Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/media/system/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নানান আয়োজন

বস্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭

সময় যায়। সময় যাওয়ার সময় বদলে যায় অনেক কিছুই। এ হলো পরম সত্য। সময় যেন এক প্রবহমান মহাসমুদ্র। কেবলই সামনের এগিয়ে যাওয়া, পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। তাই তো জীবন এত গতিময়। সেই গতির ধারাবাহিকতায় মহাকালের প্রেক্ষাপটে একটি বছর মিলিয়ে গেল। আজ আলোড়িত আন্দোলিত বর্ষ বিদায়ের দিন। জীর্ণ ঝরা পল্লবের মতো সরল রৈখিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে আজ খসে পড়বে ‘২০১৭’। মধ্যরাতে নতুন বছর ২০১৮-কে স্বাগত জানানোর উৎসবের বাঁশি বেজে উঠবে সবার প্রাণে। বহু ঘটনার জন্ম দিয়ে মহাকালের পরিক্রমায় বিদায় নিল আরও একটি বছর। মিথ্যার কুহেলিকা ভেদ করে সত্য প্রতিষ্ঠিত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অভূতপূর্ব পুনর্জাগরণ ঘটিয়ে চিরকালের জন্য আজ হারিয়ে যাচ্ছে ঘটনাবহুল ২০১৭ সাল। বাংলাদেশের ৪৬ বছরের অনেক ইতিহাস বদলে দিয়েছে বিদায়ী বছরটি। সূচনা করেছে জাতীয় জীবনে ও রাজনীতির ইতিহাসে এক অভিনব অধ্যায়ের। যে ভয়াল জঙ্গী সন্ত্রাসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সারাবিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুগভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল দু’বছর আগে থেকে, শেষ পর্যন্ত সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত আর ভয়াল জঙ্গীবাদকে শক্তহাতে দমন করে বিপুল উন্নয়ন আর জনমনে শান্তি-স্বস্তি দিয়েই বিদায় নিল ২০১৭ সাল। অনেক ঘটনা, অঘটন, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, চড়াই-উৎরাই, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও আনন্দ-বেদনার সাক্ষী হয়ে কালের গর্ভে আজ হারিয়ে যাচ্ছে এ বছরটি।

Boston Bangla News SaKiL 1

 ‘‘নতুন আশা নতুন প্রাণ/নতুন সুরে নতুন গান/নতুন উষা নতুন আলো/ নতুন বছর কাটুক ভালো…৷ আসুন, অতীতের সকল হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে, একে অপরের বন্ধু হয়ে মিলে-মিশে থাকি৷দেশকে ভালোবাসি অতীতের সব গ্লানি মুছে দিয়ে আগামী বছরে নতুন সাফল্যে উদ্ভাসিত হউক সবার জীবন - এই কামনায় নববর্ষে সকল পাঠক-লেখক-শুভানুধ্যায়ী সহ বাংলাদেশ, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা তথা বিশ্ববাসী সকলকে বস্টন বাংলা নিউজের পরিবারের পক্ষ থেকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

সবাইকে ইংরেজি নতুন বর্ষের শুভেচ্ছা।


বিশ্বশান্তি’র অগ্রদূত, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ‘শুভ জন্মদিনে’ প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন , মো:নাসির, ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ ,বাপসনিউজ :আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের আজকের এই দিনে মধুমতি নদীর তীরে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের মানুষ যখন আমাদের এই প্রিয় নেত্রীর জন্মদিন পালন করবে তখন তিনি তাঁর প্রিয় বাংলাদেশে থাকবেন না। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক অবস্থান করছেন। বিগত পাঁচ বছর ধরে জন্মদিনের এই সময়টি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে আমেরিকার নিউইয়র্কে থাকেন। জন্মদিনের এই মধুময় ক্ষণ তাঁকে বিদেশের মাটিতেই অনুভব করতে হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তারপরও দেশ-বিদেশে নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত করা হবে তাঁর দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনায়।

alt

জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবন বিচিত্র এবং সংগ্রামমুখর। জন্মের পর থেকে দেখে আসছেন পিতা শেখ মুজিবুর রহমান যাপিত জীবন। প্রতিনিয়ত জেল-জুলুমের মধ্যদিয়ে পিতার আপত্য স্নেহবঞ্চিত শেখ হাসিনা ভেঙে পড়েননি। বরং পিতার সংগ্রামশীল জীবন, বাংলার মানুষের প্রতি গভীর প্রেম তাঁকে প্রলুব্ধ করেছে বেশি। শিশু থেকে যৌবনের প্রান্তসীমা পর্যন্ত বাবা নয় বরং মা বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেসা মুজিবের যে ভূমিকা তাকেই গ্রহণ করেছেন। যা ছিল একজন দেশপ্রেমিক জননেতার জীবন ঘনিষ্ঠ চাওয়া না পাওয়ার চালচিত্র। কন্যা হিসেবে পিতার আদর্শ দেশপ্রেমকে বড় করে দেখেছেন। তাই হয়তো বঙ্গবন্ধুর মতো তিনি বলতে পারেন, ‘আমার হারাবার কিছু নেই, বাংলাদেশের মানুষের জন্য পুরো পরিবারকেই উৎসর্গ করেছি।’

পিতামহ শেখ লুৎফর রহমান এবং দাদি শাহেরা খাতুনের প্রিয় নাতনি হাসিনা ওরফে হাসু। শৈশব-কৈশোর কেটেছে দাদা-দাদির নিবিড় সান্নিধ্যে- টুঙ্গিপাড়ায়। গ্রামের ধূলিকণা আর খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গেই তাঁর বেড়ে ওঠা। শিক্ষাজীবন শুরু হয় স্থানীয় পাঠশালায়। পিতা শেখ মুজিব তখন সারা বাংলা চষে বেড়াচ্ছেন বাঙালির ভোট এবং ভাতের অধিকার নিয়ে।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পুরান ঢাকার মোগলটুলীর রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে ১৯৬১ সালের ৩ নভেম্বর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে চলে আসেন। শেখ হাসিনা ভর্তি হন টিকাটুলীর নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। এই তাঁর শহর জীবনের গল্প। ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে চলে আসেন। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার আমৃত্যু ওই বাড়িতে বসবাস করেছেন।

১৯৬৫ সালে শেখ হাসিনা আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন ঢাকার বকশিবাজার পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ) থেকে। ওই বছরেই ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলেজে পড়াকালীন তিনি কলেজ ছাত্রী সংসদের সহসভানেত্রী নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম বিধায় কিশোরী বয়স থেকেই তাঁর রাজনীতিতে পদচারণা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে আইয়ুববিরোধী এবং ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬ দফা দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে তার প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু পরিবারে নেমে আসে নানাবিধ নির্যাতন। বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। আটক অবস্থায় পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা শুরু করে। ১৯৬৮ সালের এই বিপদসঙ্কুল দিনে কারাবন্দি পিতা বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর শুরু হয় ১১ দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নেত্রী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু পরিবার ঘাতক কর্তৃক নির্মমভাবে নিহত হওয়ার সময় শেখ হাসিনা বিদেশে ছিলেন বলে জানে বেঁচে যান।

১৯৮১ সালের ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তাঁর সংগ্রাম।
১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলা চালানো হয় তাঁর উপর। অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেও মারাত্মক আহত হন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে সফল প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কান্ডারী, দারিদ্রবিমোচনের প্রতীক, নারীর ক্ষমতায়ণের প্রতীক, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭০তম ‘শুভ জন্মদিনে’ তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশা আকতার রুবী।

‘শুভ জন্মদিনে’র শুভেচ্ছা বার্তায়-সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই তিনি ইতোপূর্বেও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত ও নন্দীত হয়েছেন এবং এখনও হচ্ছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর, মাসেই তিনি, নারীর ক্ষমতায়নে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হয়ে বিশ্বজুড়ে নন্দীত হয়েছেন। গত জুন মাসেও বিশ্বের ক্ষমতাধর সেরা নারীদের তালিকায় ৩৬তম স্থান পেয়ে প্রশংসিত হয়েছেন। এরপর, এই চলতি বছরেই জননেত্রী শেখ হাসিনা অন্যতম বিশ্বনেতার স্বীকৃতি লাভ করেছেন। এছাড়াও-দেশরত্ন-জননেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে-তাঁর বহুমুখী অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ রয়েছে, আন্তর্জাতিক মর্যাদা সম্পন্ন অসংখ্য পুরুস্কার।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গলব্লাডারে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ায়-আল্লাহ পাকের দরবারে শূকরিয়া আদায় করে, ৭০তম ‘শুভ জন্মদিনে’ তাঁর  সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন, হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশা আকতার রুবী।

আমাদের বক্তব্য, আজ শেখ হাসিনার ৭০তম জন্মদিন। এই দিনে তাঁকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। কামনা করি তিনি দীর্ঘায়ু হন। আরো উন্নয়নশীল কাজে নিজকে নিয়োজিত করুন। যাতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়। ধন্য প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।


বষ্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

বস্টন বাংলা নিউজ:ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে সহমর্মিমতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন. এই আনন্দ ও উৎসব সবার জীবনে খুশীর বন্যা নিয়ে আসুক, ভুলিয়ে দিক সব বিভেদ- সেই প্রত্যাশায় বষ্টন বাংলা নিউজ -এর সন্মানিত পাঠক, লেখক এবং শুভাকাংক্ষীদের প্রতি রইল ঈদের শুভেচ্ছা

ঈদ বয়ে আনুক আপনাদের সকলের জীবনে হাসি আনন্দ আর সমৃদ্ধি। বষ্টন বাংলা নিউজ -এর পরিবারের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।


পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ৪ দিন বষ্টন বাংলা নিউজ বন্ধ থাকবে (২ , ৩, ৪ ও ৫  সেপ্টেম্বর ২০১৭ ) বষ্টন বাংলা নিউজ প্রকাশিত হবে না।


বষ্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

শনিবার, ২৪ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ: ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে সহমর্মিমতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন. এই আনন্দ ও উৎসব সবার জীবনে খুশীর বন্যা নিয়ে আসুক, ভুলিয়ে দিক সব বিভেদ- সেই প্রত্যাশায় বষ্টন বাংলা নিউজ -এর সন্মানিত পাঠক, লেখক এবং শুভাকাংক্ষীদের প্রতি রইল ঈদের শুভেচ্ছা।

বোস্টন বাংলা নিঊজ ডটকম এক বিবৃতিতে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ঈদের আনন্দে যাতে গরীব-দুঃখী সকলেই অংশীদার হতে পারে তার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

পবিত্র পবিত্র ঈদুল ফিতর  উপলক্ষে ৪ দিন বষ্টন বাংলা নিউজ বন্ধ থাকবে ( ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন ২০১৭ ) বষ্টন বাংলা  নিউজ প্রকাশিত হবে না।


ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

কোনো প্রাণীর-মূর্তি নির্মাণ করা ইসলামী শরীয়তে কঠিন কবীরা গুনাহ ও হারাম । মূর্তি সংগ্রহ, মূর্তি সংরক্ষণ এবং মূর্তির বেচাকেনা ইত্যাদি সকল বিষয় কঠিনভাবে নিষিদ্ধ। মূর্তিপূজার কথা তো বলাই বাহুল্য, মূর্তি নির্মাণেরও কিছু কিছু পর্যায় এমন রয়েছে যা কুফরী।

কেউ কেউ মূর্তি ও ভাস্কর্যের মধ্যে বিধানগত পার্থক্য দেখাতে চান। এটা চরম ভুল। ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য দুটোই  পরিত্যাজ্য। কুরআন মজীদ ও হাদীস শরীফে এ প্রসঙ্গে যে শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলো মূর্তি ও ভাস্কর্য দুটোকেই নির্দেশ করে। এ প্রসঙ্গে কুরআন মজীদের স্পষ্ট নির্দেশ-

فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ وَ اجْتَنِبُوْا قَوْلَ الزُّوْرِۙ۝۳۰

‘তোমরা পরিহার কর অপবিত্র বস্ত্ত অর্থাৎ মূর্তিসমূহ এবং পরিহার কর মিথ্যাকথন।’ -সূরা হজ্জ : ৩০

এই আয়াতে পরিস্কারভাবে সবধরনের মূর্তি পরিত্যাগ করার এবং মূর্তিকেন্দ্রিক সকল কর্মকান্ড  বর্জন করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আরো লক্ষণীয় বিষয় এই যে. উপরের আয়াতে সকল ধরনের মূর্তিকে ‘রিজস’ শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘রিজ্স’ অর্থ নোংরা ও অপবিত্র বস্ত্ত। বোঝা যাচ্ছে যে, মূর্তির সংশ্রব পরিহার করা পরিচ্ছন্ন ও পরিশীলিত রুচিবোধের পরিচায়ক।

দ্বিতীয় আয়াত

অন্য আয়াতে কাফের সম্প্রদায়ের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে এভাবে-

وَ قَالُوْا لَا تَذَرُنَّ اٰلِهَتَكُمْ وَ لَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَّ لَا سُوَاعًا ۙ۬ وَّ لَا یَغُوْثَ وَ یَعُوْقَ وَ نَسْرًاۚ۝۲۳

‘এবং তারা বলেছিল, তোমরা কখনো পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাস্যদেরকে এবং কখনো পরিত্যাগ করো না ওয়াদ্দ, সুওয়া, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকে।’ -সূরা নূহ : ২৩

এখানে কাফের সম্প্রদায়ের দুটো বৈশিষ্ট্য উল্লেখিত হয়েছে : ১. মিথ্যা উপাস্যদের পরিত্যাগ না করা। ২. মূর্তি ও ভাস্কর্য পরিহার না করা। তাহলে মিথ্যা উপাস্যের উপাসনার মতো ভাস্কর্যপ্রীতিও কুরআন মজীদে কাফেরদের বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত। অতএব এটা যে ইসলামে গর্হিত ও পরিত্যাজ্য তা তো বলাই বাহুল্য।

Picture

উপরের আয়াতে উল্লেখিত মূর্তিগুলো সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, এগুলো হচ্ছে নূহ আ.-এর সম্প্রদায়ের কিছু পুণ্যবান লোকের নাম। তারা যখন মৃত্যুবরণ করেছে তখন শয়তান তাদের সম্প্রদায়কে এই কুমন্ত্রনা দিয়েছে যে, তাদের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে মূর্তি স্থাপন করা হোক এবং তাদের নামে সেগুলোকে নামকরণ করা হোক। লোকেরা এমনই করল। ওই প্রজন্ম যদিও এই সব মূর্তির পূজা করেনি কিন্তু ধীরে ধীরে প্রকৃত বিষয় অস্পষ্ট হয়ে গেল এবং পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পূজায় লিপ্ত হল। -সহীহ বুখারী হাদীস : ৪৯২০

তৃতীয় আয়াত

কুরআন মজীদে মূর্তি ও ভাস্কর্যকে পথভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে চিহ্ণিত করা হয়েছে। এক আয়াতে এসেছে-

رَبِّ اِنَّهُنَّ اَضْلَلْنَ كَثِیْرًا مِّنَ النَّاسِ ۚ

‘ইয়া রব, এরা (মূর্তি ও ভাস্কর্য) অসংখ্য মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে!’ -সূরা ইবরাহীম : ৩৬

অন্য আয়াতে এসেছে-

وَ قَالُوْا لَا تَذَرُنَّ اٰلِهَتَكُمْ وَ لَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَّ لَا سُوَاعًا ۙ۬ وَّ لَا یَغُوْثَ وَ یَعُوْقَ وَ نَسْرًاۚ۝۲۳ وَ قَدْ اَضَلُّوْا كَثِیْرًا ۚ۬

‘আর তারা বলেছিল, তোমরা পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাস্যদের এবং পরিত্যাগ করো না ওয়াদ্দ সুওয়াকে, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকে। অথচ এগুলো অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে।’ -সূরা নূহ : ২৩-২৪

কুরআন মজীদে একটি বস্ত্তকে ভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে  চিহ্ণিত করা হবে এরপর ইসলামী শরীয়তে তা বৈধ ও গ্রহণযোগ্য থাকবে-এর চেয়ে হাস্যকর কথা আর কী হতে পারে।

চতুর্থ আয়াত

কুরআনের ভাষায় মূর্তি ও ভাস্কর্য হল বহুবিধ মিথ্যার উৎস। ইরশাদ হয়েছে-

اِنَّمَا تَعْبُدُوْنَ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ اَوْثَانًا وَّ تَخْلُقُوْنَ اِفْكًا ؕ

তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে উপাসনা কর (অসার) মূর্তির এবং তোমরা নির্মাণ কর ‘মিথ্যা’। -সূরা আনকাবুত : ১৭

মূর্তি ও ভাস্কর্য যেহেতু অসংখ্য মিথ্যার উদ্ভব ও বিকাশের উৎস তাই উপরের আয়াতে একে ‘মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই আয়াতগুলো থেকে পরিষ্কার জানা যাচ্ছে যে, মূর্তি ও ভাস্কর্য দুটোই সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য।

হাদীস শরীফেও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূর্তি ও ভাস্কর্য সম্পর্কে পরিষ্কার বিধান দান করেছেন।

১. হযরত আমর ইবনে আবাসা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ‘আল্লাহ তাআলা আমাকে প্রেরণ করেছেন আত্মীয়তার সর্ম্পক বজায় রাখার, মূর্তিসমূহ ভেঙ্গে ফেলার, এবং এক আল্লাহর ইবাদত করার ও তাঁর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুকে শরীক না করার বিধান দিয়ে। -সহীহ মুসলিম হা. ৮৩২

২. আবুল হাইয়াজ আসাদী বলেন, আলী ইবনে আবী তালেব রা. আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে ওই কাজের দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করব না, যে কাজের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রেরণ করেছিলেন? তা এই যে, তুমি সকল প্রাণীর মূর্তি বিলুপ্ত করবে এবং সকল সমাধি-সৌধ ভূমিসাৎ করে দিবে।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে,… এবং সকল চিত্র মুছে ফেলবে।’ -সহীহ মুসলিম হা. ৯৬৯

৩. আলী ইবনে আবী তালেব রা. বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। তখন তিনি বললেন, ‘তোমাদের মধ্যে কে আছে, যে মদীনায় যাবে এবং যেখানেই কোনো প্রাণীর মূর্তি পাবে তা ভেঙ্গে ফেলবে, যেখানেই কোনো সমাধি-সৌধ পাবে তা ভূমিসাৎ করে দিবে এবং যেখানেই কোনো চিত্র পাবে তা মুছে দিবে?’ আলী রা. এই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্ত্তত হলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে কেউ পুনরায় উপরোক্ত কোনো কিছু তৈরী করতে প্রবৃত্ত হবে সে মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি নাযিলকৃত দ্বীনকে অস্বীকারকারী।’ -মুসনাদে আহমাদ হা. ৬৫৭

এই হাদীসগুলো থেকে স্পষ্ট জানা যাচ্ছে যে, যে কোনো প্রাণী মূর্তিই ইসলামে পরিত্যাজ্য এবং তা বিলুপ্ত করাই হল ইসলামের বিধান। আর এগুলো নির্মাণ করা ইসলামকে অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য।

৪. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-

إِنَّ مِنْ أَشَدِّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُوْنَ.

প্রতিকৃতি তৈরিকারী (ভাস্কর, চিত্রকর) শ্রেণী হল ওইসব লোকদের অন্তর্ভুক্ত যাদেরকে কিয়ামত-দিবসে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি প্রদান করা হবে।’ -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৫০

৫. আবু হুরায়রা রা. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন-

إِنَّ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذَّبُوْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَيُقَالُ لَهُمْ : أَحْيُوْا مَا خَلَقْتُمْ.

ওই লোকের চেয়ে বড় জালেম আর কে যে আমার সৃষ্টির মতো সৃষ্টি করার ইচ্ছা করে। তাদের যদি সামর্থ্য থাকে তবে তারা সৃজন করুক একটি কণা এবং একটি শষ্য কিংবা একটি যব! -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৫৩

এই হাদীসটি বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যখন ভাস্কর-চিত্রকর, এমনকি গল্পকার ও ঔপন্যাসিকদেরকে পর্যন্ত ‘স্রষ্টা’ বলতে এবং তাদের কর্মকান্ডকে ‘সৃষ্টি’ বলতে সামান্যতমও দ্বিধাবোধ করা হয় না। কোনো কোনো আলোচকের আলোচনা থেকে এতটা ঔদ্ধত্যও প্রকাশিত হয় যে, যেন তারা সত্যি সত্যিই স্রষ্টার আসনে আসীন হয়ে গিয়েছেন!

সহীহ বুখারীর বিখ্যাত ভাষ্যকার হাফেয ইবনে হাজার আসকানী রাহ. লেখেন- এই ভাস্কর ও চিত্রকর সর্বাবস্থাতেই হারাম কাজের মধ্যে লিপ্ত। আর যে এমন কিছু নির্মাণ করে যার পূজা করা হয় তার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আর যে স্রষ্টার সামঞ্জস্য গ্রহণের মানসিকতা পোষণ করে সে কাফের ।’ -ফতহুল বারী ১০/৩৯৭

৬. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. ও আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ خَلْقًا كَخَلْقِيْ؟ فَلْيَخْلُقُوْا ذَرَّةً وَلْيَخْلُقُوْا حَبَّةً أَوْ لِيَخْلُقُوْا شَعِيْرَةً.

এই প্রতিকৃতি নির্মাতাদের (ভাস্কর, চিত্রকরদের) কিয়ামত-দিবসে আযাবে নিক্ষেপ করা হবে এবং তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, যা তোমরা ‘সৃষ্টি’ করেছিলে তাতে প্রাণসঞ্চার কর!’

-সহীহ বুখারী হা. ৭৫৫৭, ৭৫৫৮;

৭. আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যে কেউ দুনিয়াতে কোনো প্রতিকৃতি তৈরি করে কিয়ামত-দিবসে তাকে আদেশ করা হবে সে যেন তাতে প্রাণসঞ্চার করে অথচ সে তা করতে সক্ষম হবে না।’ -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৬৩

৮. আউন ইবনে আবু জুহাইফা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুদ ভক্ষণকারী ও সুদ প্রদানকারী, উল্কি অঙ্কণকারী ও উল্কি গ্রহণকারী এবং প্রতিকৃতি প্রস্ত্ততকারীদের (ভাস্কর, চিত্রকরদের) উপর লানত করেছেন। -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৬২

এই হাদীসগুলো থেকে প্রমাণিত হয় যে,ভাস্কর্য নির্মাণ অত্যন্ত কঠিন কবীরা গুনাহ। আর কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা কুফরীরও পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

মূর্তি ও ভাস্কর্যের বেচাকেনাও হাদীস শরীফে সম্পূর্ণ হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছে।

৯. হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের সময় মক্কায় থাকা অবস্থায় এই ঘোষণা দিয়েছেন যে, আল্লাহ ও তার রাসূল মদ ও মূর্তি এবং শুকর ও মৃত প্রাণী বিক্রি করা হারাম করেছেন।’ -সহীহ বুখারী হা. ২২৩৬

১০. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসুস্থতার সময় তাঁর জনৈকা স্ত্রী একটি গির্জার কথা উল্লেখ করলেন। গির্জাটির নাম ছিল মারিয়া। উম্মে সালামা ও উম্মে হাবীবা ইতোপূর্বে হাবাশায় গিয়েছিলেন। তারা গির্জাটির কারুকাজ ও তাতে বিদ্যমান প্রতিকৃতিসমূহের কথা আলোচনা করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শয্যা থেকে মাথা তুলে বললেন, ওই জাতির কোনো পুণ্যবান লোক যখন মারা যেত তখন তারা তার কবরের উপর ইবাদতখানা নির্মাণ করত এবং তাতে প্রতিকৃতি স্থাপন করত। এরা হচ্ছে আল্লাহর নিকৃষ্টতম সৃষ্টি।’-সহীহ বুখারী  হা. ১৩৪১ সহীহ মুসলিম হা. ৫২৮ নাসায়ী হা. ৭০৪

১১. আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, ‘(ফতহে মক্কার সময়) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বায়তুল্লাহয় বিভিন্ন প্রতিকৃতি দেখলেন তখন তা মুছে ফেলার আদেশ দিলেন। প্রতিকৃতিগুলো মুছে ফেলার আগ পর্যন্ত তিনি তাতে প্রবেশ করেননি।’ -সহীহ বুখারী হা. ৩৩৫২

দৃষ্টান্তস্বরূপ এগারোটি হাদীস পেশ করা হল। আলোচিত প্রসঙ্গে ইসলামী বিধান বোঝার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। কুরআন মজীদে যে কোনো ধরনের মূর্তির সংশ্রব ও সংশ্লিষ্টতা পরিহারের যে আদেশ মুমিনদেরকে করা হয়েছে সে সম্পর্কে একটা বিস্তারিত ধারণাও উপরোক্ত হাদীসগুলো থেকে জানা গেল।

কুরআন ও সুন্নাহর এই সুস্পষ্ট বিধানের কারণে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ইত্যাদি সকল বিষয়ের অবৈধতার উপর গোটা মুসলিম উম্মাহর ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


রমজানে আমরা যে আমলগুলো করতে পারি

বুধবার, ৩১ মে ২০১৭

Picture

ইসলাম ডেস্ক : আমরা মুসলিম। আমাদের সকলের জন্য রমজান মাস একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস। এমাসের প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই রমজান মাসের প্রতিটি মুহূর্তকে যেন কাজে লাগানো যায় সে চেষ্টা করাই আমাদের সবার উচিত। কেননা এ মাস আমলের মাস। ইবাদতের মাস। এমাস ইবাদতের বসন্তকাল। পবিত্র রমাজান মাস আল্লাহ তায়ালার এক বিশেষ দান। সাওয়াব অর্জনের ভরা বসন্ত। এ মাসেই কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস রমজান। এ মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল রয়েছে। যেগুলো পালন করার মাধ্যমে আমরা সহজে বহু নেকি অর্জন করতে পারি । মুক্তি পেতে পারি জাহান্নাম থেকে।

রোজা রাখা: ইসলামের পাঁচটি রুকনের একটি হলো রোজা। আর রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ। মহান আল্লাহ বলেন, “সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে রোজা পালন করে।” (সুরা বাকারা : আয়াত : ১৮৫)

সাহরি খাওয়া : সাহরি খাওয়ার মধ্যে বরকত রয়েছে । হাদিসে এসেছে সাহরি হল বরকতময় খাবার। তাই কখনো সাহরি খাওয়া বাদ দিবে না। এক ঢোক পানি পান করে হলেও সাহরি খেয়ে নাও। কেননা সাহরির খাবার গ্রহণকারিকে আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর ফেরেশতারা স্মরণ করে থাকেন । [মুসনাদ আহমাদ]

ইফতার করা : সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা ফজিলতপূর্ণ আমল। বিলম্ব না করা । কেননা হাদিসে এসেছে,যে ব্যক্তি সিয়াম পালন করবে, সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে, খেজুর না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করবে। কেননা পানি হলো অধিক পবিত্র।[সুনান আবু দাউদ ]

তারাবি পড়া: সালাতুত তারাবি পড়া এ মাসের অন্যতম আমল। তারাবি পড়ার সময় তার হক আদায় করতে হবে। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সাওয়াব হাসিলের আশায় রমজানে কিয়ামু রমাদান (সালাতুত তারাবি) আদায় করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (বুখারি : হাদিস ২০০৯)

কোরআন খতম ও তিলাওয়াত: এটি কুরআন নাজিলের মাস। তাই এ মাসে অন্যতম কাজ হলো বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা। রমজানে যেহেতু প্রতিটি ইবাদতের সাওয়াব ৭০ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাই এ মাসে যথাসাধ্য বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক। মহানবী (সা.) বলেছেন, রোজা ও কোরআন কিয়ামতের দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে। (আহমাদ : হাদিস ৬৬২৬)

 হাদিসে এসেছে, রাসূল সা: বলেছেন,যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ ।  [সুনানে তিরমিজি]।রাসূল সা: রমাজান ব্যতীত কোন মাসে এতো বেশি তিলাওয়াত করতেন না। আয়েশা রা: থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমজান ব্যতীত অন্য কোনো রাত্রিতে আমি রাসুল সা:কে পূর্ণ কুরআন তিলাওয়াত করতে, কিংবা ভোর অবধি সালাতে কাটিয়ে দিতে অথবা পূর্ণ মাস রোযা পালন করে কাটিয়ে দিতে দেখিনি ।  [সহীহ মুসলিম]।

সদকা বা দান: প্রখ্যাত সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দানশীল। আর রমজানে তাঁর বদান্যতা আরো বেড়ে যেত। (মুসলিম)

তাওবা ও ইস্তেগফার করা: সর্বদা তাওবা করা ওয়াজিব, বিশেষ করে এ মাসে তো বটেই। এ মাসে তাওবার অনুকূল অবস্থা বিরাজ করে। শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়, জাহান্নাম থেকে মানুষকে মুক্তি দেওয়া হয়। মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজান মাস পেয়েও তার পাপ ক্ষমা করাতে পারেনি, তার নাক ধুলায় ধূসরিত হোক। (জামেউল উসুল : হাদিস ১৪১০)

 সালাতুত তাহাজ্জুদ পড়া : রমজান মাস ছাড়াও সালাতুত তাহাজ্জুদ পড়ার মধ্যে প্রভূত ছওয়াব  রয়েছে। রমজানের কারণে আরো বেশি ফজিলত রয়েছে। যেহেতু সাহরি খাওয়ার জন্য উঠতে হয় সেজন্য রমজান মাসে সালাতুত তাহাজ্জুদ আদায় করার বিশেষ সুযোগও রয়েছে। আবূ হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী সা: বলেছেন, ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হল রাতের নামাজ অর্থাৎ তাহাজ্জুদের নামাজ । [সহীহ মুসলিম]

লাইলাতুল কদর তালাশ করা: রমজান মাসে এমন একটি রাত রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। আল কোরআনের ঘোষণা, কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।’ (সুরা কদর, আয়াত ৪) রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও সাওয়াব পাওয়ার আশায় ইবাদত করবে, তার আগের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (বুখারি : হাদিস ৩৫)

ইতিকাফ করা : ইতিকাফ অর্থ অবস্থান করা। অর্থাৎ মানুষদের থেকে পৃথক হয়ে সালাত, সিয়াম, কুরআন তিলাওয়াত, দোয়া, ইস্তিগফার ও অন্যান্য ইবাদাতের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্যে একাকী কিছু সময় যাপন করা। এ ইবাদাতের এত মর্যাদা যে, প্রত্যেক রমজানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাজানের শেষ দশকে নিজে এবং তাঁর সাহাবীগণ ইতিকাফ করতেন। আবূ হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত,

প্রত্যেক রমজানেই তিনি শেষ দশকে  ইতিকাফ করতেন। কিন্তু জীবনের শেষ রমজানে তিনি ইতিকাফ করেছিলেন বিশ দিন ।  [সহীহ বুখারী ]। তবে দশ দিন ইতেকাফ করা সুন্নত।

ফিত্বরা দেয়া : এ মাসে সিয়ামের ত্রুটি-বিচ্যুতি পূরণার্থে ফিতরা দেয়া আবশ্যক। ইবনে উমর রা:  বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের সালাত আদায়ের আগে ফিতরা আদায় করার আদেশ দিলেন। [সহীহ বুখারী ]


বস্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা - শুভ নববর্ষ ১৪২৪

বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৭

বস্টন বাংলা নিউজ: শুভ বাঙলা নববর্ষ ১৪২৪ । পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। শুভ বাংলা নববর্ষ। বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ। নতুন বছরের যাত্রা শুভ হোক দেশের সব মানুষের। বিশ্বের সকল প্রান্তের সকল বাঙালি এ দিনে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়, ভুলে যাবার চেষ্টা করে অতীত বছরের সকল দুঃখ-গ্লানি। সবার কামনা থাকে যেন নতুন বছরটি সমৃদ্ধ ও সুখময় হয় । দেশ থেকে সব ধরণের কুসংস্কার উঠে যাক, হানাহানি বন্ধ হোক। এই কামনা বস্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকেও। বস্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইর প্রতি থাকলো বাঙলা নববর্ষ ১৪২৪ এর লাল গোলাপ শুভেচ্ছ ।

alt

চিরাচরিত ঐতিহ্যানুযায়ী ধর্ম, বর্ণ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই মেতে উঠবে বৈশাখী উৎসবে। আর নতুনের আবাহনে অন্তরের মাঝে গীত হতে থাকবে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই গান_ 'তোরা সব জয়ধ্বনি কর/ তোরা সব জয়ধ্বনি কর/ ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কাল বৈশাখীর ঝড়...'। এই সুর ধ্বনির মধ্য দিয়েই বাঙালি নতুন বছরের সব অপ্রাপ্তি ভুলে গিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি আত্মমর্যাদাসম্পন্ন গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক, সুখীসমৃদ্ধ দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়েই বাঙালি পালন করবে এবারের পহেলা বৈশাখ।

বস্টন থেকে প্রকাশিত প্রথম ও একমাত্র দৈনিক ও জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন পত্রিকা বস্টন বাংলা নিউজের পক্ষে ১৪২৩  বাংলা নববর্ষে সকল পাঠক-লেখক-শুভানুধ্যায়ী সহ বাংলাদেশ, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা তথা বিশ্ববাসী সকলকে শুভাশীষ জানিয়েছেন ওসমান গনি ,হাকিকুল ইসলাম খোকন, সুহাস বড়ুয়া ,আয়েশা আকতার রুবী

alt

'মুছে যাক গস্নানি ঘুচে যাক জরা/অগি্নস্নানে শুচি হউক ধরা'_বাংলা নববর্ষের সূচনালগ্নে দেশ কালোত্তীর্ণ এই প্রার্থনা আমাদেরও। নবীন বৎসরে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নতুন শপথ উচারিত হোক দেশে ও প্রবাসে সব মানুষের মনে।


বস্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬

Boston Bangla News SaKiL 1

‘‘নতুন আশা নতুন প্রাণ/নতুন সুরে নতুন গান/নতুন উষা নতুন আলো/ নতুন বছর কাটুক ভালো…৷ আসুন, অতীতের সকল হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে, একে অপরের বন্ধু হয়ে মিলে-মিশে থাকি৷দেশকে ভালোবাসি অতীতের সব গ্লানি মুছে দিয়ে আগামী বছরে নতুন সাফল্যে উদ্ভাসিত হউক সবার জীবন - এই কামনায় নববর্ষে সকল পাঠক-লেখক-শুভানুধ্যায়ী সহ বাংলাদেশ, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা তথা বিশ্ববাসী সকলকে বস্টন বাংলা নিউজের পরিবারের পক্ষ থেকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।


যে জেলার মেয়েদের বিয়ে করলে সংসার সুখের হয়-----মো:নাসির

মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৬

১//যশোর-খুলনার মেয়েরা অনেক সুন্দরী। যশোরের মেয়েরা কুটনামিতে খুব ওস্তাদ হয়, প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। আর শ্বশুরবাড়ীর লোকজন সহ্যই করতে পারেনা। পরকিয়াতেও ওস্তাদ যশোরের মেয়েরা। (আংশিক ব্লগারের মতামত।)

২//চট্টগ্রামের মেয়েরা বাইরের জেলার ছেলেদের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। কিছুটা কনজারভেটিভ।

৩//সিলেটী মেয়েরা পর্দানশীল বেশী। সিলেটি মেয়েরা সাধারণত বাইরের জেলা তে বিয়ে করতে যায় না। আত্মীয়দের মধ্যে থাকতে পছন্দ করে। সিলেটী মেয়েরা ছ্যাচড়া। (আংশিক ব্লগারের মতামত।)

৪//পুরান ঢাকার মেয়েরা খুবই দিলখোশ। ঢাকার অন্য এলাকার মেয়েরা জগাখিচুরি

৫//খুলনার মেয়েরা স্বামী অন্ত :প্রাণ। খুলনার মেয়েরা ফ্যামিলির ব্যাপারে একটু সিরিয়াস টাইপের হয় ৷(আংশিক ব্লগারের মতামত।)

৬//উত্তর বঙ্গের মেয়েরা কোমলমতী হয় এবং বেকুব ও আনক্রিয়েটিভ ।(আংশিক ব্লগারের মতামত।)
৭//বরিশালের মেয়েরা একটু ঝগড়াটে, ভালো রাঁধুনী, ন্যাচারাল সুন্দরী , সংসারী এবং স্বামীভক্ত। কিন্তু বরিশাল থেকে সাবধান, যতই সুন্দর হোক, জীবন বরবাদ করে দেবে। (ব্লগারদের মতামত।)

৮//ময়মনসিংহের মেয়েরা একটু বোকাসোকা, কেউবা বদমাইশ।কেউ কেউ স্মার্ট এবং ডেয়ারিং (আংশিক ব্লগারের মতামত।)

৯// সিরাজগঞ্জের মেয়েরা ভালো, যদি শান্তিতে ঘর করতে চান। (ব্লগারদের মতামত।)

১০// বগুড়ার মেয়েরা ঝাল তুল্য। (ব্লগারদের মতামত।)

১১// কুষ্টিয়ার মেয়েরা সরল সহজ আবার অহংকারী, কিন্তু সেই তুলনায় গুনবতী নয়। মননশীল, রুচিসম্পন্ন। যাকে ভালবাসে সত্যিকারের ভালবাসে, কোন রাখঢাক নাই।

১২//বি,বাড়িয়ার মেয়েরা পলটিবাজ কিন্তু পতিভক্ত ও সংসারী (ব্লগারদের মতামত।)

১৩// রাজশাহীর মেয়েরা একটু লুজ । (ব্লগারদের মতামত।)

১৪//পাবনার মেয়েরা কুটনা হয়ে থাকে।(ব্লগারদের মতামত।)


alt
১৫// জামালপুরের মেয়েরা বেশি স্মার্ট এবং ডেয়ারিং।এই জেলায় সুন্দরীদের ঘনত্ব বেশি।(ব্লগারদের মতামত।)

১৬//নোয়াখালী: বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদেরকে ভুলতে চাইলে নোয়াখালীর মেয়েদের তুলনা নেই । বেশির ভাগ মেয়ে কারো কথার নিছে থাকতে চায়না । এরা চরম কুটনা হয়। তবে তারা শশুড়বাড়ির জন্য করতে চাইলে নিজের সব দিয়ে করে, না করলে নাই!(ব্লগারদের মতামত।)
১৭// ফরিদপুরের মেয়েরা চোরা স্বভাবের।ওদের মত কুটিল প্যাচের মানুষ খুব কমই হয়।(ব্লগারদের মতামত।)

১৮//কুমিল্লার মেয়েরা শ্বশুরবাড়ির মানুষদের পছন্দ করেনা।কুমিল্লার মেয়েরা সুন্দরী, অনেক দায়িত্বশীল, তবে সংসারে প্রভাব বিস্তার করতে বেশি পছন্দ করে।(ব্লগারদের মতামত।)

১৯//টাংগাইলের মেয়েরা খুব ভাল হয়, বান্ধুবী হিসেবেতো বটেই, পাত্রী হিসেবেও। কিন্তু কিছু কিছু অঞ্চলের মাইয়াগুলো দুনিয়ার বজ্জাতৃ তবে বান্ধবী হিসাবে ভালএকটু দিলখোলা টাইপের (ব্লগারদের মতামত।)

২০//মাদারিপুরের মেয়েরা খুবই কেউটে, খুব খরচে, জামাইয়ের পকেট ফাকা করতে উস্তাদ।
২১//চাঁদপুরের মেয়েরা মানুষ হিসেবে খুবই ভালো, অথিতিপরায়াণ।তাদের সরল ভালবাসায় আপনি মুগ্ধ হবেন। আর শ্বশুরবাড়ী চাঁদপুর হলে ইলিশ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না । আর আসল কথা হলো চাঁদপুরে লোকের মাথায় প্যাচ জিলাপীর থেকেও বেশী। চাদপুরের মেয়েরা ছেলে ঘুরাতে ওস্তাদ।

২২//দিনাজপুরের মেয়েরা খুব ষ্মাট ও সুন্দরী হয়,তবে চিটার প্রকৃতির ।

২৩//চাপাই নবাবগঞ্জের মেয়েরা সরল মনের অধিকারী।

২৪//গাজীপুরের মেয়েরা খুব ই ভাল, মিশুক এবং রসিক ।এখানকার মেয়েরা জেদী, লাজুক ,মিডিয়াম সুন্দর, মিডিয়াম স্মার্ট এবং সংস্কৃতি মনা।

২৫// নরসিংদীর মেয়েরা উড়াল পঙ্খীর মতো তাদের মন আর চলার ঢং । (ব্লগারদের মতামত।)

২৬//কিশোরগঞ্জের মেয়েরা একটু বোকাসোকা আর ডেয়ারিং প্রকৃতির। মিশুক, বন্ধুপাগল বা বন্ধুপ্রেমী হয়। স্বামী ভক্ত হয় তবে এমনও হতে পারে যে সারাজীবন বউয়ের দ্বারা নিগৃহীত হওয়া; অসম্ভব কিছু না।

২৭// নারায়নগঞ্জের মেয়েরা অতিশয় ভালো, ভদ্র, সামাজিক, কীভাবে পরিবার আর মুরুব্বিদের সামলাতে হয় তারা খুব ভালো জানে। সংসারে ঝামেলাহীন য়ার সবসময় হাসি-খুশি, মিলেমিশে থাকে এমন বউ আনতে চাইলে নারায়নগঞ্জের মেয়েরাই সেরা।ৃ কথা ১০০% সত্যি। খোজ নিয়ে দেখতে পারেন।


বষ্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

বস্টন বাংলা নিউজ:ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে সহমর্মিমতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন. এই আনন্দ ও উৎসব সবার জীবনে খুশীর বন্যা নিয়ে আসুক, ভুলিয়ে দিক সব বিভেদ- সেই প্রত্যাশায় বষ্টন বাংলা নিউজ -এর সন্মানিত পাঠক, লেখক এবং শুভাকাংক্ষীদের প্রতি রইল ঈদের শুভেচ্ছা
alt
ঈদ বয়ে আনুক আপনাদের সকলের জীবনে হাসি আনন্দ আর সমৃদ্ধি। বষ্টন বাংলা নিউজ -এর পরিবারের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।


পবিত্র ঈদ-উল-আযহা  উপলক্ষে ৪ দিন বষ্টন বাংলা নিউজ বন্ধ থাকবে (১৩, ১৪, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর  ) বষ্টন বাংলা  নিউজ প্রকাশিত হবে না।


জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর সেই ‘বাংলা’ ভাষণ

সোমবার, ২২ আগস্ট ২০১৬

বাপ্ নিউজ : আজ এই মহান পরিষদে আপনাদের সামনে দুটো কথা বলার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। মানবজাতির এই মহান পার্লামেন্টে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ প্রতিনিধিত্ব লাভ করায় আপনাদের মধ্যে যে সন্তোষের ভাব লক্ষ করেছি, আমিও তার অংশীদার। বাঙ্গালী জাতির জন্য এটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ তার আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনের সংগ্রাম আজ বিরাট সাফল্যে চিহ্নিত।

একটি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসাবে মুক্ত ও সম্মানজনক জীবন যাপনের অধিকারের জন্য বাঙ্গালী জাতি বহু শতাব্দী ধরে সংগ্রাম চালিয়ে এসেছে। তারা চেয়েছে বিশ্বের সকল জাতির সাথে শান্তি ও সৌহার্দ্যের মধ্যে বসবাস করতে।

জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর সেই ‘বাংলা’ ভাষণ 

জাতিসংঘ সনদে যে মহান আদর্শের কথা বলা হয়েছে তা আমাদের জনগণের আদর্শ এবং এ আদর্শের জন্য তারা চরম ত্যাগ স্বীকার করেছে। এমন এক বিশ্ব-ব্যবস্থা গঠনে বাঙ্গালী জাতি উৎসর্গীকৃত, যে ব্যবস্থায় মানুষের শান্তি ও ন্যায়বিচার লাভের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে এবং আমি জানি আমাদের এ প্রতিজ্ঞা গ্রহণের মধ্যে আমাদের লাখো লাখো শহীদের বিদেহী আত্মার স্মৃতি নিহিত রয়েছে। আমাদের জন্য বিশেষ সৌভাগ্যের কথা, বাংলাদেশ এমন এক সময়ে জাতিসংঘে প্রবেশ করেছে, যখন এই পরিষদের প্রেসিডেন্ট পদ অলংকৃত করেছেন এমন এক মহান ব্যক্তি যিনি ছিলেন একজন সক্রিয় মুক্তি সংগ্রামী।

শান্তি ও ন্যায়নীতির সংগ্রাম

মাননীয় প্রেসিডেন্ট, গত বছর আলজেরিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলন সফল করে তোলার কাজে আপনার মূল্যবান অবদানের কথা স্মরণ করছি। যাঁদের মহান আত্মত্যাগে বাংলাদেশ আজ জাতিসংঘে স্থান লাভে সক্ষম হয়েছে, এই সুযোগে আমি তাঁদের অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামে যেসব দেশ ও জাতি সমর্থন জানিয়েছেন আমি তাঁদের প্রতিও জানাই আমাদের অন্তরের গভীর কৃতজ্ঞতা। নবলব্ধ স্বাধীনতা সংহত করার কাজে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে এবং জনগণের জন্য অধিকতর কল্যাণকর কাজে, চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার কাজে যেসব দেশ ও জাতি বাংলাদেশকে সাহায্য করেছেন আমি তাঁদেরও বাংলাদেশের জনসাধারণের আন্তরিক ধন্যবাদ পৌঁছে দিচ্ছি। বাংলাদেশের সংগ্রাম ন্যায় ও শান্তির জন্য সার্বজনীন সংগ্রামের প্রতীকস্বরূপ। সুতরাং বাংলাদেশ শুরু থেকে বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়াবে এটাই স্বাভাবিক।

জাতিসংঘের জন্মের পর তার এক চতুর্থাংশ শতাব্দীর অভিজ্ঞতায় দেখা যায় যে, তার আদর্শ বাস্তবায়নে বিরাট বাধার মুখে অবিরাম সংগ্রাম চালাতে হয়েছে। জাতিসংঘের সনদে যে আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা অর্জনের জন্য এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার লাখো লাখো মুক্তি সেনানীকে আত্মাহূতি দিতে হয়েছে। এই সংগ্রাম এখনো চলছে। গায়ের জোরে বে-আইনিভাবে এলাকা দখল, জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকারকে নস্যাৎ করার কাজে শক্তির ব্যবহার ও বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে চলেছে এই যুদ্ধ। এ যুদ্ধ ব্যর্থ হয়নি। আলজেরিয়া, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ ও গিনি বিসাউ-এ বিরাট জয় অর্জিত হয়েছে। এ জয় দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে ইতিহাস জনগণের পক্ষে ও ন্যায়ের চূড়ান্ত বিজয় অবধারিত।

ভবিষ্যতের পথ

পৃথিবীর বহু স্থানে অন্যায়-অবিচার এখনো চলছে। আমাদের আরব ভাইয়েরা এখনো লড়ছেন তাঁদের ভূমি থেকে জবর দখলকারীদের সম্পূর্ণ উচ্ছেদের জন্য। প্যালেস্টাইনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত জাতীয় অধিকার এখনো অর্জিত হয় নাই। উপনিবেশবাদ উচ্ছেদের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হলেও চূড়ান্ত লক্ষ্যে এখনো পৌঁছেনি। এ কথা আফ্রিকার জন্য আরো দৃঢ়ভাবে সত্য। সেখানে জিম্বোবি ও নামিবিয়ার জনগণ জাতীয় স্বাধীনতা ও চরম মুক্তির জন্য চূড়ান্ত সংগ্রামে এখনো ব্যাপৃত। বর্ণবৈষম্য এই পরিষদে চরম অপরাধ বলে চিহ্নিত হওয়া সত্ত্বেও মানুষের বিবেককে তা এখনো ধ্বংস করছে। একদিকে অন্যায় অবিচারের ধারাকে উৎখাতের সংগ্রাম, অন্যদিকে বিরাট চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে। আজ বিশ্বের সকল জাতি পথ বেছে নেয়ার কঠিন সংগ্রামের সম্মুখীন। এই পথ বাছাই করার প্রজ্ঞার উপর নির্ভর করছে আমাদের ভবিষ্যৎ। অনাহার, দারিদ্র, বেকারত্ব ও বুভুক্ষার তাড়নায় জর্জরিত, পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারা সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়ার শঙ্কায় শিহরিত বিভীষিকাময় জগতের দিকে আমরা এগুবো না, আমরা তাকাবো এমন এক পৃথিবীর দিকে, যেখানে বিজ্ঞান ও কারিগরি জ্ঞানের বিস্ময়কর অগ্রগতির যুগে মানুষের সৃষ্টি ক্ষমতা ও বিরাট সাফল্য আমাদের জন্য এক শঙ্কামুক্ত উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনে সক্ষম। এই ভবিষ্যৎ হবে পারমাণবিক যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে মুক্ত। বিশ্বের সকল সম্পদ ও কারিগরি জ্ঞানের সুষ্ঠু বণ্টনের দ্বারা এমন কল্যাণের দ্বার খুলে দেওয়া যাবে যেখানে প্রত্যেক মানুষ সুখী ও সম্মানজনক জীবনের ন্যূনতম নিশ্চয়তা লাভ করবে।

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা

সাম্প্রতিককালে গোটা বিশ্বে যে অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে একটি ন্যায়সঙ্গত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজে আমাদের আরো ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এ বছরের গোড়ার দিকে অনুষ্ঠিত এই পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে বিশ্বের বর্তমান গুরুতর অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে। আমি এমন একটি দেশের পক্ষ থেকে কথা বলছি, যে দেশটি বর্তমানে অর্থনৈতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে। এ ক্ষতি কতটা গুরুতর─ আমি সে সম্পর্কে কিছুটা আলোকপাত করতে চাই।

যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের উপরই বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। তারপর থেকে আমরা একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছি। সর্বশেষ এবারের নজীরবিহীন বন্যা। সাম্প্রতিক বন্যা বিপর্যয় কাটিয়ে উঠার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সক্রিয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আমরা জাতিসংঘ, সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ ও সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে কৃতজ্ঞ। আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বুমেদিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুতেফ্লিকা বাংলাদেশের সাহায্যের জন্য জোট নিরপেক্ষ দেশসমূহের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।

জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর সেই ‘বাংলা’ ভাষণ

বন্ধুদেশসমূহ ও মানবকল্যাণ সংস্থাগুলোর কাছ থেকেও ভালোই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় বাংলাদেশের অগ্রগতি শুধু প্রতিহত করেনি, দেশে প্রায় দুর্ভিক্ষ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির দরুণ আমাদের মতো একটি দেশের জন্য দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকার ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে। জনসাধারণের জীবনধারণের মান নিছক বেঁচে থাকার পর্যায় থেকেও নীচে নেমে গেছে। মাথাপিছু যাদের বার্ষিক আয় ১০০ ডলারেরও কম তাদের অবস্থা আরো শোচনীয়। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বেঁচে থাকার জন্য যে ন্যূনতম খাদ্য প্রয়োজন তার থেকে কম খাদ্য খেয়ে যারা বেঁচে ছিল তারা সম্পূর্ণ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। দরিদ্র অভাবী দেশগুলোর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যে আভাস দেওয়া হয়েছে তা আরো হতাশাজনক।

আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি

ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির ফলে খাদ্যের দাম গরিব দেশগুলোর ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অন্যদিকে ধনী ও উন্নত দেশগুলি হচ্ছে খাদ্যের মূল রফতানিকারক। কৃষি যন্ত্রপাতি ও উপকরণের অসম্ভব দাম বাড়ার ফলে গরিব দেশগুলোর খাদ্য সংগ্রহের চেষ্টাও তেমন সফল হতে পারছে না। বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। তাদের নিজেদের সম্পদ কাজে লাগানোর শক্তিও হ্রাস পেয়েছে। ইতোমধ্যেই যেসব দেশ ব্যাপক বেকার সমস্যায় ভুগছে তারা তাদের অতি নগণ্য উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোও কেটে ছেঁটে কলেবর ছোট করতে বাধ্য হয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে মাত্র পাঁচ থেকে ছয় শতাংশ হারে আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা ছিল। বিশ্বের সকল জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে অগ্রসর না হলে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এমন বিরাট আকার ধারণ করবে, ইতিহাসে যার তুলনা পাওয়া যাবে না। অবশ্য বর্তমানে অসংখ্য মানুষের পুঞ্জীভূত দুঃখ-দুর্দশার পাশাপাশি মুষ্টিমেয় মানুষ যে অভূতপূর্ব বৈষয়িক সমৃদ্ধি ও সুখ-সুবিধা ভোগ করছে তার তুলনা ইতিহাসে বিরল।

এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারে আমাদের মধ্যে মানবিক ঐক্যবোধ-ভ্রাতৃত্ববোধের পুনর্জাগরণ। পারস্পরিক নির্ভরশীলতার স্বীকৃতিই কেবল বর্তমান সমস্যার যুক্তিসঙ্গত সমাধান ঘটাতে সক্ষম। বর্তমান দুর্যোগ কাটাতে হলে অবিলম্বে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা দরকার। বর্তমানের মতো এত বড়ো চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা জাতিসংঘ অতীতে কখনো করেনি। এ চ্যালেঞ্জ হচ্ছে একটা ন্যায়সঙ্গত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য যুক্তির শক্তিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা। এ ব্যবস্থায় থাকবে নিজের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর প্রতিটি দেশের সার্বভৌম অধিকারের নিশ্চয়তা। এ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, বাস্তব কাঠামো, যার ভিত্তি হবে স্থিতিশীল ন্যায়সঙ্গত অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিশ্বের সকল দেশের সাধারণ স্বার্থের স্বীকৃতি। এখন এমন একটি সময় যখন আমাদের দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করতে হবে যে, আমাদের একটা আন্তর্জাতিক দায়িত্ব রয়েছে। এ দায়িত্ব হলো বিশ্বের প্রতিটি মানুষ যাতে তার ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও মর্যাদার উপযোগী অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার ভোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা করা। মানবাধিকার সংক্রান্ত সার্বজনীন ঘোষণায় এ অধিকারের গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার সংক্রান্ত ঘোষণা অনুযায়ী আমাদের আন্তর্জাতিক দায়িত্ব এমনভাবে পালন করতে হবে যাতে প্রতিটি মানুষ নিজের ও পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় জীবনধারণের মান প্রতিষ্ঠা অর্জনের নিশ্চয়তা লাভ করে।

আন্তর্জাতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, সমঝোতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশই যে অর্থনৈতিক দুরবস্থা দূর করতে সক্ষম, সে সম্পর্কে আমরা সম্পূর্ণ সচেতন। এ প্রসঙ্গে বলা প্রয়োজন, বর্তমান অস্ত্র প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। অস্ত্র প্রতিযোগিতা হ্রাস করা সম্ভব হলে অর্থনৈতিক সঙ্কট দূর করার পরিবেশই শুধু গড়ে উঠবে না, এ প্রতিযোগিতায় যে বিপুল সম্পদ অপচয় হচ্ছে, তা মানবজাতির সাধারণ কল্যাণে নিয়োগ করা সম্ভব হবে।

শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান

বাংলাদেশ প্রথম থেকেই জোট নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করেছে। এই নীতির মূলকথা শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান এবং সকলের সঙ্গে মৈত্রী। শান্তির প্রতি যে আমাদের পূর্ণ অনুগত্য তা এই উপলব্ধি থেকে জন্মেছে যে, একমাত্র শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই আমরা আমাদের কষ্টার্জিত জাতীয় স্বাধীনতার ফল আস্বাদন করতে পারবো এবং ক্ষুধা, দারিদ্র, রোগশোক, শিক্ষা ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার জন্য আমাদের সকল সম্পদ ও শক্তি নিয়োগ করতে সক্ষম হবো। সুতরাং আমরা স্বাগত জানাই সেই সকল প্রচেষ্টাকে, যার লক্ষ্য বিশ্বে উত্তেজনা হ্রাস করা, অস্ত্র প্রতিযোগিতা সীমিত করা, এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকাসহ পৃথিবীর প্রত্যেকটি স্থানে শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান নীতি জোরদার করা। এই নীতি অনুযায়ী ভারত মহাসাগরকে শান্তি এলাকা রাখার প্রস্তাবে আমরা অবিরাম সমর্থন জানিয়ে এসেছি। ভারত মহাসাগরকে শান্তি এলাকা রাখার প্রস্তাব এই পরিষদেও সক্রিয় শক্তিশালী অনুমোদন লাভ করেছে।

আমরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে শান্তি, স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার এলাকারূপে ঘোষণার অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছি। আমাদের বিশ্বাস জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে বিশ্বের যে উদীয়মান জাতিসমূহ একত্রিত হয়েছিলেন, তারা শান্তির পক্ষে শক্তিশালী সমর্থন জুগিয়েছেন। তারা বিশ্বের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অভিন্ন প্রতিজ্ঞার কথাই আবার ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণার লক্ষ্য জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষা এবং শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।

মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারা বিশ্বের সকল নর-নারীর গভীর আশা আকাঙ্ক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে। ন্যায়নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি কখনো স্থায়ী হতে পারে না।

উপমহাদেশে বিবাদ-বিসম্বাদের নিষ্পত্তি

আমরা শান্তিকামী বলে আমাদের এই উপমহাদেশে আমরা আপোশ-মীমাংসা-নীতির অনুসারী। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস বাংলাদেশের অভ্যুদয় উপমহাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার সহায়ক হয়েছে এবং অতীতের সংঘাত ও বিরোধের বদলে আমাদের তিনটি দেশের জনগণের মধ্যে কল্যাণকর সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। আমরা আমাদের মহান নিকট প্রতিবেশী ভারত, বার্মা ও নেপালের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছি। অতীত থেকে মুখ ফিরিয়ে পাকিস্তানের সাথে নতুন সম্পর্ক স্থাপনের প্রচেষ্টায়ও লিপ্ত রয়েছি।

অতীতের তিক্ততা দূর করার জন্য আমরা কোনো প্রচেষ্টা থেকেই নিবৃত্ত হই নাই। ১৯৫ জন যুদ্ধ-অপরাধীকে ক্ষমা প্রদর্শন করে এই উপমহাদেশে শান্তি ও সহযোগিতার নতুন ইতিহাস রচনার কাজে আমরা আমাদের আন্তরিকতার প্রমাণ দিয়েছি। এই ১৯৫ জন যুদ্ধ-অপরাধীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত থাকার অসংখ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ ছিল, তবু সকল অপরাধ ভুলে গিয়ে আমরা ক্ষমার এমন উদাহরণ সৃষ্টি করতে চেয়েছি, যা এই উপমহাদেশে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সহযোগিতার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। উপমহাদেশের শান্তি নিশ্চিত করার কাজে আমরা কোনো পূর্বশর্ত দিই নাই কিংবা দরকষাকষি করি নাই। বরং জনগণের জন্য আমরা এক সুকুমার ভবিষ্যৎ প্রেরণা দ্বারা উদ্বুদ্ধ ও প্রভাবান্বিত হয়েছি। অন্যান্য বড় বিরোধ নিষ্পত্তির কাজেও আমরা ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সমঝোতার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছি। ৬৩ হাজার পাকিস্তানি পরিবারের দুর্গতি একটি জরুরি মানবিক সমস্যা হয়ে রয়েছে। পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্যের কথা তারা আবার প্রকাশ করেছেন এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য তাদের নাম রেডক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির কাছে তালিকাভুক্ত করেছেন। আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও আইন অনুসারে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করার অধিকার তাদের রয়েছে। এই সঙ্গে মানবতার তাগিদে তাদের সমস্যার আশু সমাধান প্রয়োজন। সাবেক পাকিস্তানের সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বাঁটোয়ারা আর একটি সমস্যা, যার আশু সমাধান দরকার। বাংলাদেশ আপোশ-মীমাংসার জন্য প্রস্তুত। আমাদের প্রত্যাশা এই উপমহাদেশের জনগণের বৃহত্তম স্বার্থে পাকিস্তান আমাদের আহ্বানে সাড়া দেবে এবং ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে অমীমাংসিত সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসবে। তাহলে উপমহাদেশে পরিস্থিতির স্বাভাবিকীকরণের প্রচেষ্টা সফল হওয়ার পথে আর কোনো বাধা থাকবে না। বাংলাদেশ তার সকল প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। যে সম্পর্কের ভিত্তি হবে শান্তিপূর্ণ সহ-অবস্থান, পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং একে অন্যের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।

বিশ্বের এ এলাকায় এবং অন্যত্রও শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

জাতিসংঘ ও মানুষের অগ্রগতি

এই দুঃখ দুর্দশা সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে জাতিসংঘ মানুষের ভবিষ্যৎ আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রস্থল। নানান অসুবিধা ও বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘ তার জন্মের পর সিকি শতাব্দী কালেরও বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে মানবজাতির অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এমন দেশের সংখ্যা খুব কম, যারা বাংলাদেশের মতো এই প্রতিষ্ঠানের বাস্তব সাফল্য ও সম্ভাবনা অনুধাবনে সক্ষম হয়েছে। ড. কুর্ট ওয়াল্ডহাইম এবং তাঁর যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীবৃন্দের প্রেরণাদানকারী নেতৃত্বে এই জাতিসংঘ আমাদের দেশে ত্রাণ, পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের বিরাট কাজ করেছে। বাংলাদেশের বুক থেকে যুদ্ধের ক্ষত দূর করা, যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতির উৎপাদন ক্ষমতার পুনরুজ্জীবন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী কোটি খানেক উদ্বাস্তুর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা এ কাজের লক্ষ্য। সেক্রেটারি জেনারেল, তাঁর সহকর্মীবৃন্দ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই বিরাট দায়িত্ব পালনে সমন্বয় সাধনের প্রেরণা জুগিয়েছেন ও নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, উপমহাদেশে অবশিষ্ট যে মানবিক সমস্যা রয়েছে, তার সমাধানেও জাতিসংঘ এই রকমের গঠনমূলক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসবে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সর্বনাশা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সাহায্যের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী আহরণের কাজে জাতিসংঘ যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে যেসব দেশ বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বাংলাদেশ তাদের অন্যতম। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মোকাবেলায় এবং বিশ্বসমাজের দ্রুত এগিয়ে আসার উপযোগী নিয়মিত প্রতিষ্ঠান গঠনে বাংলাদেশের বিশেষ স্বার্থ নিহিত রয়েছে। অবশ্য, সূচনা হিসাবে এই ধরনের একটি ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই হয়েছে। এই ব্যবস্থা জাতিসংঘের বিপর্যয় ত্রাণ সমন্বয়কারীর অফিস স্থাপন। সংস্থাটি যাতে কার্যকরভাবে তার ভূমিকা পালন করতে পারে, সেজন্য তাকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা একান্ত দরকার। জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশেরই এ ব্যাপারে বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে।

প্রিয় প্রেসিডেন্ট

সর্বশেষে আমি মানবের অসাধ্য সাধন ও দুরূহ বাধা অতিক্রমের অদম্য শক্তির প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থার কথা আবার ঘোষণা করতে চাই। আমাদের মতো দেশসমূহ, যাদের অভ্যুদয় সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে, এই আদর্শে বিশ্বাসই তাদের বাঁচিয়ে রাখবে। আমাদের কষ্ট স্বীকার করতে হতে পারে। কিন্তু আমাদের ধ্বংস নাই। এই জীবন যুদ্ধের মোকাবেলায় জনগণের প্রতিরোধ ক্ষমতা ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞাই শেষকথা। আত্মনির্ভরশীলতাই আমাদের লক্ষ্য। জনগণের ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগই আমাদের নির্ধারিত কর্মধারা। এতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নাই যে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সম্পদ ও প্রযুক্তিবিদ্যায় অংশীদারিত্ব আমাদের কাজকে সহজতর করতে পারে, জনগণের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করতে পারে। কিন্তু আমাদের ন্যায় উদীয়মান দেশসমূহের অবশ্যই নিজেদের কার্যক্ষমতার প্রতি আস্থা রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, শুধু জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা আমাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হতে পারি, গড়ে তুলতে পারি উন্নততর ভবিষ্যৎ।

* বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৯৭৪ সনের ২৫শে সেপ্টেম্বর এই ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। বাংলাভাষা-পরিকল্পনায় এ এক যুগান্তকারী অধ্যায়। কেননা এর পূর্বে বাংলাভাষা কখনো এ মর্যাদা লাভ করেনি।