Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

২০১৮ সালকে স্বাগত জানিয়ে মিডিয়ার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘে বিশেষ এক মর্যাদার আসনে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ০৯ জানুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল  ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : গেল বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশ নিজের অবস্থানকে আরো সংহত করেছে। আন্তর্জাতিক ক’টনীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্ব সমাদৃত হচ্ছে। আর এ কৃতিত্ব জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের। সমন্বয় করেছে ঢাকাস্থ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ মন্ত্রে উজ্জীবিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বছরেও বাংলাদেশ মিশন দেশের ইমেজ সমুন্নত রাখতে বদ্ধ পরিকর। এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।
২ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে গেল বছরের কর্মকান্ডের আলোকে মিডিয়ার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রদূত মাসুদ প্রবাসের গণমাধ্যমগুলোর সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন। নতুন বছরেও বাংলাদেশের ইমেজ আরো উর্দ্ধে উঠাতে সকলের সহায়তা প্রত্যাশা করেন। হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ শুভেচ্ছা-বিনিময় পর্বের সঞ্চালনা করেন মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) নূর এলাহি মিনা। উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক  আরিফুল ইসলামও গেল বছরের মিশনের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। এ সময় বাংলাদেশ মিশনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ছাড়াও নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল শামীম আহসান এনডিসিও ছিলেন।


গত সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, এবারের অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ বিশেষ করে রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে। ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটার পরপরই আমরা জাতিসংঘে এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করি, যদিও আমরা প্রথম দিক সমস্যার ব্যাপ্তি এ পর্যায়ে যেতে পারে তা অনুধাবন করতে পারিনি। প্রথমদিকে আমরা নিউইয়র্কস্থ ওআইসির রোহিঙ্গা মুসলিম মাইনোরিটি গ্রুপের মাধ্যমে ক’টনৈতিক তৎপরতা শুরু করি। সৌদিআরবের স্থায়ী প্রতিনিধির নেতৃত্বে আমরা আরও কয়েকটি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি একত্রে জাতিসংঘের মহাসচিব, নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং সাধারণ পরিষদের প্রেসিডন্টের সঙ্গে দেখা করে তাঁদেরকে সমস্যার বিষয়ে অবহিত করি এবং এর সমাধানে তাঁদের উদ্যোগ গ্রহনের অনুরোধ জানাই। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ফলশ্রুতিতে বিষয়টি জাতিসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ে এবং বৃহত্তর পরিসরে আলোচনায় আসতে শুরু করে। জাতিসংঘের মহাসচিবের রোহিঙ্গা বিষয়ে শক্ত অবস্থান এবং তাঁর নিজস্ব উদ্যোগ এক্ষেত্রে একটি বিরাট নিয়ামক হিসাবে কাজ করে।
রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, এবার নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের অর্জনের দিকে ফিরে তাকাই। আপনারা জানেন যেখানে ২০০৯ সাল হতে জাতিসংঘে মিয়ানমার বিষয়ে কোন মুক্ত আলোচনা হয়নি সেখানে ২৮ সেপ্টেম্বর তা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৫ আগষ্টের পর বিভিন্ন ফরম্যাটে নিরাপত্তা পরিষদে সাতটি সভা হয়েছে, বড় দুিট পরাশক্তির বিরুদ্ধ মতের পরেও যা অভূতপূর্ব। নিরাপত্তা পরিষদ হতে এ পর্যন্ত রেজ্যুলেশন হয়নি ঠিক, যার কারণ আপনারা জানেন, তবে প্রেসিডেন্সিয়াল স্টেটমেন্ট পর্যন্ত হয়েছে। এগুলো সবই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ক্রমাগ্রসরমান পদক্ষেপ। আমরা কাজ করতে গিয়ে দেখেছি কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আমাদের পক্ষে পরিবর্তিত হয়েছে।


আন্তর্জাতিক এ সংস্থায় বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিক্রমার বিস্তৃতি ও স্বীকৃতি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল আখ্যা দিয়েছেন। এরপর এসডিজি বাস্তবায়নে আমাদের অগ্রগতি উপস্থাপন করেছি। সবাই এর প্রশংসা করেছে। আমাদের নিজস্ব সম্পদ দিয়ে এসডিজি বাস্তবায়ন-প্রচেষ্টা বিশ্বমহলে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে।
‘সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ করে অটিজম, যুব উন্নয়ন,ড্রাগ ব্যবহার প্রতিরোধ, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজেবিলিটি, সামাজিক নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের অর্জন জাতিসংঘে নানাভাবে স্বীকৃত হয়েছে। জাতিসংঘে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহনের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি রক্ষা বিনির্মানে আমাদের অবদান সর্বজনবিদিত’-উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ।
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যা আন্তর্জাতিকীকরণের লক্ষ্যে বছরব্যাপী নানাবিধ কাজ করেছে বাংলাদেশ মিশন-এ তথ্য জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘের যেসকল রাষ্ট্র গণহত্যার শিকার হয়েছে তারা কিভাবে বিষয়টি আন্তর্জাতিকীকরণ করেছে এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতার কথা জেনেছি; তাদের সুপারিশ নিয়েছি; তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেছি এবং জাতিসংঘের গণহত্যা দিবস উদ্যাপনে অংশগ্রহন করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বাণী তাঁদেরকে প্রেরণ করেছি; এছাড়া গণহত্যা প্রতিরোধে জাতিসংঘ দফতরের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করেছি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাধারণ পরিষদের ভাষণে এই প্রথম বারের মত আমাদের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবী করেছেন যা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রভাব ফেলেছে।
রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, জাতিসংঘে বাংলাদেশ এখন অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বিভিন্ন কর্মকান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে। বিশেষ এক মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সীমিত সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে ধাবিত হচ্ছে কীভাবে, সেটি এখন অনেকের কাছেই বিস্ময়ের ব্যাপার।
জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ২০১৭ সালের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও অর্জনের বিষয়ে মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো: আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বছরব্যাপি চেষ্টা করেছি জাতিসংঘে আমাদের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম, অবদান বা অর্জনকে মিডিয়ার মাধ্যমে সর্বসাধারণের নিকট পৌঁছাতে। গতবছর আমাদের এ প্রচেষ্টা বিগত অনেকগুলো বছরের তুলনায় বেশী ছিল, এটি নিশ্বয়ই সকলে স্বীকার করবেন। আমাদের পক্ষ হতে আরও ভাল মিডিয়া আউটরীচ করা উচিত ছিল যা আমরা এবছর করার চেষ্টা করবো। আমরা এ বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি এবং আরও বেশী সহযোগিতা পাবার আশা রাখছি।’


‘রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আমাদের এ ইতিবাচক ভূমিকা জাতিসংঘসহ সর্বমহলে সমাদৃত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উদার দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে। বিশ্ব সম্প্রদায় বার বার বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। যা আমাদেরকে আরেকটি নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছে। কূটনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে অধিকতর মর্যাদার আসনে আসীন করেছে’-উল্লেখ করেন আরিফুল ইসলাম।
 উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক  আরিফুল ইসলামও গেল বছরের মিশনের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত -উল্লেখ করেন ২০১৮ সালকে স্বাগত জানিয়ে সাংবাদিকবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠাননিউইয়র্ক, ০২ জানুয়ারি ২০১৮ :     জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের ২০১৭ সালের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও অর্জনের বিষয়ে মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক মো: আরিফুল ইসলামের বক্তব্য প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ মিশনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও অর্জনসমূহ আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ পরিষদের ঐরময খবাবষ বিবশ –এ অংশগ্রহণঃ    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এবারের অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত সফল ও তাৎপর্যপূর্ণ, বিশেষ করে রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে। আমি সেটাতে পরে আসছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন বাবহঃ ংঢ়বপরভরপ অংশগ্রহনের বিষয়গুলো বিভিন্ন পষঁংঃবৎ-এর মধ্যে আমরা বিশদভাবে আলোচনা করবো। তবে সাধারণভাবে বলতে গেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণও, অন্যান্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকালে প্রদত্ত বক্তব্যে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার/ রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে সভায় বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেছেন যা সবার কাছে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যাঃ     ২৫ শে আগস্ট রাখাইন রাজ্যে সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটার পরপরই আমরা জাতিসংঘে এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করি যদিও আমরা প্রথম দিক সমস্যার ব্যাপ্তি এ পর্যায়ে যেতে পারে তা অনুধাবন করতে পারিনি। প্রথমদিকে আমরা নিউইয়র্কস্থ ঙওঈ ঈড়হঃধপঃ মৎড়ঁঢ় ড়হ জড়যরহমুধ গঁংষরস গরহড়ৎরঃু- এই ঢ়ষধঃভড়ৎস –টির মাধ্যমে সড়নরষরুধঃরড়হ ড়িৎশ শুরু করি। সৌদি আরবের চজ-এর নেতৃত্বে আমাদের চজসহ আরও কয়েকটি দেশের চজ একত্রে  জাতিসংঘের মহাসচিব, নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট এবং সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে তাঁদেরকে সমস্যার বিষয়ে অবহিত করেন এবং এর সমাধানে তাঁদের উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান। আমাদের চজ নিজেও জাতিসংঘের মহাসচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলাদাভাবে দেখা করা শুরু করেন। আমরা এরপর বিষয়টি ঙওঈ ঈড়হঃধপঃ এৎড়ঁঢ় হতে মূল ঙওঈ এৎড়ঁঢ় এর মধ্যেও জোরেসোরে উত্থাপন ও আলোচনা শুরু করি। ফলশ্রæতিতে বিষয়টি জাতিসংঘের বিভিন্ন পর্যায়ে এবং বৃহত্তর পরিসরে আলোচনায় আসতে শুরু করে। জাতিসংঘের মহাসচিবের রোহিঙ্গা বিষয়ে শক্ত অবস্থান এবং তাঁর নিজস্ব উদ্যোগ এÿেত্রে একটি বিরাট নিয়ামক হিসাবে কাজ করে।আমরা একই সাথে রোহিঙ্গা সমস্যাটি নিরাপত্তা পরিষদে নিয়ে যাবার প্রচেষ্টা চালাতে থাকি এবং এর অংশ হিসেবে নিরাপত্তা পরিষদের বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের এবং মাসওয়ারী প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করে তাঁদের ংবহংরঃরুব করার চেষ্টা চালাতে থাকি। ফলশ্রæতিতে ঘটনার ৫ দিনের মধ্যেই ৩০ শে আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের একটি পষড়ংবফ সববঃরহম -এ বিষয়টি নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা হয়। জাতিসংঘে মহাসচিব নিজেও বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে নিরাপত্তা পরিষদকে ০২ সেপ্টেম্বর একটি চিঠি পাঠান যা ছিল অত্যন্ত বিরল পদÿেপ।  আমাদের অব্যাহত ড়ঁঃৎবধপয -এর কারণে ১৩ সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা পরিষদের আরেকটি সভায় রোহিঙ্গা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং সভা শেষে প্রথমবারের মত নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে পড়সসড়হ ঢ়ৎবংং বষবসবহঃ নিয়ে কথা বলেন।নিরাপত্তা পরিষদের পাশাপাশি আমরা জাতিসংঘের আসন্ন ৭২তম সাধারণ পরিষদের ঐরময খবাবষ বিবশ –এ বিশ্ব নেতৃত্বের উপস্থিতির সুযোগ নিয়ে রোহিঙ্গা বিষয়ে বিশ্ব জনমত তৈরীর পরিকল্পনা করি। সে মোতাবেক আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক অবস্থানকে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহারের চেষ্টা চালাই।

আপনারা জানেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাধারণ পরিষদের বক্তৃতায় মর্মস্পর্শীভাবে রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরেন এবং এ সমস্যা সমাধানে করণীয় ৫টি পদÿেপ প্র¯Íাব করেন। প্র¯Íাবগুলো আন্তর্জাতিক মহলে অত্যন্ত সমাদৃত হয় এবং জাতিসংঘ মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক মহল কর্তৃক মিয়ানমারের নিকট উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে এই ৫টি প্র¯Íাবের সবগুলোরই সরাসরি প্রতিফলন দেখা যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১৯ শে সেপ্টেম্বর ঙওঈ ঈড়হঃধপঃ এৎড়ঁঢ় ঝঁসসরঃ ষবাবষ সববঃরহম -এ অংশগ্রহণ ও বক্তব্য প্রদান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল, কারণ ঐ সভাতেই একাট ঙওঈ উবপষধৎধঃরড়হ গৃহিত হয় এবং আমাদের প্রচেষ্টায় তাতে জাতিসংঘের তৃতীয় কমিটির আওতায় মিয়ানমারের উপর রেজুলেশনটি গ্রহণের প্র¯Íাব আসে। এরই ভিত্তিতে ঙওঈ এর পÿ হতে রেজুল্যেশনটি পুনরুজ্জীবিত করা হয়। আপনারা জানেন আগে এই রেজুলেশনটি ঊট-এ উপস্থাপন করতো  কিন্তু এ বছর তারা এতে আগ্রহী ছিল না।    আপনারা জানেন জাতিসংঘের তৃতীয় কমিটিতে মিয়ানমারের উপর রেজ্যুলেশনটি বিপুল ভোটে পাশ হয়েছে। এ রেজুলেশনের মাধ্যমে জাতিসংঘ মহাসচিব একজন ঝঢ়বপরধষ ঊহাড়ু নিযুক্ত করবে যিনি জাতিসংঘের পÿ হতে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ফবফরপধঃবফ ভাবে কাজ করবেন। ২০১১ সাল হতে এ অবধি এ ধরনের যতগুলো ঈড়ঁহঃৎু ঝঢ়বপরভরপ রেজুল্যেশন গৃহিত হয়েছিল তার মধ্যে এ রেজুলেশনটির পÿে সর্বোচ্চ হ্যাঁ’ ভোট এবং সর্বনি¤œ না’ ভোট এবং সর্বনি¤œÂ  ধনংঃবহঃরড়হ (ভোটদানে বিরত থাকে) হয়েছে যা বিশ্ব জনমতের একটি জোরালো প্রতিফলন। ক্রিসমাসের আগের দিন সাধারণ পরিষদে এ রেজুলেশনটির চূড়ান্ত অফড়ঢ়ঃরড়হ হয়েছে। এটি আরও একটি মাইলফলক। এর পিছনে আমাদের ব্যাপক তৎপরতা ছিল। আমাদেরকে অত্যন্ত কঠিন নেগোশিয়েশন এর মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে; অনেক ধরনের পড়সঢ়ৎড়সরংব করতে হয়েছে; ৎরংশ নিয়ে ৎবফ ষরহব অবস্থানে স্থির থাকতে হয়েছে; ঝঢ়বপরধষ ঊহাড়ু এর অফিসের নঁফমবঃ নিয়ে নেগোশিয়েট করতে হয়েছে; বহু সদস্য রাষ্ট্রের নিকট, ৎবমরড়হধষ মৎড়ঁঢ় এর নিকট ধর্ণা দিতে হয়; তাদেরকে সমস্যাটি ব্যাখ্যা করতে হয়; ঈড়ঁহঃৎু ঝঢ়বপরভরপ জবংড়ষঁঃরড়হ- এ অনেকেরই অনংঃবহঃরড়হ এর নীতিগত অবস্থান থাকে সেটি বদলানো খুব কঠিন; তারপরও আমরা কয়েকটি দেশের ÿেত্রে সেটা করে দেখিয়েছি।  এবার নিরাপত্তা পরিষদে আমাদের অর্জনের দিকে ফিরে তাকাই। আপনারা জানেন যেখানে ২০০৯ সাল হতে জাতিসংঘে মিয়ানমার বিষয়ে কোন ড়ঢ়বহ ফবনধঃব হয়নি সেখানে ২৮ শে সেপ্টেম্বর তা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২৫ শে আগষ্টের পর বিভিন্ন ভড়ৎসধঃ-এ নিরাপত্তা পরিষদে সাত সাতটি সভা হয়েছে, বড় দুিট পরাশক্তির বিরুদ্ধ মতের পরেও যা অভূতপূর্ব। নিরাপত্তা পরিষদ হতে এ পর্যন্ত রেজুলেশন হয়নি। এটা ঠিক, যার কারণও আপনারা জানেন। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদ একটি চৎবংরফবহঃরধষ ঝঃধঃবসবহঃ গ্রহণ করেছে। এগুলো সবই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ক্রমাগ্রসরমান পদÿেপ। মিয়ানমার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আজ সুস্পষ্টভাবে পÿে -যা এ পর্যায়ে আনতে আমাদের অনেক কাজ করতে হয়েছে। ২৫ শে আগস্ট এর পর হতে রোহিঙ্গা বিষয়ে আমাদের বিভিন্ন ধরণের কৌশলগত কার্যক্রম গ্রহণ করতে হয়েছে। সময়াভাবে তার সবটুকু আপনাদের বলা যাচ্ছে না। মোটাদাগে আমাদের কার্যক্রম ছিল ঃ আমরা জাতিসংঘে যে ফোরামেই সুযোগ পেয়েছি রোহিঙ্গা বিষয় নিয়ে কথা বলেছি বা বলার সুযোগ করে নিয়েছি; যেখানে মিয়ানমার কথা বলেছে আমরা তার প্রত্যুত্তর দিয়েছি; মিয়ানমারের ঢ়ৎড়ঢ়ধমধহফধ সধপযরহবৎু যে বিশাল সরংরহভড়ৎসধঃরড়হ পধসঢ়ধরমহ চালিয়েছে এবং যা এখনো চালিয়ে যাচ্ছে সেগুলো ভুল প্রমাণ করতে সদস্য রাষ্ট্রের নিকট আমরা রোহিঙ্গা সংকটের বস্তুনিষ্ট বিবরণী ও সঠিক তথ্য ও উপাত্ত বিতরণ করেছি; আমরা নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেছি এবং তাদের প্রত্যেকের অবস্থানের নিরিখে পঁংঃড়সরুবফ ভাবে আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি; জাতিসংঘে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে সাইড ইভেন্ট করেছি; এ সময়কালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অন্যান্য যত ঐরময ষবাবষ ফরমহরঃধৎু ঢাকা থেকে এসেছেন; যেমনঃ মাননীয় স্পীকার , মাননীয় অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডাঃ দীপু মনি, এমপি, তাঁদেরকে জাতিসংঘ মহাসচিব ও অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে সাথে রোহিঙ্গা বিষয় নিয়ে বৈঠক করিয়েছি; মহাসচিব বারং বারই আমাদের সময় দিয়েছেন; জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি ও প্রতিনিধিদলকে আমরা কক্সবাজার সফর করিয়েছি; তাঁরা স্বচÿে রোহিঙ্গাদের অবস্থা দেখে তার উপর বিবৃতি দিয়েছেন, মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করেছেন; ফলশ্রæতিতে রোহিঙ্গাদের পÿে জনমত সুদৃঢ় হয়েছে। অনেক সদস্য রাষ্ট্রকে তাঁদের বহুপাÿিক স্বার্থসংশিøষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সমর্থন দিয়েছি।

সাধারণ অধিবেশন ও নিরাপত্তা পরিষদে আমাদের এ নিরন্তর,  কৌশলী ও দ্বিমুখী ড়ঁঃৎবধপয শুধু নিউইয়র্কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। আমরা বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশী দূতাবাসসমূহ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত আমাদের মিশনগুলোকে এ জন্য কাজে লাগিয়েছি। জেনেভাতে ঐঁসধহ জরমযঃ ঈড়ঁহপরষ এ মিয়ানমারের উপর একটি সেশন ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানেও একটি রেজ্যুলেশন বিপুল ভোটে গৃহীত হয়েছে। জেনেভাতে আমাদের স্থায়ী মিশন এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এজন্যই রোহিঙ্গা সমস্যা জাতিসংঘে এবার এতটা ঐরমযষরমযঃবফ হয়েছে।     এ সবই সম্ভব হয়েছে আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি ঙওঈ, সৌদিআরব, তুরস্ক এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের জোরালো সমর্থনের কারণে। এবারের রোহিঙ্গা সমস্যা সম্ভবতঃ স্বাধীনতার পর আমাদের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং আমাদের সাধ্যমত এটি মোকাবেলায় আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ পর্যন্ত যে সাফল্য আমরা পেয়েছি তা অত্যন্ত আশাপ্রদ ও গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু যথেষ্ট নয়। জাতিসংঘের ও আন্তর্জাতিক মহলের সজাগ নজর ও সহানুভুতি আমরা এ সমস্যার উপর বজায় রাখতে এ পর্যন্ত আমরা সফলকাম হয়েছি। কিন্তু চূড়ান্ত সফলতা আসবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মধ্য দিয়ে। সে লÿ্যে আমাদের প্রচেষ্টা নতুন বছরে চলমান থাকবে। উন্নয়নঃজাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল আখ্যা দিয়েছিলেন। আমরা ঝউএ বা¯Íবায়নের দ্বিতীয় বছরেই অর্থ্যাৎ গত এপ্রিল এ অনুষ্ঠিত ঐরময ষবাবষ ঢ়ড়ষরঃরপধষ ঋড়ৎঁস -এ ঠড়ষঁহঃধৎু ঘধঃরড়হধষ জবারবি অংশগ্রহণ করে এসডিজি বা¯Íবায়নে আমাদের অগ্রগতি উপস্থাপন করেছি। সবাই এর প্রশংসা করেছে। আমাদের নিজস্ব ৎবংড়ঁৎপব দিয়ে এসডিজি বা¯Íবায়ন প্রচেষ্টা বিশ্বমহলে বিশেষ সমাদৃত হয়েছে। সামাজিক ÿেত্রে বিশেষ করে অটিজম, যুব উন্নয়ন, ড্রাগ ব্যবহার প্রতিরোধ, নারীর ÿমতায়ন, ফরংধনরষরঃরবং, সামাজিক ংধভবঃু হবঃ ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের অর্জন জাতিসংঘে নানাভাবে স্বীকৃত হয়েছে। জাতিসংঘে শান্তিরÿা কার্যক্রমে অংশগ্রহনের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি রÿা বিনির্মাণে আমাদের অবদান সর্বজন বিদিত। আমরা  আগামী  মার্চ মাসে  টঘ ঈড়সসরঃঃবব ভড়ৎ উবাবষড়ঢ়সবহঃ চড়ষরপু (ঈউচ) এর জবারবি সববঃরহম -এ খউঈ ঈধঃধমড়ৎু হতে উত্তরণের তিনটি পৎরঃবৎরধ ই পূরণ করে খউঈ ঈধঃবমড়ৎু হতে বের হবার আশা করছি। এটি আমাদের আসামান্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ফলশ্রæতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ ও ভিশন-২০৪১ বা¯Íবায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এৎধফঁধঃরড়হ পরবর্তী চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলাতে যেন খউঈ-রা প্রয়োজনীয় সহায়তা পায় সে বিষয়ে সোচ্চার আছি। খউঈ-র পযধরৎ হিসেবে আমরা ২০৩০ এষড়নধষ উবাবষড়ঢ়সবহঃ অমবহফধ ও ঝউএ বা¯Íবায়নে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের স্বার্থ সংরÿণের বিষয়ে সোচ্চার ভ‚মিকা পালন করছি। খউঈ দের চাহিদা যেমনঃ ভরহধহপরহম, ঙউঅ, ভড়ৎবরমহ ঃৎধফব, ঋউও, ঃবপযহড়ষড়মু-র কথা জাতিসংঘ ও আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে তুলে ধরছি। আমাদের পযধষষবহমব গুলোর কথা , আমাদের পড়হপবৎহ গুলোর কথা তুলে ধরছি এবং এগুলোর সমাধানে উন্নতবিশ্বের সহায়তা কামনা করছি। খউঈ দের জন্য ঃবপযহড়ষড়মু ইধহশ টির কার্যক্রম শুরু করার পেছনে আমাদের নেতৃস্থানীয় ভূমিকা ছিল যা সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট তাঁর বক্তব্য উলেøখ করেছেন। কাজেই বান কি মুনের মন্তব্যের সত্যতার স্বাÿর আমরা ক্রমাগতভাবেই বিশ্ব দরবারে রেখে যাচ্ছি। নিরস্ত্রীকরণঃ আপনারা জানেন নিরস্ত্রীকরণের ÿেত্রে বিশেষ করে পারমানবিক নিরস্ত্রীকরণে বিগত অনেকগুলো বছরে তেমন কোন অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছিল না। এ নিরিখে গত বছর জাতিসংঘে ‘ঞৎবধঃু ড়হ চৎড়যরনরঃরড়হ ড়ভ ঘঁপষবধৎ ডবধঢ়ড়হং’ গৃহীত হওয়া একটি উলেøখযোগ্য অর্জন এবং বাংলাদেশ এর ঘবমড়ঃরধঃরড়হ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করে। নিরস্ত্রীকরণে আমাদের নীতিগত অবস্থানের প্রেÿিতে আমরা গত সেপ্টেম্বরে এ চুক্তিটি স্বাÿর করেছি। আমরা এরূপ প্রথম ৫০টি দেশের মধ্যে একটি। আমরা নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে গত বছর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত সকল সভা ও নেগোসিয়েশনে সক্রিয় অবদান রেখেছি।শান্তিরÿা কার্যক্রমঃ গত বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশ ঞৎড়ড়ঢ়ং/চড়ষরপব ঈড়হঃৎরনঁঃরহম ঈড়ঁহঃৎরবং গুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। বর্তমানে আমাদের ঢ়বধপবশববঢ়বৎং-দের সংখ্যা ৭৩৭২।

চবধপবশববঢ়রহম–এ যে তীব্র প্রতিযোগিতা তা সত্তে¡ও আমাদের এ অবস্থান এটি বাংলাদেশের ঢ়বধপবশববঢ়বৎং-দের উপর জাতিসংঘের আস্থারই স্বীকৃতি। আমাদের নারী ঢ়বধপবশববঢ়বৎং-দের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে; ঢ়বধপবশববঢ়বৎং– সÿমতা বৃদ্ধি পেয়েছে; আমাদের ফবঢ়ষড়ুসবহঃ ৎবধফরহবংং বৃদ্ধি পেয়েছে; আমরা একমাত্র দেশ যারা ৬০ দিনের মধ্যে বিশ্বের যেকোন প্রতিকুল পরিস্থিতিতে আমাদের ঢ়বধপবশববঢ়বৎং-দের মোতায়নে সÿম; শান্তিরÿা মিশনে অসামান্য নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখায় গত বছর ঝবীঁধষ ঊীঢ়ষড়রঃধঃরড়হ ধহফ ধনঁংব এ আমাদের কোন ঢ়বধপবশববঢ়বৎং–অভিযুক্ত হয়নি। মিশনের পÿ হতে আমরা জাতিসংঘের সংশিøষ্ট অফিসগুলোতে সর্বদাই কোন ড়ঢ়বহরহম তৈরি হলে সেখানে আমাদের ঢ়বধপবশববঢ়বৎং-দের নেওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাতে থাকি। নিরাপত্তা পরিষদে, যেখানে চবধপবশববঢ়রহম গরংংরড়হ মিশনগুলো খোলা বা বন্ধ এদের সধহফধঃব ৎবারবি এবং নবায়ন ইত্যাদি বিষয়ে ংঃৎধঃবমরপ ও ঢ়ড়ষরপু ফবপরংরড়হ নেয়া হয় সেখানে ঞৎড়ড়ঢ়ং/চড়ষরপব ঈড়হঃৎরনঁঃরহম ঈড়ঁহঃৎু হিসেবে আমরা আমাদের চবধপবশববঢ়বৎং -দের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পÿে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালিয়েছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চবধপবশববঢ়রহম এ নঁফমবঃ হ্্রাসের প্রভাব উপশমে কাজ করি। আমাদের চবধপবশববঢ়বৎং-দের সার্বিক সÿমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মিশনের এ সংক্রান্ত কার্যক্রম বাংলাদেশকে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ১টি ঋড়ৎপব পড়সসধহফধৎ ও ৪ টি ঝবপঃড়ৎ ঈড়সসধহফধৎ পদে অধিষ্ঠিত আছে। সদরদপ্তরে ৯জন বাংলাদেশের কর্মকর্তা কর্মরত আছেন। এ বছর আমাদের দুজন জেল কর্মকর্তা শান্তিরÿা মিশনে প্রেরিত হয়েছে। শান্তিরÿা মিশনে বাংলাদেশের দুজন নারী বৈমানিক নিযুক্ত হয়েছে যা জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথম। গত বছর বেশ কয়েকটি মিশনে ঃবৎৎড়রংঃ ধহফ হড়হ-ংঃধঃব ধপঃড়ৎং এর হাতে চবধপবশববঢ়বৎং দের মৃত্যু হয়। যার মধ্যে বেশ কজন বাংলাদেশী চবধপবশববঢ়বৎ ছিলেন। আমরা আমাদের চবধপবশববঢ়বৎং দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের বিষয়টিও জোরালোভাবে চবধপবশববঢ়রহম ঙঢ়বৎধঃরড়হ এর চড়ষরপু ফরংপঁংংরড়হ এ তুলে ধারি। আমরা গত বছর ঘড়াবসনবৎ এ ঠধহপড়াঁবৎ এ চবধপবশববঢ়রহম–এর  গরহরংঃবৎরধষ গববঃরহম অংশগ্রহন করি এবং চবধপবশববঢ়রহম ঙঢ়বৎধঃরড়হ এ ঈযরষফ ঝড়ষফবৎ জবপৎঁরঃসবহঃ বিষয়ক ঠধহপড়াঁধৎ চৎরহপরঢ়ধষ বহফড়ৎংব করি। ঠধহপড়াঁবৎ ঈড়সসঁহরয়ঁব উৎধভঃরহম এ অবদান রাখি। এই গরহরংঃবৎরধষ গববঃরহম এর একটি প্রস্তুতিমূলক সভা যার প্রতিপাদ্য ছিল ঝসধৎঃ চষবফমব' ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। আমরা জাতিসংঘ মহাসচিবের ৯ চড়রহঃ জবভড়ৎস অমবহফধ তেও সমর্থন প্রদান করি।চবধপবনঁরষফরহম, ঈড়হভষরপঃ ঢ়ৎবাবহঃরড়হ এবং নিরাপত্তাঃ আমরা জাতিসংঘ মহাসচিবের 'ঝঁৎমব ওহ চবধপব উরঢ়ষড়সধপু' প্রচেষ্টাকে সর্বোত সমর্থন দিয়ে গেছি।শান্তি ও নিরাপত্তা জাতিসংঘের তিনটি মূল ভিত্তির একটি। এই ভিত্তিটি আরও শক্তিশালী করতে বর্তমানে ঈড়হভষরপঃ ঢ়ৎবাবহঃরড়হ, ঢ়বধপবশববঢ়রহম এর পাশাপাশি ংঁংঃধরহরহম ঢ়বধপব শীর্ষক একটি নতুন কনসেপ্ট নিয়ে কাজ চলছে। আমরা এর ঘবমড়ঃরধঃরড়হ এ অবদান রেখেছি। শান্তিরÿা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, শান্তি বির্নিমানে ঢ়বধপবনঁরষফরহম পড়সসরংংরড়হ, ঢ়বধপবনঁরষফরহম ভঁহফ এ আমাদের অবদান, নিরাপত্তা পরিষদসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন আলোচনায় এবং বিভিন্ন এৎড়ঁঢ়ং ড়ভ ঋৎরবহফং এর মাধ্যমে আমরা    ঝঁংঃধরহরহম চবধপব এর ঈড়হপবঢ়ঃ টিকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং জাতিসংঘের  চবধপব ধহফ ঝবপঁৎরঃু চরষষধৎ টিকে জোরদার করছি এবং ঝঁংঃধরহধনষব উবাবষড়ঢ়সবহঃ, ঐঁসধহ জরমযঃং এবং ঝঁংঃধরহরহম চবধপব এর মধ্যে একটি পরিপূরক যোগসূত্র স্থাপনে সহায়তা করছি। এ বছরের এপ্রিল মাসে সাধারণ পরিষদে ঝঁংঃধরহরহম চবধপব এর উপর অনুষ্ঠিতব্য একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে এবং বাংলাদেশ এটি অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখছে। চবধপব ইঁরষফরহম ঈড়সসরংংরড়হ -এর সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ এ কমিশনটিকে আরো শক্তিশালী করতে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। আমরা চবধপব ইঁরষফরহম ঈড়সসরংংরড়হ -এর এবহফবৎ ঝঃৎধঃবমু'এর ঈড়-ঋড়পধষ চড়রহঃ. টঘ জবভড়ৎস ঃ নতুন মহাসচিব দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতিসংঘের জবভড়ৎস এর উপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। চবধপব ধহফ ঝবপঁৎরঃু অৎপযরঃবপঃঁৎব ছাড়াও ওহঃবৎহধষ গধহধমবসবহঃ জবভড়ৎস এবং টঘ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ঝুংঃবস জবভড়ৎস এ তিনটি মূলধারায় জবভড়ৎস এর প্র¯Íাবনা আলোচিত হচ্ছে। জবভড়ৎস এ বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশসমূহের স্বার্থ রÿিত হয় সেদিকে লÿ্য রেখে এ প্রক্রিয়াটিতে আমরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছি এবং মহাসচিবের উদ্যোগে সহায়তা প্রদান করে চলছি। জবভড়ৎস এর উদ্যোগের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের ইতিবাচক ধষরমহসবহঃ টিকে শক্তিশালী করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৭২তম সাধারণ পরিষদের ঐরময ষবাবষ বিবশ এ প্রেসিডেন্ট ঞৎঁসঢ় আয়োজিত টঘ গধহধমবসবহঃ জবভড়ৎস এর চড়ষরঃরপধষ উবপষধৎধঃরড়হ এ সামিল হন। ঈড়ঁহঃবৎরহম ঞবৎৎড়ৎরংস ধহফ চৎবাবহঃরহম ঠরড়ষবহঃ ঊীঃৎবসরংসঃ আমরা এ বিষয়ে জাতিসংঘের সকল সংশিøষ্ট ফোরামে সক্রিয় আছি। আমরা এ বিষয়ে জাতিসংঘের নতুন সৃষ্টি ঙভভরপব ড়ভ ঈড়ঁহঃবৎ ঃবৎৎড়ৎরংস ছাড়াও জাতিসংঘের বিভিন্ন ঈড়ঁহঃবৎঃবৎৎড়ৎরংস ঊহঃরঃরবং এর সঙ্গে অনেকদিন ধরেই নিবিড়ভাবে কাজ করছি। তাদের ঞবধস কে বাংলাদেশে সফর করাচ্ছি; ঈধঢ়ধপরঃু নঁরষফরহম এ তাদের সহায়তা নিচ্ছি। এ বিষয়ে আমাদের দেশে যে কাজগুলো হচ্ছে সেগুলো তাদের অবহিত করছি; আমাদের  ডযড়ষব ড়ভ ঝড়পরবঃু ধঢ়ঢ়ৎড়ধপয  কিভাবে কাজ করছে তা বোঝানোর জন্য শোলাকিয়া ইমাম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদকে জাতিসংঘে এনে এ বিষয়ক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে বৈঠক করিয়েছি। এ সবই আমাদের বিষয়ে ভুল ধারণা নিরসনে বিশেষ কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।জলবায়ু পরিবর্তনঃ     চধৎরং অমৎববসবহঃ হতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার নিঃসন্দেহে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বৈশ্বিক প্রচেষ্টার জন্য একটি বিরাট ঝবঃনধপশ। বিশেষ করে বাংলাদেশের মত ঈষরসধঃব াঁষহবৎধনষব উন্নয়শীল দেশের জন্য। তবে একটি মাত্র দেশের অনুপস্থিতিতে হতোদ্যম না হয়ে জাতিসংঘের অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্রদের সঙ্গে নিয়ে সামষ্টিকভাবে চধৎরং অমৎববসবহঃ বা¯Íবায়নের বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রæতিবদ্ধ এবং এজন্য জাতিসংঘের সকল সংশিøষ্ট ফোরামে আমরা সোচ্চার আছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ঐরময ষবাবষ বিবশ এ অনুষ্ঠিত ঝঁসসরঃ ড়হ এষড়নধষ চধপঃ ভড়ৎ ঃযব ঊহারৎড়হসবহঃ এ অংশগ্রহণ করেন। এর পর পরই তিনি আবার প্যারিসে অনুষ্ঠিত ঙহব চষধহবঃ ঝঁসসরঃ এ অংশগ্রহণ করেন। জাতিসংঘে মহাসচিবের ঐরময ষবাবষ চধহবষ ড়হ ডধঃবৎ এ সদস্য হিসেবে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব নিরসনে ডধঃবৎ ঝঁংঃধরহধনরষরঃু এর উপর জোর দিয়েছেন। এ সবই  চধৎরং অমৎববসবহঃ বা¯Íবায়নে আমাদের দৃঢ় অঙ্গিকারের প্রতিফলন। অভিবাসনঃ আপনারা জানেন গরমৎধঃরড়হ বিষয়ে আমরা

জাতিসংঘে অন্যতম সোচ্চার দেশ। এষড়নধষ ঈড়সঢ়ধপঃ ড়হ গরমৎধঃরড়হ এর ঈড়হংঁষঃধঃরাব চযধংব এবং চৎবঢ়ধৎধঃড়ৎু চযধংব এ আমরা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের অভিবাসীদের মানবাধিকারসহ অন্যান্য অধিকার নিশ্চিত করার লÿ্যে ৎরমযঃং ধহফ বিষভধৎব নধংবফ রংংঁবং, সরমৎধঃরড়হ মড়াবৎহধহপব, যঁসধহ সড়নরষরঃু, সরীবফ ভষড়ি ড়ভ ঢ়বড়ঢ়ষব এ বিষয়গুলোর উপর জোর দিয়েছি। নিউইয়র্কে ঋৎরবহফং ড়ভ গরমৎধঃরড়হ এৎড়ঁঢ় এর প্রতিষ্ঠাতা ঈড়-ঈযধরৎ হিসেবে আমরা বছর ব্যাপী আমরা এ গ্রæপের নিয়মিত সভা আয়োজন করেছি, আমরা মষড়নধষ পড়সঢ়ধপঃ বিষয়ে আমাদের মতামত/ প্রত্যাশার কথা জানিয়েছি; এষড়নধষ ঈড়সঢ়ধপঃ যেন একটি অর্থবহ ধপঃরড়হ ড়ৎরবহঃবফ ধহফ ভড়ৎধিৎফ ষড়ড়শরহম সবপযধহরংস হিসেবে আর্বিভূত হয় সেজন্য জনমত প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা করেছি; আমরা ঈরারষ ঝড়পরবঃু, অপধফবসরধ ধহফ ইঁংরহবংং ঈড়সসঁহরঃু’র সঙ্গেও সভা করে তাঁদের মাধ্যমে বিভিন্ন মতামত উপর্যুক্ত দু’টি  ঢ়যধংব এ অর্ন্তভুক্ত করার চেষ্টা করেছি। বিভিন্ন  থিমেটিক বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণঃ   ঝঁংঃধরহধনষব উবাবষড়ঢ়সবহঃ নিশ্চিতকরণে সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠু সংরÿণ ও টেকসই ব্যবহার এবং ঈড়সসড়হ ঐবৎরঃধমব ড়ভ গধহশরহফ এর মানবকল্যাণে ব্যবহার নিশ্চিতকরণ বিষয়ে আইনগত বিধিবিধান ও ঘড়ৎস ঝবঃঃরহম এর কাজ জাতিসংঘে চলছে। এর অংশ হিসেবে গত বছর প্রথম ঙপবধহ ঝঁসসরঃ অনুষ্ঠিত হয়। আমরা খউঈ এর পÿ হতে এ প্রক্রিয়াগুলোর ঘবমড়ঃরধঃরড়হ ও অংশগ্রহণ করেছি যাতে আমাদের স্বার্থ রÿিত হয়, আমাদের  ষধপশ ড়ভ পধঢ়ধপরঃু–র কারণে যেন আমরা সামুদ্রিক সম্পদের ভান্ডার হতে বঞ্চিত না হই। এছাড়া আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় সমুদ্র তলদেশে সধৎরহব সরহবৎধষং উত্তোলন বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিধি বিধান তৈরীতেও আমরা অংরধ চধপরভরপ মৎড়ঁঢ় এর  পড়ড়ৎফরহধঃড়ৎ হিসেবে কাজ করি। গণহত্যাঃ আমাদের ১৯৭১ সালে সংঘটিত গণহত্যা আন্তর্জাতিকীকরণের লÿ্যে আমরা বছরব্যাপী নানাবিধ কাজ করেছি। জাতিসংঘের যেসকল রাষ্ট্র গণহত্যা শিকার হয়েছে তারা কিভাবে বিষয়টি আন্তর্জাতিকীকরণ করেছে এ বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতার কথা জেনেছি; তাদের সুপারিশ নিয়েছি; তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি এবং জাতিসংঘের গণহত্যা দিবস উদ্যাপনে অংশ নিয়েছে; আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বাণী তাঁদেরকে প্রেরণ করেছি; টঘ ঙভভরপব ড়ভ এবহড়পরফব চৎবাবহঃরড়হ এর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রÿা করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাধারণ পরিষদের ভাষণে এই প্রথমবারের মত আমাদের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবী করেছেন যা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ প্রভাব ফেলেছে। নিরাপত্তা পরিষদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণঃ আমরা রোহিঙ্গা ইস্যু, ডড়সবহ, চবধপব ্ ঝবপঁৎরঃু এবং ণড়ঁঃয, চবধপব ্ ঝবপঁৎরঃু ছাড়াও নিরাপত্তা পরিষদ আয়োজিত প্রায় সকল উন্মুক্ত আলোচনাতেই অংশগ্রহন করেছি এবং বক্তব্য দিয়েছি। ঈঁষঃঁৎব ড়ভ চবধপব জবংড়ষঁঃরড়হ: এ বার্ষিক ঋষধমংযরঢ় জবংড়ষঁঃরড়হ টি এ বছর আবারও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পর পর ১৮ টি বছর ধরে এ অফড়ঢ়ঃরড়হ শান্তি বিনির্মানে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদানেরাই স্বীকৃতি। আমরা এবছর এ রেজুলেশনটিতে ঝঁংঃধরহরহম চবধপব এবং ঈঁষঃঁৎব ড়ভ চবধপব এর মধ্যকার পরিপূরক যোগসূত্রের বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করেছি।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:আমরা গত বছর প্রথম জাতিসংঘে ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করি। এতে বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের কুটনীতিক, জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বহুভাষাবিদগণ অংশগ্রহণ করেন। সাধারণ পরিষদের গঁষঃর-ষরহমঁধষরংস শীর্ষক একটি রেজুলেশনেও আমাদের প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের উলেøখ করা হয়।নির্বাচনঃ সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্তি মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব টঘ ঈড়সসরঃঃবব ড়হ ঃযব জরমযঃং ড়ভ অষষ গরমৎধঃব ডড়ৎশবৎং ধহফ গবসনবৎং ড়ভ ঃযবরৎ ঋধসরষরবং (ঈগড) -এ ৪ বছরের জন্য পুনঃনির্বাচিত হন। এটি বাংলাদেশের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার আরেকটি স্বীকৃতি।চঁনষরপ উরঢ়ষড়সধপু:বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরার জন্য আমরা বছরব্যাপি জাতিসংঘে  বিভিন্ন বিষয়ে যেমন: গরমৎধঃরড়হ, অঁঃরংস, ঝউএ বা¯Íবায়ন, সমুদ্র সম্পদের সংরÿণ ও টেকসই ব্যবহার নিয়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন ঊহঃরঃু এবং জবহড়হিবফ ঞযরহশ ঞধহশ -দের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন বাবহঃ আয়োজন করেছি। নিউইয়র্কভিত্তিক বিভিন্ন ঞযরহশ ঞধহশ -গুলোর সঙ্গেও আমরা আমাদের ঙঁঃৎবধপয বৃদ্ধি করেছি।২০১৮ সালে জাতিসংঘের জন্য সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ঃ১। কিছু কিছু রাষ্ট্রের বহুপাÿিক ক‚টনীতি হতে সরে আসা এবং আসার ইঙ্গিত;২। জাতিসংঘে বাজেট হ্রাস;৩। ঝউএ বা¯Íবায়নে অর্থায়নের অপ্রতুলতা।মিডিয়া যোগসুত্রঃ আমরা বছরব্যাপি চেষ্টা করেছি জাতিসংঘে আমাদের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম, অবদান বা অর্জনকে আপনাদের নিকট পৌঁছাতে বা সেগুলো আপনাদের দ্বারা পড়াবৎ করাতে। গতবছর আমাদের এ প্রচেষ্টা বিগত অনেকগুলো বছরের তুলনায় বেশী ছিল, এটি নিশ্বয়ই আপনারা স্বীকার করবেন। আমাদের পÿ হতে আরও ভাল সবফরধ ড়ঁঃৎবধপয করা উচিত ছিল যা আমরা এবছর করার চেষ্টা করবো। আমরা এ বিষয়ে আপনাদের সহযোগিতা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি এবং আরও বেশী সহযোগিতা পাবার আশা রাখছি।  রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আমাদের এ ইতিবাচক ভূমিকা জাতিসংঘসহ সর্বমহলে সমাদৃত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের ÿেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ও দায়িত্বশীল পদÿেপ উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্তে¡ও বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উদার দেশ হিসেবে পরিচিত করেছে। বিশ্ব সম্প্রদায় বার বার বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। যা আমাদেরকে আরেকটি নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করেছে। কূটনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে অধিকতর মর্যাদার আসনে আসীন করেছে।


Add comment


Security code
Refresh