Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

রাজাপুরে ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর মৃধার বিরুদ্ধে পল্লী বিদ্যুতের এজিএমকে লাঞ্ছিত ও হুমকির অভিযোগে জিডি

বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭

মোঃ আঃ রহিম রেজা, বাপ্ নিউজ : রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি : ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা আ’লীগের সহ সভাপতি, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মজিবর মৃধার বিরুদ্ধে পল্লী বিদ্যুতের রাজাপুর সাব-জোনাল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী রাজন কুমার দাসকে লাঞ্ছিত ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শনিবার রাতে রাজাপুর থানায় এজিএম ও পল্লী বিদ্যুত অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি (নং ৩১০) করেছেন। জিডি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে সদরের বাজারে পল্লী বিদ্যুতের লাইন বিল্ডিং’র সাথে স্পর্শ করে লাইন বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ১১ টার দিকে পল্লী বিদ্যুতের রাজাপুর সাব-জোনাল অফিসের এজিএম প্রকৌশলী রাজন কুমার দাস সরেজমিনে লাইনটি চেকের জন্য যান। বিল্ডিংয়ের সাথে লাইনটি লেগে থাকায় নিরাপদভাবে চালু করার জন্য পাশের খুটিতে শিফট করার প্রয়োজনে বাজার কমিটির সভাপতি হওয়ায় সদর চেয়ারম্যান মজিবুর মৃধাকে সরেজমিনে ডেকে এনে স্থান নির্বাচনের জন্য তার সহযোগীতা কামনা করেন। তখন চেয়ারম্যান নিজের পছন্দমত স্থানে খুটি বসাতে বলেন। কিন্ত তার নির্বাচিত স্থানটি ঝুকিঁপূর্ণ হওয়ায় সে স্থানে খুটি বসাতে না পারার কারন সম্পর্কে চেয়ারম্যানকে অবহিত করতে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে পল্লী বিদ্যুতের এজিএমকে লাঞ্ছিত করে এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ ও হুমকি দেয়। বর্তমানে এজিএম ও রাজাপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিস নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে জিডিতে উল্লেখ্য করা হয়। রাজাপুর থানার ওসি শামসুল আরেফিন জানান, কথাকাটাকাটি ও হুমকির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মজিবর মৃধার এসব অভিযোাগ অস্বীকার করে জানান, বর্তমানে অস্থায়ীভাবে খুটি বসাতে বলেছি, পরে বাজার সুবিধামত স্থানে স্থায়ীভাবে খুটি বসাবো। অন্যকিছুই হয়নি তার সাথে।
রাজাপুরে পালিত হয়নি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস, সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন?

মোঃ আঃ রহিম রেজা, বাপ্ নিউজ : রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি :ঝালকাঠির রাজাপুরে পালিত হয়নি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। মানবাধিকার সংস্থা ও সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সারাদেশেই ‘চলুন সমতা, ন্যায় বিচার এবং মানুষের মর্যাদার জন্য দাঁড়াই’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারা দেশের ন্যায় ও এ দিবসটি একযোগে পালন হলেও ব্য্যতিক্রম ঘটেছে রাজাপুরে। সরকারি বা বেসরকারি মানবাধিকার সংগঠন গুলো এ দিবসটি উদ্যাপন করেনি এ উপজেলায়। বাংলাদেশে সরকারি ভাবে দিবসটি পালিত না হলেও মানবাধিকার সংস্থাগুলোসহ অনেক বেসরকারি সংগঠন দেশব্যাপি দিবসটি পালন করে। মানবতাবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ১৯৪৮ সালের এই দিনে ফ্রান্সের প্যারিসে জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বজনীন মানবাধিকার সনদ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। সেই থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। সচেতন মহলের অভিমত, এসব মানবাধিক সংগঠনগুলো মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ তো করেই না বরং নিরিহ মানুষ বিপদে পড়লে তাদের শোষন ও হয়রানি করা হয়। এরা বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের শাখা অফিস তৈরি করে এবং মানবাধিকার কর্মীর পরিচয় পাড়া-মহল্লা, অলিগলিতে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে ওঠা এসব সাইনবোর্ড ও প্যাডসর্বস্ব সংগঠনের কর্মকান্ডে ক্ষুন্ন হচ্ছে দেশের প্রতিষ্ঠিত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাবমূর্তি। অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহজাহান মোল্লার বলেন, যেখানে দেশের মানবাধিকার রক্ষার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো রাজপথে দাড়ায়, সেখানে রাজাপুর উপজেলার মানবাধিকার সংগঠন গুলোর বেহাল দশা দেখে আমি উপজেলার সাধারন মানুষের মানবাধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন।