Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/modules/mod_gk_image_show/css/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/modules/mod_gk_image_show/js/style3/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বাংলাদেশের খবর

দেশের পরিস্থিতি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের অন্তরায় হয়ে উঠছে ...... আ স ম আবদুর রব

মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, জনগনের অবাধ রাজনৈতিক অধিকারহীনতা ও নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মতের কারনে দেশের পরিস্থিতি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের অন্তরায় হয়ে উঠছে যা জাতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। এ অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য প্রয়োজন দুই জোটের বাইরের সকল গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল ও সমাজশক্তিসমুহের ঐক্যের মধ্য দিয়ে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলা। জেএসডি এ লক্ষ্যে ২০১১ সাল থেকে প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। আমাদের চেষ্টা এখনো অব্যাহত আছে। যে কোন অবয়বেই হোক অবিলম্বে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তির আত্মপ্রকাশে আমরা আশাবাদী। জনাব রব বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকার পরও এখন থেকে সকল সংসদীয় আসনে প্রার্থী তালিকা প্রাথমিকভাবে প্রস্তুত করে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। আজ সকাল ১০ টায় দলের এক বিশেষ প্রতিনিধি সভার সভাপতির ভাষণে জনাব রব এসকল কথা বলেন।দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন দলের সাধারন সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন, এম এ গোফরান, আতাউল করিম ফারুক, মো: সিরাজ মিয়া, মিসেস তানিয়া রব, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।


জেএসডি’র ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত : দেশের পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে..... আ স ম আবদুর রব

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, জাতীয় ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করনে সরকার অক্ষম হয়ে পড়েছে। দেশের অভ্যন্তরীন ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য প্রয়োজন স্বাধীন দেশের উপযোগী রাজনীতি, রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা ও সংবিধানের আমূল সংস্কার নিশ্চিত করা। প্রয়োজন পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ গঠন করে সেখান থেকে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য দুই জোটের বাইরের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীল দল ও সমাজ শক্তিকে নিয়ে তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে হবে। গত ১ নভেম্বর বিকেল ৩ টায় জেএসডির ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির প্রারম্ভিক বক্তব্যে জনাব রব এ সকল কথা বলেন।খবর বাপসনিঊজ।

জাতীয় প্রেসক্লাব বিলনায়তনে¡ অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। আলোচনায় অংশগ্রহন করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক  মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডি সহ সভাপতি তানিয়া রব, সাধারন সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি এ্যাড. সুব্রত চৌধুরী, এবং জেএসডি নেতা সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  আতাউল করিম ফারুক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  সিরাজ মিয়া, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন,সাংগঠনিক সম্পাদক  কামাল উদ্দিন পাটওয়ারী ও  মোশারফ হোসেন প্রমুখ।


ফোর্বসের তালিকা : শেখ হাসিনা এখন বিশ্বের ৩০তম ক্ষমতাশালী নারী

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সাময়িকী ফোর্বসের তৈরি করা ২০১৭ সালের ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় ৩০তম স্থানে রাখা হয়েছে বাংলাদেশের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ২০১৫ সালের এ তালিকায় ৫৯তম ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। গত বছর ছিলেন ৩৬তম। এবার আরো ছয় ধাপ এগিয়ে তাকে স্থান দেওয়া হয়েছে ৩০তম। গত বছর তালিকায় ২৬ নম্বর অবস্থানে থাকা সু চি এবার ৩৩তম। ক্ষমতাশালী ১০০ নারীর প্রথম পাঁচজন হলেন যথাক্রমে জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, যুক্তরাষ্ট্রের মেলিন্ডা গেটস, সেরিল স্যান্ডবার্গ ও মেরি ব্যারা।

স্থানীয় সময় বুধবার ১ নভেম্বর এই তালিকা প্রকাশ করে ফোর্বস। প্রধানমন্ত্রীকে তালিকায় আখ্যা দেওয়া হয়েছে লেডি অব ঢাকা হিসেবে। গতবারের মতো এবারো তালিকার প্রথম স্থান দেওয়া হয়েছে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলকে। তবে এ তালিকায় জায়গা হয়নি একসময় একেবারে প্রথম দিকে থাকা ভারতের কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর।

Picture

শেখ হাসিনাকে তালিকায় ৩০তম স্থানে অধিষ্ঠিত করার বিষয়ে ফোর্বসের ওয়েবসাইটে বলা হয়, মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির একেবারে বিপরীতে অবস্থান নিয়ে লেডি অব ঢাকা পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাদের থাকার জন্য বরাদ্দ করে দিয়েছেন দুই হাজার একর জায়গা।

দেশান্তরী রোহিঙ্গাদের ভরণ-পোষণে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের বিষয়টি উল্লেখ করে ফোর্বসের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়, ১৯৭১ সালে নিজের বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় গণহত্যার স্মৃতি শেখ হাসিনাকে তাড়িয়ে বেড়ায়, সেই তাড়না থেকে তিনি এই বিপুলসংখ্যক শরণার্থীকে তার দেশে আশ্রয় দেওয়ার প্রচুর খরচ বহনেও গর্ববোধের কথা বলেন। তার সরকার এই শরণার্থীদের পরিচয়পত্র থেকে শুরু করে শিশুদের টিকা পর্যন্ত দিচ্ছে।


ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ

মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ওয়ার্ল্ডস ডক্যুমেন্টরি হেরিটেজ হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলো ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। ৩০ অক্টোবর সোমবার প্যারিসে ইউনেস্কোর হেডকোয়ার্টারে এ ঘোষণা দেন মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা।

সাতই মার্চের ভাষণ ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ৭ই মার্চ ঢাকার রমনায় অবস্থিত রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত এক ঐতিহাসিক ভাষণ। ১৮ মিনিট স্থায়ী এই ভাষণে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান। এই ভাষণের একটি লিখিত ভাষ্য অচিরেই বিতরণ করা হয়েছিল। এটি তাজউদ্দীন আহমদ কর্তৃক কিছু পরিমার্জিত হয়েছিল। পরিমার্জনার মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক আইন প্রত্যাহার এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবীটির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা। ১২টি ভাষায় ভাষণটি অনুবাদ করা হয়৷নিউজউইক ম্যাগাজিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক শাসকগোষ্ঠী এই দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বিলম্ব করতে শুরু করে। প্রকৃতপক্ষে তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যে-কোনভাবে ক্ষমতা পশ্চিম পাকিস্তানী রাজনীতিবিদদের হাতে কুক্ষিগত করে রাখা। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন আহ্বান করেন। কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ১লা মার্চ এই অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেন। এই সংবাদে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারাদেশে একযোগে হরতাল পালিত হয়। তিনি ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় সমগ্র পূর্ব বাংলায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই পটভূমিতেই ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় বিপুল সংখ্যক লোক একত্রিত হয়; পুরো ময়দান পরিণত হয় এক জনসমুদ্রে। এই জনতা এবং সার্বিকভাবে সমগ্র জাতির উদ্দেশ্যে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করেন।

Picture

ভায়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়। কী অন্যায় করেছিলাম? নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে, আওয়ামী লীগকে ভোট দেন। আমাদের ন্যাশনাল এসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো এবং এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো। এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় ২৩ বৎসরের করুণ ইতিহাস, বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস। ২৩ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর-নারীর আর্তনাদের ইতিহাস। বাংলার ইতিহাস-এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস। ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে আয়ুব খান মার্শাল ল’ জারি করে ১০ বছর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ৬দফা আন্দোলনে ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ এর আন্দোলনে আয়ুব খানের পতন হওয়ার পরে যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গনতন্ত্র দেবেন – আমরা মেনে নিলাম। তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেলো, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলা নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে, আমরা এসেম্বলিতে বসবো। আমি বললাম, এসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করবো- এমনকি আমি এ পর্যন্তও বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও একজনও যদি সে হয় তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব। জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন, আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরো আলোচনা হবে। তারপরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, তাদের সঙ্গে আলাপ করলাম- আপনারা আসুন, বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈরি করবো।

তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসে তাহলে কসাইখানা হবে এসেম্বলি। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলা দেয়া হবে। যদি কেউ এসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত জোর করে বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, এসেম্বলি চলবে। তারপরে হঠাৎ ১ তারিখে এসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো। ইয়াহিয়া খান সাহেব প্রেসিডেন্ট হিসেবে এসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাবো। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপর হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলো, দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্ধ করে দেয়ার পরে এদেশের মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।

আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সব কিছু বন্ধ করে দেন। জনগণ সাড়া দিলো। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো, তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাবার জন্য স্থির প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো।

কী পেলাম আমরা? আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্র“র আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরীব-দুঃখী নিরস্ত্র মানুষের বিরুদ্ধে- তার বুকের ওপরে হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু- আমরা বাঙালীরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

টেলিফোনে আমার সঙ্গে তার কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, জেনারেল ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কিভাবে আমার গরীবের ওপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের ওপর গুলি করা হয়েছে। কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে, কী করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তিনি বললেন, আমি নাকি স্বীকার করেছি যে, ১০ই তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স হবে। আমি তো অনেক আগেই বলে দিয়েছি, কিসের রাউন্ড টেবিল, কার সঙ্গে বসবো? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসবো? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, সমস্ত দোষ তিনি আমার ওপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের ওপরে দিয়েছেন।

ভায়েরা আমার, ২৫ তারিখে এসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে বলে দিয়েছি, ওই শহীদের রক্তের ওপর পাড়া দিয়ে আরটিসিতে মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারেনা। এসেম্বলি কল করেছেন, আমার দাবী মানতে হবে। প্রথম, সামরিক আইন- মার্শাল ল’ উইথড্র করতে হবে। সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নিতে হবে। যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে। আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর বিবেচনা করে দেখবো, আমরা এসেম্বলিতে বসতে পারবো কি পারবো না। এর পূর্বে এসেম্বলিতে বসতে আমরা পারি না। আমি, আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না। আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই। আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাঁচারী, আদালত-ফৌজদারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

গরীবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে সেইজন্য যে সমস্ত অন্যান্য জিনিসগুলো আছে সেগুলোর হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, ঘোড়ারগাড়ি, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে- শুধু… সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেন্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোন কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা যেয়ে বেতন নিয়ে আসবেন। এরপরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয় – তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু – আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো। তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের ওপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি তখন কেউ আমাদের দাবাতে পারবেনা। আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাদের সাহায্য করতে চেষ্টা করবো। যারা পারেন আমাদের রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকা-পয়সা পৌঁছে দেবেন। আর এই সাত দিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইয়েরা যোগদান করেছে, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাদের বেতন পৌঁছে দেবেন। সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে, খাজনা ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো- কেউ দেবে না। মনে রাখবেন, শত্রুবাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে। এই বাংলায় হিন্দুমুসলমান, বাঙালী-ননবাঙালী যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষা করার দায়িত্ব আপনাদের ওপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন, রেডিও-টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনে তাহলে কোন বাঙালী রেডিও স্টেশনে যাবে না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোন বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। ২ ঘণ্টা ব্যাংক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মায়না-পত্র নেবার পারে। পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন, টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সংগে নিউজ পাঠাতে হলে আপনারা চালাবেন। কিন্তু যদি এ দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালীরা বুঝেসুঝে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল। এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। রক্ত যখন দিয়েছি, আরো রক্ত দেবো। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম জয় বাংলা।


জামালপুরে বন্যার্তদের মাঝে জেএসডি’র ত্রাণ বিতরন বন্যার্ত মানুষের তুলনায় সরকারের ত্রাণ সাহয্য খুবই অপ্রতুল ....আ স ম আবদুর রব

সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব বলেছেন, বন্যার্ত মানুষের তুলনায় সরকারের ত্রাণ সাহায্য খুবই অপ্রতুল। বহু এলাকার বন্যার্ত মানুষ এখনো কোন ত্রাণ সাহায্য পায়নি। তারা ক্ষুধার্ত ও পিপাশার্ত জীবন যাপন করছে। নানাবিধ অসুখ বিসুকে ভুগছে। সরকারের মন্ত্রীরা ত্রাণ সাহায্যের নামে হেলিকপ্টারে ঘুরে যে টাকা ব্যয় করছে তা বন্যার্তদের মাঝে দিলে তাদের অবস্থার আরেকটু উন্নতি হতে পারতো। আমরা গরীব মানুষের দল। আমাদের নেতা কর্মীরা একবেলা না খেয়ে সেই টাকা দিয়ে সামান্য ত্রাণ নিয়ে বন্যার্তদের প্রতি সহানুভুতি জানাতে এসেছি। আপনাদের জানাতে এসেছি, দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার থাকলেও আপনাদের এ দুরাবস্থায় পড়তে হতোনা। আজকের বন্যার পানি শুধু বৃষ্টির পানি নয়, ভারত শুস্ক মওসুমে পানি বন্ধ করে দিয়ে আমাদের ফসলাদি পুড়িয়ে মারে, আর বর্ষাকালে বাঁধের সকল গেট খুলে দিয়ে আমাদেরকে ডুবিয়ে মারে। একটি গণভিত্তি সম্পন্ন সরকারই পারে এ বিষয়টি ভারতের সাথে ফয়সালা করতে। এ বিষয়ে আপনাদের সচেতন থাকতে হবে। জনাব রব বন্যার্ত এলাকার বকেয়া সকল কৃষিঋণ মওকুফ, নতুন আবাদের জন্য বিনাসুদে ঋণ প্রদান ও পরবর্তী ফসল না ওঠা পর্যন্ত রেশনিং ব্যবস্থা চালু করার দাবী জানান।

জেএসডি সাধারন সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন বলেন, দেশের নদ-নদী, বাড়ী-ঘর ও জমিতে বন্যা, আর ষষ্টদশ সংশোধনী বাতিল নিয়ে রাজনীতিতে খরা চলছে। এ অবস্থায় গদি রক্ষা ছাড়া বানভাসি মানুষের পক্ষে দাড়ানোর মানসিকতা সরকারের নেই।

আজ দুপুর ১২ টা থেকে জামালপুরে সদর উপজেলার তিপপালা ইউনিয়নের কামাল খান হাট ফাজিল মাদ্রাসা মাঠ, মেস্টা ইউনিয়নের হাজীপুর আলহাজ¦ জয়নুল আবেদীন দাখিল মাদ্রাসা মাঠ ও মেলান্দহ উপজেলার মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর প্রাঙ্গনে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন শেষে সাংবাদিক ও সুধীজনের সাথে আলাপকালে নেতৃবৃন্দ এ সকল কথা বলেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেএসডি’র কেন্দ্রীয় ত্রাণ কমিটির আহবায়ক ও দলের সহ সভাপতি মিসেস তানিয়া রব, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জনাব শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, এ্যাড. সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, জামালপুর জেলা জেএসডি’র সভাপতি জনাব আমির উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক এ্যাড. তাজ উদ্দিন সবুজসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ।


সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনেই শ্রমিক শ্রেনী গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছে .........আ স ম আবদুর রব

শুক্রবার, ২৮ জুলাই ২০১৭

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট এর উদ্যোগে ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শ্রমিক শ্রেনীর করনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বাপ্ নিউজ : জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব আজ বিকেল ৪ টায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোট আয়োজিত  ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শ্রমিক শ্রেনীর করনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যদানকালে বলেছেন, সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনেই শ্রমিক শ্রেনী গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধেও শ্রমিকদের ভূমিকা অবিস্মরনীয়। আজকে দেশে গণতন্ত্রের নামে যে স্বৈর শাসন চলছে, চলছে নির্বাচনের নামে প্রহসন। এ অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্যও শ্রমিক শ্রেনীকে এগিয়ে আসতে হবে। জনাব রব সকল শিল্প-কল-কারখানায় অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার এবং এ সকল প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্টে শ্রমিক-কর্মচারীদের অংশীদারিত্বের দাবী জানান। তিনি বলেন, সরকার বলছে দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে অথচ আমাদের রপ্তানী দিন দিন কমছে, কমছে কর্ম সংস্থানের হার। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরনের জন্যও রাজনৈতিক আন্দোলনের সাথে শ্রমিক শ্রেনীকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেএসডি সাধারন সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন বলেন, দেশে যে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয় তা শ্রমিক-কৃষক ও মধ্যবিত্ত শ্রেনীই প্রদান করে। ধনিক শ্রেনী ট্যাক্স এর নামে যা দেয় তা শ্রমিক-কৃষক, মধ্যবিত্ত শ্রেনীর কাছ থেকে দ্বিগুন হারে আদায় করে নেয়। অথচ শ্রমিকদের কল্যানে সে টাকা দেয়া হয়না। এ অবস্থা পরিবর্তনের জন্য দেশের সকল পর্যায়ের স্থানীয় সরকার ও পার্লামেন্টে শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ( বীর উত্তম), জনাব মাহমুদুর রহমান মান্না, জনাব আবদুল মালেক রতন, এস এম আকরাম, এ্যাড. সুব্রত চৌধুরী, জনাব মাহি বি চৌধুরী, জনাব মোস্তফা আমিনী।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোটের   ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব এয়ার আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে  ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক জোটের সাধারন সম্পাদক জনাব মোশারফ হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেএসডি নেতা  জনাব এম এ গোফরান, জনাব আতাউল করিম ফারুক, জনাব মো: সিরাজ মিয়া, মিসেস তানিয়া রব, জনাব শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন, জনাব কামাল উদ্দীন পাটোয়ারী, জনাব আবদুর রাজ্জাক রাজা, জনাব আবদুর রাজ্জাক রাজা, এস এম সামসুল আলম নিক্সন। শ্রমিক নেতা জনাব নোমানুজ্জামান, জনাব আবুল হোসেন মিয়া, জনাব আবদুল আউয়াল, জনাব এবিএম জামাল উদ্দীন, এ্যাড. নাজিম উদ্দীন, জনাব গাজী আলম, জনাব বেলাল হোসেন, জনাব বদরুদ্দোজা, জনাব আবদুস সাত্তার প্রমুখ।


মাষ্টার আনোয়ারুল হক এর মৃত্যুতে আ স ম আবদুর রব এর শোক

রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ লক্ষীপুর জেলা কমান্ডার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল - জে এস ডি লক্ষীপুর জেলা শাখা'র সাবেক সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আনোয়ারুল হক সাহেব ২০ শে জুলাই রাত ১০.৫০ মি: ইন্তেকাল করেন। ইন্নালিল্লাহে....রাজেউন।

মরহুমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক, জে এস ডি'র সভাপতি আ স ম আবদুর রব, সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, লক্ষীপুর জেলা জে এস ডি'র সভাপতি অধ্যক্ষ মনছুরুল হক, কার্যকরী সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব ও সাধারন সম্পাদক এড. সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।


সমুদ্রজলে পা ভিজিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, ০৬ মে ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন:আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:সমুদ্রতীরে যাবেন আর জলে পা ভেজাবেন না, তাতো হয় না। আর যে কেউ পারলেও বাংলার প্রাণের সাথে মিশে থাকা চেতনার ধারক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারবেন না। তারই প্রমাণ তিনি রাখলেন আজ।

Picture

ছবিটি ফেসবুক থেকে নেওয়া

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ইনানী বিচে সমুদ্রজলে পা ভেজালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খালি পায়ে হেঁটে বেড়ালেন বালুকাবেলায়। সেখানে সমুদ্রের মৃদু মৃদু ঢেউ এসে ভিজিয়ে দিল তার পা।

alt

ছবিটি ফেসবুক থেকে নেওয়া

কিছুক্ষণ পরেই ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর খালি পায়ে হাঁটার বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ে। বে ওয়াচ রিসোর্টের সামনে সৈকতের বেলাভূমিতে মঞ্চ করে হয় এই অনুষ্ঠানটি। দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠান শেষ হলে শেখ হাসিনা সোজা সৈকতে নেমে যান। সেখানে কিছুক্ষণ খালি পায়ে হাঁটেন তিনি, নামেন পানিতেও।

alt

ছবিটি ফেসবুক থেকে নেওয়া

বে ওয়াচ রিসোর্টেই মধ্যাহ্ন ভোজ সারবেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্যে শেখ হাসিনা বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে প্রথম সমুদ্র দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানান।

alt

ছবিটি ফেসবুক থেকে নেওয়া

ইনানীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিও।  অনুষ্ঠানের বক্তব্যে শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে শৈশবে সমুদ্র দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানান। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনামলে অরণ্যঘেরা ইনানীর চেনছড়ি গ্রামে বেশ কিছু দিন ছিলেন জাতির জনক।

alt

বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজারকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে গড়ে তোলার কথাও বলেন শেখ হাসিনা। সকালে বিমানের বোয়িং উড়োজাহাজ মেঘদূত এ কক্সবাজার নামার পর ইনানী সৈকতে যান প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে সেখানে সুপরিসর বিমান চলাচল শুরু হলো।


ভারতে বঙ্গবন্ধু সড়কে হাসি মুখে প্রধানমন্ত্রী

শনিবার, ০৬ মে ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। বাবার নামের সেই সড়কে গিয়ে ছবি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।

Picture

৫ মে শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ছবিটি পোস্ট করেন। তবে ছবিটি কবে তোলা সে ব্যাপারে কোনো কিছু জানাননি তিনি। ছবিতে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী সেই সড়কের নামফলকের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।

alt

উল্লেখ্য,  গত ৮ এপ্রিল দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে শঙ্কর রোড-মন্দির মার্গ ট্রাফিক চত্বর থেকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের সামনে মাদার তেরেসা ক্রিসেন্ট পর্যন্ত সড়কটির নামকরণ করা হয় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব লেন’। এর আগে এ সড়কটির নাম ছিল পার্ক স্ট্রিট।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের প্রাক্কালে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এই উদ্যোগ নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নতুন এই নামফলকটি অগণিত ভারতীয় ও বাংলাদেশির আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।


বাংলাদেশের অন্যতম লেখক ও বন্যপ্রাণী বিশারদ আলম শাইন

শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৭

বোস্টন বাংলা নিউজ ডেস্ক: মাদী কুকুরটা মারা যাওয়ার পর নিজের কনিষ্ঠ আঙ্গুলটাকে কুকুর ছানার মুখে চুষিয়ে বড় করেছেন। টিয়ার কামড়ে ডান হাতের তর্জনীর মাথাটাও হারিয়েছিলেন। খেলার মাঠে না গিয়ে শৈশবে ঘুরে বেড়াতেন গ্রামীণ বন-বাদাড়ে। কৈশোর না পেরুতেই সুন্দরবন দর্শনের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যান ঘর থেকে। পাঠ্যপুস্তক রেখে গল্প, উপন্যাসের বই নিয়ে মেতে থাকতেন। জিম করবেট পড়ে হয়ে ওঠেন তুখোড় পাখি শিকারী। শিকাররত অবস্থায় গুলিভ্রষ্ট হয়ে প্রিয় কুকুরটার চোখে গুলি লাগলে অনুশোচনায় কাতর হয়ে পড়েন। প্রতিজ্ঞা করেন আর শিকার নয়। এবার বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করবেন, লিখে করবেন মানুষকে সচেতন। এভাবে তিনি হয়ে ওঠেন বন্যপ্রাণী সংরক্ষক।


এ ছাড়াও একাধারে তিনি কথাসাহিত্যিক, রম্য লেখক, প্রবন্ধকার, বন্যপ্রাণী বিশারদ ও পরিবেশবাদী লেখক। ‘হাজাম’ সম্প্রদায় নিয়ে উপন্যাস লিখে রিতীমত হৈ-চৈ ফেলে দেন। উপন্যাসটি দৈনিক জনকন্ঠ ও কলকাতার উদ্দালক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি ‘ড.মঞ্জুশ্রী সাহিত্য-২০০৮’ পুরস্কারেও ভূষিত হয়। এ যাবৎ তার ১২টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ১৩তম উপন্যাস ‘ঘুণে খাওয়া বাঁশি’ প্রকাশিতব্য। সম্প্রতি উপন্যাসটি দৈনিক মানবকন্ঠ পত্রিকা, বোস্টন বাংলা নিউজ ও এনটিভি অনলাইন-এ ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছে। লেখকের ১৩০টি রম্যরচনা এবং সাতশতাধিক প্রবন্ধ-নিবন্ধ-ফিচার বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তন্মধ্যে পাখি নিয়ে প্রকাশিত ফিচারের সংখ্যা সাড়ে চারশো। এ বহুমুখী প্রতিভাবান মানুষটির নাম ‘আলম শাইন’। জন্মগ্রহন করেছেন বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলায়। গল্প, উপন্যাস লেখার পাশাপাশি তিনি দু’হাতে লিখছেন পাখ-পাখালিদের নিয়েও। দেশের প্রথম শ্রেনীর দৈনিক পত্রিকাগুলোতে বন্যপ্রাণী এবং পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে তার লেখা ছাপা হচ্ছে নিয়মিত। লিখছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বোস্টন বাংলা নিউজ-এ।
আলম শাইন বন্যপ্রাণীদের আপদ-বিপদে এগিয়ে আসেন। খবর পেলে ছুটে যান দুস্কৃতিকারীদের হাত থেকে পাখ-পাখালিদের উদ্ধার করতে। অসুস্থ পাখিদের খাঁচায় রেখে সুস্থ করে প্রকৃতিতে ডানা মেলার সুযোগ করে দেন। পাখ-পাখালির ছবি ক্যামেরাবন্দী করে পাঠকদের চিনিয়ে দেয়ারও চেষ্টা করেন। যার কারনে তিনি পেয়েছেন পাঠকদের প্রচুর ভালোবাসাও। উল্লেখ্য শেরপুরের একজন প্রকৃতিপ্রেমী আলম শাইনের নামানুসারে প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নামকরন করেন ‘শাইন’। বগুড়া জেলার আরেক প্রকৃতিপ্রেমী Shine’s birds club (SBC) নামে একটি সংগঠনও গড়েছেন।


সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা ই নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে আত্ম প্রকাশ করতে যাচেছ

বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্‌স নিউজ : শনিবার,বিকাল ৩টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গোল টেবিল বৈঠক অনুষিঠত হয়।এতে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন স্বরূপ হাসান শাহীন।আলোচনায় অংশ নেন পেশাজীবী পরিষদের ডাঃ ম,রশীদ আহমেদ,রাজনৈতিক চিন্তাবিদ শরীফ মোহাম্মদ খান।


বাংলাদেশ প্রদেশ বাস্তবায়ন পরিষদ এর মোশারফ হোসেন,এডভোকেট তাসমিন রানা,বাংলাদেশ আইনজীবী আন্দোলন এর এড,করীর কোরাইশী,শ্রমজীবী সামাজিক আন্দোলন এর মোঃ ইউসুফ তালুকদার,স্বাধীনতা পার্টি র আবদুল গফুর, সাংবাদিক মাহবুব রহীম,মুক্ত সাহিত্য আন্দোলন সুলতান মাহমুদ,ছাত্র পরিষদ এর গোলাম ফারুক সুমন,মুক্ত রাজনৈতিক আন্দোলন এর বিদেশনীতি বিষয়ক সম্পাদক এস এম মনিরুজ্জান, প্রচার সম্পাদক ফখরুদ্দীন আহমেদ ও সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মিল্টন হোসেন।


আলোচনা সভায় এ কথা স্পষ্ট হয় যে-" সিরাজুল আলম খানের ১৪ দফা বাস্তবায়ন ছাড়া প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার অপসারন সম্ভব নয়। এই নতুন শক্তি১৪ দফা ভিত্তিক গড়ে উঠতে হবে।

এর জন্য দরকার অদলীয় ভাবে শ্রমজীবী,কর্মজীবী ও পেশাজীবী,নারী,ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের রাষ্ট্র ক্ষমতা রাজনৈতিক দলের সাথে অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে হবে, আর এর জন্য আন্দোলন সংগ্রাম ছাড়া উপায় নেই।"