Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

প্রধানমন্ত্রীর ৫ সংস্থাকে ৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো প্রত্যয়নপত্র হস্তান্তর

বুধবার, ০৭ মার্চ ২০১৮

বাপ্ নিউজ : ঢাকা থেকে : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে স্বীকৃতিদানকারী ইউনেস্কো প্রত্যয়নপত্র ৫টি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা ৫টি সংস্থাকে এ প্রত্যয়নপত্র হস্তান্তর করেন।

সংস্থাগুলো হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ বেতার, চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদফতর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ও বাংলাদেশ ফিল্মস আর্কাইভ।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষ থেকে জাদুঘরের ট্রাস্ট্রিরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করেন।

চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ ও চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের মহাপরিচালক ইশতিয়াক হোসেন প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করেন।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও সচিব সুবির কিশোর চৌধুরী আইসিটি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করেন।

alt

বাংলাদেশ বেতারের পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করেন।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল ইনু, প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, সচিব মো. নাসির উদ্দিন ও বাংলাদেশ ফিল্মস আর্কাইভের মহাপরিচালক সচিন্দ্রনাথ হালদার বাংলাদেশ ফিল্মস আর্কাইভের পক্ষ থেকে প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ও গত অক্টোবরে প্যারিসে ইউনেস্কোর সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিনিধিদলের প্রধান আজ এখানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

alt

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষ থেকে এর ট্রাস্টি মফিদুল হক ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব নজিবুর রহমান অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রধান ও প্রতিনিধি বি কালদুন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্যগণ, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, সম্পাদক, লেখক, অভিনেতা, কন্ঠশিল্পী, কবি, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া সিনিয়র সাংবাদিকরা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে স্বীকৃতি দিয়ে বাংলাদেশের ৫টি প্রত্যয়নপত্র প্রেরণ করে।

alt

ইউনেস্কো মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্রগুলো সম্প্রতি ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কাজী ইমতিয়াজ হোসেনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। ইউনেস্কো এ প্রসঙ্গে ফ্রান্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের কাছে একটি চিঠিও পাঠায়।

চিঠিতে ইউনেস্কোর ইউনিভার্সাল অ্যাক্সেস ও প্রিজারভেশন সেকশনের প্রধান বোয়ান রাদয়কভ বলেন, ‘আমি আনন্দের সাথে আপনাকে জানাচ্ছি যে, গত ২৪ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০১৭ সালে প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দফতরে অনুষ্ঠিত মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কর্মসূচির আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা কমিটির ১৩তম সভার সুপারিশক্রমে সংস্থার মহাপরিচালক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের লেখ্যপাঠ অনুমোদন করেছেন।’

চিঠিতে আরো বলা হয়, মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে এই প্রামাণ্য ঐতিহ্য অন্তর্ভুক্তি এর ব্যতিক্রমধর্মী মূল্য প্রতিফলিত করে এবং এই তাৎপর্য তুলে ধরে যে মানবতার কল্যাণের জন্য এটি সংরক্ষণ করা উচিত। চিঠিতে বলা হয়, ‘এটি সামষ্টিক স্মৃতির গুরুত্বের দিকে মনোযোগ দেয়ার চমৎকার সুযোগ প্রদান করে এবং এটি যত বেশি সংখ্যক সম্ভব লোককে ভাষণটি দেখার ও পড়ার সুযোগ করে দেয়ার রক্ষাকবচ।’

গত ২৪ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০১৭ সালে প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দফতরে অনুষ্ঠিত মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কর্মসূচির আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা কমিটির ১৩তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ অক্টোবর ২০১৭ ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের লেখ্যপাঠ বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বকোভা ওইদিন প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দফতরে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।