Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/images/stories/2015/April/05/04/images/stories/2015/April/media/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবীর কথা পুনরুল্লেখ করলেন এমপি ফারুক খান

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : দ্বিতীয়বারের মতো জাতিসংঘ সদরদপ্তরে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক আবহে উদযাপন করা হল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। জাতিসংঘ সদরদপ্তর, ইউনেস্কোর নিউইয়র্কস্থ কার্যালয়, নিউইয়র্ক সিটি মেয়র অফিস এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনসহ  কলম্বিয়া, ফিজি ও তানজানিয়া মিশনের যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় সময় বিকাল পাঁচটায় জাতিসংঘ সদরদপ্তরের কনফারেন্স রুম-৪ এ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

alt
নিউইয়র্ক সফররত বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বাংলাদেশ ডেলিগেশনের পক্ষে এসভায় বক্তব্য প্রদান কালে বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার দাবীর কথা পুনরুল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রস্তাবনা পেশ করেছেন। বাংলা বিশ্বের ষষ্ঠ বা সপ্তম জনপ্রিয় ভাষা, যাতে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ কথা বলে”। বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাবনা বিবেচনায় আনতে তিনি উপস্থিত জাতিসংঘের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

alt
ভাষা আন্দোলন সংগঠনে এবং আন্দোলনকে বেগবান করতে তরুন ছাত্রনেতা হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ভূমিকা রেখেছেন এমপি ফারুক খান তা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে অর্জন করেছিল মহান স্বাধীনতা”।তিনি আরও বলেন, “বিশ্বসভায় বাংলাভাষার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেন যা অনুসরণ করে প্রতিবছর সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়ে যাচ্ছেন তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা”। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথমবারের সরকারের সময় ২০০০ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং তাঁরই প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ২০০১ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট যা বিশ্বের সকল ভাষা সংক্রান্ত গবেষণা এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে মর্মে এমপি ফারুক খান উল্লেখ করেন।

alt
এর আগে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-এই দুই পর্বে বিভক্ত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এ আয়োজনের শুরুতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাগত ভাষণ দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। রাষ্ট্রদূত মাসুদ দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণীর অংশবিশেষ উদ্বৃত করে বলেন “মহান একুশে ফেব্রুয়ারির সেই রক্ত¯œাত গৌরবের সুর বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মানুষের প্রাণে অনুরণিত হচ্ছে”।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কো প্রদত্ত এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভাষাগত বৈচিত্র এবং বহুভাষাবাদ: স্থায়িত্ব ও শান্তির মূল ভিত্তি’ উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “টেকসই শান্তি ও এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নের সাথে এটি ঘনিষ্টভাবে সম্পর্কিত”।
 রাষ্ট্রদূত উদ্বেগের সাথে বলেন, “ভাষা বিজ্ঞানীদের মতে ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যাবে যা এজেন্ডা ২০৩০ এর সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া সময়ের দাবী, আর তা হলেই হয়তো আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষের ‘কেউ পিছনে পড়ে থাকবে না’ এই অন্যতম প্রতিপাদ্য অর্জন করতে পারবো”।

alt
অনুষ্ঠানটির আলোচনা পর্বে অংশ নেন জাতিসংঘে নিযুক্ত কলম্বিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি মিজ্ মারিয়া ইম¥া মেহিয়া ভেলেজ (গধৎল্পধ ঊসসধ গবলল্পধ ঠল্কষবু), তানজানিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি মডেস্ট জে. মিরো (গড়ফবংঃ ঔ. গবৎড়), ফিজি’র চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স লুকে দাউনি ভালু, জাতিসংঘের জেনারেল এসেম্বিলী ও কনফারেন্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ্ ক্যাথরাইন পোলার্ড (ঈধঃযবৎরহব চড়ষষধৎফ) এবং ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক ইনফরমেশন ও গ্লোবাল কমিউনিকেশনের প্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অ্যালিসন স্মেল (অষরংড়হ ঝসধষব)।আলোচকগণ পৃথিবীর প্রতিটি ভাষার সংরক্ষণ ও সুরক্ষা, বহুভাষিক শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়া এবং ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্রকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বাহন হিসেবে গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তাঁরা স্ব স্ব দেশের ভাষাগত বৈচিত্র, এর সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।জেনারেল এসেম্বিলী ও কনফারেন্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ্ ক্যাথরাইন পোলার্ড ভাষাগত বৈচিত্র ও বহুভাষাবাদের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার কার্যকর সংরক্ষণ আমরা কীভাবে করবো যদি নিজেকে বুঝাতে ও অপরকে বুঝতে না পারি, কীভাবে আমরা সকলকে নিয়ে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নে অগ্রসর হবো যদি না স্থানীয় অংশীজনদের ভাষার ব্যবধান বিবেচনায় না আনি এবং সহিংসতার শিকার কোনো ব্যাক্তি যে ভাষায় কথা বলছে তা যদি বুঝতে না পারি তাহলে কীভাবে আমরা তার মানবাধিকার সংরক্ষণ করবো”।

alt
ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক ইনফরমেশন ও গ্লোবাল কমিউনিকেশনের প্রধান জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল অ্যালিসন স্মেল বলেন, “আমরা যদি গোটা বিশ্বকে প্রকৃতভাবে সংযুক্ত করতে চাই, তবে অবশ্যই তা আমাদের স্থানীয় ভাষা অর্থাৎ মাতৃভাষার মাধ্যমে করতে হবে কারণ মাতৃভাষার মাধ্যমেই মানুষ নিজেকে সর্বোচ্চভাবে প্রকাশ করতে পারে”। তিনি ডিপিআই-এর যোগাযোগ ভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকান্ডের কথা উল্লেখ করেন। ‘আমরা মানুষের জন্য (ডব ঃযব চবড়ঢ়ষবং)’ - প্রতিপাদ্য নিয়ে জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়েছে মর্মে উল্লেখ করে মিজ্ স্মেল বলেন, “মানুষের কথা বলার অধিকারকে বৃদ্ধি করে আমরা তা করতে পারি”।

alt
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ও নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের বাণী অনুষ্ঠানটিতে পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের বিদেহী আত্মার স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এছাড়া ২১ ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার উপর রচিত একটি প্রামাণ্য ভিডিও অনুষ্ঠানটিতে পরিবেশন করা হয়।

alt
বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পর্বের সুচনায় যুক্তরাষ্ট্রের শ্রী চিন্ময় গ্রুপ ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ নিয়ে থিম সঙ্গীত এবং শ্রী চিন্ময় রচিত একটি কবিতা বিভিন্ন ভাষায় আবৃত্তি করেন। অনুষ্ঠানে ইউএন চেম্বার মিউজিক সোসাইটি সংগীত পরিবেশন করেন। তাছাড়া জাতিসংঘের জেনারেল এসেম্বিলি ও কনফারেন্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগে কর্মরত ভাষা কর্মীগণ বিভিন্ন ভাষায় মানবাধিকার চার্টারের অংশ বিশেষ পাঠ করেন।

alt
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়ক সফররত বাংলাদেশের সংসদ সদস্য সংসদ ফখরুল ইমাম, আনোয়ারুল আবেদীন খান ও রোখসানা ইয়াসমিন ছুটি। জাতিসংঘে নিযুক্ত সদস্য দেশগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধি ও প্রতিনিধিগণ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাঙালি, নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং মিডিয়া কর্মীগণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

মিশনের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত রাত ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহর পর্যন্ত আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের শুরু হয় জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন-এর স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে। এরপর বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারের সামনে দাঁড়িয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অতপর দিবসটি উপলক্ষে দেয়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

alt

রাত দশটায় শুরু হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উন্মুক্ত আলোচনা।অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সফররত বাংলাদেশের সংসদ সদস্য সংসদ মুহাম্মদ ফারুক খান, মুন্নুজান সুফিয়ান, ইসরাফিল আলম, ফখরুল ইমাম, আনোয়ারুল আবেদীন খান, জেবুন্নেছা আফরোজ ও রোখসানা ইয়াসমিন ছুটি।

alt
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাঙালির উপস্থিতিতে নিউইয়র্ক সময় ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে মিশনস্থ অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করে ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। “আমার ভাইয়ের রক্ত রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি” গানের সাথে সাথে রাত ১২টা ১মিনিটে মিশনে স্থাপিত শহীদ মিনারে সংসদ সদস্যগণ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুস্পস্তবক অর্পন করেন। এরপর জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মহিলা আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, গোপালগঞ্জ জেলা সমিতি, যুক্তরাষ্ট্র পেশাজীবি সংগঠন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন যুক্তরাষ্ট্র, সিলেট সদর সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং উপস্থিত প্রবাসী বাঙালিগণ।

alt
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ দেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। তিনি মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, “ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাঙালি জাতি উপনীত হয় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে। আমরা পাই লাল-সবুজের পতাকা। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন। বিশ্বসভায় উচ্চকিত হয় বাংলা ভাষা”।জাতির পিতার পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দিয়ে যাচ্ছেন মর্মে উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, “বিশ্বের ২৫ কোটি মানুষের ভাষা বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে প্রস্তাবনা রেখেছেন। এটির বাস্তবায়নে আমরা আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি”।

alt
প্রবাসী বাঙালিদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, “ আসুন, প্রবাসের সকল বাঙালি একুশের চেতনাতলে একতাবদ্ধ হই। বাংলাভাষার মর্যাদা উর্ধ্বে তুলে ধরি। পরিবার এবং সমাজে বাংলার শুদ্ধ চর্চা অব্যাহত রাখি। দেশ ও জাতির উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি”।সংসদ সদস্যগণ তাঁদের বক্তৃতায় মহান ভাষা আন্দোলনসহ সকল আন্দোলন-সংগ্রামে বাঙালি জাতির বীরত্বের কথা পুনরুল্লেখ করেন। তাঁরা উল্লেখ করেন জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বের কথা। দীর্ঘ কারাভোগের কথা। নিজের জীবন দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, একটি জাতিসত্তা সৃষ্টি করার কথা। বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য রোখসানা ইয়াসমিন ছুটি, সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান, সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম, সংসদ সদস্য মুন্নুজান সুফিয়ান ও সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান। তাঁরা সকলেই জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রবাসের সকল বাঙালিকে দলমত নির্বিশেষে কাজ করার আহ্বান জানান। সংসদ সদস্যগণ বলেন, বাংলাদেশের সাথে আপনাদের নাড়ীর টান। মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল সঙ্কটে প্রবাসী বাংলাদেশীরা সবসময়ই ভূমিকা রেখেছেন। প্রবাসীদের এই ভূমিকা সবসময় অব্যাহত থাকবে মর্মে সংসদ সদস্যগণ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম। তিনি প্রবাসীদেরকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন তাঁরা যেন তাঁদের সন্তান-সন্তন্তিদের ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানান। যাতে দেশের সাথে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

alt
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। আগামীতে আমরা বিশ্বের নেতৃত্ব দিব”। আগামী নির্বাচনে তিনি আবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞকে এগিয়ে নিতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান।

alt
বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, উপদেষ্টা মাসুদুল হাসান, মুক্তিযোদ্ধা মুকিত চৌধুরীসহ প্রবাসী বাঙালি নেতৃবৃন্দ। বক্তাগণ মহান একুশের চেতনাকে ধারণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ ও জাতির উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সুধীজনদের বক্তৃতায় নতুন প্রজন্মকে মহান ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে আরও ব্যাপকভাবে জানতে এবং এরই আলোকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করা হয়।


খালেদা জিয়ার পুরো মামলা ও রায় রাজনৈতিক

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ: নিউইয়র্ক: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মামলা ও রায় পুরো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আর সরকারের কর্মকান্ডই প্রমান করে দেশে আইনের শাসন নেই, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থির চরম অবনতি ঘটেছে। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার পদত্যাগ, সিনিয়র বিচারপতিকে ডিঙ্গিয়ে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ওয়াহাবের পদত্যাগের ঘটনা স্বাধীর বিচার ব্যবস্থার জন্য হুমকী। তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রাণের দাবী ভোটাধিকার সহ ‘নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক’ রুটে বিমান চালুর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। এক সাক্ষাৎকারে এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল উপরোক্ত কথা বলেন।
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা ও বিধি গেজেট প্রকাশ সংক্রান্তে সুপ্রীম কোর্ট বার্সাস আইন মন্ত্রনায়ের বিতর্ক এবং পদত্যাগে বাধ্য প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার রায়, পরবর্তী ঘটনাবলী এবং বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাস্তি একই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পদক্ষেপ। দেশে আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা ও দূর্নীতি, লুটপাট বন্ধ করার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। তার মামলা ও রায় পুরো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

alt
জাসদ তথা বাংলাদেশের রাজনীতিতে জড়িত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৭৬-৭৭ সময়ে স্বাধীনতার পতাকা উত্তেলোক প্রখ্যাত ছাত্রনেতা আসম আব্দুর রবের অনুসৃত নীতি ও কর্মসূচীর প্রতি আস্থা জ্ঞাপন করে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ের সঙ্কটকালে আসম আব্দুর রবের সাহসী ভূমিকা এবং উপনিবেশিক আমলের আইন-কানুনকে সংস্কার করে স্বাধীন দেশের উপযোগী আইন-কানুন বিধি-কাঠামো প্রণয়নের দাবীতে সংগ্রাম এবং আন্দোলনে নিজেকে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে পদার্পণ।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাসদ-এর জন্ম প্রসঙ্গে সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বলেন, যে লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, স্বাধীনতা পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘বিপ্লবী জাতীয় সরকার’ না করে অওয়ামী লীগের সরকার প্রতিষ্ঠিত করায় এবং বৃটিশের আনি-কানুনকে বলবৎ রেখে দেশ পরিচালনা করায়, স্বাধীন দেশের উপযোগী আইন-কানুন, বিধি-কাঠামো তৈরী না করায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একটি বিশাল জনগোষ্ঠী আশাহত হন। যার কারনেই জাসদ-এর জন্ম এবং রাজনীতি শুরু হয়। জাসদ-এর রাজনীতির আজো প্রয়োজন রয়েছে।
প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন, জেএসডি এখনো তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি, বরং জেএসডি’র লক্ষ্য সম্পর্কে দেশের জনগন অকিবহাল হচ্ছে এবং জেএসডি’র কর্মসূচীর সাথে দেশের বিপুল সংখ্যক সচেতন মানুষ একাত্বতা প্রকাশ করছে এবং কর্মসূচী বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। জেএসডি’র উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে: বাংলাদেশে ৯টি প্রদেশ গঠন করা, দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠা, ফেডারেল পদ্ধতির সরকার প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।
বাংলাদেশের বহুল আলোচিত ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিগত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী নির্বাচন বাঙালী জাতির জন্য বিষফোঁড়া। ঐ নির্বাচনে যে পদ্ধতিতে যে প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ এবং নির্বাচনী কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির সহায়তায় যেভাবে সরকার গঠন করা হয়েছে, যা দেশের জনগণ মেনে নেয়নি। ভোটার বিহীন নির্বাচনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং শেখ হাসিনার সরকার দেশে উন্নয়নের জোয়ার নয়, লুটপাট ও দূর্নীতির জোয়ারে দেশকে ভাসিয়ে দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, সত্যি কথা বললে বলতে হবে- দেশে আইনের শাসন নেই, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থির চরম অবনতি ঘটেছে দেশে চাকুরী ক্ষেত্রে প্রমোশন ও লোভনীয় পোস্টিং, গুম, খুম ও ক্রস ফায়ারে কোন পুলিশ অফিসার কত পারদর্শী তার উপর নির্ভর করছে।

alt
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বলেন, সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন দেয়ার ক্ষেত্রে আন্তরিক হলে, নির্বাচন কমিশন তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আন্তরিক হলে, দেশের জনগণ নির্ভিঘে, নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে স্বাধীনভাবে ভোট প্রয়োগ করতে পারলে এবং সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহনে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের দিকে পথচলা শুরু করলে সুদূর পরাহত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন জাতির ভাগ্যে আসতে পারে।
উল্লেখ্য, সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলালের স্থায়ী বসবাস লক্ষীপুর জেলা সদর পৌরসভায়। জাসদ ছাত্রলীগের মাধ্যমে তার ছাত্র রাজনীতি শুরু। জাসদ ছাত্রলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ১৯৮১ সালে তিনি লক্ষীপুর সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন। বিগত ৩৭ বছর ধরে তিরি রাজনীতির জাসদ ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনীতির সাথে জড়িত এবং নির্বাহী পদের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি সৌদী আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে কানাডা হয়ে সস্ত্রীক কোহিনুর আক্তার রুমা-কে সাথে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বেড়াতে আসেন ৫ ফেব্রুয়ারী। তার স্ত্রী শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থাকালে তিনি যুক্তরাষ্ট্র জেএসডি’র নেতা-কর্মী ছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থধানরত যুক্তফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ এবং প্রবাসী লক্ষীপুরবাসীদের সাথে মতবিনিময় করছেন।১২ ফেব্রুয়ারী তার ঢাকার উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগের করছেন ।
জেএসডি, যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক শাসুদ্দীন আহমেদ শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জনিয়ার মীর মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন খান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলালকে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।


জাতিসংঘের সামনে একুশের প্রথম প্রহর

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙ্গালীর চেতনা মঞ্চের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের

alt

রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত, ইউনেস্কো, জাতিসংঘ সদর দপ্তর, নিউইয়র্কের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যাঙ্গনের প্রতিনধিরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

alt

গত ২৬ বছরের মত এবছরও উপস্থিত সর্বকনিষ্ঠ শিশু প্রতীক এর পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসটির সূচনা হয়। এরপর একে একে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান ছাড়াও শহীদদের পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানান যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র শাখা, জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা, বাঙালীর চেতনা মঞ্চ, মুক্তধারা ফাউন্ডেশন, একুশে চেতনা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা, যুক্তরাষ্ট্র যুব মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, ভাষা সৈনিক আবদুস সামাদ পরিবার, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত স্মৃতি পরিষদ

alt

যুক্তরাষ্ট্র শাখা, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগ, মুন্সীগঞ্জ বিক্রমপুর সমিতি, সিলেট গণদাবী পরিষদ, বাংলাদেশ স্পোর্টস ফাউন্ডেশন, আবহানী ক্রীড়া চক্র, শেরপুর জেলা সমিতি, রাজশাহী ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশন, শেখ কামাল স্মৃতি পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, গোলাপগঞ্জ সমিতি, রাজনগর উন্নয়ন সমিতি, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান ঐক্য পরিষদ, শেখ রাসেল স্মৃতি পরিষদ, ঝালকাঠি জেলা সমিতি, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, বঙ্গবন্ধু প্রচারকেন্দ্র সমাজকল্যাণ পরিষদ, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের নের্তৃবৃন্দ। এছাড়াও নিউইয়র্কের

alt

উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কবি-লেখক-শিল্পী-সাহিত্যিক-সাংবাদিক, ইউনাইটেড নেশনের কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান। এছাড়াও নিউইয়র্কে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কবি লেখক শিল্পী সাহিত্যিক-সাংবাদিক, ইউনাইটেড নেশন্সের কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।

alt

সেমন্তী ওয়াহেদের সঞ্চালনে এ অনুষ্ঠানটি শুরু হয় সম্মিলিত কন্ঠে ভাষার গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ২৭ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ টি পতাকা এবং ২৭ টি ফুল দিয়ে সাজানো হয় অনুষ্ঠান স্থল।
অনুষ্ঠানে সূচনা ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন বাঙ্গালীর চেতনা মঞ্চের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাদশা।

alt

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ফরাসত আলী, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশের সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব মন্টু, জাতিসংঘে alt

বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ইকোনমিক মিনিস্টার ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন, প্রথম সচিব (প্রেস) মো. নুরএলাহী মিনা, ড. দিলীপ নাথ, যুক্তরাষ্ট আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা তোফায়েল চৌধুরী, ড. আবদুল বাতেন, লেখক-সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস, লেখক রানু ফেরদৌস, ফাহিম রেজা alt

নূর, ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম এবং সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ’র সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, টিভিএন২৪ এর বার্তা প্রধান শামিম আল আমিন, কাজী জহিরুল ইসলাম, ওবায়েদ উল্লাহ মামুন, মনিজা রহমান, শুভ রায়, মেজর (অব) এহসান উল্লাহ, জাতীয় পার্টি যুক্তরাষ্ট্র 
alt

শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, হাজী আবদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু তালিব চৌধুরী চান্দু, জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম জিকু, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক লীগের সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন, গোপাল স্যানাল, আবদুর রউফ পাশা, কয়ছর আহমেদ, শাহাদাত হোসেন, আবদুল হামিদ, জেড এ জয় প্রমুখ।
alt

বক্তারা বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারির ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের’ স্বীকৃতি আদায়ে প্রবাসীদের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। শহীদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতিকে চিরজাগ্রত রাখার স্বপ্ন বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করে যেতে হবে সকলকে।


সংবর্ধনায় সিক্ত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :দলমত-নির্বিশেষে সর্বস্তরের প্রবাসীর সমাগমে সংবর্ধিত হলেন উত্তরবঙ্গের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।

Picture

গত শনিবার রাতে নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রস্থ ‘নর্থবেঙ্গল ফাউন্ডেশন’ তাকে এ সংবর্ধনা দেয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ও রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান।

alt

সংগঠনের সভাপতি আতোয়ারুল আলমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি ড. সিদ্দিকুর রহমানের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন সংগঠনের উপদেষ্টা নূরল ইসলাম বর্ষন।

alt

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড. সিদ্দিকুর রহমানের সহধর্মিনী শাহানারা রহমান, রাজনীতিক সোলায়মাল আলী, হোস্ট সংগঠনের নেতা ফাহাদ সোলায়মান প্রমুখ।

alt

নিজ এলাকার প্রবাসীদের সংবর্ধনায় সিক্ত ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রে রাজনীতিসহ যা কিছু করি তা বাংলাদেশের ১৫ কোটি মানুষের জন্য। প্রবাস জীবন ছেড়ে দেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে দেশের মানুষের জন্য সরাসরি কাজ করতে চাই। সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রবাসীরা ঐক্যবদ্ধ হলে জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব আদায় করে নেয়া কঠিন কোনো কাজ নয়। কারণ প্রবাসীদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে।

alt
উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ৫টি আসন প্রবাসীদের জন্য সংরক্ষণের দাবি তুলেছেন সিদ্দিকুর রহমান। বগুড়ায় খালেদা জিয়ার আসন থেকে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বলেও তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।অপর বক্তারা বলেন, গুণী মানুষকে যারা সম্মাননা দেন বরং তারাই সম্মানিত হন। ড. সিদ্দিকুর রহমান রাজনৈতিক ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও দলমত নির্বিশেষে সম্মানিত হয়েছেন। তিনি দেশের জন্য কাজ করছেন। তিনি বাংলাদেশের জন্য গর্বের।

alt

উল্লেখ্য, ড. সিদ্দিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বগুড়া জেলার সন্তান সিদ্দিকুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেবার আগে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

alt

যুক্তরাষ্ট্রে তিনি বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউজার্সির সভাপতি এবং উত্তর আমেরিকায় প্রবাসীদের মহামিলনমেলা হিসেবে পরিচিত ‘ফোবানা’র আহ্বায়ক ছিলেন।

alt

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশ বিজ্ঞানী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাটগার্স ইউনিভার্সিটি থেকে কৃষি বিজ্ঞানে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী শাহ মাবুব।


জর্জিয়ায় ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

আমরা ভুলতে পারি না! আমরা ভুলব না! যাদের রক্তের বিনিময়ে আজ সমধুরতম 'বাংলা'কে আমরা আমাদের মাতৃভাষা হিসেবে পেয়েছি, অর্জন করেছি মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার, যাদের আত্মত্যাগে '২১শে ফেব্রুয়ারী'  মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা পেয়েছে তাদের ভুলব না...তাইতো  দেশের মাটি থেকে বহু দুরে থেকেও বাংলার ঐতিহাসিক অমর একুশে ফেব্রুয়ারীকে স্ব গৌরবে উদযাপন করেছে জর্জিয়ার প্রবাসী বাঙ্গালীরা।

alt
পৃথিবীর সকল মাতৃভাষা সংরক্ষণের বার্তা নিয়ে ও বাংলা ভাষার জন্যে আত্মত্যাগকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে বিলুপ্ত প্রায় সকল ভাষা সুরক্ষার প্রত্যয় নিয়ে, বোদ্ধামহল ও জাতিসংঘকে অধিকতর কার্যকরী ভুমিকা নেয়ার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে জর্জিয়ায় ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালিত হয়েছে। একুশের কর্মসূচির প্রথমে ভাষা শহীদদের স্বরণে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।

alt

 জিমি কার্টার বুলোবার্ডের জেসি ইভেন্ট মিলনায়তনে বাংলাদেশ সমিতির উদ্দ্যেগে অস্থায়ী শহীদ মিনারের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন হৃদয়ছোয়া ভালোবাসা ও পরম মমতায় ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা মধ্যদিয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি মহান একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে জর্জিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশীরা। ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একুশের প্রথম প্রহরেই মানুষের ঢল নামে জিমি কার্টার বুলোবার্ডের জেসি ইভেন্ট মিলনায়তনে ।

alt

ফুলে ফুলে ভরে উঠে বাঙালির শোক আর অহংকারের এই মিনারে। অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের চেতনার প্রতীক ‘শহীদ মিনার’এখন এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ সব কটি মহাদেশের বহুভাষিক চেতনার স্মারক। এ সময় সমবেত কন্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হয় – আলতাফ মাহমুদের একুশের অমর সঙ্গীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?’

alt

জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতি আয়োজিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে জর্জিয়া আওয়ামীলীগের পক্ষ ফুলের শ্রধাঞ্জলী জানিয়েছে  জর্জিয়া সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা  মোহাম্মদ আলী হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ রহমান ও  জর্জিয়া আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ।

alt
এছাড়া ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ধারাবাহিক ভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান - বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ।

alt

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশ সমিতি

alt

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জর্জিয়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ

alt

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান  মা আমার মা ।

alt

মুজিব সেনা নিউজের সম্পাদক মণ্ডলির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী হোসেন ।

alt

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পি ( জর্জিয়া শাখা ) ।

alt

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ওয়েব পোর্টাল শনিবারের চিঠি

alt

জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতি আয়োজিত অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য যেসব সংগঠন পুস্পাঞ্জলি প্রদান করে তার হলো, জর্জিয়া সেচ্ছা সেবক লীগ , জর্জিয়া সোস্যাল এন্ড কালচারারল অর্গানাইজেশন,  নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশ কনভেনশন (এনএবিসি),বাংলাদেশ পুজা এ্যাসোসিয়েসসন অব জর্জিয়া (বিপিএ), সোনালী এক্সচেঞ্জ আটলান্টা শাখা, এবিএফ, আটলান্টা প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন ।

alt

মহান একুশের অনুষ্ঠানে আরও  অংশ নেন জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দিদারুল আলম গাজী ,এম মাওলা দিলু , জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক যথাক্রমে মোহাম্মদ আলী হোসেন ও মাহমুদ রহমান, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের  উপদেষ্টা মসিউর রহমান , জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হুমায়ুন কবির কাউসার, সহ সভাপতি শেখ জামাল, সহ সভাপতি নেহাল মাহমুদ, জর্জিয়া যুব লীগের সভাপতি সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাহিদ ও ইলিয়াস হাসান রানা, জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আহমাদুর রহমান পারভেজ , উত্তম দেব , মোহন জাব্বর, মাহাবুবুর রহমান , নজরুল ইসলাম, এ এইচ, রাসেল, মোশাররফ হোসেন, নাইম আহাম্মেদ, রেজা করিম, আবু তালুকদার, Q জামান , মিনহাজুল ইসলাম বাদল ,মোহাম্মদ আলী সজল, সাহিদা পারভিন, মোসাম্মৎ মাহবুবা আরজু, মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চক্রবর্তী, সৈয়দ মুরাদ, রেজা করিম, নাহিদ, অভিশেক, সাগর, আজিজুর রহমান, শোহরাব হোসেন সহ  আরও অনেকে।

alt

পুস্পাঞ্জলি প্রদানের আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নেন, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদক যথাক্রমে মোহাম্মদ আলী হোসেন ও মাহমুদ রহমান, জর্জিয়া যুব লীগের সভাপতি সম্পাদক নুরুল ইসলাম নাহিদ ও ইলিয়াস হাসান রানা, আবু নাসের মিলন, মাহবুবর রহমান ভুঁইয়া, সাহিদা পারভিন, মোসাম্মৎ মাহবুবা আরজু, মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চক্রবর্তী, কায়েদুজ্জামান, জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির কার্যকরি পরিষদ সদস্য রেজা করিম এবং  জর্জিয়া বাংলাদেশ সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,বিশ্বের মধ্যে শুধুমাত্র আমরাই একমাত্র জাতি যারা ভাষা নিয়ে এত গর্ব করতে পারি। মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের কাহিনী পৃথিবীর সবাই এখন জানে। একুশ আমাদের জাতির চেতনা ও গৌরবের উৎস। একুশ আমাদের অহঙ্কার। আমাদের সামগ্রিক পরিচয়। পৃথিবীতে বাঙালি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো জাতি নেই যে জাতি ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে।

alt
তারা আরোও  বলেন, ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি মায়ের ভাষা বাংলা রক্ষার জন্য জীবন দিল রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা আরো কয়েকজন বীর। রচিত হলো মানবজাতির জন্য এক বিরল ইতিহাস।

alt

বাঙালি জাতি মাথা উচু করে দাঁড়াল সবার সামনে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাঙালির গন্ডি ছাড়িয়ে এই দিবসের অংহকার এখন বিশ্বের ভাষাভাষীর প্রতিটি মানুষের। সভা শেষে ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।


নিউইয়র্কে জ্ঞানী ড.এম.এ. ওয়াজেদ মিয়ার ৭৬তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :১৬ই ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খৃষ্টাব্দে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ও দেশ বরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ড.এম.এ. ওয়াজেদ মিয়ার ৭৬তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উদ্যোগে সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় জ্যাকসন হাইট্স পালকি পার্টি সেন্টারে বিশেষ দোয়া এবং প্রয়াত ড: ওয়াজেদ মিয়ার বর্নাঢ্য জীবনের উপরে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

Picture

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসাবে গড়তে হলে আমাদের প্রত্যেককে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার মত সৎ মানুষ হতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য বঙ্গবন্ধু পরিবারের যে আত্মত্যাগ, তা অনুসরণ করে আমাদের প্রত্যেকের উচিত সৎ জীবনযাপনের শপথ নেওয়া।’ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া দেশ ও মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসাবে কাজ করে গেছেন। তিনি ছিলেন একজন সৎ ও নির্মোহ ব্যক্তি। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার পরও তিনি কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। তার মত সুনাগরিকের বাংলাদেশে বড় প্রয়োজন।

alt

উক্ত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান সভা পরিচলনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ .সভায প্রয়াত ড: ওয়াজেদ মিয়ার বর্নাঢ্য জীবনের উপরে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন সৎমানুষ ছিলেন এবং ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধীয .সংক্ষিত সভা শেষে বিশেষ দোয়া করা হয় ,দোযা পরিচলনা করেন মওলানা সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী ।

alt

দোয়া মাহফিল ও আলোচনায় সভায অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মাহাবুর রহমান ,সামসুউদ্দীন আজাদ, সংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ , মহিউদ্দীন দেওয়ান প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম ,মুক্তিযাদ্ধা সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম ,জাহাঙ্গীর হোসেন , সদস্য শাহানারা রহমান ,আব্দুল হামিদ , সিটি আওয়ামী লীগের যুগ্নসাধারন সম্পাদক নুরুল আমিন বাবু সহ সভাপতি শেখ আতিক , না্ন্টু মিয়া যুবলীগ নেতা শেখ জামাল হোসেন , এম আলমগীর সহ অঙ্গ-সংগঠন,সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।


নিউইয়র্কে বর্ণিল আয়োজনে বাংলাদেশ উইমেন’স এসোসিয়েশনের বসন্ত উৎসব

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

চলো মাতি বসন্ত উৎসবে- এ শ্লোগান ধারণ করা এ অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে বসন্ত উৎসব নিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ব্রঙ্কস বাংলাদেশ উইমেন’স এসোসিয়েশন ও বাফার প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন।

alt

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শামিম আরা বেগমের পরিচালনায় বর্ণিল এ অনুষ্ঠানে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, প্রবাসে জন্ম নেয়া ও বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে বাংলা শিল্প-সংস্কৃতিমনা করে গড়ে তুলতে ব্রঙ্কস বাংলাদেশ উইমেন’স এসোসিয়েশন ও বাফা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

alt
পরে সঙ্গীত, নৃত্যসহ মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন সঙ্গীত শিল্পী তানিয়া, বাফার শিশু শিল্পীসহ অন্যান্যরা। বিপুল সংখ্যক altনারী, নতুন প্রজন্মসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ গভীর রাত পর্যন্ত বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানস্থলে শোভা পাচ্ছিল নানা স্বাদের পিঠা। অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় পিঠা উৎসবে।


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও কসোভো প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ :বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে ১৬ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন বিষয়ে যৌথ বিবৃতি সাক্ষরিত হয়।  নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কস্থ কসোভোর কনসাল জেনারেল রাষ্ট্রদূত মিজ টেউটা সাহাতকাইজা স্ব স্ব দেশের সরকারের পক্ষে এই যৌথ বিবৃতি সাক্ষর করেন। বিবৃতি সাক্ষর শেষে উভয় দেশের প্রতিনিধির সাক্ষরে একটি প্রেস রিলিজ ইস্যু করা হয়।

Picture
এই যৌথ বিবৃতি বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে বন্ধুত্বের সূদৃঢ় সম্পর্ক রচনা করবে, পারস্পারিক সহযোগিতার দিগন্ত বিস্তৃত করবে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রেও অবদান রাখবে মর্মে দুই দেশের প্রতিনিধি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বিবৃতিটি সাক্ষরের মাধ্যমে উভয় দেশ জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও আঞ্চলিক সংহতি বজায় রাখা, অন্য রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করাসহ জাতিসংঘের নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক আইনসমূহের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল।

alt

উল্লেখ্য, গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ কসোভোকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়। এছাড়া গত সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশন চলাকালীন কসোভোর রাষ্ট্রপতি হাসিম থাচি এর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কসোভোতে শুরু হবে এর স্বাধীনতা ঘোষণার ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানমালা যাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম অংশগ্রহণ করবেন এবং বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিবেন।


যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পেয়েছেন রোজিনা

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

গত মঙ্গলবার আমিনুল হককে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তবে আগামী ৮ মাসের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপযুক্ত কারণ উপস্থাপন করে অভিবাসন পাওয়ার যোগ্যতা উপস্থাপন করতে পারলে রোজিনাকে স্থায়ীভাবে থাকার অনুমতি দেয়া হবে।


নিউইয়র্কে এবিএম মাল্টি মিডিয়া’র ভ্যালেন্টাইন্স ডে

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : নিউইয়র্কে নানা আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রেও অনুষ্ঠিত হয় শোভাযাত্রা, ভালোবাসার স্মৃতিচারণ, কবিতা আবৃত্তি, গান, ভালোবাসার চিঠি পঠনসহ নানা কর্মসূচি। এই আয়োজনে বিভিন্ন সংগঠন ছাড়াও ছিল ব্যক্তিগত উদ্যোগও।alt

নিউইয়র্কে বাংলাদেশী অধ্যুষিত পার্কচেস্টার-স্টারলিংয়ের বাংলাবাজাখ্যাত ওলমাস্টেড এভিনিউ’র এশিয়ান ড্রাভিং স্কুল পার্টি হলে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে মনোজ্ঞ সঙ্গীত সন্ধ্যা। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় এবিএম মাল্টি মিডিয়ার বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে ছিল শুভেচ্ছা বক্তব্য ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।এবিএম মাল্টি মিডিয়া’র চেয়ারম্যান জামাল আহমেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন তরুণ সিপিএ আহাদ আলীসহ অন্যন্যরা।

alt

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক জনতার কন্ঠ ও ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম-এর সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, মিম টেলিভিশন ইউএসএ’র চেয়ারম্যান সুজন আহমেদ, এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের কর্ণধার এস আর লিংকন, ব্রঙ্কস বাংলাদেশ এসোসিয়েশন সভাপতি এন ইসলাম মামুন, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট বখতিযার খোকন, মামুন রহমান, তুষারসহ বাংলাদেশী কমিউিনিটির নের্তৃবৃন্দ।
চমৎকার এ আয়োজনে নিউইয়র্কের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী কৃষ্ণা তিথি, ন্যান্সি খান, আফজালসহ অন্যান্যরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। শিল্পীদের সাথে কন্ঠ মেলান কবি নাসরিন চৌধুরী, জুলি রহমান, মেহের চৌধুরী, মাকসুদা আহমেদসহ অন্যান্যরা।গভীর রাত পর্যন্ত দর্শক-শ্রোতারা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।