Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউইয়র্ক-এ বসবাসরত লেখক জসিম উদ্দিন রচিত একুশ-এর বই মেলার তিনটি উপনাস্যের মোড়ক উন্মোচন

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:দি আমেরিকান ড্রীম, রুপালি ইলিশ ও প্রেমের সীমাšেত উপনাস্যের মোড়ক উন্মোচন ১৪ই ফেব্রুয়ারী ,শনিবার, ভ্যালেনটাইন্স ডে দুপুর ২.০০ টায় একুশে বইমেলার নজরুল মঞ্চে উপন্যাস সমুহের মোড়ক উন্মোচন করেন - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য্য  প্রফেসর ড. আ. স. ম আরেফিন সিদ্দিক, আরো উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য  মোহাম্মদ নোমান, উপন্যাস সমুহের লেখক সাবেক ছাত্রনেতা এম. জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আহসান খান, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, সাবেক ডিসিসি কমিশনার আমজাদ হোসেন মিয়া, প্রবীন সাংবাদিক ও কলামিষ্ট লুৎফুর রহমান।খবর বাপসনিঊজ:

Book cover of Jashim Uddin 1
মোড়ক উন্মোচন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য্য প্রফেসর ড. আ. স. ম আরেফিন সিদ্দিক -এম জসিম উদ্দিনের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন সুদুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে বাংলা সাহিত্য চর্চা চালিয়ে যাওয়া একটি ঐতিহাসিক কাজ, তিনি আশা করেন ভবিষ্যতে এই বইমেলায় এম জসিমউদ্দিন আরো উপন্যাস প্রকাশিত করে বাংলা সাহিত্য ভান্ডারকে আলোকিত করবেন। এম জসিম উদ্দিন তার শুভেচ্ছা বক্তৃতায় বলেন, পাঠকের অনুপ্রেরনা পেলে লেখনী শক্তিশালী হবে এবং আরো বলেন, ভালবাসায় রাঙ্গিয়ে দাও বাংলাদেশ, ভালবাসায় এগিয়ে যাওয় বাংলাদেশ। এই বলে তিনি সবার কাছে দোয়া চান।

Book cover of Jashim Uddin 6

লেখক পরিচিতি
এম.জসীম উদ্দিন ১৯৬৯ সালের ১৫ই জুন, কুমিল্লার শহরতলী সীমান্তবর্তী গ্রাম হরিপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। পিতা মরহুম মাষ্টার এম.এ.বারী এবং মাতা কাজী রুছিয়া খাতুনের মেধাবী ও কৃতি সন্তান তিনি। তার পিতামহ ছিলেন বিশিষ্ট দানবীর মরহুম সৈয়দ আকরাম আলী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের- লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করেন। শিক্ষাকালীন সময়ে তিনি ছিলেন একজন তুখোড় ছাত্র নেতা এবং বর্তমানে একজন সএিয় রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। ১৯৯০ এর পর থেকে তিনি স্থায়ী ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করেন। শৈশব থেকেই রাজনীতির পাশাপাশি সাহিত্য ও সংস্কৃতি মনা প্রতিভাবান এই লেখক সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশ করেন। তার লেখা ছোটগল্প, নাটক, উপন্যাস, কবিতা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক বিশ্লেষন ধর্মী ফিচার দেশ ও বিদেশের বিভিনড়ব পত্র পত্রিকায়, জার্নালে এবং ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হওয়ায় অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। বর্তমানে তার লেখা উপন্যাস হিসেবে ডজন খানেক পান্ডুলিপি প্রকাশের অপেক্ষায় প্রস্তুত। তার লেখনিতে প্রকাশ পায়- সমাজের নিষ্পেষিত মানুষের অধীকারের কথা, দেশের কথা, চলমান রাজনীতির কথা। পৃথিবীর উল্টো প্রান্তে বসবাস করেও বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব সাহিত্যের দরবারে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সাহিত্য চর্চা ও রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক। অর্থনীতি, সমাজনীতি, এবং রাজনীতি সবই একই সূত্রে গাঁথা। সবই মানুষের কথা বলে, মানুষের কল্যানের কথা বলে। যখন মানুষের কল্যানে, সমাজের নিপিড়িত মানুষগুলোর চিত্র পাঠকের চোখের সামনে উঠে আসবে তখনই সার্থক হবে তার লেখনি।
পাঠকের চাওয়া পাওয়া পরিপূর্ণতায় ভরিয়ে দিতে এবারের বই মেলায় লেখকের তিনটি ছোটগল্প “রুপালি ইলিশ” “প্রেমের সীমান্তে” এবং “দি আমেরিকান ড্রীম” আশাকরি পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। আমি তার সার্বঙ্গীন মঙ্গল ও সফলতা কামনা করি।
প্রকাশক
JASIMUDDIN BOOK   BAPS 2
কাহিনী সংক্ষেপ
রুপালী ইলিশ
গ্রামের নাম সখীগাঁও। মৎসজীবি জালাল মিয়ার ছেলে সজল অভাবের তাড়নায় স্কুলের গন্ডি পেড়িয়ে আর পড়াশোনা করতে পারে না। ছোট বোন সাথীরও অষ্টম শ্রেনীর পর আর পড়াশোনা হয় না। জালাল মিয়ার সাথে বাবার পেশায় যোগ দেয় সজল। আড়তদার আকবর আলীর জাল ও নৌকা নিয়ে দৈনিক পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে মাছ ধরে সংসার চালায় জালাল মিয়া। আড়তদারের মেয়ে রুপালীর সাথে গভীর প্রেম সজলের। দশম শ্রেনী পর্যন্ত পড়ার পর, রুপালীর পড়া বন্ধ করে দেয় আড়তদার। কারন তিনি সজল ও রুপার প্রেম মেনে নিতে পারেন না। একদিন সজলের গায়ে জ্বর থাকায়, জালাল মিয়া সজলকে ঘরে রেখে অন্য জেলেদের সাথে পদ্মার মোহনায় মাছ ধরতে যায়। সেই রাতে প্রচন্ড ঝড় ও জলোচ্ছাসে নিখোঁজ হয় জালাল মিয়া। পরের দিন অনেক খোঁজা-খুঁজির পর নদীর তীরে সজল খুঁজে পায় তার বাবার লাশ। বাবার দাফন কাফনের ব্যবস্থার জন্য সজল ছুটে যায় আড়তদারের কাছে। আড়তদার উল্টা তার জাল ও নৌকার জন্য অফসোস
করতে থাকে। সজল এক বুক কষ্ট নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে দেখা হয় রুপার সাথে। রুপা তার মাটির ব্যাংকে জমানো টাকা তুলে দেয় সজলের হাতে। সেই টাকা দিয়েই দাফন-কাফন শেষ করে সজল। একদিন সাথীর আবদার রক্ষার জন্য একটি ডিমওয়ালা ইলিশ চুরি করতে গেলে আড়তদারের চোখে ধরা পরে যায় সজল। আড়তদার ইলিশ মাছটিু রেখে দিয়ে অপমান করে তাড়িয়ে দেয় সজলকে। আড়তদার মন্টু ঘটকের মাধ্যমে রুপালীর বিয়ের দিন ঠিক করে। বিয়ের কথা জানতে পেরে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায় রুপা। সজলের মা, সজল ও রুপালীকে গ্রাম ছেড়ে নিঝুম দ্বীপে পালিয়ে যাওয়ার জন্য আদেশ করে। আকবর আলী মৃধা রুপালীকে উদ্ধারের জন্য লাঠিয়াল জমির আলীকে দ্বায়িত্ব দেয়। জমির লাঠিয়াল গিয়ে সজলের মা ও বোনেকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে, সজলের বোন সাথী বাধ্য হয়ে সজল ও রুপালীর নিঝুম দ্বীপে পালিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে। জমির ও তার লাঠিয়াল বাহিনী সজলকে আহত করে নীঝুম দ্বীপ থেকে ধরে আনে রুপালীকে।
আড়তদার তড়ি-ঘড়ি করে রুপালীকে বিয়ে দিয়ে দেয় লতিফ মেম্বারের ছেলে রহমানের সাথে। সজল সুস্থ্য হয়ে গ্রামে আসার পথে বউ-সাজে রুপালীকে পালকিতে করে নিয়ে যেতে দেখে। পালকির সাথে সাথে রুমাল মুখে হাঁটছে বর রহমান। আড়তদার সজলকে দেখতে পায়। জমির ও তার লাঠিয়াল বাহিনী সজলেকে ধরে হাত-পা বেঁধে খড়শ্রোতা নদীর মাঝখানে ফেলে দেয়। সজল চিৎকার করে বলতে থাকে, আমাকে বাঁচাও রুপালী, আমাকে বাঁচাও। পালকি থেকে সজলের চিৎকার শুনতে পায় রুপা। রুপা পালকি থেকে লাফিয়ে নেমে একটি নৌকায় ওঠে রুপালী। মাঝিকে বলতে থাকেজোরে বৈঠা বাও, সজলকে বাঁচাতে হবে। সজলকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পরে রুপালি। কিন্তু সজলকে বাঁচাতে পারে না রুপালি। অবষেশে দুজনে এক সাথে হারিয়ে যায় পদ্মার শ্রোতে।

Book cover of Jashim Uddin 3
কাহিনী সংক্ষেপ
প্রেমের সীমান্তে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চার শিক্ষার্থী- দীপু, রেইন, বৃষ্টি ও রাত্রী। দীপু এবং রাত্রী- রেইন ও বৃষ্টি থেকে দুই বছরের সিনিয়র। দীপুর রুম মেট রেইন, রেইন ভালবাসে বৃষ্টিকে। দীপু একটি ছাত্র সংগঠনের ছাত্র নেতা, পাশাপাশি মেধাবী ছাত্র হিসাবেও পরিচিত সকলের কাছে। দলীয় নেতার μিয়ানক হয়ে দীপু এক সময় অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। মেধাবী ছাত্র হয়েও হয়ে ওঠে সন্ত্রাসী কাম ছাত্র-নেতা। একদিন ভার্সিটির ক্যাম্পাসে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সময় পুলিশ ধাওয়া করলে দীপু তার রিভলভারটি রেইনের কলেজ ব্যাগে লুকিয়ে রাখে। রেইনের ব্যাগে রিভলভারটি বৃষ্টি দেখে ফেললে ভুল বোঝা-বুঝির সৃষ্টি হয় রেইন এবং বৃষ্টির মধ্যে। ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগে বিভাগীয় প্রধান দীপুকে শো-কজ করেন। এদিকে দীপু ভালবাসে রাত্রীকে। রাত্রী ছিল ড্রাগ এডিকটেড। বাড়ী থেকে প্রেরিত টাকায় না চলার কারনে চাকুরি খুঁজতে থাকে রাত্রী। এক সময় রিয়্যেল এস্টেট কোম্পানীতে সেলস্ এক্সিকিউটিভ
পদে চাকরী হয়ে যায় তার। রিয়্যেল এস্টেট কোম্পানীর মালিক ফিরোজ কবিরের সাথে পরিচয় হয় রাত্রীর। ফিরোজ কবিরের রিয়্যেল এস্টেট কোম্পানীর আড়ালে চলতো ড্রাগ ব্যবসা। অনেক টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ফিরোজ কবির রাত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। রাত্রীর ড্রাগ আসক্তি থেকে বের হয়ে আসার জন্য দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যন রাত্রীকে কাউনসিলিং করেন। কিন্তুু ড্রাগ আসক্তির কথা অস্বীকার করে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করে রাত্রী। দীপু রাত্রীকে এই মরন নেশা থেকে মুক্ত করার অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। ধীরে-ধীরে এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে রাত্রী। রাত্রীর মৃত্যুর পর, দীপু দলীয় নেতার কাছে অস্ত্র ফেরত দিয়ে সুস্থ্য রাজনীতি করার শপথ নেয়।এদিকে আমেরিকান প্রবাসী এক ধনাঢ্য ব্যক্তির সাথে বিয়ে হয় বৃষ্টির। সেই দিনই, এক ভ্যান লাল গোলাপ নিয়ে বৃষ্টির বাসার গেটে হাজির হয় রেইন। ঠিক সেই সময় কনের সাজে বরের হাত ধরে গাড়ীতে ওঠে বৃষ্টি। রেইনের চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে, আই লাভ ইউ টুডে.......... মোর দেন ইয়েষ্টার্ডে। কিন্তু রেইনের গলার স্বর বের হয় না, বলতে পারেনা কিছুই।

Book cover of Jashim Uddin 4
দি আমেরিকান ড্রীম
বিএমপুরের কাজীর পাগলা গ্রাম। গ্রামের সারের ডিলার রাজ্জাকের তিন ছেলে - সুমন, মোহন এবং ইমন। সুমন তিনবার বি.এ. ফেল করা বেকার যুবক। পাশের বাড়ির প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাদের হেডমাষ্টারের এক মাত্র মেধাবী সন্তান দীপ। দীপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় মাষ্টার্স শেষ করে ইউ.এন ( টঘ ) জাতীসংঘের স্কলারশীপ পেয়ে নিউইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রী (পি.এইচ.ডি) র- জন্য বর্তমানে নিউইয়র্কে বসবাস করছে। পাশের ঘরের সুমনের চাচাতো বোন স্বর্নার সাথে সুমনের প্রেমের সম্পর্ক। দীপের আমেরিকা যাওয়ায় উৎসাহিত হয়ে সুমনও আমেরিকা যাওয়ার জন্য এক প্রকার পাগলপারা। সুমন অনেক চেষ্টার পর একটি গলাকাটা ভিসা নিয়ে আমেরিকায় গিয়ে পৌছে এবং দীপের বাসায় ওঠে। অনেক চেষ্টা করে দীর্ঘ বারো বছরেও সোনার হরিণ গ্রীনকার্ড হাতে পায় না সুমন। এই বারো বছরের কষ্টার্জিত ডলার তার বাবার কাছে পাঠায়। এক সময় সুমন তার প্রেমিকা র্স্বনাকে ভুলে যায়। রাজ্জাক ডিলার সুমনের সাথে বাঁধনের বিয়ের ব্যবস্থা করে। বাঁধন ইডেন কলেজের ছাত্রী। দিন-ক্ষন ঠিক করে রাজ্জাক ডিলার ভিডিও টেলিফোন কনফারেন্সের মাধ্যমে বিয়ে দেয় সুমন ও বাঁধনকে। দীপ ছাত্র জীবনে ভালবাসত অংকন নামে তার এক সহপাঠীনিকে। কিন্তুু অংকনের বিয়ে হয় অন্য একজনের সাথে। সেই থেকেদীপ জীবনে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
দীপের মেধার মূল্যায়ন করে ইউ.এস. সরকার দীপকে আমেরিকার নাগরিকত্ব প্রদান করে। নাগরিকত্ব পেয়ে নিউইয়র্ক থেকেপ্রকাশিত একটি বাংলা পত্রিকায় সহকারি সম্পাদক হিসেবে চাকরি করতে থাকে দীপ। দীপের রুমমেট- হাবিল/কাবিল সুমনকেসব ধরনের সহযোগিতা করে। বাঁধনকে আমেরিকায় আনার জন্য, সুমন দীপকে প্রস্তাব দিলে দীপ সরল বিশ্বাসে সুমনের উপকারকরার জন্য রাজী হয়ে যায়। সেই মোতাবেক বাংলাদেশে এসে দীপ বাঁধন কে নকল বউ বানিয়ে আমেরিকার ভিসা নিয়েনিউইয়র্কে চলে আসে।
নিন্তু বাঁধন দীপকে একতরফা ভালবেসে ফেলে এবং সুমনকে অস্বীকার করে। এক সময় দীপকে বাঁধন স্ত্রী হিসাবে গ্রহন করতেবাধ্য করে। দীপের কিছুই করার ছিল না। কারন, বাঁধন তার আইনগত স্ত্রী।এদিকে সুমনের বিয়ের খবর শুনে স্বর্না নির্বাক হয়ে যায়। এক সময় বাঁধন খন্ডকালীন চাকুরী নেয় জ্যাকস্ন হাইটস্রে“মেরীগোল্ড দোকানে”। চাকুরী করার সুযোগে, দোকানের মালিক পাকিস্তানী-আমেরিকান ওয়াসীম খানের সাথে প্রেমের বন্ধনেবাঁধা পরে যায় বাঁধন। বাঁধন দীপকে ডিভোর্স করে ওয়াসীম খানের বাসায় গিয়ে ওঠে। ওয়াসীম খান ছলচাতুরী করে বাঁধনকেল্যাসভেগাসে এক ক্যাসিনোর ড্যান্স ক্লাবে বিμি করে দেয়। বাঁধন নিজেকে ডলারের ¯্রােতে গা ভাসিয়ে রাতারাতি মিলিনিয়ারহওয়ার স্বপড়ব দেখতে থাকে। সুমন ব্যর্থতার গ্লানী ও ভারাμাšও মন নিয়ে দেশে ফিরে আসে। সুমনকে দেখা মাত্রই স্বর্নালী আবারতার বাক শক্তি ফিরে পায়। দীপ দেশে এসে সবাইকে সবকিছু খুলে বলে। দীপ অনুপ্রেরনা দেয় সুমনকে । সুমন অক্লান্ত পরিশ্রমকরে গড়ে তোলে একটি মৎস্য খামার।একদিন পড়ন্ত বিকেলে সুমন এসে দাঁড়ায় তার মৎস্য খামারের সাইন বোর্ডের নীচে। বোর্ডে লেখা “ বাংলাদেশ ড্রীম মৎস্যখামার”। সাইন বোর্ডের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে মনের অজান্তে গাইতে থাকেএমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবেনা কো তুমি,দীপ, স্বর্নালী, রাজ্জাক ডিলার, ইমন, মোহন সবাই একে একে চোখ মুছতে মুছতে সুমনের পাশে এসে দাঁড়িয়ে, কণ্ঠের সাথে কণ্ঠমিলিয়ে গাইতে থাকে“এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবেনা কো তুমি,সকল দেশের রানী সে যে, আমার জন্ম ভূমি”।

 


Add comment


Security code
Refresh