সভায় মর্যাদার স্থান অর্জন করেছে। এখন আর অভাব ও হাহাকারের দেশ নয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশের প্রথম ধাপে পৌঁছেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবে।

 Boston AL   2
৩০ মিনিটের বক্তব্যে শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। বিএনপি ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশ হিসাবে মর্যাদা পেত। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে সে সম্ভাবনা রুখে দেওয়া হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী বাঙালি জাতির মাথা হেঁট করে দিয়েছিল। সামরিক শাসন জারির মাধ্যমে জাতিকে বিদেশের সামনে হেয় করা হয়েছিল। খুনিদের জিয়াউর রহমান বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন।

 Boston AL   1
২০১৫ সালের প্রথম তিন মাসের বিএনপির আন্দোলনের সময় জ্বালাও-পোড়াওয়ের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদারেরা যেভাবে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে মেরেছিল খালেদা জিয়া ঠিক একই ভাবে মানুষদের পুড়িয়ে মেরেছে। বিএনপি নানা ভাবে চেষ্টা করেছে ২০১৪ সালের নির্বাচন বানচাল করতে। বিএনপি চেয়ারপারসন দলীয় কার্যালয়ে ৯২-দিন কাটিয়েছেন মানুষ খুনের নেতৃত্ব দিতে। কার্যালয় বসে মানুষ পোড়ানো, মানুষ হত্যা করা, এই কাজই তিনি করেছিলেন।

 Boston AL   5
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওনার (খালেদা জিয়া) পাকি-প্রেম, তিনি আর ভুলতে পারেননি। খালেদা বাংলাদেশ বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন, বাংলাদেশের কল্যাণ তিনি চান না।’ তিনি বলেন, বিএনপি নেতৃত্ব বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ হোক, তা চায় না। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান বলেছিলেন খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ হওয়া ভালো না, কারণ তাহলে বিদেশি সাহায্য পাওয়া যাবে না।এর অর্থ, বাংলাদেশ সারা জীবন ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বেড়াবে, নিজের পায়ে দাঁড়াবে না, এটাই ছিল বিএনপির নীতি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৭-এ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি দেশের বাইরে ছিলেন, তাঁকে দেশে ফিরতে না দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।দেশে ফিরলে কারাগারে যেতে হতে পারে, বা মৃত্যু হতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও তিনি দেশে ফিরেছিলেন।তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশ অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, শেখ হাসিনা তার বিবরণ দেন।

 Boston AL   3
 শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও বিদ্যুৎ সহ অর্থনীতির সব শাখায় বাংলাদেশ দৃষ্টান্তমূলক অগ্রগতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটা ডাকঘর ডিজিটালাইজ করা হচ্ছে। ১৬ হাজারের মত স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ৩০-৩২ রকমের ওষুধ বিনা মূল্যে দেওয়া হচ্ছে।বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সাফল্য লক্ষণীয়। প্রধানমন্ত্রী ভারত-বাংলাদেশ স্থল সীমান্ত চুক্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, ছিটমহলের অধিবাসীরা দীর্ঘ ৬৮ বছর অধিকারহীন ছিল, তাঁর সরকার সে সমস্যার সমাধান করেছে।এ ব্যাপারে মোদি সরকারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ স্থল চুক্তিটি ভারতীয় পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে, যা ভারতের ইতিহাসে বিরল। সমুদ্রসীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়টি তাঁর সরকারের অর্জন।

 Boston AL   8
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বিমানের বহর বাড়ানো হচ্ছে। চলতি বছরেই আরও ছয়টি নতুন বিমান কেনা হবে। এই সফরে মার্কিন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের সময় তিনি বোয়িং কোম্পানির প্রতিনিধিদের নিউইয়র্কে বিমানের অবতরণে সাহায্য করতে অনুরোধ করেছেন। হাসিনা বলেন, ‘আমার নিজেরই ভালো লাগবে যদি আমি নিজের দেশের বিমানে করে এখানে নামতে পারি।’

alt

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী ড. আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মনি এমপি, জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. একে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।ব্রুকলিন থেকে নির্বাচিত মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইভেট ক্লার্ক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদ, আবদুস সোবহান গোলাপ ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক চন্দন দত্ত এবং বিভিন্ন রাজ্যের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নূরুল ইসলাম, প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ও শাহরিয়ার আলম , জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


নিউইয়র্ক-এ বসবাসরত লেখক জসিম উদ্দিন রচিত একুশ-এর বই মেলার তিনটি উপনাস্যের মোড়ক উন্মোচন

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:দি আমেরিকান ড্রীম, রুপালি ইলিশ ও প্রেমের সীমাšেত উপনাস্যের মোড়ক উন্মোচন ১৪ই ফেব্রুয়ারী ,শনিবার, ভ্যালেনটাইন্স ডে দুপুর ২.০০ টায় একুশে বইমেলার নজরুল মঞ্চে উপন্যাস সমুহের মোড়ক উন্মোচন করেন - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য্য  প্রফেসর ড. আ. স. ম আরেফিন সিদ্দিক, আরো উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য  মোহাম্মদ নোমান, উপন্যাস সমুহের লেখক সাবেক ছাত্রনেতা এম. জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আহসান খান, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, সাবেক ডিসিসি কমিশনার আমজাদ হোসেন মিয়া, প্রবীন সাংবাদিক ও কলামিষ্ট লুৎফুর রহমান।খবর বাপসনিঊজ:

Book cover of Jashim Uddin 1
মোড়ক উন্মোচন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য প্রফেসর ড. আ. স. ম আরেফিন সিদ্দিক -এম জসিম উদ্দিনের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন সুদুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে বাংলা সাহিত্য চর্চা চালিয়ে যাওয়া একটি ঐতিহাসিক কাজ, তিনি আশা করেন ভবিষ্যতে এই বইমেলায় এম জসিমউদ্দিন আরো উপন্যাস প্রকাশিত করে বাংলা সাহিত্য ভান্ডারকে আলোকিত করবেন। এম জসিম উদ্দিন তার শুভেচ্ছা বক্তৃতায় বলেন, পাঠকের অনুপ্রেরনা পেলে লেখনী শক্তিশালী হবে এবং আরো বলেন, ভালবাসায় রাঙ্গিয়ে দাও বাংলাদেশ, ভালবাসায় এগিয়ে যাওয় বাংলাদেশ। এই বলে তিনি সবার কাছে দোয়া চান।

Book cover of Jashim Uddin 6

লেখক পরিচিতি
এম.জসীম উদ্দিন ১৯৬৯ সালের ১৫ই জুন, কুমিল্লার শহরতলী সীমান্তবর্তী গ্রাম হরিপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। পিতা মরহুম মাষ্টার এম.এ.বারী এবং মাতা কাজী রুছিয়া খাতুনের মেধাবী ও কৃতি সন্তান তিনি। তার পিতামহ ছিলেন বিশিষ্ট দানবীর মরহুম সৈয়দ আকরাম আলী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের- লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করেন। শিক্ষাকালীন সময়ে তিনি ছিলেন একজন তুখোড় ছাত্র নেতা এবং বর্তমানে একজন সএিয় রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। ১৯৯০ এর পর থেকে তিনি স্থায়ী ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করেন। শৈশব থেকেই রাজনীতির পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতি মনা প্রতিভাবান এই লেখক সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশ করেন। তার লেখা ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস, কবিতা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক বিশ্লেষন ধর্মী ফিচার দেশ ও বিদেশের বিভিনড়ব পত্র পত্রিকায়, জার্নালে এবং ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হওয়ায় অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। বর্তমানে তার লেখা উপন্যাস হিসেবে ডজন খানেক পান্ডুলিপি প্রকাশের অপেক্ষায় প্রস্তুত। তার লেখনিতে প্রকাশ পায়- সমাজের নিষ্পেষিত মানুষের অধীকারের কথা, দেশের কথা, চলমান রাজনীতির কথা। পৃথিবীর উল্টো প্রান্তে বসবাস করেও বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব সাহিত্যের দরবারে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সাহিত্য চর্চা ও রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক। অর্থনীতি, সমাজনীতি, এবং রাজনীতি সবই একই সূত্রে গাঁথা। সবই মানুষের কথা বলে, মানুষের কল্যানের কথা বলে। যখন মানুষের কল্যানে, সমাজের নিপিড়িত মানুষগুলোর চিত্র পাঠকের চোখের সামনে উঠে আসবে তখনই সার্থক হবে তার লেখনি।
পাঠকের চাওয়া পাওয়া পরিপূর্ণতায় ভরিয়ে দিতে এবারের বই মেলায় লেখকের তিনটি ছোটগল্প “রুপালি ইলিশ” “প্রেমের সীমান্তে” এবং “দি আমেরিকান ড্রীম” আশাকরি পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। আমি তার সার্বঙ্গীন মঙ্গল ও সফলতা কামনা করি।
প্রকাশক
JASIMUDDIN BOOK   BAPS 2
কাহিনী সংক্ষেপ
রুপালী ইলিশ
গ্রামের নাম সখীগাঁও। মৎসজীবি জালাল মিয়ার ছেলে সজল অভাবের তাড়নায় স্কুলের গন্ডি পেড়িয়ে আর পড়াশোনা করতে পারে না। ছোট বোন সাথীরও অষ্টম শ্রেনীর পর আর পড়াশোনা হয় না। জালাল মিয়ার সাথে বাবার পেশায় যোগ দেয় সজল। আড়তদার আকবর আলীর জাল ও নৌকা নিয়ে দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে মাছ ধরে সংসার চালায় জালাল মিয়া। আড়তদারের মেয়ে রুপালীর সাথে গভীর প্রেম সজলের। দশম শ্রেনী পর্যন্ত পড়ার পর, রুপালীর পড়া বন্ধ করে দেয় আড়তদার। কারন তিনি সজল ও রুপার প্রেম মেনে নিতে পারেন না। একদিন সজলের গায়ে জ্বর থাকায়, জালাল মিয়া সজলকে ঘরে রেখে অন্য জেলেদের সাথে পদ্মার মোহনায় মাছ ধরতে যায়। সেই রাতে প্রচন্ড ঝড় ও জলোচ্ছাসে নিখোঁজ হয় জালাল মিয়া। পরের দিন অনেক খোঁজা-খুঁজির পর নদীর তীরে সজল খুঁজে পায় তার বাবার লাশ। বাবার দাফন কাফনের ব্যবস্থার জন্য সজল ছুটে যায় আড়তদারের কাছে। আড়তদার উল্টা তার জাল ও নৌকার জন্য অফসোস
করতে থাকে। সজল এক বুক কষ্ট নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে দেখা হয় রুপার সাথে। রুপা তার মাটির ব্যাংকে জমানো টাকা তুলে দেয় সজলের হাতে। সেই টাকা দিয়েই দাফন-কাফন শেষ করে সজল। একদিন সাথীর আবদার রক্ষার জন্য একটি ডিমওয়ালা ইলিশ চুরি করতে গেলে আড়তদারের চোখে ধরা পরে যায় সজল। আড়তদার ইলিশ মাছটিু রেখে দিয়ে অপমান করে তাড়িয়ে দেয় সজলকে। আড়তদার মন্টু ঘটকের মাধ্যমে রুপালীর বিয়ের দিন ঠিক করে। বিয়ের কথা জানতে পেরে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায় রুপা। সজলের মা, সজল ও রুপালীকে গ্রাম ছেড়ে নিঝুম দ্বীপে পালিয়ে যাওয়ার জন্য আদেশ করে। আকবর আলী মৃধা রুপালীকে উদ্ধারের জন্য লাঠিয়াল জমির আলীকে দ্বায়িত্ব দেয়। জমির লাঠিয়াল গিয়ে সজলের মা ও বোনেকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে, সজলের বোন সাথী বাধ্য হয়ে সজল ও রুপালীর নিঝুম দ্বীপে পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে। জমির ও তার লাঠিয়াল বাহিনী সজলকে আহত করে নীঝুম দ্বীপ থেকে ধরে আনে রুপালীকে।
আড়তদার তড়ি-ঘড়ি করে রুপালীকে বিয়ে দিয়ে দেয় লতিফ মেম্বারের ছেলে রহমানের সাথে। সজল সুস্থ্য হয়ে গ্রামে আসার পথে বউ-সাজে রুপালীকে পালকিতে করে নিয়ে যেতে দেখে। পালকির সাথে সাথে রুমাল মুখে হাঁটছে বর রহমান। আড়তদার সজলকে দেখতে পায়। জমির ও তার লাঠিয়াল বাহিনী সজলেকে ধরে হাত-পা বেঁধে খড়শ্রোতা নদীর মাঝখানে ফেলে দেয়। সজল চিৎকার করে বলতে থাকে, আমাকে বাঁচাও রুপালী, আমাকে বাঁচাও। পালকি থেকে সজলের চিৎকার শুনতে পায় রুপা। রুপা পালকি থেকে লাফিয়ে নেমে একটি নৌকায় ওঠে রুপালী। মাঝিকে বলতে থাকেজোরে বৈঠা বাও, সজলকে বাঁচাতে হবে। সজলকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পরে রুপালি। কিন্তু সজলকে বাঁচাতে পারে না রুপালি। অবষেশে দুজনে এক সাথে হারিয়ে যায় পদ্মার শ্রোতে।

Book cover of Jashim Uddin 3
কাহিনী সংক্ষেপ
প্রেমের সীমান্তে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চার শিক্ষার্থী- দীপু, রেইন, বৃষ্টি ও রাত্রী। দীপু এবং রাত্রী- রেইন ও বৃষ্টি থেকে দুই বছরের সিনিয়র। দীপুর রুম মেট রেইন, রেইন ভালবাসে বৃষ্টিকে। দীপু একটি ছাত্র সংগঠনের ছাত্র নেতা, পাশাপাশি মেধাবী ছাত্র হিসাবেও পরিচিত সকলের কাছে। দলীয় নেতার μিয়ানক হয়ে দীপু এক সময় অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। মেধাবী ছাত্র হয়েও হয়ে ওঠে সন্ত্রাসী কাম ছাত্র-নেতা। একদিন ভার্সিটির ক্যাম্পাসে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সময় পুলিশ ধাওয়া করলে দীপু তার রিভলভারটি রেইনের কলেজ ব্যাগে লুকিয়ে রাখে। রেইনের ব্যাগে রিভলভারটি বৃষ্টি দেখে ফেললে ভুল বোঝা-বুঝির সৃষ্টি হয় রেইন এবং বৃষ্টির মধ্যে। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগে বিভাগীয় প্রধান দীপুকে শো-কজ করেন। এদিকে দীপু ভালবাসে রাত্রীকে। রাত্রী ছিল ড্রাগ এডিকটেড। বাড়ী থেকে প্রেরিত টাকায় না চলার কারনে চাকুরি খুঁজতে থাকে রাত্রী। এক সময় রিয়্যেল এস্টেট কোম্পানীতে সেলস্ এক্সিকিউটিভ
পদে চাকরী হয়ে যায় তার। রিয়্যেল এস্টেট কোম্পানীর মালিক ফিরোজ কবিরের সাথে পরিচয় হয় রাত্রীর। ফিরোজ কবিরের রিয়্যেল এস্টেট কোম্পানীর আড়ালে চলতো ড্রাগ ব্যবসা। অনেক টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ফিরোজ কবির রাত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। রাত্রীর ড্রাগ আসক্তি থেকে বের হয়ে আসার জন্য দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যন রাত্রীকে কাউনসিলিং করেন। কিন্তুু ড্রাগ আসক্তির কথা অস্বীকার করে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করে রাত্রী। দীপু রাত্রীকে এই মরন নেশা থেকে মুক্ত করার অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। ধীরে-ধীরে এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে রাত্রী। রাত্রীর মৃত্যুর পর, দীপু দলীয় নেতার কাছে অস্ত্র ফেরত দিয়ে সুস্থ্য রাজনীতি করার শপথ নেয়।এদিকে আমেরিকান প্রবাসী এক ধনাঢ্য ব্যক্তির সাথে বিয়ে হয় বৃষ্টির। সেই দিনই, এক ভ্যান লাল গোলাপ নিয়ে বৃষ্টির বাসার গেটে হাজির হয় রেইন। ঠিক সেই সময় কনের সাজে বরের হাত ধরে গাড়ীতে ওঠে বৃষ্টি। রেইনের চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে, আই লাভ ইউ টুডে.......... মোর দেন ইয়েষ্টার্ডে। কিন্তু রেইনের গলার স্বর বের হয় না, বলতে পারেনা কিছুই।

Book cover of Jashim Uddin 4
দি আমেরিকান ড্রীম
বিএমপুরের কাজীর পাগলা গ্রাম। গ্রামের সারের ডিলার রাজ্জাকের তিন ছেলে - সুমন, মোহন এবং ইমন। সুমন তিনবার বি.এ. ফেল করা বেকার যুবক। পাশের বাড়ির প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাদের হেডমাষ্টারের এক মাত্র মেধাবী সন্তান দীপ। দীপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় মাষ্টার্স শেষ করে ইউ.এন ( টঘ ) জাতীসংঘের স্কলারশীপ পেয়ে নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রী (পি.এইচ.ডি) র- জন্য বর্তমানে নিউইয়র্কে বসবাস করছে। পাশের ঘরের সুমনের চাচাতো বোন স্বর্নার সাথে সুমনের প্রেমের সম্পর্ক। দীপের আমেরিকা যাওয়ায় উৎসাহিত হয়ে সুমনও আমেরিকা যাওয়ার জন্য এক প্রকার পাগলপারা। সুমন অনেক চেষ্টার পর একটি গলাকাটা ভিসা নিয়ে আমেরিকায় গিয়ে পৌছে এবং দীপের বাসায় ওঠে। অনেক চেষ্টা করে দীর্ঘ বারো বছরেও সোনার হরিণ গ্রীনকার্ড হাতে পায় না সুমন। এই বারো বছরের কষ্টার্জিত ডলার তার বাবার কাছে পাঠায়। এক সময় সুমন তার প্রেমিকা র্স্বনাকে ভুলে যায়। রাজ্জাক ডিলার সুমনের সাথে বাঁধনের বিয়ের ব্যবস্থা করে। বাঁধন ইডেন কলেজের ছাত্রী। দিন-ক্ষন ঠিক করে রাজ্জাক ডিলার ভিডিও টেলিফোন কনফারেন্সের মাধ্যমে বিয়ে দেয় সুমন ও বাঁধনকে। দীপ ছাত্র জীবনে ভালবাসত অংকন নামে তার এক সহপাঠীনিকে। কিন্তুু অংকনের বিয়ে হয় অন্য একজনের সাথে। সেই থেকেদীপ জীবনে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
দীপের মেধার মূল্যায়ন করে ইউ.এস. সরকার দীপকে আমেরিকার নাগরিকত্ব প্রদান করে। নাগরিকত্ব পেয়ে নিউইয়র্ক থেকেপ্রকাশিত একটি বাংলা পত্রিকায় সহকারি সম্পাদক হিসেবে চাকরি করতে থাকে দীপ। দীপের রুমমেট- হাবিল/কাবিল সুমনকেসব ধরনের সহযোগিতা করে। বাঁধনকে আমেরিকায় আনার জন্য, সুমন দীপকে প্রস্তাব দিলে দীপ সরল বিশ্বাসে সুমনের উপকারকরার জন্য রাজী হয়ে যায়। সেই মোতাবেক বাংলাদেশে এসে দীপ বাঁধন কে নকল বউ বানিয়ে আমেরিকার ভিসা নিয়েনিউইয়র্কে চলে আসে।
নিন্তু বাঁধন দীপকে একতরফা ভালবেসে ফেলে এবং সুমনকে অস্বীকার করে। এক সময় দীপকে বাঁধন স্ত্রী হিসাবে গ্রহন করতেবাধ্য করে। দীপের কিছুই করার ছিল না। কারন, বাঁধন তার আইনগত স্ত্রী।এদিকে সুমনের বিয়ের খবর শুনে স্বর্না নির্বাক হয়ে যায়। এক সময় বাঁধন খন্ডকালীন চাকুরী নেয় জ্যাকস্ন হাইটস্রে“মেরীগোল্ড দোকানে”। চাকুরী করার সুযোগে, দোকানের মালিক পাকিস্তানী-আমেরিকান ওয়াসীম খানের সাথে প্রেমের বন্ধনেবাঁধা পরে যায় বাঁধন। বাঁধন দীপকে ডিভোর্স করে ওয়াসীম খানের বাসায় গিয়ে ওঠে। ওয়াসীম খান ছলচাতুরী করে বাঁধনকেল্যাসভেগাসে এক ক্যাসিনোর ড্যান্স ক্লাবে বিμি করে দেয়। বাঁধন নিজেকে ডলারের ¯্রােতে গা ভাসিয়ে রাতারাতি মিলিনিয়ারহওয়ার স্বপড়ব দেখতে থাকে। সুমন ব্যর্থতার গ্লানী ও ভারাμাšও মন নিয়ে দেশে ফিরে আসে। সুমনকে দেখা মাত্রই স্বর্নালী আবারতার বাক শক্তি ফিরে পায়। দীপ দেশে এসে সবাইকে সবকিছু খুলে বলে। দীপ অনুপ্রেরনা দেয় সুমনকে । সুমন অক্লান্ত পরিশ্রমকরে গড়ে তোলে একটি মৎস্য খামার।একদিন পড়ন্ত বিকেলে সুমন এসে দাঁড়ায় তার মৎস্য খামারের সাইন বোর্ডের নীচে। বোর্ডে লেখা “ বাংলাদেশ ড্রীম মৎস্যখামার”। সাইন বোর্ডের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে মনের অজান্তে গাইতে থাকেএমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবেনা কো তুমি,দীপ, স্বর্নালী, রাজ্জাক ডিলার, ইমন, মোহন সবাই একে একে চোখ মুছতে মুছতে সুমনের পাশে এসে দাঁড়িয়ে, কণ্ঠের সাথে কণ্ঠমিলিয়ে গাইতে থাকে“এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবেনা কো তুমি,সকল দেশের রানী সে যে, আমার জন্ম ভূমি”।