Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/media/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

রোমে গেলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : ইতালি গেলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। ১১ ফেব্রুয়ারি রোববার রাতের ফ্লাইটে নিউইয়র্ক থেকে ইতালির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন এ সংগঠনের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সেক্রেটারি আব্দুস সামাদ আজাদ এবং নির্বাহী সদস্য শাহানারা রহমান।

Picture

রওয়ানা দেয়ার প্রাক্কালে এ সংবাদদাতাকে নেতৃবৃন্দ জানান, ‘বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির প্রতি মার্কিন প্রবাসীদের অকুন্ঠ সমর্থনের কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর পাশাপাশি সামনের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে এক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশে যাবার চ’ড়ান্ত প্রস্তুতির তথ্যও অবহিত করবো। দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দন্ডাদেশের পর আন্তর্জাতিক বন্ধুরা বর্তমান সরকারের ন্যায়-নিষ্ঠার প্রতি ইতিবাচক ধারণা পোষণ করেছেন-এ তথ্যও সবিস্তারে জানাবো বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে।’


মোহাম্মদী সেন্টার ও জেবিবিএ’র যৌথ উদ্যোগে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে শীতবস্ত্র বিতরণ

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে মোহাম্মদী সেন্টার ও জেবিবিএ যৌথ উদ্যোগে গত রোববার ৪ঠা ফেব্রুয়ারী দুপুরে শীতবস্ত্র বিতরণ করে। জ্যাকসন হাইটসের একুশের গলি সম্মূখে (৩৭-২২ ৭৩ ষ্ট্রীট) শীতবস্ত্র বিতরণ করেন সেন্টারের পরিচালক ইমাম কাজী কায়্যূম এবং জেবিবিএ’র নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট শাহ নেওয়াজ। দুই প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের সহযোগিতায় সিনেটর প্যারাল্টার অফিস থেকে প্রাপ্ত ও স্থানীয় ভাবে সংগৃহিত প্রায় দু’শতাধিক শীতের কোট কম্যিউনিটির অসর্থদের মধ্যে স্বতস্ফূর্তে ফ্রি বণ্ঠন করা হয়।

Picture

২০০৫ সন থেকে স্থানীয় মোহাম্মদী সেন্টার ধর্মীয় সেবার সাথে সাথে কম্যিউনিটির বিবিধ উন্নয়নে আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে যে ভূমিকা রেখে চলেছে, তা আজ প্রবাসী সামাজিক সংগঠনগুলোর জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ। ২০১৬ সনে মোহাম্মদী সেন্টার প্রাপ্ত কোটগুলো উত্তর বংগ ফাউন্ডেশানকে প্রদান করে। ২০১৭ সনে বদরপুর দরবার শরীফের সহযোগিতায় তা জ্যাকসনহাইটসে বিলি করা হয় এবং এ বৎসর ২০১৮ সনে এ মহত কাজটি জেবিবিএকে সংগে নিয়েই করা হলো।


প্রবাসীদের জন্যে ৫টি আসন সংরক্ষণের দাবি স্পীকার শিরিন শারমিনের কাছে

বৃহস্পতিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : প্রবাসের অভিজ্ঞতায় মাতৃভ’মি বাংলাদেশ এগিয়ে চলার পথ ত্বরান্বিত করতে জাতীয় সংসদে ৫টি আসন সংরক্ষণের আহবান। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর কাছে এই দাবি পেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ।৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার নিউইয়র্কে একটি হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলীয় নেতারা সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন স্পীকারের সাথে। সে সময় তাঁকে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এ সময় স্পীকার শিরিন শারমীনকে অবহিত করা হয় যে, জাতীয় সংসদের আসন্ন নির্বাচনে ড. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক হাজার নেতা-কর্মী নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করার জন্যে বাংলাদেশে যাবেন। এ কথা জেনে স্পীকার সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং সুদূর এই প্রবাসে নানা প্রতিক’লতার মধ্যেও প্রিয় মাতৃভ’মির জন্যে অবদান রাখায় প্রবাসীদের প্রতি বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে, পদ্মা সেতুতে কাল্পনিক দুর্নীতির অপবাদ ঘুচাতে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের সদর দফতরের সামনে বড় ধরনের কর্মসূচি পালনের ঘটনাকে খুবই প্রশংসনীয় ছিল বলেও মন্তব্য করেন স্পীকার।

Picture

সংক্ষিপ্ত এ সৌজন্য সাক্ষাতের সময় সারাবিশ্বে এক কোটিরও অধিক প্রবাসীর জন্যে জাতীয় সংসদে ৫টি আসন সংরক্ষিত করার আবেদন পেশ করেন ড. সিদ্দিকুর রহমান। এটি খুবই ভালো একটি প্রস্তাব বলে উল্লেখ করে স্পীকার নেতৃবৃন্দকে জানান যে, তিনি এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে নিয়মতান্ত্রিকভাবে আলোচনা করবেন। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য যে, দেড় দশক আগে প্রবাসীদের জন্যে ১০টি আসন সংরক্ষণের দাবি উঠেছিল। সে সময় উঠা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও ‘আসন সংরক্ষণের দাবি’ বাস্তবায়িত হয়নি।

এ সৌজন্য সাক্ষাতে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, কোষাধ্যক্ষ আবুল মনসুর খান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ এবং মহিউদ্দিন দেওয়ান, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম, বাণিজ্য সম্পাদক মিসবাহ আহমেদ, শিল্প সম্পাদক ফরিদ আলম, ত্রাণ সম্পাদক জাহাঙ্গির হোসেন, জ্যেষ্ঠ সদস্য শাহানারা রহমান প্রমুখ। সৌজন্য সাক্ষাতের পর সকলে নৈশভোজে মিলিত হন।


নিউ ইয়র্কে চুরির অভিযোগে চাকুরি গেল নিপা মোনালিসার

বৃহস্পতিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি: নিউ ইয়র্কে চুরির অভিযোগে চাকুরি হারালেন প্রবাসী বাংলাদেশি নিপা মোনালিসা। এ কারনে মালিকের চারটি দোকানে তার প্রবেশ নিষিদ্ধও করেছেন।নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস এলাকার মেগা ডিসকাউন্ট নামের ওই দোকানে হিসাব রক্ষক পদে কাজ করার সময় সাম্প্রতি অর্থ চুরি করতে গিয়েধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেন দোকানের ভারতীয় মালিক।                    
জানা যায়, ব্রঙ্কসের ইউনিভার্সিটি এভেন্যুর মেগা ডিসকাউন্ট স্টোরের একজন নিষ্ঠাবান হিসাব রক্ষক ছিলেন নিপাI দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে  দোকান মালিকের  বিশ্বাস অর্জন করেন তিনিI অর্থের লোভ সামলাতে না পেরে একদিন অর্থ চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন। দোকানের ভিডিও ক্যামেরা দেখে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের পর চাকুরি হারান নিপা মোনালিসা।ধুলোয় মিশিয়ে যায় তার দীর্ঘদিনের সুনাম।

Picture
নিউ ইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের ভালো কাজের সুনাম থাকলেও নিপার এ ঘটনা প্রবাসীদেরকে সম্মান ম্লান হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সেখানকার বেশ কিছু বাংলাদেশি।
মেগা ডিসকাউন্ট স্টোরের ভারতীয় মালিক প্রকাশ জানান, উক্ত ঘটনার পর নিপা মোনালিসাকে আমাদের চারটি মেগা ডিসকাউন্ট স্টোরের ভেতরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছেI  ঘটনার পর থেকে তিনি বাংলাদেশিরা কাজের জন্য এলেই তাদের বৈধ কাগজপত্র ও ক্রিমিনাল ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের ব্যাপারটিও নিশ্চিত করছেনI নিপার এ ঘটনার আগে যে কেউ চাকুরি করতে ইন্টারভিউ দিলেই দুদিন পরেই চাকুরিতে যোগদান করার সুযোগ মিলতোI কিন্তু বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে নিপা বিশ্বাস ভঙ্গ করায় মালিক প্রকাশ ও তার দুই ভাই তাদের সকল দোকানে অলিখিতভাবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য নিয়োগ বা চাকুরি সীমিত করেছেন।
নিপা মোনালিসার সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করে  বলেন তার কাজে দোকান মালিক অনেক সন্তষ্ট। মালিক চেয়েছিলেন তার মতো একজন কর্মঠ ও নিষ্ঠাবান হিসাব রক্ষক দোকানে কাজ করুকI বিষয়টি মালিকের সদিচ্ছার উপর নির্ভর করছে।


যুক্তরাষ্ট্রে এবার বিতাড়নের মুখে ‘রসায়নবিদ সৈয়দ জামাল ’

রবিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

গত ২৪ জানুয়ারি সন্তানদের স্কুলে দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সৈয়দ জামালকে আটক করে আইস-পুলিশ। স্থানীয় একটি পত্রিকা দ্য কানসাস সিটি স্টার জানিয়েছে, সৈয়দ জামালকে দেশে ফেরত পাঠানো হলে তাঁর জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। কেননা, তিনি বিহারি সম্প্রদায়ের সদস্য। বিহারি সম্প্রদায় এক ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশে নিগৃহীত জনগোষ্ঠী বলে উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি।

Picture
কানসাসের লরেন্স থেকে জামালকে আটক করে ১৬০ মাইল দূরে মিজৌরি কারাগারে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার। গত ২৪ জানুয়ারি সৈয়দ জামালকে যখন আটক করা হয়, তখন তাঁর স্ত্রী তাঁকে জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজে বাধা দেওয়ার দায়ে তাঁরও সাজা হতে পারে বলে সতর্ক করেন আইস-পুলিশ সদস্যরা। সৈয়দ জামালের বড় ছেলে ১৪ বছর বয়সের তাসিন জামাল একটি ভিডিও বার্তায় বাবার দেশে ফেরত পাঠানো ঠেকাতে সবার কাছে আবেগঘন অনুরোধ জানিয়েছে। ভিডিও বার্তায় তাসিন বলে, ‘বাবাকে ছাড়া এই বাসায় আমরা নিঃস্ব। যুক্তরাষ্ট্রের আইন তাঁকে নাগরিকত্ব গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রেখেছিল। আমার ছোট ভাইটি সারাক্ষণ কাঁদে। আমার মা একটি কিডনি নিয়ে বেঁচে আছেন। তিনিও মারা যেতে পারেন তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হলে। ভাইবোন আমরা এখনো অসহায় বাবাকে ছাড়া। এ অবস্থায় আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি, আমার বাবাকে আমাদের পরিবারে ফিরিয়ে আনার জন্য।’
এই অনুরোধে মাঠে নেমেছে কানসাসের লরেন্সের মানুষ। তারা সভা করে, প্লাকার্ড নিয়ে সৈয়দ জামালের মতো বাবা, শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করেছে। চেনজ নামের একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১৫ হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহের অভিযানে নেমেছে তারা।
৫৫ বছর বয়সী সৈয়দ জামাল ১৯৮৭ সালে কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য আসেন। পড়াশোনা শেষে দেশে ফেরত যাওয়ার পর আবার এইচ ওয়ান-বি ভিসায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। তবে তার গ্রিন কার্ড বা নাগরিকত্ব ছিল না। ২ ফেব্রুয়ারি আইস দপ্তরের কাছে চিঠি লিখে জামালের আইনজীবী বারনেট অন্তত তিন সপ্তাহের সময় চেয়েছেন। এর মধ্যে তাঁর দেশে ফেরত পাঠানো ঠেকাতে নতুন করে কাগজপত্র জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন। ইমিগ্রেশন পুলিশ অবশ্য দাবি করছে, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিকবার ডিপোর্টেশন আদেশ ছিল এবং তিনি সেই আদেশ মান্য করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

alt

এবিসি টেলিভিশনের কাছে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়া আইস দপ্তর জানিয়েছেন, সৈয়দ জামাল ১৯৯৮ সালে একবার বৈধভাবে অস্থায়ী নন-ইমিগ্রান্ট ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। দুই দফায় তাঁর বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন আদেশ (ফেরত পাঠানোর আদেশ) ছিল আদালতের। সর্বশেষ ২০১২ সালে তাঁকে একবার পুলিশ গ্রেপ্তার করে তাঁর স্থায়ী বসবাসের অনুমতিসংক্রান্ত জটিলতা খুঁজে পেলেও তাঁকে সে সময় ফেরত পাঠানো হয়নি। ২০১৩ সালে আমেরিকার ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ড তাঁর আবেদন নাকচ করে দেয়। আদালতের সেই আদেশ কেবল পালন করছে তারা।
সৈয়দ জামালের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাঁকে দেশে ফেরত পাঠালে তাঁর প্রাণহানি হতে পারে। চিন্তা আর মননে অসাম্প্রদায়িক বিজ্ঞানমনস্ক ব্যক্তিদের হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে। সে কারণে সৈয়দ জামালের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁর পরিবার।

সৈয়দ জামালের ভাগ্য কী হতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি নাজমুল আলম প্রথম আলোকে বলেছেন, এ ধরনের ইমিগ্রেশন সমস্যায় দুভাবে নিষ্কৃতি পাওয়ার সুযোগ আছে। কংগ্রেসনাল উদ্যোগের মাধ্যমে কোনো কংগ্রেসম্যান বিষয়টি হাউসে উপস্থাপন করে প্রস্তাব পাস করে নিয়ে আসতে পারেন। অন্য ক্ষেত্রে ডিসট্রিক্ট জাজ আটক ব্যক্তির ফেরত পাঠানোর আদেশ স্থগিত করে শুনানি করতে বা প্রত্যাহার করার আদেশ দিতে পারেন।

নাজমুল আলম বলেন, ইমিগ্রেশন বিভাগ কোনো প্রতিকারের অপেক্ষা না করেই আটক ব্যক্তিকে দ্রুত স্বদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নিতে পারে।


নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এ ”আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস” উদযাপন

রবিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ছাড়াও আলোচনা সভায় বাংলাদেশ কম্যুনিটির বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।শুভেচ্ছা বক্তব্যে কনসাল জেনারেল  শামীম আহসান,এনডিসি বাংলাদেশী অভিবাসীদের ভূমিকা সম্পর্কে বলতে গিয়ে অভিবাসন প্রক্রিয়া নিরাপদ করার ব্যাপারে বর্তমান সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ সমূহের উপর আলোকপাত করেন। রাষ্ট্রদূত জনাব মাসুদ বিন মোমেন রেমিটেন্সকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন এর ক্ষেত্রে একটি বড় চালিকা শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে এর বহুমুখী ইতিবাচক প্রভাবের দিকগুলো তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে তিনি অভিবাসীদের অধিকার সমূহকে মানবিক অধিকার এর দৃষ্টিকোন থেকে দেখার তাগিদ দেন। রাষ্ট্রদূত মোমেন অভিবাসীদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে স্থানীয় সমাজের সাথে সম্পৃক্তকরণ এর উপর জোর দেন।

alt
আইএলও’র মি: জ্যাক উন্নয়নের ক্ষেত্রে রেমিটেন্স এর বিশেষ ভূমিকা তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে তিনি ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ প্রেরণের সুবিধাদির কথা বলতে গিয়ে বললেন যে এর ফলে রেমিটেন্স প্রেরণে ব্যয় অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। ইফাদ এর মি: পিনহিরো তার বক্তব্যে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন এর ক্ষেত্রে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট (এষড়নধষ ঈড়সঢ়ধপঃ) এর কথা তুলে ধরেন এবং শ্রমিকদের অভিবাসন এর ব্যাপারে সদস্যরাষ্ট্রসমূহকে বিশেষভাবে আইএলও’র নির্ধারিত মানদন্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কনভেনশনসমূহ অনুসরনের আহবান করেন।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কম্যুনিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও অভিবাসন সংক্রান্ত সংগঠনের প্রতিনিধিরা, সাংবাদিক, কনস্যুলেট ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবার পরিবেশন করা হয়।

alt
Bangladesh Consulate General in New York observes “International Migrants Day”
 
Hakikul Islam Khokan,Bapsnews:The Consulate General of Bangladesh in New York observed International Migrants Day on 24 January,2018 at the Auditorium of the Consulate General. As part of the programme, a discussion meeting was held in which the discussants highlighted on the various aspects of the Day. Mr. Md. Shameem Ahsan,ndc, Consul General  presided over the event.
 
H.E. Mr. Masud Bin Momen, Ambassador and Permanent Representative of Bangladesh to UN, New York, Mr. Vinícius Carvalho Pinheiro, Special Representative to the UN and Director ILO Office for the United Nations, New York, Mr. Zak Bleicher, Partnership Officer and Head, NY Liaison Office, International Fund for Agricultural Development (IFAD), IFAD Liaison Office, New York, Dr. Siddiqur Rahman, President of Bangladesh Awami League US Chapter and community leaders spoke at the occasion.
 alt
In his welcome remarks, the Consul General highlighted on the role of the migrants of Bangladesh and touched on the various measures taken by the Government for safe migration of the Bangladesh nationals. H.E. Mr. Masud Bin Momen, in his speech, described the importance of the Day. While terming remittance as a key driver of development, he narrated the multiple benefits of migration. He stressed on the need to view the rights of migrants as rights of human rights. Ambassador Momen underscored on strengthening socio-cultural integration in the context of migration. Mr. Jack highlighted on the role of remittance in harnessing development. He praised the role of digital money transfer which helps to bring down the costs significantly while informing that IFAD has started to celebrate the World Remittance Day in the month of June to increase awareness. Mr. Pinhero referred back to the Global Compact for Safe, Orderly and Regular Migration (GCM) and particularly focused on labor migration. He called for the member states to comply with ILO standards of labor and relevant conventions that deal with labor migration.

Members of the community, representatives of various social and immigrant organizations, members of media, Officers and Officials of the Consulate and the Permanent Mission, among others, were in attendance. The guests were served with traditional Bangladeshi cuisine.


প্রবাসীদের রক্ষা করতে হবে : ম্যালিন্ডা কাটজ

রবিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ- রিপোর্ট: কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ম্যালিন্ড কাটজ বলেছেন, বিশ্বের সেরা বোরো কুইন্স। এখানেই বিশ্বের ১৯০টি দেশের মানুষ বসবাস করেন। তারা ২০০ ভাষায় কথা বলেন। এই সব মানুষের স্বার্থ ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে হলেও রক্ষা করতে হবে। গত ২৬ জানুয়ারি এস্টোরিয়ার ফ্রাঙ্ক সিনাট্রা আর্ট স্কুলের অডিটোরিয়ামে কুইন্স বোরো প্রেসিডেন্ট ম্যালিন্ডা কাটজ তার স্টেট অব বরো ভাষণে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান, এ্যাসেম্বলীম্যান, বোরো অফিসের কর্মকর্তা, যুদ্ধাহত যোদ্ধা, ফায়ার ফাইটার, নিউইয়র্ক সিটির পুলিশ কর্মকর্তা ও ম্যালিন্ডা ক্যাটজের অফিসিয়ালরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের স্পন্সর ছিলো জেট ব্লু এয়ারলাইন্স।
অনুষ্ঠানে সিনেট মেজরিটি লিডার চাক শ্যুমার বলেন, মিলিন্ডা ক্যাটজ একজন যোগ্য ও কারিসমেটিক রাজনীতিবিদ। কুইন্স সারা বিশ্বের সেরা বোরো, আর মিলিন্ডা সেরা রাজনীতিবিদ। তাকে পেয়ে কুইন্সবাসী গর্বিত হতে পারে। কুইন্স সেরা হবার কারণেই আমার বাবা-মা ব্রুকলীন ছেড়ে কুইন্সে এসে বসবাস করছেন।
তিনি বলেন, আমরা একজন ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী এবং বর্ণবাদী প্রেসিডেন্ট পেয়েছি। ইমিগ্র্যান্টদের স্বার্থ রক্ষায় লড়াই করে যাচ্ছি। আমাদের এই লড়াই চলবে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বিনা চ্যালেঞ্জে দেশ ও ইমিগ্র্যান্টবিরোধী পদক্ষেপ নিতে দেবো না।


ম্যালিন্ডা কাটজ বলেন, আমি আপনাদের ভালবাসায় দ্বিতীয় টার্ম নির্বাচিত হয়েছি। আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। প্রথম টার্মে অনেক কাজ করেছি। এই বুরো নিয়ে আমার যেমন স্বপ্ন রয়েছে আপনাদেরও স্বপ্ন রয়েছে। আমি সবার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। কুইন্স বোরোতে ১৯০টি দেশের ২০০ ভাষার মানুষ বসবাস করছেন। ২.৩ মিলিয়ন মানুষের মধ্যে প্রায় অর্ধেক ইমিগ্র্যান্ট। তাদের স্বার্থ আমাকে রক্ষা করতে হবে।
তিনি বলেন, এক বছর পূর্বে আমরা একজন ইমিগ্র্যান্টবিরোধী প্রেসিডেন্ট পেয়েছি। তিনি ক্ষমতায় আসা পর থেকেই আমেরিকায় বর্ণবাদবিরোধী হামলা বেড়ে গিয়েছে, কাগজ-পত্রহীন অবৈধ ইমিগ্র্যান্টদের ডিপোর্ট করা হচ্ছে। ২১ হাজার ড্রিমারের জীবন হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছেন। তারা এখন অনিশ্চিত জীবনের মধ্যে রয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই কুইন্সে বাস করছে। তারা আমাদের পরিবার, আমাদের সন্তান। তাদের প্রত্যাশা এই দেশের অন্যান্য নাগরিকদের ন্যায় জীবন যাপন করা এবং সিটিজেন হওয়া।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে আমার নতুন পরিকল্পনা হচ্ছে এই বোরোতে ইনভেস্টার ও ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ জানানো। যাতে করে আমাদের বরো আরো সমৃদ্ধ হয়। আমাদের বাজেটের অনেক অর্থ খরচ করেছি স্কুল ও লাইব্রেরিতে। ৪১ মিলিয়ন ডলার ৩৫৪ স্কুলে। তাছাড়াও ২৩ মিলিয়ন ডলার টেকনিক্যাল স্কুলে, ৪৫ মিলিয়ন ২০ লাইব্রেরিতে। ১০০ মিলিয়ন খরচ করা হয়েছে ৫৭টি পার্কে। ২৫ মিলিয়ন কালচারাল ইনস্টিউটে, ২২ মিলিয়ন হেলথ কেয়ারে, ১৭ মিলিয়ন ডলার এ্যাফর্ডেবল হাউজিং এ। যার মধ্যে রয়েছে হোমলেস ও সিনিয়র সিটিজেনদের সেবা। তিনি বলেন, আমাদের এই বরোকে নতুন প্রজন্মের বরোতে পরিণত করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা কুইন্সকে আধুনিক বরোতে পরিণত করবো। কারণ কুইন্সে দিন দিন লোকসংখ্যা বাড়ছে, সবার সব সুযোগ-সুবিধা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আমাদের সন্তানরা। কুইন্সের বিভিন্ন স্কুলে প্রায় ২৮৩০০০ ছাত্রছাত্রী রয়েছে। যা কোন কোন স্টেটের লোকসংখ্যা থেকেও বেশি। অন্যদিকে কুইন্সে জনসংখ্যা বাড়ার গতিও অন্যান্য স্টেট থেকে ২৮%। গত ১০ বছরে ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ১৪ হাজার নতুন এ্যাপার্টমেন্ট তৈরি করা হয়েছে, আরো ১৯ হাজার পাইপলাইনে রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্টের কাজ শেষ হবে। ব্যয় করা হচ্ছে ৮ বিলিয়ন ডলার। জেএফকে এয়ারপোর্টে ব্য য় করা হচ্ছে ১০ বিলিয়ন ডলার। উইলস পয়েন্টে স্টেডিয়াম অধুনিকায়ন করা হচ্ছে। আশা করছি ২০৩৪ সালে বিশ্বকাপ সকারের আয়োজন সেখানে হবে। কুইন্সকে সাজাতে আমরা ব্যয় করবো ৩০০ মিলিয়ন ডলার। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে ফাতিহা আয়াত ও ইউডলি লিন।


স্পীকারের সাথে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের বৈঠক

শনিবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ (ডেসা)- এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেনমিন লিউ’র (তযবহসরহ খরঁ) সাথে বৈঠক করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এম.পি।বৈঠকের শুরুতে ডেসার আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল স্পীকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আর্থ-সামাজিক খাতে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড বিশেষ করে দারিদ্র্য নির্মূলে বাংলাদেশ যে সাফল্য অর্জন করেছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

Picture

স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের নিশ্চয়তা দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশসমূহ এবং এই অঞ্চলের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে”।স্পীকার আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে দারিদ্র্য বিমোচন, মানসম্মত শিক্ষা, কৃষি উৎপাদনশীলতা, খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য-পুষ্টি-সেবা, গড় আয়ু বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়নসহ আর্থ-সামজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের সাফল্যের তথ্য তুলে ধরেন।

alt
বয়স্ক জনসংখ্যার কল্যাণে বাংলাদেশ যে সকল নীতি ও কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সে বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন। তিনি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, এসডিজি বাস্তবায়ন ও এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় ডেসার সহযোগিতা কামনা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুটি উত্থাপন করে স্পীকার এ সমস্যা সমাধানে আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের সার্বিক সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রত্যাশা করেন। আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি জাতিসংঘ মহাসচিবের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিক এজেন্ডার একটি। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুর মানবিক ও রাজনৈতিক সমাধানে জাতিসংঘের সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশে স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।


যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের স্বেচ্ছাছারীতা ও অসাংগঠনিক কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

শনিবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আমরা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী ও সমর্থকবৃন্দ এক যুক্ত বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে নিয়ে ড. সিদ্দিকুর রহমান যে ভয়ঙ্কর খেলায় মেতেছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দলীয় সভাপতি, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট নির্দেশ ছিল যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মলনের প্রস্তুতি গ্রহন করার জন্য। কিন্তু সিদ্দিকুর রহমান দলীয় প্রধানের নির্দেশ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগকে গভীর সঙ্কটের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভা আহবান করে নিজের ইচ্ছেমত কখনো সভা স্থগিত, কখনো সভার তারিখ পরিবর্তন কিংবা কখনো সভা শুরু হবার আগে বাতিল করে সংগঠন পরিচালনায় এক চরম হঠকারিতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। গত ২৯ জানুয়ারী কার্য্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত না হলেও তার স্বভাব সুলভ চতুরতায় মিডিয়াতে সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার অসত্য সংবাদ পরিবেশন করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও সাধারণ নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করেছেন। সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো ও মতামতকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে নিজের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ড. সিদ্দিকুর রহমান কিছু অবাস্তব ও অভাবনীয় কর্মসূচী ঘোষণা করে সংগঠনকে প্রশ্ন বিদ্ধ করে তুলেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর ড. সিদ্দিকুর রহমান চার বার দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ অবস্থান শেষে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বেড়াতে এসে তার চিরাচরিত বিভক্তি ও বিভাজনের রাজনীতি আবারও শুরু করেছেন। আর তার নোংরা শিকার হলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জনাব. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিীকী। জনাব সিদ্দিকুর রহমানের সাংগঠনিক ব্যর্থতা, দুরভিসন্ধি,সর্বোপরি নেত্রীর নির্দেশ অমান্যের বিরুদ্ধে সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে ক্ষোভের দানা বেধেছে, তা অন্য খাতে প্রবাহিত করতে দপ্তর সম্পাদক জনাব মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীকে শোকজের নাটক তৈরী করেছেন ডঃ সিদ্দিকুর রহমান। আমরা অবিলম্বে ড. সিদ্দিকুর রহমানকে এই সব আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত পরিহার করে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীর নির্দেশ বাস্তাবায়নের আহবান জানাচ্ছি। আমরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল নেতা-কর্মীকে শত উস্কানীর মুখেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানাচ্ছি । আহবানকারীদের রয়েছেন, ডঃ প্রদীপ রন্জন কর,ডঃ মহসীন আলী, ডাঃ মাসুদুল হাসান, ডাঃ আবুল বাতেন,  সাইফুল ইসলাম রহিম,  রমেশ নাথ,  হাজী শফিকুল আলম, চন্দন দত্ত,  আব্দুর রহিম বাদশা, শাহ মোঃ বক্তিয়ার, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, কাজী কয়েস, এম এ করিম জাহাঙ্গীর, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, সরাফ সরকার, মোঃ জয়নাল আবেদীন, গোলাম রব্বানী,   হিন্দাল কাদির বাপ্পা, শরীফ কামরুল আলম হীরা,  মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ আলী লিটু গাজী, অধ্যাপিকা মমতাজ শাহনাজ,  ফরিদা ইয়াসমিন, শাহীন আজমল, মোঃ  রফিকুল ইসলাম,এমদাদুল হক চৌধুরী , সুবল দেবনাথ , মোঃ আশরাফ উদ্দিন , দুরুদ মিয়া রণেল, নাফিকুর রহমান তুরান, এস ইসলাম মামুন, মোঃ হাসান জিলানী, মোঃ এবাদুল হক, গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট,  ফরিদা আরভী, ওয়াহিদুজ্জামান লিটন,  মোঃ শাইখুল ইসলাম  শিমুল হাসান ,  তারিকুল হায়দার চৌধুরী, বাহার খন্দকার সবুজ, অহিদুর রহমান মুক্তা, আশরাফ মাসুক, মুঞ্জর চৌধুরী , জুয়েল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন নান্নু, মোঃ কায়কোবাদ খাঁন, হোসেন সোহেল রানা, মোঃ ইলিয়ার রহমান,  খাঁন শওকত, মোল্যা এম এ মাসুদ, জেড এ জয়, মোঃ হেলাল মাহমুদ, মাষ্টার নাদের আলী,  ইঞ্জিনিয়ার মিজানুল  হাসান ,  মোঃ আব্দুল আজিজ, শাহাদত হোসেন, আব্দুস সহিত দুদু, জাহিদ হাসান, আলামিন আকন, হেবাউর রহমান

বার্তা প্রেরক : যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কর্মী ও সমর্থকবৃন্দ


যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শনিবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় বেরুবে আগামী ৮ই ফেব্ররুারী। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত আসামী । গত দশ বছর যাবত মামলাটি পরিচালিত হচ্ছে । এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য মামলাটি রুজু করা হয়েছিল ২০০৮ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের নির্দেশে দুদকের পক্ষ থেকে । মামলাটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পক্ষ বিপক্ষের যুক্তি তর্ক, সাক্ষীদের জেরা, তথ্য উপাত্ত উপস্থাপনের মাধ্যমে সমন্ত আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্ত করে এখন রায়ের জন্য প্রস্তুত ।

এটি সর্বজনবিদিত এই রায়ের ব্যপারে বর্তমান আওয়ামী সরকার কোন ধরনের প্রভাব বিস্তার করেনি এবং করার অবকাশও নেই ।
এই রায়ের ফলাফলের ব্যপারে বিএনপি ইতিমধ্যেই অনেকটা অসহিংস হয়ে উঠেছে, যার প্রতিক্রিয়া আমরা দেখেছি গত ৩০শে জানুয়ারী বকশী বাজার আদালত প্রাঙ্গনে। বিএনপি সমর্থকদের সন্ত্রাসী তান্ডবে দেশের শান্তিপ্রিয় মানুষ বিস্মিত, হতবিহবল হয়ে পড়েছে ।
বিএনপি’র এই অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি দেশ প্রেমিক প্রতিটি নাগরিককে দেশে এবং প্রবাসে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে । কোন অবস্থাতেই বিএনপি যাতে কোন বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃস্টি করতে না পারে তার জন্য সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে ।

Picture
প্রবাসে এই নিউইয়র্কে স্বদেশে ৮ই ফেব্ররুয়ারী আর এখানে ৭ই ফেরুয়ারী  রাতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্বাবধায়নে বিএনপি’র যেকোন অপতৎপরতার বিরুদ্ধে যুগপৎ ব্যাপক সমাবেশ করা হবে। সমাবেশে এই প্রবাসের প্রতিটি সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিককে অংশগ্রহন করার উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।  
জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও সঠিক নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে দুর্বার গতিতে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে এই গতিকে করতে হবে আরো তরান্বিত এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই চলছে সকল প্রস্ততি। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম ও উপদপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক এর বরাত দিয়ে  জানানো যাচ্ছে যে আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারী বুধবার রাত ৮টার সময় জ্যাকসন হাইটস্থ খাবার বাড়ি চাইনিজ পার্টি হলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকলকে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিনীতভাবে আহ্বান করা যাচ্ছে।  
সকল অনিয়মতান্ত্রিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আমরা হুঁশিয়ারী উচ্চারন করছি এবং এই যুক্তরাষ্ট্রের মাটি থেকে দেশের লক্ষ লক্ষ আওয়ামী নেতাকর্মীর কর্মসূচীর প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করছি । জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

 ড.সিদ্দিকুর রহমান                                    আবদুস সামাদ আজাদ
      সভাপতি                                      ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ।                                যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ।    
ফোনঃ ৬০৯-৪৩৩-৮৫১০                               ফোনঃ ৩৪৭-৫৫৩-৬১৬৩ 


জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার নতুন কার্যকরি কমিটি গঠন

বৃহস্পতিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক: জাসদ (আম্বিয়া-প্রধান-বাদল) যুক্তরাষ্ট্র শাখার নতুন কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল মোসাব্বির এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ শাহান খান। গত ১৪ জানুয়ারী এক সভায় জাসদের এ কমিটি গঠন করা হয়। ব্রঙ্কসের কারী এন্ড কাবাব রেস্টুরেন্ট অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুল মোসাব্বির। পরিচালনা করেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহান খান। সভায় অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন সৈয়দ সিদ্দিকুল হাসান, আব্দুল মোছাব্বির, শাহান আহমেদ টুটুল, মুছাব্বির আহমদ মছব, ফজল খান, আতাউর রহমান শাহ আলম, মঞ্জুর হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।সভায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ছাড়াও সর্বসম্মতিক্রমে জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার (২০১৮-২০২০) নতুন কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়।

Picture
নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা হলেন- সভাপতি আব্দুল মোসাব্বির, সিনিয়র সহ সভাপতি মুছাব্বির আহমদ মছব, মোহাম্মদ আব্দুল জলিল, সায়েক আহমদ, আব্দুল আহাদ, জুনেল আহমদ, মর্তুজা আহমদ, সৈয়দ জুয়েল, নজরুল আহমেদ, শামীম আহমদ চৌধুরী, শামায়ুন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক শাহান খান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, মোহাম্মদ ফজল খান, সাংগনিক সম্পাদক আতাউর রহমান শাহ আলম, কোষাধ্যক্ষ সোহেল খান,প্রচার সম্পাদক তোফায়েল খান, দপ্তর সম্পাদক রুহেল খান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহতাবুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা রুনা আক্তার, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদিকা জয়া চৌধুরী। কার্যকরি সদস্য মেছবাহ আহমেদ বাহলুল, মঞ্জুর হোসেন চৌধুরী জগলু, জাদিদ মনির, জাবেদ মনির ও সোহেল আহমেদ।