Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বিজয় দিবস ও নববর্ষ উদযাপনে ড্রিম ফাউন্ডেশনের বিজয় দিবস ও নববর্ষ উদযাপন এবং গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

বুধবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন,ওসমান গনি,সুহাস বডুয়া,হেলাল মাহমুদ, বাপসনিঊজ: নিউইয়র্কে বিজয় দিবস ও নববর্ষ উদযাপন করলো আহমদ হোসেন ১৬ ড্রিম ফাউন্ডেশন । জ্যাকসন হাইটস্থ জুইশ সেন্টারে ৯ জানুয়ারি আয়োজিত হয় গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ।

alt
সংগঠন সভাপতি আলী হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক এমপি ও রুপসী বাংলা মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা আনিসুজ্জামান খোকন।নন্দিত লেখক-সাংবাদিক কবি সালেম সুলেরী কথা ও কবিতা দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন  বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চিত্রগ্রাহক কাজী শফিকুল হক, বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার ও মানবাধিকার কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনার্দন চৌধুরী।

alt
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুজ্জামান খোকন বলেন, আমরা সবাই কি পচে গেছি! আজ স্বাধীনতা নিয়ে বেচা কেনা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা নিয়েও বেচাকেনার নানান প্রকল্প। ভাতা, কোটা, ঋণ, পদায়ন- ইত্যাদির মোহজালে বন্দি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা। অথচ একাত্তুরে এসব স্বার্থের কথা ভেবে মুক্তিযুদ্ধে যাইনি। সার্টিফিকেটও নেইনি। বাংলা মায়ের মুক্তির জন্যে লড়েছি। স্বাধীনতার আগেই ঢাকার জিন্নাহ কলেজকে শহীদ তিতুমির কলেজ ঘোষণা করেছি। দেশীয় পদ্ধতিতেই অস্ত্র বানিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করেছি। কিন্তু রক্ত দেওয়া সেই স্বাধীনতা এখন হুমকির মুখে।

alt
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিলো জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনা। বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ ও বাবলী হক এতে নেতৃত্ব দেন। প্রবাসে নানামুখী অবদানের জন্যে প্রায় ২২ জনকে প্রদান করা হয় গুণীজন সম্মাননা।
অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে কবি-কথাকার সালেম সুলেরী বলেন, প্রবাস আর পিছিয়ে নেই। জাতীয় দিবস উদযাপনে এবং গুণীদের মূল্যায়নে প্রবাসের সংগঠনগুলো দৃষ্টান্ত রাখছে। এখন দেখতে হবে স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য স্বনির্ভরতা, গণতন্ত্র, ও উন্নয়ন বহাল থাকছে কী না। তিনি বলেন, দেশকে অন্য দেশের ‘আশ্রিত রাষ্ট্র’ বানানোর নীরব ষড়যন্ত্র চলছে। বিলম্বে হলেও চলমান সরকার বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছে। এখন উচিৎ এই ইস্যুতে সরকার ও সচেতন মহলকে সহযোগিতা করা।

alt
কবি সালেম সুলেরী তার বহুল আলোচিত ‘দুই বাঙালিই রাষ্ট্রপতি’ শীর্ষক কবিতা পাঠ করেন। প্রসঙ্গক্রমে বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদে একজন বাঙালির পদায়ন স্বাভাবিক ঘটনা। তবে ভারতে বিষয়টি সুদূর পরাহত। জন্মের ৬৫ বছর পর ২০১২ সালে ভারতে প্রথম একজন বাঙালি রাজনীতিক রাষ্ট্রপতি হন। তিনি বাংলাদেশের জামাই বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ প্রণব মুখার্জী। অন্যদিকে স্পিকার থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ। তিনি তৃণমূল থেকে সরল্পনা রাজনীতি উপহার দিয়ে শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন। ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ পদে যুগপৎ বাঙালির পদায়ন এক ঐতিহাসিক ঘটনা। ইতিহাসটিকে ধরে রাখার জন্যে আমি এই কবিতাটি লিখেছিলাম। তাতে সম্মান ও সাড়াও পেয়েছি। রাষ্ট্রপতি হামিদের ৭১ তম জন্মদিনে বঙ্গভবনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। সেবার শুধুমাত্র আমার একক কবিতা দিয়ে রাষ্ট্রপতির জন্ম-জয়ন্তী উদযাপিত হয়। আজ সেই আলোচিত পদ্যটিই নিবেদন করছি অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধনীতে।
alt
বিশেষ অতিথি মুক্তিযোদ্ধা-আলোকচিত্রী কাজী শফিকুল হক বলেন, ভাষাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ ভাষা থেকেই স্বাধীনতা। প্রবাসে অনেক ব্যানার আমন্ত্রণপত্রে বানানকে বিকৃত করা হয়। বিষয়টি লজ্জাস্কর। বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার বলেন, নতুন প্রজন্ম পুরোটা জানেনা। দেশ ও প্রবাসে ভাষা-স্বাধীনতা-শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ প্রকল্প প্রয়োজন। মানবাধিকার কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনার্দন চৌধুরী বলেন, আমরা নতুন কিছু উপহার দিচ্ছি। স্বাধীনতা সুরক্ষা ও সুষ্ঠু চর্চায় মানবাধিকার একটি মহা-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রবাসীদের কল্যাণেও এখন কমিশন কাজের দরোজা খুলে দিয়েছে।

alt
অনুষ্ঠান সভাপতি আলী হোসেন বলেন, ড্রিম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিবার থেকে শুরু। পিতা আহমদ হোসেনের নাম কেন্দ্রিভূত থাকলেও এটি একটি সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান। নিজেদের তহবিলেই এর কার্যক্রম চলে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ। সম্মাননা প্রাপ্তদের কর্মকান্ড মেলে ধরেন সভাপতি আলী হোসেন স্বয়ং। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুক্তিযোদ্ধা আনিসুজ্জামান খোকন ও উদ্বোধক কবি সালেম সুলেরীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে এই দুই বরেণ্য অতিথি গুণীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

alt

এক্ষেত্রে সরাসরি সম্মাননা গ্রহণ করেন, সংগঠক আব্দুর রহিম হাওলাদার, গাঙ্গচিল, জাদুকর খান শওকত, মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে জনার্দন চৌধুরী,নন্দিত সাংবাদিক-লেখক-gzjaviv  নিউইয়র্ক প্রেসক্লাব সদস্য হাকিকুল ইসলাম খোকন, , মুক্তিযোদ্ধা মেয্বাহউজ্জামান, সংস্কৃতিসেবী মিনা ইসলাম, রাজনীতিক-সংগঠক আবু তালেব চৌধুরী চান্দু,কবি-সমাজসেবিকা মাকসুদা আহমেদ, কথাশিল্পী-সাংবাদিক শামিম আল আমিন, কণ্ঠশিল্পী হাফিজুর রহমান হাফিজ, সংগঠক লিটন চৌধুরী, সমাজ সেবিকা মাজেদা উদ্দিন প্রমুখ। মানবাধিকার কমিশন, নিউইয়র্কও বিশেষ সম্মাননা অর্জন করে। পরবর্তী ধাপের জন্যেও সম্মাননা প্রাপ্তদের নাম ঘোষিত হয়। এক্ষেত্রে রয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি কবি লিয়াকত আলী, কণ্ঠশিল্পী কাবেরী দাশ, রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ, সংস্কৃতিসেবী জাবেদ ইকবাল, উপস্থাপন আশরাফুল হাসান বুলবুল, আবৃত্তিশিল্পী গোপন সাহা প্রমুখ।সম্মাননা প্রদান বিষয়ে উদ্যোক্তারা বলেন, সেবামূলক কর্মসূচির আলোকে এটি একটি ধারাবাহিক কর্মসূচি। এক্ষেত্রে অন্য কারো পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই নিজ দায়িত্বে সংগঠন এই মহতী কাজটি করছে। পরিশেষে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়।


Add comment


Security code
Refresh