Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিচে সাত হাজার মানুষের লাশ!

মঙ্গলবার, ০৯ মে ২০১৭

বাপ্ নিউজ : যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভবনের নিচে অন্তত সাত হাজার মানুষের দেহাবশেষ চাপা পড়ে আছে বলে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।ইনসেন অ্যাসাইলাম নামে রাজ্যের প্রথম মানসিক রোগ ইন্সটিটিউটের রোগীদের এসব দেহাবশেষ ক্যাম্পাসের প্রায় ২০ একর জায়গাজুড়ে ছড়িয়ে আছে।কর্মকর্তারা অনুমান করছেন যে, প্রতিটি দেহাবশেষ কবর থেকে তোলা এবং নতুন করে কবর দিতে তিন হাজার ডলারের বেশি অর্থাৎ প্রায় দুই কোটি ১০ লাখ ডলারের প্রয়োজন হবে।

যেখানে দেহাবশেষগুলি পাওয়া গেছে সেই মেডিক্যাল সেন্টার এখন সাশ্রয়ী বিকল্প খুঁজছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিতভাবে এই লাশ তোলার কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ব্যয় কমিয়ে আনতে পারবে বলে আশা করছে। খবর দ্য ক্লারিয়ন লেজার পত্রিকার।

Picture

তারা অনুমান করছে যে, আগামী ৮বছর ধরে প্রতিবছর ৪লাখ ডলার ব্যয়ে তারা কাজটি করতে পারবে। তারা একটি স্মৃতিসৌধ ও একটি গবেষণাগার প্রতিষ্ঠারও আশা করছে যেখানে শিক্ষার্থীরা রোগীদের দেহাবশেষ এবং তাদের সঙ্গে তুলে আনা বস্ত্র ও কফিনের কাঠ নিয়েও গবেষণা করতে পারবে।

দেহাবশেষ নিয়ে গবেষণার জন্য এরইমধ্যে শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করা হয়েছে।

ক্যাম্পাসের বায়োএথিকস ও মেডিক্যাল হিউম্যানিটিস বিষয়টি দেখাশোনাকারী র‌্যাল্ফ ডিডলেক বলেন, “আমরা এসব রোগীদের উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। আমরা তাদের ব্যাপারে শ্রদ্ধাপূর্ণ ও যতœশীল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে চাই।”

University of Mississippi

বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের অধ্যাপক মলি জুকারম্যান পত্রিকাটিকে বলেন, “মিসিসিপির জন্য এটি হবে এক অভিনব সম্পদ। এটি মিসিসিপিকে আধুনিকউত্তর যুগে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রেকর্ডের এক জাতীয় কেন্দ্রে পরিণত করবে।”

উল্লেখ্য, ইনসেন অ্যাসাইলাম নামের প্রতিষ্ঠানটি ১৮৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর আগে মানসিক রোগীদেরকে শেকল দিয়ে কারাগারে বা বাড়ির চিলেকোঠায় আটকে রাখা হতো।

প্রতিষ্ঠানটির নথিপত্র থেকে জানা যায়, ১৮৫৫ থেকে ১৮৭৭ সালের মধ্যে সেখানে ভর্তি হওয়া এক হাজার ৩৭৬ জন রোগীর মধ্যে প্রতি ৫ জনে একজনের বেশি মারা গিয়েছিলো।

মার্কিন গৃহযুদ্ধ অবসানের পর সুযোগ-সুবিধা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেলে এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ছয় হাজার করে রোগী অবস্থান করতো।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশে একটি রাস্তা তেরির সময় ২০১৩ সালে প্রথম দেহটি আবিষ্কৃত হয়। ২০১৪ সালে একটি গাড়ি রাখার গ্যারেজ নির্মাণের সময় কর্মকর্তারা এক হাজারের বেশি কফিন দেখতে পান।