Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায় চিরবিদায় শ্রীদেবীর

শুক্রবার, ০২ মার্চ ২০১৮

Picture

বাপ্ নিউজ : গার্ড অব অনার আর- বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই মুম্বাইয়ের সেলিব্রেশন স্পট ক্লাবের চারপাশ বিষাদের সঘন ছায়া। অশ্রুসিক্ত ভক্ত ও তারকাদের দীর্ঘশ্বাসে ভারী হয়ে গেছে আকাশ।

আজ বিশ্বের অন্যতম দাপুটে গণমাধ্যম সিএনএন শিরোনাম করেছে, ‘বলিউড যদি বিশ্বের বড় চলচ্চিত্র শিল্প হয়, শ্রীদেবী ছিলেন তার রানি’! নানা উপমা আর তাৎপর্যে সেখানে বিশদ জানিয়েছে গণমাধ্যমটি।

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

কিন্তু সেলিব্রেশন স্পট ক্লাবে জড়ো হওয়া অশ্রুসজল ভক্তদের কাছে কী ছিলেন শ্রীদেবী? দেবী?

কারও কাছে তিনি দেবীই। তামিলনাড়ুতে জন্ম নেওয়া শ্রীদেবীকে আসল নাম শ্রী আম্মা ইয়াঙ্গার আয়াপ্পান। তামিল ভাষায় ‘আম্মা’ অর্থ ‌‘অতি সম্মানীয়’ বা ‘মা’। শুধু নামিলনাড়ুতেই নয়, এ প্রদেশ ছাড়িয়ে তিনি সম্মান পেয়েছেন সারা পৃথিবীর কোটি মানুষের।দীপিকা, শহিদ, মাধুরী শ্রদ্ধা

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

ভারতীয় চলচ্চিত্রে রাজ করে যাওয়া এ অভিনেত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে তাই মুম্বাইয়ের সেলিব্রেশন স্পট ক্লাবটি ছিল বিশেষ স্থান। এখানেই শ্রদ্ধা জানানো হয় তাকে।

এরপর চিরবিদায় ও শেষকৃত্যের জন্য তার মরদেহকে আনা হয় ভিল পারলে সেবা সমাধি ও হিন্দু কবরস্থানে। দুটি স্থানে উপচে পড়ে জনতার ঢল। শব যাত্রায় মুম্বাইয়ের রাস্তাগুলো ছিল স্থবির। লাখো মানুষ এসে চিরবিদায় জানায় এই মহাতারকাকে।

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

এদিকে সকালে সাড়ে ৯টা থেকে সেলিব্রেশন স্পট ক্লাবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় পদ্মশ্রী পদকপ্রাপ্ত এ শিল্পীকে।

লাখো মানুষের দেবীর বিদায়

এরপর একের পর এক তারকা এসে শ্রদ্ধা জানায়। এদের মধ্যে ছিলেন জয়া বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, রেখা, অনিল কাপুর, হেমা মালিনী, এশা দেওল, টাবু, মাধুরী দীক্ষিত, রাভিনা, শাবানা আজমি, জাভেদ আখতার, শ্রদ্ধা, সোহা আলি খান, কাজল, অজয় দেবগন, সালমান খান, আরবাজ খান, সোহেল খান, ফারাহ খান, মালাইকা আরোরা, অনিল কাপুর, সোনম কাপুর, অক্ষয় খান্না, সুস্মিতা সেনসহ অনেক বলিউড তারকা।

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

রাস্তাগুলো স্থবির হয়ে ছিল

উল্লেখ্য, দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলের বাথরুমে ২৪ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে শ্রীদেবীর মৃত্যু হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার। তবে শেষ পর্যন্ত জানা যায়, অজ্ঞান হয়ে বাথটাবে পড়ে গেলে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয় তার।

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

বলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী শ্রীদেবী। কোনও সুনির্দিষ্ট নায়কের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই অনেক সিনেমা ব্যবসা-সফল হয়েছিলো তার অভিনয় দক্ষতায়। তাকে বলা হয় বলিউডের প্রথম নারী সুপারস্টার।

১৯৬৩ সালের ১৩ আগস্ট তামিলনাড়ুতে জন্ম নেওয়া শ্রীদেবী একাধারে তামিল, তেলেগু, মালয়লাম, কান্নাডা ও হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেছেন।

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

বলিউডে শ্রীদেবীর অভিষেক হয় ‘সোলা শাওন’-এর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে। ২০১৩ সালে চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান পদ্মশ্রী পেয়েছেন তিনি। চাঁদনি, লামহে, মিস্টার ইন্ডিয়া, নাগিনসহ ৯০ দশকের একের পর এক সুপারহিট চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন শ্রীদেবী।

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

অভিনয় থেকে অবসর নিয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে। পরে ২০১২ সালে ‘ইংলিশ ভিংলিশ’ ছবির মধ্য দিয়ে বলিউডে প্রত্যাবর্তন করেন। সর্বশেষ ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মম’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি।

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

গার্ড অব অনার আর লাখো ভক্তের ভালোবাসায়  চিরবিদায় শ্রীদেবীর

দুবাই পুলিশ শ্রীদেবীর মৃত্যুর আসল রহস্য প্রকাশ করল!

দুবাই পুলিশ শ্রীদেবীর মৃত্যুর আসল রহস্য প্রকাশ করল!

দুবাই পুলিশ শ্রীদেবীর- দুবাইতে বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেত্রী শ্রীদেবী মারা গেছেন। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে তিনি হৃদরোগে মারা গেছেন। তবে দুবাই পুলিশ বলছে অন্য কথা।

দুবাই পুলিশ শ্রীদেবীর ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পেয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, হৃদরোগে নয়, বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেত্রী শ্রীদেবী ‘দুর্ঘটনাবশত পানিতে ডুবে’ মারা গেছেন। দুবাই পুলিশ সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুবাই শহরের একটি বিলাসবহুল হোটেলের বাথরুমে গত শনিবার রাতে শ্রীদেবীকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তার স্বামী বনি কাপুর বাথটাবে স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন বলে অভিনেত্রীর পারিবারিক সূত্রে আগে জানানো হয়েছিল।

তবে এই মৃত্যুকে ঘিরে ক্রমশ নানা রহস্য দানা বাঁধছে। তিনি ঠিক কীভাবে, কোন পরিস্থিতিতে মারা গেছেন তা নিয়ে অনেক প্রশ্নেরই এখনও উত্তর মিলছে না।

বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে, ঘটনা হল, মৃত্যুর প্রায় চল্লিশ ঘন্টা পরেও তার মরদেহ ভারতে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। এবং তখন থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল, আসলেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন কি না!

দুবাইয়ের নামী পত্রিকা খালিজ টাইমস ও গালফ নিউজ উভয়েই রিপোর্ট করেছে, শ্রীদেবীর ময়না তদন্ত রিপোর্টে জলে ডুবে মৃত্যুর কথাই বলা হয়েছে। তবে এই মৃত্যুর পেছনে কোনও ‘ক্রিমিনাল মোটিভ’ বা অপরাধমূলক উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি বলেও খালিজ টাইমস দাবি করেছে।

দুবাইতে ভারতীয় দূতাবাসের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে তারা আরও জানাচ্ছে, শহরের জুমেইরা এমিরেটস টাওয়ার হোটেলে স্থানীয় সময় রাত এগারোটা নাগাদ শ্রীদেবীর মৃত্যু হয়।তবে শ্রীদেবীর পারিবারিক সূত্রে ঘটনার যে বিবরণ পাওয়া গিয়েছে, তার সঙ্গে ওই মৃত্যুর সময়ে কিছুটা অসঙ্গতি আছে।

তারা জানিয়েছেন, শ্রীদেবীর স্বামী বনি কাপুর দুবাইতে পরিবারের এক আত্মীয়র বিয়ে সেরে ভারতে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু স্ত্রী শ্রীদেবীকে ‘সারপ্রাইজ ডিনার’ দিতে তিনি শনিবার বিকেলে আবার মুম্বাই থেকে দুবাইতে উড়ে যান।স্বামীর সঙ্গে নৈশভোজে যাওয়ার জন্য তৈরি হওয়ার আগে শ্রীদেবী নাকি স্নান করতে বাথরুমে ঢোকেন।

কিন্তু মিনিট পনেরো পার হয়ে গেলেও তার কোনও সাড়াশব্দ না-পেয়ে স্বামী বনি কাপুর দরজা ঠেলে বাথরুমে ঢুকে দেখেন – বাথটাবে শ্রীদেবী পড়ে আছেন, তার শরীরে কোনও নাড়াচাড়া নেই।তিনি তাকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন, তারপর খবর দেন এক বন্ধুকে। পরে রাত নটা নাগাদ পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

শ্রীদেবীকে স্থানীয় রাশিদ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তৃপক্ষ জানায় তাকে ‘মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে’। দুবাইয়ের নিয়ম অনুসারে হাসপাতালের বাইরে যে কোনও মৃত্যু হলেই সেখানে ময়না তদন্ত বা ফরেনসিক অনুসন্ধান বাধ্যতামূলক।

সেই প্রক্রিয়ায় অন্তত ২৪ ঘন্টা সময় লাগে বলেই শ্রীদেবীর পরিবার চাওয়া সত্ত্বেও তার মরদেহ রবিবার ভারতে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।

কিন্তু সোমবার বেলা গড়ানোর পরও যখন শ্রীদেবীর ফরেনসিক রিপোর্ট ও ডেথ সার্টিফিকেট পেতে দেরি হতে থাকে, তখন থেকেই তার মৃত্যু নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়।এর আগে সোমবার সকালেই ভারতের প্রথম সারির পত্রিকা দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া রিোপর্ট করেছিল, শ্রীদেবীর মৃত্যু হৃদরোগেই হয়েছে কি না – এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে সোমবার মুম্বাইতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রীদেবীর অন্ত্যেষ্টির সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল – লোখান্ডওয়ালাতে তার বাড়ির সামনেও অগণিত ভক্ত-অনুগামী শেষ শ্রদ্ধা জানাতে জড়ো হয়েছিলেন।ফরেনসিক রিপোর্ট আসতে দেরি হওয়ায় সেই সব আয়োজনই অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যায়।

শ্রীদেবীর মরদহে আনতে ভারতের শিল্পপতি ও পারিবারিক বন্ধু অনিল আম্বানি তার প্রাইভেট জেট দুবাইতে পাঠিয়েছিলেন, সেই জেটও বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে থাকে।

অবশেষে সোমবার বিকেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জারি করা সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানানো হয়, দুর্ঘটনাবশত জলে ডুবেই ভারতীয় নাগরিক ‘শ্রীদেবী বনি কাপুর আইয়াপ্পানে’র মৃত্যু হয়েছে।

তবে এই রিপোর্ট বাইরে আসার সঙ্গে সঙ্গে শ্রীদেবীর মৃত্যু নিয়ে সব জল্পনার অবসান হল তা মোটেও বলা যাবে না – কারণ কীভাবে তিনি জলে ডুবে গেলেন সে প্রশ্নের উত্তর অজানাই রয়ে গেল।

শ্রীদেবীর জীবনের যন্ত্রণাময় রহস্য জানা গেল

শ্রীদেবীর জীবনের যন্ত্রণাময় রহস্য জানা গেল

শ্রীদেবীর জীবনের- করেই না ফেরার দেশে চলে গেছেন বলিউডের সুপারস্টার অভিনেত্রী শ্রীদেবী। প্রিয় অভিনেত্রীর এই হঠাৎ মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না। শ্রীদেবীর অভিনয় জীবন নিয়ে কিছু বলার অপেক্ষা রাখেনা।

সবাই কম বেশি আমরা জানি তার ক্যারিয়ার সম্পর্কে। তার বর্নীল অভিনয় জীবন সম্পর্কে। তবে জানেন কি? বাস্তব জীবনে মোটেও স্বস্তিতে ছিলেন না শ্রীদেবী। পর্দার সামনের জীবন আর পিছনের জীবনে ছিলো বিস্তর পার্থক্য।

শ্রীদেবীর মৃত্যুর পরে এমনইটাই জানিয়েছেন এই অভিনেত্রীকে খুব কাছে থেকে দেখা এক পরিচালক আনন্দবাজার পত্রিকার এর খবরে উঠে এসেছে এমনই এক তথ্য, সেখানে তিনি বলেন।

কথাগুলো লিখব, না লিখব না, তা নিয়ে নিজের সঙ্গে লড়াই করছিলাম। অনেকের নাম জড়িয়ে। কিন্তু শ্রীদেবীর ভক্তদের সত্যিটা জানা উচিত। সব চেয়ে সুন্দর, সব চেয়ে বড় তারকা! সুন্দর মুখ, দারুণ প্রতিভা, দু’টো সুন্দর মেয়েকে নিয়ে ঝকঝকে পরিবার।

কিন্তু শ্রীদেবী কি সত্যিই খুব সুখী ছিলেন? ওঁর জীবনটা জানলাম দেখা হওয়ার পরে, আমার তেলুগু ছবি ‘ক্ষণ ক্ষণম’ এবং ‘গোবিন্দা গোবিন্দা’-য় কাজ করার সুবাদে। জানলাম, বাবার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত উনি ছিলেন মুক্ত বিহঙ্গ। আর বাবা চলে যাওয়ার পরে মায়ের অতিরিক্ত শাসনে খাঁচাবন্দি এক পাখি!

অভিনেত্রী মেয়ে যে পারিশ্রমিক পেতেন, তা সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে বন্ধু-আত্মীয়দের উপরে ভরসা করতেন শ্রীদেবীর বাবা। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পরে আত্মীয়রা বিশ্বাসঘাতকতা করেন। সম্পত্তি নিয়ে ধারণা না থাকায় ভুলভাল সিদ্ধান্ত নিয়ে বিপদ বাড়িয়েছিলেন ওঁর মা। ওই সময়ে শ্রীদেবী কপর্দকশূন্য।

জীবনে এলেন বনি। কিন্তু তিনিও ঋণভারে জর্জরিত। শ্রীদেবীর মা আমেরিকায় গিয়ে মস্তিষ্কে ভুল অস্ত্রোপচারে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিবেশীর ছেলের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেন বোন শ্রীলতা। মৃত্যুর আগে মা শ্রীদেবীর নামে সব সম্পত্তি লিখে দিলেও মামলা করেন বোন। দাবি করেন, উইল সইয়ের সময়ে মা প্রকৃতিস্থ ছিলেন না।

অগুনতি ভক্তের প্রিয় নায়িকা আসলে খুব একাকী, নিঃস্ব ছিলেন। থাকার মধ্যে ছিলেন শুধু বনি। তবে বনির মা শ্রীদেবীর উপরেই সংসার ভাঙার দায় চাপিয়ে ছিলেন। পাঁচতারা হোটেলের লবিতে প্রকাশ্যে তাঁর পেটে ঘুষি মেরেছিলেন (যদিও বলা হয়, ঘটনাটির পিছনে ছিলেন বনির প্রথম পক্ষের স্ত্রী মোনা কপূরের মা)।

‘ইংলিশ ভিংলিশ’-এর হঠাৎ ঝলক ছাড়া শ্রীদেবীর জীবন অসম্ভব যন্ত্রণাময়। ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, ব্যক্তিগত জীবনের ওঠাপ়ড়ায় কুৎসিত সব মুহূর্ত— ওঁর মনে ছিল গভীর সব ক্ষত। শিশুশিল্পী হিসেবে কেরিয়ার শুরু করে এত কিছুর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে ওঁকে, যে বেড়ে ওঠাটাই স্বাভাবিক হয়নি। একসময় আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টাও করেন।

সবাই বলতেন উনি সুন্দরী। নিজে কি তাই ভাবতেন? হ্যাঁ, ভাবতেন। সব অভিনেত্রীর দুঃস্বপ্ন হল বয়স। উনিও ব্যতিক্রম নন। কসমেটিক সার্জারি করান, যার প্রভাব স্পষ্ট দেখা গেল। নিজের চারপাশে দেওয়াল তুলে দিয়েছিলেন, যাতে কেউ বুঝতে না পারে, ভিতরে কী চলছে।

ওঁর নিরাপত্তাহীনতা যে কেউ বুঝে ফেলবে— আতঙ্কে ভুগতেন। আসলে শ্রীদেবী প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার শরীরে বন্দি এক শিশু! কখনও বাবা-মা, কখনও স্বামী, বা মেয়েরা— ওঁদের ইচ্ছেতেই চালিত হয়েছেন বরাবর। ক্যামেরার সামনে ‘অ্যাকশন’ আর ‘কাট’-এর মধ্যে ওঁকে শান্তি পেতে দেখেছি। এ বার চিরদিনের শান্তি

রজনীকান্তের জন্য সাতদিন না খেয়ে ছিলেন শ্রীদেবী জানেন?

রজনীকান্তের জন্য সাতদিন না খেয়ে ছিলেন শ্রীদেবী জানেন?

রজনীকান্তের জন্য সাতদিন- তিনি চলে গিয়েছেন। আজ ফিরে ফিরে আসছে শুধুই স্মৃতি। স্মৃতির পিটারায় এবার নতুন গল্প। রজনীকান্তকে নাকি খুব ভালোবাসতেন শ্রীদেবী।

সাত বছর আগে, দুর্ঘটনায় আহত রজনীকান্তের শারীরিক উন্নতির জন্য টানা সাতদিন নাকি উপোষ করে ছিলেন চাঁদনি।

সালটা ২০১১। ‘রানা’ ছবির শ্যুটিং করতে গিয়ে চোট পান থালাইবা। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরে।

এই খবর কানে আসতেই নায়কের মঙ্গলকামনায় উপোষ সাঁই বাবার শুরু করেন নায়িকা। শুধু তাই নয়, রজনী সুস্থ হলে শিরডির সাঁই মন্দিরে গিয়ে পুজোও দিয়ে আসেন তিনি।

এদিকে দেবী দর্শন শেষ শ্মশানের পথে সবাই। সাদা ফুলে ঢাকা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শ্রীদেবীকে। দুনিজেকে সব সময় ফিটফাট রাখতে পছন্দ করতেন নায়িকা। শেষ সময়টায় তাই লাল শাড়ি, গয়নায় সুন্দর করে সাজিয়ে বিদায় জানান হল অভিনেত্রীকে।

শ্রীদেবীর সঙ্গে গাড়িতে রয়েছেন স্বামী বনি কাপুর ও ছেলে অর্জুন কাপুর। দুপুর ৩ টে ৩০ মিনিটে ভিলে পারলেতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে শ্রীদেবীর।


Add comment


Security code
Refresh