Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বাংলাদেশের খবর

সাভার পৌরসভার ১২৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

সোমবার, ১৩ জুন ২০১৬

আক্তার হোসন,বাপসনিঊজ: নিজস্ব প্রতিনিধি,সাভার থেকে: ঢাকা-১৯ আসন, সাভারের সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান দলমত নির্বিশেষে সাভার পৌরসভাকে জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করার আহবান জানান। এসময় তিনি সাভার পৌরসভার মেয়রকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সাভার পৌরবাসী আপনাকে মেয়র নির্বাচিত করে পৌর পিতার আসনে বসিয়েছে। আপনি তাদের অভিভাবক হয়ে পৌরবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাবেন। এতো কোন বাধাবিঘœ ঘটলে এই পৌরবাসীকে নিয়ে আমরা সকলে মিলে তা প্রতিহত করবো। সাভার পৌরসভা যেন দলীয়ভাবে পরিচালনা না হয় সেদিকে মেয়রকে লক্ষ্য রাখতে হবে এমপি এনামুর রহমান বলেন। সাভার পৌর মেয়র আলহাজ্ব আব্দুল গণি বলেন, সাভার পৌরবাসীর মৌলিক নাগরিক সুযোগ সুবিধাগুলো নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। তিনি আরো বলেন, আর্থিক সঙ্গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সে দায়িত্ব কতটুকু ন্যায় বিচার, স্বচ্ছতা এবং সততার সাথে পালন করতে পারছি তা মূল্যায়নের ভার পৌবাসীর উপর তুলে দিলাম। তিনি আরও বলেন, সাভার পৌরবাসী আমাকে মেয়র নির্বাচিত করে পৌর আসনে বসিয়েছেন এ জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি যতদিন এই চেয়ারে বসে থাকবো, ততদিনই পৌরবাসীর জন্য কাজ করে যাব। গতকাল সোমবার সকালে সাভার পৌরসভায় ২৬তম বাজেট অধিবেশনে ডা: এনামুর রহমান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে ও সাভার পৌর মেয়র  হাজী আব্দুল গণি বাজেট বক্তেব্যে একথা বলেছেন। সাভঅর পৌরসভার মেয়র হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম বাজেট পেশ।সাভার পৌরসভা ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার পৌর ভবন প্রাঙ্গণে পৌর সভার মেয়র হাজী আবদুল গণি জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে এ বাজেট ঘোষণা করেন। তিনি ১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৫১ হাজার ১ শত ৪৮ টাকা বাজেট ঘোষণা করেন তিনি। এ বাজেটে মোট ব্যয় দেখান হয়েছে ১২২ কোটি ৫৬ লক্ষ ৬ হাজার ৭ শত ১৩ টাকা। উদ্বৃত্ত দেখান হয়েছে ৭৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ৪ শত ৩৫ টাকা।বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ সদস্য ডা: এনামুর রহমান এনাম এমপি। এসময় অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মানিক মোল্লা, ১নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিনহাজ্ব উদ্দিন মোল্লা, ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সানজিদা সারমিন মুক্তা, ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূরে আলম নিউটন, ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল আব্দুস সাত্তার মিয়া, ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্বাস আলী, ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আয়নাল হক, সাভার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শরফউদ্দিন আহামদ চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইমাম, প্রধান হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা ছামছুদ্দিন আহমেদ, সচিব সিকাদার মো: আব্দুর রবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি এ বাজেটে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ করেছেন। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সাভার পৌর এলাকায় বিভিন্ন রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট ৪৫ কোটি টাকা। ড্রেন/কালভার্ট নির্মাণের জন্য ৩৮ কোটি টাকা। রাস্তা/ড্রোণ মেরামত/ সংস্কারের জন্য ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। পৌর সুপার মার্কেট নির্মাণ করার জন্য ৩ কোটি টাকা। বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা। পার্ক নির্মাণের জন্য ৮০ লক্ষ টাকা। সড়কবাতি কাজের জন্য ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। নর্দমা/নালা পরিষ্কাররে জন্য ১ কোটি টাকা। ময়লা আর্বজনা পরিষ্কারের জন্য ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা। ডাম্পিং প্লেস-এর জমি ক্রয়ের জন্য ৩ কোটি টাকা প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ করবেন।এসময় সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি তার বাজেট পেশে ২০১৬-১৭ প্রস্তাবিত বাজেটে আয়-ব্যয়ে হিসাব নিকাশ তুলে ধরেন। এতে দেখা যায়, রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১৯ কোটি ১৬ লক্ষ ৬ হাজার ৭শ’ ১৩ টাকা। উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ১০৩ কোটি ৮২ লক্ষ ৮০ হাজার ৮ শ’ ৮০ টাকা। মোট আয় ধরা হয়েছে ১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৫১ হাজার ১শত ৪৮ টাকা। এক্ষেত্রে এ টাকা ব্যয় হবে রাজস্ব খাতে ১৪ কোটি ৩৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। উন্নয়ন কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৮ কোটি ১৭ লক্ষ ৭৬ হাজার ৭শ’ ১৩ টাকা। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১২২ কোটি ৫৬ লক্ষ ৬ হাজার ৭ শ’ ১৩ টাকা। আর সমাপনী ব্যয় হিসেবে ৭৬ লক্ষ ৪৪ হাজার ৪শ’ ৩৫ টাকা খরচ ধরা হয়েছে।বাজেট বক্তৃতায় পৌর মেয়র হাজী আবদুল গণি বলেন, পৌর নির্বাচনের পূর্বে আমি ঘোষণা করেছিলাম আমি পৌর মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে সাভার পৌরবাসীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাস উপযোগী মডেল পৌরসভায রূপান্তর করবো। কিন্তু অবহেলিত রাস্তা, ড্রেন, সোয়ারেজ লাইন ও জলাবদ্ধতা নিরসন আমার একার পক্ষে কোন ক্রমেই সম্ভব নয়। এ জন্য পৌরসভার সর্বস্তরের জনসাধারণের সার্বিক  সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি বলেন, পৌরবাসীর সহযোগিতা পেলে আগামীদিনে সাভার পৌরসভাকে সারা দেশের মধ্যে দৃষ্টান্ত দেয়ার মত মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলবো।পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আব্দুল গণি বাজেট বক্তৃতায় বলেন, দায়িত্ব পেয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দানের জন্য সর্ব প্রথমে মহান আল্লাহর নিকট কোটি কোটি শুকরিয়া আদায় করছি। আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট যিনি আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নৌকা প্রতিকে নির্বাচন করার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমাকে মেয়র হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য সমর্থন দেয়ায় ঢাকা-১৯ আসনের মাননীয় সংসদ ডাঃ মোঃ এনামুর রহমানসহ আওয়ামীলীগ এর অন্যান্য নেতৃবৃন্দের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাকে ভোট দিয়ে সাভার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত করায় সাভার পৌরবাসাীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।সাভার পৌরসভার ২৬তম বাজেট অনুষ্ঠানে আপনাদের সহৃদয় উপস্থিতির জন্য আমার তথা পৌর-পরিষদের পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।তিনি আরও বলেন, বিগত অর্থ বছরের আর্থিক বিষয়াদি পর্যালোচনা এবং আগামী অর্থ বছরে আপনাদের এই প্রতিষ্ঠান কি কি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে তার খাত ওয়ারী সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি খতিয়ান আপনাদের সামনে উপস্থাপন করবো।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, বিস্তারিত বাজেট উপস্থাপনের পূর্বে বিগত পঁচিশ বছরে আপনাদের এই প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি এবং এই বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের দুই একটা বিষয়ে কিছু কথা বলতে চাই।তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান আপনাদের। গত ৩০-১২-২০১৫ খ্রিঃ তারিখ  আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী-২০১৬ খ্রিঃ তারিখ আমি এবং আমার পরিষদ বিপুল দেনা নিয়ে দায়িত্ব পালন শুরু করি । এ বিপুল দেনা থাকা সত্বেও আমরা পৌরসভার কল্যাণে ব্যাপক কাজ শুরু করেছি। আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করার পর পাঁচ মাসে পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তা, ড্রেন, কালভার্ট ইত্যাদিসহ বেশ কিছু পূর্ত কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছি। আগামী অর্থ বছরে এর চেয়েও অধিক উন্নয়ন কাজ করতে পারবো বলে দৃঢ়ভাবে আশা করছি। এছাড়াও সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন তহবিল হতে সত্তর লক্ষ টাকা এবং পৌরসভার নিজস্ব তহবিল হতে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা, ড্রেন ইত্যাদি নির্মাণ ও মেরামতের কাজ করা হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে নিজস্ব তহবিল হতে প্রায় ছয় কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে পৌরসভার উন্নয়ন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। শুধু তাই নয় সাভার পৌরসভাকে বিশেষ শ্রেণীতে উন্নীতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। আশা করছি স্বল্পতম সময়ে আমরা এই পৌরসভাকে বিশেষ শ্রেণীর পৌরসভার মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে পারবো, ইনশাল্লাহ্।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, আপনাদের মৌলিক নাগরিক সুযোগ সুবিধাগুলো নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আর্থিক সঙ্গতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সেই দায়িত্ব কতটুকু ন্যায় বিচার, স্বচ্ছতা এবং সততার সাথে পালন করতে পারছি তা মূল্যায়নের ভার আপনাদের উপর। আপনারা দেখেছেন সাভার পৌর এলাকার সমস্ত বড় বড় রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপোযোগী ছিল। অধিকাংশ রাস্তা বছরের বেশীরভাগ সময় পানির নিচে থাকতো। রাস্তার অবস্থা এতই করুণ ছিল যে,যানবাহন চলাতো দূরের কথা পৌরবাসী পায়ে হেটে চলাচল করতে পারতোনা। জনগণের চলাচলের দুরবস্থা দূর করে সাভার পৌর এলাকার বড় বড় রাস্তা এবং ড্রেণগুলো চলার উপযোগী করেছি। আপনাদের অবগতির জন্য অবকাঠামোগত যে সমস্ত রাস্তা ও ড্রেনের কাজ শেষ করে চলাচলের উপযোগী করেছি তার কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করছি।১। সাভার থানা বাসস্ট্যান্ড হতে সাভার মডেল থানা হয়ে নামা বাজার পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেণ উন্নয়ন কাজ ২। সাভার বাসষ্ট্যান্ড হতে নামা বাজার পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ ৩। সাভার বাজার রোড আব্দুল কাদের সাহেবের বাড়ী হতে নামা বাজার বংশী নদী পর্যন্ত ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৪। আড়াপাড়া বেনিয়ান ট্রি হতে সাভার উত্তর বাজার কেয়ার ব্রিজ ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৫। রেডিও কলোনী বাসস্ট্যান্ড হতে সাভার নামা বাজার কেয়ার ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ ৬। সাভার বাসস্ট্যান্ড হতে রাজাসন  ভিশন গার্মেন্টস পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৭। পাকিজা টেক্সটাইল মিল হতে শাহীবাগ চৌরাস্তা হয়ে ইসহাক সাহেবের বাড়ী হয়ে ইমান্দিপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেন উন্নয়ন কাজ ৮। নামা গেন্ডা আব্দুস সাত্তার মোল্ল্যা মার্কেট হতে বাহাদুরের বাড়ী হয়ে চান মিয়া ব্রিক ফিল্ড পর্যন্ত ড্রেণ উন্নয়ন কাজ । এ সমস্ত রাস্তা এবং ড্রেনের কাজগুলো সমাপ্ত হওয়ার ফলে পৌর এলাকায় জনদূর্ভোগ অনেকটা লাগব হয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করে।

alt

উক্ত কাজগুলো নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের (ঈজউচ) আর্থিক সহায়তায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ২য় ও ৩য় পর্যায়ে আরোও প্রায় ৭০-৮০ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন হবে ।তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ নগর অঞ্চল প্রকল্প এর আর্থিক সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তার জন্য প্রায় ৩কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। উক্ত প্রকল্পের আওতায় ১। জালেশর তিন রাস্তার মোড় হতে জামসিং ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ  ২। কর্ণপাড়া বাসস্ট্যান্ড হতে পৌরসভার শেষ সীমানা সাদাপুর কালভার্ট পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন কাজ ৩। রাবেয়া ক্লিনিক হতে রেডিও কলোনী আমতলা মোড় পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেণ উন্নয়ন কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্প হতে আগামী অর্থ বছরে আরো পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্ধ প্রদান চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ টাকা পাওয়া গেলে আরোও অনেক রাস্তা,ড্রেণের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।হাজী আব্দুল গণি, আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ প্রকল্প (টএওওচ-৩) নামে আরেকটি প্রকল্পের কাজ সাভার পৌরসভায় শুরু হওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পৌরসভা হতে ১২টি পৌরসভাকে এ প্রকল্পে অন্তভর্’ক্ত করা হবে। গত জুলাই-২০১৫ হতে প্রকল্পের চাহিদানুযায়ী বিভিন্ন তথ্য প্রেরন করা হচ্ছে। প্রেরিত তথ্য অনুয়ায়ী অন্যান্য পৌরসভার চেয়ে সাভার পৌরসভা ভাল অবস্থানে রয়েছে। আশা করছি আগামী জুলাই-২০১৬ খ্রিঃ মাসের দিকে সাভার পৌরসভা উক্ত প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত হবে। এ প্রকল্পের আওতায় ৩০-৪০ কোটি টাকার ব্যয়ে রাস্তা এবং ড্রেনের কাজ সম্পাদিত হবে।বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভোলপমেন্ট ফান্ড তথা ইগউঋ এর আর্থিক সহায়তায় আগামী অর্থ বছরে আরো প্রায় ২০(বিশ) কোটি টাকা বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। উক্ত কাজের অনুমোদন পাওয়া গেলে পৌর এলাকার অধিক গুরুত্বপূর্ন রাস্তা এবং ড্রেণগুলোর কাজ বাস্তবায়ন করতে পারবো বলে আশা করছি।তিনি বলেন, সকল সরকারী অনুদান এবং প্রকল্প সহায়তা পাওয়ার জন্য কঠিন শর্ত হচ্ছে হোল্ডিং ট্যাক্স অত্যন্ত পক্ষে ৮০% আদায় করতে হবে এবং কাজের গুনগতমান ও অগ্রগতি দাতা সংস্থার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। আর তা সম্ভব হলেই অন্যান্য বিশেষ কাজ যেমন সুপার মার্কেট, বাস টার্মিনাল নির্মাণ, ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য জমি কেনাসহ ইত্যাদি বড় বড় কাজ এ সব প্রকল্প হতে করা সম্ভব হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আগামী দিনে আপনাদের প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা কতটা প্রয়োজন। এই সমস্ত উন্নয়মূলক কাজে আপনাদের সম্পৃক্ততার জন্য ইতোমধ্যে শহর সমন্বয় কমিটি(ঞখঈঈ) এবং ওয়ার্ড কমিটি(ডখঈঈ) গঠন করা হয়েছে। এই বিষয়ে আর কি কি কার্যক্রম গ্রহণ করা যায় সে সম্পর্কে আপনাদের তথা পৌরবাসীর মূল্যবান পরামর্শ আশা করছি। কেননা আমাদের লক্ষ্য পৌরসভার সকল কাজে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ এবং সার্বিক অংশগ্রহণ, সেবা প্রদান ও পৌরসভার উন্নয়ন।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, আপনারা অবগত আছেন রানা প্লাজা ট্রাজেডীর কারনে সাভার পৌরসভার প্লান অনুমোদন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এতে পৌরবাসীকে স্থাপনার প্লান অনুমোদন করানোর জন্য নানাবিধ হয়রানীর স্বীকার হতে হয়েছে। পৌরবাসীর ভোগান্তি হতে পরিত্রান পাওয়ার লক্ষ্যে মাননীয় এমপি মহোদয় একাধিকবার মন্ত্রণালয়ে সংল্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন। যার ফলশ্রুতিতে সাভার পৌরসভা প্লান অনুমোদনের ক্ষমতা ফিরে পায়। প্লান অনুমোদনের ক্ষমতা ফিরে পেয়ে প্লান অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু করেছি। তাই আপনাদের মাধ্যমে পৌরবাসীকে অনুরোধ করবো, তারা যেন পৌরসভার ভিতরে যে কোন ধরণের ইমারত অর্থাৎ বাড়ি, মার্কেট, দোকানঘর মিল-কারখানা, সীমানা প্রাচীর দেওয়াল ইত্যাদি নির্মাণের পূর্বে পৌরসভা থেকে নক্সা অনুমোদন এর বিষয়ে পৌরসভায় যোগাযোগ করে। আগামী প্রজন্মের কাছে এই পৌরসভাকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এখন থেকেই সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। অপরিকল্পিত ও নিয়ম বহির্ভূতভাবে বাড়ি-ঘর, মিল-কারখানা করার ফলে রাস্তা, ড্রেন, নির্মাণসহ নাগরিকদের চলাচলে দারুন অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ি-ঘর নির্মাণের পূর্বে রাস্তা থেকে জায়গা ছাড়ার বিষয়টি আপনাদের স্বার্থেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন অনেক বাড়ি-ঘর নির্মিত হচ্ছে, যেখানে পানি এবং পয়ঃনিস্কাশনের ড্রেন নির্মাণ দূরের কথা বিপদের মূহূর্তে একটি এ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী যাওয়ার ব্যবস্থাও নেই। ইমারত নির্মাণের পূর্বে রাস্তা এবং ড্রেন নির্মাণের জন্য জায়গা ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে পৌরবাসীর স্বার্থ রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ইমারত নির্মাণ করার পূর্বে পৌরসভা হতে ইমারত নির্মাণের  নক্সা অনুমোদন নেয়ার জন্য আপনাদের মাধ্যমে সকল পৌরবাসীকে অনুরোধ করছি।পৌর মেয়র আরও বলেন, পৌরসভায় একটি স্বাস্থ্য,পরিবার পরিকল্পনা ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ আছে। এ বিভাগ হতে পৌরবাসীকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা বিশেষ করে ছেলে-মেয়েদেরকে বিভিন্ন ধরণের টিকা এবং জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়ে থাকে। শিশুর জন্মের পরপরই পৌরসভায় শিশুর জন্ম এবং মৃত্যু ব্যক্তির নিবন্ধন করার জন্য আমি আপনাদের মাধ্যমে পৌরবাসীকে অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে পৌরসভা শিশুর জন্ম সনদসহ অন্যান্য সনদ সহজেই দিতে পারবে, যা ভবিষ্যতে নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রয়োজন হবে।পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, পৌরসভায় প্রতি পাঁচ বছর পর পর পৌরসভার বিভিন্ন হোল্ডিং এর পৌরকর পুনঃ ধার্য করা হয়ে থাকে। গত ১৮-০৪-২০১৬ খ্রিঃ তারিখ হতে সাভার পৌরসভা ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী কর নির্ধারনের কাজ শুরু করেছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে পৌরকর নির্ধারনের জন্য একটি করে টিম করা হয়েছে। উক্ত টিম পর্যায়ক্রমে প্রতিটি হোল্ডিং এ যাবে। আপনাদের মাধ্যমে পৌরবাসীকে অনুরোধ করছি, হোল্ডিং এর মালিক যেন পৌরকর নির্ধারনের জন্য গঠিত টিমকে সহযোগিতা করেন। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমরা সঠিকভাবে পৌরকর র্নিধারন করতে পারবো বলে আশা করছি।তিনি বলেন, সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারই আলোকে সাভার পৌরসভাও বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে সাভার এর আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে পৌরসভার উদ্যেগ গ্রহণ করেছি। আমরা ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ওয়ার্ড আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটি গঠনের কার্যক্রম শুরু করেছি। আইনশৃঙ্খলা উন্নতির লক্ষ্যে আমি এবং আমার পৌরপরিষদ অত্যন্ত আন্তরিক। এ বিষয়ে আপনাদের সকলের অন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, চলতি ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেট এবং আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট চূড়ান্তভাবে প্রণয়নের পূর্বে সাভার পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে খসড়া বাজেটের বিভিন্ন বিষয়ে টিএলসিসি এর মিটিং এ আলোচনা করা হয়েছে। তাদের আলোচনা এবং মতামতকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তাদের সুপারিশ এ বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পৌরপরিষদ এ বাজেট অনুমোদন করেছে।তিনি বলেন, আপনাদের সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে জন্য রাজস্ব এবং উন্নয়ন খাত মিলে প্রায় ১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৫১ হাজার ১৪৮ টাকা বাজেট পৌর-পরিষদ অনুমোদন করেছেন। যা সাভার পৌরসভার ইতিহাসে সর্বোচ্চ বাজেট।তিনি আরও বলেন, এ পৌরসভা আপনাদেরই। আমি এবং আমাদের পরিষদ আপনাদের দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। বিগত দিনে যতটুকু সফলতা আনতে পেরেছি তার মূল্যায়নের ভার আপনাদের উপর রইল। পৌরপরিষদের সকল সদস্য এবং পৌরসভার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে আমরা যাতে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সাভার পৌরবাসীর অধিকতর সেবা দিতে পারি এবং পৌরসভার সকল নাগরিককে সাথে নিয়ে পৌরসভাকে একটি আদর্শ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে পারি সে জন্য আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং মূল্যবান পরামর্শ একান্তভাবে কামনা করছি। ক্ষেত্র বিশেষে অনিচ্ছাকৃত ভুল হলেও হতে পারে, এক্ষেত্রে আপনাদের সুপরামর্শ সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করি।সাভার পৌর মেয়র হাজী আব্দুল গণি বলেন, সাভার পৌরসভার নির্বাচনের পূর্বে অঙ্গীকার করেছিলাম আমাকে পৌর মেয়র নির্বাচিত করা হলে সাভার পৌরসভাকে একটি আধূনিক,পরিচ্ছন্ন ও বাস উপযোগী মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করবো। অবহেলিত রাস্তা,ড্রেণ,সোয়ারেজ লাইন ও জলাবদ্ধতা নিরসন আমার একার পক্ষে কোন ক্রমেই করা সম্ভব নয়। আমাকে আপনারা ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার জন্য পৌর মেয়র নির্বাচিত করেছেন। আমি সাভার পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আগামী দিনে সাভার পৌরসভাকে সারা বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত  দেবার মত মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।পৌর মেয়র আরও বলেন, সাভারের বিভিন্ন এলাকা হতে কষ্ট করে এ বাজেট অনুষ্ঠানে  আসার জন্য আমি তথা আমার পৌরপরিষদের পক্ষ হতে আপনাদের সকলকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।


জেএসডি ষ্টিয়ারিং কমিটি’র সভার প্র¯তাব ঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সকল গুপ্ত হত্যার তথ্য থাকলে এত লোক হত্যা হলো কিভাবে

রবিবার, ১২ জুন ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ষ্টিয়ারিং কমিটির সভার প্র¯তাবে বলা হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন সকল গুপ্ত হত্যার তথ্য আছে তাহলে তাদের আগে থেকেই গ্রেপ্তার না করে এত লোক হত্যার সুযোগ করে দেয়া হলো কেন তা জনগণের নিকট দুর্বোধ্য। সুপ্রীম কোর্টের রায় মোতাবেক বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার না করা এবং যেনতেনভাবে রিমান্ডে না নেয়ার আদেশ দেয়ার পরও গত দুই দিনে ৩ হাজারেরও বেশী মানুষ গ্রেপ্তার করা হলো কিভাবে? আমরা জঙ্গী, সন্ত্রাসী ও খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার চাই তবে তা অবশ্যই আইন ও হাইকোর্ট-সুপ্রীম কোর্টের রায় মোতাবেক হতে হবে।খবর বাপসনিঊজ ।
গত ১২ জুন বিকেল ৪টায় দলের সভাপতির উত্তরাস্থ বাসভবনে অনুষ্ঠিত সভায় এ প্র¯তাব গ্রহণ করা হয়। জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন, সিনিয়র সহ-সভাপতি  এম এ গোফরান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম ফারুক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  সিরাজ মিয়া, সহ-সভাপতি মিসেস তানিয়া ফেরদৌসী, সাংগঠনিক সম্পাদক  এস এম আনছার উদ্দিন।


প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ( ২০১৬-১৭) এর উপর জেএসডির তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া

বৃহস্পতিবার, ০২ জুন ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি জনাব আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক জনাব আবদুল মালেক রতন অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ( ২০১৬-১৭) এর উপর এক তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, উপনিবেশিক ধাঁচের প্রথম ধারার রাজনীতি ভিত্তিক আইন-কানুন, রাষ্ট্র ব্যাবস্থাপনা ও অনির্বাচিত সরকার বহাল রেখে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ও অনেক সংখ্যক মেঘা প্রকল্প গ্রহন উন্নয়নের চাইতে দুুর্নীতি, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচারই অধিক  বৃদ্ধি করবে। বিনিয়োগ ও কর্ম সংস্থানের জন্য অনুকল পরিবেশ, উপজেলা ভিত্তিক শিল্পাঞ্চল স্থাপন এবং উপ আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি ও যোগাযোগ-পরিবহন অর্থনীতি শক্তিশালী করা ছাড়া ৭% এর অধিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাও টেকসই উন্নয়নের সুচকে পরিনত হবেনা।    


শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তনে গণআন্দোলন দরকার ............আ স ম আবদুর রব

রবিবার, ০১ মে ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:মহান মে দিবসের আলোচনা সভায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আ স ম আবদুর রব বলেছেন, গণমূখী রাষ্ট্র ছাড়া শ্রমিক-কৃষক মেহনতী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা যাবে না। বিদ্যমান নিপীড়ক রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তনের জন্য গণআন্দোলন রচনা করতে হবে। গণআন্দোলনের মাধ্যমেই শোষণ-নিপীড়ন-নির্যাতনের রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে জনগণের শাসন কায়েম করতে হবে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় শ্রমজীবি-কর্মজীবি-পেশাজীবি জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই গণমূখী রাষ্ট্রের প্রবর্তন হবে। যে সমাজে উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়না, সে সমাজ প্রগতিশীল হতে পারে না। বিদ্যমান শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্র আর চলতে পারে না। এই অবস্থা চলতে থাকলে নৈরাজ্য, জঙ্গীবাদ, সন্ত্রসবাদে রাষ্ট্র চূড়ান্ত ঝুঁকিতে পড়বে-যা আমাদের স্বাধীনতাকেই বিপর্যস্থ করে তুলবে। জেএসডি’র ১০ দফা বাস্তবায়নে নতুন ধারার রাজনীতি ও শাসন কাঠামো দিয়ে বিদ্যমান সংকটের মোকাবেলা করা সম্ভব।খবর বাপসনিঊজ ।
জনাব রব অবিলম্বে শ্রমিকদের নূন্যতম ১৩হাজার টাকা মজুরি নির্ধারন করে মজুরী কমিশন ঘোষনাসহ শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্ব্যস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
গত ১ মে সকাল ১০টায় মহান মে দিবস উপলক্ষে ৬৫ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জনাব রব এ সকল কথা বলেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেএসডি নেত্রী তানিয়া ফেরদৌসী, আতাউল করিম ফারুক,  সিরাজ মিয়া, আবদুল খালেক, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, মোশারফ হোসেন, আবুল হোসেন প্রমুখ।আলোচনা সভা শেষে  একটি বর্নাঢ্য র‌্যালী মহানগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।


যুক্তরাষ্ট্র জেএসডি’র উপদেষ্টা আহসান মাসুদের বড় ভাই প্রাক্তন এমএন এ আহমেদ খালেক ও বড় বোন হাসি-আরা বেগমর মৃত্যুতে জেএসডি’র শোক প্রকাশ

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিউজ : যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার উপদেষ্ট্রা আহসান মাসুদের বড় ভাই প্রাক্তন এমএনএ ও মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক এম আহমেদ খালেক (৯১)এবং বড়বোন হাসিআরা বেগম (৭৮) গত ১৬ এপ্রিল শনিবার ঢাকায় ইন্তেকাল করেছেন । বড় ভাই সকালে এবং বোন সন্ধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন। বড় বোন মৃত্যুকালে ৫পুত্র ১ কন্যাসহ অসংখ্য নাতী নাতনী গুন গ্রাহী বন্ধু বান্ধব রেখে গেছেন। খবর বাপসনিঊজ।আহসান মাসুদের বড় ভাই আহমেদ খালেক ও বড়বোন হাসিআরা বেমের মৃত্যুতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল -জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক শোক প্রকাশ ও শোক সতপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন
alt
ছবিতে: বামে প্রাক্তন এমএনএ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আহমেদ খালেক ও ডানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ভাই আহসান মাসুদকে দেখা যাচ্ছে। ছবি: বাপসনিউজ।


নতুন বছরের বাজেট দেয়ার আগেই মজুরী কমিশন ঘোষনা করতে হবে ..... আবদুল মালেক রতন

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেছেন, নতুন বছরের বাজেট দেয়ার আগেই কমপক্ষে মাসিক ১৩হাজার টাকা মজুরী ধরে মজুরী কমিশন ঘোষনা করতে হবে। পে-কমিশন ঘোষনার আগেই বর্তমান মজুরী দিয়ে শ্রমিকদের সন্তানদের লেখা-পড়া, চিকিৎসা সহ সংসার চালানো কষ্টকর ছিল। পে-কমিশন ঘোষনার পর সব কিছুর দাম ৫০-৬০ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায় শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ১৩ হাজার টাকার নীচে হলে তাদের পক্ষে সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। শ্রমিকদেরকে বুভুক্ষ রেখে উন্নয়নের জোয়ারের কথা বলা তামাসা ছাড়া কিছুই হতে পারেনা। জনাব মালেক রতন আরো বলেন,  শ্রমিকদের কর্মস্থানের নিরাপত্তা বিধান, শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ করা, বকেয়া পাওনা পরিশোধ ও শিশু শ্রমিকদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও আজ রাষ্ট্র ও সরকারের নৈতিক দায়িত্বআজ বিকেল ৪টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহান মে দিবসে সকাল ১০টার আলোচনা সভা ও পরবর্তী র‌্যালী সফল করার লক্ষ্যে জেএসডি আয়োজিত এক প্রতিনিধি সভায় জনাব মালেক রতন এ সব কথা বলেন। জেএসডি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ গোফরান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভায় বক্তব্য রাখেন  তানিয়া ফেরদৌসী, আতাউল করিম ফারুক, সিরাজ মিয়া, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, মোশারফ হোসেন, আবদুর রাজ্জাক রাজা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


শের-ই-বাংলার ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ২৭ এপ্রিল সাতুরিয়ায় ব্যাপক আয়োজন

সোমবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,ঝালকাঠি প্রতিনিধি॥ আগামী ২৭ এপ্রিল অবিভক্ত বাংলার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক’র ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সাতুরিয়া গ্রামে ব্যাপক কর্মসূচী পালন করছে ‘শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক রিসার্চ ইনন্সিটিটিউট’। শের-ই-বাংলার জন্মস্থান ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামে এ মহান নেতার স্মৃতিকে স্মরনীয় রাখার জন্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার একেএম রেজাউল করিম ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর (শের-ই-বাংলার জন্মদিন) সাতুরিয়া গ্রামে শের-ই-বাংলার নানা বাড়ীর কাছে ‘শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক রিসার্চ ইনন্সিটিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করেন।

alt

দক্ষিন বাংলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো: হানিফ এ প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব জমিতে দ্বিতল ভবন রয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর হতেই ‘শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক রিসার্চ ইনন্সিটিটিউট’ ব্যাপক আয়োজনে প্রতি বছর শের-ই-বাংলার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে আসছে। আগামী ২৭ এপ্রিল শের-ই-বাংলার ৫৪তম মৃত্যুবাষির্কী উপলক্ষে সাতুরিয়ায় ব্যাপক কর্মসূচী পালন করবে ‘শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক রিসার্চ ইনন্সিটিটিউট’। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, কোরআন খানি, দোয়া ও মিলাদ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে টি শার্ট এবং বই বিতরন। এ আয়োজনে প্রধান অতিথি থাকবেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: আজিজ রহিম। প্রধান বক্তা থাকবেন (টেলি কনফারেন্স) ‘শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক রিসার্চ ইনন্সিটিটিউট’র প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার একেএম রেজাউল করিম।

alt

বিশেষ অতিথি থাকবেন রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো: মনিরুজ্জামান, কাউখালি  উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আহসান কবির, ভান্ডারিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল তালুকদার, বাংলাদেশ সুৃপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী এনায়েতুর রহমান বাচ্চু,  কাউখালি  উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মিঠু, রাজাপুর উপজেলা  ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা আকতার লাইজু, সাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান  ছিদ্দিকুর রহমান, রাজাপুর  মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো¯তফা কামাল সিকদার ও কাউখালি সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ মিল্টন। সভাপতিত্ব করবেন শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট চেয়ারম্যান আলহাজ্জ কেএম আব্দুল করিম।


আলী হায়দার চৌধুরীর স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল

সোমবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিল্পপতি, বেঙ্গল লেদার গ্রুপের চেয়ারম্যান আলী হায়দার চৌধুরীর মৃতুতে শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকাস্থ রায়পুরবাসী নামক একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক আ স ম আবদুর রব। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রব বলেন, ''মরহুম আলী হায়দার চৌধুরীকে শুধু ভালো মানুষ বললে অবিচার করা হবে, তাঁর মতো প্রচারবিমুখ জনহৈতষী ব্যক্তি সমাজে বিরল। এলাকার সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়নে মরহুমের নিরলস প্রচেষ্টা শুধু রায়পুরবাসীকে নয়, পুরো লক্ষ্মীপুরবাসীকেই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে।''

http://www.mujibsenanews.com/uploads/images/1460971083_ali.jpg" alt="">


জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সাংসদ ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হারুনুর রশীদ। ঢাকাস্থ রায়পুরবাসীর আহ্বায়ক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় উক্ত স্মরণ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মরহুমের সুযোগ্য সন্তান টিপু সুলতান, রোটারিয়ান রফিকুল হায়দার চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর যুব কল্যাণ সমিতির সভাপতি জাকির হোসেন, মেজর তৌফিকুর রহমান, কালের কণ্ঠের ডিজি এম হারুনের রশীদ, রেডিয়েন্ট গ্রুপের পরিচালক বেলাল আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতির সেক্রেটারি, বিটিসিএল-এর পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ফখরুল আলম।


পহেলা বৈশাখে বঙ্গবন্ধুকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ঘোষণা করা হয়

বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৬

Picture

বাপসনিঊজ:ঢাকা থেকে :বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রথম মাসের প্রথম দিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে “সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি” ঘোষণা করা হয়।
বিবিসি বাংলা সার্ভিস ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাস জুড়ে বিবিসির শ্রোতাদের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপের পর এ ঘোষণা দেয়। এই জরিপে শ্রোতাদের তাদের শ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচনের জন্য বলা হয়। ১৪১১ সালে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের দিন পহেলা বৈশাখে এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
এই ঘোষণার সময় বিবিসি বাংলা সার্ভিস থেকে এর ওয়েবসাইটে (http://news.bbc.co.uk/2/hi/south_asia/3623345.stm) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জনপ্রিয়তার দিক থেকে বঙ্গবন্ধু অনায়াসেই নোবেল বিজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ছাড়িয়ে গেছেন।
এই জরিপে শ্রোতাদের বিচারে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত প্রথম ২০ জনের মধ্যে একমাত্র জীবিত আরেক নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন রয়েছেন ১৪তম অবস্থানে। তিনি জনপ্রিয়তার দিক থেকে ক্ল্যাসিক চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের পরের অবস্থানে রয়েছেন।
বাঙালি নারীদের মধ্যে থেকে একমাত্র রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নাম নির্বাচিত হয়েছে। এতে তাঁর অবস্থান ছয় নম্বরে রয়েছে। বেগম রোকেয়া বিংশ শতাব্দির সামাজিক কুসংস্কার ও পারিবারিক শৃংখল ভেঙ্গে বাঙালী মুসলিম নারীদের শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেন।
শ্রেষ্ঠ ২০ জনের মধ্যে সমাজ সংস্কারক ও বিপ্লবী নেতা নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোসের নাম পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এতে অষ্টম অবস্থানে রয়েছেন। তিনি সনাতন ধর্মীয় সমাজ থেকে বর্ণ বৈষম্য বিলোপের আন্দোলন গড়ে তোলেন। উনিশ শতকের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা মির নাসির আলী তিতুমির এতে ১১তম অবস্থানে রয়েছেন।
বিবিসির শ্রোতারা তাদের ভোটে কেবল কবি বা রাজনীতিবিদদের নামই নির্বাচন করেননি। এ জরিপে শ্রোতারা বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুকে ৭ম অবস্থানে নির্বাচিত করেছেন। জগদীশ চন্দ্র বসু প্রথম বিজ্ঞানী যিনি উদ্ভিদের জীবনচক্র আবিষ্কার করেন।
বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারতে বিবিসি বাংলা সার্ভিসের প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শ্রোতা রয়েছে। এই জরিপে ১০০ বাঙালির নাম তালিকাভূক্ত করা হয়। শ্রোতাদের ভোটে তাদের মধ্যে থেকে ২০ জনকে নির্বাচিত করা হয়।


দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ-ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ দরকার ........আ স ম আবদুর রব

মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি, বাপসনিউজ :স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী  আ স ম আবদুর রব বলেছেন, দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি। খুন-হত্যা-ধর্ষণ-গুম এমন পর্যায়ে উপনিত হয়েছে তাতে সমগ্র জনগণ চরম উৎকন্ঠিত হয়ে পড়ছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার পুরো ব্যর্থ হয়েছে। একটি খুনের বিষয় যথাযত সম্পন্ন করতেও সরকার সক্ষম নয়। সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় সকল ক্ষেত্রে ব্যর্থ। এখন আর বল প্রয়োগও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেনা।

alt

রাজনৈতিক সংকটকে শক্তি প্রয়োগে সমাধান করতে গিয়ে সারা দেশে সরকার হিংস্রতা এবং জিঘাংসা ছড়িয়ে দিচ্ছে। উন্নয়নের নামে তান্ডব চলছে। রাজনৈতিক সংকট, বৈধতার সংকট, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির সংকট সব মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ। এ থেকে উত্তরণের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গত ১২ এপ্রিল বিকেল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাব এর সামনে জেএসডি আয়োজিত মানবন্ধনে  আ স ম আবদুর রব এসকল কথা বলেন। খবর বাপসনিঊজ। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন, এম এ গোফরান, তানিয়া ফেরদৌসী, আতাউল করিম ফারুক, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।


কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রবিবার, ১০ এপ্রিল ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে নবনির্মিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার সকাল ১০টায় তিনি নবনির্মিত এ কারাগারের উদ্বোধন করেন।কারাগারটি এশিয়ার সর্বাধুনিক ও বৃহত্তম মডেল কারাগার। নতুন এ কারাগারটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ’। ৪ হাজার ৫৯০ জন বন্দীকে রাখার জন্য এ কারাগারটি নির্মাণ করা হয়েছে। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার তেঘরিয়া ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে কারাগারটি স্থানান্তরিত হচ্ছে।

কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রায় সোয়া ২০০ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোড থেকে কেরানীগঞ্জে  স্থানান্তরিত করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় কারাগারটি। একই সাথে বদলে যাচ্ছে কারা স্থাপনার লাল রং বা লাল দালানের কথাটি। যে কারণে বর্তমানের আধুনিক এ কারাগারটির দেয়ালের রং সাদা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নবনির্মিত এ কারাগারটিতে শুধু পুরুষ বন্দীদের রাখা হবে। পুরুষ কারাগারটির পাশে নতুন একটি মহিলা কারাগার নির্মাণাধীন রয়েছে। মহিলা কারাগারটির নির্মাণ শেষ হলে নারী বন্দীরা থাকতে পারবেন।

 বর্তমানে পুরনো ঢাকার নাজিমউদ্দীন রোডে স্থাপিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে নতুন কারাগারটির দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। ১৭৮৮ সালে স্থাপিত পুরান ঢাকার এ কারাগারটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম এক সাক্ষী। উদ্বোধনের পরই কারা কর্তৃপক্ষ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা প্রায় ৮ হাজার বন্দীকে স্থানান্তরের কাজ শুরু করবে।

১৯৮০ সালে বর্তমানের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারটি স্থানান্তরের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করার দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরিত হচ্ছে। বিশ্বের আধুনিক সকল কারাগারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই কারাগারটি নির্মাণ করা হয়।

মোট ১৯৪ দশমিক ৪১ একর জমির ওপর এ কারাগারটি অবস্থিত। এ এলাকায় মোট তিনটি কারাগার নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে পুরুষ কারাগার দুইটি আর মহিলা কারাগার ১টি। মহিলা কারাগারটিতে ২শ’ বন্দীকে রাখা যাবে। প্রতিটি পুরুষ কারাগার ৩১ একর জমিতে তৈরি করা হচ্ছে। আর মহিলা কারাগারটি তৈরি হবে ১১ একর জমির ওপর। ২০০৬ সালের একনেকে এ কারাগারটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নতুন এ কারাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। কারাগারের চারপাশে ১৮ ফুট উচ্চতার বিশেষ প্যারামিটার দেয়াল তৈরি করা হয়েছে। এর উপরে রেক্টিফাইড ক্যাবল দিয়ে কমপক্ষে ৬ ফুট উঁচু করে ঘিরে রাখা হয়েছে।