Slideshows

http://bostonbanglanews.com/index.php/templates/gk_twn/images/images/banners/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

আমেরিকানদের 'জরুরি ভাষা'র তৃতীয়তে বাংলা

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

পেইজ গিয়ারমোনা সিএলএস স্কলারশিপ ডট ওআরজি সাইটে লেখেন, “মাই ফেভারিট বেঙ্গলি ফ্রেইজ ইজ, ‘মেঘ ডাকছে’, ‘হুইচ মিনস’, ‘রোলিং থান্ডার’ (ঘূর্ণায়মান বজ্র)। গিয়ারমোনা লিখেছেন, ‘মেঘ ডাকছে’র ইংরেজি অনুবাদ করা যায় ‘দ্য ক্লাউড ইজ কলিং’। কিন্তু ‘মেঘ ডাকছে’ কথাটির গভীরতা এই ইংরেজি বাক্যে ধরা পড়ে না। এই ধারণা থেকেই আমি উপলব্ধি করতে শুরু করি যে দ্বিতীয় কোনো সংস্কৃতির ভাষা মানেই হচ্ছে এর ভেতরে জটিলতা থাকবে, গভীরতাও থাকবে।”

গিয়ারমোনা আরো লেখেন, ‘এখন বাংলা আমার জীবনের অনেক অংশ জুড়েই আছে। এর সংস্কৃতি, দেশ,মানুষ, ইতিহাস—সবই সুন্দর, সমৃদ্ধ ও মনোলোভা। বাংলা ভাষা বুদ্ধিমত্তা ও আবেগে ঋদ্ধ। এই ভাষা দিয়ে মানবিক অভিজ্ঞতার এমন কিছু অংশ দেখার সুযোগ হয়, যা ইংরেজি বা অন্য কোনো জার্মানিক মৌলের ভাষা দিতে পারে না।’

Picture

একই বৃত্তিতে বাংলা শিখেছেন লিজ টমাস। সিএলএস স্কলারশিপের সাইটে লিজ লেখেন, “স্বীকার করছি, প্রথমবার বাংলাদেশে যাওয়ার আগে দেশটির স্বাধীনতার ইতিহাস আমার তেমন জানা ছিল না। তবে তাদের স্বাধীনতা লাভের পেছনে যে ভাষার একটা ভূমিকা রয়েছে এ বিষয়টি একটু জানতাম। বাংলাদেশের মানুষ তাদের ইতিহাস ও ভাষাকে কী দরদ দিয়ে ভালোবাসে তাও আমার জানা হতো না বাংলাদেশে না গেলে। আসলে বিষয়টি আপনিও বুঝবেন না, যদি না দেশটিতে কিছু সময় কাটান।’

নিবন্ধের ‘ইন এ ওয়ার্ড’ অংশে লিজকে বাংলা ভাষা নিয়ে কিছু কথা লিখতে হয়েছে। লিজ লেখেন, “ইংরেজি লাভ শব্দটি বাংলা ভাষায় নানা শব্দেই বোঝানো সম্ভব। তবে আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে ‘ভালোবাসা’ কথাটি। এখানে আমি ভালো থাকার সঙ্গে জীবনযাপনের যোগসূত্র খুঁজে পাই।”

লিজ এখন আমেরিকার ওয়াশিংটনে কর্মস্থলে। আছেন জনস হপকিনস ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষক পদে। বাংলা ভাষা শেখার সুফল জানাতে গিয়ে লিজ লেখেন, ‘বাংলাদেশ, লাইবেরিয়া এবং নর্থ ও সাউথ ডাকোটার মানুষের পানি ও স্যানিটেশনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আমি গবেষণা করি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত দুই জীবনেই আমি প্রতিদিন বাংলা ব্যবহার করি। আমার অনেক দায়িত্বের মধ্যে একটি হচ্ছে প্রকল্পের জন্য বিভিন্ন লেখা তৈরি। এ ক্ষেত্রে এই নিশ্চয়তাটা দেওয়ার চেষ্টা করি যে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদটি যথার্থ হয়েছে। স্থানীয় জনগণ কথাবার্তায় ব্যবহার করে এমন প্রচলিত শব্দ ব্যবহার করাটাকে আমি বরাবরই প্রাধান্য দিই।’ সিএলএস বাংলা প্রগ্রামের আওতায় লিজ প্রথম বাংলাদেশে আসেন ২০১৩ সালে। পরের  বছরও তাঁকে এই কর্মসূচির জন্য বাছাই করা হয়।

সিএলএস বাংলা প্রগ্রামের আওতায় পেইজ গিয়ারমোনাকে ২০১৬ সালে কলকাতায় পাঠানো হয়েছিল। পেইজ লেখেন, ‘বাংলা শেখার অনুপ্রেরণা আমাকে দিয়েছিল আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, যে কি না প্রথম প্রজন্মের একজন আমেরিকান-বাঙালি’। বাংলায় প্রথম স্বচ্ছন্দে কথা বলার অভিজ্ঞতাটিও তার দারুণ। পেইজ লেখেন ‘প্রগ্রামের শেষ দিককার একটি স্মৃতি। বিখ্যাত মানুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতনে গিয়েছি বন্ধুর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটিতে। ট্রেনে করে ফিরে আসব হোস্ট নগরীতে। কিন্তু আমাদের দেরি হয়ে যাচ্ছিল। দ্রুত বাক্সপেটরা গুছিয়ে রিকশা ডাকলাম (স্থানীয় বাসিন্দাদের একে বলে টুকটুক)। পথে রিকশাওয়ালার সঙ্গে একটু ভাববিনিময় করতে গিয়ে আবিষ্কার করি আমি তার সব কথাই বুঝতে পারছি, আমার কথাও তার বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিল না।’


Add comment


Security code
Refresh