Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

কী ঘটেছিল ফ্লোরিডার স্কুলে?

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মার্জরি স্টোনম্যান ডগলাস হাইস্কুলের ওই এলাকা মূলত মধ্যবিত্তদের এলাকা। ঘটনার পরে পুলিশ নিকোলাস ক্রুজকে আটক করেছে। পুলিশ বলছে, তাঁকে ধরতে বেগ পেতে হয়নি। গুলি চালানোর পর স্বেচ্ছায় তিনি পুলিশের কাছে ধরা দিয়েছেন। অবশ্য কেন এ ঘটনা ঘটিয়েছেন, সে সম্পর্কে পুলিশকে নিকোলাস কিছু জানাননি।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার সিনেটর বিল নেলসন সিএনএনকে বলেছেন, বন্দুকধারী মুখে গ্যাস মাস্ক পরেছিলেন। এ ছাড়া তাঁর কাছে স্মোক গ্রেনেড ছিল। তিনি ফায়ার অ্যালার্ম বাজিয়ে স্কুলের সব শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের করে আনেন। শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি করলে গুলি ছুড়তে শুরু করেন।

Picture

ওই ঘটনার পর স্কুলের কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন, গুলি চালানোর সময় ফায়ার অ্যালার্ম বাজানো হয়। এতে স্কুলে বিশাল হট্টগোল সৃষ্টি হয়। প্রায় ৩ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থী দ্রুত হলরুমের দিকে ছুটছিল। কিন্তু শিক্ষকেরা তাদের দ্রুত শ্রেণিকক্ষে ফিরে কাছাকাছি কোথাও আশ্রয় নিতে বলেন।

ব্রডওয়ে কাউন্টি শেরিফ স্কট ইসরায়েল জানান, নিকোলাসের কাছে একাধিক গুলির ম্যাগাজিন পাওয়া যায়। তাঁর হাতে ছিল এআর-১৫ মডেলের রাইফেল।

১৬ বছর বয়সী কাইল ইয়োওয়ার্ডের ভাষ্য, দ্বিতীয় তলার বাথরুমে লুকিয়ে ছিল সে। সেখান থেকে দুটি গুলির শব্দ শুনতে পেয়েছে।

সিবিএস নিউজ ওই ঘটনার একটি মোবাইল ভিডিওচিত্র শ্রেণিকক্ষের ভেতর থেকে সংগ্রহ করে। তাতে কয়েকটি গুলির শব্দ, চিৎকার ও কান্নার শব্দ শোনা যায়।

এক শিক্ষার্থী স্বজন ম্যাকেঞ্জি হার্টলি বলেন, শ্রেণিকক্ষের জানালা দিয়ে তিনি গুলির শব্দ শুনেছেন এবং দুজনকে গুলি করতে দেখেছেন।

লিজেট রোজেনব্লাট নামের এক অভিভাবক বলেছেন, ‘এটা ভয়ংকর। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। আমার মেয়ে ওই স্কুলে পড়ে। মেয়ে নিরাপদ আছে বলে ফোনে জানিয়েছে।’ কিন্তু গুলিতে আহত অন্যজনের কান্না শুনেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

টেলিভিশনের প্রচার হওয়া ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, অনেক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে আনছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

সম্প্রতি ওই স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা হলে করণীয় বিষয়গুলো নিয়ে সভা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটে বলেছেন, ‘ফ্লোরিডায় ভয়ংকর গুলির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আমার প্রার্থনা ও সমবেদনা। কোনো শিশু, শিক্ষক বা অন্য কেউ যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে যেন অনিরাপদবোধ না করেন।’