Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

কিশোরগঞ্জে পথে পথে চলন্ত বোমা

বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

রুহুল আমীন রাজু, বাপসনিঊজ প্রতিনিধি  ঃ কিশোরগঞ্জের সড়ক পথ ঘুরেঃ কিশোরগঞ্জ জেলায় সিএনজি  চালিত অটোরিক্সার মালিক/ড্রইভার  পুলিশের চাঁদা(মাসুয়ারা) থেকে বাঁচতে  সিএন জি (রুপান্তরীত প্রাকৃতিক গ্যাস) বাদ দিয়ে এলপি গ্যাস ব্যাবহার করছে  অহ-রহ।সিলিন্ডার বিস্ফোরনে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে যে কোন মূহুর্তে।অজানা উৎকন্ঠায় রয়েছে  জেলার হাজার –হাজার সিএনজি পরিবহন যাত্রী।জেলা শহরের বিভিন্ন সিএনজি ষ্ট্যান্ড ঘুেেদখা য়ায়, কটিয়াদি, নিকলী,বাজিতপুর,করিমগঞ্জ,তারাইল,হোসেনপুর,পাকুন্দিয়া,পার্শবর্তী জেলা ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা থেকে কিশোরগঞ্জ জেলাসদরে  যাত্রীবাহী অটোরিক্সায় সিএন জির পরিবর্তে এল পি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যাবহার হচ্ছে।এ সব সিলিন্ডার চালকের সিটের নীচে এবং যাত্রী সিটের পিছনে ক্যারীয়ারে উম্মোক্ত ব্যাবহার হচ্ছে। বাংলাদেশ বিস্ফোরন অধিদফতর কর্তৃক এ জাতীয় পরিবহনে সি এন জি সিলিন্ডার ব্যাবহার অনুমতি থাকলে ও এল পি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যাবহারের অনুমতি নেই।এটি সাধারনত বাসা বাড়ীতে রান্নার কাজে ব্যাবহার হয় বলে জানা যায়।সি এন জি সিলিন্ডার প্রকার ভেদে ১২থেকে ১৪ হাজার টাকায় কিনতে হয় এতে গ্যাস রি-ফিলিং করলেএক চতুরাংশ বাতাস থাকে তবে সিলিন্ডার নিরাপদ।এল পি গ্যাস সিলিন্ডার যত্রতত্র ২ হাজার টাকাতেই কেনা যায় তাতে বাতাসের পরিমান থাকেনা কিন্তু সিলিন্ডার কোনক্রমেই নিরাপদ নয়।এল পি গ্যাস সহজ লভ্যতার কারনেই এর ব্যাবহার দিনদিন বেড়েই চলছে আর যাত্রীদের নিরাপত্তা ঝুকি ও বাড়ছে। জেলা সদর থেকে সর্ব দক্ষিনে সত্তর কিঃ মিঃদূরে ভৈরবে এক মাত্র সি এন জি রি-ফিলিং ষ্টেশনটি।গ্যাস সরবরহে মালিক,ড্রাইভার দীর্ঘ সময় ও গ্যাস ব্যায় করতে হয়  তাই অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনে এল পি গ্যাস ব্যাবহারে মেথে উঠেছে সি এন জি মালীক ও ড্রাইভার, উৎসাহিত করছে  অন্যান্যদেরও ।এ কারনে প্রতিনিয়ত বাড়ছে এলপি গ্যাসের দাম।তথ্য সংগ্রহকালে নিকলী-কিশোরঞ্জে যাতায়তকারী সিএন জি  ড্রাইভার মোশারফ হোসেন (৪০) প্রতিনিধিদ্বয়ের কাছে অভিযোগ করে বলেন,  মহা সড়কে অটোরিক্সা চলাচলে নিষেধাঙ্গা থাকায় সুযোগ নিচ্ছে ভৈরব থানা পুলিশ।জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে ভৈরবে গ্যাস  কিনতে গেলে পথিমধ্যে থানার পুলিশ সদস্যরা গতিরোধ করে,গাড়ীতে থানার মাসুয়ারা পরিশোধের ষ্টিকার লাগানো আছে কি না? যেহেতু ভৈরব রোডে নিয়মিত গাড়ী চালাইনা আমাদের মাসুয়ারা দিতে হয়না।বিপত্তি ঘটে তখনই ভৈরব লাইনের বাইরের কোন গাড়ী গ্যাস কিনতে গেলে।  বৈধ সকল কাগজ পত্র দেখিয়ে রেহাই পাওয়া যায় না তাদের কাছে।প্রতিমাসে ৩৫০টাকা জমা দিয়ে মাসুয়ারার বিশেষ ষ্টিকার ব্যাবহার করতে হবে অন্যতায় থানা পুলিশের টহল উিউটি করতে হবে।প্রতিদিন একই রকম ঝামেলা পোহাতে হয়,এখন সব রিস্ক মাথায় নিয়ে এল পি গ্যাস ব্যাহার করছি শুধু আমি একা নই ৫ থেকে ৭শ ড্রাইভার এলপি গ্যাস ব্যাবহার করছে।একই ধরনের খথা জানায়,করিমগঞ্জ রোডের ড্রাইভার আঃ বাতেন ও তাড়াইল রোডের ড্রাইভার স্বপন সিঞা।(০১৭৬৬-৯৫১৫২০ সোশারফ ড্রাইভার)