Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

ছাত্রের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে বেকায়দায় শিক্ষিকা

শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায়। শিক্ষিকার বয়সও বেশি নয়, মাত্র ২২। তিনি রসায়নের শিক্ষক। ওকলাহোমার ইউকন হাইস্কুলে পড়ান তিনি।   এই ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায়। শিক্ষিকা হান্টার ডে এখন কারাগারে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছেন তিনি।

Picture

প্রথমে মা-বাবার সন্দেহ হয় যে তাদের সন্তান কোনো শিক্ষিকার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্কে মিলিত হচ্ছেন। এরপর সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশের দ্বারস্থ হন তারা। ছাত্রের ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তখনই পরিষ্কার হয়ে যায় সবকিছু। দেখা যায়, অভিভাবকদের অনুমান একেবারে সঠিক। এরই মধ্যে নিজের শিক্ষিকার সঙ্গে মিলিত হয়েছে ওই ছাত্র।

গত বুধবার আবার একই কর্ম করতে যায় তারা। এর পরই ছাত্রের মোবাইল থেকে তার হয়ে মেসেজ পাঠিয়ে ফাঁদ তৈরি করে পুলিশ। সেই ফাঁদে অনায়াসেই পা দেন শিক্ষিকা হান্টার ডে। তিনি ছাত্রকে জানিয়ে দেন, তাড়াতাড়ি আসতে। যাতে তার স্বামী ফেরার আগেই বাড়ি থেকে চলে যেতে পারে সে। এর পরই পুলিশ তার বাড়িতে হানা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দাবি, এ ধরনের ঘটনা বিশ্বাসভঙ্গ করার শামিল। শিক্ষকদের ওপর ভরসা করেন অভিভাবকরা। ভাবেন, শিক্ষকরাই তাদের সন্তানদের রক্ষা করবেন এবং ভবিষ্যৎ গড়ে দেবেন। সেই জায়গায় ছাত্রের সঙ্গেই শিক্ষিকার এমন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়াটা অত্যন্ত অনৈতিক। এখনও পর্যন্ত হান্টার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ছাত্রদের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক, শিক্ষিকার ৪০ বছর জেল

কলম্বিয়ার মেডেলিনের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন ইয়োকাস্তা এম (৪০)। ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১৬-১৭ বছর বয়সী ছাত্রদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গড়ার অভিযোগে তার ৪০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

alt

জানা গেছে, ওই শিক্ষিকার স্বামী যখন কাজে যেতেন তখনই এই কুকর্ম করতেন ইয়োকাস্তা। পড়ায় সাহায্য করার জন্য স্কুলের প্রায় ৪০ জন ছাত্রের কাছ থেকে তাদের নম্বর নিয়েছিলেন এই শিক্ষিকা। কিন্তু পড়াশোনায় সাহায্য করার পরিবর্তে তিনি তাদের নিজের অর্ধনগ্ন ছবি পাঠাতেন। কখনো আবার বিকিনি পরে, কখনো আবার একেবারেই নগ্ন অবস্থায় হোয়াটসঅ্যাপে ছবিগুলো পাঠাতে থাকেন। এরপরই ক্লাসে ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বেশ কয়েকজন ছাত্রকে নিজের ফ্ল্যাটে মাঝেমধ্যেই ডেকে পাঠাতেন এবং ভয় দেখিয়ে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁর এই কুকীর্তি ফাঁস হয়। সম্প্রতি এক ছাত্রের বাবা ছেলের অভিযোগ পেয়ে তার মোবাইল চেক করেন। এরপরই হোয়াটসঅ্যাপে ওই শিক্ষিকার পাঠানো ছবিগুলো দেখতে পান। তার পরই এ ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে।
এর পরই ইয়োকাস্তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দেন। আর এ অপরাধের জন্য পুলিশও তাকে গ্রেপ্তার করে।  

এদিকে এ ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পরই এ ব্যাপারে একে একে মুখ খুলতে থাকে ছাত্ররা। সোশাল মিডিয়ায় এক ছাত্র লেখেন, 'ইনি হলেন শিক্ষিকা ইয়াকোস্তা, উনি আমাদের হুমকি দিতেন ওঁর সঙ্গে সম্পর্ক না রাখলে আমাদের ফেল করিয়ে দেওয়া হবে। '