Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/media/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

নেপালে বিধ্বস্তে নিহতদের স্বরনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল —১৬ই মার্চ শুক্রবার

শুক্রবার, ১৬ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি সাধারন সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনায় গত ১১ই মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিধ্বস্তে নিহতদের স্বরনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ আগামী ১৬ই মার্চ শুক্রবার মেজবান রেস্টুরেন্টে সন্ধ্যা ৬:০০ টায় এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে ।

Picture

এছাড়া আওয়ামীলীগের প্রতিটি স্টেট,মহানগর ও সহযোগী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দকে নিহতদের স্বরনে দোয়া মাহফিলের ব্যবস্হা করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বরনে ইতিমধ্যেই স্বদেশে রাস্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে । এই প্রবাসের মাটিতে অবস্হানকারী আমরাও এই অনাকাংক্ষিত দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি সমভাবে ব্যথিত । উক্ত দোয়া মাহফিলে সকলের উপস্হিতি একান্ত ভাবে কাম্য ।

নিবেদক —

ড.সিদ্দিকুর রহমান : সভাপতি

আব্দুস সামাদ আজাদ : ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ ।


নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী মান্নান আর নেই : জানাজায় সহস্র মানুষ, ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল কবরস্থানে দাফন

শুক্রবার, ১৬ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী সাঈদ রহমান মান্নান আর নেই। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) দিবাগত ভোররাত সোয়া ২টার দিকে তিনি নিউইয়র্কের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।তিনি দীর্ঘদিন ধরে দূরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছিলেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের অন্যতম পথিকৃত ও সুপ্রতিষ্ঠিত মান্নান সুপার মার্কেট ও গ্রোসারীর স্বত্ত্বাধীকারী সাইদ রহমান মান্নানের মৃত্যু সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।

Picture

এদিকে বুধবার (১৪ মার্চ) বাদ জোহর জ্যাকসন হাইটস মসজিদ ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে (৭৩ স্ট্রিট) তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়ে। জানাজায় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সহ সর্বস্তরের শত-সহস্র প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। জানা শেষে তার মরদেহ নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডস্থ ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল কবরস্থানে দাফন করা হয়।নিউইয়র্কে ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিচিত জ্যাকসন হাইটসের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী শরিয়তপুর জেলা তথা বৃহত্তর ফরিদপুরের কৃতি সন্তান সাঈদ রহমান মান্নান মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই পুত্র ও এক কন্যা সহ বহু আতœীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন (জেবিবিএ)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, কর্মঠ, হাসিখুশি, স্বল্পভাসী আর বন্ধুবৎসল মানুষ ছিলেন।
alt
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তিনি গুরুতর অসুস্থ অনুভব করলে মধ্য রাতে তাকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পরই তার মৃত্যুর খবর ফেকবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। এতে পুরো কমিউনিটি শোকাহত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পার্ক ফিউনেরাল হোম-কে তার মরদেহ টেককেয়ার করার দায়িত্ব দেয়া হয়। বুধবার দুপুরে তার মরদেহ মরহুম সাঈদ রহমান মান্নানের প্রিয় ব্যবসাস্থল জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রীটে নিয়ে আসা হলে সেখানে হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মরহুম মান্নানের মরদেহ ফিউনোরালের গাড়ী থেকে খাবার বাড়ীর সামনে রাখা হয়। এসময় তার স্ত্রী, কন্যা ও পুত্রদ্বয় শেষবারের মতো মুখ দেখার পর সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশ তাকে শেষবারের মতো দেখতে ভীড় জমান। এসময় প্রবাসীদের ভীড় সমালাতে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশকে বেগ পেতে হয়। এর আগে ৩৭ এভিনিউ থেকে ব্রডওয়ে পর্যন্ত অর্থাৎ ৭৩ স্টীট লোক ও যানবাহন চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।
altalt
পরবর্তীতে জোহরের নামাজ শেষে ৭৩ স্টীটেই নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন হাজী ক্যাম্প মসজিদের ইমাম হাফেজ রফিকুল ইসলাম। জানাজায় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের শত-সহ¯্র প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। এর আগে মরহুম মান্নানের দুই পুত্র ও কনসাল জেনারেল সহ কয়েকজন শুকাংখী উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এসময় বাবাকে স্মরণ করতে গিয়ে মরহুমের দুই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।


জানাজা শেষের মরহুম মান্নানের মরদেহ সরাসরি নিউইয়র্কের ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।
৯০ দশকে স্বপ্নের সোনার হরিণের দেশে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে ছোট্ট একটি বেকারী দিয়ে ব্যবসা শুরু করা সাঈদ রহমান মান্নান মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলেন নিউইয়র্কের অন্যতম সফল ব্যবসায়ী। ১৯৯৬ সালে জ্যাকসন হাইটসের সেভেনটি থার্ড স্ট্রীট ও থার্টি সেভেন এভিনিতে গড়ে তুলেছিলেন ছোট্ট সেই বেকারী। সেই বেকারী দিয়ে যাত্রা শুরু করার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, তাঁকে। স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে গেছেন শীর্ষ পর্যায়ে। ঘটা করে পালনও করেছিলেন মান্নান সুপার মার্কেট ও মান্নান গ্রোসার ২০ বছর পূর্তি। তার এই সফলতার নেপথ্য কারিগর ছিলেন নিজের সহধর্মীনি। মীট কার্টার থেকে শুরু করে সব-প্রতিকূলতাই মোকাবেলা করেছেন স্বামী-স্ত্রী মিলে।
একটি বেকারী আর গ্রোসারী দিয়ে পথচলা শুরু হওয়া মান্নান গ্রোসারী এখন নিউইয়র্কে বাংলাদেশী মালিকানাধীন শীর্ষ চেইন সুপার শপে রূপ নিয়েছে। প্রায় ২২ বছরে মান্নানের ৭টি সুপার মার্কেটে কাজ করছেন অসংখ্য বাংলাদেশী। সোনার হরিণের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো স্বদেশীদের কর্মসংস্থানেও সবার প্রিয় এ ‘মান্নান ভাই’ ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক।


কিন্তু কি ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। মৃত্যুকে হাসি মুখে বরণ করা এই মানুষটি কমিউনিটির কাছে বেঁচে থাকবেন তাঁর কর্ম ও গুনে। মরণব্যাধি ক্যান্সারের সাথে লড়াই করেছেন অতি নীরবে। কিন্তু সে লড়াই ছিল মনের লড়াই। ভেবে নিয়েছেন, পৃথিবীর মায়া ছাড়তেই হবে একদিন। সেটা বুঝতে পেরেই কেমোথেরাপি পর্যন্ত নেননি তিনি। অবশেষে হাসিমুখে আলিঙ্গন করলেন মৃত্যুর মতো কঠিন এক বাস্তবতাকে। পরিণতিতে সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
জানাজায় উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাবেক এমপি ও সাপ্তাহিক ঠিকানা’র সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি এম এম শাহীন, সাপ্তাহিক বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকা সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশনের সিইও আবু তাহের, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, সাপ্তাহিক প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ, এটর্নী মঈন চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, সাবেক সহ সভাপতি মনিরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাম এসোসিয়েশন ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম, জেবিবিএ’র এডহক কমিটির প্রধান মহসীন ননী ও সদস্য পিয়ার মোহাম্মদ, জেবিবিএ’র সভাপতি শাহ নেওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকু, জেবিবিএ নেতা হারুন ভূঁইয়া, এডভোকেট শামসুদ্দোহা, মোহাম্মদ সেলিম হারুন, ফাহাদ সোলায়মান, জেবিবিএ’র সাবেক সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী জিকু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল ফজল দিদারুল ইসলাম ও তারেক হাসান খান, সিলেট গণদাবী পরিষদের সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, কমিউনিটি নেতা আইনজীবী এন মজুমদার, আব্দুল কাদের চৌধুরী শাহীন, কাজী আশরাফ হোসেন নয়ন, খানস টিউটোরিয়াল-এর সিইও ড. ইভান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
alt
শোক প্রকাশ: এদিকে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাঈদ রহমান মান্নানের ইন্তেকালে কমিউনিটির সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। শোক প্রকাশকারী উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন: বাংলাদেশ সোসাইটি ইনক’র সভাপতি কামাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি ডা. ওয়াজেদ এ খান ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি)-এর চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ইউসুফজাই সালু ও সেক্রেটারী জেনারেল সৈয়দ টিপু সুলতান, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমদ, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি শেখ হায়দার আলী ও সাধারণ সম্পাদক ইফজাল আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগ ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ সহ দলের সকল সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম ইউএনএ প্রতিনিধিেিক জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাঈদ রহমান মান্নানের ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন।

alt
ফরিদপুর জেলা কল্যাণ সমিতি ইউএসএ ইনক সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত বিশ্বাস এক শোক বার্তায় বলেন, মরহুম সাঈদ রহমান মান্নাকে প্রবাসের একজন আলোকিত মানুষ হিসেবেই আমরা তাকে জানি। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি, সেই সাথে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমাবেদনা জানাচ্ছি। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন এই দোয়া করি।
এছাড়াও নারায়নগঞ্জ জেলা সমিতি ইউএসএ ইন্ক, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর এসাসিয়েশন ইউএসএ সহ প্রবাসের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।


নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

শুক্রবার, ১৬ মার্চ ২০১৮

নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন আজমলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার, জাতীয় চার নেতা, সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন নেছা ও মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Picture

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত ৭ই মার্চের ভাষণ আজ বিশ্ববাসীর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। এই বিরল সম্মানে আমরা বাঙালী হিসেবে অত্যন্ত গর্বিত। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে মাত্র ১৮ মিনিটের অলিখিত ভাষণে বঙ্গবন্ধু শুধু দেশের স্বাধীনতা অর্জনের দিকনির্দেশনাই দিয়ে যাননি, স্বাধীনতা পরবর্তী অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির কথাও তিনি বলে গেছেন। কিন্ত বঙ্গবন্ধুকে আমরাই রক্ষা করতে পারিনি, এটা আমাদের বাঙালীদের ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই নয়। বক্তারা আরও বলেন বাংলাদেশকে যদি উন্নয়নশীল সোনার বাংলায় পৌঁছাতে হয়, তাহলে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যেন ক্ষমতায় আসে সেই লক্ষ্যে দেশে ও প্রবাসে সবাইকে সকল ভেদাভেদ ভুলে এক সাথে কাজ করতে হবে। বক্তারা নেত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন একমাত্র শেখ হাসিনাই পারেন বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় পরিণত করতে।

আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক ষ্টেট আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিরু ভুঁইয়া, সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক স্বীকৃতি বড়ুয়া, নতুন অন্তর্ভুক্ত কার্যকরী সদস্য যথাক্রমে ইসমাইল হোসেন স্বপন ও সাগর সানু, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাইকুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি দুরুদ মিয়া রনেল, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের আহ্বায়ক তারিকুল হায়দার র্চৌধুরী ও সদস্য সচিব বাহার খন্দকার সবুজ, শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি মঞ্জুর চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের প্রাক্তন সভাপতি জেড এ জয়, প্রমুখ।


নিউইয়র্কে বুয়েটিয়ানদের নৈশভোজ ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

শুক্রবার, ১৬ মার্চ ২০১৮

আয়োজকদের উদ্দেশ্য থাকে সবসময়ই একটি ব্যাতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান আয়োজন এবং উপস্হাপনার। এবারের শুরু গতানুগতিকতার বাইরে একটি নান্দনিক ম্যাগাজিন প্রকাশের মধ্য দিয়ে। স্যুভেনির প্রকাশনার তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্হপতি মাহফিল আলী। আয়োজকদের মাঝে অ্যাকাউন্টস-এর মত গুরু দায়িত্বে ছিলেন প্রকৌশলী হাসান আহমেদ ও প্রকৌশলী আরিফ আল আমিন। গণ সংযোগ এবং আমন্ত্রণের কঠিন কাজটি করেছেন প্রকৌশলী শরীফ রহমান ও প্রকৌশলী রনি আহমেদ। প্রকৌশলী কামার জামান সহায়তা করেছেন সাউন্ড সিস্টেম, যন্ত্র ও অতিথি শিল্পী আনয়নে। বুয়েটিয়ান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি ব্যাবস্হপনা ও তত্ত্বাবধায়ন করেছেন স্হপতি লায়লা ফারজানা মুনমুন।
পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত চার পর্বে – স্মৃতিচারণ, বুয়েটিয়ানদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, ডিনার এবং অতিথি শিল্পির সংগীত। মুল অনুষ্ঠানের শুরু হয় ৭টায়, শেষ রাত বারটায়। প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানের শুরু ও শেষ হয় কঠোরভাবে নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বুয়েটিয়ান ও অতিথিদের ফুল ও স্যুভেনির দিয়ে অভ্যর্থনা জানায় রিভোনা, নাহফিলা, রাইলীন, রিম্পী ও ওয়াফী। আয়োজকদের পক্ষে মাহফিল আলী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপস্হিত বুয়েটিয়ান, পরিবার, স্পন্সর, ডোনার এবং সেচ্ছাসেবীদের। বুয়েটিয়ানের পটভূমি সম্পর্কে বলেন হাসান আহমেদ। এরপর স্মৃতিচারণ পর্বটা পরিচালনা করেন কামার জামান। এতে অংশ গ্রহন করেন প্রকৌশলী দম্পতি সানজানা সোলায়মান ও শরীফ মন্ডল, প্রকৌশলী রাজ্জাক চোকদার, প্রকৌশলী সুফিয়ান খন্দকার, প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান এবং প্রকৌশলী শরীফ রহমান।

Picture
রাত ঠিক সাড়ে আটটায়, লায়লা ফারজানা মুনমুনের উপস্হাপনায় শুরু হয় বুয়েটিয়ান সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। শুরুতেই মহান ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদের স্মরণ করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। স্মরণ করা হয় সদ্য প্রয়াত শিক্ষক বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য স্হপতি খালেদা একরাম, সর্বজন শ্রদ্ধেয় তড়িত কৌশলের প্রফেসর মোহাম্মদ আলী চৌ্ধুরী, গণিতের প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস।
লায়লা ফারজানা মুনমুন ও প্রকৌশলী নজরুল ইসলামের যৌথ গ্রন্থনা ছিল মন ও মননে অসাধারণ যার শুরুতে ছিল সমবেত সংগীত ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’, শেষে ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা’। আর অনুষ্ঠানের যবনিকায় ছিল নজরুল ইসলামের অসাধারণ আবৃত্তিতে ‘জাগো বাহে কোনঠে সবাই’।
সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় একক গান পরিবেশন করেন বুয়েট পরিবারের শাহপার ইসলাম সিমি, ফাহমমিদা শারমিল লিসা, বিদিশা দেওয়ানজী, স্হপতি মাবরুক আদনান অমি, স্হপতি ফারজানা সুলতানা শর্মী, স্হপতি লায়লা ফারজানা মুনমুন, প্রকৌশলী সৌগত সরকার, প্রকৌশলী জীবন বিশ্বাস। নৃত্যে ছিলেন উদিত তন্বী। দ্বৈত সংগীতে দম্পতি স্হপতি মারহানা সুসান ও আনোয়ার সাদিক মিথুন। দ্বৈত আবৃত্তি করেন দুররে মাকনুন নবনী ও স্হপতি শাহরিয়ার তৈমুর। একক আবৃত্তি করেন প্রকৌশলী আজহার ইসলাম। ছোট ছোট নাট্যাংশে অভিনয় করেন স্হপতি লায়লা ফারজানা মুনমুন ও নজরুল ইসলাম।
ডিনারের পর দর্শকরা উপভোগ করেছেন অতিথি শিল্পী এস আই টুটুলের প্রাণবন্ত, রুচিশীল মনোজ্ঞ পরিবেশনা। যখন শেষ গানটি গাইলেন তখন রাত ঠিক ১২টা।


নিউইয়র্কের ব্রংক্সে প্রবাসী বাঙালিদের নারী দিবস

শুক্রবার, ১৬ মার্চ ২০১৮

শুক্রবার সেই ‘বাংলা টাউনেই’ ব্রংক্স বাংলাদেশ উইমেন্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে উদযাপিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। তিন প্রজন্মের অভিবাসী বাঙালি নারীদের অংশগ্রহণে ও পরিচালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন শহরের বাঙালি কূটনীতিক, লেখক ও সাংবাদিক—যাদের অধিকাংশই পুরুষ। ‘নারী দিবসে নারীদের আয়োজিত অনুষ্ঠান, এখানে আপনাদের আগে আমাদের কথা শুনতে হবে, তারপরে শুনব আপনাদের কথা’—শুরুতেই সংগঠনের সভানেত্রী ফরিদা ইয়াসমিন সবাইকে জানিয়ে দিলেন এ কথা।

Picture

মঞ্চে এসে দাঁড়ালেন নিউইয়র্কে যার যার ক্ষেত্রে কৃতী বাঙালি নারীরা। এদের মধ্যে ছিলেন কূটনীতিক, সফল ব্যবসায়ী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রধান, নিউইয়র্ক শহরের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ পেরিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করছেন, এমন কয়েকজন তরুণীও উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকে শোনালেন নিজেদের সংগ্রাম ও সাফল্যের কথা। প্রত্যেকের সাফল্যের পেছনে ছিল পরিবারের নিকট কারও সমর্থনের হাত, কেউ পিতা বা মাতা, কখনোবা স্বামী। তাঁরা জানালেন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে মেয়েদের যে লড়াই, পুরুষদের সমর্থনে সে লড়াইতে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়েছে। কিন্তু যেখানে সহযোগিতা আসেনি, মেয়েদের সেখানে একাই লড়তে হয়েছে।
মেয়েদের কথা শেষ হলে মঞ্চে ডাকা হলো অতিথি পুরুষদের। তাঁদের মধ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন ও নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। তাঁরা সবিস্তারে জানালেন কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মেয়েরা কি অবিশ্বাস্য সাফল্য অর্জন করে চলেছে। যেমন: জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে এই প্রথমবাররে মতো দুজন নারী বৈমানিক অংশগ্রহণ করেছে। তাঁরা উভয়েই বাংলাদেশের। নারী পুলিশ সদস্যরা এখন শান্তিরক্ষা মিশনে যোগ দিয়েছেন, সেখানেও বাংলাদেশ নারীরা অগ্রদূতের ভূমিকা নিয়েছেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে যথারীতি ছিল সংগীত ও নৃত্য। আর ছিল নারী দিবস উপলক্ষে চমৎকার নৈশ ভোজ। পুরো হলভর্তি মানুষ প্রায় মধ্যরাত অবধি অনুষ্ঠানটি উপভোগ করে।


মোঃ কবির আলী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি

বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

Picture

সভাপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ সভাপতি কবির আলী।সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগের প্রাক্কালে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কবির আলী ও সাধারন সম্পাদক সুবল দেবনাথের নেতৃত্বে সকলেই ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহবান জানান ।


কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী আবেদন

বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

Picture

কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ র সাধারণ সভা :

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ: প্রবাসী কুষ্টিয়াবাসী ও কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ র সকল সদস্যবৃন্দ, কুষ্টিয়া জেলা সমিতি ইউএসএ আগামী ১১ই মার্চ ২০১৮ ,রবিবার সময় ৫.৩০ টায় ইস্ট ল্যান্ড মাল্টি সার্ভিস জেকশন হাইটসে এক সাধারণ সভার আহ্বান করেছে। সভার এজেন্ডাগুলো : ১. ইফতার ও বনভোজন কমিটি ২. কবরস্থান ক্রয় ৩. সদস্য সংগ্রহ ও মাসিক চাঁদা ।উক্ত সভায় সংশ্লিষ্ট সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো অনুরোধক্রমে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজী আবেদিন , সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান , কুষ্টিয়া জেলা সমিতি অফ ইউএসএ


জর্জিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন : কাওছার সভাপতি, মাহমুদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফলভাবে শেষ হয়েছে। সম্মেলনে হুমায়ূন কবীর কাওছার সভাপতি এবং মাহমুদ হাসান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রবিবার সন্ধ্যায় জর্জিয়ার রাজধানী আটলান্টা শহরের শালওফোর্ড রোডের কোয়ালিটি ইনে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।
altalt
এছাড়া প্রধান বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আলী মানিক। এছাড়া বিশেষ বক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান ও আব্দুল হাছিব মামুন, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মিসবাহ আহমেদ, বাণিজ্য সম্পাদক ফরিদ আলম, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাখাওয়াত বিশ্বাস, কার্যকরী সদস্য শাহানারা রহমান, জর্জিয়া আওয়ামী লীগের মিন্টু রহমান, দিদারুল আলম গাজী ও এম. মওলা দিলু প্রমুখ।

alt
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় আসতে হবে। তাই দেশে-প্রবাসে আওয়ামী লীগের সকল নেতা-কর্মীকে একযোগে কাজ করতে হবে।
তিনি জর্জিয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলেন, দলের প্রতিটি নেতা-কর্মী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ। তাই সকল মতভেদ ভুলে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জর্জিয়া আওয়ামী লীগের বিদায়ী সভাপতি আলী হোসেন। সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।


নিউ ইয়র্কের হাসপাতালে কাজী হায়াৎ

বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

পুত্র চিত্রনায়ক কাজী মারুফ তার সঙ্গে রয়েছেন। ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে আজ ১৩ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মারুফ জানান, গত ৬ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য নিউইয়র্ক যান তার বাবা।

Picture

মারুফ তার পোস্টে লিখেন, ‘আমার বাবার হার্ট থেকে একটি আর্টারি খুলে দেওয়ার জন্য নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের ডাক্তার শর্মাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি সফল হয়েছে। আর ধন্যবাদ জানাই ঢাকার ডাক্তার জাহাঙ্গীর কবিরকে, যিনি ২০০৫ সালে আমার বাবার ওপেন হার্ট সার্জারি করেছিলেন।’

গত জানুয়ারি মাসে নতুন করে হার্টে সমস্যা দেখা দিলে এই নির্মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। তারপর প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পান তিনি।

১৯৯৩ সালে কাজী হায়াৎ-এর হার্টে প্রথম সমস্যা দেখা দেয়। তখন তিনি ভারতের বিরালা হার্ট সেন্টারে গিয়ে চিকিৎসা নেন। সে সময় হার্টে রিং লাগানোর ব্যবস্থা ছিল না। তখন তার হার্টে একটি ব্লক ধরা পড়েছিল।

alt

এরপর ২০০৪ সালে আবারও সমস্যা দেখ দেয়। তখন তার হার্টে ৪টি রিং বসানো হয় রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াকে। এরপর তিন মাস ভালো ছিলেন। ফের আবার অসুস্থ হয়ে যান। তারপর ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয়। এরপর থেকেই বেশ ভালোই চলছিল তার। সম্প্রতি আবার অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেন তিনি।

কাজী হায়াৎ ১৯৭৪ সালে পরিচালক মমতাজ আলীর সঙ্গে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৭৬-১৯৭৭ মৌসুমে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবিরের সঙ্গে ‘সীমানা পেরিয়ে’ ছবিতেও সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭৯ সালে ‘দি ফাদার’ ছবিটি পরিচালনার মধ্যে দিয়ে পূর্ণ-পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

কাজী হায়াৎ অর্ধশতাধিক চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। তার চলচ্চিত্র জীবনে আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও অন্যান্য চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ সর্বমোট ৭৩টি চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি চারটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করেন।


নিউইয়র্কস্থ ”সোসাইটি অফ ফরেন কনসালস” কর্তৃক আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন : প্রবাসী এক বাংলাদেশী নারীও স্বীকৃতি পেলেন

শনিবার, ১০ মার্চ ২০১৮

Picture

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এই আয়োজনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষা, ব্যবসায় ও সরকার-এ তিনটি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এবং দৃশ্যমান অবদানের জন্য অংশগ্রহণকারী ১৭টি দেশের বিশিষ্ট নারীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা (Honoree) প্রদান করা হয়। কানেকটিকাট প্রবাসী বাংলাদেশী বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মী মিসেস গুলশান আরা, পিএইচডি (কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়) কে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়।

alt

উল্লেখ্য, তিনি এমআইটি(Massachusetts Institute of Technology), হার্ভার্ড ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মে সম্পৃক্ত ছিলেন। প্রত্যেক দেশের মনোনীত প্রার্থীকে স্ব স্ব দেশের কনসাল জেনারেল এবং সোসাইটির সভাপতির উপস্থিতিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দেশের কনসাল জেনারেল সম্মাননাপ্রাপ্ত নারীর সফলতার উপরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।  

alt

বাংলাদেশের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পরিচায়ক হস্তশিল্প সামগ্রীসহ অন্যান্য উপাদান দিয়ে সুসজ্জ্বিত স্টলে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবার (ফিস কেক, পাকোরা ও সামুচা) স্থান পায় যা বিপুল সংখ্যক বিদেশী অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বাংলাদেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার অংশ হিসেবে লোকগানের সাথে দৃষ্টিনন্দন দলীয় নৃত্য উপস্থাপন করে নিউজার্সিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ”সৃষ্টি একাডেমি অফ পারফর্মিং আর্টস” এর শিল্পীবৃন্দ। বিভিন্ন দেশের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক পর্বটি অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে।

alt

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কর্তৃক উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশী কূটনীতিক ও সুশীল সমাজের সদস্যদের কাছে বাংলাদেশের বিশেষ করে প্রবাসী বিশিষ্ট নারীদের অবদানসহ বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও সংস্কৃতি উপস্থাপনের সুযোগ ঘটে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদুত এর স্ত্রী ফাহমিদা জেবীন, কনসাল জেনারেল  শামীম আহসান,এনডিসি, তাঁর স্ত্রী মিসেস পেন্ডোরা চৌধুরী, কনস্যুলেট জেনারেল এর কর্মকর্তা, কর্মকর্তাদের স্ত্রী এবং কর্মচারীবৃন্দ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

alt

১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত সোসাইটি ফর ফরেন কনসালস(SOFC)নিউইয়র্ক ভিত্তিক কনস্যুলেট, কনস্যুলেট জেনারেল এবং অনারারি কনস্যুলেটগুলোর সমন্বয়ে গঠিত বিশ্বের বৃহত্তম কনস্যুলার কোর।


ইউনেস্কোর ‘প্রামান্য ঐতিহ্য’-ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের উপর আলোচনা সভা

শনিবার, ১০ মার্চ ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খাকন,বাপসনিঊজ: নিউইয়র্ক, গত ৭মার্চ ২০১৮ :জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল -এর যৌথ উদ্যোগে কনস্যুলেট জেনারেলের মিলয়াতনে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষনের উপর একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।খবর বাপসনিঊজ।
alt

সম্মিলিত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এরপর জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানস্থলে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও কনস্যুলেট জেনারেল এর কর্মকর্তা-কর্মচারিগণ এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। দিবসটি উপলক্ষে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক আরিফুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের ডেপুটি কনসাল জেনারেল মো: সাহেদুল ইসলাম। জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের উপর নির্মিত প্রামাণ্য ভিডিও চিত্র প্রদর্শণ ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম একটি আকর্ষণ।

alt
সভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান একটি বিরল সম্মান উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, “এই ভাষণ আর বাংলাদেশের ভূখন্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি এখন সারা পৃথিবীর মানুষের অনুপ্রেরণাদানকারী একটি দলিলে পরিণত হয়েছে যা মানুষকে জাগ্রত রাখবে তাদের দাবী আদায়ের ঈপ্সিত লক্ষ্যে পৌঁছতে”। তিনি বলেন, “প্রকৃতপক্ষে ৭ই মার্চের ভাষণের পরই চুড়ান্তভাবে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি। জাতির পিতা ঘোষণা ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয়বাংলা’-তে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্র-যুবক, কৃষক-শ্রমিক, কুলি-মজুরসহ সর্বস্তরের মানুষ সশস্ত্র প্রশিক্ষণ শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে দেশের মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে”
alt

রাষ্ট্রদূত মাসুদ বর্তমান সরকারের গতিশীল নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয়, পদ্মা সেতু নির্মাণ, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপেন, এমডিজি বাস্তবায়ন, এসডিজি বাস্তবায়নে অগ্রগতিসহ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশে উপনীত হওয়ার মত সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আসুন, আমরা সকলে হৃদয়ে লাল-সবুজের পতাকা ধারণ করে, জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করি। বাংলাদেশকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই”।নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এর কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, এনডিসি জাতীয় জীবনে ৭ মার্চের ভাষণের সুদূর প্রসারী প্রভাবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন “৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বের সকল নিপিড়ীত, নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের জন্য একটি স¦ীকৃতি। শুধু বাঙালি জাতি নয় বিশ্বের সকল নিপিড়ীত স্বাধীনতাকামী মানুষের কাজে ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের আবেদন কখনই শেষ হবে না”।
কনসাল জেনারেল বাংলাদেশের অব্যাহত উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসী বান্ধব সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশের ভাবনায় তিনি সব সময়ই প্রবাসীদের কল্যাণকে অক্ষুন্ন রেখেছেন”।
alt

কনসাল জেনারেল শামীম আহসান আশা প্রকাশ করে বলেন, “দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় প্রবাসীরা সবসময়ই ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন”।

alt

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “৭ মার্চের ভাষণ না হলে মুক্তিযুদ্ধ হতো না, বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। আজ দেশে-বিদেশে আমরা সবাই ৭ মার্চের ভাষণের সুফল পাচ্ছি”। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের এই দিনে ড. সিদ্দিকুর রহমান দল-মত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহ্বান জানান, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন জাতির পিতাকে তাদের মনে সর্বোচ্চ স্থান দেন এবং কেউ যেন জাতির পিতাকে নিয়ে কখনই কোন বিরূপ মন্তব্য না করেন।

alt
অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্বে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, যুক্তরাষ্ট্র কমান্ডের কমান্ডার আব্দুল মুকিত চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, শহীদ পরিবারের সন্তান ফাহিম রেজা নুর। বক্তাগণ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে আজ বিশ্ব সম্পদে পরিণত হয়েছে যা প্রতিটি বাঙালির জন্য অত্যন্ত গৌরবের বলে উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রমনার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতার দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণকে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার’-এ অন্তর্ভুক্ত করে।