Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/media/system/components/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

যুক্তরাষ্ট্রের খবর

কংগ্রেসম্যান পিটার কিং রাহিঙ্গা গণহত্যার নিন্দা জানালেন

শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান পিটার কিং মায়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যাকে বর্বরোচিত অ্যখ্যায়িত করে বলেন. বিষয়টি আমেরিকা মেনে নিতে পারে না। আমি আং সান সূচির প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি এভাবে মানুষ হতা বন্ধ বন্ধ করুন। ইউএস কংগ্রেসের শক্তিশালী সদস্য পিটার কিং কংগ্রেসে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির সদস্য এবং কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সাব কমিচির চেয়ারম্যানও।

গত শুক্রবার নিউইয়র্কে লং আইল্যান্ডে তার কংগ্রেসনাল অফিসে বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্টজনদের সাথে স্যেজস্য সাক্ষাতে বাংরাদেশের চলমান সন্ত্রাস রিবোধী লড়াইয়ের প্রশংসা করেন। ইমলামী মৌলবাদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের অবস্তানের প্রশংসা করে কংগ্রেসম্যান কিং বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াইয়ে আমেরিকা সব সময পাশে রয়েছে।

Picture

জাতিসংঘে ভাষন দিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে আসলে তার সাথে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি নিকি হ্যালিকে সাক্ষাৎ করারও পরামর্শ দেন নিউইয়র্ক ডিস্ট্রিক্ট দুই থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান পিটার কিং।

বাংলাদেশী নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করে কংগ্রেসম্যান পিটার কিং বলেন, আগামী বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাতের ব্যাপারে তিনি সব রকম উদ্যোগ নিবেন।

বাংলাদেশী কমিউনিটিতে দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান পার্টিকে সংগঠিত করে আসা মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মেরাজের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি কংগ্রেসম্যান পিটার কি কে সব সময়ে বাংরাদেশী কমিউিনিটি ও বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে আরো ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মহসিন আলী, তানভির মেরাজ প্রমূখ।


নিউইয়র্কে বাংলাদেশী যুবক মারুফ বিল্লাহ’র আত্মহত্যা

শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : সিটির উডসাইডে বসবাসকারী মারুফ বিল্লাহ (২৮) নামের এক বাংলাদেশী যুবক এই সপ্তাহে আত্মহত্যা করেছেন। গত সোমবার (১৮) তার কক্ষ থেকে মারুফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে কবে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে তা জানা জায়নি। মারুফের মরদেহ কুইন্স হসপিটাল মর্গে রাখা হয়েছে। তার মা-বাবা এবং এক ভাই ও এক বোন ঢাকায় বসবাস করেনে বলে জানা গেছে।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গেছে, সুদর্শন মারুফ বিল্লাহ উন্নত জীবনের আশায় দীর্ঘ পথ পেরিয়ে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে স্বপ্নের অমেরিকায় আসেন। তিনি বিগত ৬/৭ মাস ধরে নিউইয়র্কের উডসাইড এলাকায় বাংলাদেশী মালিকানাধীন একটি প্রাইভেট হাউজের বেসমেন্টে ভাড়া থাকতেন এবং ইয়েলো ক্যাব চালাতেন। বাড়ীর মালিক মোশাররফ হোসেন ২০ সেপ্টেম্বর বুধবার ইউএনএ প্রতিনিধিকে জানান, কয়েকদিন ধরে মারুফ বিল্লাহর সাড়া-শব্দ না পেয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার তার খোঁজ নিতে গেলে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে এবং বেসমেন্ট থেকে গন্ধ পেয়ে তিনি তার কাছে থাকা অতিরিক্ত চাবি দিয়ে দরজার তারা খুলে মারুফের কক্ষে ঘিয়ে তাকে ঝুলন্ত ফাঁসি অবস্থায় দেখতে পান। সাথে সাথে তিনি পুলিশ কল করলে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ এসে মারুফ বিল্লাহর মরদেহ নিয়ে যায়। বর্তমানে মারুফের মরদেহ কুইন্স সেন্টার মর্গে রয়েছে।

Picture

এদিকে নিহত মারুফের পরিচিতজন সূত্রে জানা গেছে, মারুফ মানসিকভাবে বিপর্যন্ত হয়ে আতœহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত কিছুদিন ধরে ঢাকায় তার প্রেমিকার সাথে মারুফের মানসিক দ্বন্দ্ব চলছিলো বলে একটি সূত্র জানায়।

অপরদিকে মারুফ বিল্লাহ’র কোন নিকটাত্বীয় নিউইয়র্কে না থাকায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ তার মরদেহ কি করবেন তা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। তার মরদেহ ঢাকায় পাঠাতে ৪/৫ হাজার ডলার অর্থেরও প্রয়োজন বলে এবং এজন্য কমিউনিটির সহযোগিতা দরকার বলে তারা জানান। পাশাপাশি ঢাকায় মারুফের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে।


বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী তৎপর হতে না পারলেও যুক্তরাষ্ট্রে পারছে

শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আটলান্টিক সিটি আলহেরা মসজিদের মুসল্লীদের ঈদ পূর্নমিলনী ও মাসিক ইসলামিক আলোচনা অনুষ্ঠান। মামলায় জর্জরিত আটলান্টিক সিটি আলহেরা মসজিদের মুসল্লীরা মামলার কারনে আলহেরা মসজিদে ঈদ পূর্নমিলনী ও মাসিক ইসলামিক আলোচনা অনুষ্ঠান করতে না পেরে সিটির বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করছেন ঈদ পূর্নমিলনী ও মাসিক ইসলামিক আলোচনা অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম ধর্ম প্রচার এবং ইসলামের সঠিক বার্তা বিভিন্ন ধর্মের কাছে পৌছানোর প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির যুক্তরাষ্ট্র ভার্ষন মুনা সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে আটলন্টিক সিটি, প্যানসেলভেনিয়া, মেরিল্যান্ড এবং নিউইর্য়কে মসজিদ দখলের কাজে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তোয়াক্কা করছে না যাদের ঘাম জড়ানো পরিশ্রমে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদেরকে। স্থানীয় কিছু সহজ সরল বাংলাদেশীদেরকে হাত করে ঠুকে দিচ্ছে মামলার পর মামলা।বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর যথোচিত পদক্ষেপের কারনে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ সংগঠিত হতে না পারলেও তাদের পেতাত্না সংগঠনটি সাধারন মুসল্লীদের মতামতকে ভুলুন্ঠিত করে ইসলামিক দেশগুলো থেকে পাওয়া অনুদান ধর্ম প্রচারে ব্যবহার না করে মামলার খরছ হিসাবে ব্যবহার করছে।আটলান্টিক সিটিতে তাদের এই অযোচিত কার্যক্রম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে স্থানীয় মুসল্লীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব আটলান্টিক কাউন্টির সভাপতি সেলিম সুলতানের বাসভবনে। আটলান্টিক সিটির বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যে আটলান্টিক সিটি আলহেরা মসজিদকে মুনা মুক্ত করার জন্য তাদের সংকল্প ব্যক্ত করছেন। তবে অতীতের মত স্থানীয় রাজনীতিকে ইস্যু করে গুটি কয়েক ব্যক্তিবর্গ মুনার নেতৃবৃন্দকে সহযোগিতা করে যাচ্ছন।আটলান্টিক সিটির আলহেরা মসজিদের মুসল্লীরা অনতি বিলম্বে মুনার দখলদারিত্ব থেকে মুক্তি চায় এবং মুসল্লীদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটির প্রতিনিধিত্ব চায়।


জয় বললেন ‘মাহাথির তো আমাদের সামনেই’

বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ: নিউইয়র্ক থেকে : প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় নিউইয়র্কে প্রবাসীদের এক সমাবেশে বলেছেন, ‘প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এখন বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয়। বাংলাদেশে এখন খাদ্যের অভাব নেই, বিদ্যুতের অভাব নেই। আমরা এখন পাশের দেশের (রোহিঙ্গা)নাগরিকদের সাহায্য করার কথা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি।’

নিউইয়র্কের সমাবেশে বক্তৃতা করছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ছবি-বাপসনিউজ।

জয় উল্লেখ করেন, ‘মালয়েশিয়াকে আজকের পর্যায়ে আনতে সে দেশের মানুষ মাহাথির মোহাম্মদকে ২০ বছর ক্ষমতায় রেখেছিলেন। ২০১৪ সালের আগের নির্বাচনে অনেকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, আমাদেরও একজন মাহাথির দরকার। আমি এখন গর্বভরে সকলকে জানিয়ে দেই যে, আমাদের মাহাথিরতো (তার মা শেখ হাসিনার প্রতি ইঙ্গিত করে) আমাদের সামনেই আছেন।’ এ সময় উপস্থিত প্রবাসীরা বিপুল করতালিতে মেতে উঠেন এবং যুবলীগ-ছাত্রলীগের কর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে শেখ হাসিনাকে অভিবাদন জানান। ‘বারবার দরকার শেখ হাসিনার সরকার’-স্লোগান ধরেন দলমত নির্বিশেষে উপস্থিত সকলে। ‘নানা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি স্বাধীনতা পেয়েছে, মা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধির পথে এগুচ্ছে এবং তার (জয়) উদ্ভাবিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ থিউরিতে বাংলাদেশ সময়ের সাথে পাল্লা দিতে সক্ষম হচ্ছে’-উল্লেখ করেন দর্শকসারির অনেক সুধী জন।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নাগরিক-গণসংবর্ধনা প্রদানের এ সমাবেশ হয় ১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে। বিশ্বখ্যাত টাইমস স্কোয়ারে ম্যারিয়ট মারকুইজ হোটেলের বলরুমের এ সমাবেশে জয় ছিলেন প্রধান বক্তা। তবে তিনি বক্তব্য দিয়েছেন খুবই স্বল্প সময় এবং সংক্ষেপেই অনেক কথা বলেছেন তার নানার ভঙ্গিতে। জয় বলেছেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়, এটি আন্তর্জাতিক ফোরামে এলেই অনুধাবন করা যায়। কীভাবে একটি দেশ এগিয়ে চলছে এবং এই অগ্রগতির মিছিলে সারাদেশের মানুষ একিভ’ত হয়েছেন, তার উদাহরণে পরিণত হয়েছে আমাদের বাংলাদেশ। তাই, আওয়ামী লীগকে আবারো ক্ষমতায় বসাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের সর্বোচ্চ ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রবাসীদেরকেও নিজ নিজ এলাকার সাথে যোগাযোগ বাড়াতে হবে।’


লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল'২০১৭ অায়োজিত।। আত্মতৃপ্তি নিয়ে বাড়ী ফেরা

বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে : সাড়া পৃথিবীতে বাঙ্গালী জাতী যেন তার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির চাদর দিয়ে নিজেদের মর্যাদায় টিকে আছে। বিদেশের মাটিতেও তারা তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ভুলেনি। তাইতো প্রতি বছরই লস্ এঞ্জেলেসের প্রবাসী বাঙ্গালীরাও মেতে উঠে নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে। পালন করে বিভিন্ন উৎসবগুলো।

Picture

এমনিভাবে গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রোজ রবিবার প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে লংবীচে অনুষ্ঠিত হয় ’লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল’২০১৭। লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যালের প্রধান উপদেষ্ঠামন্ডলী, কমিটি সদস্যদের পরিশ্রমে প্রবাসী বাঙ্গালীদের এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। 

দুপুর হতেই ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে সকল বয়সী পুরুশ-মহিলাদের পদচারণায় মুখরিত হতে থাকে লংবীচটি। দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে লাঞ্চপর্ব সেড়ে ফেলা হয়। এরপরই শুরু হয় ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের নিয়ে বিভিন্ন আকর্ষনীয় প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলা পর্ব।

প্রথমেই ঘুড়ি চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় ১ম স্থান অধিকার করে সামিয়া, ২য়-তানু এবং ৩য় স্থান অধিকার করে এঞ্জেলি।

এরপর দড়ি জাম্প প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। অনূর্ধ ১০ ও এর উপরে দুই ভাগে প্রতিযোগীতা হয়। অনূর্ধ ১০ এ দড়ি জাম্প প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকার করে সারা, ২য় সাফিয়া 

এবং ৩য় স্থান অধিকার করে তানিফা। এরপর দড়ি জাম্প প্রতিযোগীতায় ১০ বছরের উপরে ১ম স্থান অধিকার করে আখিঁ, ২য়-উর্মি এবং ৩য় স্থান অধিকার করে ফাতেমা।

মিউজিক্যাল পিলো প্রতিযোগীতা ছিলো বেশ আকর্ষনীয়! অনূর্ধ ১৮ বছরের ছেলে-মেয়ে প্রতিযোগীদের মধ্যে ১ম স্থান অধিকার করে মালেকা, ২য়- নিহাল এবং ৩য় স্থান অধিকার করে

 হৃদয়। এবং ১৮ বছরের উপরের (ভাবীদের মধ্যে) প্রতিযোগীতায় ১ম স্থান অধিকার করেন মুন্নি, ২য়- তানিয়া এবং ৩য় স্থান অধিকার করে শাখিঁ। প্রত্যকটি প্রতিযোগীতায় ১ম,২য় ও ৩য় স্থান অধিকারকারীদের মাঝে ’লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল কমিটি’র পক্ষ থেকে পুরস্কার বিতরন করা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষন ছিলো ঘুড়ি উড়ানো। ছোট বড় সকলেই যেন প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশ ছুঁতে চায়। ঘুড়ির কাটাকাটি আর সকলের হর্ষধ্বনিতে পরিবেশ যেন সকলকে অভিভুত করে তোলে। ছোটদের তুলনায় মহিলাদের ঘুড়ি উড়ানোয় বেশ দক্ষতার পরিচয় দেয় যা উপস্থিত সকলকে অবাক করে। এমনকি সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার পরও ঘুড়ি উড়াতে দেখা যায়। 

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ’লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল’ আগষ্ট মাসে অনুষ্ঠিত হয়। এবছরই এর ব্যাতিক্রম ঘটে। একই সময়ে লংবীচে স্যান্ড ক্যাসেল অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবছর কাইট ফেষ্টিভ্যাল অনুষ্ঠানটি সেপ্টেম্বরে আয়োজন করা হয়। সেপ্টেম্বর হওয়াতে সন্ধ্যা হতেই আবহাওয়া একটু ঠান্ডা অনুভুত হয়। এ কারনে আগামী বছরের ’লংবীচ কাইট ফেষ্ঠিভ্যাল-২০১৮’ আগষ্ট মাসেই আয়োজন করবে বলে ’লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল কমিটি সিদ্ধান্ত নেয়।

এবছরের ‘লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল’এর সার্থকতার জন্য যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অবদান রয়েছে তারা হলেন কনভেনর সোহরাব চৌধুরী, কো-কনভেনর আব্দুল আলীম আলমগীর, চেয়ারম্যান জসিম হক, ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব তালুকদার, ফুড ডিস্ট্রিবিউটর আরিফ হোসেন, কোষাদক্ষ টিটু মজুমদার সহ আরও আনেকে।

সর্বপরি পুরো দিনটিই যেন আনন্দঘন ছিলো। রঙ-বে-রঙয়ের ঘুড়ি দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশ যেন ছেয়ে যায়! দারুন এক পরিবেশ থেকে  সকলে যেন তৃপ্ত আত্মা নিয়ে বাড়ি 

ফিরে। এবারের লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল অনুষ্ঠানে উপস্থিতি হওয়ার জন্য ’লংবীচ কাইট ফেষ্টিভ্যাল কমিটি’র পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন প্রদান করা হয়েছে।


সহস্রাধিক মানুষের সরব উপস্থিতিতে ওয়াশিংটনে ঐতিহ্যবাহী চাঁটগাইয়া মেজবান সম্পন্ন

বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিঊজ:বাংলাদেশে ছোড ছোড ঢেও তুলি সাম্পানের নাও নদী লুসাই পাহাড় থেকে নেমে আসা নদী কর্ণফুলি থেকে বঙ্গোপসাগর, ভারত সাগর, অতলান্তিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে পটম্যাক কূলে নোঙ্গর ফেলে গত ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবারদিন। শুরু হয়ে যায় দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী চাঁটগাইয়া মেজবান। 

alt

ভোর সকাল থেকে আয়োজকদের সকলে মিলে কাপ্তাই হ্রদ বা ফয়েজ লেক এর আদলে, ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডের লেক একোটীঙ্ক পার্কে মেতে উঠে  ঐতিহ্যবাহী চাঁটগাইয়া মেজবানের আয়োজনে। দেখে যেন মনে হয় সবুজ ঢাকা পাহাড়ি হ্রদের ধারে একেবারেই চাঁটগায়ের কোন এক সুন্দর অরন্য।  ঐতিহ্যবাহী চাঁটগাইয়া মেজবানের গরুর মাংস ও মুরগীর মাংসের

 রেজালা বুটের ডালের সাথে তাজা সালাদ সকলই প্রস্তুত করা হয় এই সবুজ ঢাকা পাহাড়ি হ্রদের ধারে। দুপুর বারোটার মাঝেই আয়োজকদের আমন্ত্রণে দলে দলে মেহমানগণ উপস্থিত হতে থাকেন।

alt

শামীয়ানা টাংগিয়ে একটায় গরুর মাংস ও আরেকটায় মুরগীর মাংসের রেজালা পরিবেশিত হতে থাকে সাথে সাদা ভাত। সহাস্রাধিক মানুষের সরব ও হাস্যোজ্জল উপস্থিতি ও স্বানন্দে লাইন করে দাড়িয়ে খাবার সংগ্রহ অপরূপ বাংলার সুন্দরী চাঁটগাঁর ঐতিহ্যে এক আনন্দঘন পরিবেশের রুপায়ন করে।

alt

দুপুর বারটা থেকে আরাম্ভ করে একটানা বিকেল চারটা অবধি চলে মেজবানের আপ্যায়ন ও সাথে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় চাঁটগাইয়া গানের লহরি। সমবেত কন্ঠে  চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান করেন, সুদিপ্তি বড়ুয়া, দিপ্তি বড়ুয়া, সুপ্রিয়া চৌধুরী, ইলোরা বড়ুয়া,  লাকী বড়ুয়া, দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয় , নুপুর বড়ুয়া ও জীবক কুমার বড়ুয়া।মঞ্চে শিল্পীরা দলীয় পরিবেশনা চাঁটগার আঞ্চলিক গান ছোট,ছোট ঢেউ তুলি দিয়ে এই গান গেয়ে দর্শক শ্রোতাদের স্বাগত জানান। তারপর একে একে চট্রগ্রামের আঞ্চলিক গান গেয়ে দর্শকদের মনোরন্জন করেন ।এরপর শুরু হয় একক পরিবেশনা এতে একে একে গান করেন সুদিপ্তি বড়ুয়া,ইলোরা বড়ুয়া,লাকি বড়ুয়া দিনার মনি ও দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয়। পরে দুটি ডুয়েট গান পরিবেশনা করে দিনার মনি ও দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয়। বর্ণমালা শিক্ষাঙ্গনের পক্ষথেকে দুইটি একক গান পরিবেশন করে ছোট্ট শিল্পী শ্রাবণী।বিশিষ্টজনের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের উপ-প্রধান ও কবি মাহবুব হাসান সালেহ, মজহারুল ইসলাম, ওয়াহেদ হোসাইনী ও ইশতিয়াক কামাল আহমেদ।

এরপর সবার মাঝে আয়োজক কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় । আয়োজক কমিটি সদস্যগন হলেন মোঃ পারভেজ আলম চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, জীবক কুমার বড়ুয়া,আমান উল্লাহ,মো:আলতাফ হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন , মোঃ সেলিম ( বর্ণ্মালা),  সুজিত বড়ুয়া,  মো:করিম ( ম্যারীল্যান্ড),  মোস্তাফিজুর রহমান,  দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয়, মেজর ফজলুর চৌধুরী ও  দস্তগীর জাহাঙ্গীর তুঘ্রীল।সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন  মোঃ ফয়েজ আহমেদ, মো দুলু, রতন নীর, বিলাস চৌধুরী, আবু হাসনাত রুকন, আবু হায়াত রিয়াদ, সরোজ বড়ুয়া ও মেজর ফজলুর চৌধুরী।রান্নার আয়োজনে ছিলেন মোঃ ফয়েজ চৌধুরী, দস্তগীর জাহাঙ্গীর, আব্দুল মান্নান, জীবক কুমার বড়ুয়া,আমান উল্লাহ,মো:আলতাফ হোসেন, মোঃ জাকির হোসেন , মোঃ সেলিম ( বর্ণ্মালা),  সুজিত বড়ুয়া, মোস্তাফিজুর রহমান,  দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয় ও দুলু ভাই।তবলায় ছিলেন মেজর ফজলুর চৌধুরী।শব্ধ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন শিশির ও তাঁর সাউন্ড টেক। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন দীপ্তি বড়ুয়া ও সন্তোষ বড়ুয়া।

আয়োজক কমিটির অন্যতম  সদস্য জনাব পারভেজ আলম জানান প্রায় ১৭০০ লোকের আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠানে তবে ১৫০০ জনের মতো মানুষ এই অনুষ্ঠান উপস্থিত হয়ে  মেজবানে খাওয়া উপভোগ করেন।আরেকজন   অন্যতম  আয়ােজক এশিয়া হালাল সুপারমার্কেটের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান বলেন আমরা (আয়োজকগন) নিজেদের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান দ্বিতীয়বারের মত আয়োজন করি এর জন্য বাহিরে থেকে কোন ফান্ড কালেকশন করি নাই। আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য জীবক বড়ুয়া বলেন ওয়াশিংটনে এই আয়োজন করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত । আগামি বছর আরো বৃহদাকারে মেজবান আয়োজন করা হবে সেজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আমান উল্লাহ ওয়াশিংটন বাসিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান স্বতসফুর্তভাবে অংশগ্রহন করার জন্য। দস্তগীর জাহাঙ্গীর তুঘ্রীল আয়োজক কমিটির সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান । তিনি বলেন কমিটির প্রতিটি সদস্যের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এত সুন্দর ও সার্থকভাবে মেজবান সম্পন্ন হয়েছে।  আগামী বছর ২৯ শে জুলাই ঐতিহাসিক চাঁটগাইয়া মেজবান করার প্রত্যয় ঘোষণার মাঝে শেষ হয় এবারে আয়োজন। 


নিউইয়র্কে পণ্যদ্রব্যের চেয়েও উর্ধগতিতে বাড়ছে বাড়ী ভাড়া = ভাড়াটিয়ারা দিশেহারা

বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বিশ্বের রাজধানী এবং অভিবাসী বান্ধব হিসাবে খ্যাত নিউইয়র্কে বাড়ী ভাড়া এখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। পণ্যদ্রব্যের চেয়েও উর্ধ্বগতিতে এই বৃদ্ধির হার বলে জানিয়েছেন একজন প্রবাসী বাংলাদেশী। অপরদিকে বাড়ীর সামনে ‘টু-লেট’ সাইন ঝুলানোর পরও এশিয়ান বা কালোবর্ণের কেউ গেলে অনেকে বাড়ীভাড়া দিতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে সোস্যাল জাষ্টিস কমিশনে কয়েকশত অভিযোগ জমা পড়ার পর গভর্ণর এন্ড্রু কুমোর অফিসও নড়ে চড়ে বসেছে বলে জানা গেছে।

ওজনপার্ক এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশী মনজেলুর রহমান জানান, বাড়ী ভাড়া বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। তবে তা হতে হবে একটা নীতিমালার মধ্যে। অতীতে এই বৃদ্ধির হার সহনীয় হলেও এখন কেউ নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। এতে একদিকে যেমন বাড়ী ভাড়া দিতে ভাড়াটিয়াদের নাভিশ্বাস উঠছে অপর দিকে বাসা মালিকদের সাথেও দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে।
নিউইয়র্কের এস্টোরিয়া, জ্যামাইকা, ওজনপার্ক, ব্রকলীন এবং ব্রঙ্কসে বাড়ী ভাড়া বৃদ্ধির চিত্র একই। তবে কুইন্সের পর ব্রুকলীনে এই বৃদ্ধির হার বেশী। ব্রঙ্কসে বৃদ্ধির হার তুলনামুলকভাবে কম বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগীরা জানান নিউইয়র্কে লোক সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে সেভাবে বাসা বাড়ী বাড়ছেনা। ফলে বাড়ী বা এ্যাপার্টমেন্ট মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ নিচ্ছে।
ব্রুকলীনের নিউকার্কে বসবাসরত বাংলাদেশী আহমেদুল ইসলাম বলেন, এক থেকে দুই বছর আগে এলাকাভেদে যেখানে ৯ থেকে ১১শ ডলারে ১ বেড রুমের বাড়া ভাড়া পাওয়া যেতো। এখন সেজন্য গুনতে হচ্ছে ১৩ শত থেকে ১৬শত ডলার।
জানা গেছে কুইন্সের বিভিন্ন এলাকায় বাসাভাড়া বৃদ্ধির মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এস্টোরিয়া। এলাকাটি ম্যানহাটন সংলগ্ন বলে বাড়ী বা এ্যাপার্টমেন্ট মালিকরা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ী ভাড়া বাড়াচ্ছেন বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। ৩৬ এভিনিউ এর একটি ১ বেড রুমের বাসা ভাড়া ১৯শ ডলার বলে একজন বাংলাদেশী জানিয়েছেন।

Picture
জ্যামাইকাতে বসবাসরত একটি গ্রোসারী দোকানের বাংলাদেশী মালিক ফয়েজ আহমদ বলেন আমি ১০ বছর আগে এস্টোরিয়ার ৩৬ স্ট্রিটে ছিলাম।তখন ১ বেডরুমের একটি বাসা ভাড়া দিতাম ৭২০ ডলার। দশ বছরে বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ১৯শ ডলারে। ওই এলাকার আর একজন বাংলাদেশী তনু ইসলাম বলেন আমার বর্তমান বাসায় ১১০০ ডলার ভাড়ায় উঠেছিলাম। কিন্তু প্রতি বছরই তা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১৭৫০ ডলারে দাড়িয়েছে।
বাসস্থানের ক্ষেত্রে নিউইয়র্ক বড়ই নির্মম বলে জানালেন একজন বাংলাদেশী। তিনি বলেন দিনরাত পরিশ্রম করে যে অর্থ রোজগার করি তার দুই তৃতীয়াংশই চলে যায় বাড়ী ভাড়ায়। সারাক্ষণ তটস্থ থাকতে হয় কখনো বাড়ী ওয়ালা কখনোবা ম্যানেজমেন্ট বা সুপারের জন্য। বাসা ভাড়া দিতে একটু বিলম্ব হলে রাতের ঘুম হারাম করে দেয়।
নিউইয়র্ক শহরের কোন এলাকায় অর্থ দিলেও নানা শর্তের বেড়াজালে পড়ে বাসা ভাড়া মেলেনা। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ আবাসিক কমপ্লেক্স বলে পরিচিত ব্রঙ্কসের পার্কচেষ্টারে রয়েছে ভাড়া নেয়ার বিভিন্ন শর্তাবলী। এর অন্যতম হচ্ছে যারা বাসা নেবেন তাদের গত বছরের ট্যাক্স ফাইল হতে ১ বেডরুমের জন্য ৩৫ হাজার ডলার। ২ বেডরুমের জন্য ৪৫ হাজার এবং তিন বেডের জন্য ৫৫ হাজার ডলার। শুধু তাই নয় তার একমাসের পে ষ্টাব প্রদর্শন করা ছাড়াও কর্তৃপক্ষ ক্রেডিট লাইন চেক করে থাকেন।
ব্রঙ্কসের কনডোমিনিয়ামে বসবাসরত বাংলাদেশী মোস্তাফিজুর বলেন, তিনি গত কয়েক বছর আগে স্থানীয় আর্চার রোডে ১ বেডরুমের একটি বাসা ৯৫০ ডলারে ভাড়া নিয়েছিলেন। এখন সে বাসাই ১৩০০ ডলারে ভাড়া থাকেন।
অন্য একজন বাংলাদেশী জানান সাউথ কন্ডোমিনিয়াম কর্তৃপক্ষ গত ফেব্রুয়ারী মাসে ‘ক্যাপিটাল ইমপ্রুভমেন্ট’ এর নামে ১৬% সার্ভিস চার্য বৃদ্ধি করায় বাড়ীওয়ালারা ১ বেডরুমের বাসায় ১০০ ডলার এবং ২ বা ৩ বেড রুমে আনুপাতিক হারে ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। যদিও এর বিরুদ্ধে মামলা করায় মেইনটেনেন্স বৃদ্ধির উপর স্থগিতাদেশ জারী রয়েছে। কিন্তু বেশীরভাগ বাড়ী ওয়ালারা তা না মেনে ১৬% সার্ভিস চার্য যোগ করে ইতিমধ্যেই বাড়ী ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন।


নিউইয়র্কের কিছু এলাকায় গৃহহীনের সংখ্যা বাড়ছে

বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : নিউইয়র্কের ম্যানহাটন ও কুইন্স বরোর কিছু এলাকায় গৃহহীনদের সংখ্যা বাড়ছে। এসব এলাকার মধ্যে কুইন্সের জ্যাকসন হাইট্স ও এস্টোরিয়া এবং ম্যানহাটনের সেলসা অন্যতম।
‘সিটিজেনস কমিটি ফর চিলড্রেন’ নামের একটি অলাভজনক সংস্থা পরিচালিত সর্বশেষ গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। এ গবেষণার মূল বিষয় ছিল নিউইয়র্ক নগরের পারিবারিক গৃহ হীনতা চিহ্নিত করা, পরিবারের আয় ও গৃহ হীনতার মধ্যে সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা, গৃহহীন আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাসের ফলে শিশু এবং পরিবারের সদস্যদের সমৃদ্ধি/উন্নতি ঝুঁকি খতিয়ে দেখা।
গবেষণায় দেখা গেছে কুইন্সের জ্যাকসন হাইটস ও এস্টোরিয়া এবং ম্যানহাটনের সেলসা এলাকায় গৃহ হীনতা বন্ধে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও এ সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বাড়ছে।
অলাভজনক এ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জেনিফার মার্চ বলেন, এ গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গৃহহীনদের সেবা প্রদানে নগর কর্তৃপক্ষ কমিউনিটি কেন্দ্রিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে আগ্রহী। তিনি বলেন, নিউইয়র্ক নগরব্যাপী বসবাসকারী পরিবারের আবাসন অস্থিরতার কারণ এবং গৃহ হীনতার শিকার পরিবারের সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য কত সম্পদের জোগান দেওয়া দরকার তা নির্ণয় করা বেশ কঠিন। তিনি বলেন, মহামন্দা কাটিয়ে ওঠার ছয় বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও নগরে বিভিন্ন এলাকায় গৃহ হীনতার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এর ফলে পরিবার ও শিশুরা বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। দরিদ্র শিশু স্বাস্থ্য-সুবিধার অপ্রতুলতা, বিদ্যালয়ে প্রবেশের মতো সম্পদের অভাব এবং পারিবারিক ও কমিউনিটি সহিংসতার ব্যাপকতা গৃহ হীনতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে।
গবেষণায় দেখা গেছে অন্যান্য এলাকার চেয়ে এস্টোরিয়া এলাকায় আয় হ্রাস এবং বাড়ি ভাড়ার বৃদ্ধির মধ্যে পার্থক্য বেশি। এ পার্থক্য এ এলাকায় ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।
শিশু রয়েছে কুইন্সের এস্টোরিয়ায় এমন মধ্য আয়ের পরিবারে হার ১৪ শতাংশ কমেছে। এদের আয় বার্ষিক আয় ৫৯ হাজার ডলার থেকে ৫১ হাজারের ডলারে নেমে আসে।
অন্যদিকে একই বরোর সানিসাইড, জ্যাকসন হাইট্স এবং এলমহার্টস এলাকায় ২০১৩ সালে গৃহহীন পরিবার বলতে গেলে ছিলই না। এখন সানিসাইডে ১৩টি পরিবার তাদের ছেলেমেয়েসহ গৃহহীনে পরিণত হয়েছে। কুইন্সের পশ্চিমাংশে বাড়ি ভাড়া বেড়ে যাওয়া এবং আয় কমে যাওয়া গৃহ হীনতার জন্য দায়ী বলে গবেষণায় দাবি করা হয়।
ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় বাড়িগুলো জনাকীর্ণ হয়ে পড়ে। জ্যাকসন হাইটস ও এলমহার্স্টের এক-চতুর্থাংশ বাড়িতে ধারণ ক্ষমতার বেশি লোক বাস করেন। যদিও পুরো নগরে গড়ে ১১ শতাংশ বাড়ি জনবহুল।


হ্যান্ডশেকের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গল্প শুরু করলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্‌স নিউজ :নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : জাতিসংঘ সংস্কার বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনের বিশ্বনেতারা সমবেত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে।

Picture

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মত এই অধিবেশনের বিতর্কে অংশ নিতে স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্কে পৌঁছান। পৌছানোর পর তিনি এক সৌজন্য সাক্ষাত করেন বিশ্বের ১৯৩টি দেশ থেকে আসা রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে।এর আগে বৈঠকে জাতিসংঘ থেকে যৌথভাবে আমলাতন্ত্র নির্মূলের ডাক দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

alt

বৈঠক শেষে সভাস্থল থেকে বেরিয়ে আসবার সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে হ্যান্ডশেক ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ট্রাম্প। কিন্তু এর মাঝে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তিনি পথের মধ্যে থেমে যান এবং কথা বলতে শুরু করেন। শেখ হাসিনাও হাসিমুখে ট্রাম্পের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এই প্রথম যোগ দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


শেখ হাসিনার” জাতিসংঘে ৭২তম সাধারন অধিবেশনে যোগদানে শেখ হাসিনা মঞ্চ যুক্তরাষ্ট্র সভা

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ১১ই সেপ্টেম্বর সোমবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস্থ পালকি পাটি সেন্টারে “যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চের” উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার” জাতিসংঘে ৭২তম সাধারন অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষ্যে এক বিশেষ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় ।এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি জালাল উদ্দিন জলিল ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক কায়কোবাদ খান ।

Picture

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আগামী ১৯ শে সেপ্টেম্বর মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর “নাগরিক সম্বর্ধনাকে” সর্বাত্ত্বক সাফল্য মন্তিত করার জন্য “যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চ” সহ সকল অংগসংগঠন, মুক্তির যুদ্ধের সকল শক্তি প্রবাসী ভাই বোনদেরকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন। সকল মতবেদ ভুলে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এক কাতারে কাজ করার আহবান জানান।খবর বাপসনিঊজ।

alt
অনুষ্ঠানে শুরুতে জাতির জনক সহ তাদের পরিবারের এবং জাতীয় চারনেতা, আইভী রহমান ও ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার শিকার, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে এই যাবত পর্যন্ত সব আত্মদানকারী, ভাষা সৈনিক এডভোকেট আবদুস সামাদ, আহলে সুন্নতের মৌলানা প্রিন্সিপাল সহিখ জালাল উদ্দিন আলকাদেরী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য রুহের মাগফেরাত, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনা মঞ্চের উপদেষ্টা লুৎফুল করিম এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা  ড. প্রদীপ রঞ্জন কর,ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ সহ সভাপতি আকতার হোসেন, শামসুদ্দিন আজাদ, সৈয়দ বশারত আলী সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান, কোষাধ্যক্ষ মনসুর খান।

alt

ইহাছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন উক্ত সংগঠনের হাজী এনাম, তৈয়বুর রহমান টনি, ফরিদ আলম “শেখ হাসিনা মঞ্চের” সিনিয়র সহ সভাপতি  টি মোল্লা, প্রধান সম্বনয়কারী গোলাম কুদ্দুস, আবুল কাশেম ভূইয়া, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুল হাসান, নুরুল হক খান, উলফত আলী মোল্লা, মীর কাসেম, সৈয়দ আলী, শুভ্র, আতাউর রহমান আলুকদার, মোহাম্মদ নাদের নাছির মাস্টার, আশরাফ মাসুক (যুগ্ম সম্পাদক) লস্কর মাইজুুর রহমান জুয়েল, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, হারুনুর রশীদ, নুরী আজম বাবু (মুক্তিযোদ্ধা), উপদেষ্টা ইসমাইল খান আনসারী,মুক্তিযোদ্ধা আলী আক্কাস, আকতার হোসেন, জাহিদ খান, সিরাজুল ইসলাম, শ্রমিক লীগের সভাপতি আজিজুল ইসলাম খোকন, সাধারন সম্পাদক জুয়েল আহমাদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার, সহ সভাপতি দরুদ মিয়া রুনেল, সাধারন সম্পাদক সুবল দেবনাথ, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামীলীগের সদস্য সাহানা রহমান, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, খোরশেদ খন্দকার, কামরুল ইসলাম হিরা, মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মমতাজ  সাহনাজ, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জেড এ জয়, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া। বক্তারা সবাই জননেত্রীর সম্বর্ধনা সহ সকল অনুষ্ঠান সর্ব সম্প্রতি ক্রমে সফল করার জন্য আহবান জানান।


গোলাপগঞ্জ সমিতি অব আমেরিকার আজিজুন নবী চৌধুরী স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:গত ১৩ই সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যা ৮টায় এস্টোরিয়াস্থ বৈশাখী রেষ্টুরেন্টে গোলাপগঞ্জ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আজিজুন নবী চৌধুরী ফুকন স্মরণে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।সমিতির সভাপতি হাজী আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত মুক্তার পরিচালনায় প্রয়াত মাষ্টার আজিজুন নবী চৌধুরী ফুকন-এর জীবন বৃত্তান্ত ও অনেক গুনগ্রাহী তুলে ধরা হয়।

Picture

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হোসেন খাঁন, বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ থেকে আগত গোলাপগঞ্জের কৃতিসন্তান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি ও ওসমানী স্মৃতি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ আকতারুল ইসলাম, এমাদ চৌধুরী, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, বেলাল উদ্দিন, একলামুজ্জামান নুনু, ওসমানী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি নাজমুল ইসলাম চৌধুরী, বিলাস রেষ্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী আফতাব আলী প্রমুখ।খবর বাপসনিঊজ।

alt
উক্ত মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সমিতির ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জালালাবাদ এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি  আব্দুল বাছিত, ট্রাষ্টি বোর্ড সদস্য  সালেহ আহমেদ সালেক, সৈয়দ খালেদ, রাজ্জাক চৌধুরী ও  তাজ উদ্দিন প্রমুখ। মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য মুতাব্বির চৌধুরী।দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মৌলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকী।