Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

মুখ বন্ধে পর্নো তারকাকে অর্থ দেওয়া হয়: ট্রাম্পের আইনজীবী

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপ্ নিউজ : পর্নো তারকাকে মুখ বন্ধে অর্থ দিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল ডি কোহেন। আজ বুধবার বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোহেন নিউইয়র্ক টাইমসকে এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আইনজীবী মাইকেল ডি কোহেন। ছবি: এএফপিকোহেন নান, ট্রাম্প তাঁর মাধ্যমে ২০১৬ সালে নির্বাচনের আগে স্টর্মি ডেনিয়েলস নামের ওই পর্নো তারকাকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন। ওই আইনজীবী এও দাবি করেন, এই অর্থ প্রদান ছিল আইনসিদ্ধ। তবে কেন ওই তারকাকে এই অর্থ দেওয়া হয়েছিল, তা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি।কোহেন এত দিন অর্থ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিলেন।

স্টেফানির মাইস্পেস অ্যাকাউন্টের একটি ছবিতে স্টেফানি ও ট্রাম্প। ছবিটি ২০০৬ সালের কোনো এক সময় তোলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি সংগৃহীতস্টেফানির মাইস্পেস অ্যাকাউন্টের একটি ছবিতে স্টেফানি ও ট্রাম্প। ছবিটি ২০০৬ সালের কোনো এক সময় তোলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি সংগৃহীতপর্নো তারকা স্টর্মি ডেনিয়েল ২০১১ সালে একটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০০৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর শারীরিক সম্পর্ক হয়। নির্বাচনের আগে ডেনিয়েল যাতে এ নিয়ে আর কথা না বলেন, মূলত সে জন্যই ট্রাম্প ব্যক্তিগত আইনজীবীর মাধ্যমে এ অর্থ দেন বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পর্নো তারকাকে অর্থ দেওয়া নিয়ে জোর সমালোচনা ও বিতর্ক চললেও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তা শুধুই প্রচার বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও মুখ খোলেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পও তাঁর আইনজীবীর এ স্বীকারোক্তির পর কী মন্তব্য করেন, এখন তা দেখার অপেক্ষা।

গত ১২ জানুয়ারি আইনজীবী কোহেন ও ডেনিয়েলের অর্থ বিনিময়ের বিষয়টি নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এরপর বিষয়টি নিয়ে সারা বিশ্বে হইচই শুরু হয়। আর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের খাতায় যোগ হয় আরও একটি নারীঘটিত বিতর্কিত বিষয়।