Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/images/stories/2015/April/05/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলা উদ্‌যাপিত

রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

Picture

জাতিসত্তার আনন্দঘন আত্মপ্রকাশে অস্ট্রেলিয়ার শিকড়সন্ধানী প্রবাসী বাঙালিরাও একই সুরে মেতে উঠেছেন বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় উৎসব পয়লা বৈশাখে।

alt

গত ২৬ বছরের ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে এবারও হয়ে গেল দেশটির সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলার। আজ শনিবার পয়লা বৈশাখ এ দেশটিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় মেলায় আগত দর্শকদের। সিডনির বিখ্যাত এএনজেড অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় বাংলা বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা।

মেলায় দর্শকসিডনির রোদ ঝলমল দুপুরে মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ বর্ষবরণ উৎসবের। ঢোলের তালে-তালে মুখ-মুখোশের প্রকাশে শুভ বোধকে বরণ করে নিতে ঐতিহ্যবাহী এ শোভাযাত্রায় শত শত বাঙালি বৈশাখী সাজে অংশ নেন। লাল সাদা আর বর্ণিল পোশাকে উৎসবমুখর হয়ে উঠতে শুরু করে সিডনির অলিম্পিক পার্কসংলগ্ন রাস্তাঘাট। এবারের মেলার প্রচারণায় সিডনির প্রধান সড়কে বাংলা ও ইংরেজিতে নিমন্ত্রণ জানিয়ে স্থাপন করা হয়েছিল বিলবোর্ড। দুপুর গড়িয়ে বিকেলের আগেই মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলা উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল বিশেষ বাণী প্রদান করেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রবাসী বাঙালিদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী টার্নবুল তার বাণীতে প্রবাসী বাঙালিদের স্বদেশি সংস্কৃতি ধারণের জন্য সাধুবাদ জানান।
মেলায় দর্শকবৈশাখী মেলা উপলক্ষে মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নতুন আর পুরোনো প্রজন্মের মিশেলে ব্যতিক্রমী ফ্যাশন আর নাচে-গানে হাজার হাজার দর্শক সরব হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে পথ প্রোডাকশনস শিল্পীদের তাক লাগানো পরিবেশনা প্রশংসা কুড়ায় মুহুর্মুহু হাত তালিতে। অনুষ্ঠানে এবার শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মঞ্চনাটক ‘চেরাগবিহীন খুদে আলাদিন’ পরিবেশনা প্রাণবন্ত করে তোলে মেলা প্রাঙ্গণ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ‘রুপালি পর্দার স্বর্ণালি গান’ সংগীত পরিবেশনা মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন সকলে। এবারের মেলায় আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশের শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায় ও চন্দনা মজুমদার। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় লোকসংগীত পরিবেশন করেন তারা।

মেলায় স্টল
প্রবাস জীবনে ব্যস্ত সময়ের ফাঁকে আসা মানুষগুলো মেতে ওঠেন আড্ডা-খুনসুটিতে। চটপটি-ফুচকার সঙ্গে জিলাপি ঝালমুড়ির স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি উপভোগ করেছেন দেশীয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। মেলা সামগ্রী নিয়ে বসা বৈশাখী মেলার বিভিন্ন স্টলে ভিড় জমান মেলায় আগত দর্শকেরা। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রতিবারের মতো এবারেও জমকালো আতশবাজির চোখধাঁধানো আয়োজনের মধ্য দিয়ে মেলার ইতি টানা হয়।

মেলায় স্টলদীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সুবিশাল এ মেলার আয়োজন করে আসছে বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া। মেলায় প্রবাসী বাঙালিদের পাশাপাশি ভিন্ন জাতির মানুষের অংশগ্রহণও নজরে পড়ে। এ ছাড়া মেলায় রাজ্য ও ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।সাংস্কৃতিক পরিবেশনাঅস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি ও বিরোধী দলীয় নেতার প্রতিনিধিসহ মেলায় আরও উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রিমিয়ার গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান।সাংস্কৃতিক পরিবেশনামেলার আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শেখ শামীম মেলায় আগত সকলকেই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দেশীয় সংস্কৃতির লালন ও নতুন প্রজন্মের কাছে এ ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ মেলার যথার্থ আয়োজন করা হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।


স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লন্ডন হাই কমিশনের ডিপ্লোমেটিক রিসিপশন

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

বাপ্ নিউজ : লন্ডন: লন্ডন বাংলাদেশ হাই কমিশন ব্রিটেনের মন্ত্রী, এমপি, কূটনীতিক ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করেছে।বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে এ উপলক্ষে হাই কমিশন আয়োজন করে এক রিসিপশন অনুষ্ঠান।
C7D25699-AA1B-4629-BE82-83217778B2BA

ব্রিটিশ মন্ত্রী লর্ড আহমেদ অব উইম্বল্ডন এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান স্টিফেন টুইগ এমপি, লিজ ম্যাকিনিজ এমপি, পল স্কালি এমপি, জিম ফিটজ্প্যট্রিক এমপি, লর্ড শেখ, লর্ড বিলিমোরিয়া ও Marshall of Her Majesty।

01D9B4F6-4549-41CC-80CF-585B7E5A1CB0

হাই কমিশনার মো: নাজমুল কাউনাইন আগত অতিথিদের অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান।হাই কমিশনার বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ সামাজিক উন্নয়নের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন তাঁর বক্তৃতায়। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে উঠা বাংলাদেশ আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানিকীকরণ নিশ্চিত করে উন্নয়নের মহাসড়কে আরোহন করেছে। গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশ-ব্রিটেনের মধ্যে কৌশলগত সংলাপ (Strategic Dialogue) অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে হাই কমিশনার বলেন, এর মাধ্যমে দু‘দেশের মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীরতর, দৃশ্যমান ও উষ্ণতর হয়েছে।

862592CA-DF98-49EC-9706-C38549164F6A

ব্রিটিশ মন্ত্রী লর্ড আহমেদ অব উইম্বল্ডন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাস ও মৌলবাদ মোকাবেলায় দৃঢ় অংগীকারের প্রশংসা করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাহসী ও মানবিক ভূমিকায় ধন্যবাদ জানান। মন্ত্রী লর্ড আহমেদ সম্প্রতি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী বরিস জনসন ও তাঁর নিজের ঢাকা সফরের বিষয় তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ব্রিটেন অভিভূত। তিনি ব্রিটেনে কর্মরত বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।


‘শত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন সিডনি প্রবাসীরা

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : সিডনিতে বাংলাদেশি সংগঠনগুলোর আয়োজনে ‘শত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত’ নামে এক অনন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি এ আয়োজনে জড়ো হয় শ’ খানেক প্রবাসী বাংলাদেশি। সিডনির ওয়াইলি পার্কে শনিবার বিকেল ৬টায় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছেন উপস্থিত সবাই।

Austrella-2

নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের আত্মদান, নারীর সম্ভ্রম আর বিপুল ক্ষয়-ক্ষতির মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।

Austrella-2

স্থানীয় শিল্পীদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে সবাই গাইলেন জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’।

Picture

শিশু থেকে শুরু করে প্রবীনরাও গানে গানে স্মরণ করেন, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলার স্বাধীনতাকে। বক্তারা স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করতে তরুণ -প্রজন্মকে আহ্বান জানান।


স্বাধীনতা দিবসে রাশিয়া আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

অন্যদিকে বাংলাদেশকে বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতিসহ দেশের সকল অর্জনের জন্য বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাশিয়া আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। আলোচনা সভায় বলা হয়, গণহত্যা দিবস পালনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ইতিহাসের জঘন্যতম এই হত্যাযজ্ঞের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করা। আর এজন্য বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আর এই স্বীকৃতি অর্জনের মাধ্যমেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন পরিপূর্ণতা পাবে।

Picture

আলোচনা সভায় একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত ও তৎকালিন সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। একাত্তরের পরাজিত শত্রুরা বাংলাদেশকে বারবার পিছনে নিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। রাজাকার আল-বদর ও তাদের সহযোগীরা এখনও সক্রিয় রয়েছে দাবি করে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদেরকে পরাজিত করার অঙ্গীকার করা হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাশিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোতালিব পাটওয়ারী বাহার। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মো. হাসিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মনোয়ার হোসেন সিআইপি, সহ-সভাপতি ড. শেখ হাবিবুর রহমান, প্রবীর কুমার সরকার, বিশিষ্ট নেতা প্রেমানন্দ দেবনাথ, যুগ্ম-সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুর সেলিম, সাকিল আহমেদ টিটু, মস্কোর গণমৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক বারেক কায়সার, রাশিয়া আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সম্পাদক মো. রফিক আহমেদ, মো. শাহরুল ইসলাম, মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী, রাশিয়া ছাত্রলীগ নেতা মো. সাইফুল ইসলাম, মো. এমরান প্রমুখ।#


সুইজারল্যান্ডে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

alt

বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ আ.স.এম ফিরোজ এমপি তার বক্তব্যে বলেন, “বীর বাঙালি ৩০ লাখ মানুষের জীবন বিসর্জন ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বিজয় ছিনিয়ে আনে। আর তাই আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক।” বিশেষ অতিথি আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ বলেন,  “গণহত্যা দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ইতিহাসের জঘণ্যতম এই হত্যাযজ্ঞের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় করা। আর এজন্য সরকার এবং বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসসমূহ কাজ করে যাচ্ছে। আর এই স্বীকৃতি অর্জনের মাধ্যমেই শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন পরিপূর্ণতা পাবে।”

Picture

সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শ্যামল খানের উপস্থাপনায় বক্তব্য দেন অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত, সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিদ্যুৎ বড়ুয়া, সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ ব্যাপারী ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট অমি রহমান পিয়াল।


বার্লিনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে শিশু সমাবেশ

বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

বিটু বড়ুয়া, বাপ্ নিউজ : বার্লিন, জার্মানি থেকে :বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিশুদের উপস্থিতিতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে পালিত হয়েছে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবস।

Picture

এ উপলক্ষে গত শনিবার বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের আয়োজনে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, এক মিনিট নীরবতা পালন, বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও দোয়া মাহফিলসহ নানা আয়োজন।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুরাআলোচনা অনুষ্ঠানে জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, শিশুরাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। আর এদের মধ্যে থেকেই আমরা পাব দেশ গড়ার নতুন কারিগর। তাই আমরা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন প্রত্যেক বাবা-মায়ের উচিত সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ ও দেশের আবহমান অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিকে বুকে লালন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সুশিক্ষিত করে তোলা।
পরে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার দৃশ্যএর আগে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের জার্মান শাখার সাবেক সভাপতি মিজানুল হক খান, সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, দলের বার্লিন শাখার সভাপতি মাসুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নূর-ই-আলম সিদ্দিকি, সাংগঠনিক সম্পাদক রানা ভূঁইয়াসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।


ব্রাজিলে ছাত্র-ছাত্রীরা নাঁচে-গানে উদযাপন করলো বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী

সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

Picture

গতানুগতিক উদযাপনের বাইরে গিয়ে ব্রাজিলে বাংলাদেশ দূতাবাস এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন করে ব্রাসিলিয়ার সুবিধাবন্চিত শিশুদের একটি স্কুলে। বঙ্গবন্ধু সব শিশুদেরকেই ভালোবাসতেন। তবে সমাজের প্রান্তিকে থাকা বাচ্চাদের জন্য তাঁর বিশেষ ভালোবাসা সর্বজনবিদিত। সেই দৃষ্টান্ত আর অনুপ্রেরণা থেকেই এবারের এ আয়োজন। বঙ্গবন্ধুকে এই শিশুগুলো কিছুটা জেনেছে, ভালোও বেসেছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা যেন জ্বলজ্বল করছিল এই শিশুদের চোখেমুখে।

সারাসপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের ইতিহাস আর সংস্কৃতি নিয়ে পড়াশুনা করেছে এই শিশুগুলো। আজ উৎসবের দিনে তারা পরম মমতা আর আন্তরিকতায় পরিবেশন করেছে বাংলাদেশের গান এর নাঁচ। এমনকি বাংলার মানুষের আতিথেয়তা আর খাওয়াদাওয়া নিয়ে তারা ছোট একটা নাটিকাও মন্চস্হ করেছিল। যে কোন বাঙালীই এই সুদুর বিদেশে বিদেশী বাচ্চাদের এইসব মনকাড়া পরিবেশনা দেখে অভিভুত না হয়ে পারবেন না।

alt

বাংলাদেশের পতাকার রং লাল আর সবুজ ছাড়াও নীল সমুদ্র আর হলুদ শর্ষেক্ষেতের রংয়ে সেজেছিল আজকে স্কুলটি—এবং সব শিশুরা। চার রংয়ের চার দলে ভাগ হয়ে পুরো সাংস্কৃতিক পরিবেশনাটির আড়ালে আয়োজন করা হয়েছিল একটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতারও। প্রত্যেকটি দলই একাধিক পরিবেশনা করে। অনুষ্ঠানের শেষে ব্রাজিলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ জুলফিকার রহমান জয়ী তিনটি দলকে পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রতিযোগীদের সবাইকে রাষ্ট্রদূত সনদ দেন।

alt

এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সবচেয়ে উল্লেখ্য বিষয় ছিল যে, স্কুলের দেড়শত শিশুর সবাই স্টেজে পারফরম্যান্স করেছে! সারাক্ষণ তাদের আনন্দ আর হৈ হুল্লোড় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের উৎসবকে সত্যিকার নির্মল আনন্দে আনন্দময় করে তুলেছিল। পুরো স্কুলটাই যেন এক টুকরো বাংলাদেশ হয়ে উঠেছিল!!অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত শিশুদের উদ্দেশ্যে তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলার নানান কাহিনী মজা করে বর্ণনা করেন। বঙ্গবন্ধু শিশুদের কত ভালোবাসতেন এবং বাংলাদেশের শিশুদের ভাল মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার লক্ষ্যে তাঁর অবদানের কথাও বলেন। রাষ্ট্রদূত শিশুদেরকে ভাল মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিতে বলেন। তিনি আরো বলেন যে, কেবলমাত্র একটি সুশিক্ষিত যুবসমাজ, যারা আগামী দিনগুলোতে পৃথিবীর নেতৃত্ব দিবে, সুন্দর একটি শান্তিময় বিশ্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে।


লিসবনে দেশি-বিদেশি শিশুরা আঁকলো বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ছবি

সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

Picture

শনিবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় রাজধানী লিসবনের কানাই অডিটোরিয়াম, ফোরাম মাল্টিকালচারাল হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও শিশু দিবস উদযাপন করা হয়। লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাস এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

Portugal

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী, সঞ্চালনায় ছিলেন দূতালয় প্রধান হাসান আব্দুল্লাহ তৌহিদ। শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এ ছাড়াও নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ছিল মার্বেল দৌড়, বল নিক্ষেপ, লক্ষ্যভেদ ইত্যাদি। এতে বাংলাদেশসহ পর্তুগাল এবং বিভিন্ন দেশের অভিবাসী শিশুরা অংশ নেয়। শনিবার পর্তুগালে সাপ্তাহিক শনিবার হওয়ায় বিপুল সংখ্যাক বাংলাদেশি এতে অংশ নেন।

Portugal

পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রদূত রুহুল আলম সিদ্দিকী এবং স্ত্রী রিমা আরা।সবশেষে শিশুদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের কেক কাটেন রাষ্ট্রদূত রুহুল আলম সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ।

Portugal

এ ছাড়া আলাদাভাবে কেক কেটে ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন পর্তুগাল আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।


নেদারল্যান্ডসে শিশুদের বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন

সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

Picture
আলোচনাপর্বে আওয়ামী লীগের নেদারল্যান্ডস শাখার নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাঁদের গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনায় শামীম আক্রাম, আলাউদ্দিন মোল্লা, জয়নাল আবেদীন, মোস্তফা জামান, ইমরান হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা মাঈদ ফারুক পাকিস্তানি অন্যায় নিপীড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি জনগোষ্ঠীকে একতাবদ্ধ করতে বঙ্গবন্ধুর গতিশীল নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। বঙ্গবন্ধুর অতুলনীয় নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্ব সমগ্র জাতিকে এক কাতারে নিয়ে আসে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন ও বাঙালি জাতি মুক্তি লাভ করে। বক্তারা বাঙালি জাতির কঠিনতম সময়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, তাঁর সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা এবং তাঁর ত্যাগের ভূয়সী প্রশংসা পূর্বক তাঁকে বাঙালি জাতির ‘রোল মডেল’ বলে অভিহিত করেন।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্যনেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং বাঙালি জাতির প্রতি তাঁর অপরিসীম মমত্বের চিত্র তুলে ধরেন। পাকিস্তান আমলে বাঙালির দুর্যোগময় সময়ে তিনি কেবল নেতৃত্বই দেননি, তাঁর উপস্থিতি ছিল সমগ্র জাতির জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা। তিনি ছিলেন অকুতোভয় ও আপসহীন। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, সমগ্র জীবনব্যাপী বঙ্গবন্ধু তাঁর পর্বতসম ব্যক্তিত্ব, সাহসিকতা ও অপরিসীম ভালোবাসা নিয়ে সাধারণ জনগণের কাতারে জীবন কাটিয়ে ছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ও পরিকল্পনা জুড়ে ছিল কেবল বাঙালি জাতির উন্নয়ন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি তা বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত সময় পাননি। বঙ্গবন্ধুকে হারানো জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে তিনি মন্তব্য করেন। রাষ্ট্রদূত বেলাল উপস্থিত সকলকে যার যার অবস্থান থেকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানান এবং এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন। বঙ্গবন্ধুর নীতি, আদর্শ পরবর্তী প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যও তিনি আহ্বান করেন।
বক্তব্য দিচ্ছেন শেখ মুহম্মদ বেলালমিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চলমান জাতিগত নিধনযজ্ঞের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হকের একটি উক্তি তুলে ধরেন। যেখানে তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গাদের বঙ্গবন্ধুর মতো কোনো নেতা থাকলে তাদের আজ এই করুণ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না। সুতরাং, জাতি হিসেবে আমাদের এই মহান নেতার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকা উচিত বলে রাষ্ট্রদূত বেলাল মন্তব্য করেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের ঐতিহাসিক অর্জনের সুখবরটি সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন বাংলাদেশের চলমান এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রদূত বেলাল শিশুদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শিশুদের খুব ভালোবাসতেন মর্মে উল্লেখ করেন। তিনি উপস্থিত শিশু কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়ার জন্য এবং বঙ্গবন্ধুকে তাদের জীবনে আদর্শ ব্যক্তিত্ব হিসেবে অনুসরণের উপদেশ রাখেন।
কেক কাটার দৃশ্যদিবসটি উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং ‘কুইজ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শিশু-কিশোরেরা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ওপর বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। রাষ্ট্রদূতের সহধর্মিণী ড. দিলরুবা নাসরিন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিশু-কিশোরদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং তাদের অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন।
পরিবর্তীতে একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দূতাবাস পরিবার ও স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির শিশুরা এ পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দিলরুবা নাসরিন উপস্থিত শিশু-কিশোরদেরসহ বঙ্গবন্ধু স্মরণে জন্মদিনের কেক কাটেন। শেষে সবাইকে দুপুরের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে আপ্যায়িত করা হয়।


টোকিওতে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন

সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

Picture

বাপ্ নিউজ : শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা এবং প্রাণবন্ত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্‌যাপন করেছে জাপানের টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস। দিবসটি উপলক্ষে আজ শনিবার (১৭ মার্চ) স্থানীয় সময় বিকেলে দূতাবাসে এক বর্ণিল শিশু মেলার আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে আগত অতিথিদের শোনানো হয়।

শিশুকিশোর ও ছোট সোনামণিদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতজাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনসংগ্রাম, ত্যাগ ও কর্মজীবন সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালোবাসতেন, শিশুরাও বঙ্গবন্ধুকে আপন করে নিত। রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা ও মুক্তির দূত হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ রাষ্ট্র গঠনে বঙ্গবন্ধুর সাহসী নেতৃত্ব ও প্রত্যয়ী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জীবন গড়ার ও পরবর্তীতে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।পরে রাষ্ট্রদূত আগত সকল শিশুকিশোর ও ছোট সোনামণিদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শিশুকিশোর ও ছোট সোনামণিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটার দৃশ্য
জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রতিযোগিতা’ ছিল শিশু মেলার অন্যতম আয়োজন। দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে ছো ছোট ছেলেমেয়েরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যুক্ত করে। বর্ণিল সাজে শিশুরা অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করে তোলে। এরপর অনুষ্ঠিত হয় শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
বক্তব্য দিচ্ছেন রাবাব ফাতিমা
টোকিও ও আশপাশের অঞ্চল থেকে আগত প্রবাসী ও তাঁদের সন্তানদের উৎসাহ ও উদ্দীপনায় মুখর ও প্রাণোচ্ছল হয়ে উঠেছিল দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তন। জাপানে বসবাসরত শিশু-কিশোরদের জন্য আয়োজনটি প্রাণের মেলা হয়ে উঠেছিল। সেখানে গভীর শ্রদ্ধা ও পরম মমতায় তারা স্মরণ করেছে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, শিক্ষা নিয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ সম্পর্কে।
অনুষ্ঠানের শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া সকল শিশুকেই উপহার প্রদান করা হয়। পরে রাষ্ট্রদূত বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে আরও আনন্দময় করতে আগত শিশুদের নিয়ে কেক কাটেন। সবশেষে উপস্থিত সবাইকে আপ্যায়িত করা হয়।
দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী সপরিবার ও অনেক প্রবাসী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


রোমে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন

শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

Picture

রাষ্ট্রদুত মো. সোবহান সিকদার তার বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইতালি শাখা আওয়ামী লীগ নেতা কে এম লোকমান হোসেন,জি এম কিবরিয়া, আলী আহাম্মেদ ঢালী, হাসান ইকবাল, হাবিব চৌধুরী, জাহাঙ্গীর ফরাজী, জসিম উদ্দিন, রউফ ফকির, আতিয়ার রসুল কিটন, সোয়েব দেওয়ান ও আবু তাহের প্রমুখ।শেষে দোয়া মোনাজাত ও আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করানো হয়।