Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/stories/2015/April/05/03/images/banners/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

ম্যানহাটানে আকায়েদ উল্লাহর বোমা হামলা - ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশিরা

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ রিপোর্ট: নিউইয়র্কের ম্যানহাটন পোর্ট অথরিটি বাস টার্মিনালে বোমা বিস্ফোরণকারী ‘আকায়েদ উল্লাহ’ প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে এখন একটি ঘৃণিত নাম। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে যেখানেই দু‘জন মিলে কথা হয় সেখানেই ঘুরে ফিরে আসে আকায়েদ উল্লাহর নাম। কথা উঠতেই আকায়েদ উল্লাহর প্রতি ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ঘৃণা। সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করা হচ্ছে ক্ষোভ। নিউইয়র্কের সব বাংলাদেশিরা আকায়েদ উল্লাহর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটাই কথা, আকায়েদ উল্লাহ বাংলাদেশের কলঙ্ক। আকায়েদ উল্লাহ বাংলাদেশিদের ডুবিয়েছে। তার একার কর্মকান্ড পুরো বাংলাদেশির উপর চাপতে পারে না।


এ সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন  বলেন, আকায়েদ উল্লাহকে সংঘবদ্ধভাবে ঘৃণা দেখাতে হবে। আকায়েদ উল্লাহরা বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না। ওরা মানবতার দুশমন হিসেবে চিহ্নিত হয়েই থাকবে।,আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক এমএ সালাম বলেন, কেউ যেন আগ বাড়িয়ে নিজেদের দোষ স্বীকার করতে মাঠে না নামেন। এই শহরে হাজার হাজার বাংলাদেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন। একজন সন্ত্রাসীর দায় কেন বাংলাদেশের পুরো কমিউনিটি নিতে যাবে। আগে দেখা যাক, এই ঘটনার তদন্তে আসল ঘটনা কী বেরিয়ে আসে।যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা প্রদীপ রঞ্জন কর বলেন, আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আকায়েদ উল্লাহারা বাংলাদেশের দুশমন, সমাজের দুশমন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের দুশমন। বাংলাদেশ বা পৃথিবীর যে কোন দেশে যাতে আরেকজন আকায়েদ উল্লাহর জন্ম না হয় সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হাসান বলেন, আকায়েদ উল্লাহর কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানানোর ভাষা আমাদের নেই। তার প্রতি শুধু ছড়িয়ে দিতে চাই ঘৃণা আর ঘৃণা। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
সাংবাদিকওসমান গনি বলেন, এ রকম ঘটনা বা শঙ্কা আমরা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছি অনেকবার। আমাদের ছেলেমেয়েরা জিহাদি কর্মকান্ডে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে কি না, তা প্রত্যেক বাংলাদেশিদের খতিয়ে দেখা দরকার।
 সংগঠক হেলাল মাহমুদ বলেন, ধিক্কার জানাই তাদের, যাদের ঘৃণিত কর্মের দ্বারা দেশ ও জাতির বদনাম হয়। ‘সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম নেই, জাতীয়তা নেই। একমাত্র পরিচয় সে সন্ত্রাসী এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তিই প্রাপ্য।
সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, সন্ত্রাস শব্দটাই ঘৃণার। যে কোন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। যারা মানবতা বিবর্জিত কাজ করে তাদেরকে ঘৃণা করতেই হবে।
ক্যাব চালক আজিমুল হক বলেন, আকায়েদ উল্লাহ বাংলাদেশিদের কাছে একটি ঘৃণার নাম হয়ে গেছে। এ নাম যাতে ভবিষ্যতে কেউ না রাখে সে জন্য আমি সব বাংলাদেশির প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
ম্যানহাটানের গিফটশফে কাজ করেন আলাউদ্দিন। তিনি বলেন, যখন থেকে এ ঘটনা শুনেছি তখন থেকে শঙ্কায় আছি। একজন কুলঙ্গার (আকায়েদ উল্লাহর) কর্মকান্ডে পুরো বাংলাদেশিরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয়!
আলাউদ্দিন বলেন, আমি মূলধারার রাজনীতিকদের উদ্দেশ্যে বলবো, আপনারা আমাদের পাশে থাকুন। একজন আকায়েদ উল্লাহ মানে বাংলাদেশ নয়। আমরা শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশি, আমরা শান্তিপ্রিয় মুসলমান। আমরা সব ধরনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। আমরা আকায়েদ উল্লাহকে মন থেকে ঘৃণা করি।


  বলেন, ‘এটা একটা জঘন্য দিন আমাদের জন্য। একেকটি ঘটনা ঘটলে আমরা কিছু নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদ করছি আর ঘৃণা জানিয়েই আমাদের দায়িত্ব শেষ করছি। কিন্তু এই ধরনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য কোনো সচেতনতামূলক প্রচার চালাচ্ছি না।
ম্যানহাটনে টাইম স্কয়ার সাবওয়ে স্টেশন থেকে বাস স্টেশনে যাতায়াতের ভূগর্ভস্থ পথে বোমা হামলা হয় সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে সাতটার দিকে। সন্দেহভাজন বোমা হামলাকারী হিসেবে বাংলাদেশি আকায়েদ উল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়। ২৭ বছরের আকায়েদ উল্লাহ সাত বছর আগে নিউইয়র্কে আসেন। ব্রুকলিনে থাকেন তিনি।
এদিকে আকায়েদ উল্লাহর প্রতি ঘৃণা জানাতে বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, ব্রঙ্কস ও ব্রুকলীনে প্রতিবাদ কর্মসূচী পালিত হচ্ছে। সব কর্মসূচী থেকে আকায়েদ উল্লাহর প্রতি ঘৃণা জানানো ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে। সর্বশেষে বুধবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের হাটবাজার পার্টি হলে বাংলাদেশি আমেরিকান ব্যানারে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সিটি কাউন্সিলম্যান ডেভিড উইপ্রিনসহ বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ, মূলধারার রাজনীতিক মোর্শেদ আলম,আসে।যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সাংবাদিকহাকিকুল ইসলাম খোকন  ,সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট রানু ফেরদৌস, মুজাহিদ আনসারী, মিনহাজ আহমেদ সহ কমিউনিটির বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ। এলাকার সিটি কাউন্সিলর ডেভিড উইপ্রিন বলেন, ‘এটা অবশ্যই একটি ঘৃণা জানানোর উপলক্ষ। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, সন্ত্রাসীর কোনো দেশ বা ধর্ম নেই। কেউ যেন এই ঘটনার পর বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সন্ত্রাসের সঙ্গে স্টিগমাটাইজড না করতে পারে, সেদিকেও নজর দিতে হবে।


Add comment


Security code
Refresh