Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/modules/mod_news_pro_gk1/components/modules/mod_news_pro_gk1/style/templates/gk_twn/media/system/js/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বিনোদন

আমেরিকার ডালাস শহরে ২য় বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব

রবিবার, ১৬ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আগামী ২৮, ২৯ এবং ৩০ জুলাই ২০১৭ কলকাতা এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে আমেরিকার ডালাস শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‌‌‌’বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব’ এর ২য় আসর। সৃজনের হাট এর আয়োজনে গত বছর উত্তর আমেরিকার একমাত্র বাংলা চলচ্চিত্র উৎসবটি যথেষ্ঠ সাড়া ফেলেছিল।

Picture

উৎসবের ২য় আসরে ৪টি পূর্ণদৈর্ঘ্য এবং ৪টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। বাংলাদেশ থেকে পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে মোরশেদুল ইসলামের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘অনিল বাগচির একদিন’ ও নবীন পরিচালক বিজন ইমতিয়াজ এর “মাটির প্রজার দেশে” এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে খন্দকার সুমন পরিচালিত ‘পৌনঃপুনিক’ ও তাসমিয়াহ্ আফরিন মৌ পরিচালিত ‘কবি স্বামীর মৃত্যুর পর আমার জবানবন্দি’ প্রদর্শিত হবে। কলকাতা থেকে পূর্ণদৈর্ঘ্য বিভাগে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের ‘টোপ’ ও স্বাগত চৌধুরীর ‘নায়িকার ভূমিকায়’ এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য বিভাগে শ্রীচেতা দাসের ‘দোলাচল’ ও নাজমুস সাকিব হিমেলের ‘ফাঁকি’ প্রদর্শিত হবে।

‘সৃজনের হাট’ এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ তারেক ইয়াসিন, ডাঃ উর্মি আদিবা এবং তানভীর রহমান আমেরিকায় বাংলা চলচ্চিত্রের প্রদর্শণ এবং বাণিজ্যের সম্ভাবনা সৃষ্টির প্রয়াসে দুই বছর ধরে ‘বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব’ এর আসরটি আয়োজন করছেন।


আমেরিকায় স্বামী সন্তান নিয়ে কেমন আছেন রিয়া...?

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:মডেল ও নৃত্যশিল্পী হিসেবেই মানুষ তাকে বেশি চেনে। তবে অভিনয়শিল্পী হিসেবেও  তাকে পর্দায় দেখা গেছে। নিজের ক্যারিয়ার আর জনপ্রিয়তার আগুনে পানি ঢেলে ২০১৩ সাল থেকেই রিয়া আমেরিকা থাকছেন। বর্তমানে এক সন্তানের মা তিনি।

Picture

স্বামী ইভান চৌধুরী আর সন্তানকে ঘিরেই এখন তার যত ব্যস্ততা। সম্প্রতি আমেরিকা বেড়াতে গিয়েছিলেন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা। সেখানে গিয়ে তিনি তার পরিবারসহ দেখা করেন রিয়ার সঙ্গে। একসঙ্গে ঘুরে বেড়ান তারা। আর সেইসব মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন ফ্যান-ফলোয়াদের সঙ্গে।

alt

তবে শিগগিরই দেশে ফিরছেন না রিয়া। আপাতত আমেরিকাতেই থাকবেন। আর মডেলিং বা নৃত্যেও খুব শিগগিরই দেখা যাবে না তাকে। সংসারই এখন তার সব। 

alt

১৯৯২ সালে কোকোলা বিস্কুট-এর বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেলিং করেন রিয়া। তার পুরো নাম ফারজানা রিয়া চৌধুরী। তার বাবা জহুরুল হক চৌধুরী। ২০০৮ সালে মিনহাজ নামের একজন বৈমানিককে বিয়ে করেছিলেন রিয়া। এরপর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ২০১৩ সালের মার্চে আমেরিকা প্রবাসী সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার ইভান চৌধুরীকে বিয়ে করেন।

alt


বাংলাদেশি অভিনেত্রীরা দেশে পরেন ফুল প্যান্ট, বিদেশে গেলেই হাফ!

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমাদের দেশি চলচ্চিত্রে পর্দাকন্যাদের হাফ প্যান্ট কিংবা খোলামেলা পোশাকে দেখা গেলেও সিনেমার বাইরে বাস্তব জীবনে অভিনেত্রীদের এ ধরনের পোশাকে খুব একটা দেখা যায় না। একেবারেই যে নেই, তা বলবো না। তবে যে কজন দেশের অভ্যন্তরে হাফ প্যান্ট পরে ঘোরাফেরা করার মতো সাহস রাখেন, তাদের সংখ্যা নগণ্য।

Picture

দেশিয় অভিনেত্রীদের ফুল প্যান্ট কিংবা হাঁটু ঢাকা পোশাক পরিচ্ছদেই বেশি দেখা যায় দেশের অভ্যন্তরে। কিন্তু ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের কাঁটাতার পার হলেই, তারা যেন দম নেন স্বস্তির বাতাসে। স্বাধীনচেতা এই অভিনেত্রীরা বিদেশে গিয়ে হাফ প্যান্ট পরতে পারেন, খোলামেলা পোশাক পরিচ্ছদে ঘোরাফেরা করতে পারেন, ছবি তুলতে পারেন এবং চলতে পারেন স্বাধীনভাবে। যেমন ধরুন অভিনেত্রী আলিশা প্রধান। মালদ্বীপের একটি রিসোর্টের যাওয়ার পর সাগরে ওয়াটার বাইকে চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি, পরনে হাফ প্যান্ট।

alt

আলিশা প্রধান। ছবি: সংগৃহীত।

অনুররূপভাবে এই সংবাদের শীর্ষে ব্যবহৃত ছবিগুলোতে বামপাশ থেকে দেখা যাচ্ছে- পরীমনি চীনের প্রাচীরের উপর দাঁড়িয়ে আছেন, তার পরনে হাফ প্যান্ট। অর্চিতা স্পর্শীয়া ও তানহা নেপালে, এবং জ্যোতিকা জ্যোতি হাফ প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় রয়েছেন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কলকাতায়।

অভিনয় একটি শিল্প। সেই শিল্পের ধারক অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। আমাদের দেশের অভিনেত্রীদের পোশাক স্বাধীনতা অর্জন করতে যদি দেশের গণ্ডি পার হয়ে যেতে হয়, তাহলে সেটা আমাদের জন্যই দুঃখজনক।


‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে আলোর পথ দেখতে পাচ্ছি’

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তথ্যসচিব মরতুজা আহমদের সভাপতিত্বে চলচ্চিত্রের সুষ্ঠু বিকাশ ও উন্নয়ন নিয়ে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। সভায় ‘চলচ্চিত্র পরিবার’র প্রতিনিধিদের মধ্যে অভিনেতা ফারুক এবং চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর বেশকিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে দেশের চলচ্চিত্রের স্বার্থে যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ নীতিমালা দ্রুত যুগোপযোগী ও পূর্ণাঙ্গ করে নতুন নীতিমালা তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্পর্কিত কার্যক্রম স্থগিত এবং চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে ৫০টি এইচডি প্রজেক্টর মেশিন কিনে সিনেমা হলগুলোর প্রজেকশন কার্যক্রমে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশীদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) মো. মনজুরুর রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কুমার ঘোষ, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, চলচ্চিত্র পরিবারের সদস্য দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, খোরশেদ আলম খসরু, মুশফিকুর রহমান গুলজার, বদিউল আলম খোকন, অভিনেতা রিয়াজ ও জায়েদ খান উপস্থিত ছিলেন।

Picture

চিত্রপরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার গণমাধ্যমে বলেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক হারুন অর রশিদকে মন্ত্রণালয় থেকে আগামী দু`দিনের মধ্যে নতুন যৌথ প্রযোজনার প্রিভিউ কমিটির নির্বাচন চূড়ান্ত নামের তালিকা মন্ত্রণালয়কে দিতে বলা হয়েছে। চূড়ান্ত কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত সকল যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হবে না।

এর আগে গত ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘বস ২’ ও ‘নবাব’ ছবি দুটো মুক্তি পায়। ছবি দুটো যৌথ প্রযোজনার নীতিমালা মানেনি দাবি করে আন্দোলনে নামে ১৭ সংগঠনের চলচ্চিত্র পরিবার। সেই আন্দোলনের সূত্র ধরেই তথ্য মন্ত্রণালয় সঠিক নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণ স্থগিত করেছে।

এদিকে বিষয়টিকে সত্য ও সুন্দরের জয় অবহিত করে চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক বরেণ্য অভিনেতা ফারুক গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমরা একটা সুন্দর দিকে এগিয়েছি। আমরা পথে নেমেছি সুন্দর এবং সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য। বঙ্গবন্ধুর সৃষ্টির এই চলচ্চিত্র যাতে ধ্বংস করতে না পারে কেউ। যদিও ইতোপূবে ধ্বংস করার অনেক টালবাহানা হয়েছে। এবং প্রতিবারই আমরা রুখে দিয়েছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে। তাই তার আদর্শকে ধারণ করেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই, নতুন সন্দুর মনের মানুষদের নিয়ে।’

চলচ্চিত্রকে সমাজের আলোকবর্তিকার সঙ্গে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সমাজের দুঃখ-দুর্দশার কথা চলচ্চিত্র তুলে ধরে। আজকে আমাদের ভাল লাগছে একটি কারণে সেটা হলো সত্য এবং সুন্দর জয়ী হয়েছে। আমরা সত্য এবং সুন্দরের আলো দেখতে পাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত হস্তক্ষেপে এই আলোর পথ দেখতে পাচ্ছি।’ এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতার পাশাপাশি আন্দোলনরত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

ফারুক আরও বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি নয়। আমরাও চাই প্রচুর সিনেমা হোক। কারণ সিনেমা হল থাকলেও হবে না, চাই বেশি বেশি সিনেমা। তাই যৌথপ্রযোজনাও দরকার আছে।’ এজন্য তিনি প্রযোজক ও পরিচালকদের ছবি নির্মাণে মনোযোগী হওয়ারও পরামর্শ দেন।’


শেষ হলো মন্ট্রিয়লের আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্টের ৩৮তম আসর

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

সদেরা সুজন,বাপ্ নিউজ : কানাডা:: শনিবার মধ্যরাতে সমাপ্তি ঘটেছে মন্ট্রিয়লের সবচেয়ে বৃহৎ উৎসব, পর্দা নামলো আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্টিভ্যালের। দশদিন ব্যাপী ৩৮তম জ্যাজের দশম দিন শনিবার, উইক এন্ডে আবাহাওয়া খুবই সুন্দর থাকায় জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে মন্ট্রিয়লের প্লাস দ্যা আটসের মঞ্চগুলো ছিলো সঙ্গীত পিপাষু লাখো মানুষের আনন্দ উচ্ছ্বাস। গত ২৮ জুন থেকে শুরু হয়েছিলো এই বিশাল ফেস্টিভ্যালটি চলছে গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত। প্রায় ছয় শতাধীক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে উৎসব স্থলের বিশটি বিশাল বিশাল মঞ্চ থেকে। নামি-দামি খ্যাতিনামা শিল্পীদের শোগুলো বাইরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Picture

পাশাপাশি ইনডোরের বিশাল হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গীতানুষ্ঠান। দশদিন ব্যাপী এই ফেস্টিভ্যালে দু/তিনদিন আবহাওয়া অনকুলে না থাকায় এবং বৃষ্টি হওয়াতে কিছুটা ছন্দপতন ঘটেছে। তারপরের বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৪৬১ নামকরা ব্যান্ড দলের শিল্পীরা উপস্থিত হয়ে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন ঠিক তেমনি বিভিন্ন দেশ ও শহর থেকে হাজার হাজার সঙ্গীত পিপাষুরা উপস্থিত হয়ে সঙ্গীতের তালে তালে নেচেছেন, সঙ্গীত আর যন্ত্রের যাদুকরী স্পর্শে মুগ্ধ হয়েছেন শ্রোতাদর্শকরা।02.2

এ বছর প্রতিদিনই মানুষের ঢল নেমেছে উৎসবে, বিশেষ করে ১ জুলাই কানাডার ১৫০তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে উৎসব এলাকা রঙিন সাজে সাজানো হয়েছিলো। কানাডার আদিবাসীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বিশেষ আদিবাসী নৃত্য ও কর্নসাটের আয়োজন করা হয়। পুরো সপ্তাহেই রাত সাড়ে ন’টায় মূল মঞ্চ থেকে Discotheque, Betty Bonifassi, Valaire, Bixiga 70, Walk off the Earth, Pokey Lafarge, The Brooks, Pat Thmas & Kwashibu Area Band, Anderson Paak কনসার্টগুলোতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিলো। এই শো চলাকালে পাশের সব ক’টি মঞ্চতে বড় বড় স্ক্রীনে তা পরিবেশন করা হয়। লাখ লাখ সঙ্গীত পিপাষুদের মিলনমেলায় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শত শত সদস্যরা হিমশিম খেতে দেখা গেছে। এছাড়া প্রতিদিন বিকাল থেকে বিভিন্ন মঞ্চ থেকে বিভিন্ন দেশের বেন্ড শিল্পীরা গান পরিবেশন করে।02.3

সবাই অপেক্ষায় থাকবে আগামী বছরের জন্য। এবছর ফেস্টিভ্যালে বিশ লাখেরও বেশী মানুষের সমাগম হয়েছে বলে কতৃপক্ষ বলেছেন। শনিবার ৩৮ তম জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে ৮টি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। ২০০৬ সালে ২৭ তম জ্যাজ ফেস্টিভ্যাল থেকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া শুরু হয়। বিশ্বের নামিদামি খ্যাতিনামা শিল্পদেরকে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।02.5

এ বছরের জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে ইনডোর-আউটডোরে একুশটি ছোট-বড় মঞ্চে ছয় শতাধীক ইভেন্ট হয়েছে। ত্রিশটি দেশ থেকে খ্যাতিনামা সঙ্গীত শিল্পীরা উপস্থিত হয়েছিলেন মন্ট্রিয়লের আন্তর্জাতিক জ্যাজ ফেস্টিভ্যালে। ৩০০০ জন শিল্পী-সহ শিল্পী এবং পাঁচ শতাধীক জন যন্ত্রশিল্পী অংশগ্রহণ করেছিলো। ছয়টি প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে ফেস্ট চলাকালীন সময়ে। ৩১টি কর্নসাটের টিকিট নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই বিক্রি হয়ে যায়! ৩৭০ জন অনুমোদিত সাংবাদিক এবং ১৬ টি দেশের ১০০ জন বিদেশী সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন এ ফেস্টিভ্যালে। উত্তর আমেরিকা, ‍যুক্তরাজ্য ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ media coverage করেছে।02.6

সেই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে Brazil, Germany, Indonesia, Belgium, India, Turkey, Switzerland, Pakistan, Italy, Peru, Romania, Serbia, Lebanon, Poland, Argentina, New Zealand, Haiti, Africa, the Netherlands, China, Japan, Bangladesh, Israel, Spain, Russia and Nicaragua. বিভিন্ন দেশের মিডিয়াগুলোতে আড়াই হাজার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংগীত উতসব হিসেবে গীনিজ বুক অফ রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে।

এ বছর ফেস্টিভ্যালে ৫৫ হাজার লিটার বিয়ার, বিশহাজারের বেশী জ্যাজ আইটেম বিক্রি হয়েছে। ৯৬৩ জন অস্থায়ী কর্মচারীরা কাজ করেছেন।02.7

শনিবার মন্ট্রিয়লের এই বিশাল গানের আসর শেষ হলেও মন খারাপের কিছু নেই। আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে জাস্ট ফর লাফস উৎসব। এই হাসির উৎসবটি দেখার মতো। তিন সপ্তাহব্যাপী চলবে এই ফেস্টটি। মন্ট্রিয়লের ডাউন টাউনের প্লেস দ্যা আটসের উৎসবস্থলে। রকমারি আয়োজনে দমফাঁটা হাসির রাজ্যে একবার ঘুরে আসার জন্য মন্ট্রিয়ল প্রবাসীদেরকে অনুরোধ করছি। ভালো লাগবে। দেখা হবে ফের উৎসবস্থলে।


ঢাকার ইয়াবা ডন কার্লোসের প্রযোজক ও অভিনেতা হওয়ার গল্প

মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ব্রাজিলের সেই মাদক সম্রাট কার্লোসের কথা বলছি না কিন্তু। যে কিনা প্লাস্টিক সার্জারি করে চেহারা বদলে ৩০ বছর ধরে পালিয়ে বেড়ানোর পর সম্প্রতি  ব্রাজিলীয় পুলিশের কাছে ধরা পরে। বা এ গল্পটা ব্রাজিলের কিংবদন্তি সাবেক ফুটবলার রবার্তো কার্লোসকে নিয়ে নয়। এ গল্পটা বাংলাদেশের কার্লোসের। যদিও বাংলাদেশের বেশ কিছু গণমাধ্যম তাকে ‘ঢাকার ইয়াবা ডন’ বলে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু এই পরিচয়ের আগে নিপাট ভদ্রলোক চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং ব্যবসায়ী হিসেবেই সবাই চিনতো এই কার্লোসকে। তবে তার আসল নাম আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ ওরফে সালেহ চৌধুরী। বয়স তার আনুমানিক ৪০ এর কাছাকাছি। বাবার নাম মো. আবুল হোসেন। 

Picture

অন্য আর দশজন উচ্চাবিলাসী তরুণের মত এই কার্লোসও স্বপ্নের অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিল পড়ালেখা করে নিজের অবস্থান বদলাতে। পড়ালেখা ঠিকঠাক না করতে পারলেও নিজের অবস্থান ঠিকই বদলে ফেলেন এই চতুর যুবক। জড়িয়ে পড়েন মাদক ব্যবসার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে। অস্ট্রেলিয়া থেকে কানাডা, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ডে গড়ে ওঠে তার মাদক ব্যবসার নেটওয়ার্ক। এসব দেশের মাদক মাফিয়ারাই তাকে কার্লোস নাম দিয়েছে। 

alt

ফটোশুটে কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত। 

নারী নির্যাতন ও মাদক  ব্যবসার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুর সরকার তার বিরুদ্ধে হুলিয়া জরি করে ২০১৪ সালে। এরপর থেকে আর ঐ দুটি দেশে প্রবেশ করতে পারেনি কার্লোস। অস্ট্রেলিয়ায় তার এক সন্তান ও স্ত্রী রয়েছে বলেও খবর শোনা যায়। বিদেশের মাটিতে যখন আর সুবিধা করতে পারছিলেন না, তখন দেশে ফিরে নিজের ঘাঁটি মজবুত করতে লেগে পরেন। আর এ কাজে ব্যবহার করেন প্রভাবশালী মানুষদের নাম ভাঙানো। কিন্তু শুরুতেই হোঁচট খেতে হয় তাকে।   

২০১৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর শাহবাগ এলাকায় একটি অভিযানে তার কাছ থেকে ৩ হাজার ইউরো, ৭ হাজার ৮৭৬ ইউএস ডলার, ৭ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল, ৮ লাখ টাকা, ২৩ পিস ইয়াবা এবং জাতীয় সংসদের মনোগ্রাম খচিত নম্বর প্লেটবিহীন ১টি নতুন মার্সিডিজ বেঞ্জ জিপ গাড়িসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জামিনে ছাড়া পেয়ে দমে যাননি এই ইয়াবা ডন। এবার তিনি তার কালো টাকা সাদা করতে আর নিজের ক্লিন ইমেজ তৈরি করতে বেছে নিলেন চলচ্চিত্রের পথ। যুগে যুগে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে অন্ধকার জগতের একটা গোপন সম্পর্ক থেকেই যায়। যা কার্লোস আবারও প্রমাণ করলেন। যেভাবে বলিউডে দাউদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশে আজিজ মোহাম্মদ ভাইদের কথা শোনা যায়, কার্লোস তেমন কিছু হতে চেয়ে প্রথমে অর্থলগ্নি করলেন অনন্য মামুনের ‘অস্তিত্ব’ ছবিতে। এতে অভিনয় করেছিলেন আরেফিন শুভ ও তিশা। 

alt

মডেল ও অভিনেত্রীদের নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটছেন কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত।  

এখানেই গল্পটা শেষ নয়। প্রযোজক হয়ে মন ভরেনি। নবাগত ও উঠতি মডেলদের নিয়ে বিশেষ সময় কাটানোর শখ জাগে তার। টাকার বিনিময়ে সব ব্যবস্থা হয়ে যায়। থাইল্যান্ডের পর্যটননগরী পাতায়ায় নিয়ে যেতেন সেসব নবাগত তরুণী মডেল ও অভিনেত্রীদের। এই তালিকায় মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া বিপাশা, তানভিয়া জামান মিথিলা, সাবিনা রিমা এবং পিয়াসার নাম আছে বলে পুলিশের বরাত দিয়ে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে। এদের মধ্যে সাবিনা রিমার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা একটু বেশিই ছিল। শুধু তাই নয়, তারা গত বছরখানেক ধরে একসঙ্গে থাকছিলেন পরীবাগের ফ্ল্যাটে। রিমাকে পাওয়ার জন্য তিনি ওই ফ্ল্যাট কেনেন বলে জানা যায়। 

alt

সাবিনা রিমা ও কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত। 

এদিকে সাবিনা রিমা শুরুতে একুশের টিভির ‘মুক্ত খবরে’র উপস্থাপিকা ছিলেন। পরে ২০১২ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। লাক্স সুন্দরী বিজয়ী হওয়ার পর রিমা টেলিকম কোম্পানি এয়ারটেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে কাজ করছেন। তবে কাজ বলতে ‘ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল’ নামে একটি ছবিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। এরপর আর তার কোনো খোঁজ নেই বাংলা চলচ্চিত্র পাড়ায়।  

সাবিনা রিমার আগেও এরকম বিকৃত যৌনাচার এবং একের পর এক বিয়ে করা ছিল কার্লোসের কাছে নেশার মতো। বেশি বেতনের লোভ দেখিয়ে অসহায় গৃহকর্মীদের নিয়োগ দিতেন। বেসামাল হয়ে গৃহকর্মীদের ওপর চালাতেন অত্যাচার। উত্তর রাজধানীর একটি সিন্ডিকেট সালেহকে নারী সরবরাহ করত। তাদের হোতা নাজমা। এই নাজমাই আহত গৃহকর্মীকে সালেহ আহমেদের বাসায় কাজ দেন। প্রতিসপ্তাহে তার বাসায় বসত নারী-মদের আড্ডা। তার উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনে অতিষ্ঠ হয়ে ইতোমধ্যে তার কয়েক স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। আর সালেহ আহমেদের অপকর্মে মদদ দিয়ে তার সঙ্গে বর্তমানে ৯ স্ত্রী যোগাযোগ রেখেছেন। পুলিশ তার বাসা থেকে যে ল্যাপটপটি উদ্ধার করেছে, তা থেকেও চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। এটিতে দেশি-বিদেশি অসংখ্য তরুণীর যেসব ফোন নম্বর মিলেছে, টাকার বিনিময়ে তাদের অনেককেই সালেহ ব্যবহার করেছেন বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

alt

অনন্য মামুন ও নায়লা নাঈমের সঙ্গে কার্লোস। ছবি: সংগৃহীত। 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কার্লোস কয়েকজন উঠতি মডেল ও অভিনেত্রীর সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথা স্বীকার করেছেন। রাজধানীর ৪০নং সেগুন বাগিচায় অবস্থিত নাভানা আলপেন্ড রোজ এ্যাপার্টমেন্টের এ-১৪ নম্বরে কার্লোস সালেহের আরও একটি ফ্ল্যাট আছে। ওই ফ্ল্যাটের একজন বাসিন্দা জানান, সালেহ তার সেই ফ্ল্যাটকে অফিস হিসাবে ব্যবহার করতো। এতে ফ্ল্যাটের অন্যান্য বাসিন্দারা আপত্তি জানায়। এতে করে সালেহ ক্ষিপ্ত হয়ে সবাইকে হুমকি দেয়। ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা জানান, প্রায়ই মধ্যরাতে ওই অফিসে ক্যাডার বাহিনী ও সুন্দরী মেয়েরা আসতো। সালেহ-এর দেহরক্ষী হিসাবে বিদেশি তরুণীরাও থাকতো। তারা রাতভর হইচই করতো। এতে আপত্তি জানালে সালেহ ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করে।

এসব করতে করতে ক্লান্তি চলে আসে ‘ইয়াবা ডন’ এর। তার মনে নতুন ইচ্ছা জাগে। এবার তিনি বাংলাচলচ্চিত্রের নায়ক হবার বাসনা প্রকাশ করেন। আর নির্মাতা হিসেবে বেছে নেন অনন্য মামুনকে। ছবির নাম ‘সোলজার’। নায়িকা হিসেবে কলকাতার শুভশ্রীকে নিতে চেয়েছিলেন। ঘোষণাটা ২০১৫ সালের মার্চ মাসে দেন। কিন্তু এরপর আর সেই ছবির কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না। তবে নায়ক হবার বাসনা তার দমে যায়নি। গ্রেফতার হবার কয়েকদিন আগেই অনন্য মামুনের সঙ্গে ‘আমার কলিজা’ নামে নতুন একটি ছবির চুক্তি করেন তিনি। চুক্তি শেষে চেক হাতে কার্লোস সহ একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন মামুন। যদিও পরে ছবিটি তিনি সরিয়ে ফেলেন। 

alt

সোলজার ছবির পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত। 

তবে এটা বলা যায় কার্লোস পর্দায় নায়ক না হতে পারলেও বাস্তব জীবনে শতভাগ খলনায়ক হতে পেরেছেন। আর বর্তমানে তো মিডিয়া পাড়া সরব আছে কার্লোস আর তার বান্ধবীদের মুখরোচক গল্প নিয়ে। 

বলে রাখা ভালো, কার্লোস হত্যা চেষ্টা মামলায় বর্তমানে জেল হাজতে আছেন। একদিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে অভিযোগ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন কার্লোস।


দেখুন আমেরিকায় চেনা শ্রাবন্তীর অচেনা জীবন

শনিবার, ০৮ জুলাই ২০১৭

Picture

বলে রাখা ভালো, আতিকুল হক চৌধুরীর নির্দেশনায় ‘আমার দুধ মা’ নাটকে শ্রাবন্তী প্রথম অভিনয় করেন। অন্যদিকে ছোটবেলায় ‘বেইলী কেডস’র বিজ্ঞাপনে প্রথম মডেল হন তিনি।

ছোটপর্দায় অভিনয়ের পাশাপাশি মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ ও মতিন রহমানের ‘রং নাম্বার’ ছবি দুটিতে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। ২০১০ সালে নূরুল আলম আতিকের ‘ডালিম কুমার’ নাটকে অভিনয়ের পর আর নতুন কোনো নাটকে তাকে দেখা যায়নি।

alt

সন্তানদের সঙ্গে সেলফি টাইম।

alt

কাজের ফাঁকে।

alt

বন্ধুদের সঙ্গে কিছুটা সময়।

alt

সেলফিতে সময়।

alt

আত্বীয়জনের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি পরিবার।

alt

দুই কন্যাই এখন শ্রাবন্তীর পৃথিবী।

alt

স্বামীর সঙ্গে অবসরে।


নাটক-সিনেমা নয় দৃশ্যটা বাস্তব জীবনের

শনিবার, ০৮ জুলাই ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:এক সময়কার জনপ্রিয় শিল্পী জুটি টনি ডায়েস ও প্রিয়া ডায়েস। একটা সময় টিভি পর্দায় সরব ছিলেন এই তারকা যুগল। আর এখন পরবাসী জীবন তাদের। ঘর, সংসার, সন্তান আর চাকরি। এই নিয়েই ব্যস্ততা। এই ব্যস্ততার ফাঁকে একটু সময় বের করে বের হয়ে পড়েছিলেন এই জুটি। ঘুরেছেন নিজেদের মত করে। আর সেই ছবি ফেসবুকেও আপলোড করতে ভুলে যাননি টনি ডায়েস। দুটি ছবি পোস্ট করে টনি লিখেন, 'সুন্দর একটি বিকেল'। 

Picture

তবে প্রথম দেখায় ছবি দুটিকে কোনো নাটক বা সিনেমার দৃশ্য ভেবে ভুল করতে পারেন যে কেউ। ছবি পোস্ট করার পরেই টনির ভক্তরা তার ছবির নিচে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। 

alt

বলে রাখা ভালো, ১৯৯৪ সাল থেকে চারশরও বেশি  নাটক, সিরিয়াল আর টেলিফিল্মে কাজ করেছেন টনি ডায়েস। ২০০৯ সালে স্ত্রী প্রিয়া ডায়েস ও একমাত্র মেয়ে অহনাকে নিয়ে আমেরিকায় চলে যান তিনি। তখন থেকেই সেখানে স্থায়ীভাবে থাকছেন।


আমেরিকায় প্রচুর মাস্তিতে অভিনেত্রী মোটুসী!

বৃহস্পতিবার, ০৬ জুলাই ২০১৭

Picture

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:বাংলাদেশি অভিনেত্রী মৌটুসী বিশ্বাস অভিনয় করছেন নিয়মিত নাটক ও টেলিছবিতে। ঈদুল ফিতরে একটানা শুটিং করে হয়তো একটু ক্লান্ত হয়ে গিয়েছেন তিনি।
alt
দরকার ছিল একটু বিরতির। সেই বিরতি পেয়েই চলে গেলেন দেশের বাইরে। তিনি এখন সপরিবারে আমেরিকায় আছেন। আর সেখানে প্রচুর মাস্তিতে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
alt
ফেসবুকে আমেরিকার প্রতিটি মূহুর্তের ছবি তুলে ভক্তদের জানিয়ে দিচ্ছেন তার হাস্যজ্জ্বল বিশেষ মুহূর্তগুলো। বিরতি শেষ করে আবারও দেশে ফিরে নিয়মিত হবেন অভিনয়ে।

alt

alt


এবার অস্কারের বিচারক হচ্ছেন এক বাংলাদেশি

মঙ্গলবার, ০৪ জুলাই ২০১৭

বাপ্ নিউজ : সিনেমার ‘নোবেল’খ্যাত অ্যাকামেডি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার পুরস্কার প্রদানকারী অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস এর সদস্য হবার আমন্ত্রণ পেয়েছেন টানা দুইবার অস্কার জয়ী বাংলাদেশের নাফিস বিন জাফর।  নাফিস ১৯৭৮ সালের ৮ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। 

  ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস বিভাগের অস্কারের জন্য ভোট-মূল্যায়নও দেবেন নাফিজ।  নাফিজ বিন জাফর মূলত বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী। বাংলাদেশ হতে প্রথমবারের মতো এ সম্মান পেলেন তিনি। 

২০১৭ সালে এতে অভিতাভ বচ্চন, আমির খান, সালমান খান, ইরফান খান, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনও আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। 

Picture
 
এবারে নতুনদের তালিকায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন নাফিজ বিন জাফর।  বিভিন্ন বিভাগে ৫৭টি দেশের ৭৭৪ জন নতুন সদস্যের এই তালিকায় ওয়ান্ডার উইমেন খ্যাত গ্যাল গ্যাডেট হতে শুরু করে ৯৫ বছর বয়সী অভিনেত্রী বেটি হোয়াইট রয়েছেন।  রয়েছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ, ক্রিস উভান্স, ডোয়াইন জনসন-দ্য রক, ক্রিস প্যাট, আনা ফারিস এর মতো তারকারা। 
 
অ্যাকাডেমির বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছেন, নতুন আমন্ত্রিতরা আমন্ত্রণ গ্রহণ করলে অ্যাকাডেমির এই সদস্য সংখ্যা হবে ৮ হাজার ৪২৭।  যাদের ভোট-মূল্যায়নে দেয়া হয়ে থাকে অস্কার পুরস্কার। 
 
নাফিস প্রথম বাংলাদেশি ব্যক্তি হিসেবে ২০০৭ সালে অস্কার পুরস্কার জেতেন। হলিউডের পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান- অ্যাট ওয়াার্ল্ডস অ্যান্ড চলচ্চিত্রে ফ্লুইড অ্যানিমেশনের জন্য সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল বিভাগে ডিজিটাল ডোমেইন নামে ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস ডেভেলপার কোম্পানির হয়ে দুই সহকর্মী ডাগ রোবেল ও রিয়ো সাকাগুচি সাথে নাফিস এ পুরস্কার জিতেছিলেন। 
 
এর পর ‘২০১২’ মুভিতে প্রথম ড্রপ ড্রেসট্রাকশন টুলকিট ব্যবহারের জন্য অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড অব সায়েন্স ২০১৪ পুরস্কার পান তিনি।  ওই ড্রপ ড্রেসট্রাকশন টুলকিটটি প্রথম ব্যবহার হয় ‘২০১২’ ছবিতে।  এরপর ট্রান্সফরমারের প্রতিটি সিরিজ ও ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অগম্যান্ট’সহ ২০ টিরও বেশি ছবিতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।


নিইউয়র্কে ফুলটাইম সংসারী অভিনেত্রী রোমানা!

সোমবার, ০৩ জুলাই ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন:আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:গত ২০১৫ সালের ৮ আগস্ট (শনিবার) অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিইউয়র্কের নদী তীরবর্তী ওয়ার্ল্ড স্পেয়ার মেরিনা হলে মডেল অভিনেত্রী রোমানা ও ব্যবসায়ী এলিন রহমানের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিভিন্ন তারকারা অংশ নেন। এসময় রোমানার বাবা, মা, ভাইসহ অন্যান্য বন্ধু-বান্ধব ও স্বজন ছাড়াও রোমানার স্বামী এলিন রহমানের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।রোমানা ও এলিনের প্রথম পরিচয় হয় যুক্তরাষ্ট্রেই একটি অনুষ্ঠানে ২০০৪ সালে। এরপর সেখানে মাঝে মাঝে দেখা হয়েছে। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে দু’জনের মধ্যে আবারও দেখা হলে এলিন রহমানের মায়ের আগ্রহে পারিবারিকভাবেই দুজনের বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়।

Picture

বিয়ে হয়েছে এখন প্রায় দুই বছর হতে চললো তাদের। কথা অনুযায়ী অভিনয়কে চিরবিদায় জানিয়েছেন রোমানা। মাঝখানে শুধু অভিনয়ই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন এই তারকা। তবে হুটহাট করে ছবিতে চলে আসতেন রোমানা। এই ঈদেও আরেক অভিনেত্রী মোনালিসার সঙ্গে দেখতে পাওয়া গিয়েছে তাকে। কিন্তু তিনি তারকাজগত ছেড়ে সংসারে মনোযোগী হয়েছেন।
alt
কেমন চলছে তার সেই সংসার? আমেরিকা থেকে ঘনিষ্ঠ কিছু সূত্র প্রিয়.কমকে জানিয়েছেন, বেশ ভালোই আছেন রোমানা। সংসার নিয়ে অনেক খুশি। এখন অপেক্ষা শুধু দুই থেকে তিনজন হওয়ার। ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি দেখেও বোঝা যায় যে তাদের সংসার চলছে বেশ। কিন্তু অভিনয়কে তো বিদায় জানিয়েছেন। তাই বলে কি দেশে ফিরবেন আর কখনও? প্রশ্নটা থেকেই গিয়েছে তার ভক্তদের মনে।