Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

আওয়ামী লীগে আস্থা রাখুন : প্রধানমন্ত্রী

বুধবার, ১৫ মার্চ ২০১৭

বাপ্ নিউজ : লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনসহ সকল নির্বাচনে নৌকার জন্য লক্ষ্মীপুরবাসীর কাছে ভোট প্রার্থনা করে আওয়ামী লীগের ওপর সবাইকে আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের দোয়া চাই, ভালবাসা চাই। আর প্রতিটি নির্বাচনে নৌকা মার্কায় আপনাদের ভোট চাই। ’ আজ মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর জেলা স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ‘এই নৌকা বিপদে মানুষকে রক্ষা করে। ... আর নৌকায় ভোট দিয়েইতো ’৭০ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করেছিল। আর সেজন্যেই আজ আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। '

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ বাংলা ভাষাকে মর্যাদা দিয়েছে। ’৯৬ সালে সরকার গঠনের পর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। এই নৌকায় ভোট দিয়েই আমরা বিশ্বসভায় স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। আমাদের যে পাসপোর্ট, ওই পাসপোর্টও জাতির পিতাই এনে দিয়েছিলেন। যা নিয়ে এখন আপনারা বিদেশে যেতে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান করতে পারছেন।  

তিনি বলেন, জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। এই নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজকে এতো উন্নয়ন আমরা করতে পারছি।

লক্ষ্মীপুরবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমি আপনাদের জন্য উপহার নিয়ে এসেছি। এই কিছুক্ষণ আগে আমি ১০টি প্রকল্প উদ্বোধন করেছি এবং ১৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। তিনি আরো বলেন, লক্ষ্মীপুরবাসীকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই ২০১৪ সালের নির্বাচনে আপনারা ভোট দিয়ে নৌকার প্রার্থীকে জয়যুক্ত করেছেন।  

এক সময় এই লক্ষ্মীপুর সবচেয়ে অবহেলিত ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকে রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। আরো উন্নয়ন হবে। নদী ভাঙ্গন রোধে ইতোমধ্যেই আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, এখন দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। এই অঞ্চলের প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত প্রতিটি রাস্তা যেন চলাচলের উপযুক্ত হয়, হেরিং বন রাস্তা, পাকা রাস্তা যেখানে যেটা করা দরকার আমরা তা করে দেব।  

Picture

শেখ হাসিনা বলেন, লক্ষ্মীপুরে আসার আগেই তিনি আজ একনেকে এই বিষয়ে প্রজেক্ট পাস করে দিয়ে এসেছেন।আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করতে ক্ষমতায় আসে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেন উন্নয়ন করে? করে যার একটাই কারণ, আওয়ামী লীগই জাতির পিতার নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। তাই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশের উন্নয়ন হয় আর আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল না তখন দেশের কোন উন্নয়ন হয়নি।  

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশে সকলের হাতে হাতে মোবাইল ফোন চলে যাওয়া এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ায় তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, সারা দেশে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে ঘরে বসেই দূর-দূরান্তের প্রবাসী বাঙালিদের সাথে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যই দেশকে উন্নত করা। কিন্তু বিএনপি কি করেছে? ২০০১ সালের নির্বাচনের পর তারা এখানে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। আওয়ামী লীগের একজন নেতা-কর্মীও সে সময় ঘরে থাকতে পারে নাই। তারা ক্ষমতায় আসা মানে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করা। তারা ক্ষমতায় আসা মানেই জনগণের জীবনে নাভিশ্বাস ওঠা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৩ জন নেতা-কর্মীকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। অনেকের লাশের ওপরও অত্যাচার করেছিল ওই বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসীরা। একশ’র ওপর নেতা-কর্মী সে সময় পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন-যাপনে বাধ্য হয়। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বাড়ি-ঘর, অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিছুই তাদের সন্ত্রাসের থাবা, অত্যাচার, নির্যাতন ও লুটপাট থেকে বাদ যায়নি। মসজিদের জমি দখল করে এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপরও অত্যাচার-নির্যাতন, এমনকি পাকিস্তানী হানাদারদের মতন পাশবিক নির্যাতনও চালায়। তাদের নির্যাতনে এলাকায় কোন সাংবাদিক থাকতে পারেনি। কোন সংবাদও তারা পাঠাতে পারেনি।  

নিহতদের নাম উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এমনটি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম এবং তার ছেলে ইকবাল বাহার বিপ্লবকেও সন্ত্রাসীদের হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হতে হয়। এ সময় তিনি ২০১৩, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে ও বিএনপি-জামায়াতের নির্যাতন, আগুন সন্ত্রাসের তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘বিরোধী দলে থেকেও তাদের মানুষ হত্যা শেষ হয়নি। ’

প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রশ্নে তাঁর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পুনরুল্লেখ করে বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছিল। আজকে আমি মা-বোনদের কাছে একটি আহ্বান জানাই- অভিভাবক, শিক্ষকরা আছেন- ছাত্র-ছ্রাত্রীদের কাজ প্রত্যেকে লেখাপড়া শিখবে। মানুষের মত মানুষ হবে। দেশে-বিদেশে কাজ পাবে। আজকে তারা সন্ত্রাস বা জাঙ্গিবাদের পথে যাবে কেন? মাদকাসক্ত হবে কেন? আমরা আজ লেখাপড়ার ব্যবস্থা করছি, বৃত্তি দিচ্ছি, বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, স্কুল-কলেজ মেরামত করে দিচ্ছি, যেখানে স্কুল কলেজ নেই সেখানে স্কুল-কলেজ করে দিচ্ছি। প্রতিটি উপজেলায় যেখানে এখনো সরকারি কলেজ নাই সেখানে আমরা সরকারি কলেজ করে দেব। ইতোমধ্যে তার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলায় জেলায় যেন বিশ্ববিদ্যালয় হয় তার ব্যবস্থা করে দেব।

তিনি বলেন, লক্ষ্মীপুরেও আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বা বেসরকারিভাবে করে দেব।

সরকার প্রধান বলেন, প্রত্যেকটি মসজিদের ইমাম, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক বৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ, ওলামা মাশায়েখগণ এবং সকল শ্রেণীর পেশার নাগরিকদের কাছে আমার আহ্বান থাকবে- আপনারা নিজেরা নিজ নিজ এলাকায় লক্ষ্য রাখবেন- কারো ছেলে-মেয়েই যেন ওই জঙ্গিবাদের পথে না যায়। এজন্য সবাইকে বিশেষভাবে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। কারণ ইসলাম শান্তির ধর্ম, মানুষ খুন করে কোনদিন বেহেশতে যাওয়া যায় না। তিনি এই জঙ্গিবাদ বিরোধী কর্মসূচির জন্য সকলকে উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে আন্তরিক হবারও আহ্বান জানান।

এ সময় প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে তাদের ছেলে-মেয়েরা নিয়মিত স্কুলে আসা-যাওয়া করে কিনা তা লক্ষ্য করারও আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আসুন সকলে মিলেই এই দেশকে গড়ে তুলি। আমি একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমার ব্যক্তিগত চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। কারণ আমি মা-বাবা, ভাই-সবাইকে হারিয়েছি। সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। পিতা, মাতা, ভাই সব হারিয়ে মাত্র দুটি বোন আমরা বেঁচে আছি। আমি আপনাদের মাঝেই আমার হারানো স্বজনদের ফিরে পেয়েছি। পেয়েছি হারানো মায়ের স্নেহ। তাই আপনাদের জন্য আমার এ জীবনকে আমি উৎসর্গ করেছি। এই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, এই বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য, এই দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমার বাবা জীবন দিয়ে গেছেন, ভাইয়েরা জীবন দিয়েছেন। আমিও আমার জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছি আপনাদের স্বার্থে। আপনাদের কল্যাণে, আাপনাদের উন্নয়নে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি প্রয়োজন হয় জীবন দিয়েও এই বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে যাব। সেটাই আমার প্রতিজ্ঞা।

লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকুর সভাপতিত্বে এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়নের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।  

অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন লক্ষীপুরের সংসদ সদস্য-আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এমপি, আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুর-অর-রশীদ এমপি, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, লক্ষীপুরের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ মামুন এমপি, লায়ন এম এ আউয়াল এমপি, একে এম শাহজাহান কামাল এমপি এবং পৌর মেয়র এম এ তাহের।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী জনসভার মঞ্চে ওঠার পূর্বে লক্ষ্মীপুরে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৭টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করা হয় সেগুলো হচ্ছে- রামগতি ও কমলনগর মেঘনা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প (১ম পর্যায়), চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, উপজেলা পরিষদ ভবন (লক্ষ্মীপুর সদর) উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম (লক্ষ্মীপুর সদর), উপজেলা পরিষদ ভবন (কমলনগর), উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম (কমলনগর), লক্ষ্মীপুর পৌর আইডিয়াল কলেজ ভবন, মোহাম্মদিয়া বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র নির্মাণ (৩য় ও ৪র্থ) এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও প্রাণী হাসপাতাল (কমলনগর)।

alt

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেগুলো হলো ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল, প্রশাসনিক ভবন ও নাবিক নিবাস, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, মজু চৌধুরীর হাট, পুলিশ অফিসার্স মেস, লক্ষ্মীপুর সদর পুলিশ ফাঁড়ি, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবন, লক্ষ্মীপুর সদর খাদ্য গুদামে ৫০০ মে. টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন গুদাম নির্মাণ, রামগঞ্জ উপজেলায় ১৩২/৩৩ কেবি গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ, পিয়ারপুর সেতু, চেউয়াখালী সেতু, মজু চৌধুরীর হাটে নৌ-বন্দর, লক্ষ্মীপুর পৌর আধুনিক বিপণী বিতান, আনসার ও ভিডিপি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর কমপ্লেক্স (রামগঞ্জ), পৌর আজিম শাহ (রা) হকার্স মার্কেট, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ একাডেমিক ভবন-কাম-পরীক্ষা কেন্দ্র, লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন মহিলা ব্যারাক নির্মাণ, লক্ষ্মীপুর শহর সংযোগ সড়কে পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন (রায়পুর) এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন (কমলনগর)।
এরআগে দুপুর ১টার পরে লক্ষীপুর জেলার দালাল বাজার ডিগ্রী কলেজ হেলিপ্যাডে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি।

এদিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী যখন জেলা স্টেডিয়ামের জনসভাস্থলে পৌঁছেন তখন চৈত্রের দাবদাহ অগ্রাহ্য করে হাজার হাজার নারী-পুরষের আগমনে স্টেডিয়াম ও তার চারপাশের এলাকা জনসমুদ্র্রে পরিণত হয়। শ্লোগানে শ্লোগানে প্রকম্পিত হয় জেলা শহরটি। সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভাকে কেন্দ্র করে বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর যেন একটিই গন্তব্য ছিল এই জনসভাস্থল। দলে দলে লোক বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বা উন্নয়নের শ্লোগান মুখে জনসভাস্থলে সমবেত হতে থাকেন।