Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

রাজাপুরে ৩ সন্তানের জননীকে অমানুষিক নির্যাতন!

মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০১৭

মোঃ আঃ রহিম রেজা,বাপ্ নিউজ : রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি : ঝালকাঠির রাজাপুরের মনোহরপুর গ্রামে ফাহিমা বেগম (২৭) নামের ৩ সন্তানের জননীকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রোববার রাতে রাজাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। শুত্রবার সকালের এ ঘটনায় আহত রাজাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন শুক্তাগড় ইউনিয়নের আলতাব সিকদারের মেয়ে ফাহিমা বেগম সোমবার দুপুরে অভিযোগ করে জানান, তার প্রথম স্বামী ২ বছর পূর্বে মারা যাওয়ার পর স্বামীর ভিটায় অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটছিল তার। এমতাবস্থায় গত ২৯ এপ্রিল ৫০ হাজার টাকা দেনমোহরে মনোহরপুর গ্রামের সাইদুল আকনের সাথে তার বিয়ে হয়। সাইদুলের আগের স্ত্রী রোজিনা বেগম দীর্ঘদিন যাবত বিদেশে অবস্থান করছিল। কিন্তু বিয়ের খবর শুনে রোজিনা বিদেশ থেকে ফিরে আসে এবং ফাহিমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি শুরু করে। পরে এলাকার গন্যমান্যদের কাছে বিচার দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার সাইদুলের প্রথম স্ত্রী রোজিনা তার ভাইয়ের স্ত্রী নাসিমা, সোহাগী ও সাইদুলের ভাগিনা মেহেদীসহ অনেকে মিলে ফাহিমাকে এলোপাথারি লাথি-কিল-ঘুষিসহ শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে নির্যাতন করে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার মুখমন্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঝালকাঠিতে গাছের ডাল পরে জ্যোতিষির মৃত্যু

মোঃ আঃ রহিম রেজা,বাপ্ নিউজ : রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি :ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশায় ঝড়ের গাছের ডাল মাথায় পড়ে কেষ্ট আচার্য্য (৫৫) নাকে এক জ্যোতিষির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে ইউনিয়নের মীরাকাঠি সুলতান হোসেন খান মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কেষ্ট আচার্য্য কীর্ত্তিপাশা গ্রামের মৃত সুশীল আচার্য্যরে ছেলে। তিনি পেশায় জ্যোতিষির ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ি থেকে পাশ্ববর্তী মানপাশা বাজারের দিকে যাচ্ছিল কেষ্ট আচার্য্য। এসময় পথ মধ্যে ঝড় শুরু হলে চাম্বল গাছের শাখা (ডাল) ভেঙ্গে কেষ্ট আচার্য্যরে মাথা পড়ে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঝালকাঠি সদর থানার এসআই মিলন কুমার জানান, নিহত কেষ্ট আচার্য্যকে পারিবারিক শ্মশানে সমাহিত করা হয়েছে।

ঝালকাঠিতে সোনালী ব্যাংক কর্মচারীদের দুই যুগেও চাকুরী নিয়মিত হয়নি, মানবেতর জীবন-যাপন

মোঃ আঃ রহিম রেজা,বাপ্ নিউজ : রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি :ঝালকাঠিতে দুই যুগেরও বেশি সময় অস্থায়ী ভাবে কাজ করছে সোনালী ব্যাংকে কর্মচারীরা। এত দিনেও চাকুরি নিয়মিত না হওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা। জেলার নলছিটি উপজেলা সোনালী ব্যাংকে কর্মচারী পদে খন্ডকালীন হিসেবে চাকুরী করছেন মো. আনসার আলী। ১৯৮০ সালের ১ জুন মাসিক ২৫ টাকা বেতনে তিনি চাকুরীতে অন্তর্ভূক্ত হন। যোগদানের পর থেকে ৩০ টি বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও তার চাকুরী এখনও নিয়মিত হয়নি। বর্তমানে বেতন রয়েছে ৯ হাজার টাকা। বয়সও প্রায় শেষ। বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে সামান্য ৯ হাজার টাকা দিয়ে সংসার খরচ, সন্তানদের পড়াশুনাসহ সার্বিক ভরণ-পোষণ দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে। কোনরকম পর্যায়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন আনসার আলী। শুধু আনসার আলীই নয়, এধরণের বৈষম্যের স্বীকার রয়েছেন সোনালী ব্যাংকের ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন শাখায় কর্মরত খন্ডকালীন কর্মচারীরা। ১৯৮৬ সালের ১ ডিসেম্বর চাকুরীতে যোগদান করেন মোঃ মিরাজ হোসাইন। বর্তমানে সোনালী ব্যাংক রাজাপুর শাখায় কর্মরত আছেন। ১৯৯০ সালের ১১ নভেম্বর চাকুরীতে যোগদান করেন মো. আঃ রহমান। বর্তমানে তিনি সোনালী ব্যাংক মোল্লারহাট শাখায় কর্মরত আছেন। ১৯৯৮ সালের ৬ আগস্ট চাকুরীতে যোগদান করেন মধু মালী। বর্তমানে তিনি সোনালী ব্যাংক সোনালী ব্যাংক ঝালকাঠি কোর্ট বিল্ডিং শাখায় কর্মরত আছেন। ২০১০ সালের ১ জানুয়ারী চাকুরীতে যোগদান করেন তপন। বর্তমানে তিনি সোনালী ব্যাংক কাঠালিয়া শাখায় কর্মরত আছেন। ২০১১ সালের ৩ মে চাকুরীতে যোগদান করেন মোঃ রুবেল। বর্তমানে তিনি সোনালী ব্যাংক ঝালকাঠি কোর্ট বিল্ডিং শাখায় কর্মরত আছেন। নলছিটি উপজেলার নাচনমহল ইউনিয়ন পরিষদ বাজারের সোনালী ব্যাংক শাখায় খন্ডকালী কর্মচারী পদে কর্মরত আছেন লিটন। শুধু ঝালকাঠিই নয় সারাদেশে সোনালী ব্যাংকে খন্ডকালীন বেশ কিছু কর্মচারী ও পরিচ্ছন্ন কর্মীরা দীর্ঘ ৩০/৩৫ বছর চাকুরী করেও নিয়মিত হতে পারেননি। ফলে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এদের মধ্যে অনেকে রয়েছেন এসএসসি, এইচএসসি, বিএ, এমএ পাশ করেও স্থায়ী হওয়ার আশায় পরিচ্ছন্ন কর্মচারী হিসেবে যোগদান করে এখানে অস্থায়ী ভাবে কাজ করছে। এব্যাপারে প্রধান মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন জানিয়েও কোন সুফল পাচ্ছে না তারা। ১৯৯৫ সালের ১২ এপ্রিল ভোলা সোনালী ব্যাংকে কর্মরত খন্ডকালীন কর্মচারী আব্দুল মজিদকে খন্ডকালীন পদ থেকে অস্থায়ী পদে স্থানান্তর করা হয়। খীন্ডকালীন কর্মচারীরা আরো জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর বাংলাদেশ সোনালী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। যার বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক লিমিটেড। সোনালী ব্যাংকে কর্মরত খন্ডকালীন কর্মচারীরা ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে অত্যন্ত সততা, দক্ষতা এবং বিশ্বস্ততার সাথে অর্পিত দায়িত্ব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংক থেকে যে পরিশ্রমিক দেয়া হয় তা বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে পরিবার-পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হয়। এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক এ্যাম্পøয়ীজ ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি একাধিক কর্মসূচী পালন করেছে। খন্ডকালীন কর্মচারীদের নিয়মিত কর্মচারী পদে স্থানান্তর করে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত’র নিকট দাবী জানিয়েছেন খন্ডকালীন কর্মচারীরা।