Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/modules/mod_news_pro_gk1/components/modules/mod_news_pro_gk1/style/templates/gk_twn/media/system/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বিনোদন

আমেরিকায় বন্ধুর জন্মদিনে অন্যরকম অভিনেত্রী নাফিজা!

রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:জন্মদিন মানেই এক আনন্দঘন সময়। দেশের এক সময়কার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অভিনয় ছেড়ে এখন স্বামী সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন নাফিজা জাহান। বলতে গেলে সংসার নিয়ে মহা খুশি একসময়কার এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। শুধু কী তাই! নিজের পরিবার তার স্বামীর পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাসিত তিনি। এসব হয়তো কিছুই জানা যেত না।

Picture

অনলাইনের এই সময়ে ফেসবুকের কল্যাণে এখন সবই জানা যায়। আপনি যেখানেই থাকেন না কেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছবি পোস্ট করার প্রবণতা দিনে দিনে বাড়ছে। প্রতিটি মুহূর্তই এখন সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে পোস্ট করে থাকেন।

alt

তেমনি নাফিজা জাহান আমেরিকাতে থাকলেও সেখানকার প্রতিটি মুহূর্ত ভক্ত, শুভাকাঙ্খীদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন। গতকাল নাফিজা জাহানের এক বন্ধুর জন্মদিন ছিল সেই জন্মদিনের অনেকগুলো ছবি পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। ছবিতে তার বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে বেশ উচ্ছ্বাসিত দেখা যাচ্ছে তাকে।


তারকারা কেনই যে বিয়ে করেন, কেনই বা সংসার ভাঙেন

রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : কাঁচের থালা বাটি ভাঙার মতো তারকাদের সংসার ভাঙছে যখন তখন। বিয়ে করতে না করতেই ভাঙছে। এক যুগ সংসার করার পরেও ভাঙছে। সম্প্রতি বিচ্ছেদ হওয়ার খবর প্রকাশ হয়েছে তাহসান-মিথিলার। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন দম্পতির খুব ঘটা করে বিয়ে হয়েছিল, যারা এরইমধ্যে বিয়ে ভেঙেছেন।

Picture

তাহসান-মিথিলা:
আরেকটি তারকা জুটির পতন ঘটল। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান ঘর ভাঙার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিনেত্রী মিথিলার সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে জানান, তাদের আনুষ্ঠানিক ডিভোর্স হতে যাচ্ছে। তারা বলেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক যে, আমাদের দুজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্সের ঘোষণা দিতে হচ্ছে।’
তাহসান-মিথিলা বলেন, ‘বেশ কয়েকমাস ধরে নিজেদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনের চেষ্টার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সামাজিক চাপে একটা সম্পর্ক ধরে রাখার চেয়ে আমাদের আলাদা হয়ে যাওয়াই মঙ্গলজনক।’

মাহিম করিম-সারিকা:
২০১৪ সালের আগস্টে ব্যবসায়ী মাহিম করিমকে ভালোবেসে বিয়ে করেন সারিকা। তাদের সংসারে আসে ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান। স্বামী-সন্তান-সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় দীর্ঘ দুই বছর মিডিয়া থেকে দূরে ছিলেন সারিকা। ২০১৬ থেকে সারিকা আবারো কাজ শুরু করেন। ওই বছরের নভেম্বরে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়।
ডিভোর্সের কারণ হিসেবে সারিকাকে সবকিছু ছেড়ে সংসারে বন্দী হওয়ার চাপ দিচ্ছিলেন মাহিম। অভিনয়-মডেলিং ছাড়াও সারিকা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এসব ছেড়ে দিয়ে স্বামী-সংসার আর বাচ্চা নিয়ে সারিকাকে ব্যস্ত হতে বলতেন মাহিম। কিন্ত সারিকা গত বছরের ঈদ থেকেই আগের মতো আবারো বিজ্ঞাপন-অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এই নিয়েই নাকি দুজনের মধ্যে ঝামেলার সূত্রপাত। প্রতিনিয়ত ঝগড়ার একপর্যায়ে তারা অনেকটা রাখঢাক করেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।

শখ-নিলয়:
মিডিয়ার আলোচিত জুটি শখ-নিলয়। ২০১৬ এর ৭ জানুয়ারি দীর্ঘদিন প্রেম-বিরহের বিয়ে করেন। এরপর সংসার পেতেছিলেন ঢাকার উত্তরায়। কিন্তু সে সংসারের চার দেয়ালে এখন আর দু’জনের দাম্পত্য জীবন সাজানো নেই বলেই শোনা যায় তাদের নানা নিকটজনের আলোচনায়।
শখ নিলয়ের সংসার ছেড়ে গেছেন কয়েক মাস হলো। ফিরে গেছেন পুরানো ঢাকার বাবার বাড়িতে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার শখের সেলফোনে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া মেলেনি।
আর নিলয়ের সেলফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। কাজের কথা হলে বলবেন। ব্যক্তিজীবন নিয়ে কোনো কথা বলবো না’।
তবে দাম্পত্য জীবনে কলহের জের ধরে দুজনের আলাদা থাকার বিষয়টি পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে তাদের ফেসবুকের ‘রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’ দেখে। ২০১৬ সালে বিয়ের পর পর শখ তার ‘রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’ পরিবর্তন করে ‘ম্যারিড টু নিলয় আলমগীর’ করেছিলেন। গত কিছুদিন ধরে সেটা আর নেই। এখন বদলে শখের ‘রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস’ হয়ে গেছে ‘সিঙ্গেল’। মূলত এই পরিবর্তনের ফলেই জল্পনা শুরু হয়ে গেছে।
অন্যদিকে নিলয়ের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাসেও নেই শখের নাম। শুধু তাই নয়, সেটা এখন তার ফেসবুক আইডির ‘অ্যাবাউট’ অপশনে ‘হাইড’ করে রাখা হয়েছে।

শিমুল-নাদিয়া:
শিমুল-নাদিয়া ২০০৩ সালে পরস্পরের প্রেমে পড়েন। দীর্ঘদিন প্রেমের পর ২০০৮ সালে তারা বিয়ে করেন। ২০১৪ সালের মাঝামাঝিতে তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন ওঠে। কিন্তু ২০১৫ এর এপ্রিলে এসে তারা দুজন চূড়ান্ত বিচ্ছেদ করেন। নাদিয়া ইন্তেখাব নাঈমকে বিয়ে করেন। বিচ্ছেদ নিয়ে নাদিয়া তাদের মাঝে বনিবনা না হওয়াকে দায়ী করেন।


সেই নগ্ন ছবি প্রকাশ করে প্রসংশিত ও সমালোচিত বাংলাদেশের প্রিয়তি

রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

Picture

বিনোদন ডেস্ক: নগ্নতা নিয়ে অনেকটা গর্ব করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মিস আয়ারল্যান্ডখ্যাত প্রিয়তি। পুরো নাম মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি। বিমানের প্রশিক্ষক পাইলট হিসেবেও তার একটা অতিরিক্ত পরিচয় রয়েছে। মাত্র ১৩ বছরের প্রবাস জীবনে তিনি অনেকটাই আধুনিক হয়েছেন। এতোদিন যে প্রিয়তিকে নিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে যারা গর্ব করেছেন, সেই প্রিয়তীকে নিয়েই এখন বেশ আলোচনা-সমালোচনার ঝড় চলছে নেট দুনিয়ায়। কিন্তু কেন?
alt
তার একমাত্র কারণ হলো সম্পতি তিনি সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে বডি পেইন্টিং করে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন। যা করতে খরচ হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা। নগ্ন শরীরে চিত্রকর্ম এর আগেও তিনি আঁকিয়েছেন। তবে এবার একটু ব্যতিক্রমই হয়েছে বটে। শরীরে চিত্রকর্মের পাশাপাশি হলিউড থেকে আনা হয়েছিল জামা। বিশেষ এই ফটোশুটটি করেছেন আইরিশ সেলিব্রিটি স্থপতি আলফ্রেড কোচরেন ও তার টিম। আর ছবিটি তুলেছেন নোলেন এবং এডি। বডি পেইন্টিংয়ের আর্টিস্ট ছিলেন জার্মানির বিয়াঙ্কা।
alt
ছবি প্রকাশ করে যে আলোচনা- সমালোচনা’র জন্ম দিয়েছেন তা কিন্তু প্রিয়তীর কান পর্যন্ত গিয়েছে। আর এই ছবি প্রকাশ করে তিনি প্রায় কয়েকটি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। প্রথম স্ট্যাটাসটিতে তিনি বলেন, ‘আমার সব কাজের মধ্যে যেগুলো ব্যতিক্রমধর্মী কাজ আছে , তার জন্য আমি বলবো আমি সত্যি ভাগ্যবান ও সম্মানিত এবং বিধাতার কাছে কৃতজ্ঞ। কেননা , কাজগুলো এমন নয় যে, আমি চাইলাম আর আমাকে cast করলো বা কাজ করার সুযোগ পেলাম। স্বজনপ্রীতি আয়ারল্যান্ড এ চলে না। এতো আইরিশ সেলিব্রিটিদের মধ্যে আমার মতো একজন এশিয়ান মডেলকে সিলেক্ট/ কাস্ট করা এবং তাদের ভিড়ে একা নিজের অবস্থান শক্ত/ পোক্ত করা কোন দুধ-ভাত খাওয়া নয়। অবশ্যই ব্যতিক্রমকে ভালোবাসি । আর যা ভালোবাসি তাই করি। বাংলাদেশের মিডিয়াতে আলোচনায় / সমালোচনায় আসা না আসা নিয়ে আমার কিছু আসে যায় না , কেননা, আমি বাংলাদেশের মিডিয়ার কেউ নই, আমার কর্মস্থলও নয়। কৃতজ্ঞ বাংলাদেশের গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি , যারা আমার কাজগুলকে ইতিবাচক ভাবে উপস্থাপন করেছেন , দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য প্রশংসা করেছেন। দেশের বাইরে থাকার পরও দেশ ও দেশের মানুষের কাছে রেখেছেন। (Re-Post)। বিঃদ্রঃ যাদের কাছে আমার কাজ নোংরামি মনে হয়, Simply আমার প্রোফাইল ভিজিট করা বন্ধ করে দিন। আপনাদের মন রক্ষার্থে আমার কাজ বন্ধ হবে না । End of the day, you will not gonna pay my bill.
alt
উপরোক্ত স্ট্যাটাসটি দিয়ে তিনি আজ তিন ঘণ্টা আগে আরও একটি নতুন ছবি পোস্ট করেন এবং ক্যাপশনে লিখেন, শরীর দেখানো আসলে কোন সাহসীকতা নয় বরং তা জোড়াল আত্মবিশ্বাস, নিজের শরীরের প্রতি। শরীর দেখানোর মতো শরীর থাকতে হয় এবং সেই শরীর দেখার জন্য চার দেয়ালের বাইরের পৃথিবীতে দৃষ্টি ও থাকতে হয়। গর্ব ও তখন হয় যখন আত্মবিশ্বাস থাকে তার প্রধান শাখা। দুঃখজনকভাবে মূর্খ আর প্রতিহিংসা পরায়ণ জীবের এই কথাগুলো বোঝার আওতায় আসবে না।
alt
আলোচনা আর সমালোচনা বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। প্রিয়তি সেই সব কিছু পেছনে ফেলে নিজেকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়েই নিজেকে প্রতিনিয়ত ভেঙে চূড়ে গড়ে তুলছেন এক নতুন সভ্যতা। আর প্রিয়তি’র ভক্তকুল এখন নতুন এই ফটোশুটটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাসিত। তারা প্রিয়তির এই কর্মকাণ্ডে বেশ বাহবা দিচ্ছেন।


আমেরিকার ডালাস শহরে ২য় বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব

রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আগামী ২৮, ২৯ এবং ৩০ জুলাই ২০১৭ কলকাতা এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে আমেরিকার ডালাস শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‌‌‌’বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব’ এর ২য় আসর। সৃজনের হাট এর আয়োজনে গত বছর উত্তর আমেরিকার একমাত্র বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবটি যথেষ্ঠ সাড়া ফেলেছিল।

Picture

উৎসবের ২য় আসরে ৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য এবং ৪টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। বাংলাদেশ থেকে পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে মোরশেদুল ইসলামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘অনিল বাগচির একদিন’ ও নবীন পরিচালক বিজন ইমতিয়াজ এর “মাটির প্রজার দেশে” এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে খন্দকার সুমন পরিচালিত ‘পৌনঃপুনিক’ ও তাসমিয়াহ্ আফরিন মৌ পরিচালিত ‘কবি স্বামীর মৃত্যুর পর আমার জবানবন্দি’ প্রদর্শিত হবে। কলকাতা থেকে পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের ‘টোপ’ ও স্বাগত চৌধুরীর ‘নায়িকার ভূমিকায়’ এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে শ্রীচেতা দাসের ‘দোলাচল’ ও নাজমুস সাকিব হিমেলের ‘ফাঁকি’ প্রদর্শিত হবে।

‘সৃজনের হাট’ এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ তারেক ইয়াসিন, ডাঃ উর্মি আদিবা এবং তানভীর রহমান আমেরিকায় বাংলা চলচ্চিত্রের প্রদর্শণ এবং বাণিজ্যের সম্ভাবনা সৃষ্টির প্রয়াসে দুই বছর ধরে ‘বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব’ এর আসরটি আয়োজন করছেন।


আমেরিকায় স্বামী সন্তান নিয়ে কেমন আছেন রিয়া...?

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:মডেল ও নৃত্যশিল্পী হিসেবেই মানুষ তাকে বেশি চেনে। তবে অভিনয়শিল্পী হিসেবেও  তাকে পর্দায় দেখা গেছে। নিজের ক্যারিয়ার আর জনপ্রিয়তার আগুনে পানি ঢেলে ২০১৩ সাল থেকেই রিয়া আমেরিকা থাকছেন। বর্তমানে এক সন্তানের মা তিনি।

Picture

স্বামী ইভান চৌধুরী আর সন্তানকে ঘিরেই এখন তার যত ব্যস্ততা। সম্প্রতি আমেরিকা বেড়াতে গিয়েছিলেন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা। সেখানে গিয়ে তিনি তার পরিবারসহ দেখা করেন রিয়ার সঙ্গে। একসঙ্গে ঘুরে বেড়ান তারা। আর সেইসব মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন ফ্যান-ফলোয়াদের সঙ্গে।

alt

তবে শিগগিরই দেশে ফিরছেন না রিয়া। আপাতত আমেরিকাতেই থাকবেন। আর মডেলিং বা নৃত্যেও খুব শিগগিরই দেখা যাবে না তাকে। সংসারই এখন তার সব। 

alt

১৯৯২ সালে কোকোলা বিস্কুট-এর বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেলিং করেন রিয়া। তার পুরো নাম ফারজানা রিয়া চৌধুরী। তার বাবা জহুরুল হক চৌধুরী। ২০০৮ সালে মিনহাজ নামের একজন বৈমানিককে বিয়ে করেছিলেন রিয়া। এরপর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ২০১৩ সালের মার্চে আমেরিকা প্রবাসী সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার ইভান চৌধুরীকে বিয়ে করেন।

alt


বাংলাদেশি অভিনেত্রীরা দেশে পরেন ফুল প্যান্ট, বিদেশে গেলেই হাফ!

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমাদের দেশি চলচ্চিত্রে পর্দাকন্যাদের হাফ প্যান্ট কিংবা খোলামেলা পোশাকে দেখা গেলেও সিনেমার বাইরে বাস্তব জীবনে অভিনেত্রীদের এ ধরনের পোশাকে খুব একটা দেখা যায় না। একেবারেই যে নেই, তা বলবো না। তবে যে কজন দেশের অভ্যন্তরে হাফ প্যান্ট পরে ঘোরাফেরা করার মতো সাহস রাখেন, তাদের সংখ্যা নগণ্য।

Picture

দেশিয় অভিনেত্রীদের ফুল প্যান্ট কিংবা হাঁটু ঢাকা পোশাক পরিচ্ছদেই বেশি দেখা যায় দেশের অভ্যন্তরে। কিন্তু ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের কাঁটাতার পার হলেই, তারা যেন দম নেন স্বস্তির বাতাসে। স্বাধীনচেতা এই অভিনেত্রীরা বিদেশে গিয়ে হাফ প্যান্ট পরতে পারেন, খোলামেলা পোশাক পরিচ্ছদে ঘোরাফেরা করতে পারেন, ছবি তুলতে পারেন এবং চলতে পারেন স্বাধীনভাবে। যেমন ধরুন অভিনেত্রী আলিশা প্রধান। মালদ্বীপের একটি রিসোর্টের যাওয়ার পর সাগরে ওয়াটার বাইকে চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি, পরনে হাফ প্যান্ট।

alt

আলিশা প্রধান। ছবি: সংগৃহীত।

অনুররূপভাবে এই সংবাদের শীর্ষে ব্যবহৃত ছবিগুলোতে বামপাশ থেকে দেখা যাচ্ছে- পরীমনি চীনের প্রাচীরের উপর দাঁড়িয়ে আছেন, তার পরনে হাফ প্যান্ট। অর্চিতা স্পর্শীয়া ও তানহা নেপালে, এবং জ্যোতিকা জ্যোতি হাফ প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় রয়েছেন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলকাতায়।

অভিনয় একটি শিল্প। সেই শিল্পের ধারক অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। আমাদের দেশের অভিনেত্রীদের পোশাক স্বাধীনতা অর্জন করতে যদি দেশের গণ্ডি পার হয়ে যেতে হয়, তাহলে সেটা আমাদের জন্যই দুঃখজনক।


‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে আলোর পথ দেখতে পাচ্ছি’

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তথ্যসচিব মরতুজা আহমদের সভাপতিত্বে চলচ্চিত্রের সুষ্ঠু বিকাশ ও উন্নয়ন নিয়ে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। সভায় ‘চলচ্চিত্র পরিবার’র প্রতিনিধিদের মধ্যে অভিনেতা ফারুক এবং চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বেশকিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে দেশের চলচ্চিত্রের স্বার্থে যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ নীতিমালা দ্রুত যুগোপযোগী ও পূর্ণাঙ্গ করে নতুন নীতিমালা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্পর্কিত কার্যক্রম স্থগিত এবং চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে ৫০টি এইচডি প্রজেক্টর মেশিন কিনে সিনেমা হলগুলোর প্রজেকশন কার্যক্রমে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশীদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) মো. মনজুরুর রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কুমার ঘোষ, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্য দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, খোরশেদ আলম খসরু, মুশফিকুর রহমান গুলজার, বদিউল আলম খোকন, অভিনেতা রিয়াজ ও জায়েদ খান উপস্থিত ছিলেন।

Picture

চিত্রপরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার গণমাধ্যমে বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক হারুন অর রশিদকে মন্ত্রণালয় থেকে আগামী দু`দিনের মধ্যে নতুন যৌথ প্রযোজনার প্রিভিউ কমিটির নির্বাচন চূড়ান্ত নামের তালিকা মন্ত্রণালয়কে দিতে বলা হয়েছে। চূড়ান্ত কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত সকল যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হবে না।

এর আগে গত ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘বস ২’ ও ‘নবাব’ ছবি দুটো মুক্তি পায়। ছবি দুটো যৌথ প্রযোজনার নীতিমালা মানেনি দাবি করে আন্দোলনে নামে ১৭ সংগঠনের চলচ্চিত্র পরিবার। সেই আন্দোলনের সূত্র ধরেই তথ্য মন্ত্রণালয় সঠিক নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণ স্থগিত করেছে।

এদিকে বিষয়টিকে সত্য ও সুন্দরের জয় অবহিত করে চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক বরেণ্য অভিনেতা ফারুক গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমরা একটা সুন্দর দিকে এগিয়েছি। আমরা পথে নেমেছি সুন্দর এবং সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য। বঙ্গবন্ধুর সৃষ্টির এই চলচ্চিত্র যাতে ধ্বংস করতে না পারে কেউ। যদিও ইতোপূবে ধ্বংস করার অনেক টালবাহানা হয়েছে। এবং প্রতিবারই আমরা রুখে দিয়েছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে। তাই তার আদর্শকে ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই, নতুন সন্দুর মনের মানুষদের নিয়ে।’

চলচ্চিত্রকে সমাজের আলোকবর্তিকার সঙ্গে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সমাজের দুঃখ-দুর্দশার কথা চলচ্চিত্র তুলে ধরে। আজকে আমাদের ভাল লাগছে একটি কারণে সেটা হলো সত্য এবং সুন্দর জয়ী হয়েছে। আমরা সত্য এবং সুন্দরের আলো দেখতে পাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত হস্তক্ষেপে এই আলোর পথ দেখতে পাচ্ছি।’ এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি আন্দোলনরত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

ফারুক আরও বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি নয়। আমরাও চাই প্রচুর সিনেমা হোক। কারণ সিনেমা হল থাকলেও হবে না, চাই বেশি বেশি সিনেমা। তাই যৌথপ্রযোজনাও দরকার আছে।’ এজন্য তিনি প্রযোজক ও পরিচালকদের ছবি নির্মাণে মনোযোগী হওয়ারও পরামর্শ দেন।’


শেষ হলো মন্ট্রিয়লের আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্টের ৩৮তম আসর

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

সদেরা সুজন,বাপ্ নিউজ : কানাডা:: শনিবার মধ্যরাতে সমাপ্তি ঘটেছে মন্ট্রিয়লের সবচেয়ে বৃহৎ উৎসব, পর্দা নামলো আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্টিভ্যালের। দশদিন ব্যাপী ৩৮তম জ্যাজের দশম দিন শনিবার, উইক এন্ডে আবাহাওয়া খুবই সুন্দর থাকায় জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে মন্ট্রিয়লের প্লাস দ্যা আটসের মঞ্চগুলো ছিলো সঙ্গীত পিপাষু লাখো মানুষের আনন্দ উচ্ছ্বাস। গত ২৮ জুন থেকে শুরু হয়েছিলো এই বিশাল ফেস্টিভ্যালটি চলছে গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত। প্রায় ছয় শতাধীক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে উৎসব স্থলের বিশটি বিশাল বিশাল মঞ্চ থেকে। নামি-দামি খ্যাতিনামা শিল্পীদের শোগুলো বাইরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Picture

পাশাপাশি ইনডোরের বিশাল হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গীতানুষ্ঠান। দশদিন ব্যাপী এই ফেস্টিভ্যালে দু/তিনদিন আবহাওয়া অনকুলে না থাকায় এবং বৃষ্টি হওয়াতে কিছুটা ছন্দপতন ঘটেছে। তারপরের বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৪৬১ নামকরা ব্যান্ড দলের শিল্পীরা উপস্থিত হয়ে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন ঠিক তেমনি বিভিন্ন দেশ ও শহর থেকে হাজার হাজার সঙ্গীত পিপাষুরা উপস্থিত হয়ে সঙ্গীতের তালে তালে নেচেছেন, সঙ্গীত আর যন্ত্রের যাদুকরী স্পর্শে মুগ্ধ হয়েছেন শ্রোতাদর্শকরা।02.2

এ বছর প্রতিদিনই মানুষের ঢল নেমেছে উৎসবে, বিশেষ করে ১ জুলাই কানাডার ১৫০তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে উৎসব এলাকা রঙিন সাজে সাজানো হয়েছিলো। কানাডার আদিবাসীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিশেষ আদিবাসী নৃত্য ও কর্নসাটের আয়োজন করা হয়। পুরো সপ্তাহেই রাত সাড়ে ন’টায় মূল মঞ্চ থেকে Discotheque, Betty Bonifassi, Valaire, Bixiga 70, Walk off the Earth, Pokey Lafarge, The Brooks, Pat Thmas & Kwashibu Area Band, Anderson Paak কনসার্টগুলোতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিলো। এই শো চলাকালে পাশের সব ক’টি মঞ্চতে বড় বড় স্ক্রীনে তা পরিবেশন করা হয়। লাখ লাখ সঙ্গীত পিপাষুদের মিলনমেলায় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শত শত সদস্যরা হিমশিম খেতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রতিদিন বিকাল থেকে বিভিন্ন মঞ্চ থেকে বিভিন্ন দেশের বেন্ড শিল্পীরা গান পরিবেশন করে।02.3

সবাই অপেক্ষায় থাকবে আগামী বছরের জন্য। এবছর ফেস্টিভ্যালে বিশ লাখেরও বেশী মানুষের সমাগম হয়েছে বলে কতৃপক্ষ বলেছেন। শনিবার ৩৮ তম জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে ৮টি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। ২০০৬ সালে ২৭ তম জ্যাজ ফেস্টিভ্যাল থেকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া শুরু হয়। বিশ্বের নামিদামি খ্যাতিনামা শিল্পদেরকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।02.5

এ বছরের জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে ইনডোর-আউটডোরে একুশটি ছোট-বড় মঞ্চে ছয় শতাধীক ইভেন্ট হয়েছে। ত্রিশটি দেশ থেকে খ্যাতিনামা সঙ্গীত শিল্পীরা উপস্থিত হয়েছিলেন মন্ট্রিয়লের আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে। ৩০০০ জন শিল্পী-সহ শিল্পী এবং পাঁচ শতাধীক জন যন্ত্রশিল্পী অংশগ্রহণ করেছিলো। ছয়টি প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে ফেস্ট চলাকালীন সময়ে। ৩১টি কর্নসাটের টিকিট নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই বিক্রি হয়ে যায়! ৩৭০ জন অনুমোদিত সাংবাদিক এবং ১৬ টি দেশের ১০০ জন বিদেশী সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন এ ফেস্টিভ্যালে। উত্তর আমেরিকা, ‍যুক্তরাজ্য ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ media coverage করেছে।02.6

সেই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে Brazil, Germany, Indonesia, Belgium, India, Turkey, Switzerland, Pakistan, Italy, Peru, Romania, Serbia, Lebanon, Poland, Argentina, New Zealand, Haiti, Africa, the Netherlands, China, Japan, Bangladesh, Israel, Spain, Russia and Nicaragua. বিভিন্ন দেশের মিডিয়াগুলোতে আড়াই হাজার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগীত উতসব হিসেবে গীনিজ বুক অফ রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে।

এ বছর ফেস্টিভ্যালে ৫৫ হাজার লিটার বিয়ার, বিশহাজারের বেশী জ্যাজ আইটেম বিক্রি হয়েছে। ৯৬৩ জন অস্থায়ী কর্মচারীরা কাজ করেছেন।02.7

শনিবার মন্ট্রিয়লের এই বিশাল গানের আসর শেষ হলেও মন খারাপের কিছু নেই। আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে জাস্ট ফর লাফস উৎসব। এই হাসির উৎসবটি দেখার মতো। তিন সপ্তাহব্যাপী চলবে এই ফেস্টটি। মন্ট্রিয়লের ডাউন টাউনের প্লেস দ্যা আটসের উৎসবস্থলে। রকমারি আয়োজনে দমফাঁটা হাসির রাজ্যে একবার ঘুরে আসার জন্য মন্ট্রিয়ল প্রবাসীদেরকে অনুরোধ করছি। ভালো লাগবে। দেখা হবে ফের উৎসবস্থলে।


ঢাকার ইয়াবা ডন কার্লোসের প্রযোজক ও অভিনেতা হওয়ার গল্প

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ব্রাজিলের সেই মাদক সম্রাট কার্লোসের কথা বলছি না কিন্তু। যে কিনা প্লাস্টিক সার্জারি করে চেহারা বদলে ৩০ বছর ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর সম্প্রতি  ব্রাজিলীয় পুলিশের কাছে ধরা পরে। বা এ গল্পটা ব্রাজিলের কিংবদন্তি সাবেক ফুটবলার রবার্তো কার্লোসকে নিয়ে নয়। এ গল্পটা বাংলাদেশের কার্লোসের। যদিও বাংলাদেশের বেশ কিছু গণমাধ্যম তাকে ‘ঢাকার ইয়াবা ডন’ বলে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু এই পরিচয়ের আগে নিপাট ভদ্রলোক চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং ব্যবসায়ী হিসেবেই সবাই চিনতো এই কার্লোসকে। তবে তার আসল নাম আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ ওরফে সালেহ চৌধুরী। বয়স তার আনুমানিক ৪০ এর কাছাকাছি। বাবার নাম মো. আবুল হোসেন। 

Picture

অন্য আর দশজন উচ্চাবিলাসী তরুণের মত এই কার্লোসও স্বপ্নের অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিল পড়ালেখা করে নিজের অবস্থান বদলাতে। পড়ালেখা ঠিকঠাক না করতে পারলেও নিজের অবস্থান ঠিকই বদলে ফেলেন এই চতুর যুবক। জড়িয়ে পড়েন মাদক ব্যবসার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে। অস্ট্রেলিয়া থেকে কানাডা, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ডে গড়ে ওঠে তার মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক। এসব দেশের মাদক মাফিয়ারাই তাকে কার্লোস নাম দিয়েছে। 

alt

ফটোশুটে কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত। 

নারী নির্যাতন ও মাদক  ব্যবসার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুর সরকার তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জরি করে ২০১৪ সালে। এরপর থেকে আর ঐ দুটি দেশে প্রবেশ করতে পারেনি কার্লোস। অস্ট্রেলিয়ায় তার এক সন্তান ও স্ত্রী রয়েছে বলেও খবর শোনা যায়। বিদেশের মাটিতে যখন আর সুবিধা করতে পারছিলেন না, তখন দেশে ফিরে নিজের ঘাঁটি মজবুত করতে লেগে পরেন। আর এ কাজে ব্যবহার করেন প্রভাবশালী মানুষদের নাম ভাঙানো। কিন্তু শুরুতেই হোঁচট খেতে হয় তাকে।   

২০১৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর শাহবাগ এলাকায় একটি অভিযানে তার কাছ থেকে ৩ হাজার ইউরো, ৭ হাজার ৮৭৬ ইউএস ডলার, ৭ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল, ৮ লাখ টাকা, ২৩ পিস ইয়াবা এবং জাতীয় সংসদের মনোগ্রাম খচিত নম্বর প্লেটবিহীন ১টি নতুন মার্সিডিজ বেঞ্জ জিপ গাড়িসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জামিনে ছাড়া পেয়ে দমে যাননি এই ইয়াবা ডন। এবার তিনি তার কালো টাকা সাদা করতে আর নিজের ক্লিন ইমেজ তৈরি করতে বেছে নিলেন চলচ্চিত্রের পথ। যুগে যুগে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে অন্ধকার জগতের একটা গোপন সম্পর্ক থেকেই যায়। যা কার্লোস আবারও প্রমাণ করলেন। যেভাবে বলিউডে দাউদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশে আজিজ মোহাম্মদ ভাইদের কথা শোনা যায়, কার্লোস তেমন কিছু হতে চেয়ে প্রথমে অর্থলগ্নি করলেন অনন্য মামুনের ‘অস্তিত্ব’ ছবিতে। এতে অভিনয় করেছিলেন আরেফিন শুভ ও তিশা। 

alt

মডেল ও অভিনেত্রীদের নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটছেন কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত।  

এখানেই গল্পটা শেষ নয়। প্রযোজক হয়ে মন ভরেনি। নবাগত ও উঠতি মডেলদের নিয়ে বিশেষ সময় কাটানোর শখ জাগে তার। টাকার বিনিময়ে সব ব্যবস্থা হয়ে যায়। থাইল্যান্ডের পর্যটননগরী পাতায়ায় নিয়ে যেতেন সেসব নবাগত তরুণী মডেল ও অভিনেত্রীদের। এই তালিকায় মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া বিপাশা, তানভিয়া জামান মিথিলা, সাবিনা রিমা এবং পিয়াসার নাম আছে বলে পুলিশের বরাত দিয়ে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। এদের মধ্যে সাবিনা রিমার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা একটু বেশিই ছিল। শুধু তাই নয়, তারা গত বছরখানেক ধরে একসঙ্গে থাকছিলেন পরীবাগের ফ্ল্যাটে। রিমাকে পাওয়ার জন্য তিনি ওই ফ্ল্যাট কেনেন বলে জানা যায়। 

alt

সাবিনা রিমা ও কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত। 

এদিকে সাবিনা রিমা শুরুতে একুশের টিভির ‘মুক্ত খবরে’র উপস্থাপিকা ছিলেন। পরে ২০১২ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। লাক্স সুন্দরী বিজয়ী হওয়ার পর রিমা টেলিকম কোম্পানি এয়ারটেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে কাজ করছেন। তবে কাজ বলতে ‘ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল’ নামে একটি ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। এরপর আর তার কোনো খোঁজ নেই বাংলা চলচ্চিত্র পাড়ায়।  

সাবিনা রিমার আগেও এরকম বিকৃত যৌনাচার এবং একের পর এক বিয়ে করা ছিল কার্লোসের কাছে নেশার মতো। বেশি বেতনের লোভ দেখিয়ে অসহায় গৃহকর্মীদের নিয়োগ দিতেন। বেসামাল হয়ে গৃহকর্মীদের ওপর চালাতেন অত্যাচার। উত্তর রাজধানীর একটি সিন্ডিকেট সালেহকে নারী সরবরাহ করত। তাদের হোতা নাজমা। এই নাজমাই আহত গৃহকর্মীকে সালেহ আহমেদের বাসায় কাজ দেন। প্রতিসপ্তাহে তার বাসায় বসত নারী-মদের আড্ডা। তার উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনে অতিষ্ঠ হয়ে ইতোমধ্যে তার কয়েক স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। আর সালেহ আহমেদের অপকর্মে মদদ দিয়ে তার সঙ্গে বর্তমানে ৯ স্ত্রী যোগাযোগ রেখেছেন। পুলিশ তার বাসা থেকে যে ল্যাপটপটি উদ্ধার করেছে, তা থেকেও চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। এটিতে দেশি-বিদেশি অসংখ্য তরুণীর যেসব ফোন নম্বর মিলেছে, টাকার বিনিময়ে তাদের অনেককেই সালেহ ব্যবহার করেছেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

alt

অনন্য মামুন ও নায়লা নাঈমের সঙ্গে কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত। 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কার্লোস কয়েকজন উঠতি মডেল ও অভিনেত্রীর সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথা স্বীকার করেছেন। রাজধানীর ৪০নং সেগুন বাগিচায় অবস্থিত নাভানা আলপেন্ড রোজ এ্যাপার্টমেন্টের এ-১৪ নম্বরে কার্লোস সালেহের আরও একটি ফ্ল্যাট আছে। ওই ফ্ল্যাটের একজন বাসিন্দা জানান, সালেহ তার সেই ফ্ল্যাটকে অফিস হিসাবে ব্যবহার করতো। এতে ফ্ল্যাটের অন্যান্য বাসিন্দারা আপত্তি জানায়। এতে করে সালেহ ক্ষিপ্ত হয়ে সবাইকে হুমকি দেয়। ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা জানান, প্রায়ই মধ্যরাতে ওই অফিসে ক্যাডার বাহিনী ও সুন্দরী মেয়েরা আসতো। সালেহ-এর দেহরক্ষী হিসাবে বিদেশি তরুণীরাও থাকতো। তারা রাতভর হইচই করতো। এতে আপত্তি জানালে সালেহ ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করে।

এসব করতে করতে ক্লান্তি চলে আসে ‘ইয়াবা ডন’ এর। তার মনে নতুন ইচ্ছা জাগে। এবার তিনি বাংলাচলচ্চিত্রের নায়ক হবার বাসনা প্রকাশ করেন। আর নির্মাতা হিসেবে বেছে নেন অনন্য মামুনকে। ছবির নাম ‘সোলজার’। নায়িকা হিসেবে কলকাতার শুভশ্রীকে নিতে চেয়েছিলেন। ঘোষণাটা ২০১৫ সালের মার্চ মাসে দেন। কিন্তু এরপর আর সেই ছবির কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না। তবে নায়ক হবার বাসনা তার দমে যায়নি। গ্রেফতার হবার কয়েকদিন আগেই অনন্য মামুনের সঙ্গে ‘আমার কলিজা’ নামে নতুন একটি ছবির চুক্তি করেন তিনি। চুক্তি শেষে চেক হাতে কার্লোস সহ একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন মামুন। যদিও পরে ছবিটি তিনি সরিয়ে ফেলেন। 

alt

সোলজার ছবির পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত। 

তবে এটা বলা যায় কার্লোস পর্দায় নায়ক না হতে পারলেও বাস্তব জীবনে শতভাগ খলনায়ক হতে পেরেছেন। আর বর্তমানে তো মিডিয়া পাড়া সরব আছে কার্লোস আর তার বান্ধবীদের মুখরোচক গল্প নিয়ে। 

বলে রাখা ভালো, কার্লোস হত্যা চেষ্টা মামলায় বর্তমানে জেল হাজতে আছেন। একদিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে অভিযোগ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন কার্লোস।


দেখুন আমেরিকায় চেনা শ্রাবন্তীর অচেনা জীবন

শনিবার, ০৮ জুলাই ২০১৭

Picture

বলে রাখা ভালো, আতিকুল হক চৌধুরীর নির্দেশনায় ‘আমার দুধ মা’ নাটকে শ্রাবন্তী প্রথম অভিনয় করেন। অন্যদিকে ছোটবেলায় ‘বেইলী কেডস’র বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেল হন তিনি।

ছোটপর্দায় অভিনয়ের পাশাপাশি মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ ও মতিন রহমানের ‘রং নাম্বার’ ছবি দুটিতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। ২০১০ সালে নূরুল আলম আতিকের ‘ডালিম কুমার’ নাটকে অভিনয়ের পর আর নতুন কোনো নাটকে তাকে দেখা যায়নি।

alt

সন্তানদের সঙ্গে সেলফি টাইম।

alt

কাজের ফাঁকে।

alt

বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময়।

alt

সেলফিতে সময়।

alt

আত্বীয়জনের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি পরিবার।

alt

দুই কন্যাই এখন শ্রাবন্তীর পৃথিবী।

alt

স্বামীর সঙ্গে অবসরে।


নাটক-সিনেমা নয় দৃশ্যটা বাস্তব জীবনের

শনিবার, ০৮ জুলাই ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:এক সময়কার জনপ্রিয় শিল্পী জুটি টনি ডায়েস ও প্রিয়া ডায়েস। একটা সময় টিভি পর্দায় সরব ছিলেন এই তারকা যুগল। আর এখন পরবাসী জীবন তাদের। ঘর, সংসার, সন্তান আর চাকরি। এই নিয়েই ব্যস্ততা। এই ব্যস্ততার ফাঁকে একটু সময় বের করে বের হয়ে পড়েছিলেন এই জুটি। ঘুরেছেন নিজেদের মত করে। আর সেই ছবি ফেসবুকেও আপলোড করতে ভুলে যাননি টনি ডায়েস। দুটি ছবি পোস্ট করে টনি লিখেন, 'সুন্দর একটি বিকেল'। 

Picture

তবে প্রথম দেখায় ছবি দুটিকে কোনো নাটক বা সিনেমার দৃশ্য ভেবে ভুল করতে পারেন যে কেউ। ছবি পোস্ট করার পরেই টনির ভক্তরা তার ছবির নিচে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। 

alt

বলে রাখা ভালো, ১৯৯৪ সাল থেকে চারশরও বেশি  নাটক, সিরিয়াল আর টেলিফিল্মে কাজ করেছেন টনি ডায়েস। ২০০৯ সালে স্ত্রী প্রিয়া ডায়েস ও একমাত্র মেয়ে অহনাকে নিয়ে আমেরিকায় চলে যান তিনি। তখন থেকেই সেখানে স্থায়ীভাবে থাকছেন।