Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

হাসির খোরাক এমন! তাই বলে ‘নো প্যান্টস ডে’!

শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : হাসির হাজারো খোরাক থাকে। তা বলে এভাবে নো-প্যান্টস ডে! কেউ বিশ্বাস করুন বা না করুন, ইউরোপ-আমেরিকায় প্রবলভাবে জনপ্রিয় এই সেলিব্রেশন। গত রবিবার বিশ্বের ৬০টি দেশজুড়ে পালিত হল এই ‘নো-প্যান্টস ডে’। লন্ডন থেকে নিউ ইর্য়ক, পোল্যান্ড, চেকোস্লোভাকিয়ায় প্যান্ট না পরেই শুধুমাত্র অন্তর্বাস পরে মেট্রো রেলে চড়লেন হলেন কয়েক লাখ মানুষ।

Picture

গত রবিবার, ৭ জানুয়ারি ছিল নবম ‘নো-প্যান্টস ডে’
১৬ বছর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ‘নো প্যান্টস ডে’ চালু হয়েছিল। এবার ছিল নবম ‘নো প্যান্টস ডে’। এবার বিশ্ব জুড়ে মোট ৬৬০০টি শহরে পালিত হয়েছে এই উৎসব।

হাসির খোরাক জোগাতেই এমন আজব উৎসব
মানুষ হাসতে ভুলে যাচ্ছে। তাই এমন মজাদার এবং অভিনব উৎসবের চল শুরু হয়েছিল।

alt

এই উৎসবে লন্ডন এখন সবার আগে
প্রতি বছরই লন্ডনের অগুনিত মানুষ ‘নো প্যান্টস ডে’-তে শরিক হন। এবারও তার অন্যথা হয়নি। বিশেষ করে মেয়েরা তো আবার টিউব ট্রেনের সামনে দাঁড়িয়ে নানা ভঙ্গিতে ছবিও তুলেছেন।

প্রবল ঠাণ্ডাতেও প্যান্ট খুলেছে লন্ডন
তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ৩ ডিগ্রিতে। কিন্তু, তা বলে ‘নো প্যান্টস ডে’-তে সাড়া দিতে ভোলেনি লন্ডন। অন্তত ৪০০ মানুষ প্যান্ট ছাড়াই সাবওয়ে ট্রেনে চড়েছিলেন।

‘এ এক মজার কাণ্ড’
ইমপ্রোভ এভরিহোয়ার নামে নিউ ইয়র্কের প্যাঙ্ক সংস্থা জানিয়েছে, ‘এটা এক অসাধারণ মজা। সাবওয়ে ট্রেনের যাত্রীরা দিনের পর দিন একসঙ্গে চলাফেরা করেন, আবার প্রত্যেকে নিত্যদিন একটা স্টপে নেমে যান। এই সফরে একে অপরকে হাসানোর জন্যই প্যান্ট ছাড়া যাতায়াত। যাতে মানুষ খুব মজা পায়। বিশেষ করে শীতকালে কোনো মানুষ যদি প্যান্ট না পরে বাড়ি থেকে বের হন তাহলে তা তো একটা মজারই উপাদান। আসলে ওই সংস্থাই এই ‘নো প্যান্ট ডে’-র উদ্যোক্তা। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর এরাই ‘নো প্যান্টস ডে’ আহ্বান করে।

alt

পরনে শীত বস্ত্র কিন্তু নেই প্যান্ট
শীতবস্ত্র পরিহিত সকলে। কারোর শরীরে চাপানো জ্যাকেট। কারোর লম্বা ওভারকোট। কেউ আবার হাতে গ্লাভস এবং টুপিও পরিহিত। বোঝাই যাচ্ছে ঠাণ্ডা পড়েছে। কিন্তু, কোমরের নিচে তাকালেই অবাক হতে হয়। কারণ, এঁদের অধিকাংশের পরণেই নেই কোনো প্যান্ট। এই কারণেই দিনের পর দিন এমন মজার শরিক হতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে ‘নো প্যান্টস উৎসব’-এর উন্মাদনা।

প্যান্টহীন পোজ
অনেকে তো আবার একধাপ এগিয়ে, ইচ্ছে করেই প্যান্টহীন দশাটাকে পোজ করেন। যারা এমন উৎসবের সঙ্গে পরিচিত নন তাঁদের তখন হা হওয়ার জোগাড়। মনে মনে গাল। নির্লজ্জ থেকে আরো কত কিছু মনে মনে ভেবেও ফেলা। কিন্তু, যখন দেখেন এটা একটা নিছক মজা তখন তাঁরাও হাসিতে মেতে ওঠেন।

alt

এই উৎসবের নিয়মও আছে
‘নো প্যান্টস’ সোসাইটি-র নিয়ম আছে। যারা এই উৎসবে শরিক হতে চান তাদের পরিষ্কার বলা আছে অন্তর্বাস যেন পুরনো এবং সাধারণ দেখতে হয়। কেউ নতুন ঝকঝকে অন্তর্বাস পড়লে লোকে মনে করবে প্যাঙ্ক করা হচ্ছে। তাই ‘নো প্যান্টস ডে’-তে শরিকদের এই বিষয়টিতে মারাত্মকভাবে নজর রাখতে হয়।

অনেকের আবার ভাইরাল আইডিয়া
নিয়ম ভাঙার লোকের অভাব হয় না। এক্ষেত্রেও তাই। তাই ‘নো প্যান্টস ডে’-তে এমনও কিছু জনকে দেখা যায় যারা তাঁদের ভাইরাল সব অন্তর্বাসে আরও হাসির খোরাক জোগান।

alt

প্যান্টহীন অবস্থায় কাউকে টিকেট কাউন্টারে দেখলে কী মনে হবে
এক সঙ্গে তিন চারজন সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে টিকেট কাউন্টারে টিকেট কাটছেন। কিন্তু, এঁদের কারোরই পরণে নেই কোনও প্যান্ট। অন্যান্য বস্ত্র আছে। তবুও ছবিটা চাক্ষুষ করলে না হেসে থাকতে পারবেন না।

প্রথম ‘নো প্যান্টস ডে’-তে গ্রেপ্তারির ঘটনা
২০০২ সালে যখন ‘নো প্যান্টস ডে’ চালু হয় তখন ৮ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। এঁদের সকলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। পরে, যখন বোঝা যায় বিষয়টি নিছকই মজা তখন আটককৃতদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।