Editors

Slideshows

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/455188Hasina__Bangla_BimaN___SaKiL.jpg

দাবি পূরণের আশ্বাস প্রধানমন্ত্

বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে আলোচনা না করে আন্দোলন করার জন্য পাইলটরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। পাইলটদের আন্দোলনের কারণে ফ্লাইটসূচিতে জটিলতা দেখা দেয়ায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/701424image_Luseana___sakil___0.jpg

লুইজিয়ানায় আকাশলীনা‘র বাৎসরিক

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ লুইজিয়ানা থেকে ঃ গত ৩০শে অক্টোবর শনিবার সনধ্যায় লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির ইণ্টারন্যাশনাল কালচারাল সেণ্টারে উদযাপিত হলো আকাশলীনা-র বাৎসরিক বাংলা সাহিত্য ও See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/156699hansen_Clac__.jpg

ইতিহাসের নায়ক মিশিগান থেকে বিজ

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ ইতিহাস সৃষ্টিকারী নির্বাচনে ডেমক্র্যাটরা হাউজের আধিপত্য ধরে রাখতে সক্ষম হলো না। সিনেটে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ অক্ষুন্ন রাখতে সক্ষম হলেও আসন হারিয়েছে কয়েকটি। See details

http://bostonbanglanews.com/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/266829B_N_P___NY___SaKil.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসনের অফিসে পুলি

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস্থ আলাউদ্দিন রেষ্টুরেন্টের সামনে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি তাৎক্ষণিক এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এই See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

জনগণের সাথে প্রতারণা না করে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করুন

সোমবার, ২৭ জুন ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্ নিউজ :সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক  জেএসডি যুক্ত রাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন , জেএসডি যুক্ত রাষ্ট্র শাখা র সাধারণ সম্পাদক  সামসুদ্দিন আহমেদ শামীম  , সাংগঠনিক সম্পাদক তসলিম উদ্দিন খান এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন -
আমরা বর্তমানে বাংলাদেশে যে চিত্র দেখছি তা সামাজিক অবক্ষয়ের এক বাস্তব প্রতিফলনের চিত্র। আজকে আমাদের দেশে কোনো কিছুই নিরাপদ নয়। জীবন নিরাপদ নয়, অর্থসম্পদ নিরাপদ নয়। ব্যাংকে টাকা থাকলে সেটা লোপাট হয়ে যাচ্ছে। বিদেশি দুর্বৃত্তরা দেশি লোকজনের সহায়তায় লোপাট করছে। আবার সার্বিক নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে এত সহিংসতা আগে কখনো দেখা যায়নি। ছয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে প্রায় ১১৫ জনের উপরে মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শত শত।

 বিবৃতিতে   জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি   নেতারা  বলেন -
ভিন্নমত বা আদর্শ দেখলেই তাকে দমন কর, হয়রানি কর। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর জেলে রাখ, নিপীড়ন কর। কিন্তু নিজ অন্যায় অপকর্মের সংশোধনের জন্য মনোযোগ দেওয়া হয় না। এ এক করুণ চিত্র আমাদের সর্বদা গ্রাস করছে। গণতন্ত্রের কথা বলি কিন্তু গণতন্ত্রের সংস্কৃতি মানি না, ধার ধারি না। নিজ স্বার্থে গণতন্ত্রকে ব্যবহার করি। গণতন্ত্রের সাইনবোর্ডটাকে সামনে নিয়ে আসি। আবার গণতন্ত্রের সীমিত চর্চার কথা বলে উন্নয়নের কথা বলি।  রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের এক লাখ কোটি টাকার ঋণখেলাপিদের আইনের আওতায় না এনে বরং ৩৭ হাজার কোটি টাকার ঋণ অবলোপন করা হয়েছে। মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরকে রোল মডেল হিসেবে টেনে আনি। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, উন্নয়নের নামে যদি হয় মানুষের নিরাপত্তাহীনতা, উন্নয়নের নামে যদি হয় একটি মতাদর্শ ছাড়া অন্য আদর্শের মানুষ থাকবে না, উন্নয়নের নামে যদি হয় ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ রাজকোষের হাজার হাজার টাকা চুরি, উন্নয়নের নামে যদি হয় সহিংস নির্বাচনের মাধ্যমে শত মানুষ নিধন ও একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন যদি হয় সত্য প্রকাশে গণমাধ্যমের অধিকার হরণ তাহলে তো তাকে কোনোভাবেই উন্নয়ন বলা যাবে না। ব্যাংকিং খাতে লুটপাটের মহোত্সব হয়েছে। সোনালী, বেসিক ও জনতাসহ সমস্ত ব্যাংকে চলছে লুটপাট। তাহলে আপনার নৈতিক দায়িত্ব নেই?


 তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের বিপদ উল্লেখ করে বিবৃতিতে  জে এস ডি নেতারা  বলেন -
যুক্তরাজ্য ইইউ থেকে বেরিয়ে আসায় বাংলাদেশের রফতানি খাতের সবচেয়ে বড় স্তম্ভ তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের ধাক্কা আসবে।ইইউর শরিক দেশ হিসেবে এতদিন যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে অস্ত্র ছাড়া সব ধরনের পণ্য রফতানিতে বিশেষ জিএসপি সুবিধা দিয়ে এসেছে। তৈরি পোশাক খাত হচ্ছে এসব রফতানি পণ্যের অন্যতম। এখন দেশটির প্রদেয় এ সুবিধা হারানোরও আশংকা করছেন রফতানিকারকরা। তারা বলছেন, যুক্তরাজ্য পণ্য আমদানিতে জিএসপি সুবিধা তুলে নিলে চাপে পড়বে বাংলাদেশের রফতানি খাতে। এর ফলে শুধু তৈরি পোশাক শিল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, এর সঙ্গে সাব-কন্ট্রাক্টিং সবক’টি উপখাতও বাজার হারাবে।

সরকারি বেসরকারি ব্যাংক গুলো র জীর্ণ অবস্থায় আছে দাবি করে  বিবৃতিতে  জে এস ডি নেতারা  বলেন -
বাংলাদেশের মানুষ এখন ব্যাংকে টাকা রাখতে ভয় পাচ্ছে। সরকারি বেসরকারি ব্যাংক গুলো লাখ লাখ কোটি টাকা লুটপাটের পর মৃত প্রায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে এ বছরের ১৫ মার্চ সরকার তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
চুরির সপ্তাহ দুয়েক পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাকেশ আস্তানাকে ডেকে আনা হয়। তার নির্দেশনার মোতাবেকই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব কম্পিউটারে নতুন নিরাপত্তার সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়। এরপর ঘটনাটির তদন্তভার দেয়া হয় রাকেশের প্রতিষ্ঠিত ফায়ারআই নামের কোম্পানিকে।
রিজার্ভ চুরি তদন্তে ভারতীয় নাগরিকের মালিকানাধীন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ফায়ারআইয়ের ঘণ্টায় ৪০০ মার্কিন ডলার পারিশ্রমিক হিসেবে চুক্তির ২ লাখ ৮০ হাজার ডলার পরিশোধ করা হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে প্রায় ২২ কোটি টাকা দিতে হয়েছে ভারতীয় নাগরিককে

 ব্যাংক খাতে এখন ক্যান্সার অবস্থা বিরাজ করছে। এই সংসদেই অর্থমন্ত্রী অকপটে স্বীকার করে বলেছেন-সাগর চুরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় গভর্নর নৈতিক দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন। তাহলে ব্যাংকিং খাতে যে হাজার-হাজার কোটি টাকা লুটপাট হল, শেয়ার বাজার ধসের ঘটনায় সাধারণ মানুষ পথে বসল, তার দায় স্বীকার করে অর্থমন্ত্রী পদত্যাগ করছেন না কেন?



বাংলাদেশের  মতপ্রকাশের  প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জেএসডি নেতারা  বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পরে  বিরোধী দলের অসংখ্য নেতা-কর্মী গুম, খুন, অপহরণ ও গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের নামে মানুষ হত্যাকে একটি দৈনন্দিন আতঙ্কের বিষয় হয়ে গেছে। সাংবাদিক হত্যা এবং অসংখ্য সাংবাদিককে নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন সরকারের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও মত প্রকাশের স্বাধীনতা স্তব্ধ করে দেয়ার জন্য একের পর এক সংবাদপত্র, টেলিভিশন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, যাতে বিরোধীদের কণ্ঠ শোনা না যায়।

সুন্দরবনের সন্নিকটে রামপালে ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে বাংলাদেশ সরকার।‘এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সুন্দরবনের ইউনেস্কো ঘোষিত হেরিটেজ নষ্ট করে   বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ডেকে আনবে। ভারতের মাঠিতে  ‘এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে দেয়নি ভারতের আদালত এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে পরিবেশগত ছাড়পত্র দেয়া হয়নি।

দেশের সার্বিক অবস্থার ভয়াবহতা তুলে ধরে বিবৃতিতে  জে এস ডি নেতারা  বলেন -
দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর সব গুপ্তহত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে বলা হয় এটি বিরোধী দলের কাজ। বিপরীতে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বলা হয় তাদের দমন করতে এ হত্যাকাণ্ড সরকার ঘটিয়েছে। উভয়পক্ষের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে নিম্ন পর্যায় পর্যন্ত এ ধরনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ৮ জুন বুধবার গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত গুপ্তহত্যা ও টার্গেট কিলিং হত্যা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ‘গুপ্তহত্যার বিষয়ে আমার কাছে অনেক তথ্য আছে। একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না আমি হেড অব দ্য গভর্নমেন্ট। সরকারপ্রধান হিসেবে বিভিন্ন সংস্থার তথ্য আমার কাছে আসে। তদন্তের স্বার্থে সবকিছু বলতে পারি না। তবে গুপ্তহত্যাকারী ও সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এদের কেউ ছাড় পাবে না।’ তিনি বলেন, ‘এদের হত্যা করার প্রক্রিয়া একই রকম। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট এবং দেশের অগ্রগতি বিনষ্ট করার জন্য এগুলো ঘটানো হচ্ছে। এমনকি বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, এতে তাদের মদদ রয়েছে। তারা যখন মানুষ পুড়িয়ে মারছিল তখন দেশবাসী যেভাবে জেগে উঠেছিল, ঠিক সেভাবেই আবার জেগে উঠতে হবে। একই বক্তব্য দিচ্ছেন সরকারের মন্ত্রীরাও। যদিও ৫ জানুয়ারির নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সহিংস ঘটনায় সরকারের বিশেষ সংস্থার হাত রয়েছে দাবি করে বিএনপি সে সময় এক বিবৃতি দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের একদিন পর মুখ খোলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক আলোচিত সব গুম-খুনের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা জড়িত। তাদের গ্রেফতার করলেই সত্য বেরিয়ে আসবে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এসপির স্ত্রী হত্যায় কারা জড়িত তা এখন কেন বের করা গেল না? হাসিনার সঙ্গে যারা আছেন তারাই হলেন গুম-খুনের ওস্তাদ। পেট্রলবোমার আবিষ্কারক।’ অতঃপর জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শুরু হয় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান। এ অভিযান চলে সাতদিন।  সাতদিনে গ্রেফতার হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার মানুষ । পুলিশ সদর দফতরের হিসাব মতে, সাতদিনে ১৯৪ জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাতদিনে জঙ্গিবিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে সফলতা খুব কম, উল্টা সাধারণ মানুষকে হয়রানি আর গ্রেফতার বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ক্রসফায়ারে জঙ্গি নির্মূল সম্ভব নয়। এজন্য রাজনীতিবিদ ধর্মীয় নেতা, সাংস্কৃতিক কর্মী ও বাম রাজনীতিবিদদের এক হতে হবে।  

 দৃঢ়তার সাথে জে এসডি নেতারা  বলেন, মানবিকবোধে উদ্বুদ্ধ বিশ্বের সকল গণতন্ত্রকামী মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমেই নিষ্ঠুর নির্যাতনকারী মহল ও স্বৈরশাসককে পরাস্ত করা সম্ভব।নির্যাতনের বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে এখন একটি সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। নির্যাতনের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দায়মুক্তির সংস্কৃতি চালু থাকা এবং নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন ২০১৩-এর বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হেফাজতে নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের ঘটনাগুলো ঘটছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো জনপদ রক্তে সিক্ত হচ্ছে। এই সব বন্ধ করতে হবে।


Add comment


Security code
Refresh