Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বাংলাদেশের খবর

বান কি মুনের ফোন, জাতিসংঘ প্যানেলে শেখ হাসিনা

সোমবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন।  রবিবার রাত ৮টায় জাতিসংঘ মহাসচিব এই ফোন করেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।তিনি বলেন, ফোনালাপে তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর বান কি-মুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানান, জাতিসংঘ ‘ইউনাইটেড নেশনস হাই লেভেল প্যানেল অন ওয়াটার’নামে একটি প্যানেল করতে যাচ্ছে। এই প্যানেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সদস্য হিসেবে রাখার প্রস্তাব করেন বান কি-মুন। প্রধানমন্ত্রী এই প্রস্তাবে সম্মতি জানান।

 Picture
ইহসানুল করিম বলেন, আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে জাতিসংঘে পুলিশের একটি সম্মেলন হবে। এই সম্মেলনে বাংলাদেশ থেকে উচ্চ পর্যায়ের একটি দল পাঠাতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন বান কি-মুন। আগামী ডিসেম্বরে ঢাকায় গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শীর্ষক একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।প্রেস সচিব ইহসানুল বলেন, ফোনালাপে এই সম্মেলনে অংশ নিতে জাতিসংঘ মহাসচিবকে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী।
 
প্রধানমন্ত্রী বান কি-মুনকে বলেন, বাংলাদেশ এখন স্থিতিশীল। সকল রাজনৈতিক দল এখন ইউনিয়ন কাউন্সিল পর্যায়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। সকলে নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত। এর আগে সকল দলের অংশগ্রহণে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।


আইন-শৃংখলা বাহিনী পেশাগত পরিধি অক্রিম করছে ...... আবদুল মালেক রতন

রবিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেছেন, দেশের আইন-শৃংখলা বাহিনী জনগনের সাথে আচরনে পেশাগত নীতিবোধ ও পরিধি অতিক্রম করছে। দেশের গনতšন্ত্রহীনতার সুযোগেই তাদের পক্ষে এমনটি করা সম্ভব হচ্ছে। A S Mঐতিহাসিক ২রা মার্চ স্বাীনতার পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আ স ম আবদুর রব এ দেশের স্বাধিকার সংগ্রামকে স্বাধীনতার দিক দর্শন দিয়েছিলেন। এবার ২রা মার্চ পালনের মধ্য দিয়ে আমরা গনতন্ত্র প্রুতিষ্ঠার দিক দর্শন প্রদান করবো। আজ বিকেল ৪টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ২রা মার্চ উদযাপন কমিটির সভায় বক্তব্য দানকালে আবদুল  মালেক রতন এ সকল কথা বলেন।খবর বাপসনিঊজ।

২রা মার্চ উদযাপন কমিটির আহবায়ক বিশিষ্ট গীতিকার শহীদুললাহ ফরায়জীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেএসডি নেত্রী  তানিয়া ফেরদৌসী, এম এ গোফরান, আনোয়ার হোসেন, আতাউল করিম ফারুক,  সিরাজ মিয়া, জিয়া খোন্দকার, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, মোশারফ হোসেন, কাজী আবদুস সাত্তার, আবদুর রাজ্জাক রাজা, আবদুললাহ আল তারেক, সৈয়দা ফাতেমা হেনা,মজিবুর রহমান মোললা, এস এম রানা চৌধুরী, মাইন উদ্দিন বিপলব প্রমুখ।


জেএসডি নেতা আকরাম খান এর ইন্তেকাল শোক প্রকাশ

রবিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বাপসনিঊজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি আকরাম খান ( ৭৪ ) গতকাল ৫ ফেব্রুয়ারী সকালে টাঙ্গাইলের বাশাইল উপজেলাধীন বাঐখোলা গ্রামের নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহে........... রাজেউন)। তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন। ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত ছিলেন। গতকাল বাদ আসর স্থানীয় স্কুল মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়। দাফন অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা জেএসডি’র সাধারন সম্পাদক শফিউল আলম সহ জেএসডি’র অসংখ্য নেতা-কর্মী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন।খবর বাপসনিঊজ।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এবং সাধারন সম্পাদক সামসুউদ্দিন আহমেদ শামীম- এক বিবৃতিতে আকরাম খান এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।


মাটিতেই বসে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:ঢাকা : নিজের সরকারি বাড়ি গণভবনে অনেককেই চায়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যমকর্মী, আইনজীবী, রাজনীতিক ও অধ্যাপকরা।

Picture

সোমবার বিকেলে অতিথিরা তার বাসায় গেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সাড়ে ৪টার দিকে গণভবনের লনে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবাইকে নিয়ে খোলা মাঠে মাদুর পেতেই বসে পড়েন তিনি। তাকে ঘিরে ছিলেন নারীরা। প্রায় সোয়া একঘণ্টা সবার সঙ্গে আড্ডায় মাতেন তিনি। সবাইকে আপ্যায়িত করা হয় শীতের পিঠা-পুলি দিয়ে।

alt

পাশেই নির্মিত মঞ্চে চলছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আড্ডার পাশাপাশি অনেকেই উপভোগ করেন গান আর আবৃত্তি। কিন্তু সবকিছুইকে ম্লান করে দেয় প্রধানমন্ত্রীর আড্ডা। এসময় প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা, মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুল, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক। তারাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মাদুরে বসেন।

alt

বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক, মহাসচিব অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশীদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান প্রমুখ। সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, জনকণ্ঠ সম্পাদক আতিকুল্লাহ খান মাসুদ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, একাত্তর টিভির মোজাম্মেল বাবু,  নবনিতা চৌধুরী, এটিএন বাংলার জ ই মামুন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেত মজুমদার, ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম। সংস্কৃতি ব্যক্তিত্বের মধ্যে ছিলেন মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, অভিনেতা আলী যাকের, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, চঞ্চল চৌধুরী প্রমুখ।বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে চা চক্র ও পিঠা উৎসবে ছিল নানা ধরনের পিঠা-পুলি, কাবাব, পরটা, নানসহ আরো অনেক কিছু।

alt

আর সেই আড্ডা চলে মাগরিবের আজান পর্যন্ত। মাগরিবের নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রায় দেড় ঘণ্টা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানেই রাতের খাবারও খাবেন তারা।

'আমাদের প্রধানমন্ত্রী'

আমাদের প্রধানমন্ত্রী
চেয়ারে বসেছেন অতিথিরা। আর প্রধানমন্ত্রী বসেছেন মাটিতে শতরঞ্জি পেতে। এমনই একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। এই ছবি শেয়ার করে কেউ কেউ লিখছেন, 'আমাদের প্রধানমন্ত্রী' হাসিনার দ্বারাই সম্ভব মানুষের সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়ানো। সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাড়িতে পিঠা-পুলির দাওয়াত খেতে এসেছেন অনেকে শিক্ষক, কেউ সাংবাদিক, কেউ সাহিত্যিক, কেউ সাংস্কৃতিক কর্মী। ছোট একটা মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে চলছে অনুষ্ঠান আর প্রধানমন্ত্রী সামনে মাটিতে বসে সেই অনুষ্ঠান দেখছেন। তার পাশে ছোট বোন শেখ রেহানা ছাড়াও রয়েছেন অন্য অনেকে। সবার সঙ্গে আড্ডা জমিয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিবারের মতো এবারও পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী বাসভবন গণভবনে এ আয়োজন করা হয়। প্রথমে গান দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।


মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সরকার নির্বাসনে দিয়েছে ...... আ স ম আবদুর রব

সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী আ স ম আবদুর রব বলেছেন,জনগণের রাজনৈতিক অধিকার অর্থাৎ জনগণের রাষ্ট্র জনগণের সম্মতি ও সমর্থনে পরিচালিত হবে-এটাই ছিলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মৌল ভিত্তি। কিন্তু সরকার জনগণের রাজনৈতিক অধিকার-ভোটের অধিকার, মৌলিক মানবাধিকার হরণ করে জোরপূর্বক ক্ষমতা আকড়ে আছে। রাষ্ট্র ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সরকার নির্বাসনে দিয়েছে। জনগণের অধিকার লুন্ঠন করে ক্রীতদাসের রাষ্ট্র বানানোর জন্য মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়নি। জনগণের আত্মদান, জনগণের সংগ্রামী অবদানেই আজকের বাংলাদেশ অথচ জনগণকে প্রতিনিয়ত উপেক্ষা করা হচ্ছে-অবহেলা করা হচ্ছে। যারা অধিকার আদায়ে প্রতিবাদকারী তাদের গ্রেপ্তার-নির্যাতন, ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। অন্যায়-অযোগ্যভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে জাতির নৈতিকতাকে চরমভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে।

Picture

জনাব রব বলেন, এই রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব থেকে মুক্তি পেতে হলে সংবিধানের ব্যাপক সংস্কার করতে হবে। দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠন করতে হবে, প্রদেশ ও প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ জেএসডি’র ১০ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। আজ ১৪.জানুয়ারী সকাল ১১ টায় টাঙ্গাইল জেলা জেএসডি আয়োজিত কাউন্সিলের উন্মুক্ত অধিবেশনে প্রধান অতিথি’র ভাষণ দানকালে জনাব রব এ সকল কথা বলেন।

  বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেএসডি সাধারন সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন বলেন, জঙ্গী ইস্যুতে বৃহৎ শক্তি সমুহ বাংলাদেশকে দাবার গুটি হিসাবে ব্যবহার করতে তৎপর। শক্তিশালী জাতীয় ঐক্য ও গনতন্ত্রের মধ্যদিয়ে আমাদেরকে জঙ্গীবাদের উত্থান যেমন রোধ করতে হবে তেমনি বিদেশী অপতৎপরতাও অকার্যকর করে দিতে হবে।

  টাঙ্গাইলের ভাষানী হলে জনাব মতিউর রহমান মতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জিয়া খোন্দকার, এ্যাড. এম এ রশিদ, শফিউল আলম, নুরুল ইসলাম নুরু, জহুরুল ইসলাম, এ্যাড. মফিজুর রহমান, মোতাহার হোসেন, ফারুক শিকদার, আমিনুল ইসলাম বাদশা, গোলাম আম্বিয়া জিন্নাহ, রফিকুল ইসলাম হুমায়ন প্রমুখ।


শতবাষির্কীতে রায়পুর এল, এম, পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৬

আলম শাইন : দেড়যুগ অবধি দেশের প্রথম শ্রেণীর জাতীয় দৈনিকগুলোতে লিখছি। লিখতে হচ্ছে দেশের বাইরের কয়েকটি খবরের কাগজেও। দু’হাতে লেখা বলতে যা বুঝায়, সেটিই করছি আমি। প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন কাগজে লিখতে হচ্ছে আমাকে। সাধারণত দু’টি কারনে লেখালেখি করছি। প্রথমত: জীবিকার তাগিদে। দ্বিতীয়ত: নেশার একটা ব্যাপার-স্যাপর জড়িত আছে তৎসঙ্গে। গল্প, উপন্যাস লেখার পাশাপাশি লিখতে হচ্ছে সমসাময়িক বিষয় নিয়েও। তন্মধ্যে বন্যপ্রাণী নিয়ে লিখতে হচ্ছে বেশি বেশি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বন্যপ্রাণীদের অবদান নিয়ে লিখে মানুষকে সচেতন করার প্রয়াসেই মূলত এ দিকটায় নজর দেয়া। তা ছাড়া এ বিষয়ে আরো উদ্বুদ্ধ হয়েছি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘বোষ্টন বাংলা নিউজ অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত হয়ে। ২০০৮ সালে জীবনধর্মী একটি উপন্যাসের জন্য ‘ড. মঞ্জুশ্রী’ পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছি। এ সব বলার উদ্দেশ্য শুধু একটিই, আর সেটি হচ্ছে আমি রায়পুর এল, এম, পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৮৭ইং ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলাম, আর সেই শিক্ষার্থীর সফলতাটা জানান দেয়া। ছাত্র হিসাবে খুব একটা ভাল ছিলাম না। আমার চেয়ে যারা অধিকতর ভাল ছাত্র ছিলেন, তারা নিশ্চয়ই আজ আকাশচুম্বী সাফল্য পেয়েছেন, যার তুলনায় আমি হয়তো নস্যি। তার পরও বলবো আজকের এ জায়গায় আশার মূলমন্ত্রটি কিন্তুু আমাকে শিখিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। আর হ্যাঁ, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীর কথাটা না বললেই নয়। ওই রুমটায় পদচারণা না থাকলে হয়তো আজ নামের শেষে বিশেষণগুলো যোগ হতো না। ঋৃণী তাই আমি সবার কাছে। স্কুলের শিক্ষক এবং দপ্তরী থেকে শুরু করে ইট-সুড়কির ভবনটার কাছেও ঋৃণী আমি।

Alam Sahin
প্রিয় পাঠক, ছোট ভাইতুল্য ¯েœহভাজন আলমগীর হোসেন-এর পীড়াপীড়িতে লেখাটির অবতারনা। আলমগীরকে বলেছি নিজ বিদ্যালয় সম্পর্কে লেখার সাহস আমার নেই। কি রেখে কি লিখবো কিংবা কোন স্যারকে বাদ দিয়ে কোন স্যারকে নিয়ে লিখবো তা আমার কাছে কঠিন পরীক্ষা মনে হচ্ছে। আলমগীর নাচোড়বান্দা লিখতে-ই হবে কিছু না কিছু। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক লেখার চেষ্টা করলাম তাই।
জানি রায়পুর এল,এম, পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় সম্পর্কে ঢাকঢোল পিটিয়ে বলার তেমন কিছু নেই। এটি শুধু লক্ষ্মীপুর জেলাই নয়, বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার মধ্যে অন্যতম একটি স্কুল। স্কুলটি স্থাপিত হয়েছে ১৯১১ সালে। রায়পুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে স্কুলটি দাঁড়িয়ে আছে। যার সামনে দিয়ে চলে গেছে রায়পুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কটি। এতে করে শিক্ষার্থীদের যাতায়তের সহজ মাধ্যম তৈরি হয়েছে। তাই নি:সন্দেহে বলতে পারি বিদ্যালয়ের অবস্থানটি আদর্শস্থান দখল করে আছে। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত রাখতে স্থানটি যথেষ্ট সহায়কও। এ ছাড়াও রয়েছে স্কুলটির নান্দনিক দর্শন। যার ফলে একটি অমনোযোগী শিক্ষার্থীও স্কুলের সান্নিধ্যে এসে নিজদেরকে গড়ে তোলার মোক্ষম সুযোগ পেয়ে যায়। যার প্রমাণও রয়েছে ভূরিভূরি। এসএসসি-তে বারাবরই ভাল রেজাল্ট করছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। যখন স্কুলে ভর্তি হয়েছি তখন থেকে আজ অবধি শুনে আসছি বিদ্যালয়ের জয় জয়কার। নিজ সন্তানদেরকে শুনিয়ে আত্মতৃপ্তি বোধকরি তা। রায়পুরে অবস্থান করলে অবশ্যই সন্তানদেরকে এ স্কুলের শিক্ষার্থী হিসাবে দেখার সুযোগ হতো আমার। সে সুযোগটি হাতছাড়া হওয়াতে বিষণœতায়ভোগী মাঝে মাঝে। তাই বলছি প্রাক্তন শিক্ষার্থী ভাইদেরকে যাদের অবস্থান রায়পুরে তারা যেন এ ভুলটি না করেন। আমরা চাই বংশ পরম্পরায় এই ঐতিহাসিক স্কুলটির ছাত্র হয়ে থাকতে।
সর্বশেষ বলতে চাই, এমন একটি ঐতিহাসিক স্কুলে পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে বিধায় গর্বিত আমি। যে স্কুলটির ‘শতবার্ষিকী অনুষ্ঠান’ পালিত হচ্ছে আজ ঘটা করে। যার জন্যে আরো সুভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজকে যে, বার্ষিকীটা দেখার সুযোগ হয়েছে মধ্যবয়সে এসেই।  
লেখক: আলম শাইন, কথাসাহিত্যিক, কলামিষ্ট, বন্যপ্রাণী বিশারদ ও পরিবেশবিদ। এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।


জেনারেল জ্যাকবের মৃত্যুতে জেএসডি’র শোক

বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৬

Jacob

আয়েশ আক্তার রুবি,বিশেষ সংবাদদাতা,বাপসনিউজ:জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি  আ স ম আবদুর রব ও সাধারন সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অকৃত্রিম বন্ধু ও ভারতীয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল ( অব: ) জে এফ আর জ্যাকবের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জেনারেল জ্যাকবের অবদান শুধু ভারত-বাংলাদেশ নয়, বিশে^র মুক্তিকামী মানুষের ইতিহাসে অক্ষয় হয়ে থাকবে।


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের পূর্ণ বিবরণ

বুধবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
সবাইকে ইংরেজি নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
আজ ১২ জানুয়ারি। ২০১৪ সালের এই দিনে আপনাদের সমর্থনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আমি আপনাদের দো’য়ায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করি।
আমরা টানা দ্বিতীয়বারের মত সরকার গঠন করে ইতোমধ্যে জনগণকে দেওয়া ওয়াদা পূরণে উন্নয়ন কর্মকা- ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছি।
সরকারের দ্বিতীয় বছর পূর্তিতে বাংলাদেশের সকল গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।
স্মরণ করছি ৩ নভেম্বর জেলখানায় নিহত জাতীয় চারনেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে।
শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদকে। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, স্বজন হারানো পরিবার ও একাত্তরে নির্যাতিত ২-লাখ মা-বোনদের প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক সমবেদনা।
গভীর বেদনার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের শিকার আমার মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, আমার তিন ভাই ক্যাপ্টেন শেখ কামাল, লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল ও দশ বছরের শেখ রাসেল, কামাল ও জামালের নবপরিণীতা স্ত্রী সুলতানা ও রোজী, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র সহোদর শেখ নাসের, বঙ্গবন্ধুর সামরিক সচিব বিগ্রেডিয়ার জামিলসহ সেই রাতের সকল শহীদকে।
স্মরণ করছি, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী রহমানসহ শহীদ ২২ নেতা-কর্মীকে।
স্মরণ করছি বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় নির্মম হত্যাকা-ের শিকার প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এসএএমএস কিবরিয়া, আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার, মঞ্জুরুল ইমাম, মমতাজউদ্দিনসহ ২১ হাজার নেতাকর্মীকে।
দশম সংসদের যে সকল সংসদ সদস্য ইন্তেকাল করেছেন তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

প্রিয় দেশবাসী
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি-জামাত জোট সারাদেশে যে ঘৃণ্য ও পৈশাচিক সন্ত্রাস চালায় তা কোনদিন বিস্মৃত হওয়ার নয়। তাদের এই নৃশংসতা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হায়েনা ও তাদের দোসরদের নির্মমতার সাথেই কেবল তুলনা করা যায়।
জামাত-বিএনপি জোটের সহিংসতায় যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদেরকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা। আহতদের জন্য আন্তরিক সহানুভূতি।

প্রিয় দেশবাসী,
বিএনপি-জামাত জোটের সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগ ও পেট্রোল বোমার শিকার হয়ে নিরীহ বাসড্রাইভার, বাস-টেম্পো-সিএনজি যাত্রী, প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ-বিজিবি-আনসার, সেনাবাহিনীর সদস্য, এমনকি স্কুলের শিক্ষক ও শিশুও নিহত হয়েছেন। অনেকে আগুনে দগ্ধ হয়েছেন, জীবনের তরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছেন।
সন্ত্রাস বোমাবাজি উপেক্ষা করে সেদিন আপনারা গণতন্ত্রকে বিজয়ী করেছিলেন। কিন্তু গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বিএনপি-জামাত নেতৃত্ব সহ্য করতে পারে না। মানুষ শান্তিতে থাকবে, হাসি মুখে জীবনযাপন করবে তা ওদের সহ্য হয় না।
সারাবিশ্বে বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের রোলমডেল, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থা যখন বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ডিজিটাইজেশন, এমডিজির লক্ষ্যসমূহ অর্জন, জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব মোকাবেলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি ও পুরস্কারে ভূষিত করছে, তখনই ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে বিএনপি জামাত আবারও দেশে সন্ত্রাস, সহিংসতা শুরু করে।
যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা এবং বিএনপি নেত্রী আদালত হাজিরায় অনুপস্থিত থাকার উদ্দেশ্যে বিএনপি-জামাত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করে সারাদেশে তা-ব ও হত্যাযজ্ঞ শুরু করে।
পেট্রোলবোমায় ২৩১ জন নিরীহ মানুষ নিহত এবং ১ হাজার ১৮০ জন আহত হয়। ২ হাজার ৯০৩ টি গাড়ি, ১৮টি রেল গাড়ি ও ৮টি লঞ্চে আগুন দেয়।
পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করে ৭০টি সরকারি অফিস ও স্থাপনা ভাঙচুর এবং ৬টি ভূমি অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
জনগণকে ভোগান্তিতে রেখে, অমানবিক কষ্ট দিয়ে তাদের জীবন বিপন্ন করে বিএনপি নেত্রী নাটক করে ৬৮ জনকে নিয়ে আরাম আয়েশে ৯২ দিন অফিসে থাকেন। হত্যাযজ্ঞ ও তা-বের হুকুম দেন।
তার এই সন্ত্রাসী কর্মকা- জনসমর্থন পায়নি। ব্যর্থতার বোঝা নিয়ে আদালতে হাজিরা দিয়ে নাকে খত দিয়ে বাড়ী ফিরে যান।
আমি আপনাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই বিএনপি-জামাতের অনৈতিক অবরোধ কর্মসূচির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করায়।
অগ্নি-সন্ত্রাসীদের আটক করে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। তাদের বিচার কাজ চলছে। যারা আপনাদের আপনজনকে কেড়ে নিয়েছে, জানমালের ক্ষতিসাধন করেছে সেই অপরাধীরা অবশ্যই শাস্তি পাবে।

Picture

প্রিয় দেশবাসী,
আপনাদের সহযোগিতায় দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।
২০০৯ সালে যখন সরকার গঠন করি তখন ছিল বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা, চরম খাদ্যাভাব।
বিএনপি-জামাতের দুঃশাসন. দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং পরের দুই বছরে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দমননীতির ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল বিপর্যস্ত, বিশৃঙ্খলাপূর্ণ।
আমরা দায়িত্বভার গ্রহণ করে সবক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনি। মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস ফিরে আসে।
সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শেষ হয়েছে। এখন শুরু হয়েছে ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন জিডিপি’র ভিত্তিতে বিশ্বে ৪৫তম এবং ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে ৩৩তম স্থান অধিকার করেছে।
সেভ দ্যা চিলড্রেন-এর মাতৃসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম, ভারতের ১৪০ এবং পাকিস্তানের ১৪৯তম।
অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকনমিকস অ্যান্ড পিস-এর বিশ্বশান্তি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম, ভারতের ১৪৩তম এবং পাকিস্তানের ১৫৪তম।
ইকোনমিস্ট-এর ইনটেলিজেন্স ইউনিট-এর গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৫তম আর পাকিস্তানের অবস্থান ১০৮তম।
দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক তৃতীয় জাতিসংঘ বিশ্ব সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিব বান-কি মুন বলেছেন: ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে’।
গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। এর আগের ৫ বছরে গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.২ শতাংশ।
বিশ্বের খুব কম দেশই একটানা এত দীর্ঘ সময় ধরে ৬ শতাংশের উপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। অচিরেই প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে।
চলতি ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বাজেটের আকার ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা।
বিএনপি-জামাতের শেষ বছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ মার্কিন ডলার। এখন বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩১৪ মার্কিন ডলারে।
৫ কোটি মানুষ নিম্ন-আয়ের স্তর থেকে মধ্যম আয়ের স্তরে উন্নীত হয়েছে। দারিদ্র্যের হার ৪১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২.৪ শতাংশে নামিয়ে এনেছি।
২০০৬ সালে অতিদারিদ্র্যের হার ছিল ২৪.২ শতাংশ। তা এখন ৭.৯ শতাংশে নেমে এসেছে।
মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বেড়েছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে দেড় কোটি মানুষের চাকুরি দিয়েছি।
আমাদের সময়ে ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৪৮ জন কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে।
২০০৬ সালে রেমিট্যান্স আয় ছিল মাত্র ৪.৮০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৫.২ বিলিয়ন ডলারে।
একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩.৪৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
রপ্তানি আয় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এসে দাঁড়িয়েছে ৩২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ১৪ হাজার ৭৭ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা ১০০ অতিক্রম করেছে।
প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাব ইনশাআল্লাহ।
২০০৬ সালে গ্যাসের দৈনিক উৎপাদন ছিল মাত্র ১৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ২০১৫ সালে গ্যাস উৎপাদন গড়ে দৈনিক ২ হাজার ৭২৮ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।
সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। ১৬টির কাজ চলছে।
যোগাযোগ খাতে আমরা ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। ঢাকায় হাতিরঝিল প্রকল্প, কুড়িল-বিশ্বরোড বহুমুখী উড়াল সেতু, মিরপুর-বিমানবন্দর জিল্লুর রহমান উড়াল সেতু, বনানী ওভারপাস, মেয়র হানিফ উড়াল সেতু, টঙ্গীতে আহসানউল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু এবং চট্টগ্রামে বহদ্দারহাট উড়াল সেতু উদ্বোধন করা হয়েছে।
মগবাজার-মালিবাগ উড়ালসেতুর নির্মাণ কাজ অচিরেই শেষ হবে। ঢাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ চলছে।
প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নিজস্ব অর্থায়নে দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম নির্মাণ প্রকল্প পদ্মাসেতুর কাজ চলছে। ২০১৮ সালের মধ্যে পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। মাওয়া, শিবচর ও জাজিরাকে ঘিরে আধুনিক স্যাটেলাইট শহর গড়ে তুলব। মাদারিপুর, শরীয়তপুর ও কেরানিগঞ্জ জেগে উঠবে নতুন উদ্যমে।
আমার সরকার নবীনগর-ডিইপিজেড-চন্দ্রা সড়ক এবং ঢাকা-চট্রগ্রাম এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ সড়ক ৪-লেনে উন্নীত করেছে।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু হবে। নারায়ণগঞ্জের ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছি।
অচিরেই জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।

সচেতন দেশবাসী,
বিএনপি-জামাত জোট আমলে বাংলাদেশ ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে।
২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য-শস্য উৎপাদন হয়েছে।
মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত।
আমরা এখন চাল রপ্তানি শুরু করেছি।
২০০১-এ বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসে শিক্ষার হার ৬৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪৪ শতাংশে এনেছিল। দেশের বর্তমানে শিক্ষার হার ৭১ শতাংশ।
আওয়ামী লীগ সরকার ৭ বছরে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ১৯২ কোটি বই বিতরণ করেছে।
এবছরের পহেলা জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায় ৩৩ কোটি ৩৭ লাখ ৬২ হাজার ৭২২ টি বই বিনামূল্যে বিতরণ করেছি।
প্রাথমিক থেকে ডিগ্রী পর্যন্ত ১ কোটি ২১ লাখ ৭৮ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও উপ-বৃত্তি আওতায় আনা হয়েছে।
২৬ হাজার ১৯৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ এবং ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষকের চাকুরি সরকারি করা হয়েছে।
যে সকল উপজেলায় সরকারি স্কুল ও কলেজ নাই সেখানে একটি করে স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণ করা হচ্ছে।
প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।
সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ১৭২ টি কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

প্রিয় দেশবাসী,
স্বাস্থ্যসেবা এখন মানুষের দোরগোড়ায়।
সাড়ে ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। মানুষ বিনামূল্যে ৩২ পদের ঔষধ পাচ্ছেন।
এ পর্যন্ত সাড়ে ১২ হাজারের বেশি ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১৩ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়েছি। আরও ১০ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে।
২০০৬ সালে গড় আয়ু ছিল ৬৬.৫ বছর, এখন বেড়ে হয়েছে ৭১ বছরের বেশী। শিশু ও মাতৃ-মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে।
নতুন ১১ টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ চালু করা হয়েছে।
দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী ১ লাখ পরিবারের মধ্যে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সব দরিদ্র পরিবারের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

প্রিয় দেশবাসী,
গত ৭ বছরে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টায় ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি।
৫ হাজার ২৭৫ টি ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২০০ ধরণের ডিজিটাল সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে এখন মোবাইল সীম গ্রাহকের সংখ্যা ১৩ কোটির বেশী। ইন্টারনেট গ্রাহক ৫ কোটি ৭ লাখ ৭ হাজারের বেশী।
আশা করছি ২০১৬ সালেই মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপন করা হবে।
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এবং যশোরে হাই-টেক পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। বিভাগীয় শহরে সিলিকন সিটি স্থাপনের কার্যক্রম চলছে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ওয়াই-ফাই-এর মাধ্যমে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া শুরু হয়েছে।
২৫ হাজার ওয়েবসাইট নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম ওয়েব পোর্টাল “তথ্য বাতায়ন” চালু করেছি যা আর্ন্তজাতিকভাবে পুুরস্কৃত হয়।
ইন্টারনেট ব্যবহারে এখন ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। থ্রীজি সেবা চালু করা হয়েছে। এবছরই ফোর জি চালু করা হবে।
রাশিয়ার সহায়তায় ১ লাখ ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৪০০ মেঘাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প - রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র - স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।

সম্মানিত দেশবাসী,
নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন করেছি। বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটি ৪ মাস থেকে ৬ মাসে বৃদ্ধি করেছি।
স্থানীয় সরকারে নারীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।
বাংলাদেশ এবারও লিঙ্গ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পদে নারীর অবস্থানের দিক থেকে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ।
জাতীয় সংসদকে সকল কর্মকা-ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছি। বিরোধীদলকে ধন্যবাদ, তারা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের অভিমত দিচ্ছেন, আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।
গণকর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৯ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারিদের ৬০ বছর করা হয়েছে।
সামরিক-অসামরিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন ১২৩ ভাগ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পদমর্যাদা বৃদ্ধি ও ব্যাপক পদোন্নতির সুযোগ করে দিয়েছি।
জাতির পিতা প্রণীত ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আর্মড ফোর্সেস গোল- ২০৩০ নির্ধারণ করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীকে অত্যাধুনিক যুদ্ধসরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।
পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে এবং ইন্সপেক্টর পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়েছে।
পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, বিজিবি ও সশস্ত্রবাহিনীর ঝুঁকিভাতা দেওয়া হচ্ছে।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়েছে।
বিএনপি-জামাত জোট সরকার ২৭টি পাটকল বন্ধ করেছিল। আমরা তা চালু করেছি।
৮ হাজার ৫০৭ টি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।
প্রায় ৪৭ লাখ ১৩ হাজার মানুষ বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত ও প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। এজন্য বছরে প্রায় ২১০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে।
সরকার হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দিয়েছে। হিজড়া, বেদে, হরিজন, দলিতসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চা শ্রমিকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

প্রিয় দেশবাসী,
আমরা দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করেছি। কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে।
দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে বাংলাদেশ ছিল বাক-স্বাধীনতা হরণের দেশ, সাংবাদিক নির্যাতনের দেশ।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশের মিডিয়া এখন সম্পূূর্ণ স্বাধীন। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারছে।
সরকার নতুন বেসরকারি ৩২টি টেলিভিশন, ২২টি এফএম রেডিও এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিও চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছে।
জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালাসহ তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা করেছে।
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেছি। সাংবাদিকদের সহায়তায় এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে গত বছরে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথমবারের মত বাংলাদেশ কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমরা পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়েকে পরাজিত করেছি।
আমাদের মেয়েরা এএফসি অনুর্ধ্ব-১৪ ফুটবলে আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
জাতীয় নারী ক্রিকেট দল জায়গা করে নিয়েছে আগামী বছরের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে।
আমরা এমডিজি ১ থেকে ৬ অর্জন করেছি। বাংলাদেশ এমডিজি অ্যাওয়ার্ড, সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড এবং ওঞট–এর ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি’ পুরস্কার পেয়েছে।
এমডিজির মত আমরা জাতিসংঘ গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করায় জাতিসংঘ আমাকে পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে। প্রিয় দেশবাসী, এ সম্মান আমি আপনাদের উৎসর্গ করলাম।
তথ্য প্রযুক্তি প্রসারের জন্য আইটিইউ আমাদের ‘ওঈঞং রহ ঝঁংঃধরহধনষব উবাবষড়ঢ়সবহঃ অধিৎফ ২০১৫’ প্রদান করেছে।
বাংলাদেশ জাতিসংঘে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হয়েছে।

প্রিয় দেশবাসী,
আমরা শান্তি এবং সহ-অবস্থানে বিশ্বাসী। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল বৈশিষ্ট “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়”।
এই মূলনীতির উপর ভিত্তি করে প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন পথ রচনায় সক্ষম হয়েছি।
১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ভারতের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তি করেন। বাংলাদেশের পার্লামেন্টে সে চুক্তি পাশ হয়।
দীর্ঘ ৪৪ বছর পর ২০১৫ সালে ভারতের পার্লামেন্টে স্থলসীমানা চুক্তি অনুমোদিত হয়। ফলে ৫২ হাজার ছিটমহলবাসীর ৬৮ বছরের মানবেতর জীবনের অবসান হয়েছে।
আলোচনার মাধ্যমে আমরা ভারতের সাথে স্থলসীমানা সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছি।
ছিটমহল বিনিময়ে ১০ হাজার ৫০ একর জমি বাংলাদেশের ভূখ-ে যোগ হয়েছে।
১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সমুদ্রসীমা আইন করে যান।
তারই ভিত্তিতে আমরা মায়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছি। সমুদ্রে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় দেশের নিরঙ্কুশ অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এরফলে বিশাল সমুদ্র এলাকায় সমুদ্রসম্পদ আহরণের পথ সুগম হয়েছে। যা জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখবে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ এখন একটি ‘ব্র্যান্ড নেম’। এটি আমাদের জন্য গৌরবের।

শান্তিপ্রিয় দেশবাসী,
আমাদের সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ যখন উন্নয়নের সোপানে এগিয়ে যাচ্ছে তখন মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির দোসররা আবারও অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
আমরা শান্তিপ্রিয় জাতি, সন্ত্রাস সহিংসতায় বাঙালি বিশ্বাসী নয়।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, হাজার বছর ধরে সব ধমের্র মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে।
সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করছেন। কাউকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেওয়া হবে না।
বিপথগামীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর হব।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তির আসল উদ্দেশ্য হল জঙ্গিবাদ উস্কে দেওয়া, যুদ্ধাপরাধী, গণহত্যাকারী, রাজাকার-আলবদরদের রক্ষা করা।
আমাদের ওয়াদা ছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার। আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছি, রায় কার্যকর করা হচ্ছে, কেউই বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।
যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না, জনগণ তাদের প্রতাখ্যান করেছে।
একটি দলের নেত্রী ও তার নেতারা মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মাহুতি দানকারী ৩০ লাখ শহীদের প্রতি কটাক্ষ করেছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অপমান করেছে।
আমি এই ঘৃণ্য বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এদেশের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। যারা দেশের ইতিহাসকে বিকৃত করবে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

প্রিয় দেশবাসী,
মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কারও কোন কটাক্ষ সহ্য করা হবে না।
এদের বিরুদ্ধে ঐকমত্য গড়ে তুলুন। আমরা আপনাদের পাশে আছি।
গত সপ্তাহে শান্তিপূর্ণভাবে ২২৩টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অতীতের যেকোন সময়ের তুলনায় এই নির্বাচন ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ।
নির্বাচনে আপনারা আপনাদের পছন্দের প্রার্থীদের বিজয়ী করেছেন, জঙ্গি ও পেট্রোল বোমাবাজদের প্রত্যাখ্যান করেছেন, সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।

সম্মানিত দেশবাসী,
আমি ২০০৮ সালে বলেছিলাম, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করব।
আমরা নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। ইনশাআল্লাহ ২০২১ সালের আগেই আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হব।
গ্যালোপের হোপ ইনডেক্সে এসেছে, সুইজারল্যান্ডের পরেই বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে আশাবাদী মানুষের দেশ।
আশাবাদী এবং আত্মবিশ্বাসী দেশবাসীকে সাথে নিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ। আমি আপনাদের সর্বাতœক সহযোগিতা চাই।
আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের জন্য কাজ করা, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা।
আওয়ামী লীগ দেশকে স্বাধীনতা দিয়েছে। গণতন্ত্র দিয়েছে। যখনই সরকার গঠন করেছে দেশের উন্নয়ন করেছে।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক ঐতিহাসিক দিকসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। আসুন, দল-মত ও বিভক্তির উর্ধ্বে উঠে এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখি। দেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি।
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি আমরা। কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।
আমরা বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হবই। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ্।
আপনারা সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে এ প্রার্থনা করছি।
আপনাদের সবাইকে আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ।

খোদা হাফেজ।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।


নোয়াখালী জেলা জেএসডি’র কাউন্সিল অনুষ্ঠিত: আওয়ামী লীগের ভুল রাজনীতি দেশকে চরম ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে ....আ স ম আবদুর রব

মঙ্গলবার, ০৫ জানুয়ারী ২০১৬

আয়েশ আক্তার রুবি,বিশেষ সংবাদদাতা ,বাপসনিউজ:নোয়াখালী জেলা জেএসডি’র কাউন্সিলে প্রধান অতিথির ভাষণে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি  আ স ম আবদুর রব বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভুল রাজনীতি দেশকে চরম ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে। রাজনীতি, অথনীতি ও রাষ্ট্র-ক্ষমতা সকল ক্ষেত্রেই এ ঝুঁকি বিদ্যমান। এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক সকল প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সব কিছুরই নৈতিক অধ:পতন ঘটেছে। ইতিমধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা যতটুকু ছিল তাও ভেঙ্গে পড়েছে। দেশের জনগন আজ ভোটের অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বঞ্চিত এক ধরনের ক্রীতদাসে পরিনত হয়েছে। জনাব রব বলেন, সরকারের উন্নয়ন উন্মাদনায় দেশের জমি-নদী-বন ও ব্যাংক সব কিছু উজাড় হয়ে যাচ্ছে। অথচ কোটি কোটি বেকারের কর্মসংস্থানের কোন ব্যবস্থা হচ্ছেনা। জেএসডি মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ। বিদ্যমান ব্যবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৬ কোটি মানুষের চাহিদা পুরন করা সম্ভব নয়। এ জন্য দেশের রাজনীতি, রাষ্ট্র-ব্যবস্থাপনা ও সংবিধান পরিবর্তন করে দেশে পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ, প্রাদেশিক ব্যবস্থা, স্ব-শাসিত স্থানীয় সরকার, উপ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট ও জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন সহ জেএসডি’র ১০ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। একমাত্র এ কর্মসুচীর ভিত্তিতে ব্যাপক গণ-আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমেই রাষ্ট্রকে ঝুঁকি মুক্ত করে কাংখিত গনতন্ত্র, উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। বক্তব্যের শুরুতে জনাব রব মাইজদী ও নোয়াখালীতে তাঁর রাজনীতির প্রথম জীবনের আন্দোলন-সংগ্রামের স্মৃতিচারন করে বলেন, এখানেই স্বাধীনতার রূপকার সিরাজুল আলম খানের সাথে তাঁর দেখা হয় এবং তিনি নিউক্লিয়াসে যোগদান করে স্বাধীনতার শপথ গ্রহন করেন।খবর বাপসনিঊজ ।
বিশেষ অতিথির ভাষণে জেএসডি সাধারন সম্পাদক  আবদুল মালেক রতন বলেন, সরকার ১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীর বিচার করতে চাচ্ছেন তা অবশ্যই অভিনন্দনযোগ্য। তবে আজকে এ বিচার অনুষ্ঠান যত কঠিন হবে স্বাধীনতা পরবর্তীতে তাদেরকে আমাদের হাত থেকে পাকিস্তানে ফেরৎ না পাঠানো হলে তা অনেক সহজ হতো।

আজ ৫ জানুয়ারী,সকাল ১১টায় নোয়াখালী শিল্পকলা একাডেমীতে নোয়াখালী জেলা জেএসডি’র কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশনে নেতৃবৃন্দ এ সকল কথা বলেন। নোয়াখালী জেলা জেএসডি’র আহবায়ক  আবদুল জলিল চেয়ারম্যান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে আরও বক্তব্য রাখেন  তানিয়া ফেরদৌসী, মোশারফ হোসেন, এ্যাড. কাউসার নিয়াজী, এস এম রানা চৌধুরী, নুরুর রহমান চেয়ারম্যান, সুলতান আহম্মদ চেয়ারম্যান, আবুল কাশেম পাটোয়ারী, আনেয়ারুল কবির মানিক, মোহাম্মদ উল্যাহ, হাবিবুর রহমান বাবুল, ইউনুছ মাষ্টার, মফিজুর রহমান, আমিনুর রসুল দুলাল, আলাউদ্দিন চেয়ারম্যান, শহীদুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।


বিবার্তা’র সহ-সম্পাদক লিয়নের জন্মদিন পালন

মঙ্গলবার, ০৫ জানুয়ারী ২০১৬

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:কেক কাটার মধ্য দিয়ে বিবার্তা’র সহ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন খান লিয়নের ২৯তম জন্মদিন পালন করা হয়েছে। 

বিবার্তা’র সহ-সম্পাদক লিয়নের জন্মদিন পালন

সোমবার বিবার্তা২৪.নেট এর কার্যালয়ে লিয়নকে সাথে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসি)’র চেয়ারম্যান ও বিবার্তা’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদ এবং বিবার্তা’র সম্পাদক বাণী ইয়াসমিন হাসি। 

বিবার্তা’র সহ-সম্পাদক লিয়নের জন্মদিন পালন

এসময় উপস্থিত অতিথি ও সহকর্মীরা লিয়নকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পিআইডি নিউজ রুমের তথ্য কর্মকর্তা খাদিজা আখতার ও ইংরেজি দৈনিক নিউ এইজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক মো. ওয়াশিম উদ্দিন ভূঁইয়া। 

বিবার্তা’র সহ-সম্পাদক লিয়নের জন্মদিন পালন

অনুষ্ঠানে সহকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেস্ক ইনচার্জ মাজহার মুনতাসসির, রোকনুল ইসলাম কাফী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফম রিয়াজ উদ্দিন মানিক, সহ-সম্পাদক জাকিয়া আক্তার যুথি, ইয়াসিন পাভেল, আছিয়া নিশি, রুহুল আমিন রয়েল, রিপোর্টার মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, উজ্জ্বল এ গোমেজ ও অফিস স্টাফ আরিফ আহমেদ। 

বিবার্তা’র সহ-সম্পাদক লিয়নের জন্মদিন পালন

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে লিয়ন বলেন, চেয়ারম্যান স্যার ও আপুকে ধন্যবাদ আমার জন্মদিন উপলক্ষে এমন একটি সুন্দর আয়োজন করার জন্য।  সহকর্মীদেরও ধন্যবাদ জানাই আমাকে সব সময় কাজে উৎসাহ-সাহচার্য দেয়ার জন্য।  সকলের নিকট দোয়া চাই আমি আমার মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে বিবার্তাকে যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। 

নাজিম উদ্দিন খান লিয়নের পরিচিতি:

১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকার জুরাইনে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন নাজিম উদ্দিন খান লিয়ন।  বাবা-লুৎফর রহমান খান ও মা-নীলুফার আইরিন মুজিব। 

তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়।  তার মেঝ ভাই নাসির উদ্দিন খান ও ছোট ভাই আসিফ উদ্দিন খান রাতুল। 

বিবার্তা’র সহ-সম্পাদক লিয়নের জন্মদিন পালন

পড়াশুনা: রাজধানী ঢাকার দনিয়া একে স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি, ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজ থেকে এইচএসসি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করেন। 

২০১১ সালে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় কন্ট্রিবিউটর হিসেবে সাংবাদিকতায় কাজ শুরু করেন তিনি।  এরপর বিবার্তা২৪.কম ও বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম অনলাইন পত্রিকায় রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। 

বর্তমানে তিনি অনলাইন পত্রিকা বিবার্তা২৪.নেট এ সহ-সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন। 


বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন জেলা কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজন সম্মাননায় হাফসা হাসিন অরণ্য

সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৫

A  S Alam   Bapsবাপ্ নিউজ :অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন জেলা কৃতী শিক্ষার্থী ও গুণীজন সম্মাননায় অন্যান্যদের সঙ্গে (পঞ্চম শ্রেণীতে ২০১৪ ট্যালেন্ডপুল বৃত্তি প্রাপ্ত হওয়ায়) ভূষিত হলেন কথাসাহিত্যিক, বন্যপ্রাণী বিশারদ ও পরিবেশবিদ আলম শাইনের কন্যা হাফসা হাসিন অরণ্য। ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিশিষ্ট লেখক, কবি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ড. নূহ-উল-আলম লেলিন-এর হাত থেকে সম্মাননা গ্রহন করেন। উল্লেখ্য উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন অধ্যাপক আব্দুল মান্নান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন মুন্সিগঞ্জ কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যক্ষ মো: জাহাঙ্গীর হাসান। অনুষ্ঠানটি ২৬ ডিসেম্বর ২০১৫ সকাল ১০.৩০মিনিটে মুন্সিগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।