Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

হোয়াইট হাউসের পাশের তাঁবুবাসীর চোখে বাংলাদেশ

রবিবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৭

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে কাছের বাসিন্দা পিলিপস মেলাকু। বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা জানিয়ে তিনি একটি বার্তা দিয়েছেন। বলেছেন, ‘একাত্তর সালে প্রথম বাংলাদেশকে চিনি। রবিশঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসন যখন মুক্তিযুদ্ধের জন্য তহবিল সংগ্রহে কনসার্ট করেন, তখন থেকে। তবে আমি বাংলাদেশে কখনো যাইনি। বাংলাদেশের জন্য আমার শুভকামনা, ভালোবাসা।’

পিলিপস মেলাকুর সঙ্গে গত বুধবার বিকেলে এই প্রতিবেদকের কথা হয় হোয়াইট হাউসের উত্তর প্রাঙ্গণে; তাঁর অস্থায়ী নিবাস পলিথিনের তাঁবুর সামনে দাঁড়িয়ে। বাংলাদেশের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পিলিপস মেলাকুর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি বাংলাদেশ সম্পর্কে জানেন কি না। জবাবে ওই কথাগুলো বলেন পিলিপস।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আমন্ত্রণে দেশটির ধর্মীয় শিক্ষাবিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটর লিডারশিপ প্রোগ্রামে (আইভিএলপি) অংশ নিতে এই প্রতিবেদকসহ বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল ১৫ এপ্রিল ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছে। এ প্রতিনিধিদল হোয়াইট হাউস, লিংকন মেমোরিয়াল, ভিয়েতনাম মেমোরিয়াল, মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটল হিলসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করে।

Picture

আইভিএলপির প্রতিনিধিদলটি যখন লাফায়েত স্কয়ার হয়ে হোয়াইট হাউসের দিকে যাচ্ছিল, তখন গাইড টেইলার ব্রেটস বাংলাদেশকে শুভকামনা জানানো পিলিপস মেলাকুর তাঁবু গেড়ে অবস্থানের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। হোয়াইট হাউসের মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর ভবনের পাশে পিলিপস দিনরাত কীভাবে অবস্থান করেন? জানতে চাইলে টেইলার ব্রেটস বলেন, হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তারক্ষীরা এ তাঁবু ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে মামলা হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায় পেয়েই সেখানে এই তাঁবু রয়েছে।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ভবনের নিকটতম পড়শি পিলিপস মেলাকুর ছোট্ট এ তাঁবুটি বহুদিনের আলোচিত বিষয়। পিলিপস মেলাকুর আগে এখানেই আমৃত্যু অবস্থান নিয়েছিলেন যুদ্ধ ও পরমাণু অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী নারী কনসেপসিয়োন পিসিসয়োত্তো কোনি। ৩৫ বছর ওয়াশিংটনের রাস্তায় অহিংস প্রতিবাদ জানানো এই নারী ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে মারা যান ৮০ বছর বয়সে। তাঁরই আদর্শিক অনুসারী পিলিপস মেলাকু। কোনির মৃত্যুর পর তাঁর প্রতিবাদী অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন পিলিপস। কোনির আগে পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথে আন্দোলন করেছিলেন উইলিয়াম টমাস। বিশ্বশান্তির দাবিতে ১৯৮১ সালে শুরু করা উইলিয়ামের প্রতিবাদী আন্দোলনের সঙ্গী ছিলেন কোনি। এখন তৃতীয় প্রজন্ম হয়ে সেই আন্দোলনের ঝান্ডা বহন করছেন পিলিপস মেলাকু। পরমাণু অস্ত্রের বাইরে মেলাকুর প্রতিবাদের বিষয়বস্তুতে যুক্ত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ট্রাম্প ইম্পিচড! এমন বক্তব্য শোভা পাচ্ছে পিলিপসের তাঁবুর সামনে।