Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

রাজাপুর উপজেলা যুবলীগের ৩ শতাধিক নেতাকর্মীর বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

মোঃ আঃ রহিম রেজা, বাপ্‌স নিউজ : রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি : ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা যুবলীগের ৩ শতাধিক নেতাকর্মী বাসযোগে বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় গিয়ে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাজার জিয়ারত এবং তার সমাধীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেছেন।

এ সফরে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আসলাম হোসেন মৃধা ও সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে উপজেলা যুবলীগ সহ সভাপতি আব্দুস সবুর, নজরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আলমগীর চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম লাল, জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জুয়েল সিকদার, শাহিন মাতুব্বর, জামাল মৃধা, ইউসুফ সিকদার, প্রচার সম্পাদক রিপন হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম, স্বপন সমাদ্দার, হেমায়েত উদ্দিন ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ প্রমুখসহ ৫টি বাসে উপজেলা নেতৃবৃন্দ এবং ৬ ইউনিয়নের সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ ৩ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। পরবর্তীতে দুপুরে মধ্যহ্নভোজ অংশ নেন তারা।

ঝালকাঠিতে গাছ কেটে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের চেষ্টা

মোঃ আঃ রহিম রেজা, বাপ্‌স নিউজ : রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি : ঝালকাঠি জেলার  মগড় ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মো. আলী হোসেন খানের ১২ শতাংশ জমি ওই এলাকার একটি চক্র জোড় পূর্বক দখল করা চেষ্ঠা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয় গেছে । এমনকি ওই চক্রটি গতকাল মঙ্গলবার সকালে খাওখীর গ্রামের খাওখীর জোড়াল খান জামে মসজিদ সংলগ্ন এই জমি থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও বাঁশ কেটে কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। জানাগেছে,  খাওখীর জোড়াল খান জামে মসজিদ সংলগ্ন ২০ শতাংশ জমির ওয়ারিস সুত্রে মালিক মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খান গংরা। এই জমি থেকে ৬ শতাংশ জমি মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খানের ভাই ও বোনেরা একই এলাকার মৃত. সয়জদ্দিন হাওলাদারের ছেলে সুলতান হাওলাদার গংদের কাছে বিক্রি করে। কিন্তুু সুলতান হাওলাদার গংরা জোড় করে ৮ শতাংশ জমি ভোগ করছে। আর বাকি ১২ শতাংশ জমির মালিক মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খান। বিএস পর্চায় মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খানের নামে রেকর্ড রয়েছে।  কিন্তুু প্রায় একমাস পূর্বে হঠাৎ করে সুলতান হাওলাদার, তার ভাই শাহ আলম হাওলাদার ও কবির হাওলাদার মিলে এই জমি তাদের দাবি করে দখল করতে যায়। তখন  মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খান এতে বাঁধা দেয়। বাঁধা না মানলে মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খান স্থানীয় ভাবে শালিশ মানে। কিন্তুু তাও মানতে রাজি হয়নি সুলতান হাওলাদার গংরা। পরে বাধ্য হয়ে মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খান গত ১৩ মার্চ মগড়  ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ করেন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নোটিশ পাঠিয়ে গত ৭ এপ্্িরল এই জমির সালিশি করার দিন ধার্য্য করে। কিন্তুু সুলতান হাওলাদার গংরা সময় চেয়ে আবেদন করে। আগামী ২০ এপ্রিল এই জমির সালিশি হবার কথা রয়েছে। কিন্তুু এর আগেই গতকাল মঙ্গলবার সকালে সুলতান হাওলাদার, তার ভাই শাহ আলম হাওলাদার ও কবির হাওলাদার মিলে এই জমি থেকে বিভিন্ন ধরনের গাছ ও বাঁশ জোড়পূর্বক কেটে নিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধা মো. আলী হোসেন খানের স্ত্রী মোসাম্মৎ তাসলিমা বেগম এতে বাঁধা দিলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালি দেয়। এব্যাপারে অভিযুক্ত সুলতান হাওলাদার গংদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে মগড় ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য ফজলুল খান বলেন, ‘ আমি বিষয়টি শুনেছি। যেহেতু আগামী ২০ তারিখ এব্যাপারে সালিশি হবার কথা রয়েছে। ওই দিন এই গাছ কাটার বিষয়টি নি তাদের ধরা হবে।