Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

সাহসী নারীরা ধর্ষকের যৌনাঙ্গ কাটছে ।আবু জাফর মাহমুদ

বৃহস্পতিবার, ০৬ জুলাই ২০১৭

উত্তর প্রদেশের সাবেক মন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির সিনিয়র নেতা মুহাম্মদ আজম খান সম্প্রতি বলেন, একদিকে সীমান্তে লড়াই চলছে, অন্যদিকে নারীরা সেনা জওয়ানদের হত্যা করছেন। নিশ্চয়ই কিছু ঘটেছে, এই ঘটনা কিন্তু আমাদের সেটাই ভাবতে বাধ্য করছে।’ তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র নারীরা এসে ভারতীয় সেনার যৌনাঙ্গ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এর অর্থ হল জওয়ানদের শরীরের ওই অঙ্গটি নিয়ে তাদের অসুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে কড়া বার্তাই দিতে চেয়েছে তারা। এই ঘটনা পর্দা সরিয়ে ভারতের আসল রূপ সকলের সামনে তুলে ধরেছে।এজন্যে  গোটা দেশের  লজ্জিত হওয়া উচিত।’

 ভারতীয় কাশ্মীরের অধিবাসীরা  অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক।ওখানে আন্দোলন নির্মূলে উৎসাহিত করতে মুসলমান মেয়েদেরকে ধর্ষণ করার আদেশ ভারতীয় বাহিনীগুলোকে দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে।এতে জন্ম নেয়া সন্তানদেরকে হিন্দু পরিচয় দিয়ে কাশ্মীরে হিন্দু সংখ্যা বাড়ানো এবং স্বাধীনতাকামী    মানুষের মনোবল কমাবার লক্ষ্যে এই নৃশংস নীতি গ্রহন করা হয়েছে বলে অনেক সূত্রের দাবি।মেয়েরা শসস্ত্র হয়ে গেছে।নিজেদের সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে ধর্ষকের লিঙ্গ কেটে দিচ্ছে তারা।ভারত সরকার ও সেনাবাহিনীর এই লোমহর্ষক নীতির বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে ভারতের মুসলমান সমাজে।তবে ধর্ষণের পক্ষে থাকা সরকারী জোটের নেতা কর্মীরা বিশ্বের সকল সন্ত্রাসকে পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ান হয়ে গেছে।            

 বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ফায়ারব্রান্ড নেত্রী সাধ্বী প্রাচি উত্তর প্রদেশের সাবেক মন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির সিনিয়র নেতা মুহাম্মদ আজম খান ও কাশ্মিরের হুররিয়াত নেতাদের ফাঁসি দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন।অন্যদিকে,  উগ্রহিন্দুত্ববাদী বজরং দলের পক্ষ থেকে আজম খানের মুণ্ডচ্ছেদ করতে পারলে ৫১ লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করাসহ তার মুখে কালী লেপে দিয়ে শূকরের গোশত খাওয়াতে পারলে ১ কোটি টাকার পুরস্কারের ঘোষণা করেছে।

সোমবার গণমাধ্যমে প্রকাশ, হরিদ্বারে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়ে সাধ্বী প্রাচি বলেন, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে খারাপ মন্তব্যকারী আজম খানকে চৌরাস্তায় চাবকিয়ে ফাঁসি দেয়া উচিত। তিনি কাশ্মিরে সহিংসতা এবং পাথর ছোঁড়ার ঘটনার জন্য হুররিয়াত নেতাদের দায়ী করে তাদের কাশ্মিরের লালচকে ফাঁসি দেয়ার দাবি করেছেন। সম্প্রতি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাজাহানপুর জেলা সভাপতি রাজেশ অবস্তি আজম খানের জিভ কাটতে পারলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন।

বিজেপি’র সিনিয়র নেতা ও এমপি সুব্রামনিয়াম স্বামীর দাবি,  আজম খান যা বলেছেন তা যদি কোনো মুসলিম অধ্যুষিত দেশে বলতেন তাহলে তার শিরশ্ছেদ করা হতো।সাধ্বী প্রাচি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে দেশে গরু জবাই বন্ধ করতে কঠোর আইন তৈরি করার দাবি জানিয়ে বলেন, এমন আইন করতে হবে যাতে গরু জবাইকারীকে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা থাকে।

 বাংলাদেশে সংবাদ মাধ্যম এবং বুদ্ধি ও মুক্ত চিন্তা দমনে সফল হবার অভিজ্ঞতায় ভারতে সাংবাদিকতার জগতে নির্মমতা চালুর খবর  আসছে।ওখানে “জয় শ্রীরাম” স্লোগান দিয়ে সিনিয়র এক মুসলিম সাংবাদিক সপরিবারে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। এম আতাহারউদ্দিন মুন্নে ভারতী নামে ওই সাংবাদিক জেডিইউশাসিত বিহারে গিয়ে উগ্রহিন্দুত্ববাদী বজরং দলের দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন।এম আতাহারউদ্দিন গত ২৬ বছর ধরে দিল্লিতে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি এনডি টিভি ইন্ডিয়া চ্যানেলের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর।

গত ২৮ জুন তিনি সপরিবারে একটি গাড়িতে করে বিহারের বৈশালী জেলা থেকে সমস্তিপুর জেলার রহিমাবাদ গ্রামের উদ্দেশ্যে যেতে গিয়ে বজরং দলের কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন।তার সঙ্গে ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাবা,৮৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও  দুই সন্তান ছিলেন। ওই সাংবাদিক তার অসুস্থ মামাকে দেখতে একাটি গাড়িতে সপরিবারে সফরে রওয়ানা হয়েছিলেন।

২৮ নম্বর মুজাফফরপুর জাতীয় সড়কে টোল ট্যাক্স ব্যারিয়ার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মারগন চকে যানজট সৃষ্টি হলে ওই সাংবাদিকের গাড়ি সেখানে থেমে যায়। এ সময় গেরুয়া গামছা পরা লাঠিধারী বজরং দলের সদস্যরা তার গাড়িকে ঘিরে ফেলে এবং গাড়ির মধ্যে বসে থাকা তার মা-বাবা এবং স্ত্রীর দিকে ভাল করে লক্ষ্য করে। কারণ, তার বাবার মুখে দাঁড়ি এবং স্ত্রী বোরখা পরে ছিলেন।

 তাদের দেখতেই লাঠিধারী বজরং দলের সদস্যদের “জয় শ্রীরাম” ধ্বনি জোরালো হয়ে ওঠে। অজানা আশঙ্কায় ভয়ে কাঁপতে থাকেন সাংবাদিক পরিবার। তারা হুমকি দিয়ে  বলে “জয় শ্রীরাম” বলুন নইলে গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হবে। দূরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের কাছ থেকে সেসময় কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখে ওই সাংবাদিক  কোনও গাড়িকে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে অনুভব করেন। যদিও বিপদ তাদের  সামনেই উপস্থিত হওয়ায় ঐ  সাংবাদিক সহ পরিবারের সদস্যরা “জয় শ্রীরাম” ধ্বনি দিতে বাধ্য হন। এরপর তিনি কোনোভাবে সেখান থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে নিয়ে জীবন বাঁচাতে সফল হন। সাংবাদিক এম আতাহারউদ্দিন মুন্নে ভারতী বলেন, রামকে আমি সম্মান করি। কিন্তু যে আতঙ্কের মধ্যে তাকে “জয় শ্রীরাম” বলতে হয়েছে তা মোটেও ভালো লাগেনি।

ওই ঘটনার পরেই তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে বিষয়টি জানান। এর পাশাপাশি তিনি জেডিইউ মুখপাত্র নীরজ কুমার এবং স্থানীয় বিধায়ক আখতার উল ইসলাম শাহিনকে ফোন করে বিষয়টি জানান। তিনি পুলিশকে দ্রুত সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ করার দাবি জানান যাতে আর কারো সঙ্গে এ ধরণের অপ্রিয় ঘটনা না ঘটে।তীব্র আতঙ্কের মধ্যে থাকা ওই সাংবাদিকের প্রশ্ন কিছু মানুষ এভাবে ধর্মের নামে মানুষ মারার সাহস কীভাবে পেয়েছে? সমাজে কী হচ্ছে এসব? কার নজর পড়েছে? বিহারে জেডিইউ, আরজেডি এবং কংগ্রেস জোট সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।  

 ভারতের মজলিশ ই ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) বিধায়ক আকবরউদ্দিন ওয়াইসিকে চ্যালেঞ্জ জানানোসহ তাকে হত্যার হুমকি দিলেন উগ্রহিন্দুত্ববাদী বজরং দলের এক নেতা।৪ঠা জুন মঙ্গলবার হিন্দি গণমাধ্যম ‘জনসত্তা’য় প্রকাশ, গোবিন্দ পরাশর নামে ওই ব্যক্তি এক ভিডিও বার্তায় আকবরউদ্দিন ওয়াইসিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, যদি সাহস থাকে তাহলে আগ্রায় এসে সমাবেশ করে দেখান, আপনার শিরচ্ছেদ করে দেব।দেড় মিনিটের ভিডিও বার্তায় গোবিন্দ বলেন, ওয়াইসি আপনি বলেছেন, ভারত যতটা মোদির ততটাই আমারও। কিন্তু আপনি ‘ভারত মাতার জয়’ বলেন না। কেউ যদি আপনার গলায়