Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

সিএসডব্লিউ এর ৬২ তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সাইড ইভেন্ট

শনিবার, ২৪ মার্চ ২০১৮

Picture

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উক্তি “জলবায়ু পরিবর্তন ভবিষ্যতের কোন সমস্যা নয় এটি আমাদের জীবদ্দশায়ই ঘটছে এবং তা আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। কাজেই এ বিষয়ে আজই ব্যবস্থা নিতে হবে”।
একজন প্যানেলিস্ট হিসেবে প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরি প্রভাব এবং এর সংবেদনশীলতার বিষয়ে ইভেন্টটিতে নানা তথ্য তুলে ধরেন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের সুদৃঢ় প্রতিশ্রুতি, পদক্ষেপ এবং সার্বিক প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু-ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ‘আশ্রয়ণ’ ও ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ এর মতো প্রকল্পসহ নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

alt
দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতিতে খাপ খেয়ে চলা এবং পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সরকার বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।তিনি বলেন, “ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকায় নিরাপদ পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও নিরাপদ পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে আমার মন্ত্রণালয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় নারী ও শিশুদের জন্য প্রকল্প বাস্তাবায়ন করছে”।

alt
‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ’ পুরস্কার বিজয়ী এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা বিষয়ক প্রবক্তা  হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার এক্ষেত্রে আইনগত বিষয়াদি হালনাগাদ করা এবং প্রয়োজনীয় নতুন আইন তৈরীর কাজ করে যাচ্ছে”।

alt
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আইন ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষেত্রে লিঙ্গ সংবেদনশীলতার বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে মর্মে উল্লেখ করেন।জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব এবং দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও এবং বেসরকারি খাতের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন।ইভেন্টটির প্যানেলিষ্ট, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং ইউএন উইমেন এর নির্বাহী পরিচালক মিজ ফুমজিলে ম্যালাম্বে-নগোচুকা (চযঁসুরষব গষধসনড়-ঘমপঁশধ) তাঁর সাম্প্রতিক বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের উদাহরণ টেনে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ সরকার ও এর জনগণ যে স্বত:স্ফুর্ততা ও আন্তরিকতা দেখিয়েছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

alt
এই সঙ্কট মোকাবিলায় বাংলাদেশের নারীদের সহিষ্ণুতার ও সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বিশেষভাবে প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে মর্মে প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ উল্লেখ করেন।সকল প্যানেলিস্ট বাংলাদেশের ব্যাপক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের নারীদের ধৈর্য ও সক্ষমতারও ভূয়সী প্রশংসা করেন তাঁরা।

alt
অন্যান্যদের মাঝে প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম এনডিসি, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার নিউইয়র্কের লিয়াজোঁ অফিসের পরিচালক মিজ কারলা মুকাভি (ঈধৎষধ গঁপধার), ‘ওপেন দ্যা ডোর’ এর কো-ফাউন্ডার মিজ মলি গার্কে (গড়ষষু এবৎশব) এবং মাইগ্রেশন এর থিমেটিক বিশেষজ্ঞ মিজ মারিয়াম তরাওরে চাজালনোয়েল (গধৎরধস ঞৎধড়ৎব ঈযধুধষহড়বষ)। ইভেন্টটির মডারেটর ছিলেন এনজিও কমিটি অন মাইগ্রেশন এর প্রতিনিধি মিজ তেরেসা ব্লুম্যানস্টেইন (ঞবৎবংধ ইষঁসবহংঃবরহ)।

alt
সংসদ সদস্য কাজী রোজীসহ চলতি সিএসডব্লিউ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশ ডেলিগেশন এর সদস্যগণ সাইড ইভেন্টটিতে যোগ দেন। এছাড়া অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, জাতিসংঘের কর্মকর্তা এবং সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিগণ ইভেন্টটিতে অংশগ্রহণ করেন।


Add comment


Security code
Refresh