Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

স্মৃতি বেলায় - এস ইবাদুল ইসলাম

সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

বৃষ্টি ¯œাত শুপ্রভাত
পদ্ম দিঘির জল,
লাজুক, শালুক, দোলে।
শান্ত দিঘির জলে।
রাজহংস পাখনা মেলে খেলে
 গগনে জেগেছে রবি,
স্বোনালী আবির ঢেলে
এ এক অপূর্ব ভোরের ছবি।
ধানের শীষে লেগেছে দোল,
 প্রজাপতি উরে বেড়ায়,
মৌ মৌ ফসলের গ্রানে!
দিগবিদিগ দিশে হারা সন্ধ্যায়,
বিহঙ্গ ফিরে যায় আপন ঠিকানায়।
ডুবে থাকি আমি,
মুছে যাওয়া দিনের
স্মৃতির আঙ্গিনায়।
হিয়ার মাঝে জেগে আছে ওরা,
পুষ্পরাগে বিকশিত তারা।
উঁকি দিয়ে যায় মোর জানালায়,
সকাল বিকাল সাঁঝে!
স্মৃতির ভেলায় আমি ভেসে যাই,
হৃদয়ের অসীম অনুরাগে।

প্রকৃতিতে নামলো শীতের আমেজ
লেখক: এস ইবাদুল ইসলাম

শীতের শীতল পরশ নামলো প্রকৃতিতে। শীতল হাওয়া বইছে। কন-কন ঠান্ডা হাওয়া শুরুর সময় এসে গেছে। সত্তর দশকের একজন বাংলা ভাষী কবি লিখেছেন শীতকাল কবে আসবে সমপূর্ন ? জবাবে, এবার আমরা বলছি আগাম আসছে শীত। যদিও প্রকৃতিতে এখন হেমন্ত কাল। দিনের বেলায় গরম পরলেও রাতের শেষে  শীত পড়ছে। তবে তা এখনও তীব্র হয়নি। ষড় ঋতুর এদেশে একেকটি ঋতু আসে ভিন্ন ভিন্ন সাজে সেজে। তবে জলবায়ুর বিরাট পরিবর্তনের ধকলে ঋতুর কাল বদলে যাচ্ছে। এবার তো গ্রীষ্ম ও বর্ষা একাকার হয়ে গেছে। প্রকৃতির পালা বদলে বদলে যায় মানুষের জীবন ধারা। আর প্রকৃতিতে সাড়া জাগায়  তার পরিবর্তনে বদলে যায় সময়ের স্বাভাবিকতাও অস্বাভাবিকতায়। অনিবার্যভাবেই প্রকৃতিতে ঘটে কিছু পরির্বতন। শীতকালেই হেমন্তের ফসল কাটা শেষ হয়। নবান্নের সঙ্গে পিঠে পায়েসের আয়োজন হয়। এটা বাঙ্গালীর একটি অতি পরিচিত পর্ব।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ইতিমধ্যে শীতের পিঠা বিক্রেতারা পিঠা বিক্রির পসরা সাজিয়ে বসেছে। শীত যেমন পিঠা পায়েস ওখেজুর গুর নতুন শাক-সবজির আমেজ নিয়ে আসে তেমনি তীব্র শীত প্রন্তিক মানুষের জীবন যাত্রাকে বিপন্ন করে তোলে। বিশেষ করে দারিদ্র জনের পর্যাপ্ত শীত ব¯্ররে অভাবে  দূর্ভোগের শিকার হয়। গৃহহীন, ছিন্নমুলেরা অসহনীয় কষ্টের শিকার হয়। এ সময় শীত জনিত নানা রোগ ব্যধির আক্রমন দেখা যায়, বিশেষ করে ঠান্ডা জনিত সমস্যা। শীতে অনেকের কাছে অনেক পছন্দের ঋতু। কাতির্কের মাঝামাঝি শীতের তীব্রতা বেশী থাকে। এসময় কুয়াশার চাদর বিছিয়ে ডেকে দেয় প্রকৃতিকে। শীতের প্রকপতা বাড়ে শত্য প্রবাহ বয়ে যায়। গুটি শুটি দিয়ে বসে থাকে ফুটপাতের মানুষ গুলো। লেপ তৈরীর ধুম পরে যায়। অর্থবান ব্যক্তিরা কিনে নতুন কম্বল ও শীতের বাহারী পোষাক। এই শীতে আমাদের দেশে সরকার সহ অর্থ বিত্তবান ব্যাক্তিরা শীতার্থদের শীতব¯্র ও কম¦ল বিতরন করেন। এর উপর নির্ভর করে দরিদ্রদের শীত কেটে যায়। দরিদ্র ব্যক্তিরা তো দেশে আছেই  এছাড়া এর সাথে যুক্ত হয়েছে মায়ানমারের বাস্তুচ্যুত দশ লাখ রোহিঙ্গা। যাদের জন্য শীত ব¯্র, কম্বল সাহায্য প্রদানের জন্য এখনই তৎপরতা হতে হবে সরকার সহ সাহায্য প্রদান দাতা সংস্থা গুলোও সাহায্য প্রদানে বন্ধু বৎসল রাষ্ট্র গুলোকে।

‘কিশোর কবি শুকান্ত-সুর্যের কাছে উত্তাপ চেয়ে ছিলেন।
রাস্তার ধারের উলঙ্গ ছেলেটির জন্য’।

তেমনি ভাবে আমাদের ও মানবিকতার উ¤েœষ ঘটাতে হবে। আর তখনই শীত ঋতু কষ্টের না হয়ে হবে  উৎসবের ঋতু। শীতের নবীন ফসলের সাজে ও শিউলি ফুলের সেত ও জাফরানী রং এর সাজে সেজে উঠুক আমাদের  মন। সৌরভ ছড়িয়ে যাক বাংলার সকল প্রন্তরে।
আর শীতের আগুনের উত্তাপ সতেজ করুক আমাদের দেহ মন। সকালের শিশির বিন্দু ভরা ঘাস সুর্যের আলোয় উত্তাপিত হোক। দিগন্তে ভরে উঠুক হলদে রং এর শরিষার ক্ষেত্রের মনোরম শোভা নিয়ে, গাধা ফুলের রং এ রঙ্গিন হোক বিয়ে বাড়ির প্রঙ্গন। শীত আসুক আর্শীবাদ নিয়ে জীবন গতিকে গতিশীল করে ভরে উঠুক প্রাণ নির্মল সতেজতায়।