Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত শান্তিরক্ষী ও বেসামরিক কর্মীদের স্মরণ করল জাতিসংঘ- স্মরণের এ তালিকায় স্থান পেল আত্মোৎসর্গকারী পাঁচ বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী

রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

Picture

এর মধ্যে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীগণ হলেন ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর মালি মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিপাহী মো: আবুল বাশার, ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক মো: আব্দুর রহিম, ২০১৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মালি মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত সিপাহী মো: মনোয়ার হোসেন, ল্যান্স কর্পোরাল মো: জাকিরুল আলম সরকার ও সার্জেন্ট মো: আলতাফ হোসেন।

alt

জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ট্রাস্টিশীপ কাউন্সিলে আয়োজিত এই স্মরণ সভায় অংশ নেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং স্থায়ী মিশনের ডিফেন্স অ্যাডভাইজর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খান ফিরোজ আহমেদ। এছাড়া জাতিসংঘে কর্মরত বাংলাদেশ সেনা, নৌ, বিমান ও পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তাগণও এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।কর্তব্যরত অবস্থায় আত্মোৎসর্গকারী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীসহ বেসামরিক নাগরিকগণের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই স্মরণ সভা শুরু করা হয় ভায়োলিনের করুন সুর পরিবেশনের মাধ্যমে। মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে নিহতদের স্মরণ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ (অহঃষ্টহরড় এঁঃবৎৎবং), জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিরোস্লাভ লাইচ্যাক (গরৎড়ংষধা খধলčপ্সশ) ও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি গুস্তাভো মেজা-কোয়াড্রা (এঁংঃধাড় গবুধ-ঈঁধফৎধ)। জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বানে নিহতদের স্মরণে একমিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

alt

জাতিসংঘ মহাসচিব আত্মোদানকারী জাতিসংঘের সকল শান্তিরক্ষী ও বেসমরিক কর্মীর প্রতি গভীর শোক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সহনশীলতা ও উদারতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন। সমবেত সুধিমন্ডলীর উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, “জাতিসংঘের নীল পতাকা বিশ্বের অসহায় মানুষের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নত ভবিষ্যতের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে আশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। অসহায় এই মানুষেরা তাঁদেরই উপর নির্ভর করে যাঁরা জাতিসংঘে সেবা দেওয়ার জন্য নিজেদেরকে নিবেদিত করেছেন। আজ, আমরা আত্মদানকারী সকল সহকর্মীদের স্মরণ করছি এবং তাদের উদারতা ও অবদানের প্রতি স্বীকৃতি জানাচ্ছি”।তিনি আরও বলেন, “আমাদের শান্তিরক্ষী, মানবিক সহায়তাদানকারী এবং অন্যান্য সহকর্মীদের সাহস ও প্রতিশ্রুতি ব্যতীত, আমরা প্রতিদিন যা করছি, তা অর্জন করতে পারতাম না। বিশেষ করে কঠিন ও বিপজ্জনক পরিবেশে”।

alt
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, “এটা আমাকে ক্ষুব্ধ করে যখন দেখি খুব সামান্য কোন কারণে আমাদের উপর আক্রমন হয় যা কোন কোন ক্ষেত্রে যুদ্ধপরাধের শামিল”।মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীকর্মীদের উপর আক্রমণকারীদের প্রতিহত করতে এবং শান্তিরক্ষা মিশনসমূহের নিরাপত্তা উন্নত করতে তাঁর দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘ নিযুক্ত সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কূটনৈতিক, সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ একটি অন্যতম বৃহৎ শান্তিরক্ষী সরবরাহকারী দেশ। ১৯৮৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় বাংলাদেশের ১৪৩ জন শান্তিরক্ষী মৃত্যুবরণ করেছেন।


Add comment


Security code
Refresh