Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/media/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

প্রজন্ম’৭১ ও বাংলাদেশ ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে নিউইয়র্কে স্বাধীনতার কবিতা উৎসব ও সঙ্গীতানুষ্ঠান

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

সভাপতির শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে সভার শুরুতে কবিতা পাঠ করেন বাংলাদেশ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজ হায়দার। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সুমন মাহামুদ, নান্টু মিঞা, আরবাব সিমন, ইয়াসির আরাফাত তৌহিদ, জোবায়ের আল হাসান, রাজু আহমেদ, মাহমুদুল হাসান, রুবেল মিঞা, মুছা আহমেদ, সহিদ সিরাজ সৌরভ, এম আলমগীর, আবু কাউছার,  আব্দুল হামিদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবদুস সামাদ আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবুল বাতেন, খোরশেদ আনোয়ার বাবলু, সরাফ সরকার, সামসুদ্দিন আজাদ, জাকারিয়া চৌধুরী, ঠিকানা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান, অধ্যাপিকা হোসেন আরা বেগম, নীরা কাদেরী ও অভিনেত্রী শিরিন বকুল।

alt

আরও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজাহিদুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, তৈয়বুর রহমান টনি, আলী হোসেন গজনবী, কামাল হোসেন মিঠু, রেফায়েত উল্ল্যাহ চৌধুরী, ওবায়দুল্লাহ মাম ুন,  সাংবাদিক আহমেদ মাজহার, শাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন কবি মিশুক সেলিম, কবি শামস আল মমিন, নাট্যব্যক্তিত্ব মুজিব বিন হক, শামীম আরা আফিয়া, আনোয়ার সেলিম, লুবনা কাইজার, রওশন হাসান, জাহাঙ্গীর শাহা নেওয়াজ ডিকেন্স, সৈয়দা পারভীন আক্তার, আব্দুল আজিজ নাঈমী, এলিজা বাহার, লিওনা মুহিত, ফাসির কবির কাব্য,  হাবিবুর রহমান হাবিব, রোকসানা বেগম, তাহামিনা শহিদ, লুৎফা শাহানা, লুবনা কাইজার।স্বাধীনতা ও দেশের গান পরিবেশন করেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী নিপা জামান, সম্পা জামান, হেরা মিলন কুমরা রায়, মোহর খান, রওশন বেগম, রুবিনা শিল্পী, সেলিম ইব্রাহিম, শর্ণা, পারভিন, প্রিয়া, ডাঃ নাির্গস রহমান।আরও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খায়রুল ইসলাম খোকন, আব্দুল কুদ্দুছ, বাবু, তামান্না হাসিনা, রওশন বেগম, ইয়াসমিন পাত্তাহ ঝর্ণা।নৈশ ভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।


জালালাবাদ ল’ সোসাইটির ৪৭তম স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

গত ২৭ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক এর জ্যাকসন হাইটসের খাবার বাড়ী রেষ্টুরেন্টের চায়নিজে জালালালবাদ ল’ সোসাইটি আয়োজিত মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।খবর বাপসনিঊজ।

alt

জালালাবাদ ল’ সোসাইটির সভাপতি এডভোকেট এমাদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুফিয়ান আহমদ চৌধুরীর পরিচালনা ও উপস্থাপনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডেমোক্রেটিক ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এর্টনী মঈন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন এডভোকেট নাসির উদ্দিন, সাংবাদিক এডভোকেট ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল খাঁন। পবিত্র কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কাজ শুরু হয়। তেলাওয়াত করেন এডভোকেট আশিক আহমদ খাঁন।

alt

আলোচনায় অংশ নেন জালালাবাদ ল’ সোসাইটির উপদেষ্টা এ ডভোকেট প্রণয়েন্দু কিশোর দত্ত রাম, সহ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আব্দুস শহীদ আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট নূরুল ইসলাম ময়নুল, কার্যকরী সদস্য এডভোকেট সাব্বির আহমেদ মাসার, সদস্য এডভোকেট সাইয়েদ মঈন উদ্দিন জুনেল, এটর্নী হাসান মালিক, মুক্তিযোদ্ধা অবিনাশ চন্দ্র আচার্য, শিবতোষ চক্রবর্তী ও আকমাম খাঁন প্রমুখ।সভা শেষে উপস্থিত সকলকে নৈশ ভোজে আপ্যায়িত করা হয়।


ওয়াশিংটনে ২৬ মার্চকে ‘বাংলাদেশ ডে’ ঘোষণা

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

ঘোষণায় বলা হয়, এই দিনটিতে বাংলাদেশ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতার অর্জনের কথা স্মরণ করছে।এতে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, সহনশীল, বহুদলীয়, মধ্যপন্থী দেশ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যেটি বিশ্বের কাছে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে, যার বন্ধুত্ব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

alt

কলম্বিয়া জেলার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাসের অবদানের কথা উল্লেখ করে অনুষ্ঠানে মেয়র বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে ২৬ শে মার্চ ‘বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।


কিশোরগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের ৪৭তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :নিউইয়র্কের অন্যতম বৃহত্তম সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কিশোরগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বাংলাদেশের ৪৭তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জ্যামাইকার কিং কাবাব রেষ্টুরেন্টে গত ২৫শে মে মার্চ রবিবার সন্ধ্যায় সংগঠনের সভাপতি আনোয়ার উদ্দিনের সভাপতিত্বে ‘স্বাধীনতার চার যুগে পদার্পণ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Picture

কিশোরগঞ্জ ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হকের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি ফার্মাসিষ্ট আবদুল আওয়াল সিদ্দিকী, সাবেক সভাপতি,  মুক্তিযুদ্ধা প্রকৌশলী একেএম আশরাফুল হক, সংগঠনের সাবেক সভাপতি  হাবিব রহমান হারুন, সাবেক উপদেষ্টা  জাইদুল কবীর খান সারোয়ার, উপদেষ্টা তারক চন্দ্র পন্ডিত, সহ সভাপতি, বাবু জয়ন্ত শর্মা বিশ্ব, সহ সভাপতি হুমায়ুন কবীর, সভাপতি মীনা ইসলাম, সহ সভাপতি আলী আহসান আকন্দ শামীম, সহ সাধারণ সম্পাদক  জাবির হোসেন তাকবীর, সহ সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রশিদ সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক  আলাউদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ  বদরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ফয়সাল কবীর, দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান জুয়েল, সদস্য  মেজবাহ উদ্দিন মুকুল,  আশরাফুল আলম হিমেল, নজরুল ইসলাম, রফিউল করিম খান সাজ্জাদ,  সাইফুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও  আলী আকবর প্রমুখ।

alt
বক্তারা উন্নয়নের পাশাপাশি গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবী সহ দুর্নীতি দূরীকরণ, অবিলম্বে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস প্রনয়ণের জোর দাবী জানান। আলোচনা সভার শুরুতেই সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। সদ্য নির্বাচিত কিশোরগঞ্জ জেলা বারের সভাপতি এডভোকেট অধ্যক্ষ এমএ রশিদকে অভিনন্দন জানানো হয়।  নৈশ ভোজের মাধ্যমে আলোচনা সভার সমাপ্তি হয়।


যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশের ৪৭তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কস্হ জ্যাকসন হাইটসের মেজবান রেষ্টুরেন্টে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক সুবল দেবন াথের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে মুল্যবান বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা মানেই জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ।

Picture

বঙ্গবন্ধু মুজিব আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন আর তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি বর্তমান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতা রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরীর মত কাজ করে যাচ্ছেন।অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে টেলিফোনের মাধ্যমে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সংগ্রামী সভাপতি আলহাজ্ব এড. মোল্লা মো: আবু কাউসার ।তিনি আজকের অনুষ্ঠানে উপস্হিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করেন ।

alt
প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ । বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের আন্তর্জাতিক সহ সম্পাদক সাখাওয়াত বিশ্বাস।বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহবায়ক ও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন দেওয়ান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, উপ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সদস্য সচিব ও বর্তমান নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলাম ,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের কার্যকরী সদস্য সেন্টু , আব্দুল হামিদ,সাউথ নিউজার্সি আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জসিম উদ্দিন ।

alt
আলোচনায় অংশগ্রহন করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ সভাপতি আশরাফ উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, মাহবুব রহমান, জাহিদ মিয়া,অতুল প্রসাদ রায়, যুগ্নসাধারন সম্পাদক নাফিকুর রহমান তুরান,এইচ এম ইকবাল, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া,আনিসুজ্জামান সবুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট,কামাল হোসেন রাকিব,সুমন আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,দপ্তর সম্পাদক এম জি মোস্তফা,আপ্যায়ন সম্পাদক শাহ মোফাসসির আহমেদ,ধর্ম সম্পাদক আলামিন হোসেন ,অর্থ সম্পাদক জালাল উদ্দিন, মানবসম্পদ সম্পাদক সজল রহমান,সহ প্রচার সম্পাদক পাভেল সাদেক,সহ প্রকাশনা সম্পাদক কামাল উদ্দিন, কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম মিলু,তোফায়েল আহমেদ, বেলাল হোসেন,কামাল উদ্দিন, কাউসার আহমেদ,মমতাজ উদ্দিন,কামরুল ইসলাম জসিম,মাইরুল ইসলাম, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান লিটন, সহ সভাপতি আব্দুল হাদী রানা, প্রচার সম্পাদক মনিরুল ইসলাম আপন ।

alt
আলোচক হিসেবে মুল্যবান বক্তব্য রাখেন জাতীয় শ্রমিকলীগ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকন , সাধারন সম্পাদক জুয়েল মিয়া, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ নেতা আনিসুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক জামাল হোসেন,যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া,যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী কানিজ ফাতেমা,যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শহিদুল হক রাসেল,নিউইয়র্ক মহানগর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হায়দার আলী ।এছাড়াও অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ,নিউইয়র্ক স্টেট, মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সকলস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন ।পরিশেষে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘোষনা করা হয় ।


যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ কর্তৃক মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্কে যুবলীগ কর্তৃক মহান স্বাধীনতা দিবস জ্যাকসন হাইটস এর পালকী সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়।

Picture

যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহবাহক এ কে তারিকুল হায়দার চৌধুরী এর সভাপতিত্ব আমিনুল হোসেন, আতিকুর রহমান সুজন ও রিয়াজুল হোসেন লস্কর মিটু পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডঃ প্রদীপ কর। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এর আলোচনায় প্রধান অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ডঃ প্রদীপ কর বলেন, এই যুবসমাজই মুক্তিযুদ্ধে আত্মদান করেছে আর আজ আওয়ামী যুবলীগ এই অবদান আজও রাখছে।

alt

তিনি বলেন, তারিকুল হায়দার চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ নিয়ে যে কাজ করছেন তার জন্য ধন্যবাদ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি ডঃ হাসান মাসুদ উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, ফারুক হেসেন উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, কাজি কয়েছে সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকি দপ্তর সম্পাদক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, এড: শাহমোহাম্মদ বখতিয়ার আইন বিষক সম্পাদক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, মুজাহিদ আনসারী, সাবেক ছাত্রনেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শরিফ কামরুল আলম হীরা, সদস্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, কাউনার মাসুদ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ, শাহীন আজমল সাধারন সম্পাদক নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামীলীগ, রফিকুর রহমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগ, সাইফুল ইসলাম সহসভাপতি নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগ, মোঃ শিমুল হাসান যুগ্ন সাধারন সম্পাদক নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামীলীগ, দুরুদ মিয়া রনেল সহসভাপতি স্বেচ্ছাসেবকলীগ, আতিকুর রহমান তোরন যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মন্জুর চৌধুরী সহসভাপতি শ্রমিক লীগ,

alt

রুমানা বখতিয়ার যুগ সাধারন সম্পাদক মহিলা আওয়ামীলীগ, এছাড়া আর বক্তব্য রাখেন আকবর হোসেন স্বপন সাংগঠনিক সম্পাদক মহানগর আওয়ামীলীগ, শিহাব মিয়া দপ্তর সম্পাদক ও আবুল কালাম কার্যকরী সদস্য মহানগর আওয়ামীলীগ, আব্দুল ওয়াহেদ আহরায়ক, মহান স্বাধীনতা দিবস উদয়াপন কমিটি ২০১৮, শফি আনছারী স্বপন কর্মকার, গনেশ কির্ওনিয়া, শাহ রহিম শ্যামল, আব্দুল নূর হারুন, ফজলুর রহমান, ফখরুল ইসলাম, জাবির হোসেন জুনেদ আহমদ সদস্য যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ। জাহিদ হাসান সভাপতি ও সাবেক সভাপতি জেড এ জয় ছাত্রলীগ যুক্তরাষ্ট্র। নুরুজ্জামান সুহেল সভাপতি নিউজার্সি স্টেট যুবলীগ, শহীদুল ইসলাম হাফিজ সাধারণ সম্পাদক নিউজার্সি স্টেট যুবলীগ,

alt

খন্দকার জাহির সভাপতি নিউইয়র্ক সিটি যুবলীগ, গিয়াস উদ্দিন সভাপতি, বজলুর রশীদ চৌধুরী সহসভাপতি, ইমরান আলী সাধারন সম্পাদক ব্রঙ্কস ব্র্যারো যুবলীগ, সাদিয়া আফরিন। অনুষ্টান শুরুতে আল কোরআন পাট করেন করেন মোঃ নাদের ও গীতা পাট করেন গনের্শ কির্ওনিয়া। কবিতা আবৃত্তি করেন এড: পর্না ইয়াছমীন।


যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে : নোয়ার্ট

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

Picture

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। নোয়ার্ট বলেন, এই মর্মান্তিক মানবিক সংকটের সময়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি এবং বাংলাদেশের নেতৃত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হিসেবে নওরত গত নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফর করেন। তিনি তার এই সফরকালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরগুলো পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে বলেন, বংলাদেশের মানুষ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা অসহায় মানুষগুলোর জন্য তাদের দ্বার ও হৃদয় উন্মুক্ত করে দিয়েছে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ এ জন্য আমেরিকান জনগনের কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ হয়েছে। তিনি অসহায় রোহিঙ্গাদের এমন দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকতে এবং সাধ্যমত সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আহবান জানান।

নোয়ার্ট এর আগে চ্যান্সেরি চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বক্তব্য রাখেন।সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেী মিশনগুলোর কূটনীতিকগণ, মার্কিন সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাগণ, রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবি, ব্যবসায়ী, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ, সিনিয়র সাংবাদিকগন, বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যোগ দেন।

alt

নোয়ার্ট বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেছেন, বিশ্বে সবোর্চ্চ মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি পরবর্তী পযার্য়ে নিয়ে যেতে মাকির্ন রফতানিকারকগণ সহায়তা অব্যাহত রাখবে।তিনি বলেন, মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনী আঞ্চলিক জলসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত, সন্ত্রাসীদের দমন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের শক্তিশালী করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে।মাকির্ন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশী শান্তি রক্ষীরা দেশটির জাতির পিতার সাহসী দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্বাধীনতা রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। তিনি বংলাদেশ সফরকালে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু যাদুঘর পরিদর্শনকালে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের উল্লেখ করে বলেন, এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাঙালি-অবাঙালি-হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাই ভাই ভাই। আমাদের দায়িত্ব সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

নেয়ার্ট বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর বুদ্ধিমত্তা ও চেতনার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তিনি একসঙ্গে শান্তি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন। ভাষণে সকলকে ভাই ও বোন হিসেবে এবং তাদের অধিকার সমুন্নত রাখার বিষয়ে বিবেচনা করা হয়েছে। ভাষণে কোন শ্রেণী, বর্ণ, রাজনীতি অথবা জন্মস্থান গুরুত্ব পায়নি।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সরকারের সমর্থন মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের দু’দেশের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্ক আরো জোরদার করেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দুটি দেশই অভিন্ন স্বার্থ, দ্বিপক্ষীয় ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে।

alt

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থান বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাস নির্মূলে তাকে আরো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করেছে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিদেশে পালিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং বিশেষ করে জাতির পিতার সাজাপ্রাপ্ত খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। অনুষ্ঠানে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাদেশের প্রবাসী শিল্পীরা সঙ্গিত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে একটি কেক কাটা হয়।


আমেরিকায় থাকা স্বামী/স্ত্রীর গ্রিনকার্ড পাওয়ার উপায়

শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

কেউ যদি মার্কিন নাগরিক হন এবং তাঁর স্বামী/স্ত্রী যদি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে থাকে তবে তিনি একজন বৈধ নন-ইমিগ্রান্ট স্ট্যাটাস সম্পন্ন ব্যক্তি যেমন হতে পারেন তেমনি তিনি একজন অবৈধ অভিবাসীও হতে পারেন। বৈধ নন-ইমিগ্রান্ট স্ট্যাটাসের কয়েকটি উদাহরণ হলো আই-২০ ভ্যালিড আছে এমন অ্যাকাডেমিক স্টুডেন্ট (এফ১) ভিসা অথবা ভকেশনাল স্টুডেন্ট (এমন) ভিসা, আমেরিকার আসার পর ৯০ দিনের কম অতিবাহিত হয়েছে এমন ফিয়ান্সে বা বাগদত্তা (কে১) ভিসা, মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রী (কে৩) ভিসা, আই-৯৪ বৈধ আছে এমন বিজনেস/ভিজিট (বি১/বি২) ভিসা, সাংবাদিক (আই) ভিসা, শিল্পী (পি৩) ভিসা, পারসন ইন স্পেশালিটি অকুপেশন (এইচ১বি) ভিসা, ট্রিটি ইনভেস্টর (ই২) ভিসা, বিজ্ঞান/শিল্প/শিক্ষা/বাণিজ্য/ অ্যাথলেটিক্সে অসাধারণ দক্ষতার (ও) ভিসা, ইন্ট্রা কোম্পানি ট্রান্সফারি (এক১এ/এল১বি) ভিসা, ধর্মীয় কর্মী (আর১), অপরাধী কর্মকাণ্ডের ভুক্তভোগী (ইউ) ভিসা ইত্যাদি।
অন্যদিকে অবৈধ অভিবাসী আবার দুই ধরনের হতে পারে। কেউ যদি বৈধভাবে ভিসা নিয়ে আমেরিকায় আসে, কিন্তু তারপর তার এ দেশে থাকার অনুমোদিত মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পরও সে এই দেশ ছাড়তে ব্যর্থ হয়, তখন তাকে যেমন অবৈধ অভিবাসী বলা যায় ঠিক তেমনি কেউ যদি কোনো রকম ভিসা ছাড়া আমেরিকার সীমান্ত অতিক্রম করে এ দেশে আসে সেও একজন অবৈধ অভিবাসী। এই তিন ধরনের (বৈধ নন-ইমিগ্রান্ট ও দুই রকম অবৈধ অভিবাসী) ব্যক্তির ক্ষেত্রে আমেরিকার নাগরিক বিয়ে করে তার ওপর নির্ভর করে গ্রিনকার্ড পাওয়ার নিয়ম একরকম নয়।

Picture
প্রথমে আসা যাক মার্কিন নাগরিক যদি কোনো বৈধ নন-ইমিগ্র্যান্টকে বিয়ে করেন, তবে তার ক্ষেত্রে গ্রিনকার্ড পাওয়ার বিস্তারিত বিষয়। এ কাজে যে ফরমগুলো ব্যবহার করতে হবে সেগুলো হলো—
আই-১৩০, পিটিশন ফর অ্যালিয়েন রিলেটিভ—জমা দেওয়ার ফি ৫৩৫ মার্কিন ডলার
আই-১৩০এ, সাপ্লিমেন্টাল ইনফরমেশন ফর স্পাউস বেনিফিশিয়ারি—জমার জন্য কোনো ফি নেই
আই-৪৮৫, অ্যাপ্লিকেশন টু রেজিস্ট্রার পারমানেন্ট রেসিডেন্স অর অ্যাডজাস্ট স্ট্যাটাস—জমার ফি ১ হাজার ১৪০ ডলার
আই-৭৬৫, অ্যাপ্লিকেশন ফর এমপ্লয়মেন্ট অথোরাইজেশন—জমার জন্য কোনো ফি নেই
আই-৮৬৪, অ্যাফিডেভিট অফ সাপোর্ট আন্ডার সেকশন ২১৩এ অফ আইএনএ—জমার জন্য কোনো ফি নেই
আই-৬৯৩, রিপোর্ট ফর মেডিকেল এক্সামিনেশন অ্যান্ড ভেক্সিনেশন রেকর্ড—জমার জন্য কোনো ফি নেই
জি-১১৪৫, ই-নোটিফিকেশন অফ অ্যাপ্লিকেশন/পিটিশন এ্যাক্সেপ্ট্যান্স—জমার জন্য কোনো ফি নেই
বায়োমেট্রিকের জন্য কোনো আলাদা ফর্ম নেই, কিন্তু ফি দিতে হবে ৮৫ ডলার। অর্থাৎ মোট সরকারি ফি পরিশোধ করতে হচ্ছে ১ হাজার ৭৬০ ডলার। এই সাতটি ফরম একত্রে জমা দেওয়াকে বলা হয় কনকারেন্ট ফাইলিং। যেহেতু মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রীর গ্রিনকার্ড আবেদনের কোনো অগ্রাধিকার তারিখ থাকে না অর্থাৎ এই ক্যাটাগরির গ্রিনকার্ডের সব সময় সহজপ্রাপ্তি থাকে বলে এই কনকারেন্ট ফাইলিংয়ের সুবিধা ভোগ করা যায়।
এই ফরমগুলোর বাইরে অন্যান্য যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে সেগুলো হচ্ছে বিয়ের কাবিননামা, দুজনের জন্ম সনদ, বিয়ের ছবি, পারিবারিক ছবি, দুজনের ছয় কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, যৌথ ব্যাংক হিসাবের স্টেটমেন্ট, বসবাসের ঠিকানায় জয়েন্ট লিজ অ্যাগ্রিমেন্ট অথবা জয়েন্ট ইউটিলিটি বিল, যৌথ আয়কর ফাইল যদি থাকে, সন্তান থাকলে তার জন্ম সনদ, বিয়ের উদ্দেশ্য ও বর্তমান অবস্থা জানেন এমন একজন বা দুজন ব্যক্তি কর্তৃক প্রয়োজনীয় সব তথ্যসহ অ্যাফিডেভিট, যদি আগে কোনো বিবাহ থাকে তার বিচ্ছেদের কাগজপত্র বা মৃত্যু সনদ, মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণস্বরূপ ন্যাচারালাইজেশন সনদ/নাগরিকত্ব সনদ/জন্ম সনদ/ অমেয়াদোত্তীর্ণ মার্কিন পাসপোর্টের ফটোকপি।
ফরমগুলো পূরণ করার জন্য ওপরে উল্লেখিত কাগজপত্রের বাইরেও স্বামী-স্ত্রী দুজনের বাবা-মায়ের জন্ম তারিখ ও জন্মস্থান, সর্বশেষ পাঁচ বছরের ঠিকানা ও বসবাসের তারিখ, সর্বশেষ পাঁচ বছরের কর্মস্থলের ঠিকানা ও তারিখ, আবেদনকারীর সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর, আবেদনকারী নিজে অথবা যিনি স্পনসর করবেন তার পূর্ববর্তী তিন বছরের আইআরএস ট্রান্সক্রিপ্ট, পূর্ববর্তী তিন বছরের ফর্ম ডব্লিউ-২ বা ফর্ম ১০৯৯-সহ আয়কর দাখিলের সমুদয় কপি, জব লেটার অথবা সমসাময়িক ছয় মাসের পে স্টাব, সম্পর্ক সংক্রান্ত চিঠি, নাগরিকত্ব সনদ/জন্ম সনদ/অমেয়াদোত্তীর্ণ মার্কিন পাসপোর্ট/গ্রিনকার্ডের ফটোকপি, এখনো গ্রিনকার্ডধারী রয়েছেন এমন কয়জনকে ইতিপূর্বে স্পনসর করেছেন সেই সংখ্যা, সব সঞ্চয়ী ও চেকিং অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স, কোনো রিয়েল এস্টেট প্রোপার্টি থাকলে মর্টগেজ ঋণ বাদ দিয়ে ওই প্রোপার্টির নেট ভ্যালু ও ওই প্রোপার্টির লোকেশন, মালিকানা ও অ্যাকুইজিশনের কাগজ, ফোন নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা, আবেদনকারী ব্যতীত অন্য কেউ স্পনসর করলে ওই ব্যক্তি যদি তার স্পাউস বা অন্য কোনো পরিবারের সদস্যের আয়করসহ যৌথ আয়কর ফাইল করে থাকেন তবে সেই স্পাউস বা পরিবারের সদস্যের মাধ্যমে পূরণকৃত ‘ফরম আই-৮৬৪এ, কন্ট্রাক্ট বিটুইন স্পনসর অ্যান্ড পরিবারের মেম্বার’ লাগবে।
আবেদনপত্রগুলো জমা দেওয়ার পর যার জন্য আবেদন করা হয়েছে অর্থাৎ মার্কিন নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রীকে নিকটস্থ অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট সেন্টারে হাজির হয়ে হাতের ছাপ দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়ে জানানো হবে। সাধারণত আবেদনের পর ৯০ দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া যায়। সব আবেদনপত্রের ক্ষেত্রে ইন্টারভিউ প্রয়োজন নাও হতে পারে। যদি ইন্টারভিউ প্রয়োজন হয় তাহলেও চিঠি দিয়ে জানানো হবে। যদি ইন্টারভিউতে ডাকা হয় তবে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই আগে যেসব কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে সেগুলোর মূল কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। এরপর আবেদনের সময় থেকে সাত-আট মাস পর লিখিতভাবে ফলাফল জানানো হবে। যদি আপনার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়, তাহলে সেই প্রত্যাখ্যানের চিঠি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ফর্ম আই-২৯০বি, নোটিশ অব আপিল অর মোশন দাখিল করার মাধ্যমে আপিল অথবা রিওপেন ও পুনর্বিবেচনা করার জন্য মোশন করা যায়। গ্রিনকার্ড ইস্যু করার তারিখে যদি বিয়ের বয়স দুই বছরের কম হয় তবে পরবর্তী দুই বছরের জন্য কন্ডিশনাল গ্রিনকার্ড দেওয়া হবে। সেই কন্ডিশন রিমুভ করার জন্য গ্রিনকার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ৫৯৫ ডলার ফিসহ ‘ফরম আই-৭৫১, পারমিট টু রিমুভ দ্য কন্ডিশন্স অব রেসিডেন্স’ পূরণ করে এর সঙ্গে সন্তান থাকলে তার জন্ম সনদ, বাড়ি ভাড়ার লিজ অ্যাগ্রিমেন্ট যেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনের নাম রয়েছে, যৌথ সঞ্চয়ী এবং চেকিং অ্যাকাউন্ট, যৌথ আয়কর দাখিলের কাগজপত্র, যৌথ ইউটিলিটি বিল ও শর্তসাপেক্ষে গ্রিনকার্ড পাওয়ার সময় থেকে সংশ্লিষ্টদের বৈবাহিক সম্পর্কের বিষয়ে আবগত আছেন এমন দুজন ব্যক্তির অ্যাফিডেভিট জমা দিতে হবে।
অন্যদিকে মার্কিন নাগরিক যদি কোনো অবৈধ অভিবাসীকে বিয়ে করেন, তবে তার ক্ষেত্রে গ্রিনকার্ড পাওয়ার নিয়মকানুন কেমন? যিনি ভিসা নিয়ে এ দেশে এসে অনুমোদিত মেয়াদের বেশি সময় অবস্থান করে অবৈধ অভিবাসী হয়েছেন, অথবা যিনি কোনো রকম ভিসা ছাড়া আমেরিকার সীমান্ত অতিক্রম করে এসে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে এ দেশে অবস্থান করছেন তাদের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিক বিয়ে করে গ্রিনকার্ড পেতে চাইলে আই-৬০১ ও আই-৬০১-এ প্রযোজ্য হওয়ার নিয়ম কী, নিজ দেশে ফিরে গিয়ে কনস্যুলেটে উপস্থিত হয়ে ইমিগ্রান্ট ভিসার ইন্টারভিউ দিতে হবে কিনা সে সম্পর্কে আমরা জানব পরবর্তী সপ্তাহের আলোচনায়।

(বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই নিবন্ধ কোনোরকম আইনি পরামর্শ নয়। এটি কেবল ইউএসসিআইএস ও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত এ সংক্রান্ত তথ্যের সন্নিবেশ মাত্র)
সৈয়দ আফতাব আহমেদ, ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল’। সেল: (৯২৯) ৩৯১ ৬০৪৭; ইমেইলঃ এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।


জাতীয় কর্মসূচির সাথে মিল রেখে শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হল নিউইয়র্কে

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে :নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অডিটোরিয়ামে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এবং বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউইয়র্কের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারি ও তাঁদের পরিবারের সদস্যগণ স্থানীয় সময় রাত ১০ টায় সমবেত কন্ঠে শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে রাজধানী ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিবেশিত জাতীয় সঙ্গীতের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে সবাই গেয়ে ওঠেন ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি..”।

Picture

বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীগণও যোগ দেন অনুষ্ঠানটিতে। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান এর উপস্থিতিতে উৎসবমূখর পরিবেশে হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে একযোগে জাতীয় সঙ্গীতের পরিবেশনা এক আবেগঘন পরিবেশনের সৃষ্টি করে।

alt

গৌরবান্বিত এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, স্বাধীন বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হাসানসহ নিউইয়র্ক প্রবাসী বিপুল সংখ্যক শিল্পী এবং সংস্কৃতি কর্মীগণ।বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও কনস্যুলেট জেনারেল যৌথভাবে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।


নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক আবহে ‘গণহত্যা দিবস’ পালন

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও  নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এর যৌথ উদ্যোগে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যার স্মরণে ‘গণহত্যা দিবস’ পালন করা হয়। স্থানীয় সময় বিকেল তিনটায় আন্তর্জাতিক আবহে শুরু হয় এই অনুষ্ঠান। নিউইর্য়ক প্রবাসী বাঙালিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথিদের উল্লেখযোগ্য সমাগম ছিল অনুষ্ঠানটিতে।
এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডস্ অব বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত মার্কিন মনোবিজ্ঞানী ডেভিড নালিন এবং একই অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার কর্মী ডেভিড উইচবোর্ড, কসোভোর কনসাল জেনারেল রাষ্ট্রদূত মিজ্  টেউটা সাহাতকুইজা, ভারতের কনসাল জেনারেল রাষ্ট্রদূত সন্দীপ চক্রবর্তী, যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. ম্যাক্সিম এ. পেন্সকি ও ড. নাদিয়া রুবাই, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটের জ্যাকসান হাইটস্থ কলম্বিয়া-আমেরিকান প্রার্থী এবং  নিউইয়র্ক ডেপুটি মেয়রের সাবেক অ্যাডভাইজর মিজ্ জ্যাসিকা র‌্যামস, ওয়ার্ল্ড ইয়ুথ অ্যালায়েন্সের সভাপতি লর্ড লিওমার বি. প্রম্পিরাডা সহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কূটনীতিকগণ।

Picture

উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বের কাছে নৈতিকভাবে ও রাজনৈতিকভাবে হেরে গিয়ে তৎকালীন পাকিস্তান সামরিক সরকার বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে গণহত্যা চালিয়েছিল। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয় ৩০ লাখ মানুষ। ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি হয়। প্রায় এককোটি মানুষ আশ্রয় নেয় ভারতে”। রাষ্ট্রদূত মাসুদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করেছেন। গণহত্যা ও নৃশংসতার মত জঘণ্য অপরাধের আর ‘কখনোই, কখনোই এবং কখনোই যেন পূনরাবৃত্তি না ঘটে’ সেলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দৃঢ় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, নিরাপত্তার সাথে এবং পূর্ণ মর্যাদা নিয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করে যাচ্ছে মর্মেও তিনি উল্লেখ করেন।

alt

কসোভোর কনসাল জেনারেল রাষ্ট্রদূত মিজ্ টেউটা সাহাতকুইজা বলেন “এটি শুনতে আমাদের যেমনই লাগুক কিন্তু অবশ্যই গণহত্যার সেই ভয়াবাহ ঘটনাগুলোকে আমাদের স্মরণ রাখতে হবে। আমি এক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূত মাসুদের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে চাই জোনোসাইডের আর কখনোই যেন পূনরাবৃত্তি না ঘটে”। গণহত্যা প্রতিরোধে সকলকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত টেউটা। তিনি তাঁর দেশ কসোভোতে সংঘটিত গণহত্যার মর্মস্পর্শী বর্ণনা তুলে ধরেন।ভারতের কনসাল জেনারেল রাষ্ট্রদূত সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, “আজ থেকে ৪৭ বছর আগে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান কর্র্তৃপক্ষ ও পাকিস্তান সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে বাংলাদেশে যে বর্বরতম গণহত্যা সংঘটিত করেছিল আমি সেই বেদনাদায়ক ঘটনা স্মরণ করছি এবং আজকের এই অনুষ্ঠানের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছি। ২৫ মার্চের অপারেশন সার্চ লাইটের মাধ্যমে নির্মম গণহত্যা শুরু করার কারণেই ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছিল”। বাংলাদেশের গণহত্যা কেন আন্তর্জাতিক মহলে স্বীকৃত হয় নাই এমন প্রশ্ন টেনে তিনি বলেন, “এর কারণ, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ভিন্ন মেরুর রাজনীতি শুরু হয় দেশটিতে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ছিল না”। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ২০১৭ সালে গণহত্যা দিবস পালনের যে প্রস্তাব পাশ করেছে তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশে সংঘটিত ১৯৭১ সালের গণহত্যার স্বীকৃতিদানে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

alt
যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. ম্যাক্সিম এ. পেন্সকি বলেন, “গণহত্যা দিবস পালন শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয় এটি বিশ্বের সকল নাগরিকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চে অপারেশন সার্চ লাইটের নামে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার বিভৎস কাহিনীকে সকলেরই মনে রাখা উচিত”। গণহত্যা সংগঠনকারী কোন অবস্থায়ই আইনের থেকে পার পেতে পারেন না। এই ঘৃণ্যতম অপরাধের জন্য তাকে/তাদেরকে মৃত্যুরপূর্ব পর্যন্ত বিচারের মুখোমুখি হতে হবে মর্মে তিনি উল্লেখ করেন। প্রফেসর পেন্সকি তাঁর বক্তৃতায় বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত গণহত্যার সাথে বাংলাদেশের গণহত্যার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন।
     ফ্রেন্ডস্ অব বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিদেশী বন্ধু ডেভিড নালিন ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সংঘটিত গণহত্যা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবিদের স্মরণ করেন। এক্ষেত্রে তিনি ঐসময়ে তাঁর বাংলাদেশে অবস্থানকালীন ভয়াবাহ গণহত্যা নিজ চোখে দেখার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “অবশ্যই সকলকে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যার স্বীকৃতি দিতে হবে। বিশ্বে গণহত্যার যেন আর কোন পূনরাবৃত্তি না হয়”। মিয়ানমার কর্তৃক সংঘটিত মিয়ামারের রাখাইন প্রদেশের রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধন ও গণহত্যার কথা তিনি উল্লেখ করেন। এক্ষেত্রে উদার মানবিক সহয়তা প্রদানের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ জানান।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জাতির পিতাকে যদি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা না হতো তাহলে অনেক আগেই দেশে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করা যেত”।
জেনোসাইড-৭১ ফাউন্ডেশন, যুক্তরাষ্ট্র-এর সভাপতি ড. প্রদীপ রঞ্জন কর বিশ্বে গণহত্যার বিভিন্ন খতিয়ান তুলে ধরেন। মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতাকে তিনি জাতিগত নিধন এবং গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। উল্লেখ্য জেনোসাইড-৭১ ফাউন্ডেশন অনুষ্ঠানটিতে সহযোগিতা প্রদান করে।
অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল মো: শামীম আহসান এনডিসি। তিনি বলেন, পৃথিবীতে আর যেন গণহত্যার ঘটনা না ঘটে। বাংলাদেশে সংঘটিত ১৯৭১ সালের গণহত্যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হওয়া সময়ের দাবী মর্মে তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত গণহত্যার শিকার মানুষের পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে সম্মান জানিয়ে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।


পেনসিলভিনিয়ায় পিপলএনটেক এর জব সেমিনার অনুষ্ঠিত

বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

Picture

ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টের "আমেরিকা ফাস্ট "নীতি অনুসরন করে পিপলএনটেক জব ট্রেনিং এবং জব প্লেসমেন্ট পদ্ধতিকে সময়োপযোগী করেছে। তাই বর্তমানে পিপলএনটেকের  ট্রেনিং নিয়ে চাকুরী পাওয়ার হার অতীতের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অতীতে যেখানে প্রতিমাসে গড়ে ২০জন শিক্ষার্থী চাকুরী পেত বর্তমানে তা ৩৫ থেকে ৪০ জনে উন্নীত হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থায় চাকরির ক্ষেত্রে আইটি পেশার অপার সম্ভাবনার পথ খুলে দিয়েছে। শুধুমাত্র স্বল্পকালীন কোর্স করেও অনেকে পেয়ে যাচ্ছেন তার পছন্দের চাকরি যার মাধ্যমে তারা সপরিবারে উপভোগ করতে পারছেন  উন্নত জীবন, যে স্বপ্ন হৃদয়ে ধারণ করে আটলান্টিক পাড়ি দিয়েছেন তা এখন আর স্বপ্ন নয়তার বাস্তব রূপ দিতে পিপলএনটেকের এক ঝাঁক কর্মী নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।"

alt

পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ বলেন  পিপলএনটেক শুরু থেকেই  বদ্ধপরিকর যেন প্রত্যেক যোগ্য ব্যক্তি ‘অড জব’ না করে  যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান করতে পারেন। তিনি বলেন পিপলএনটেক মহিলাদের জন্য সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে রেখেছে । মহিলাদের ইন্টার পারসোনাল স্কীল ডেভেলাপের মাধ্যেমে  সহজে আইটি জব পেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ফারহানা হানিপ উপস্থিত সকলকে তাদের পরিবারের মহিলা সদস্যদেরকে পিপলএনটেকের ট্রেনিং সুবিদা গ্রহন করার জন্য অনুরোধ জানান।

 পিপলএনটেকের পেনসিলভেনিয়া শাখার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও মিলবোর্ন সিটি কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ নুরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত সেমিনারে  যুক্তরাষ্ট্রের ফরচুন ফাইভ হান্ড্রেড কোম্পানীতে কর্মরত  প্রাক্তন শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ,প্রিসিলা এবং ওসমান  তাদের অভিজ্ঞতা বর্ননা করে বলেন   পিপলএনটেকের  কারিকুলাম এবং ট্রেনিং পদ্ধতি সঠিকভাবে অবলম্বন করলে চার মাসের ট্রেনিং নিয়ে ৮০ থেকে ১০০,০০০ হাজার ডলারের চাকুরী পাওয়া সম্ভব।

alt

সেমিনারে   বক্তব্য রাখেন আপারডার্বি সিটির কাউন্সিলম্যান শেখ সিদ্দিক, কাউন্সিলওম্যান শেকেলা কোলস, ডাঃ ইবরুল চৌধুরী, সেক্রেটারি এ বি এম আলতামাস বাবুল, বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতেখার হোসাইন ফরহাদ, মিলবার্নের কাউন্সিলম্যান মোহাম্মদ মনসুর আলী, পিপলএনটেকের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ আসিফ ফাহাদ, বিশিষ্ঠ সাংবাদিক মফিজুর রহমান, কামাল রহমান সভাপতি মসজিদ আল-মদিনা এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আটলান্টিক সিটি   পিপলএনটেকের  প্রশিক্ষক মীর হোসাইন, আটলান্টিক সিটি  পিপলএনটেকের   অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এবং বিশিষ্ঠ সাংবাদিক আকবর হোসাইন,বীর মুক্তিযুদ্ধা মোঃ নুরুল হক,কাজী সাখাওয়াত হোসেন, সহ আরও অনেকে ।

পেনসিলভেনিয়ায় অবস্থানরত বিভিন্ন কমিউনিটির যারা আইটি পেশায় কাজ করতে ইচ্ছুক তাদেরকে পিপলএনটেকের পেনসিলভেনিয়ার কার্যালয়ে (৬৭৯৬ মার্কেট স্ট্রিট, আপার ডার্বি, পিএ ১৯০৮২), ১-৮৫৫-৫৬২-৭৪৪৮ নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।