Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/stories/2015/April/00/modules/mod_gk_news_highlighter/images/media/system/js/modules/mod_gk_image_show/js/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

মানবতার জননী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী পালনঃ ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ

শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের    সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চু  সভাপতিত্বে   ও  সাধারণ  সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঞ্চারনায়  বক্তব্য রাখেন ডেনমার্ক স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ  সফিউল সাফি ,  নুরুল ইসলাম টিটু,   নাইম উদ্দিন বাবু  সহ-সভাপতিঃ নাসির উদ্দিন সরকার, খোকন মজুমদার  ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের    উপদেষ্টা  রাফায়েত হোসেন মিঠু,  রিয়াজুল হাসনাত রুবেল  ও প্রধান বক্তা ছিলেন ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের   উপদেষ্টা  মাহবুবুল হক ।

অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলোয়াত মাধ্যমে শুরু   ভাষা শহীদ , জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’ , বঙ্গমাতা, জাতীয় চারনেতা, ১৯৭৫এর ১৫ই আগস্ট শহীদ  ও  মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ  মোসাদ্দিকুর রহমান রাসেল, রাজু আহম্মদ, মোহাম্মদ আশরাফ ফরাদ, মশিউর রহমান শাওন , রনি, ওমর,আমির জীবন , ফজলে রাব্বি  , সামসুল আলম, সোহেল আহমেদ, সাফায়েত অন্তর, শামীম খান ,তাসবির হোসেন,মাঞ্জুর আহমেদ মামুন, মনসর আহমেদ, মোহাম্মাদ ইউসুফ, মাসুম বিল্লাহ, শাওন রহমান , সাইদুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, হাসান শাহীন, তুহীন, আরিফুল হক আরিফ, আজাদুর রহমান, রাজ্জাক, নাজমুল হোসেন, দোলন,   সহ সকল নেতৃবৃন্দ। বিবৃতে আরো সম্মতি জানানঃ  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ডেনমার্ক শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডেনমার্ক শাখা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ডেনমার্ক শাখার  সকল নেতৃবৃন্দ।

Picture

আলোচনায় বক্তারা জানানঃ   জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের এই দিনে মধুমতি নদী বিধৌত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবকাল কাটে পিত্রালয়ে। ৫৪’র নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা বাবা-মার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি। বর্তমানে শুধু জাতীয় নেতাই নন, তিনি আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ বিশ্বনেতা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন নতুন ভূমিকায়।   শুধু বাঙালী নয়; বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের মনের গহীন কোণে আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আসন গেড়েছেন, তার আকাশসম বিশাল মানবিকতা হৃদয়  উজাড় করা ভালবাসা আর মানব কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার মাধ্যমে। পিতা শেখ মুজিব তখন কলকাতায় ভারত ভাগের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দাঙ্গা প্রতিরোধ এবং লেখাপড়া নিয়ে মহাব্যস্ত। ১৯৪৭ সালের এ দিন টুঙ্গিপাড়া গ্রামে তাঁর জš§ হয়। গ্রামের নদী-নালা-খাল-বিলের স্রোতের শব্দ এবং সবুজ প্রকৃতির গন্ধ মেখে তার শৈশব কাটে। সেখানেই শিক্ষা জীবন শুরু হয়। মা ফজিলাতুন্নেছা রেণুর ছায়াসঙ্গী হয়ে পিতার রাজনৈতিক জীবনকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে দেখেন এবং নিজেকে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে একজন আদর্শময়ী হিসেবে গড়ে তোলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই আদরের নয়নমণি ছোট্ট ‘হাচুমণি’ মানবিকতা আর ন্যায়বোধ দিয়ে বাংলাদেশের প্রিয় নেত্রী হয়ে বিশ্বনেত্রীর মর্যাদায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

’৭৫ থেকে ’৮১ স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে পুরো পরিবারকে হারিয়ে প্রবাসে কষ্টের জীবন কাটাতে হয় ছয় বছর। অভিবাসী হন পরিবারের বেঁচে থাকা দুই বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। স্বাধীনতার স্থপতিকে হারানো ভাগ্যহারা বাঙালীর স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়, ১৭ মে ১৯৮১ সাল। সুদীর্ঘ ছয় বছর প্রবাস আশ্রিত জীবন শেষে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলার মাটিতে পা রাখেন  আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্যু-হত্যা-গুম-খুনের বিরুদ্ধে শুরু হয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতার সংগ্রাম। ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে জনগণের মানবাধিকার নিশ্চিত করেন তিনি। নিকট অতীতে তার হাত দিয়ে সম্পন্ন হয় বেশিরভাগ চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর অস্বীকৃত খুনীদের বিচার, পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি, বিনামূল্যে কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বই বিতরণ, উপবৃত্তির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রের অভাবনীয় সফলতা। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের কাণ্ডারি শেখ হাসিনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফুটিয়ে তুলেছেন নিজের মানবিক রূপ। এ সময়ে বার বার শেখ হাসিনার প্রাণনাশের চেষ্টা হয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা করা হয়। এত কিছুর পরও শেখ হাসিনাকে মানবতার সংগ্রাম থেকে ফেরানো যায়নি।

আজকে শেখ হাসিনা শুধু জাতীয় নেতাই নন, তিনি আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ বিশ্বনেতা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন। মানবিকতা, অসাম্প্রদায়িকতা, উদার, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও বিজ্ঞানমনস্ক জীবনদৃষ্টি তাকে করে তুলেছে এক আধুনিক, অগ্রসর রাষ্ট্রনায়কে। একবিংশ শতাব্দীর অভিযাত্রায় দিন বদল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাণ্ডারি তিনি। সারাবিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের ভরসাস্থল।

সর্বশেষ, বিশ্বের সব গণমাধ্যম শেখ হাসিনাকে বলেছে, ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ (মানবতার জননী)। ২০১৬ সালে শান্তিতে নোবেল জয়ী কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্ব মানবতার বিবেক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আরেক নোবেল জয়ী কৈলাস সত্যার্থী শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্ব মানবতার আলোকবর্তিকা’ হিসেবে তুলনা করেছেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান, শেখ হাসিনাকে একজন ‘বিরল মানবতাবাদী নেতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এক বক্তৃতায় শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বলেছেন, ‘বাবার মতোই বিশাল হƒদয় তাঁর। সেখানে ভালবাসার অভাব নেই।’ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিলেন বাঙালীর হƒদয় কত বড়। তিনি বাঙালীর গর্ব।’ গার্ডিয়ান পত্রিকায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে বিশাল মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন, তা বিরল। তিনি যে একজন হƒদয়বান রাষ্ট্রনায়ক- তা তিনি আগেও প্রমাণ করেছেন, এবারও প্রমাণ করলেন।’ ইন্ডিয়া টুডে তাদের দীর্ঘ এক প্রতিবেদনে বলেছে, ‘শেখ হাসিনার হƒদয় বঙ্গোপসাগরের চাইতেও বিশাল। যেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ে কার্পণ্য নেই।’

আসলে শেখ হাসিনার হƒদয়ের গভীরতার সঙ্গে বঙ্গোপসাগর বা আটলান্টিকের গভীরতার তুলনা প্রতীকী। হƒদয়ের গভীরতা উপলব্ধি করতে হয় হƒদয় দিয়ে; এর পরিমাপ হয় না। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ভূ-রাজনীতি, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে যিনি আশ্রয় দিয়ে জীবন বাঁচিয়েছেন, খাবার দিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেছেন, সেই শেখ হাসিনার হƒদয়ের গভীরতা উপলব্ধি করে বিদগ্ধজন প্রতীকী তুলনা করার চেষ্টা করেছেন। আসলে শেখ হাসিনার তুলনা তিনি নিজেই। একসঙ্গে ১০ লাখ শরণার্থীকে এমন একটি ছোট দেশে আশ্রয় দেয়ার সাহস! সারা বিশ্ব দেখল মানবিকতা এমনও হতে পারে!

এমন একজন গর্বিত মা, গণতন্ত্র ও মানবতার জননী, সফল রাষ্ট্রনায়ক, বিশ্ব মানবতার বিবেক শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দদের   সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজের   মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি করা হয়।


Add comment


Security code
Refresh