Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

শেখ ম‌নির জন্মোৎসব যেন মিলন মেলা

মঙ্গলবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির ৭৮তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান যেন এক মিলন মেলায় পরিণত হলো।সোমবার সকালে রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের মাঠে ঢাকা ১০ আসনের এমপি শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে শেখ ফজলে নূর তাপসের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমন্বয়ে জন্মোৎসব পরিচালিত হয়।

নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের মাঠ। তবে যুবলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগকে মিলনমেলা থেকে পৃথক করে সাদা ও সবুজ রঙের টি-শার্ট এবং মাথায় ক্যাপ।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠা‌ন সফলভা‌বে প‌রিচালনা কর‌তে ব্যাপক প্রস্তু‌তি গ্রহণ করা হয়। একই সা‌থে ১০ হাজার মানুষের মেজবানের আয়োজনও করা হয়।মিলন মেলায় উপস্থিত থেকে স্মৃতিচারণ করেন, বাণিজ্যমন্ত্রী ও সাবেক যুবলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা মহসিন মন্টু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ রেজাউর রহমান, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শেখ মনির সহচর কাজী ফিরোজ রশিদ, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম, সংসদ সদস্য নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, আব্দুল আওয়াল, সাংবাদিক, লেখক ও কলামিষ্ট কামাল লোহানী, যুবলীগের বর্তমান চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদসহ শেখ ফজলুল হক ম‌নির ঘ‌নিষ্ঠজ‌নেরা।

স্মৃতিচারণ করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, তার মাধ্যমেই প্রথ‌মে ছাত্রলী‌গে প্র‌বেশ ক‌রি। তার ব্যবহার আর রাজ‌নৈ‌তিক জ্ঞান এবং একজন তরুণ ছাত্র‌কে এক‌টি ছাত্র সংগঠ‌নে অন্তর্ভূক্ত করার তার যে দক্ষতা তা দে‌খে আ‌মি অ‌ভিভূত হ‌য়ে‌ছি।

আ‌ন্দোলন সংগ্রা‌মে শেখ ম‌নি অগ্র সৈ‌নিক ছি‌লেন জা‌নি‌য়ে তি‌নি ব‌লেন, বঙ্গবন্ধুর মু‌ক্তি আ‌ন্দোলনসহ প্র‌ত্যেক‌টি আ‌ন্দোল‌নে স‌ক্রিয় ছি‌লেন আমা‌দের নেতা ম‌নি ভাই। ৭০ এ আমরা নির্বাচন করে‌ছিলাম। কিন্তু ম‌নি ভাই কর‌লেন না। তি‌নি নির্বাচন প‌রিচালনা কর‌লেন। সেই ৫৫ নং পুরানা পল্টন আওয়ামী লীগ অ‌ফি‌সে ম‌নি ভাই সব সময় থাক‌তেন।

শেখ ফজলুল হক ম‌নির মান‌বিকতা বর্ণনা কর‌তে গি‌য়ে আ‌বেগ আপ্লুত হ‌য়ে প‌ড়েন তোফা‌য়েল আহ‌মেদ। এসময় তি‌নি ব‌লেন, ম‌নি ভাই‌য়ের কা‌ছে ব্য‌ক্তিগতভা‌বে আ‌মি অ‌নেক ঋণী। তি‌নি যে আমা‌কে শুধু রাজনী‌তি শি‌খি‌য়েছেন তা নয়। মু‌ক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমার স্ত্রী ও ছোট্ট মে‌য়ের জন্য নিয়‌মিত তিন হাজার টাকা পা‌ঠা‌তেন।

‌তি‌নি আ‌রো ব‌লেন, স্বাধীনতার প‌রে ম‌নি ভাই এই যুবলীগ প্র‌তিষ্ঠা ক‌রেন। তি‌নি ছি‌লেন দক্ষ সংগঠক। ১৫ আগস্টে ওরা (ঘাতকরা) ভে‌বে‌ছিল ম‌নি ভাই এটা প্র‌তি‌রোধ কর‌তে পার‌বেন। সেই কার‌ণে সস্ত্রীক তা‌কে হত্যা করা হ‌য়ে‌ছিল।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম অনুষ্ঠা‌নে বলেন, আজ যদি বঙ্গবন্ধু এবং শেখ মনি ভাই বেঁচে থাকতেন তাহলে অনেক আগেই দেশ উন্নত হয়ে যেত। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী ও অতি বিপ্লবীরা দেশ পরিচলনা করায় আজ ৫০ বছর পিছিয়ে গেছে। তারা দুজন এক সাথে হয়ে ঘরে এবং বাইরের শত্রুর বিরুদ্ধে কাজ করতে পারলে দেশ অনেক অাগেই উন্নত হত।


‌শেখ ম‌নির স্মৃ‌তিচারণ ক‌রে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ব‌লেন, শেখ মনি একজন অসাধারণ সংগঠক ছিলেন। তিনি কর্মীদের মোহাবিষ্ট করতে পারতেন। তি‌নি ছিলেন একজন চিন্তাশীল লেখক, দার্শনিক। এতোগুলো প্রতিভার সমন্বয় যদি একটি সংগঠনে থাকে তাহলে সেই সংগঠনটি হয়ে ওঠে আলোক বর্তিকা, জাতির চিন্তার বাতিঘর। একারণেই বঙ্গবন্ধু শেখ মনিকে যুবলীগের চেয়ারম্যান করেছিলেন।

‌তি‌নি ব‌লেন, বঙ্গবন্ধু তারুণ্যের স্ফুলিঙ্গ চেয়েছিলেন, দ্রোহ চেয়েছিলেন আবার চেয়েছিলেন তারুণ্য যেন বিকশিত হয়, তারা যেন দেশ বির্নিমাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারে। একারণেই তিনি যুব তারুণ্যের প্রতীক শেখ মনিকে যুবলীগের চেয়ারম্যান করেছিলেন।