Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

২৫শেমার্চেরগণহত্যারআন্তর্জাতিকস্বীকৃতিকেনপ্রয়োজন ? = প্রদীপ মালাকার--নিউইয়র্ক,

রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

দেখতে দেখতে দেশ স্বাধীনতা অর্জনের ৪৭ টিবৎসর অতিক্রম করেছে কিন্তু নানা সীমাব্ধতা স ত্বে ও দীর্ঘ সময় পর এই প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে ২৫শে মার্চকে গণহত্যা দিবস পালিত হলেও এখনো আন্তর্জাতিক পরিসরে এই দিবসটি উপেক্ষিত ।১৯৭১ এর ২৫ শে মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেঃ ইয়াহিয়া ও বিরোধী দলীয় নেতা জুলফিকার আলী ভুট্রর যোগসাজশে পাক সেনাবাহিনী পরিকল্পিতভাবে বাঙ্গালী জাতিকে নিচিহ্ন করার লক্ষ্যে সার্চলাইট অপারেশনের মাধ্যমেপূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা শুরু করে । ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙ্গালীদীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যোবধকরে অবশেষে ১৬ ই ডিসেনভর ১৯৭১ এ মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক দেশটির  অভ্যুদয় ঘটে । পাক বাহিনী  আত্মসমর্পণের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এই দীর্ঘ  নয় মাসে ৩০ লক্ষ্য বাঙ্গালীকে হত্যা ও ২ লক্ষ্যের অধিক মা-বোনের ধর্ষণের শিকার হয় ।
বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে ফিরে আসার পর যাদের বীরুধে সু নিদিষ্ট  গণহত্যা ,ধর্ষণ ,অগ্নিসংযোগ ,লুটপাটের অভিযোগ আছে এমন প্রায় ৩৬ হাজার রাজাকার , আলবদর, আলশামসের বিচারের পাশাপাশি পরিকল্পনাকারী, নির্দেশ দাতা ও সরাসরি হত্যা, ধর্ষণ , লুটপাটে যুক্ত চূড়ান্তভাবে ১৯৫জন সেনা কর্মকর্তাকে বিচারের জন্য মনোনীত করেন । সর্বশেষ ত্রি পক্ষীয় সিমলা চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান তাদের অপরাধের জন্য দুঃখ  প্রকাশ করে ১৯৫ সেনাকে নিজ দেশে নিয়ে বিচার করবে এই মোচেলিকা  দিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে  আর বিচার করেনি ।কিংবা পাকিস্তান তার কৃতকর্মের জন্য বাংলাদেশের কাছে আজও ক্ষমা ভিখ্যা করেনি ।১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ক্ষমতায় আসা সরকারগুলোর বেশিরভাগই গণহত্যা, যুব্দাপরাধের বিষয়টি নিষ্পত্তি না করেই পাকিস্তানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার চেষ্টা চালায় ।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর গণহত্যার জন্য বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা, যুব্দের ক্ষতি পুরন, সম্পদের হিস্যাসহ বিভিন্ন দাবি তোলে। সেই সাথে ১৯৭১ সালে গণহত্যা , যুব্দাপরাধ ও মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের উদ্যোগে শুরু থেকেই বিচলিত ছিল পাকিস্তান। এর পাশাপাশি ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত গ্যারি জে ব্র্যাসের লেখা গ্রন্থ “ দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম –নিক্সন, কিসিঙ্গার অ্যান্ড অ্যা ফরগটেন জেনোসাইড” পাকিস্তানি গণহত্যার তথ্য বিশ্বের সামনে নূতন করে তুলে আনে। আর এতেই পাকিস্তানের গাত্রদাহ শুরুহয়অথচ মুক্তিযুব্দের এই পরাজিত শক্তিও তাদের এদেশীয় লেবাসধারীরা মুক্তিযুব্দকে মেনে নিতে পারেনি । পাকিস্তানী শাসক,সেনাও রাজনউতিক দল গুলির একটি বড় অংশ  এবং এদেশীয় জামায়াত-শিবির এখনও মনে করে বাংলাদেশ সৃষ্টি ভারত-পাকিস্তান যুব্দের ফসল বা জামায়াতের ভাষায় গণ্ডগোলের ফসল ।
দ্বিতীয়বিশ্বযুব্দেরপরদক্ষিণএশিয়ায়১৯৭১এসারাপৃথিবীকাঁপিয়ে৩০লক্ষমানুষেরআত্মত্যাগও২লখ্যাধিকনারীরইজ্জতেরবিনিময়েযেবাংলাদেশেরঅভ্যুদয়হয়েছিলতারদ্বিতীয়নজিরনেই।৪৭বছরআগেরজাতিরগর্ভবরাইতিহাসেরমীমাংসিতবিষয়নিয়েবিরোধীদলীয়নেত্রী

যখন৩লক্ষশহীদেরপরিবর্তে৩০লক্ষনিয়েতারপ্রশ্নআছে।তখনপরাজিতশক্তিওস্বাধীনতাবিরোধীরাতালুফেনিয়েমাঠেনামবেএটাইস্বাভাবিক।আরতারইধারাবাহিকতায়আমরাদেখতেপাইপাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আই,এস,আই,এর তত্ত্বাবধানে ওই দেশটির লেখকজুনায়েদআহমেদনামেএকব্যাক্তিকে দিয়ে  “ক্রিয়েশনঅফবাংলাদেশ” মিথসএক্সপ্লডেডশিরোনামেএকটিবইলিখিয়েছে,, যেবইয়েমুক্তিযুব্দাদেরদোষারোপকরাহয়েছেএইবলে – পচিশেমার্চেরগণহত্যারজন্যমুক্তিযুব্দারাদায়ী।তারাইনিরীহনিরপরাধমানুষদেরহত্যাকরেছে।বইটিরনিচেওইসময়েরবিশ্বখ্যাতবিভিন্নপত্রিকায়৭১-এরগণহত্যারযেসবছবিমুদ্রিতহয়েছিল , সেসবছবিবইটিতেসংকলিতহয়েছেএবংপ্রতিটিছবিরনিচেলেখাহয়েছেএসবহত্যাকাণ্ডমুক্তিযুব্দাদেরসৃষ্ট।বইটিতেআমাদেরমহানমুক্তিসংগ্রামেরইতিহাসেরএসবমিথ্যাচারদেখে্যেকোনদেশপ্রেমিকবাঙালিবিক্ষুব্ধহবেএটাইস্বাভাবিক।
মহানমুক্তিসংগ্রামেরইতিহাসনিয়েপাকিস্তানসহবিভিন্নগুষ্টিরঅপপ্রচার যতই  করুক কেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ১৯৭১ সালের গণহত্যার তথ্য প্রমানের অভাব নেই । ১৯৭১ সালের  মহান মুক্তিযুব্দের ৩০ লাখ মানুষ যে শহীদ হয়েছে তার অকাট্য প্রমাণ বহন করছে সে সময়ে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকা এবং রেডিও টেলিভিশনের খবর গুলোর আর্কাইভ। অস্ট্রেলিয়ার পত্রিকা হেরালড  ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুসারে , ২৫শে মার্চ রাতে শুধু  ঢাকা শহরেই ১ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল পাক বাহিনী । ভারতের ইন্ডিয়ান টাইমস এর রিপোর্টে আছে ৬০ থেকে৭০হাজার  মানুষ শহীদ হয়েছে ।।মার্কিন সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি ভারতে শরণার্থী শিবিরগুলি পরিদর্শন করেন ৭১ সালে । তিনি পাকিস্তানি সউনিকদের  বিরুব্ধে সরাসরি গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করেন । গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে  বাংলাদেশের হত্যাযজ্ঞকে বিশ শতকের পাঁচটি ভয়ঙ্কর গণহত্যার চেয়েও ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করা হয়েছে । টাইমস ম্যাগাজিনের ড্যান  কগিন, যিনি মুক্তিযুব্দের প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক , একজন পাকিস্তানি ক্যাপ্টেনের বরাত দিয়ে লিখেছেন –we can kill any one for anything . We are accountable to no one. বিশ্বখ্যাতএইপত্রিকাটিরএকটিসম্পাদকীয়মন্তব্যছিল–It is the most incredible calculated  thing since the days of the Nayis in Poland .
আন্তর্জাতিকমহলেরমতে৭১এপাকিস্তানসেনাবাহিনীতিনমিলিয়নবাত্রিশলক্ষবাঙ্গালিকেহত্যাকরাহয়েছে।এইসংখ্যারসমর্থনরয়েছেEncyciopedia Americana and National Geographic Magayineএ।  এসব রিপোর্টে লেখা আছে , বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তান বাহিনীর নিষ্ঠুরতা ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুব্দে পোল্যান্ডে নাজি বাহিনীর  বর্বরতার চেয়েও ভয়াবহ ।  এই গণহত্যা সম্পর্কে পাকিস্তানি জেনারেল রাও ফরমান আলী তার ডায়েরিতে লিখেছেন –Paint the green of East Pakistan red  অর্থাৎবাংলারসবুজমাঠকেলালকরেদিবেন।একজনমার্কিনগবেষক Rudolph Joseph Rummelতাররচিত Statistics of Democide ( 1998)গ্রন্থেরঅষ্টমঅধ্যায়েতিনিঅন্তর্ভুক্তকরেছেন “Statistics of Pakistan Democide .Estimates Caculation and sources” শীর্ষকনিবন্ধটি।এইনিবন্ধেRummelতারআবিষ্কৃতগণহত্যাপরিসংখ্যানপব্ধতিঅনুসারেদেখিয়েছেনযে, ১৯৭১সালেরমহানমুক্তিযুব্ধেরসময়বাংলাদেশেত্রিশলক্ষ৩হাজারলোকপ্রানহারিয়েছেন।১৯৭১সালের UNHRC(ইউনাইটেডনেশনসহিউম্যানরাইটসকমিশন) রিপোর্টঅনুযায়ীমানবসভ্যতারইতিহাসেযতগুলিগণহত্যাসংঘটিতহয়েছেতাতেঅল্পসময়েরমধ্যেসবথেকেবেশিসংখ্যকমানুষকেহত্যাকরাহয়েছে১৯৭১সালেবাংলাদেশে।প্রতিদিনগড়ে৬০০০থেকে১২০০০মানুষতখনখুনহয়েছিলবাংলাদেশে।গণহত্যারইতিহাসেএটাইসরবচ্চগড়।১৯৭২ সালের ২৪ জানয়ারি নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল”বেঙ্গলিজল্যান্ডঅ্যাভাসটসিমেটারি “ ( বাঙ্গালিরভূখণ্ডএকবিশালসমাধিক্ষেত্র ) মার্কিনসাংবাদিক সিডিনিএইডশানবারগযুব্দেরপরপরবাংলাদেশেএসেবিভিন্নএলাকাঘুরেওইপ্রতিবেদনটিতেউরিকরেছিলেন।প্রতিবেদনেবলাহয় ,সিডিনিশানবারগদেখতেপান , বাংলাদেশেরপ্রতিটিশহর ,প্রতিটিথানায়রয়েছেবধ্যভূমি , যেখানেপাকিস্তানিসেনারাযুব্দের৯মাসেরপ্রতিদিনবাঙ্গালিদেরহত্যাকরেছে।পাকিস্তানিসেনারাএভাবেলক্ষলক্ষবাঙ্গালিকেহত্যাকরেছে।.
হামুদুর কমিশন রিপোর্ট—বাঙালি গণহত্যার দলিল ।   ১৯৭১ সালে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের ১০ দিন পর ২৬শে ডিসেম্বর  পাক সরকারের নির্দেশে প্রধান বিচারপতি-হামুদুর রহমানকে প্রধান ও অন্য দুই বিচার পতিকে নিয়ে  ব্যাপক ক্ষমতাশালী এক কমিশন গঠিত হয়েছিল । কমিশন যুব্দের সঙ্গে যুক্ত সামরিক ও বেসামরিক ব্যাক্তি মিলিয়ে  দুই শত পচাশি জনের সাক্ষ্য এবং তথ্য প্রমান নির্দেশিকা যাচাই-বাছাই শেষে ১৯৭৪ সালে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে । যদিও কমিশন ভিকটিমবা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে  কাউকে সাক্ষ্য গ্রহণ না করিলেও ৬০ টি অধ্যায় ও তিন লাখ শব্দ সংখ্যার এই কমিশনে মুক্তিযুব্দাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের বিষয়টি অগ্রাহ্য করেছে ।  এসব অপূর্ণতা স্বতেও  হামুদুর রহমান কমিশনের রিপোর্টে এমন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে , যাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের নৃশংসতা ,ও নিষ্ঠুরতার পাশাপাশি চারিত্রিক দুর্বলতাগুলো তথ্য-প্রমাণসহ উপস্থাপিত হয়েছে ।      
পাকিস্তান সেনাবাহিনী অভিযানের শুরু থেকেই বাংলাদেশে পোড়ামাটি নীতি নেয়; যেখানে তারা মানুষ চায়নি ,মাটি চেয়েছে । এই কথটি শুধু রাও ফরমান আলীর ডায়েরিতে লেখা ছিল না, ছিল পাকিস্তানের অধিকাংশ সেনা কর্মকর্তার অন্তরে । জেনারেল নিয়াজির আগে খাদিম হোসেন রাজা ছিলেন ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডিং অফিসার। তিনি  আ  স্ত্রেনজার  ইন মাই ওউন কান্ট্রি পাকিস্তান ১৯৬৯—১৯৭১ বইয়ে উত্তরসূরির বক্তব্য উব্দ্রিত করেছেন , যাতে নিয়াজি বলেছেন ,”এই হারামজাদা জাতি জানে না আমি কে?আমি তাদের জাত বদলে  দেব।“ তিনি বাঙ্গালিকে বোজাতে পারেননি , বাঙ্গালিই প্রকাশ্যে আত্নসমপরন করিয়ে তাকে ঠিকই বুজিয়ে দিয়েছে । কমিশনেররিপোর্টেরাওফরমানআলি, জেঃটিক্কাখানকেদায়মুক্তদিয়েশুধুগুরুতরঅভিযোগেজেঃনিয়াজি, মুহান্মদজামসেদ, এম,রহিমখান,জি, এম বারিক সিদ্দিকি,মুহান্মদ হায়াতসহ সিনিয়র অফিসারদের বিরুব্ধে সামরিক আইনে বিচারের সুপারিশ সহ বাকিদের বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে ।এবারদেখাযাকজাতিসঙ্ঘসনদকিবলে ?জাতিসংঘেগণহত্যাবিষয়কসনদেঅপরাধেরযেবিবরণরয়েছে ,তারসাথে১৯৭১সালেবাংলাদেশেদখলদারবাহিনীরহত্যাযজ্ঞওনৃশংসতারপুরোপুরিমিলরয়েছে।গণহত্যাপ্রতিরোধওশান্তিবিষয়ক১৯৪৮সালেরজাতিসংঘসনদেরদ্বিতীয়অনুচ্ছেদেবলাহয়েছে , জেনোসাইডবলতেবোজাবেকোনজাতিবাজাতিসত্তা , বর্ণবাধর্মীয়গুষ্টিরসদস্যদেরঅংশবিশেষকেবাপুরোপুরিধ্বংসকরারলক্ষ্যেপরিচালিতনিম্নবর্ণিতকাজেরযেকোনএকটি –(ক) জাতিবাগুষ্টিরসদস্যদেরহত্যাকরা , (খ) জাতিবাগুষ্টিরসদস্যদেরগুরুতরমানসিকবাশারীরিকক্ষতিসাধন (গ )উদ্দেশ্যপূর্ণভাবেজাতিবাগুষ্টিরওপরএমনএকজীবনযাত্রাআরোপ , যাসম্পূর্ণবাআংশিকভাবেগুষ্টিরধ্বংসডেকেআনবে ,(ঘ)জাতিবাগুষ্টিরমধ্যেজন্মপ্রথানিরোধেরলক্ষ্যেব্যবস্থানেওয়া ,(উ) জাতিবাগুষ্টিকেজোরকরেঅন্যজাতিবাগুষ্টিতেরূপান্তর।
জাতিসঙ্ঘ প্রতি বৎসর ৯ ডিসেম্বরে গণহত্যা প্রতিরোধ ও গণহত্যার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় । বাংলাদেশ মনে করে , এ দেশের মুক্তিযুব্দে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর গণহত্যা ও  মানবতাবিরোধী অপরাধগুলির আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি খুবই দরকার । পাকিস্তান সরকার ও তাদের এদেশীয় লেবাসধারীদের অনেকে সাম্প্রতিক সময়ে ১৯৭১ সালের সংঘটিত গণহত্যার কথা ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করার চেষ্টায় এই স্বীকৃতি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে  উঠেছে ।  সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানি শাসক ও কতিপয় রাজনৌতিক দল ,তাদের এদেশীয় দোসরদের যুব্দাপরাধ  ও মানবতা বিরোধী বিচার নিয়ে বিবৃতি দেয় এবং পার্লামেন্টে প্রস্তাব গ্রহণ করে । তারা এই খানেই থেমে থাকেনি ,পাকিস্তান বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় ও অযৌত্তিক হস্তক্ষেপের পাশাপাশি জঙ্গিমদত ও দিয়ে যাচ্ছে
।তাই পাকিস্তানের এই ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার রুখে দিয়ে  ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবসের  আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা বাংলাদেশের জন্য একটু  কঠিন কাজ  হতে পারে। কেননা ১৯৭১ সালে সব রাষ্ট্রের অবস্থান  বর্তমানের মতো ছিল না । ভারত , সোভিয়েত ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক বিশ্ব  আমাদের মহান মুক্তিযুব্দের বন্ধু রাষ্ট্র ছিল । আজ মিয়ানমারের রুহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনে জাতিসঙ্ঘ , আমেরিকাসহ পশ্চিমা ও মুসলিম বিশ্ব তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। মহান মুক্তিযুব্দে  তারা আমাদের পাশে ছিল না ।  আজ ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা বিতারন ও হাজার অধিক রোহিঙ্গা নিধনে জাতিসঙ্ঘসহ সকল রাষ্ট্র গণহত্যার স্বীকৃতি দিচ্ছে । অথচ ১৯৭১ সালে রুহিঙ্গাদের চেয়ে ১০গুন বাঙালি বিতারন ও ৩০০০ গুন বাঙালি নিধনে  তারা ছিল নিরব । কাজেই তাদের স্বীকৃতি আদায়ে বিদেশে আমাদের মিশন গুলোও সংশ্লিষ্ট দেশ গুলোতে গণহত্যা বিষয়ক তথ্য-উপাত্ত্য তুলে ধরার পাশাপাশি জোরদার কুটনউতিক তৎপরতা চালাতে হবে । আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন । তারা জাতিসংঘ ও জেনেভায় যোগাযোগ করেছেন । মহান মুক্তিযুব্দে যে সকল দেশ বাংলাদেশর পাশে ছিল সেই রাস্ত্রগুলির স্বীকৃতি সবার আগে আদায় করতে হবে । এটা হবে প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ । তারপর বাকি দেশগুলোকে  উদু্বব্ধ করতে হবে ।