Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/media/federatii-sportive/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রবাসীদের খবর

উত্তরবঙ্গের নারীদের পাশে দাঁড়ালো জাপান প্রবাসী বাংলাদেশী নারীরা

শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : জাপান প্রবাসী বাংলাদেশি নারীরা টোকিওতে গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো চ্যারিটি বাজার আয়োজন করে তা থেকে বিক্রিজাত অর্থের পুরোটাই কুড়িগ্রামের বিপন্ন নারীদের হাতে তুলে দিয়েছে।বাংলাদেশ উইমেনস অ্যাসোসিয়েশন জাপান (বিডবিøউএজে, বোয়াজ) এর ব্যানারে টোকিওর কিতা সিটির উকিম ফুরেআইকানে গত শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনের এ আয়োজনে বিপুল দর্শনার্থীর সমাগত ঘটে।

Picture

বিভিন্ন স্টল সাজিয়ে সেখানে নিজেদের হাতে তৈরি বাংলাদেশি পিঠা, মিষ্টান্ন ও হরেক রকম মুখরোচক খাবারদাবারসহ এবং গহনা, বুটিক এবং বইসহ অন্যান্য পণ্যসামগ্রী তুলে ধরেন সমিতির সদস্যরা। দাতব্য বাজার আয়োজনের মহতী উদ্দেশ্য একটাই, বন্যাসহ নানাবিধ দুর্যোগে বিপন্ন বাংলাদেশের বিপন্ন নারীর পাশে দাঁড়ানো, তার দিকে আশ্বাসের হাত বাড়িয়ে দেয়া।শুধু নারীদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এ চ্যারিটি বাজারের সাফল্য অভ‚তপূর্ব সাড়া তৈরি করেছে ইতোমধ্যে। জাপানের গণমাধ্যমেও ফলাও প্রচার হয়েছে তার। অনলাইন ভিত্তিক শপিং উদ্যোক্তার পাশাপাশি ১৭টি স্টল এতে অংশগ্রহণ করে। বাজারটি সন্ধ্যা ৮টায় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও উৎসাহী ক্রেতার আগ্রহে বহু আগেই শেষ হয়ে যায় স্টলের সাজানো সামগ্রী। বিক্রি থেকে আয়ের পুরো অর্থের চেক তুলে দেয়া হয় সভানেত্রীর হাতে। বাংলাদেশের কুড়িগ্রামে বন্যাকবলিত দুঃস্থ নারীদের পুনর্বাসনে ব্যয় হচ্ছে এ টাকা।
alt
নারী সমিতির প্রধান উপদেষ্টা জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার প্রতিনিধি দূতাবাসের অর্থনৈতিক মন্ত্রী ড. সাহিদা আকতার ছিলেন এর প্রধান অতিথি। আয়োজনের সাফল্যে প্রবাসী নারীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন হচ্ছে। তাদের অবদানে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নারী পারে না এমন কোনো কাজ নেই। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি নারীদের এ আয়োজন তারই অনন্য নিদর্শন।আয়োজনের শুরুতে অনুষ্ঠানে বোয়াজের কার্যকরী পর্ষদের নাম ঘোষণা হয়। এতে সমিতির সভানেত্রী হিসেবে জেসমিন সুলতানা কাকলি, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুবর্ণ নন্দী রিমা, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সালমা আক্তার লাকি এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রোকেয়া পারভিন তানিয়ার নাম ঘোষণা করা হয়। এছাড়া সমিতির প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এবং উপদেষ্টা হিসেবে সাহিদা আকতারের নাম ঘোষণা হয়। সদস্যরা অঙ্গীকার করেন, জাপানে বাংলাদেশের সুনাম বাড়াতে সচেষ্ট থাকবেন। দেশের দুঃস্থ নারীদের ভাগ্য উন্নয়নের কাজ করে যাবেন। সবশেষে আনন্দঘন পরিবেশে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় স্বরলিপি কালচারাল একাডেমির সদস্যরা।
 alt
প্রাণের দেশ ছেড়ে যাওয়া এসব নারীর কেউ দুবছর আবার কেউ দশ বছরের বেশি পেশাগত কিংবা নানা কারণে জাপানে বসবাস করছেন। কিন্তু তাদের বুকের মধ্যে সারাক্ষণ গান গাইতে থাকে ফেলে আসা সবুজ দেশ, মমতামাখানো নাড়ির টান। অনেক ভালোবাসার সেই দেশ, দেশটার সরল মনের মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় থেকেই এবার একজোট হয়েছে জাপান প্রবাসী বাংলাদেশের নারীরাও।এছাড়া দেশের শীতার্ত মানুষের হাতে গরম কাপড় তুলে দেয়ার লক্ষ্যে সমিতির পরবর্তী কর্মসূচি শুরু হচ্ছে শিগগিরই।


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে স্বীকৃতি দিল সিটি অব অটোয়া

শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

Picture

সকল মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সংরক্ষণ এর দাবিতে কানাডার রাজধানী শহর অটোয়ায় এডভোকেসি কার্যক্রম শুরু করেছিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলা কারাভান এবং প্রোএকটিভ এডুকেশান ফর অল চিলড্রেন এনরিচমেন্ট । এই মুভমেন্ট এর অংশ হিসেবে মেয়রের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি জানায় সংগঠনটি। তারই প্রেক্ষিতে সিটি অব অটোয়া এই সিদ্ধান্ত নেয় ।

alt

আনুষ্ঠানে অটোয়ার সিটি মেয়র জিম ওয়াটসন, বাংলাদেশ হাই কমিশনার মিজানুর রহমান, উনেস্কো ডি জি সেবাসটিন প্রমুখ সহ বিভিন্ন কমুনিটির শতাধিক লোক উপস্তিত ছিলেন ! উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে ছিল সিটির বাৎসরিক কার্য তালিকায় দিবস টি সংযুক্ত করা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের র লক্ষ্যে শহরে স্মৃতিসৌধ স্থাপন, স্বীকৃতি প্রদান এবং সকল মাতৃভাষা সংরক্ষণের লক্ষ্যে সকল গ্রন্থাগারে IMLD কর্নার প্রতিষ্ঠা করা।


পর্তুগালে গ্লোবাল ভিলেজ ইভেন্টে সেরা বাংলাদেশ

শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

নাঈম হাসান পাভেল, বাপ্ নিউজ : পর্তুগাল প্রতিনিধি : পর্তুগালে আইএসসিটিই ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট অব লিসবন কর্তৃক আয়োজিত গ্লোবাল ভিলেজ ইভেন্টে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ। আইএসসিটিই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ দেশের স্টল নিয়ে এতে অংশ নেন।

Picture

আইএসসিটিই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গত সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টা হতে শুরু হয়ে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলে এ মেলা। এতে নিজ নিজ দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা।বাংলাদেশ ছাড়াও মেলায় পর্তুগাল, আর্জেন্টিনা, জাপান, মেক্সিকো, স্পেন, সুইডেন, গ্রিস, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, নরওয়েসহ মোট ৩০টি দেশের শিক্ষার্থীদের স্টল ছিল।

alt

মেলায় বাংলাদেশের স্টল ঘুরে দেখেন রাষ্ট্রদূত মো. রুহুল আলম সিদ্দিকী। স্টলে বাংলাদেশি রিকশা, নকশী-কাঁথা, শাড়ি, নিত্য ব্যবহার্য সামগ্রীসহ দেশীয় খাবার ছিল। বাদ যায়নি মেহেদি অঙ্কন উৎসবও। এ সময় বাংলাদেশি পিএইচ.ডি শিক্ষার্থী রিমি আহমেদ বিদেশিদের হাতে মেহেদি দিয়ে আলপনা এঁকে সবাইকে মুগ্ধ করেন।মেলায় অংশ নেয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বলেন, এ ধরণের ইভেন্ট বিশ্ব দরবারে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উপস্থাপন করার একটি অনন্য সুযোগ। আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহ্য, কৃষ্টি-কালচার বিদেশিদের সামনে উপস্থাপন করতে পারছি, এটা আমাদের কাছে খুবই আনন্দের।

alt

এ সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. রাসেল আহমেদ, রিমি আহমেদ, সামিউল হক, সিলভান অরন্য, গাজি আতিক শামীম, কামাল হোসেন, সজিব আহমেদ প্রমুখ।


ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আ ফ ম মাহবুবুল হক এর অন্তিম যাত্রা

সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : অগুনিত মানুষের পরম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন শুদ্ধ রাজনীতিক ও  বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম মাহবুবুল হক। লাল সবুজ পতাকায় জড়িয়ে দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্মান জানিয়ে  রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চির বিদায় জানানোর পর তাঁকে অটোয়া মুসলিম গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।

 শনিবার (১১ নভেম্বর)  স্থানীয়  সময়  দুপুর ১২-৪০ মিনিটে ( বাংলাদেশ সময় রাত ১১.৪০মি.)  অটোয়া জামে মসজিদে জোহর নামাজের পরপরই তাঁর ‘নামাজে জানাজা’ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর  বিকাল ২-৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১.৩০মি.) ‘অটোয়া মুসলিম গোরস্থান’-এ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বাসদ আহ্বায়ক কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হককে সমাহিত করা হয়।

Picture

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের এই বীরসৈনিককে শেষ বিদায় জানাতে অটোয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমানসহ হাইকমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইংল্যান্ড, আমেরিকা এবং কানাডার বিভিন্ন শহর থেকে আসা  মুক্তিযোদ্ধা, সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক সহকর্মীবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অটোয়া জামে মসজিদ এর প্রাঙ্গনে ‘লাল সবুজ পতাকা’-য় আচ্ছাদিত কফিনে চিরনিদ্রায় শায়িত  মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আ ফ ম  মাহবুবুল হক এর প্রতি বাংলাদেশ সরকার এবং জনগণের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন- রাষ্ট্রদূত মিজানুর রহমান এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা শাখা।

বাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটিতে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বে থাকা সভাপতি মোঃ শাহাবউদ্দিন , সহ সভাপতি তাজুল ইসলাম , সাংগঠনিক সম্পাদক  আনোয়ার হোসেন মুকুল ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক গাজী সামসুদ্দিন কমরেড আফম মাহবুবুল হকের অন্তিম যাত্রায় শ্রদ্ধা জানান।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ আহ্বায়ক এবং মুক্তিযোদ্ধা কমরেড আ ফ ম মাহবুবুল হক গত ৯ নভেম্বর, ২০১৭ বৃহস্পতিবার রাত ১১-১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ১০ নভেম্বর ২০১৭ সকাল ১০.১৫ মি) অটোয়া সিভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। বামপন্থি রাজনীতির এই পুরোধা ব্যক্তিত্ব মৃত্যুকালে, স্ত্রী, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন


প্রধান বিচারপতি সিনহা এখন কানাডাঃ আশ্রয় প্রার্থনার সম্ভাবনা

সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা চারটায় চায়না-সাউথার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে কানাডার টরন্টোতে পৌঁছান।১০ নভেম্বর ছুটি শেষে সিনহার দেশে ফেরার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় বড় মেয়ে সূচনা সিনহার কাছে থেকে কানাডার ছোট মেয়ে আশা সিনহার কাছে চলে আসেন। আসার পথে তিনি সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোর কাছে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Picture
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, সরকারের সাথে তাঁর সম্পর্কের অবনতি ঘটায় ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিনের মতো তিনি আর দেশে ফিরতে চাচ্ছেন না। সিনহা স্থায়ীভাবে বিদেশে থাকার জন্য অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এমনকি যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুবিধাজনক জায়গা খুঁজছেন। যেহেতু তাঁর মেয়ে কানাডার ম্যানিটোবায় থাকেন, সেই দিক বিবেচনা করে এখানেই থাকবেন এবং রাজনৈতিক আশ্রয় নেবেন বলেও তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা ধারণা করছেন! তবে তিনি এখনো ম্যানিটোবায় যাননি। টরন্টোতে অবস্থান করলেও তাঁর স্ত্রী সুষমা সিনহা ঢাকায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে সিনহা ব্যক্তিগত সফরে তাঁর মেয়ের কাছে কানাডায় এসেছিলেন। এসময় তিনি টরন্টোয় কানাডীয় প্রবাসী বাংলাদেশি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দেখা করেন।


মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

Picture

যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির ও মাহবুবুল আলম রুবেলের যৌথ পরিচালনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত হোসেন পান্না, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মতিউর রহমান, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীন সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, শাখাওয়াত হক জুসেফ।

alt

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দাতু আক্তার। বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের অর্থনৈতিক সুশাসন ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

alt

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য রেজাউল হক লায়ন, আল আমিন আকাশ, আব্দুল হাকিম ভুইয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সাইদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. মোনায়েম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম মিতুল, মহিলা নেত্রী আয়শা খানম, শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাকির হোসেন, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি ইলিয়াছ আলী বুলু, সেলাঙ্গুর প্রাদেশিক যুবলীগের সভাপতি মো. নয়ন শরিফ, বুকিত বিনতাং যুব লীগের সভাপতি মাননান মাতবর প্রমুখ।


পোল্যান্ডে বাংলাদেশিদের পিঠা উৎসব

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০১৭

মো. মাহবুবুর রহমান: বাপ্ নিউজ : ওয়ারশ, পোল্যান্ড থেকে :পোল্যান্ড মধ্য ইউরোপের এমন এক দেশ যেখানে বাংলাদেশিদের পরিচয় উদ্যোক্তা ও চাকরিদাতা হিসেবে। এখানে সহজেই এবং অল্প পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করার সুবিধা থাকায় বাংলাদেশিদের জন্য একটি আদর্শ দেশ হয়ে উঠছে পোল্যান্ড।

Picture

যদিও এখানের অধিকাংশ বাংলাদেশিদেরই পোলিশ স্ত্রী আছে কিন্তু ধীরে ধীরে বাংলাদেশি পরিবারের সংখ্যাও বাড়ছে। এই বাঙালি ভাবিদেরই একাংশের প্রচেষ্টা ছিল নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের কৃষ্টির অন্যতম প্রধান উৎসব তথা পিঠা উৎসবের মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতিকে তুলে ধরা।

উৎসবে পিঠাএরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ নভেম্বর) রাজধানী ওয়ারশের বাঙালি মালিকানাধীন গ্রিল ইন রেস্টুরেন্টে সন্ধ্যা ৬টায় বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে ওয়ারশ ও এর আশপাশের অনেক শহর থেকেই ভাবিরা হরেক রকমের পিঠা নিয়ে আসেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভাপা, পাটিসাপটা, চিতই পিঠা, লবঙ্গলতিকা, তেলের পিঠা, রস মঞ্জুরি, রসমালাই ছাড়াও হরেক রকম মিষ্টি এবং পোলিশ ভাবিদের তৈরি হরেক রকম কেক। মূল আয়োজনে ছিলেন বাঙালি ভাবিরা। তবে তাদের মধ্যে তানিয়া, রোমানা, তাসনুভা, সীমা, শিউলি, মিম, মারিয়া ও রেনেটা ভাবির নাম উল্লেখ্যযোগ্য।
তানিয়া আফরিনউৎসবে পোল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মাহফুজুর রহমান উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে করেছেন আরও প্রাণবন্ত। এ ছাড়া পোল্যান্ডে বাংলাদেশে অনারারি কনস্যুলার ওমর ফারুক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন তানিয়া আফরিন। পোলিশ ভাষায় অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্য তুলে ধরেন রোজ। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কাচ্চি বিরিয়ানি। উৎসবে শিশুকিশোরদের অংশগ্রহণ এবং তাদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠানের শোভা বৃদ্ধি করেছে অনেকাংশেই।
আয়োজকেরাএ উৎসবের লক্ষ্য ছিল মূলত পোল্যান্ডে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি নতুন প্রজন্ম ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পোলিশ পরিবারের কাছে আমাদের সংস্কৃতিকে তুলে ধরা এবং বাঙালি কমিউনিটিকে একাত্ম করা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই একবাক্য স্বীকার করলেন এই অনুষ্ঠান তার লক্ষ্য পূরণে সফল হয়েছে। এ ছাড়া তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুষ্ঠানে সকলে মিলিত হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।


ফিনল্যান্ডেজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

বৃহস্পতিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৭

এমরান খান, বাপ্ নিউজ : হেলসিংকি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ফিনল্যান্ড শাখা ৭ নভেম্বর মঙ্গলবার ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করেছে।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে এসপোস্পাইসগার্ডেনরেস্তোরাঁএক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ফিনল্যান্ড বিএনপি’র জেষ্ঠ নেতা জামান সরকারের সভাপতিত্বে ও মবিন মোহাম্মদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মোকলেসুর রহমান চপল, বদরুম মনির ফেরদৌস, এজাজুল হক ভূঁইয়া রুবেল, গাজী সামসুল আলম, প্রদীপ কুমার সাহা, সাহিন মোহাম্মদ, মোস্তাক সরকার, মিজানুর রহমান মিঠু, আলাউদ্দিন আহমেদ, আবদুল্লাহ আল মাসুদ, সাজ্জাদ মুন্না প্রমুখ।
দিবসটির তাৎপর্যের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা বলেন, আজকের এই দিন সকল নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত হওয়ার দিন।
১৯৭৫ সালের এইদিনে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সৈনিক-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসেছিলেন সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে। ৭ নভেম্বরের চেতনা তাই জাতীয় জীবনে প্রেরণার উৎস। ওই দিন সৈনিক-জনতা বন্দীদশা থেকে মুক্ত করেন তাদের প্রিয় সেনাপতি জিয়াউর রহমানকে।


ভোট বিহীন অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে আওয়ামীলীগ যতই মিথ্যা মামলা-হামলা করুক জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দমিয়ে রাখা যাবে না উল্লেখ করে ফিনল্যান্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশ যখন অপশাসনে নিপতিত হয়, তখন গণতন্ত্র, স্বাধীনতাযুদ্ধের মূল্যবোধ-অঙ্গীকার হুমকির সম্মুখীন হয়। বাংলাদেশে এখন একটি বিনা ভোটের সরকার ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত। তারা দমন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে জনগণের কণ্ঠরোধ করে দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে শুধুই ক্ষমতায় থাকতে বিভোর হয়ে উঠেছে। এই দুঃশাসনের অবসান হওয়া জরুরি। জনগণ যদি অবাধে ভোট দেওয়ার অধিকারটুকু ফিরে পায়, তাহলেই তারা স্বৈরাচারী শাসনের বিপক্ষে তাদের আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে। এজন্য ৭ নভেম্বরের চেতনায় দেশের সব জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নাজমুল হাসান লিটন, সবুজ খান, মনিরুল ইসলাম, আজহার খান, আরিফুজ্জামান বাবু, আবুল কালাম আজাদ, মীর সেলিম, তাজুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, সোলেমান মো. জুয়েল, সাইফুর রহমান সাইফ, সাগর, রনি, আলম রবিউল হিমু, মামুন হোসেন, মাসুদ রানা হানিফ, বালু, শিপন, সুকান্ত, মুকুল হোসেন, রাসেল খান, জুয়েল, এমরান হোসেন খান, ফাহমিদ-উস-সালেহীন প্রমুখ।


ফ্রান্স আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস পালন

শনিবার, ০৪ নভেম্বর ২০১৭

Picture

এসময় বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। বক্তারা বলেন জাতীয় চার বঙ্গসন্তানই বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তারা যেমন ছিলেন নির্ভিক এবং সৎ, ঠিক তেমনই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। এই কলঙ্কিত হত্যাকান্ডই প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য ইউনেস্কো ডিরেক্টর জেনারেল ইরিনা বাকুবাকে ধন্যবাদ জানান তারা। পাশাপাশি ২৫শে মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস ঘোষণার দাবি জানান নেতারা।

স্মরণ সভা শেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জতীয় চার নেতা সহ সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও জননেত্রী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।


জেনারেল জিয়ার মরনোত্তর বিচার ছাড়া জাতির কলঙ্কতিলক মুছবে না

শুক্রবার, ০৩ নভেম্বর ২০১৭

ভিয়েনা: জেলহত্যা দিবসে শহীদ মহান চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অষ্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশ্বমানবতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে জঘন্যতম কলঙ্কময় ঘটনা ঘটিয়েছিল গণদুশমনেরা। র্নিমমভাবে তারা হত্যা করেছিল জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। এই চার নেতা ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক এবং পরিচালক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তির অন্বেষায় তাঁরা যেভাবে কাজ করেছেন তা জাতি ভুলবে না। জাতিকে কেউ ভুলাতেও পারবে না।

তিনি বলেন, জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যার পরে লালবাগ থানায় ৪ নভেম্বর ‘৭৫ একটি মামলা দায়ের করে জেল কর্তৃপক্ষ। ৬ নভেম্বর ‘৭৫ বিচারপতি আহসানউদ্দিন চৌধুরী, বিচারপতি কে এম সোবহান ও বিচারপতি মোহম্মদ হোসেন সমন্বয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে এই তদন্ত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন জেনারেল জিয়াউর রহমান।

এম. নজরুল ইসলাম বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড, ৩ নভেম্বর জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা, একাত্তর ও পঁচাত্তরের ঘাতকদের পুনর্বাসন, মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশ এবং জেনারেল জিয়ার ক্ষমতারোহন-এইসব বিশ্লেষণে এটা পরিস্কার যে জাতির জনক হত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার মূল নায়কদের অন্যতম একজন হলেন জেনারেল জিয়াউর রহমান। ইতিমধ্যে জিয়ার মরনোত্তর বিচারের দাবি উঠেছে। আমরা প্রবাসীরাও এই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলছি জিয়ার মরনোত্তর বিচার ছাড়া জাতির কলঙ্কতিলক মুছবে না।


সিডনির বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

Picture

প্রবাসীদের আড্ডায় মুহূর্তেই সবাই হারিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের স্মৃতি, কৈশোর ও যৌবনের সেই ভালো লাগার দিনগুলোতে।অস্ট্রেলিয়ার মন্ত্রী, এমপি, মেয়র থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যক্তিরাও উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানকে করেছেন আলোয় আলোকিত। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এনটিভির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেনি। তবে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করেন।

alt
এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাশেদ শ্রাবণ বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দর্শকদের এনটিভির প্রতি গভীর ভালোবাসাই এ উৎসবকে সার্থক করেছে। দর্শকদের অনুপ্রেরণা পেলে প্রতি বছর এ আয়োজন করা হবে বলেও তিনি জানান।কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর জাহাঙ্গীর হাবিব, এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক রিলেশন্স অফিসার সাইমুম সারোয়ার, আমরা বাংলাদেশির সংগঠক ও চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শিবলী আবদুল্লাহ, হেড অব এনটিভি অনলাইন ফকরউদ্দীন জুয়েল। উপস্থাপনা করেন এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি আরিফুর রহমান ও স্থানীয় সংগীত শিল্পী তমা।

বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালের সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এছাড়া নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের এমপি ও সহকারী যোগাযোগ মন্ত্রী মার্ক জোসেফ কোর। তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ব্যাপক প্রশংসা করেন। সংগীত পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পী রুমেন কর্মকার, নৃত্যনাট্য ও দেশি সংগীতের সুর ও তালের ওপর নাচ পরিবেশন করে দর্শক মাতান স্থানীয় শিশু-শিল্পীরা।

alt

সুমাইয়া, নাবিলা একক সংগীতের মধ্য দিয়ে দর্শকদের মধ্যে আনন্দের উচ্ছাস আরও বাড়িয়ে দেয়। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক তমাও গান গেয়ে মাতিয়ে তোলেন দর্শকদের। এরপর প্রবাসী বাংলাদেশি ও অস্ট্রেলীয় মডেলদের ফ্যাশন শো। অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী অর্পিতা সোমের দেশীয় গানের পরিবেশনায় দর্শকরা আনন্দে মেতে উঠেন।

এনটিভির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার সিইও রাশেদ শ্রাবণ শুভেচ্ছা বক্তব্য পড়ে শোনান।এরপর মঞ্চে আসেন অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দলীয় নেতার প্রতিনিধি টনি বার্কের এমপি, গ্লেন ব্রোক্স, ব্যাংকসটাইন সিটির ডেপুটি মেয়র, কাউন্সিলর শাহে জামান টিটু, কেন্টাবুরির সাবেক ডেপুটি মেয়র কার্ল সালহেসহ অনেকে। তারা তিনটি দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের এক মঞ্চে দেখে শুভেচ্ছা জানান।

alt

এ ধরনের অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করে তারা বলেন, সত্যিই এটা একটা বড় আয়োজন। বাংলাদেশের সংস্কৃতি যে কতটা সমৃদ্ধ সেটা এ আয়োজনে বোঝা যাচ্ছে।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী সাঈদ ও ক্লোজআপ তারকা রন্টি দাশ মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন। মেলার চারপাশে চটপটি, ফুসকা, দেশীয় শাড়ি-পোশাক, গহনায় বাহারি রূপে সাজানো হয় স্টলগুলো। তবে চটপটি-ফুসকার দোকানে ভিড় ছিল সবচেয়ে বেশি।